📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ইসলামের প্রাথমিক যুগের মুত'আ

📄 ইসলামের প্রাথমিক যুগের মুত'আ


মুত'আ শব্দটি مُتْعَة ক্রিয়ামূল হইতে নির্গত, যাহার অর্থ সামান্য উপকার। তালাকপ্রাপ্তা মহিলাকে যে পরিধেয় বস্ত্র দেওয়া হয় তাহাকেও মুت'আ বলা হয়। কারণ তাহা মাহরের তুলনায় অতি সামান্য। আলোচ্য মুت'আ বিবাহ দুই অর্থে হয়। এক, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাক্ষিগণের সম্মুখে কোন স্ত্রীলোকের সহিত দাম্পত্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা। মেয়াদ উত্তীর্ণ হইলে এইরূপ সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটিয়া যায়। তবে বিচ্ছেদ ঘটিবার পর একটি ঋতুস্রাবের অপেক্ষা করিতে হয় যাহাতে স্ত্রীলোকটি সন্তান-সম্ভবা হইয়াছে কিনা তাহার সম্পর্কে স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। দুই, কোন লোক কোন মেয়েলোককে বলিল, আমি তোমার সহিত একদিন বা দুইদিন বাস করিব। এই দিনগুলিতে মিলনের বিনিময়ে আমি তোমাকে এই পরিমাণ পারিশ্রমিক দিব।
প্রথম প্রকার মুت'আ ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ে জায়েয ছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে তাহা চিরদিনের জন্য হারাম হইয়া যায়। দ্বিতীয় প্রকার মুত'আ হইল স্পষ্ট যেনা। ইহা ইসলামে কোন -সময়ই বৈধ ছিল না। অন্যান্য ধর্মেও তাহা বৈধ ছিল না। কারণ সুস্পষ্ট যেনা কোন ধর্মেই স্বীকৃত নয়। প্রথম প্রকার মুত'আয় সাক্ষীর প্রয়োজন ছিল, এমনকি তাহাতে অভিভাবকের অনুমতিও লইতে হইত। বিচ্ছেদ ঘটিবার পর অন্যের সহিত এইরূপ কোন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করিতে একটি হায়েযেরও অপেক্ষা করিতে হইত। এই কারণে ইহাকে স্পষ্ট যেনা বলা যাইত না। অপরদিকে ইহা বিবাহের আওতায়ও পড়ে না বরং ইহা তৃতীয় একটি ব্যবস্থা ছিল। মুت'আ বিবাহের দরুন মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হওয়া যাইত না (সীরাতুল মুস্তাফা, ১২৯)।

মুত'আ শব্দটি مُتْعَة ক্রিয়ামূল হইতে নির্গত, যাহার অর্থ সামান্য উপকার। তালাকপ্রাপ্তা মহিলাকে যে পরিধেয় বস্ত্র দেওয়া হয় তাহাকেও মুত'আ বলা হয়। কারণ তাহা মাহরের তুলনায় অতি সামান্য। আলোচ্য মুত'আ বিবাহ দুই অর্থে হয়। এক, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাক্ষিগণের সম্মুখে কোন স্ত্রীলোকের সহিত দাম্পত্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা। মেয়াদ উত্তীর্ণ হইলে এইরূপ সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটিয়া যায়। তবে বিচ্ছেদ ঘটিবার পর একটি ঋতুস্রাবের অপেক্ষা করিতে হয় যাহাতে স্ত্রীলোকটি সন্তান-সম্ভবা হইয়াছে কিনা তাহার সম্পর্কে স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। দুই, কোন লোক কোন মেয়েলোককে বলিল, আমি তোমার সহিত একদিন বা দুইদিন বাস করিব। এই দিনগুলিতে মিলনের বিনিময়ে আমি তোমাকে এই পরিমাণ পারিশ্রমিক দিব।
প্রথম প্রকার মুت'আ ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ে জায়েয ছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে তাহা চিরদিনের জন্য হারাম হইয়া যায়। দ্বিতীয় প্রকার মুত'আ হইল স্পষ্ট যেনা। ইহা ইসলামে কোন -সময়ই বৈধ ছিল না। অন্যান্য ধর্মেও তাহা বৈধ ছিল না। কারণ সুস্পষ্ট যেনা কোন ধর্মেই স্বীকৃত নয়। প্রথম প্রকার মুত'আয় সাক্ষীর প্রয়োজন ছিল, এমনকি তাহাতে অভিভাবকের অনুমতিও লইতে হইত। বিচ্ছেদ ঘটিবার পর অন্যের সহিত এইরূপ কোন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করিতে একটি হায়েযেরও অপেক্ষা করিতে হইত। এই কারণে ইহাকে স্পষ্ট যেনা বলা যাইত না। অপরদিকে ইহা বিবাহের আওতায়ও পড়ে না বরং ইহা তৃতীয় একটি ব্যবস্থা ছিল। মুত'আ বিবাহের দরুন মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হওয়া যাইত না (সীরাতুল মুসতাফা, ১২৯)।

মুত'আ শব্দটি مُتْعَة ক্রিয়ামূল হইতে নির্গত, যাহার অর্থ সামান্য উপকার। তালাকপ্রাপ্তা মহিলাকে যে পরিধেয় বস্ত্র দেওয়া হয় তাহাকেও মুত'আ বলা হয়। কারণ তাহা মাহরের তুলনায় অতি সামান্য। আলোচ্য মুত'আ বিবাহ দুই অর্থে হয়। এক, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাক্ষিগণের সম্মুখে কোন স্ত্রীলোকের সহিত দাম্পত্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা। মেয়াদ উত্তীর্ণ হইলে এইরূপ সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটিয়া যায়। তবে বিচ্ছেদ ঘটিবার পর একটি ঋতুস্রাবের অপেক্ষা করিতে হয় যাহাতে স্ত্রীলোকটি সন্তান-সম্ভবা হইয়াছে কিনা তাহার সম্পর্কে স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। দুই, কোন লোক কোন মেয়েলোককে বলিল, আমি তোমার সহিত একদিন বা দুইদিন বাস করিব। এই দিনগুলিতে মিলনের বিনিময়ে আমি তোমাকে এই পরিমাণ পারিশ্রমিক দিব।
প্রথম প্রকার মুত'আ ইসলামের প্রাথমিক পর্যায়ে জায়েয ছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে তাহা চিরদিনের জন্য হারাম হইয়া যায়। দ্বিতীয় প্রকার মুত'আ হইল স্পষ্ট যেনা। ইহা ইসলামে কোন -সময়ই বৈধ ছিল না। অন্যান্য ধর্মেও তাহা বৈধ ছিল না। কারণ সুস্পষ্ট যেনা কোন ধর্মেই স্বীকৃত নয়। প্রথম প্রকার মুত'আয় সাক্ষীর প্রয়োজন ছিল, এমনকি তাহাতে অভিভাবকের অনুমতিও লইতে হইত। বিচ্ছেদ ঘটিবার পর অন্যের সহিত এইরূপ কোন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করিতে একটি হায়েযেরও অপেক্ষা করিতে হইত। এই কারণে ইহাকে স্পষ্ট যেনা বলা যাইত না। অপরদিকে ইহা বিবাহের আওতায়ও পড়ে না বরং ইহা তৃতীয় একটি ব্যবস্থা ছিল। মুত'আ বিবাহের দরুন মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হওয়া যাইত না (সীরাতুল মুস্তাফা, ১২৯)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 খায়বার যুদ্ধে মহিলাদের অংশগ্রহণ

📄 খায়বার যুদ্ধে মহিলাদের অংশগ্রহণ


ইবন ইসহাক বলেন, খায়বার যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত কিছু সংখ্যক মহিলাও অংশগ্রহণ করিয়াছিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাদিগকে গনীমতের সম্পদ হইতে কিছু দান করিয়াছিলেন, পূর্ণ অংশ দান করেন নাই।
বানু গিফারের জনৈকা মহিলা বলেন, আমি বানু গিফারের কতিপয় মহিলাসহ রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বার যাত্রাকালে তাহার দরবারে গিয়া উপস্থিত হইলাম এবং বলিলাম, হে আল্লাহ্ রাসূল! আমরা মনস্থ করিয়াছি যে, এই সফরে আমরা আপনার সঙ্গী হইব এবং আমরা যুদ্ধাহতদের পরিচর্যা করিব এবং মুসলিম সৈন্যদিগকে যথাসম্ভব সাহায্য করিব। তিনি বলিলেন, عَلَى بركة الله (আল্লাহ বরকত দিন)। এই কথার দ্বারা তিনি তাহাদিগকে অনুমতি প্রদান করিয়াছিলেন। ঐ গিফারী মহিলা বলেন, সেই মতে আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর সংগে সফরে বাহির হইলাম। আমি তখন অল্প বয়স্কা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে তাঁহার সহ-আরোহী করিয়া তাঁহার হাওদার গাঠরীর উপর বসাইয়া লইলেন। উক্ত গিফারী মহিলা বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বার জয় করার পর আমাদিগকে গনীমতের সম্পদ হইতে পুরস্কৃত করিলেন। আমার গলায় যে হারটি দেখিতে পাইতেছেন, ইহা তিনি সেদিন আমাকে দিয়াছিলেন। আল্লাহ্র শপথ! ইহা আমি কখনও আমার গলা হইতে সরাইব না। বর্ণনাকারী বলেন, সত্যি সত্যি ইহা আমৃত্য তাহার গলায়ই ছিল। তিনি মৃত্যুকালে ওসিয়াত করিয়া গিয়াছিলেন যে, এই হারটি যেন কবরে তাহার সহিত দেওয়া হয় (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, ৩খ., ২৩৬)।

ইবন ইসহাক বলেন, খায়বার যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত কিছু সংখ্যক মহিলাও অংশগ্রহণ করিয়াছিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাদিগকে গনীমতের সম্পদ হইতে কিছু দান করিয়াছিলেন, পূর্ণ অংশ দান করেন নাই।
বানু গিফারের জনৈকা মহিলা বলেন, আমি বানু গিফারের কতিপয় মহিলাসহ রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বার যাত্রাকালে তাহার দরবারে গিয়া উপস্থিত হইলাম এবং বলিলাম, হে আল্লাহ্ রাসূল! আমরা মনস্থ করিয়াছি যে, এই সফরে আমরা আপনার সঙ্গী হইব এবং আমরা যুদ্ধাহতদের পরিচর্যা করিব এবং মুসলিম সৈন্যদিগকে যথাসাধ্য সাহায্য করিব। তিনি বলিলেন, عَلَى بركة الله (আল্লাহ বরকত দিন)। এই কথার দ্বারা তিনি তাহাদিগকে অনুমতি প্রদান করিয়াছিলেন। ঐ গিফারী মহিলা বলেন, সেই মতে আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর সংগে সফরে বাহির হইলাম। আমি তখন অল্প বয়স্কা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে তাঁহার সহ-আরোহী করিয়া তাঁহার হাওদার গাঠরীর উপর বসাইয়া লইলেন। উক্ত গিফারী মহিলা বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বার জয় করার পর আমাদিগকে গনীমতের সম্পদ হইতে পুরস্কৃত করিলেন। আমার গলায় যে হারটি দেখিতে পাইতেছেন, ইহা তিনি সেদিন আমাকে দিয়াছিলেন। আল্লাহ্র শপথ! ইহা আমি কখনও আমার গলা হইতে সরাইব না। বর্ণনাকারী বলেন, সত্যি সত্যি ইহা আমৃত্য তাহার গলায়ই ছিল। তিনি মৃত্যুকালে ওসিয়াত করিয়া গিয়াছিলেন যে, এই হারটি যেন কবরে তাহার সহিত দেওয়া হয় (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২৩৬)।

ইবন ইসহাক বলেন, খায়বার যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত কিছু সংখ্যক মহিলাও অংশগ্রহণ করিয়াছিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাদিগকে গনীমতের সম্পদ হইতে কিছু দান করিয়াছিলেন, পূর্ণ অংশ দান করেন নাই।
বানু গিফারের জনৈকা মহিলা বলেন, আমি বানু গিফারের কতিপয় মহিলাসহ রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বার যাত্রাকালে তাহার দরবারে গিয়া উপস্থিত হইলাম এবং বলিলাম, হে আল্লাহ্ রাসূল! আমরা মনস্থ করিয়াছি যে, এই সফরে আমরা আপনার সঙ্গী হইব এবং আমরা যুদ্ধাহতদের পরিচর্যা করিব এবং মুসলিম সৈন্যদিগকে যথাসাধ্য সাহায্য করিব। তিনি বলিলেন, عَلَى بركة الله (আল্লাহ বরকত দিন)। এই কথার দ্বারা তিনি তাহাদিগকে অনুমতি প্রদান করিয়াছিলেন। ঐ গিফারী মহিলা বলেন, সেই মতে আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর সংগে সফরে বাহির হইলাম। আমি তখন অল্প বয়স্কা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে তাঁহার সহ-আরোহী করিয়া তাঁহার হাওদার গাঠরীর উপর বসাইয়া লইলেন। উক্ত গিফারী মহিলা বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বার জয় করার পর আমাদিগকে গনীমতের সম্পদ হইতে পুরস্কৃত করিলেন। আমার গলায় যে হারটি দেখিতে পাইতেছেন, ইহা তিনি সেদিন আমাকে দিয়াছিলেন। আল্লাহ্র শপথ! ইহা আমি কখনও আমার গলা হইতে সরাইব না। বর্ণনাকারী বলেন, সত্যি সত্যি ইহা আমৃত্য তাহার গলায়ই ছিল। তিনি মৃত্যুকালে ওসিয়াত করিয়া গিয়াছিলেন যে, এই হারটি যেন কবরে তাহার সহিত দেওয়া হয় (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২৩৬)।

ইবন ইসহাক বলেন, খায়বার যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত কিছু সংখ্যক মহিলাও অংশগ্রহণ করিয়াছিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাদিগকে গনীমতের সম্পদ হইতে কিছু দান করিয়াছিলেন, পূর্ণ অংশ দান করেন নাই।
বানু গিফারের জনৈকা মহিলা বলেন, আমি বানু গিফারের কতিপয় মহিলাসহ রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বার যাত্রাকালে তাহার দরবারে গিয়া উপস্থিত হইলাম এবং বলিলাম, হে আল্লাহ্ রাসূল! আমরা মনস্থ করিয়াছি যে, এই সফরে আমরা আপনার সঙ্গী হইব এবং আমরা যুদ্ধাহতদের পরিচর্যা করিব এবং মুসলিম সৈন্যদিগকে যথাসাধ্য সাহায্য করিব। তিনি বলিলেন, عَلَى بركة الله (আল্লাহ বরকত দিন)। এই কথার দ্বারা তিনি তাহাদিগকে অনুমতি প্রদান করিয়াছিলেন। ঐ গিফারী মহিলা বলেন, সেই মতে আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর সংগে সফরে বাহির হইলাম। আমি তখন অল্প বয়স্কা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে তাঁহার সহ-আরোহী করিয়া তাঁহার হাওদার গাঠরীর উপর বসাইয়া লইলেন। উক্ত গিফারী মহিলা বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বার জয় করার পর আমাদিগকে গনীমতের সম্পদ হইতে পুরস্কৃত করিলেন। আমার গলায় যে হারটি দেখিতে পাইতেছেন, ইহা তিনি সেদিন আমাকে দিয়াছিলেন। আল্লাহ্র শপথ! ইহা আমি কখনও আমার গলা হইতে সরাইব না। বর্ণনাকারী বলেন, সত্যি সত্যি ইহা আমৃত্য তাহার গলায়ই ছিল। তিনি মৃত্যুকালে ওসিয়াত করিয়া গিয়াছিলেন যে, এই হারটি যেন কবরে তাহার সহিত দেওয়া হয় (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, ৩খ., ২৩৬)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 খায়বারের শহীদগণ

📄 খায়বারের শহীদগণ


ইবন ইসহাকের মতে কুরায়শ, বানু উমাইয়্যা, ইব্‌ন আব্দ শাম্স ও তাহাদের মিত্রদের মধ্য হইতে রাবী'আ ইব্‌ন আকছাম, ইব্‌ন সাখবারা, ছাকীফ ইব্‌ন আমর ও রিফা'আ ইন্ন মাসরূহ; বানু আসাদ ইব্‌ন আবদুল উযযা হইতে আবদুল্লাহ ইবনুল-হুবায়ব, ইব্‌ন হিশাম বলেন, ইন্ন উহায়ব ইন্ন সুহায়ম ইব্‌ন গায়বা, বানু সা'দ ইব্‌ন লায়ছ গোত্রের লোক, বানু আসাদ গোত্রের মিত্র এবং তাহাদের ভাগিনা। আনসার গোত্রের বানূ সালামা হইতে : বিশ্ব ইবনুল বারাআ ইন্ন মা'রূর। রাসূলুল্লাহ (স)-কে প্রদত্ত বিষযুক্ত বকরীর গোশত ভক্ষণ করিয়া তিনি ইন্তিকাল করিয়াছিলেন এবং ফুদায়ল ইব্‌ নু'মান।
বানু যুরায়ক হইতে মাস'উদ ইবন সা'দ ইব্‌ন কায়স ইন্ন খালদা ইব্‌ন আমির ইন্ন যুরায়ক। আওস গোত্রের বানু আবদিল আশহাল হইতে মাহমূদ ইবন মাসলামা ইন্ন খালিদ ইব্‌ন আদী। বানু আমর ইব্‌ন আওফ হইতে আবূ সিয়াহ ইব্‌ন ছাবিত ইবনুন নুমান ইব্‌ উমায়্যা, আল-হারিছ ইবন হাতিব, উরওয়া ইন্ন মুররা ইব্‌ন সুরাকা, আওস ইবনুল কাইদ, আনীফ ইব্‌ন হাবীব, ছাবিত ইব্‌ন আছিলা ও তালহা ইব্‌ন ইয়াহয়া ইন্ন সুলায়ল ইন্ন দামরা।
বানূ গিফার হইতে উমরা ইন্ন উকবা; তাঁহাকে তীর নিক্ষেপে শহীদ করা হয়। আসলাম গোত্র হইতে 'আমের ইবনুল আকওয়া' ও আল-আসওয়াদ আর-রাঈ; তাহার নাম ছিল আসলাম। ইব্‌ন হিশামের মতে আসওয়াদ রাঈ খায়বারের অধিবাসী ছিলেন। ইন্ন শিহাব যুহরী খায়বারের আরও যেই সকল শহীদের নাম উল্লেখ করিয়াছেন তাঁহাদের মধ্যে রহিয়াছেন বানু যুহরা হইতে মাসউদ ইবন রাবীআ; তিনি প্রকৃতপক্ষে আল-কারা গোত্রের মিত্র ছিলেন। আনসারদের বানূ আমর ইব্‌ন আওফ গোত্র হইতে আওস ইন্ন কাতাদা (ইব্‌ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, ৩খ., পৃ. ২৩৭-২৩৮)।

ইবন ইসহাকের মতে কুরায়শ, বানু উমাইয়্যা, ইব্‌ন আব্দ শাম্স ও তাহাদের মিত্রদের মধ্য হইতে রাবী'আ ইব্‌ন আকছাম, ইব্‌ন সাখবারা, ছাকীফ ইব্‌ন আমর ও রিফা'আ ইন্ন মাসরূহ; বানু আসাদ ইব্‌ন আবদুল উযযা হইতে আবদুল্লাহ ইবনুল-হুবায়ব, ইব্‌ন হিশাম বলেন, ইন্ন উহায়ব ইন্ন সুহায়ম ইব্‌ন গায়বা, বানু সা'দ ইব্‌ন লায়ছ গোত্রের লোক, বানু আসাদ গোত্রের মিত্র এবং তাহাদের ভাগিনা। আনসার গোত্রের বানূ সালামা হইতে : বিশ্ব ইবনুল বারাআ ইন্ন মা'রূর। রাসূলুল্লাহ (স)-কে প্রদত্ত বিষযুক্ত বকরীর গোশত ভক্ষণ করিয়া তিনি ইন্তিকাল করিয়াছিলেন এবং ফুদায়ল ইব্‌ নু'মান।
বানু যুরায়ক হইতে মাস'উদ ইবন সা'দ ইব্‌ন কায়স ইন্ন খালদা ইব্‌ন আমির ইন্ন যুরায়ক। আওস গোত্রের বানু আবদিল আশহাল হইতে মাহমূদ ইবন মাসলামা ইন্ন খালিদ ইব্‌ন আদী। বানু আমর ইব্‌ন আওফ হইতে আবূ সিয়াহ ইব্‌ন ছাবিত ইবনুন নুমান ইব্‌ উমায়্যা, আল-হারিছ ইবন হাতিব, উরওয়া ইন্ন মুররা ইব্‌ন সুরাকা, আওস ইবনুল কাইদ, আনীফ ইব্‌ন হাবীব, ছাবিত ইব্‌ন আছিলা ও তালহা ইব্‌ন ইয়াহয়া ইন্ন সুলায়ল ইন্ন দামরা।
বানূ গিফার হইতে উমরা ইন্ন উকবা; তাঁহাকে তীর নিক্ষেপে শহীদ করা হয়। আসলাম গোত্র হইতে 'আমের ইবনুল আকওয়া' ও আল-আসওয়াদ আর-রাঈ; তাহার নাম ছিল আসলাম। ইব্‌ন হিশামের মতে আসওয়াদ রাঈ খায়বারের অধিবাসী ছিলেন। ইন্ন শিহাব যুহরী খায়বারের আরও যেই সকল শহীদের নাম উল্লেখ করিয়াছেন তাঁহাদের মধ্যে রহিয়াছেন বানু যুহরা হইতে মাসউদ ইবন রাবীআ; তিনি প্রকৃতপক্ষে আল-কারা গোত্রের মিত্র ছিলেন। আনসারদের বানূ আমর ইব্‌ন আওফ গোত্র হইতে আওস ইন্ন কাতাদা (ইব্‌ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, ৩খ., পৃ. ২৩৭-২৩৮)।

ইবন ইসহাকের মতে কুরায়শ, বানু উমাইয়্যা, ইব্‌ন আব্দ শাম্স ও তাহাদের মিত্রদের মধ্য হইতে রাবী'আ ইব্‌ন আকছাম, ইব্‌ন সাখবারা, ছাকীফ ইব্‌ন আমর ও রিফা'আ ইন্ন মাসরূহ; বানু আসাদ ইব্‌ন আবদুল উযযা হইতে আবদুল্লাহ ইবনুল-হুবায়ব, ইব্‌ন হিশাম বলেন, ইন্ন উহায়ব ইন্ন সুহায়ম ইব্‌ন গায়বা, বানু সা'দ ইব্‌ন লায়ছ গোত্রের লোক, বানু আসাদ গোত্রের মিত্র এবং তাহাদের ভাগিনা। আনসার গোত্রের বানূ সালামা হইতে : বিশ্ব ইবনুল বারাআ ইন্ন মা'রূর। রাসূলুল্লাহ (স)-কে প্রদত্ত বিষযুক্ত বকরীর গোশত ভক্ষণ করিয়া তিনি ইন্তিকাল করিয়াছিলেন এবং ফুদায়ল ইব্‌ নু'মান।
বানু যুরায়ক হইতে মাস'উদ ইবন সা'দ ইব্‌ন কায়স ইন্ন খালদা ইব্‌ন আমির ইন্ন যুরায়ক। আওস গোত্রের বানু আবদিল আশহাল হইতে মাহমূদ ইবন মাসলামা ইন্ন খালিদ ইব্‌ন আদী। বানু আমর ইব্‌ন আওফ হইতে আবূ সিয়াহ ইব্‌ন ছাবিত ইবনুন নুমান ইব্‌ উমায়্যা, আল-হারিছ ইবন হাতিব, উরওয়া ইন্ন মুররা ইব্‌ন সুরাকা, আওস ইবনুল কাইদ, আনীফ ইব্‌ন হাবীব, ছাবিত ইব্‌ন আছিলা ও তালহা ইব্‌ন ইয়াহয়া ইন্ন সুলায়ল ইন্ন দামরা।
বানূ গিফার হইতে উমরা ইন্ন উকবা; তাঁহাকে তীর নিক্ষেপে শহীদ করা হয়। আসলাম গোত্র হইতে 'আমের ইবনুল আকওয়া' ও আল-আসওয়াদ আর-রাঈ; তাহার নাম ছিল আসলাম। ইব্‌ন হিশামের মতে আসওয়াদ রাঈ খায়বারের অধিবাসী ছিলেন। ইন্ন শিহাব যুহরী খায়বারের আরও যেই সকল শহীদের নাম উল্লেখ করিয়াছেন তাঁহাদের মধ্যে রহিয়াছেন বানু যুহরা হইতে মাসউদ ইবন রাবীআ; তিনি প্রকৃতপক্ষে আল-কারা গোত্রের মিত্র ছিলেন। আনসারদের বানূ আমর ইব্‌ন আওফ গোত্র হইতে আওস ইন্ন কাতাদা (ইব্‌ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২৩৭-২৩৮)।

ইবন ইসহাকের মতে কুরায়শ, বানু উমাইয়্যা, ইব্‌ন আব্দ শাম্স ও তাহাদের মিত্রদের মধ্য হইতে রাবী'আ ইব্‌ن আকছাম, ইব্‌ন সাখবারা, ছাকীফ ইব্‌ن আমর ও রিফা'আ ইন্ন মাসরূহ; বানু আসাদ ইব্‌ن ابدل উযযা হইতে আবদুল্লাহ ইবনুল-হুবায়ب, ইب্‌ن হিশাম বলেন, ইন্ন উহায়ب ইন্ন সুহায়م ইب্‌ن গায়বা, বানু সা'দ ইব্‌ن লায়ছ গোত্রের লোক, বানু আসাদ গোত্রের মিত্র এবং তাহাদের ভাগিনা। আনসার গোত্রের বানূ সালামা হইতে : বিশ্ব ইবনুল بারাআ ইন্ন মা'রূর। রাসূলুল্লাহ (س)-কে প্রদত্ত বিষযুক্ত بকরীর গোশত ভক্ষণ করিয়া তিনি ইন্তিকাল করিয়াছিলেন এবং ফুদায়ل ইব্‌ন নু'মান।
বানু যুরায়ক হইতে মাস'উদ ইবন সা'দ ইব্‌ن কায়س ইন্ন খালদা ইب্‌ن আমির ইন্ন যুরায়ক। আওস গোত্রের বানু ابدل আশহাল হইতে মাহমূদ ইবন মাসলামা ইন্ন খালিদ ইব্‌ن আদী। বানু আমর ইب্‌ن আওف হইতে আবূ সিয়াহ ইب্‌ن ছাবিত ইবনুন নুমান ইব্‌ن উমায়্যা, আল-হারিছ ইব্‌ن হাতিম, উরওয়া ইন্ন মুররা ইব্‌ن সুরাকা, আওس ইবনুল কাইদ, আনীف ইب্‌ن হাবীব, ছابিত ইব্‌ن আছিলা ও তালহা ইব্‌ن ইয়াহয়া ইন্ন সুলায়ل ইب্‌ن দামরা।
বানূ গিফার হইতে উমরা ইন্ন উকবা; তাঁহাকে তীর নিক্ষেপে শহীদ করা হয়। আসলাম গোত্র হইতে 'আমের ইবনুল আকওয়া' ও আল-আসওয়াদ আর-রাঈ; তাহার নাম ছিল আসলাম। ইব্‌ন হিশামের মতে আসওয়াদ راঈ খায়বারের অধিবাসী ছিলেন। ইন্ন শিহাব যুহরী খায়বারের আরও যেই সকল শহীদের নাম উল্লেখ করিয়াছেন তাঁহাদের মধ্যে রহিয়াছেন বানু যুহরা হইতে মাসউদ ইবন রাবীআ; তিনি প্রকৃতপক্ষে আল-কারা গোত্রের মিত্র ছিলেন। আনসারদের বানূ আমর ইব্‌ن আওف গোত্র হইতে আওس ইন্ন কাতাদা (ইব্‌ن হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২৩৭-২৩৮)।

ইবন ইসহাকের মতে কুরায়শ, বানু উমাইয়্যা, ইব্‌ন আব্দ শাম্স ও তাহাদের মিত্রদের মধ্য হইতে রাবী'আ ইব্‌ন আকছাম, ইব্‌ন সাখবারা, ছাকীফ ইব্‌ন আমর ও রিফা'আ ইন্ন মাসরূহ; বানু আসাদ ইব্‌ন আবদুল উযযা হইতে আবদুল্লাহ ইবনুল-হুবায়ব, ইব্‌ন হিশাম বলেন, ইন্ন উহায়ব ইন্ন সুহায়ম ইব্‌ন গায়বা, বানু সা'দ ইব্‌ন লায়ছ গোত্রের লোক, বানু আসাদ গোত্রের মিত্র এবং তাহাদের ভাগিনা। আনসার গোত্রের বানূ সালামা হইতে : বিশ্ব ইবনুল বারাআ ইন্ন মা'রূর। রাসূলুল্লাহ (স)-কে প্রদত্ত বিষযুক্ত বকরীর গোশত ভক্ষণ করিয়া তিনি ইন্তিকাল করিয়াছিলেন এবং ফুদায়ল ইব্‌ নু'মান।
বানু যুরায়ক হইতে মাস'উদ ইবন সা'দ ইব্‌ন কায়স ইন্ন খালদা ইব্‌ন আমির ইন্ন যুরায়ক। আওস গোত্রের বানু আবদিল আশহাল হইতে মাহমূদ ইবন মাসলামা ইন্ন খালিদ ইব্‌ন আদী। বানু আমর ইব্‌ন আওফ হইতে আবূ সিয়াহ ইব্‌ন ছাবিত ইবনুন নুমান ইব্‌ উমায়্যা, আল-হারিছ ইবন হাতিব, উরওয়া ইন্ন মুররা ইব্‌ন সুরাকা, আওস ইবনুল কাইদ, আনীফ ইব্‌ন হাবীব, ছাবিত ইব্‌ন আছিলা ও তালহা ইব্‌ন ইয়াহয়া ইন্ন সুলায়ল ইন্ন দামরা।
বানূ গিফার হইতে উমরা ইন্ন উকবা; তাঁহাকে তীর নিক্ষেপে শহীদ করা হয়। আসলাম গোত্র হইতে 'আমের ইবনুল আকওয়া' ও আল-আসওয়াদ আর-রাঈ; তাহার নাম ছিল আসলাম। ইব্‌ন হিশামের মতে আসওয়াদ রাঈ খায়বারের অধিবাসী ছিলেন। ইন্ন শিহাব যুহরী খায়বারের আরও যেই সকল শহীদের নাম উল্লেখ করিয়াছেন তাঁহাদের মধ্যে রহিয়াছেন বানু যুহরা হইতে মাসউদ ইবন রাবীআ; তিনি প্রকৃতপক্ষে আল-কারা গোত্রের মিত্র ছিলেন। আনসারদের বানূ আমর ইব্‌ন আওফ গোত্র হইতে আওস ইন্ন কাতাদা (ইব্‌ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., পৃ. ২৩৭-২৩৮)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 খায়বার হইতে প্রত্যাবর্তন ও লায়লাতুত তা'রীস

📄 খায়বার হইতে প্রত্যাবর্তন ও লায়লাতুত তা'রীস


খায়বার হইতে প্রত্যাবর্তন করিবার পথে রাসূলুল্লাহ (স) ওয়াদিল কুরায় চার দিন অবস্থান করেন, অতঃপর মদীনার উদ্দেশে রওয়ানা হইলেন। পথিমধ্যে শেষ রাত্রিতে এক স্থানে তিনি যাত্রাবিরতি করিলেন এবং বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল! তুমি আমাদিগকে জাগ্রত করিবে। বিলাল (রা) একটি বাহনের হাওদায় হেলান দিয়া ঘুমাইয়া পড়িলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে জাগ্রত করিতে পারেন নাই। তিনি স্বয়ং জাগ্রত ছিলেন না। অন্য কোন সাহাবীও জাগ্রত হন নাই। এমন কি সূর্যোদয়ের পর পর্যন্ত তাঁহারা এইরূপ নিদ্রাচ্ছন্ন রহিলেন। সূর্যের উত্তাপে সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিদ্রা ভঙ্গ হইল। রাসূলুল্লাহ (স) বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল। তুমি ইহা কি করিলে? বিলাল (রা) বলিলেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হউক, হে আল্লাহ্র রাসুল! আপনাকে যেই জিনিস আচ্ছন্ন করিয়াছে, আমিও তাহাতে আচ্ছন্ন হইয়াছি। অতঃপর সকলে পদব্রজে ঐ উপত্যকা ত্যাগ করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (স) বলিলেন, "ইহা শয়তানের উপত্যকা"। এই স্থান অতিক্রম করিবার পর সকলে থামিয়া উযু করিলেন, অতঃপর ফজরের সুন্নাত আদায় করিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (স) বিলাল (রা)-কে ইকামত দানের আদেশ দিলেন এবং সঙ্গী-সাথী সবাইকে লইয়া সালাত আদায় করিলেন। সালাতশেষে লোকদের প্রতি ফিরিয়া বলিলেন, হে লোকসকল! আল্লাহ আমাদের আত্মাসমূহ নিয়ন্ত্রণ করিয়াছিলেন। যদি তিনি চাহিতেন তাহা হইলে এই সময়ের পূর্বেই তাহা ফিরাইয়া দিতে পারিতেন।
فَإِذَا نَامَ أَحَدُكُمْ عَنِ الصَّلاةِ أَوْ نَسِيَهَا فَلْيُصَلَّهَا كَمَا كَانَ يُصَلِّيْهَا فِي وَقْتِهَا . "তোমাদের কোন ব্যক্তি যদি সালাতের সময় নিদ্রাচ্ছন্ন থাকে কিংবা সালাতের কথা ভুলিয়া যায় তাহা হইলে সে তেমনিভাবে এই সালাত আদায় করিবে যেমনটি সে সালাতের ওয়াক্তে স্বাভাবিকভাবে আদায় করিয়া থাকে।"
অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (স) আবু বাক্র (রা)-কে উদ্দেশ্য করিয়া বলিলেন: إِنَّ الشَّيْطَانَ أَتَى بِلاَلاً وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلَّى فَأَضْجَعَهُ فَلَمْ يَزَلْ يُهْدِثُهُ كَمَا يُهْدَأُ الصَّبِيُّ حَتَّى نَامَ.
"বিলালের নিকট শয়তানের আগমন ঘটিয়াছিল। সে দাঁড়াইয়া সালাত আদায় করিতেছিল কিন্তু শয়তান তাহাকে শোয়াইয়া দিয়া শিশুকে যেইভাবে ঘুম পাড়ানো হয় সেইভাবে ঘুম পাড়াইয়াছিল। ইহার ফলে সে ঘুমাইয়া গিয়াছিল।"
তাহার পর বিলাল (রা)-কে ডাকিয়া তাহাকে অনুরূপ বলিলেন, যেমনটি আবূ বাক্র (রা)-কে বলিলেন। কোন কোন বর্ণনায় এই ঘটনাটি হুদায়বিয়া হইতে প্রত্যাবর্তনকালে সংঘটিত হইয়াছিল বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে। আবার কোন কোন বর্ণনায় তাবুক হইতে প্রত্যাবর্তনের সময় ঘটনাটি ঘটিয়াছিল বলিয়া উল্লেখ পাওয়া যায়।
ফজরের সালাত হইতে ঘুমাইয়া যাওয়া সংক্রান্ত হাদীছটি 'ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) কর্তৃক বর্ণিত হইয়াছে। কিন্তু তিনি ইহা কোন সময় ও কোন যুদ্ধে সংঘটিত হইয়াছিল ইহার উল্লেখ করেন নাই। ইমাম মালিক (র) যায়দ ইব্‌ন আসলাম সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, ঘটনাটি মক্কার পথে ঘটিয়াছিল। তবে এই রিওয়ায়াতটি মুরসাল।
আব্দুল্লাহ ইবন মাস'উদ (রা) বলেন, আমরা হুদায়বিয়ায় সন্ধিকালে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত আগমন করিতেছিলাম। এই সময় রাসূলুল্লাহ্ (স) বলিয়াছিলেন, "আমাদিগকে জাগ্রত করিবার দায়িত্ব কে নিবে? বিলাল (রা) বলেন, "আমি"। অতঃপর ঘটনাটি তিনি বিবৃত করিলেন: এই হাদীছের সনদে বিভিন্নতা (إضطراب) পরিলক্ষিত হয়। 'আবদুর রাহমান ইব্‌ন মাহদী শু'বা সূত্রে, তিনি জামে' ইব্‌ন শাদ্দাদ সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ঐ রাত্রে পাহারাদার ছিলেন 'আবদুল্লাহ্ ইবন মাস'উদ (রা)। কিন্তু গুনদার শু'বা থেকে বর্ণনা করেন যে, পাহারাদার ছিলেন বিলাল (রা) (যাদুল মা'আদ, ২খ., পৃ. ১৪৬, ১৪৭; মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., পৃ. ৪৩১)।

খায়বার হইতে প্রত্যাবর্তন করিবার পথে রাসূলুল্লাহ (স) ওয়াদিল কুরায় চার দিন অবস্থান করেন, অতঃপর মদীনার উদ্দেশে রওয়ানা হইলেন। পথিমধ্যে শেষ রাত্রিতে এক স্থানে তিনি যাত্রাবিরতি করিলেন এবং বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল! তুমি আমাদিগকে জাগ্রত করিবে। বিলাল (রা) একটি বাহনের হাওদায় হেলান দিয়া ঘুমাইয়া পড়িলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে জাগ্রত করিতে পারেন নাই। তিনি স্বয়ং জাগ্রত ছিলেন না। অন্য কোন সাহাবীও জাগ্রত হন নাই। এমন কি সূর্যোদয়ের পর পর্যন্ত তাঁহারা এইরূপ নিদ্রাচ্ছন্ন রহিলেন। সূর্যের উত্তাপে সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিদ্রা ভঙ্গ হইল। রাসূলুল্লাহ (স) বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল। তুমি ইহা কি করিলে? বিলাল (রা) বলিলেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হউক, হে আল্লাহ্র রাসুল! আপনাকে যেই জিনিস আচ্ছন্ন করিয়াছে, আমিও তাহাতে আচ্ছন্ন হইয়াছি। অতঃপর সকলে পদব্রজে ঐ উপত্যকা ত্যাগ করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (স) বলিলেন, "ইহা শয়তানের উপত্যকা"। এই স্থান অতিক্রম করিবার পর সকলে থামিয়া উযু করিলেন, অতঃপর ফজরের সুন্নাত আদায় করিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (স) বিলাল (রা)-কে ইকামত দানের আদেশ দিলেন এবং সঙ্গী-সাথী সবাইকে লইয়া সালাত আদায় করিলেন। সালাতশেষে লোকদের প্রতি ফিরিয়া বলিলেন, হে লোকসকল! আল্লাহ আমাদের আত্মাসমূহ নিয়ন্ত্রণ করিয়াছিলেন। যদি তিনি চাহিতেন তাহা হইলে এই সময়ের পূর্বেই তাহা ফিরাইয়া দিতে পারিতেন।
ফَإِذَا نَامَ أَحَدُكُمْ عَنِ الصَّلاةِ أَوْ نَسِيَهَا فَلْيُصَلَّهَا كَمَا كَانَ يُصَلِّيْهَا فِي وَقْتِهَا . "তোমাদের কোন ব্যক্তি যদি সালাতের সময় নিদ্রাচ্ছন্ন থাকে কিংবা সালাতের কথা ভুলিয়া যায় তাহা হইলে সে তেমনিভাবে এই সালাত আদায় করিবে যেমনটি সে সালাতের ওয়াক্তে স্বাভাবিকভাবে আদায় করিয়া থাকে।"
অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (স) আবু বাক্র (রা)-কে উদ্দেশ্য করিয়া বলিলেন: إِنَّ الشَّيْطَانَ أَتَى بِلاَلاً وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلَّى فَأَضْجَعَهُ فَلَمْ يَزَلْ يُهْدِثُهُ كَمَا يُهْدَأُ الصَّبِيُّ حَتَّى نَامَ.
"বিলালের নিকট শয়তানের আগমন ঘটিয়াছিল। সে দাঁড়াইয়া সালাত আদায় করিতেছিল কিন্তু শয়তান তাহাকে শোয়াইয়া দিয়া শিশুকে যেইভাবে ঘুম পাড়ানো হয় সেইভাবে ঘুম পাড়াইয়াছিল। ইহার ফলে সে ঘুমাইয়া গিয়াছিল।"
তাহার পর বিলাল (রা)-কে ডাকিয়া তাহাকে অনুরূপ বলিলেন, যেমনটি আবূ বাক্র (রা)-কে বলিলেন। কোন কোন বর্ণনায় এই ঘটনাটি হুদায়বিয়া হইতে প্রত্যাবর্তনকালে সংঘটিত হইয়াছিল বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে। আবার কোন কোন বর্ণনায় তাবুক হইতে প্রত্যাবর্তনের সময় ঘটনাটি ঘটিয়াছিল বলিয়া উল্লেখ পাওয়া যায়।
ফজরের সালাত হইতে ঘুমাইয়া যাওয়া সংক্রান্ত হাদীছটি 'ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) কর্তৃক বর্ণিত হইয়াছে। কিন্তু তিনি ইহা কোন সময় ও কোন যুদ্ধে সংঘটিত হইয়াছিল ইহার উল্লেখ করেন নাই। ইমাম মালিক (র) যায়দ ইব্‌ন আসলাম সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, ঘটনাটি মক্কার পথে ঘটিয়াছিল। তবে এই রিওয়ায়াতটি মুরসাল।
আব্দুল্লাহ ইবন মাস'উদ (রা) বলেন, আমরা হুদায়বিয়ায় সন্ধিকালে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত আগমন করিতেছিলাম। এই সময় রাসূলুল্লাহ্ (স) বলিয়াছিলেন, "আমাদিগকে জাগ্রত করিবার দায়িত্ব কে নিবে? বিলাল (রা) বলেন, "আমি"। অতঃপর ঘটনাটি তিনি বিবৃত করিলেন: এই হাদীছের সনদে বিভিন্নতা (إضطراب) পরিলক্ষিত হয়। 'আবদুর রাহমান ইব্‌ن মাহদী শু'বা সূত্রে, তিনি জামে' ইব্‌ন শাদ্দাদ সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ঐ রাত্রে পাহারাদার ছিলেন 'আবদুল্লাহ্ ইবন মাস'উদ (রা)। কিন্তু গুনদার শু'বা থেকে বর্ণনা করেন যে, পাহারাদার ছিলেন বিলাল (রা) (যাদুল মা'আদ, ২খ., পৃ. ১৪৬, ১৪৭; মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., পৃ. ৪৩১)।

খায়বার হইতে প্রত্যাবর্তন করিবার পথে রাসূলুল্লাহ (স) ওয়াদিল কুরায় চার দিন অবস্থান করেন, অতঃপর মদীনার উদ্দেশে রওয়ানা হইলেন। পথিমধ্যে শেষ রাত্রিতে এক স্থানে তিনি যাত্রাবিরতি করিলেন এবং বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল! তুমি আমাদিগকে জাগ্রত করিবে। বিলাল (রা) একটি বাহনের হাওদায় হেলান দিয়া ঘুমাইয়া পড়িলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে জাগ্রত করিতে পারেন নাই। তিনি স্বয়ং জাগ্রত ছিলেন না। অন্য কোন সাহাবীও জাগ্রত হন নাই। এমন কি সূর্যোদয়ের পর পর্যন্ত তাঁহারা এইরূপ নিদ্রাচ্ছন্ন রহিলেন। সূর্যের উত্তাপে সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিদ্রা ভঙ্গ হইল। রাসূলুল্লাহ (স) বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল। তুমি ইহা কি করিলে? বিলাল (রা) বলিলেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হউক, হে আল্লাহ্র রাসুল! আপনাকে যেই জিনিস আচ্ছন্ন করিয়াছে, আমিও তাহাতে আচ্ছন্ন হইয়াছি। অতঃপর সকলে পদব্রজে ঐ উপত্যকা ত্যাগ করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (س) বলিলেন, "ইহা শয়তানের উপত্যকা"। এই স্থান অতিক্রম করিবার পর সকলে থামিয়া উযু করিলেন, অতঃপর ফজরের সুন্নাত আদায় করিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (س) বিলাল (را)-কে ইকামত দানের আদেশ দিলেন এবং সঙ্গী-সাথী সবাইকে লইয়া সালাত আদায় করিলেন। সালাতশেষে লোকদের প্রতি ফিরিয়া বলিলেন, হে লোকসকল! আল্লাহ আমাদের আত্মাসমূহ নিয়ন্ত্রণ করিয়াছিলেন। যদি তিনি চাহিতেন তাহা হইলে এই সময়ের পূর্বেই তাহা ফিরাইয়া দিতে পারিতেন।
فَإِذَا نَامَ أَحَدُكُمْ عَنِ الصَّلاةِ أَوْ نَسِيَهَا فَلْيُصَلَّهَا كَمَا كَانَ يُصَلِّيْهَا فِي وَقْتِهَا . "তোমাদের কোন ব্যক্তি যদি সালাতের সময় নিদ্রাচ্ছন্ন থাকে কিংবা সালাতের কথা ভুলিয়া যায় তাহা হইলে সে তেমনিভাবে এই সালাত আদায় করিবে যেমনটি সে সালাতের ওয়াক্তে স্বাভাবিকভাবে আদায় করিয়া থাকে।”
অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (স) আবু বাক্র (রা)-কে উদ্দেশ্য করিয়া বলিলেন: إِنَّ الشَّيْطَانَ أَتَى بِلاَلاً وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلَّى فَأَضْجَعَهُ فَلَمْ يَزَلْ يُهْدِثُهُ كَمَا يُهْدَأُ الصَّبِيُّ حَتَّى نَامَ.
"বিলালের নিকট শয়তানের আগমন ঘটিয়াছিল। সে দাঁড়াইয়া সালাত আদায় করিতেছিল কিন্তু শয়তান তাহাকে শোয়াইয়া দিয়া শিশুকে যেইভাবে ঘুম পাড়ানো হয় সেইভাবে ঘুম পাড়াইয়াছিল। ইহার ফলে সে ঘুমাইয়া গিয়াছিল।"
তাহার পর বিলাল (রা)-কে ডাকিয়া তাহাকে অনুরূপ বলিলেন, যেমনটি আবূ বাক্র (রা)-কে বলিলেন। কোন কোন বর্ণনায় এই ঘটনাটি হুদায়বিয়া হইতে প্রত্যাবর্তনকালে সংঘটিত হইয়াছিল বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে। আবার কোন কোন বর্ণনায় তাবুক হইতে প্রত্যাবর্তনের সময় ঘটনাটি ঘটিয়াছিল বলিয়া উল্লেখ পাওয়া যায়।
ফজরের সালাত হইতে ঘুমাইয়া যাওয়া সংক্রান্ত হাদীছটি 'ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) কর্তৃক বর্ণিত হইয়াছে। কিন্তু তিনি ইহা কোন সময় ও কোন যুদ্ধে সংঘটিত হইয়াছিল ইহার উল্লেখ করেন নাই। ইমাম মালিক (র) যায়দ ইব্‌ন আসলাম সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, ঘটনাটি মক্কার পথে ঘটিয়াছিল। তবে এই রিওয়ায়াতটি মুরসাল।
আব্দুল্লাহ ইবন মাস'উদ (রা) বলেন, আমরা হুদায়বিয়ায় সন্ধিকালে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত আগমন করিতেছিলাম। এই সময় রাসূলুল্লাহ্ (س) বলিয়াছিলেন, "আমাদিগকে জাগ্রত করিবার দায়িত্ব কে নিবে? বিলাল (را) বলেন, "আমি"। অতঃপর ঘটনাটি তিনি বিবৃত করিলেন: এই হাদীছের সনদে বিভিন্নতা (إضطراب) পরিলক্ষিত হয়। 'আবদুর রাহমান ইব্‌ন মাহদী শু'বা সূত্রে, তিনি জামে' ইব্‌ন শাদ্দাদ সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ঐ রাত্রে পাহারাদার ছিলেন 'আবদুল্লাহ্ ইবন মাস'উদ (রা)। কিন্তু গুনদার শু'বা থেকে বর্ণনা করেন যে, পাহারাদার ছিলেন বিলাল (রা) (যাদুল মা'আদ, ২খ., পৃ. ১৪৬, ১৪৭; মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., পৃ. ৪৩১)।

খায়বার হইতে প্রত্যাবর্তন করিবার পথে রাসূলুল্লাহ (স) ওয়াদিল কুরায় চার দিন অবস্থান করেন, অতঃপর মদীনার উদ্দেশে রওয়ানা হইলেন। পথিমধ্যে শেষ রাত্রিতে এক স্থানে তিনি যাত্রাবিরতি করিলেন এবং বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল! তুমি আমাদিগকে জাগ্রত করিবে। বিলাল (রা) একটি বাহনের হাওদায় হেলান দিয়া ঘুমাইয়া পড়িলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে জাগ্রত করিতে পারেন নাই। তিনি স্বয়ং জাগ্রত ছিলেন না। অন্য কোন সাহাবীও জাগ্রত হন নাই। এমন কি সূর্যোদয়ের পর পর্যন্ত তাঁহারা এইরূপ নিদ্রাচ্ছন্ন রহিলেন। সূর্যের উত্তাপে সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিদ্রা ভঙ্গ হইল। রাসূলুল্লাহ (স) বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল। তুমি ইহা কি করিলে? বিলাল (রা) বলিলেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হউক, হে আল্লাহ্র রাসুল! আপনাকে যেই জিনিস আচ্ছন্ন করিয়াছে, আমিও তাহাতে আচ্ছন্ন হইয়াছি। অতঃপর সকলে পদব্রজে ঐ উপত্যকা ত্যাগ করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (س) বলিলেন, "ইহা শয়তানের উপত্যকা"। এই স্থান অতিক্রম করিবার পর সকলে থামিয়া উযু করিলেন, অতঃপর ফজরের সুন্নাত আদায় করিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (س) বিলাল (রা)-কে ইকামত দানের আদেশ দিলেন এবং সঙ্গী-সাথী সবাইকে লইয়া সালাত আদায় করিলেন। সালাতশেষে লোকদের প্রতি ফিরিয়া বলিলেন, হে লোকসকল! আল্লাহ আমাদের আত্মাসমূহ নিয়ন্ত্রণ করিয়াছিলেন। যদি তিনি চাহিতেন তাহা হইলে এই সময়ের পূর্বেই তাহা ফিরাইয়া দিতে পারিতেন।
فَإِذَا نَامَ أَحَدُكُمْ عَنِ الصَّلاةِ أَوْ نَسِيَهَا فَلْيُصَلَّهَا كَمَا كَانَ يُصَلِّيْهَا فِي وَقْتِهَا . "তোমাদের কোন ব্যক্তি যদি সালাতের সময় নিদ্রাচ্ছন্ন থাকে কিংবা সালাতের কথা ভুলিয়া যায় তাহা হইলে সে তেমনিভাবে এই সালাত আদায় করিবে যেমনটি সে সালাতের ওয়াক্তে স্বাভাবিকভাবে আদায় করিয়া থাকে।”
অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (س) আবু বাক্র (را)-কে উদ্দেশ্য করিয়া বলিলেন: إِنَّ الشَّيْطَانَ أَتَى بِلاَلاً وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلَّى فَأَضْجَعَهُ فَلَمْ يَزَلْ يُهْدِثُهُ كَمَا يُهْدَأُ الصَّبِيُّ حَتَّى نَامَ.
"বিলালের নিকট শয়তানের আগমন ঘটিয়াছিল। সে দাঁড়াইয়া সালাত আদায় করিতেছিল কিন্তু শয়তান তাহাকে শোয়াইয়া দিয়া শিশুকে যেইভাবে ঘুম পাড়ানো হয় সেইভাবে ঘুম পাড়াইয়াছিল। ইহার ফলে সে ঘুমাইয়া গিয়াছিল।"
তাহার পর বিলাল (রা)-কে ডাকিয়া তাহাকে অনুরূপ বলিলেন, যেমনটি আবূ বাক্র (را)-কে বলিলেন। কোন কোন বর্ণনায় এই ঘটনাটি হুদায়বিয়া হইতে প্রত্যাবর্তনকালে সংঘটিত হইয়াছিল বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে। আবার কোন কোন বর্ণনায় তাবুক হইতে প্রত্যাবর্তনের সময় ঘটনাটি ঘটিয়াছিল বলিয়া উল্লেখ পাওয়া যায়।
ফজরের সালাত হইতে ঘুমাইয়া যাওয়া সংক্রান্ত হাদীছটি 'ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) কর্তৃক বর্ণিত হইয়াছে। কিন্তু তিনি ইহা কোন সময় ও কোন যুদ্ধে সংঘটিত হইয়াছিল ইহার উল্লেখ করেন নাই। ইমাম মালিক (র) যায়د ইব্‌ن আসলাম সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, ঘটনাটি মক্কার পথে ঘটিয়াছিল। তবে এই রিওয়ায়াতটি মুরসাল।
আব্দুল্লাহ ইبن মাস'উদ (রা) বলেন, আমরা হুদায়বিয়ায় সন্ধিকালে রাসূলুল্লাহ (س)-এর সহিত আগমন করিতেছিলাম। এই সময় রাসূলুল্লাহ্ (س) বলিয়াছিলেন, "আমাদিগকে জাগ্রত করিবার দায়িত্ব কে নিবে? বিলাল (রা) বলেন, "আমি"। অতঃপর ঘটনাটি তিনি বিবৃত করিলেন: এই হাদীছের সনদে বিভিন্নতা (إضطراب) পরিলক্ষিত হয়। 'আবদুর রাহমান ইব্‌ن মাহদী শু'বা সূত্রে, তিনি জামে' ইব্‌ن শাদ্দاد সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ঐ রাত্রে পাহারাদার ছিলেন 'আবদুল্লাহ্ ইবন মাস'উদ (রা)। কিন্তু গুনদার শু'বা থেকে বর্ণনা করেন যে, পাহারাদার ছিলেন বিলাল (রা) (যাদুল মা'আদ, ২খ., পৃ. ১৪৬, ১৪৭; মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., পৃ. ৪৩১)।

খায়বার হইতে প্রত্যাবর্তন করিবার পথে রাসূলুল্লাহ (স) ওয়াদিল কুরায় চার দিন অবস্থান করেন, অতঃপর মদীনার উদ্দেশে রওয়ানা হইলেন। পথিমধ্যে শেষ রাত্রিতে এক স্থানে তিনি যাত্রাবিরতি করিলেন এবং বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল! তুমি আমাদিগকে জাগ্রত করিবে। বিলাল (রা) একটি বাহনের হাওদায় হেলান দিয়া ঘুমাইয়া পড়িলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে জাগ্রত করিতে পারেন নাই। তিনি স্বয়ং জাগ্রত ছিলেন না। অন্য কোন সাহাবীও জাগ্রত হন নাই। এমন কি সূর্যোদয়ের পর পর্যন্ত তাঁহারা এইরূপ নিদ্রাচ্ছন্ন রহিলেন। সূর্যের উত্তাপে সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিদ্রা ভঙ্গ হইল। রাসূলুল্লাহ (স) বিলাল (রা)-কে বলিলেন, হে বিলাল। তুমি ইহা কি করিলে? বিলাল (রা) বলিলেন, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হউক, হে আল্লাহ্র রাসুল! আপনাকে যেই জিনিস আচ্ছন্ন করিয়াছে, আমিও তাহাতে আচ্ছন্ন হইয়াছি। অতঃপর সকলে পদব্রজে ঐ উপত্যকা ত্যাগ করিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (স) বলিলেন, "ইহা শয়তানের উপত্যকা"। এই স্থান অতিক্রম করিবার পর সকলে থামিয়া উযু করিলেন, অতঃপর ফজরের সুন্নাত আদায় করিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (স) বিলাল (রা)-কে ইকামত দানের আদেশ দিলেন এবং সঙ্গী-সাথী সবাইকে লইয়া সালাত আদায় করিলেন। সালাতশেষে লোকদের প্রতি ফিরিয়া বলিলেন, হে লোকসকল! আল্লাহ আমাদের আত্মাসমূহ নিয়ন্ত্রণ করিয়াছিলেন। যদি তিনি চাহিতেন তাহা হইলে এই সময়ের পূর্বেই তাহা ফিরাইয়া দিতে পারিতেন।
فَإِذَا نَامَ أَحَدُكُمْ عَنِ الصَّلاةِ أَوْ نَسِيَهَا فَلْيُصَلَّهَا كَمَا كَانَ يُصَلِّيْهَا فِي وَقْتِهَا .
"তোমাদের কোন ব্যক্তি যদি সালাতের সময় নিদ্রাচ্ছন্ন থাকে কিংবা সালাতের কথা ভুলিয়া যায় তাহা হইলে সে তেমনিভাবে এই সালাত আদায় করিবে যেমনটি সে সালাতের ওয়াক্তে স্বাভাবিকভাবে আদায় করিয়া থাকে।"
অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (স) আবু বাক্র (রা)-কে উদ্দেশ্য করিয়া বলিলেন: إِنَّ الشَّيْطَانَ أَتَى بِلاَلاً وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلَّى فَأَضْجَعَهُ فَلَمْ يَزَلْ يُهْدِثُهُ كَمَا يُهْدَأُ الصَّبِيُّ حَتَّى نَامَ.
"বিলালের নিকট শয়তানের আগমন ঘটিয়াছিল। সে দাঁড়াইয়া সালাত আদায় করিতেছিল কিন্তু শয়তান তাহাকে শোয়াইয়া দিয়া শিশুকে যেইভাবে ঘুম পাড়ানো হয় সেইভাবে ঘুম পাড়াইয়াছিল। ইহার ফলে সে ঘুমাইয়া গিয়াছিল।"
তাহার পর বিলাল (রা)-কে ডাকিয়া তাহাকে অনুরূপ বলিলেন, যেমনটি আবূ বাক্র (রা)-কে বলিলেন। কোন কোন বর্ণনায় এই ঘটনাটি হুদায়বিয়া হইতে প্রত্যাবর্তনকালে সংঘটিত হইয়াছিল বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে। আবার কোন কোন বর্ণনায় তাবুক হইতে প্রত্যাবর্তনের সময় ঘটনাটি ঘটিয়াছিল বলিয়া উল্লেখ পাওয়া যায়।
ফজরের সালাত হইতে ঘুমাইয়া যাওয়া সংক্রান্ত হাদীছটি 'ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) কর্তৃক বর্ণিত হইয়াছে। কিন্তু তিনি ইহা কোন সময় ও কোন যুদ্ধে সংঘটিত হইয়াছিল ইহার উল্লেখ করেন নাই। ইমাম মালিক (র) যায়দ ইব্‌ন আসলাম সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, ঘটনাটি মক্কার পথে ঘটিয়াছিল। তবে এই রিওয়ায়াতটি মুরসাল।
আব্দুল্লাহ ইবন মাস'উদ (রা) বলেন, আমরা হুদায়বিয়ায় সন্ধিকালে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত আগমন করিতেছিলাম। এই সময় রাসূলুল্লাহ্ (স) বলিয়াছিলেন, "আমাদিগকে জাগ্রত করিবার দায়িত্ব কে নিবে? বিলাল (রা) বলেন, "আমি"। অতঃপর ঘটনাটি তিনি বিবৃত করিলেন: এই হাদীছের সনদে বিভিন্নতা (إضطراب) পরিলক্ষিত হয়। 'আবদুর রাহমান ইব্‌ন মাহদী শু'বা সূত্রে, তিনি জামে' ইব্‌ন শাদ্দাদ সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ঐ রাত্রে পাহারাদার ছিলেন 'আবদুল্লাহ্ ইবন মাস'উদ (রা)। কিন্তু গুনদার শু'বা থেকে বর্ণনা করেন যে, পাহারাদার ছিলেন বিলাল (রা) (যাদুল মা'আদ, ২খ., পৃ. ১৪৬, ১৪৭; মাদারিজুন নুবুওয়াত, ২খ., পৃ. ৪৩১)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00