📄 আন-নাতা দুর্গ
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে যুদ্ধের উৎসাহ দান করিলেন এবং পরিণামে জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন, অতঃপর সাহাবীগণের সহিত পরামর্শ করিলেন। অভিজ্ঞ যোদ্ধা হুবাব ইবনুল মুনযির-এর পরামর্শে আর-রাজী'তে মুসলিম বাহিনীর অবস্থান স্থল নির্ধারিত হয়। 'নাতা' দুর্গ হইতে ইয়াহুদীগণ যুদ্ধ আরম্ভ করিল। উহারা দুর্গের উপর হইতে তীর নিক্ষেপ করিত। প্রথম দিন মুকাবিলার পর রাত্রি হইয়া গেলে মুসলমানগণ শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন। দ্বিতীয় দিন উছমান ইব্ন আফফান (রা)-কে অবস্থান স্থলের দেখাশুনা এবং মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সকল কাজের তদারকির দায়িত্ব অর্পণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) দুর্গের পাদদেশে রণস্থলে আসিলেন। এইভাবে কয়েক দিন অতিবাহিত হইল। অবশেষে নাতা দুর্গটি বিজিত হইল। ঐ দুর্গে অভিযান পরিচালনার সময় পঞ্চাশজন মুসলমান আহত হইয়াছিলেন (মাদারিজুন নুবৃওয়া, উরদূ অনুবাদ, ২খ., পৃ. ৪০৭)।
সর্বপ্রথম আন-নাতা দুর্গে আক্রমণের কারণ হইল, ইয়াহুদীগণ স্বীয় পরিবার-পরিজনকে একটি পুরাতন দুর্গে রাখিয়াছিল এবং পানাহারের দ্রব্যাদি নাঈমও সা'আব দুর্গদ্বয়ে একত্র করিয়া যুদ্ধে সক্ষম পুরুষরা নাতা দুর্গে সমবেত হইয়াছিল। উহাতে ইয়াহুদীদের দলপতি সাল্লাম ইব্ন মিশকামও অবস্থানরত ছিল (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭)।
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে যুদ্ধের উৎসাহ দান করিলেন এবং পরিণামে জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন, অতঃপর সাহাবীগণের সহিত পরামর্শ করিলেন। অভিজ্ঞ যোদ্ধা হুবাব ইবনুল মুনযির-এর পরামর্শে আর-রাজী'তে মুসলিম বাহিনীর অবস্থান স্থল নির্ধারিত হয়। 'নাতা' দুর্গ হইতে ইয়াহুদীগণ যুদ্ধ আরম্ভ করিল। উহারা দুর্গের উপর হইতে তীর নিক্ষেপ করিত। প্রথম দিন মুকাবিলার পর রাত্রি হইয়া গেলে মুসলমানগণ শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন। দ্বিতীয় দিন উছমান ইব্ন আফফান (রা)-কে অবস্থান স্থলের দেখাশুনা এবং মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সকল কাজের তদারকির দায়িত্ব অর্পণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) দুর্গের পাদদেশে রণস্থলে আসিলেন। এইভাবে কয়েক দিন অতিবাহিত হইল। অবশেষে নাতা দুর্গটি বিজিত হইল। ঐ দুর্গে অভিযান পরিচালনার সময় পঞ্চাশজন মুসলমান আহত হইয়াছিলেন (মাদারিজুন নুবৃওয়া, উরদূ অনুবাদ, ২খ., পৃ. ৪০৭)।
সর্বপ্রথম আন-নাতা দুর্গে আক্রমণের কারণ হইল, ইয়াহুদীগণ স্বীয় পরিবার-পরিজনকে একটি পুরাতন দুর্গে রাখিয়াছিল এবং পানাহারের দ্রব্যাদি নাঈমও সা'আব দুর্গদ্বয়ে একত্র করিয়া যুদ্ধে সক্ষম পুরুষরা নাতা দুর্গে সমবেত হইয়াছিল। উহাতে ইয়াহুদীদের দলপতি সাল্লাম ইব্ন মিশকামও অবস্থানরত ছিল (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭)।
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে যুদ্ধের উৎসাহ দান করিলেন এবং পরিণামে জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন, অতঃপর সাহাবীগণের সহিত পরামর্শ করিলেন। অভিজ্ঞ যোদ্ধা হুবাব ইবনুল মুনযির-এর পরামর্শে আর-রাজী'তে মুসলিম বাহিনীর অবস্থান স্থল নির্ধারিত হয়। 'নাতা' দুর্গ হইতে ইয়াহুদীগণ যুদ্ধ আরম্ভ করিল। উহারা দুর্গের উপর হইতে তীর নিক্ষেপ করিত। প্রথম দিন মুকাবিলার পর রাত্রি হইয়া গেলে মুসলমানগণ শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন। দ্বিতীয় দিন উছমান ইব্ন আফফান (রা)-কে অবস্থান স্থলের দেখাশুনা এবং মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সকল কাজের তদারকির দায়িত্ব অর্পণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) দুর্গের পাদদেশে রণস্থলে আসিলেন। এইভাবে কয়েক দিন অতিবাহিত হইল। অবশেষে নাতা দুর্গটি বিজিত হইল। ঐ দুর্গে অভিযান পরিচালনার সময় পঞ্চাশজন মুসলমান আহত হইয়াছিলেন (মাদারিজুন নুবৃওয়া, উরদূ অনুবাদ, ২খ., পৃ. ৪০৭)।
সর্বপ্রথম আন-নাতা দুর্গে আক্রমণের কারণ হইল, ইয়াহুদীগণ স্বীয় পরিবার-পরিজনকে একটি পুরাতন দুর্গে রাখিয়াছিল এবং পানাহারের দ্রব্যাদি নাঈমও সা'আব দুর্গদ্বয়ে একত্র করিয়া যুদ্ধে সক্ষম পুরুষরা নাতা দুর্গে সমবেত হইয়াছিল। উহাতে ইয়াহুদীদের দলপতি সাল্লাম ইব্ন মিশকামও অবস্থানরত ছিল (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭)।
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে যুদ্ধের উৎসাহ দান করিলেন এবং পরিণামে জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন, অতঃপর সাহাবীগণের সহিত পরামর্শ করিলেন। অভিজ্ঞ যোদ্ধা হুবাব ইবনুল মুনযির-এর পরামর্শে আর-রাজী'তে মুসলিম বাহিনীর অবস্থান স্থল নির্ধারিত হয়। 'নাতা' দুর্গ হইতে ইয়াহুদীগণ যুদ্ধ আরম্ভ করিল। উহারা দুর্গের উপর হইতে তীর নিক্ষেপ করিত। প্রথম দিন মুকাবিলার পর রাত্রি হইয়া গেলে মুসলমানগণ শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন। দ্বিতীয় দিন উছমান ইব্ন আফফান (রা)-কে অবস্থান স্থলের দেখাশুনা এবং মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সকল কাজের তদারকির দায়িত্ব অর্পণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) দুর্গের পাদদেশে রণস্থলে আসিলেন। এইভাবে কয়েক দিন অতিবাহিত হইল। অবশেষে নাতা দুর্গটি বিজিত হইল। ঐ দুর্গে অভিযান পরিচালনার সময় পঞ্চাশজন মুসলমান আহত হইয়াছিলেন (মাদারিজুন নুবৃওয়া, উরদূ অনুবাদ, ২খ., পৃ. ৪০৭)।
সর্বপ্রথম আন-নাতা দুর্গে আক্রমণের কারণ হইল, ইয়াহুদীগণ স্বীয় পরিবার-পরিজনকে একটি পুরাতন দুর্গে রাখিয়াছিল এবং পানাহারের দ্রব্যাদি নাঈমও সা'আব দুর্গদ্বয়ে একত্র করিয়া যুদ্ধে সক্ষম পুরুষরা নাতা দুর্গে সমবেত হইয়াছিল। উহাতে ইয়াহুদীদের দলপতি সাল্লাম ইব্ন মিশকামও অবস্থানরত ছিল (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭)।
📄 মাহমূদ ইবন মাসলামা (রা)-এর শাহাদাত
এই সময় প্রচণ্ড গরম ছিল। মুহাম্মাদ ইবন মাসলামার ভ্রাতা মাহমূদ ইবন মাসলামা গরমের প্রচণ্ডতায় এবং ভারী অস্ত্র বহনের ফলে ক্লান্ত হইয়া পড়েন। তিনি নাঈম দুর্গের প্রাচীরের পাদদেশে নির্জন ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের জন্য শয়ন করেন। কিন্তু কিনানা ইবন হুকায়ক অথবা মারহাব টের পাইয়া দুর্গের প্রাচীরের উপর হইতে বিরাট একটি পাথর নিক্ষেপ করে। উহার ফলে তাহার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যায় এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭-৮৮)।
এই সময় প্রচণ্ড গরম ছিল। মুহাম্মাদ ইবন মাসলামার ভ্রাতা মাহমূদ ইবন মাসলামা গরমের প্রচণ্ডতায় এবং ভারী অস্ত্র বহনের ফলে ক্লান্ত হইয়া পড়েন। তিনি নাঈম দুর্গের প্রাচীরের পাদদেশে নির্জন ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের জন্য শয়ন করেন। কিন্তু কিনানা ইবন হুকায়ক অথবা মারহাব টের পাইয়া দুর্গের প্রাচীরের উপর হইতে বিরাট একটি পাথর নিক্ষেপ করে। উহার ফলে তাহার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যায় এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭-৮৮)।
এই সময় প্রচণ্ড গরম ছিল। মুহাম্মাদ ইবন মাসলামার ভ্রাতা মাহমূদ ইবন মাসলামা গরমের প্রচণ্ডতায় এবং ভারী অস্ত্র বহনের ফলে ক্লান্ত হইয়া পড়েন। তিনি নাঈম দুর্গের প্রাচীরের পাদদেশে নির্জন ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের জন্য শয়ন করেন। কিন্তু কিনানা ইবন হুকায়ক অথবা মারহাব টের পাইয়া দুর্গের প্রাচীরের উপর হইতে বিরাট একটি পাথর নিক্ষেপ করে। উহার ফলে তাহার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যায় এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭-৮৮)।
এই সময় প্রচণ্ড গরম ছিল। মুহাম্মাদ ইবন মাসলামার ভ্রাতা মাহমূদ ইবন মাসলামা গরমের প্রচণ্ডতায় এবং ভারী অস্ত্র বহনের ফলে ক্লান্ত হইয়া পড়েন। তিনি নাঈম দুর্গের প্রাচীরের পাদদেশে নির্জন ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের জন্য শয়ন করেন। কিন্তু কিনানা ইবন হুকায়ক অথবা মারহাব টের পাইয়া দুর্গের প্রাচীরের উপর হইতে বিরাট একটি পাথর নিক্ষেপ করে। উহার ফলে তাহার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যায় এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭-৮৮)।
📄 খেজুর বৃক্ষ কর্তনের অনুমতি প্রত্যাহার
হুবাব আল-মুনযির (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিলেন, “খেজুর বৃক্ষ ইয়াহূদীগণের নিকট নিজেদের সন্তানদের চেয়ে অধিক প্রিয়। হে আল্লাহ্র রাসূল! যদি আপনি আদেশ করেন তাহা হইলে বৃক্ষরাজি কাটিয়া ফেলি। উহার ফলে উহাদিগের জ্বালা তীব্রতর হইতে থাকিবে।” অতঃপর কিছু সংখ্যক সাহাবী কর্তন কাজ শুরু করিলেন। কোমল হৃদয়ের সাহাবী আবূ বাক্স সিদ্দীক (রা) এই অবস্থা দেখিয়া আবেদন করিলেন, "হে আল্লাহ্র রাসূল! মহান আল্লাহ আপনাকে খায়বার বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন। এই প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পূর্ণ হইবে। সুতরাং এই বৃক্ষরাজি কর্তনে লাভ কি? আদেশ হইলে ঐ কর্তনকাজ হইতে হস্তগুলিকে বারণ করা হইবে এবং উহা একটি শুভ কাজ হইবে।" রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: ঠিক আছে, নিষেধ কর। সীরাতবিদগণ বলেন, আনুমানিক চার শত বৃক্ষ কাটিয়া ফেলা হইয়াছিল। নাতা ব্যতীত অন্য কোথায়ও এই বৃক্ষ কর্তন কাজ অনুষ্ঠিত হয় নাই।
হুবাব আল-মুনযির (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিলেন, “খেজুর বৃক্ষ ইয়াহূদীগণের নিকট নিজেদের সন্তানদের চেয়ে অধিক প্রিয়। হে আল্লাহ্র রাসূল! যদি আপনি আদেশ করেন তাহা হইলে বৃক্ষরাজি কাটিয়া ফেলি। উহার ফলে উহাদিগের জ্বালা তীব্রতর হইতে থাকিবে।” অতঃপর কিছু সংখ্যক সাহাবী কর্তন কাজ শুরু করিলেন। কোমল হৃদয়ের সাহাবী আবূ বাক্স সিদ্দীক (রা) এই অবস্থা দেখিয়া আবেদন করিলেন, "হে আল্লাহ্র রাসূল! মহান আল্লাহ আপনাকে খায়বার বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন। এই প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পূর্ণ হইবে। সুতরাং এই বৃক্ষরাজি কর্তনে লাভ কি? আদেশ হইলে ঐ কর্তনকাজ হইতে হস্তগুলিকে বারণ করা হইবে এবং উহা একটি শুভ কাজ হইবে।" রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: ঠিক আছে, নিষেধ কর। সীরাতবিদগণ বলেন, আনুমানিক চার শত বৃক্ষ কাটিয়া ফেলা হইয়াছিল। নাতা ব্যতীত অন্য কোথায়ও এই বৃক্ষ কর্তন কাজ অনুষ্ঠিত হয় নাই।
হুবাব আল-মুনযির (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিলেন, “খেজুর বৃক্ষ ইয়াহূদীগণের নিকট নিজেদের সন্তানদের চেয়ে অধিক প্রিয়। হে আল্লাহ্র রাসূল! যদি আপনি আদেশ করেন তাহা হইলে বৃক্ষরাজি কাটিয়া ফেলি। উহার ফলে উহাদিগের জ্বালা তীব্রতর হইতে থাকিবে।” অতঃপর কিছু সংখ্যক সাহাবী কর্তন কাজ শুরু করিলেন। কোমল হৃদয়ের সাহাবী আবূ বাক্স সিদ্দীক (রা) এই অবস্থা দেখিয়া আবেদন করিলেন, "হে আল্লাহ্র রাসূল! মহান আল্লাহ আপনাকে খায়বার বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন। এই প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পূর্ণ হইবে। সুতরাং এই বৃক্ষরাজি কর্তনে লাভ কি? আদেশ হইলে ঐ কর্তনকাজ হইতে হস্তগুলিকে বারণ করা হইবে এবং উহা একটি শুভ কাজ হইবে।" রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: ঠিক আছে, নিষেধ কর। সীরাতবিদগণ বলেন, আনুমানিক চার শত বৃক্ষ কাটিয়া ফেলা হইয়াছিল। নাতা ব্যতীত অন্য কোথায়ও এই বৃক্ষ কর্তন কাজ অনুষ্ঠিত হয় নাই।
হুবাব আল-মুনযির (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিলেন, “খেজুর বৃক্ষ ইয়াহূদীগণের নিকট নিজেদের সন্তানদের চেয়ে অধিক প্রিয়। হে আল্লাহ্র রাসূল! যদি আপনি আদেশ করেন তাহা হইলে বৃক্ষরাজি কাটিয়া ফেলি। উহার ফলে উহাদিগের জ্বালা তীব্রতর হইতে থাকিবে।” অতঃপর কিছু সংখ্যক সাহাবী কর্তন কাজ শুরু করিলেন। কোমল হৃদয়ের সাহাবী আবূ বাক্স সিদ্দীক (রা) এই অবস্থা দেখিয়া আবেদন করিলেন, "হে আল্লাহ্র রাসূল! মহান আল্লাহ আপনাকে খায়বার বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়াছেন। এই প্রতিশ্রুতি অবশ্যই পূর্ণ হইবে। সুতরাং এই বৃক্ষরাজি কর্তনে লাভ কি? আদেশ হইলে ঐ কর্তনকাজ হইতে হস্তগুলিকে বারণ করা হইবে এবং উহা একটি শুভ কাজ হইবে।" রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: ঠিক আছে, নিষেধ কর। সীরাতবিদগণ বলেন, আনুমানিক চার শত বৃক্ষ কাটিয়া ফেলা হইয়াছিল। নাতা ব্যতীত অন্য কোথায়ও এই বৃক্ষ কর্তন কাজ অনুষ্ঠিত হয় নাই।
📄 হাবশী রাখাল
কৃষ্ণকায় এক রাখালের ঘটনা সহীহ হাদীছসমূহে উদ্ধৃত হইয়াছে। ঘটনাটি এই দুর্গ বিজয়ের সময় সংঘটিত হয়। ইয়াহুদীগণ যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে তখন সে জিজ্ঞাসা করে, উহা কি ব্যাপার! তাহারা জবাব দেয়, ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করিব যে নিজকে আল্লাহ্ নবী বলিয়া দাবি করে। ইহা শুনিবামাত্র তাহার হৃদয়ে ইসলামের জযবা সৃষ্টি হয়। সে তাহার সকল বকরীসহ রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট চলিয়া আসে এবং প্রশ্ন করে, আপনি কি বলেন এবং দাওয়াত দেন? তিনি জওয়াব দিলেন: আমি দীন ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানাই এবং এই দাওয়াত দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কাহারও দাসত্ব করিও না এবং আমি আল্লাহর প্রেরিত রাসূল। সে বলিল, আমি যদি আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করি এবং আপনার নবুওয়াত স্বীকার করি তাহা হইলে কি হইবে এবং ঐসব বকরী যাহা আমার নিকট আমানত রাখা হইয়াছে আমি ঐগুলি কি করিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: দুর্গের নিকটবর্তী হইয়া সকল বকরীকে তাড়া কর এবং ঢিল নিক্ষেপ কর যাহাতে সকল বকরী নিজ নিজ মালিকের নিকট চলিয়া যায়।
অন্য একট বর্ণনায় রহিয়াছে যে, সে বলিল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি, আমার চেহারা কুৎসিত, শরীর হইতে দুর্গন্ধ বাহির হয় এবং আমর নিকট কোন সম্পদও নাই। এই অবস্থায় আমি যদি আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করিয়া নিহত হই তাহা হইলে কি আমি জান্নাত পাইব? রাসূলুল্লাহ (স) জওয়াব দিলেন, হাঁ, জান্নাত পাইবে। তারপর সে যুদ্ধ করে এবং শাহাদত লাভ করে। তাহার লাশ রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট নীত হইলে তিনি বলিলেন, আল্লাহ তাহার চেহারা উজ্জ্বল করিয়া দিয়াছেন, তাহার শরীর সুগন্ধযুক্ত করিয়াছেন এবং সে জান্নাতের দুইজন হুর প্রাপ্ত হইয়াছে। সে আল্লাহ্র পথে জিহাদ ব্যতীত আর কোন আমল করে নাই, এক ওয়াক্ত সালাতও আদায় করে নাই, কিন্তু ঈমান এবং সত্যবাদিতার ফলে সে এই মর্যাদা প্রাপ্ত হইয়াছে (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৮)।
কৃষ্ণকায় এক রাখালের ঘটনা সহীহ হাদীছসমূহে উদ্ধৃত হইয়াছে। ঘটনাটি এই দুর্গ বিজয়ের সময় সংঘটিত হয়। ইয়াহুদীগণ যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে তখন সে জিজ্ঞাসা করে, উহা কি ব্যাপার! তাহারা জবাব দেয়, ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করিব যে নিজকে আল্লাহ্ নবী বলিয়া দাবি করে। ইহা শুনিবামাত্র তাহার হৃদয়ে ইসলামের জযবা সৃষ্টি হয়। সে তাহার সকল বকরীসহ রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট চলিয়া আসে এবং প্রশ্ন করে, আপনি কি বলেন এবং দাওয়াত দেন? তিনি জওয়াব দিলেন: আমি দীন ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানাই এবং এই দাওয়াত দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কাহারও দাসত্ব করিও না এবং আমি আল্লাহর প্রেরিত রাসূল। সে বলিল, আমি যদি আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করি এবং আপনার নবুওয়াত স্বীকার করি তাহা হইলে কি হইবে এবং ঐসব বকরী যাহা আমার নিকট আমানত রাখা হইয়াছে আমি ঐগুলি কি করিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: দুর্গের নিকটবর্তী হইয়া সকল বকরীকে তাড়া কর এবং ঢিল নিক্ষেপ কর যাহাতে সকল বকরী নিজ নিজ মালিকের নিকট চলিয়া যায়।
অন্য একট বর্ণনায় রহিয়াছে যে, সে বলিল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি, আমার চেহারা কুৎসিত, শরীর হইতে দুর্গন্ধ বাহির হয় এবং আমর নিকট কোন সম্পদও নাই। এই অবস্থায় আমি যদি আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করিয়া নিহত হই তাহা হইলে কি আমি জান্নাত পাইব? রাসূলুল্লাহ (স) জওয়াব দিলেন, হাঁ, জান্নাত পাইব। তারপর সে যুদ্ধ করে এবং শাহাদত লাভ করে। তাহার লাশ রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট নীত হইলে তিনি বলিলেন, আল্লাহ তাহার চেহারা উজ্জ্বল করিয়া দিয়াছেন, তাহার শরীর সুগন্ধযুক্ত করিয়াছেন এবং সে জান্নাতের দুইজন হুর প্রাপ্ত হইয়াছে। সে আল্লাহ্র পথে জিহাদ ব্যতীত আর কোন আমল করে নাই, এক ওয়াক্ত সালাতও আদায় করে নাই, কিন্তু ঈমান এবং সত্যবাদিতার ফলে সে এই মর্যাদা প্রাপ্ত হইয়াছে (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৮)।
কৃষ্ণকায় এক রাখালের ঘটনা সহীহ হাদীছসমূহে উদ্ধৃত হইয়াছে। ঘটনাটি এই দুর্গ বিজয়ের সময় সংঘটিত হয়। ইয়াহুদীগণ যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে তখন সে জিজ্ঞাসা করে, উহা কি ব্যাপার! তাহারা জবাব দেয়, ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করিব যে নিজকে আল্লাহ্ নবী বলিয়া দাবি করে। ইহা শুনিবামাত্র তাহার হৃদয়ে ইসলামের জযবা সৃষ্টি হয়। সে তাহার সকল বকরীসহ রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট চলিয়া আসে এবং প্রশ্ন করে, আপনি কি বলেন এবং দাওয়াত দেন? তিনি জওয়াব দিলেন: আমি দীন ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানাই এবং এই দাওয়াত দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কাহারও দাসত্ব করিও না এবং আমি আল্লাহর প্রেরিত রাসূল। সে বলিল, আমি যদি আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করি এবং আপনার নবুওয়াত স্বীকার করি তাহা হইলে কি হইবে এবং ঐসব বকরী যাহা আমার নিকট আমানত রাখা হইয়াছে আমি ঐগুলি কি করিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: দুর্গের নিকটবর্তী হইয়া সকল বকরীকে তাড়া কর এবং ঢিল নিক্ষেপ কর যাহাতে সকল বকরী নিজ নিজ মালিকের নিকট চলিয়া যায়।
অন্য একট বর্ণনায় রহিয়াছে যে, সে বলিল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি, আমার চেহারা কুৎসিত, শরীর হইতে দুর্গন্ধ বাহির হয় এবং আমর নিকট কোন সম্পদও নাই। এই অবস্থায় আমি যদি আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করিয়া নিহত হইয়া তাহা হইলে কি আমি জান্নাত পাইব? রাসূলুল্লাহ (স) জওয়াব দিলেন, হাঁ, জান্নাত পাইব। তারপর সে যুদ্ধ করে এবং শাহাদত লাভ করে। তাহার লাশ রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট নীত হইলে তিনি বলিলেন, আল্লাহ তাহার চেহারা উজ্জ্বল করিয়া দিয়াছেন, তাহার শরীর সুগন্ধযুক্ত করিয়াছেন এবং সে জান্নাতের দুইজন হুর প্রাপ্ত হইয়াছে। সে আল্লাহ্র পথে জিহাদ ব্যতীত আর কোন আমল করে নাই, এক ওয়াক্ত সালাতও আদায় করে নাই, কিন্তু ঈমান এবং সত্যবাদিতার ফলে সে এই মর্যাদা প্রাপ্ত হইয়াছে (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৮)।
কৃষ্ণকায় এক রাখালের ঘটনা সহীহ হাদীছসমূহে উদ্ধৃত হইয়াছে। ঘটনাটি এই দুর্গ বিজয়ের সময় সংঘটিত হয়। ইয়াহুদীগণ যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে তখন সে জিজ্ঞাসা করে, উহা কি ব্যাপার! তাহারা জবাব দেয়, ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমরা যুদ্ধ করিব যে নিজকে আল্লাহ্ নবী বলিয়া দাবি করে। ইহা শুনিবামাত্র তাহার হৃদয়ে ইসলামের জযবা সৃষ্টি হয়। সে তাহার সকল বকরীসহ রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট চলিয়া আসে এবং প্রশ্ন করে, আপনি কি বলেন এবং দাওয়াত দেন? তিনি জওয়াব দিলেন: আমি দীন ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানাই এবং এই দাওয়াত দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কাহারও দাসত্ব করিও না এবং আমি আল্লাহর প্রেরিত রাসূল। সে বলিল, আমি যদি আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করি এবং আপনার নবুওয়াত স্বীকার করি তাহা হইলে কি হইবে এবং ঐসব বকরী যাহা আমার নিকট আমানত রাখা হইয়াছে আমি ঐগুলি কি করিব? রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: দুর্গের নিকটবর্তী হইয়া সকল বকরীকে তাড়া কর এবং ঢিল নিক্ষেপ কর যাহাতে সকল বকরী নিজ নিজ মালিকের নিকট চলিয়া যায়।
অন্য একট বর্ণনায় রহিয়াছে যে, সে বলিল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি, আমার চেহারা কুৎসিত, শরীর হইতে দুর্গন্ধ বাহির হয় এবং আমর নিকট কোন সম্পদও নাই। এই অবস্থায় আমি যদি আল্লাহ্র পথে যুদ্ধ করিয়া নিহত হই তাহা হইলে কি আমি জান্নাত পাইব? রাসূলুল্লাহ (স) জওয়াব দিলেন, হাঁ, জান্নাত পাইব। তারপর সে যুদ্ধ করে এবং শাহাদত লাভ করে। তাহার লাশ রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট নীত হইলে তিনি বলিলেন, আল্লাহ তাহার চেহারা উজ্জ্বল করিয়া দিয়াছেন, তাহার শরীর সুগন্ধযুক্ত করিয়াছেন এবং সে জান্নাতের দুইজন হুর প্রাপ্ত হইয়াছে। সে আল্লাহ্র পথে জিহাদ ব্যতীত আর কোন আমল করে নাই, এক ওয়াক্ত সালাতও আদায় করে নাই, কিন্তু ঈমান এবং সত্যবাদিতার ফলে সে এই মর্যাদা প্রাপ্ত হইয়াছে (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৮)।