📄 খায়বারবাসীদের পলায়ন
মুনাফিক নেতা 'আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য ইবন সালূল খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিয়াছিল। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (স) ঘোষণা করিয়াছিলেন যে, এই অভিযানে এমন কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করিতে পারিবে না যাহার মধ্যে পার্থিব লোভ-লালসা রহিয়াছে। উহার ফলে মুনাফিকদের সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য খায়বারবাসীকে পূর্বেই অবহিত করিয়াছিল যে, মুহাম্মাদ (স) তোমাদের মূলোৎপাটনের ইচ্ছা পোষণ করিতেছেন। সাবধান! নিজেদের দুর্গে প্রবেশ করিবে না। খোলামাঠে বাহির হইয়া তাহার সহিত যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কারণ যুদ্ধের জন্য তোমাদের অগাধ রসদপত্র ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেবক রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদঃ গোলাম মুঈনুদ্দিন, ২খ., পৃ. ৪০১)। যেই রাত্রিশেষে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বারবাসীদের উপর আক্রমণ চালাইবার কথা ঐ রাত্রিতে আল্লাহর ইচ্ছায় তাহারা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিল, যদিও তাহারা ঐ আক্রমণ সম্পর্কে পূর্ব হইতেই অবগত ছিল। আক্রমণের সংবাদ প্রাপ্তির পর হইতে তাহারা স্ব-স্ব বসতিসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাহারা মোতায়েন করিয়াছিল। কিন্তু আক্রমণের রাত্রে তাহারা নিদ্রামগ্ন হইয়া পড়ে। তাহাদের মোরগের ডাক শোনা যায় নাই, এমনকি তাহাদের পশুগুলিও নিশ্চুপ ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, উরদূ অনুবাদ ২খ., ৪০৬)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নীতি ছিল যে, যখন তিনি কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করিতে মনস্থ করিতেন, তখন ভোর না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ চালাইতেন না। যদি কোন জনপদে পৌঁছিয়া তিনি ফজরের আযান শুনিতে পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ হইতে বিরত থাকিতেন। আর যদি আযান শুনিতে না পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ করিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, আমরা রাত্রিবেলা খায়বারে গিয়া অবতরণ করিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) সেখানে রাত্রিযাপন করিলেন। প্রত্যূষে তিনি আযান শুনিতে পাইলেন না। অতঃপর তিনি বাহনে আরোহণ করিলেন এবং আমরাও বাহনে আরোহণ করিলাম। আমি আবূ তালহার সহযাত্রী হইলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পাশাপাশি আগাইতেছিলাম। আমার পা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পবিত্র পদযুগল স্পর্শ করিতেছিল। আমরা লক্ষ্য করিলাম, খায়বারের কর্মজীবী লোকেরা প্রত্যূষেই গৃহ হইতে কর্মস্থলের দিকে বাহির হইয়া পড়িয়াছে। সঙ্গে তাহাদের বেলচা ও টুকরি ছিল। তাহারা যখন রাসূলুল্লাহ (স) ও তাঁহার পূর্ণাঙ্গ বাহিনীকে প্রত্যক্ষ করিল তখন বলিয়া উঠিল, ঐ যে মুহাম্মাদ ও তাঁহার সেনাবাহিনী দেখা যাইতেছে। তখন তাহারা পশ্চাৎ দিকে পালাইয়া গেল। তাহাদের পালানোর এই দৃশ্য অবলোকন করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذِرِينَ.
"আল্লাহু আকবার! খায়বার ধ্বংস হইয়া গেল। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি তখন ঐ সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কতই না অশুভ"।
রাসূলুল্লাহ (স) যখন খায়বারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তখন তিনি 'আসীর পাহাড়ের পথ ধরিয়া অগ্রসর হন। সেখানে তাঁহার আগমন উপলক্ষে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ। অতঃপর তিনি আস-সাহবায় গিয়া পৌঁছেন। ইহার পর বাহিনীসহ তিনি আর-রাজী' নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। ইহা খায়বার ও গাতাফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে অবস্থানের উদ্দেশ্য ছিল গাতাফান ও খায়বারবাসীদের মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করা। ফলে গাতাফানীরা খায়বারবাসীদিগকে কোনরূপ সাহায্য করিতে পারিল না, যদিও তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বিরুদ্ধে খায়বারবাসীদের সমর্থক ছিল (ইব্ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, ৩খ., ২২৬)।
মুনাফিক নেতা 'আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য ইবন সালূল খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিয়াছিল। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (স) ঘোষণা করিয়াছিলেন যে, এই অভিযানে এমন কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করিতে পারিবে না যাহার মধ্যে পার্থিব লোভ-লালসা রহিয়াছে। উহার ফলে মুনাফিকদের সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য খায়বারবাসীকে পূর্বেই অবহিত করিয়াছিল যে, মুহাম্মাদ (স) তোমাদের মূলোৎপাটনের ইচ্ছা পোষণ করিতেছেন। সাবধান! নিজেদের দুর্গে প্রবেশ করিবে না। খোলামাঠে বাহির হইয়া তাহার সহিত যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কারণ যুদ্ধের জন্য তোমাদের অগাধ রসদপত্র ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেবক রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদঃ গোলাম মুঈনুদ্দিন, ২খ., পৃ. ৪০১)। যেই রাত্রিশেষে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বারবাসীদের উপর আক্রমণ চালাইবার কথা ঐ রাত্রিতে আল্লাহর ইচ্ছায় তাহারা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিল, যদিও তাহারা ঐ আক্রমণ সম্পর্কে পূর্ব হইতেই অবগত ছিল। আক্রমণের সংবাদ প্রাপ্তির পর হইতে তাহারা স্ব-স্ব বসতিসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাহারা মোতায়েন করিয়াছিল। কিন্তু আক্রমণের রাত্রে তাহারা নিদ্রামগ্ন হইয়া পড়ে। তাহাদের মোরগের ডাক শোনা যায় নাই, এমনকি তাহাদের পশুগুলিও নিশ্চুপ ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, উরদূ অনুবাদ ২খ., ৪০৬)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নীতি ছিল যে, যখন তিনি কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করিতে মনস্থ করিতেন, তখন ভোর না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ চালাইতেন না। যদি কোন জনপদে পৌঁছিয়া তিনি ফজরের আযান শুনিতে পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ হইতে বিরত থাকিতেন। আর যদি আযান শুনিতে না পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ করিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, আমরা রাত্রিবেলা খায়বারে গিয়া অবতরণ করিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) সেখানে রাত্রিযাপন করিলেন। প্রত্যূষে তিনি আযান শুনিতে পাইলেন না। অতঃপর তিনি বাহনে আরোহণ করিলেন এবং আমরাও বাহনে আরোহণ করিলাম। আমি আবূ তালহার সহযাত্রী হইলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পাশাপাশি আগাইতেছিলাম। আমার পা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পবিত্র পদযুগল স্পর্শ করিতেছিল। আমরা লক্ষ্য করিলাম, খায়বারের কর্মজীবী লোকেরা প্রত্যূষেই গৃহ হইতে কর্মস্থলের দিকে বাহির হইয়া পড়িয়াছে। সঙ্গে তাহাদের বেলচা ও টুকরি ছিল। তাহারা যখন রাসূলুল্লাহ (স) ও তাঁহার পূর্ণাঙ্গ বাহিনীকে প্রত্যক্ষ করিল তখন বলিয়া উঠিল, ঐ যে মুহাম্মাদ ও তাঁহার সেনাবাহিনী দেখা যাইতেছে। তখন তাহারা পশ্চাৎ দিকে পালাইয়া গেল। তাহাদের পালানোর এই দৃশ্য অবলোকন করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذِرِينَ.
"আল্লাহু আকবার! খায়বার ধ্বংস হইয়া গেল। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি তখন ঐ সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কতই না অশুভ"।
রাসূলুল্লাহ (স) যখন খায়বারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তখন তিনি 'আসীর পাহাড়ের পথ ধরিয়া অগ্রসর হন। সেখানে তাঁহার আগমন উপলক্ষে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ। অতঃপর তিনি আস-সাহবায় গিয়া পৌঁছেন। ইহার পর বাহিনীসহ তিনি আর-রাজী' নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। ইহা খায়বার ও গাতাফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে অবস্থানের উদ্দেশ্য ছিল গাতাফান ও খায়বারবাসীদের মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করা। ফলে গাতাফানীরা খায়বারবাসীদিগকে কোনরূপ সাহায্য করিতে পারিল না, যদিও তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বিরুদ্ধে খায়বারবাসীদের সমর্থক ছিল (ইব্ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২২৬)।
মুনাফিক নেতা 'আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য ইবন সালূল খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিয়াছিল। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (স) ঘোষণা করিয়াছিলেন যে, এই অভিযানে এমন কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করিতে পারিবে না যাহার মধ্যে পার্থিব লোভ-লালসা রহিয়াছে। উহার ফলে মুনাফিকদের সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য খায়বারবাসীকে পূর্বেই অবহিত করিয়াছিল যে, মুহাম্মাদ (স) তোমাদের মূলোৎপাটনের ইচ্ছা পোষণ করিতেছেন। সাবধান! নিজেদের দুর্গে প্রবেশ করিবে না। খোলামাঠে বাহির হইয়া তাহার সহিত যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কারণ যুদ্ধের জন্য তোমাদের অগাধ রসদপত্র ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেবক রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদঃ গোলাম মুঈনুদ্দিন, ২খ., পৃ. ৪০১)। যেই রাত্রিশেষে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বারবাসীদের উপর আক্রমণ চালাইবার কথা ঐ রাত্রিতে আল্লাহর ইচ্ছায় তাহারা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিল, যদিও তাহারা ঐ আক্রমণ সম্পর্কে পূর্ব হইতেই অবগত ছিল। আক্রমণের সংবাদ প্রাপ্তির পর হইতে তাহারা স্ব-স্ব বসতিসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাহারা মোতায়েন করিয়াছিল। কিন্তু আক্রমণের রাত্রে তাহারা নিদ্রামগ্ন হইয়া পড়ে। তাহাদের মোরগের ডাক শোনা যায় নাই, এমনকি তাহাদের পশুগুলিও নিশ্চুপ ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদ ২খ., ৪০৬)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নীতি ছিল যে, যখন তিনি কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করিতে মনস্থ করিতেন, তখন ভোর না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ চালাইতেন না। যদি কোন জনপদে পৌঁছিয়া তিনি ফজরের আযান শুনিতে পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ হইতে বিরত থাকিতেন। আর যদি আযান শুনিতে না পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ করিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, আমরা রাত্রিবেলা খায়বারে গিয়া অবতরণ করিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) সেখানে রাত্রিযাপন করিলেন। প্রত্যূষে তিনি আযান শুনিতে পাইলেন না। অতঃপর তিনি বাহনে আরোহণ করিলেন এবং আমরাও বাহনে আরোহণ করিলাম। আমি আবূ তালহার সহযাত্রী হইলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পাশাপাশি আগাইতেছিলাম। আমার পা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পবিত্র পদযুগল স্পর্শ করিতেছিল। আমরা লক্ষ্য করিলাম, খায়বারের কর্মজীবী লোকেরা প্রত্যূষেই গৃহ হইতে কর্মস্থলের দিকে বাহির হইয়া পড়িয়াছে। সঙ্গে তাহাদের বেলচা ও টুকরি ছিল। তাহারা যখন রাসূলুল্লাহ (স) ও তাঁহার পূর্ণাঙ্গ বাহিনীকে প্রত্যক্ষ করিল তখন বলিয়া উঠিল, ঐ যে মুহাম্মাদ ও তাঁহার সেনাবাহিনী দেখা যাইতেছে। তখন তাহারা পশ্চাৎ দিকে পালাইয়া গেল। তাহাদের পালানোর এই দৃশ্য অবলোকন করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذِرِينَ.
"আল্লাহু আকবার! খায়বার ধ্বংস হইয়া গেল। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি তখন ঐ সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কতই না অশুভ"।
রাসূলুল্লাহ (স) যখন খায়বারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তখন তিনি 'আসীর পাহাড়ের পথ ধরিয়া অগ্রসর হন। সেখানে তাঁহার আগমন উপলক্ষে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ। অতঃপর তিনি আস-সাহবায় গিয়া পৌঁছেন। ইহার পর বাহিনীসহ তিনি আর-রাজী' নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। ইহা খায়বার ও গাতাফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে অবস্থানের উদ্দেশ্য ছিল গাতাফান ও খায়বারবাসীদের মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করা। ফলে গাতাফানীরা খায়বারবাসীদিগকে কোনরূপ সাহায্য করিতে পারিল না, যদিও তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বিরুদ্ধে খায়বারবাসীদের সমর্থক ছিল (ইব্ن হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২২৬)।
মুনাফিক নেতা 'আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য ইবন সালূল খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিয়াছিল। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (স) ঘোষণা করিয়াছিলেন যে, এই অভিযানে এমন কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করিতে পারিবে না যাহার মধ্যে পার্থিব লোভ-লালসা রহিয়াছে। উহার ফলে মুনাফিকদের সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য খায়বারবাসীকে পূর্বেই অবহিত করিয়াছিল যে, মুহাম্মাদ (স) তোমাদের মূলোৎপাটনের ইচ্ছা পোষণ করিতেছেন। সাবধান! নিজেদের দুর্গে প্রবেশ করিবে না। খোলামাঠে বাহির হইয়া তাহার সহিত যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কারণ যুদ্ধের জন্য তোমাদের অগাধ রসদপত্র ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেবক রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদঃ গোলাম মুঈনুদ্দিন, ২খ., পৃ. ৪০১)। যেই রাত্রিশেষে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বারবাসীদের উপর আক্রমণ চালাইবার কথা ঐ রাত্রিতে আল্লাহর ইচ্ছায় তাহারা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিল, যদিও তাহারা ঐ আক্রমণ সম্পর্কে পূর্ব হইতেই অবগত ছিল। আক্রমণের সংবাদ প্রাপ্তির পর হইতে তাহারা স্ব-স্ব বসতিসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাহারা মোতায়েন করিয়াছিল। কিন্তু আক্রমণের রাত্রে তাহারা নিদ্রামগ্ন হইয়া পড়ে। তাহাদের মোরগের ডাক শোনা যায় নাই, এমনকি তাহাদের পশুগুলিও নিশ্চুপ ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, উরদূ অনুবাদ ২খ., ৪০৬)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নীতি ছিল যে, যখন তিনি কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করিতে মনস্থ করিতেন, তখন ভোর না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ চালাইতেন না। যদি কোন জনপদে পৌঁছিয়া তিনি ফজরের আযান শুনিতে পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ হইতে বিরত থাকিতেন। আর যদি আযান শুনিতে না পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ করিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, আমরা রাত্রিবেলা খায়বারে গিয়া অবতরণ করিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) সেখানে রাত্রিযাপন করিলেন। প্রত্যূষে তিনি আযান শুনিতে পাইলেন না। অতঃপর তিনি বাহনে আরোহণ করিলেন এবং আমরাও বাহনে আরোহণ করিলাম। আমি আবূ তালহার সহযাত্রী হইলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পাশাপাশি আগাইতেছিলাম। আমার পা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পবিত্র পদযুগল স্পর্শ করিতেছিল। আমরা লক্ষ্য করিলাম, খায়বারের কর্মজীবী লোকেরা প্রত্যূষেই গৃহ হইতে কর্মস্থলের দিকে বাহির হইয়া পড়িয়াছে। সঙ্গে তাহাদের বেলচা ও টুকরি ছিল। তাহারা যখন রাসূলুল্লাহ (স) ও তাঁহার পূর্ণাঙ্গ বাহিনীকে প্রত্যক্ষ করিল তখন বলিয়া উঠিল, ঐ যে মুহাম্মাদ ও তাঁহার সেনাবাহিনী দেখা যাইতেছে। তখন তাহারা পশ্চাৎ দিকে পালাইয়া গেল। তাহাদের পালানোর এই দৃশ্য অবলোকন করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذِرِينَ.
"আল্লাহু আকবার! খায়বার ধ্বংস হইয়া গেল। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি তখন ঐ সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কতই না অশুভ"।
রাসূলুল্লাহ (স) যখন খায়বারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তখন তিনি 'আসীর পাহাড়ের পথ ধরিয়া অগ্রসর হন। সেখানে তাঁহার আগমন উপলক্ষে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ। অতঃপর তিনি আস-সাহবায় গিয়া পৌঁছেন। ইহার পর বাহিনীসহ তিনি আর-রাজী' নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। ইহা খায়বার ও গাতাফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে অবস্থানের উদ্দেশ্য ছিল গাতাফান ও খায়বারবাসীদের মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করা। ফলে গাতাফানীরা খায়বারবাসীদিগকে কোনরূপ সাহায্য করিতে পারিল না, যদিও তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বিরুদ্ধে খায়বারবাসীদের সমর্থক ছিল (ইব্ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, ৩খ., ২২৬)।
📄 গাতাফানীদের খায়বারবাসীদিগকে সাহায্য দানের ব্যর্থ চেষ্টা
ইবন হিশাম বলেন, গাতাফানীরা যখন সংবাদ পাইল যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারে শিবির স্থাপন করিয়াছেন, তখন তাহারা লোকজনকে সমবেত করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে ইয়াহুদীদের সাহায্য করার মানসে বাহির হয়। কিন্তু এক মনযিল (১৬ মাইল প্রায়) পথ অতিক্রম করিতেই তাহাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে গাতাফানবাসীদের ধারণা হইল যে, এই উদ্যোগ তাহাদের জন্য শুভ হইতেছে না এবং ইহাও ধারণা হইল যে, মুসলমানগণ পিছন হইতে তাহাদের আক্রমণ করিতেছে। তখন তাহারা ফিরিয়া যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স) ও খায়বারবাসীদের ব্যাপারটি তাহাদের উপর ছাড়িয়া দেয় (পৃ. গ্র.)।
আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের দিকে যখন রওয়ানা হইয়াছিলেন তখন লোকজন একটি উপত্যকায় উপনীত হইয়া উচ্চস্বরে তাকবীর বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ.
ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: নিজেদেরকে সংযত রাখ। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে আহ্বান করিতেছ না। যাহাকে ডাকিতেছ তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী এবং তোমাদের সঙ্গে আছেন।
আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাহনে পিছন দিকে উপবিষ্ট ছিলাম। আমি لاَحَوْلَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله পড়িতেছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহা শুনিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবদুল্লাহ ইব্ন কায়স! আমি উত্তর দিলাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি বলিলেন: আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিক্ষা দিব কি যাহা জান্নাতের অন্যতম ভাণ্ডার। আমি বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! অবশ্যই শিক্ষা দিন, আমার মাতা-পিতা আপনার প্রতি কুরবান হউক। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: বাক্যটি হইল: لا حَولَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু গাযওয়াতি খায়বার; মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদ, ২খ., ৪০৬)।
ইবন হিশাম বলেন, গাতাফানীরা যখন সংবাদ পাইল যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারে শিবির স্থাপন করিয়াছেন, তখন তাহারা লোকজনকে সমবেত করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে ইয়াহুদীদের সাহায্য করার মানসে বাহির হয়। কিন্তু এক মনযিল (১৬ মাইল প্রায়) পথ অতিক্রম করিতেই তাহাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে গাতাফানবাসীদের ধারণা হইল যে, এই উদ্যোগ তাহাদের জন্য শুভ হইতেছে না এবং ইহাও ধারণা হইল যে, মুসলমানগণ পিছন হইতে তাহাদের আক্রমণ করিতেছে। তখন তাহারা ফিরিয়া যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স) ও খায়বারবাসীদের ব্যাপারটি তাহাদের উপর ছাড়িয়া দেয় (পৃ. গ্র.)।
আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের দিকে যখন রওয়ানা হইয়াছিলেন তখন লোকজন একটি উপত্যকায় উপনীত হইয়া উচ্চস্বরে তাকবীর বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ.
ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: নিজেদেরকে সংযত রাখ। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে আহ্বান করিতেছ না। যাহাকে ডাকিতেছ তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী এবং তোমাদের সঙ্গে আছেন।
আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাহনে পিছন দিকে উপবিষ্ট ছিলাম। আমি لاَحَوْلَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله পড়িতেছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহা শুনিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবদুল্লাহ ইব্ন কায়স! আমি উত্তর দিলাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি বলিলেন: আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিক্ষা দিব কি যাহা জান্নাতের অন্যতম ভাণ্ডার। আমি বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! অবশ্যই শিক্ষা দিন, আমার মাতা-পিতা আপনার প্রতি কুরবান হউক। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
لا حَولَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু গাযওয়াতি খায়বার; মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদ, ২খ., ৪০৬)।
ইবন হিশাম বলেন, গাতাফানীরা যখন সংবাদ পাইল যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারে শিবির স্থাপন করিয়াছেন, তখন তাহারা লোকজনকে সমবেত করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে ইয়াহুদীদের সাহায্য করার মানসে বাহির হয়। কিন্তু এক মনযিল (১৬ মাইল প্রায়) পথ অতিক্রম করিতেই তাহাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে গাতাফানবাসীদের ধারণা হইল যে, এই উদ্যোগ তাহাদের জন্য শুভ হইতেছে না এবং ইহাও ধারণা হইল যে, মুসলমানগণ পিছন হইতে তাহাদের আক্রমণ করিতেছে। তখন তাহারা ফিরিয়া যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স) ও খায়বারবাসীদের ব্যাপারটি তাহাদের উপর ছাড়িয়া দেয় (পৃ. গ্র.)।
আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের দিকে যখন রওয়ানা হইয়াছিলেন তখন লোকজন একটি উপত্যকায় উপনীত হইয়া উচ্চস্বরে তাকবীর বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ.
ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: নিজেদেরকে সংযত রাখ। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে আহ্বান করিতেছ না। যাহাকে ডাকিতেছ তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী এবং তোমাদের সঙ্গে আছেন।
আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাহনে পিছন দিকে উপবিষ্ট ছিলাম। আমি لاَحَوْلَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله পড়িতেছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহা শুনিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবদুল্লাহ ইব্ন কায়س! আমি উত্তর দিলাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি বলিলেন: আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিক্ষা দিব কি যাহা জান্নাতের অন্যতম ভাণ্ডার। আমি বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! অবশ্যই শিক্ষা দিন, আমার মাতা-পিতা আপনার প্রতি কুরবান হউক। রাসূলুল্লাহ (س) বলিলেন:
لا حَولَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু গাযওয়াতি খায়বার; মাদারিজুন নوبোত, উরদূ অনুবাদ, ২খ., ৪০৬)।
ইবন হিশাম বলেন, গাতাফানীরা যখন সংবাদ পাইল যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারে শিবির স্থাপন করিয়াছেন, তখন তাহারা লোকজনকে সমবেত করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে ইয়াহুদীদের সাহায্য করার মানসে বাহির হয়। কিন্তু এক মনযিল (১৬ মাইল প্রায়) পথ অতিক্রম করিতেই তাহাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে গাতাফানবাসীদের ধারণা হইল যে, এই উদ্যোগ তাহাদের জন্য শুভ হইতেছে না এবং ইহাও ধারণা হইল যে, মুসলমানগণ পিছন হইতে তাহাদের আক্রমণ করিতেছে। তখন তাহারা ফিরিয়া যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স) ও খায়বারবাসীদের ব্যাপারটি তাহাদের উপর ছাড়িয়া দেয় (পৃ. গ্র.)।
আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের দিকে যখন রওয়ানা হইয়াছিলেন তখন লোকজন একটি উপত্যকায় উপনীত হইয়া উচ্চস্বরে তাকবীর বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ.
ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: নিজেদেরকে সংযত রাখ। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে আহ্বান করিতেছ না। যাহাকে ডাকিতেছ তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী এবং তোমাদের সঙ্গে আছেন।
আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাহনে পিছন দিকে উপবিষ্ট ছিলাম। আমি لاَحَوْلَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله পড়িতেছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহা শুনিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবদুল্লাহ ইব্ন কায়স! আমি উত্তর দিলাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি বলিলেন: আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিক্ষা দিব কি যাহা জান্নাতের অন্যতম ভাণ্ডার। আমি বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! অবশ্যই শিক্ষা দিন, আমার মাতা-পিতা আপনার প্রতি কুরবান হউক। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: বাক্যটি হইল:
لا حَولَ وَلا قُوَّةَ الا بالله (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু গাযওয়াতি খায়বার; মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদ, ২খ., ৪০৬)।
📄 আন-নাতা দুর্গ
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে যুদ্ধের উৎসাহ দান করিলেন এবং পরিণামে জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন, অতঃপর সাহাবীগণের সহিত পরামর্শ করিলেন। অভিজ্ঞ যোদ্ধা হুবাব ইবনুল মুনযির-এর পরামর্শে আর-রাজী'তে মুসলিম বাহিনীর অবস্থান স্থল নির্ধারিত হয়। 'নাতা' দুর্গ হইতে ইয়াহুদীগণ যুদ্ধ আরম্ভ করিল। উহারা দুর্গের উপর হইতে তীর নিক্ষেপ করিত। প্রথম দিন মুকাবিলার পর রাত্রি হইয়া গেলে মুসলমানগণ শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন। দ্বিতীয় দিন উছমান ইব্ন আফফান (রা)-কে অবস্থান স্থলের দেখাশুনা এবং মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সকল কাজের তদারকির দায়িত্ব অর্পণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) দুর্গের পাদদেশে রণস্থলে আসিলেন। এইভাবে কয়েক দিন অতিবাহিত হইল। অবশেষে নাতা দুর্গটি বিজিত হইল। ঐ দুর্গে অভিযান পরিচালনার সময় পঞ্চাশজন মুসলমান আহত হইয়াছিলেন (মাদারিজুন নুবৃওয়া, উরদূ অনুবাদ, ২খ., পৃ. ৪০৭)।
সর্বপ্রথম আন-নাতা দুর্গে আক্রমণের কারণ হইল, ইয়াহুদীগণ স্বীয় পরিবার-পরিজনকে একটি পুরাতন দুর্গে রাখিয়াছিল এবং পানাহারের দ্রব্যাদি নাঈমও সা'আব দুর্গদ্বয়ে একত্র করিয়া যুদ্ধে সক্ষম পুরুষরা নাতা দুর্গে সমবেত হইয়াছিল। উহাতে ইয়াহুদীদের দলপতি সাল্লাম ইব্ন মিশকামও অবস্থানরত ছিল (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭)।
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে যুদ্ধের উৎসাহ দান করিলেন এবং পরিণামে জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন, অতঃপর সাহাবীগণের সহিত পরামর্শ করিলেন। অভিজ্ঞ যোদ্ধা হুবাব ইবনুল মুনযির-এর পরামর্শে আর-রাজী'তে মুসলিম বাহিনীর অবস্থান স্থল নির্ধারিত হয়। 'নাতা' দুর্গ হইতে ইয়াহুদীগণ যুদ্ধ আরম্ভ করিল। উহারা দুর্গের উপর হইতে তীর নিক্ষেপ করিত। প্রথম দিন মুকাবিলার পর রাত্রি হইয়া গেলে মুসলমানগণ শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন। দ্বিতীয় দিন উছমান ইব্ন আফফান (রা)-কে অবস্থান স্থলের দেখাশুনা এবং মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সকল কাজের তদারকির দায়িত্ব অর্পণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) দুর্গের পাদদেশে রণস্থলে আসিলেন। এইভাবে কয়েক দিন অতিবাহিত হইল। অবশেষে নাতা দুর্গটি বিজিত হইল। ঐ দুর্গে অভিযান পরিচালনার সময় পঞ্চাশজন মুসলমান আহত হইয়াছিলেন (মাদারিজুন নুবৃওয়া, উরদূ অনুবাদ, ২খ., পৃ. ৪০৭)।
সর্বপ্রথম আন-নাতা দুর্গে আক্রমণের কারণ হইল, ইয়াহুদীগণ স্বীয় পরিবার-পরিজনকে একটি পুরাতন দুর্গে রাখিয়াছিল এবং পানাহারের দ্রব্যাদি নাঈমও সা'আব দুর্গদ্বয়ে একত্র করিয়া যুদ্ধে সক্ষম পুরুষরা নাতা দুর্গে সমবেত হইয়াছিল। উহাতে ইয়াহুদীদের দলপতি সাল্লাম ইব্ন মিশকামও অবস্থানরত ছিল (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭)।
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে যুদ্ধের উৎসাহ দান করিলেন এবং পরিণামে জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন, অতঃপর সাহাবীগণের সহিত পরামর্শ করিলেন। অভিজ্ঞ যোদ্ধা হুবাব ইবনুল মুনযির-এর পরামর্শে আর-রাজী'তে মুসলিম বাহিনীর অবস্থান স্থল নির্ধারিত হয়। 'নাতা' দুর্গ হইতে ইয়াহুদীগণ যুদ্ধ আরম্ভ করিল। উহারা দুর্গের উপর হইতে তীর নিক্ষেপ করিত। প্রথম দিন মুকাবিলার পর রাত্রি হইয়া গেলে মুসলমানগণ শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন। দ্বিতীয় দিন উছমান ইব্ন আফফান (রা)-কে অবস্থান স্থলের দেখাশুনা এবং মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সকল কাজের তদারকির দায়িত্ব অর্পণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) দুর্গের পাদদেশে রণস্থলে আসিলেন। এইভাবে কয়েক দিন অতিবাহিত হইল। অবশেষে নাতা দুর্গটি বিজিত হইল। ঐ দুর্গে অভিযান পরিচালনার সময় পঞ্চাশজন মুসলমান আহত হইয়াছিলেন (মাদারিজুন নুবৃওয়া, উরদূ অনুবাদ, ২খ., পৃ. ৪০৭)।
সর্বপ্রথম আন-নাতা দুর্গে আক্রমণের কারণ হইল, ইয়াহুদীগণ স্বীয় পরিবার-পরিজনকে একটি পুরাতন দুর্গে রাখিয়াছিল এবং পানাহারের দ্রব্যাদি নাঈমও সা'আব দুর্গদ্বয়ে একত্র করিয়া যুদ্ধে সক্ষম পুরুষরা নাতা দুর্গে সমবেত হইয়াছিল। উহাতে ইয়াহুদীদের দলপতি সাল্লাম ইব্ন মিশকামও অবস্থানরত ছিল (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭)।
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে যুদ্ধের উৎসাহ দান করিলেন এবং পরিণামে জান্নাতের সুসংবাদ দিলেন, অতঃপর সাহাবীগণের সহিত পরামর্শ করিলেন। অভিজ্ঞ যোদ্ধা হুবাব ইবনুল মুনযির-এর পরামর্শে আর-রাজী'তে মুসলিম বাহিনীর অবস্থান স্থল নির্ধারিত হয়। 'নাতা' দুর্গ হইতে ইয়াহুদীগণ যুদ্ধ আরম্ভ করিল। উহারা দুর্গের উপর হইতে তীর নিক্ষেপ করিত। প্রথম দিন মুকাবিলার পর রাত্রি হইয়া গেলে মুসলমানগণ শিবিরে ফিরিয়া আসিলেন। দ্বিতীয় দিন উছমান ইব্ন আফফান (রা)-কে অবস্থান স্থলের দেখাশুনা এবং মুসলিম সৈন্যবাহিনীর সকল কাজের তদারকির দায়িত্ব অর্পণ করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) দুর্গের পাদদেশে রণস্থলে আসিলেন। এইভাবে কয়েক দিন অতিবাহিত হইল। অবশেষে নাতা দুর্গটি বিজিত হইল। ঐ দুর্গে অভিযান পরিচালনার সময় পঞ্চাশজন মুসলমান আহত হইয়াছিলেন (মাদারিজুন নুবৃওয়া, উরদূ অনুবাদ, ২খ., পৃ. ৪০৭)।
সর্বপ্রথম আন-নাতা দুর্গে আক্রমণের কারণ হইল, ইয়াহুদীগণ স্বীয় পরিবার-পরিজনকে একটি পুরাতন দুর্গে রাখিয়াছিল এবং পানাহারের দ্রব্যাদি নাঈমও সা'আব দুর্গদ্বয়ে একত্র করিয়া যুদ্ধে সক্ষম পুরুষরা নাতা দুর্গে সমবেত হইয়াছিল। উহাতে ইয়াহুদীদের দলপতি সাল্লাম ইব্ন মিশকামও অবস্থানরত ছিল (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭)।
📄 মাহমূদ ইবন মাসলামা (রা)-এর শাহাদাত
এই সময় প্রচণ্ড গরম ছিল। মুহাম্মাদ ইবন মাসলামার ভ্রাতা মাহমূদ ইবন মাসলামা গরমের প্রচণ্ডতায় এবং ভারী অস্ত্র বহনের ফলে ক্লান্ত হইয়া পড়েন। তিনি নাঈম দুর্গের প্রাচীরের পাদদেশে নির্জন ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের জন্য শয়ন করেন। কিন্তু কিনানা ইবন হুকায়ক অথবা মারহাব টের পাইয়া দুর্গের প্রাচীরের উপর হইতে বিরাট একটি পাথর নিক্ষেপ করে। উহার ফলে তাহার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যায় এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭-৮৮)।
এই সময় প্রচণ্ড গরম ছিল। মুহাম্মাদ ইবন মাসলামার ভ্রাতা মাহমূদ ইবন মাসলামা গরমের প্রচণ্ডতায় এবং ভারী অস্ত্র বহনের ফলে ক্লান্ত হইয়া পড়েন। তিনি নাঈম দুর্গের প্রাচীরের পাদদেশে নির্জন ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের জন্য শয়ন করেন। কিন্তু কিনানা ইবন হুকায়ক অথবা মারহাব টের পাইয়া দুর্গের প্রাচীরের উপর হইতে বিরাট একটি পাথর নিক্ষেপ করে। উহার ফলে তাহার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যায় এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭-৮৮)।
এই সময় প্রচণ্ড গরম ছিল। মুহাম্মাদ ইবন মাসলামার ভ্রাতা মাহমূদ ইবন মাসলামা গরমের প্রচণ্ডতায় এবং ভারী অস্ত্র বহনের ফলে ক্লান্ত হইয়া পড়েন। তিনি নাঈম দুর্গের প্রাচীরের পাদদেশে নির্জন ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের জন্য শয়ন করেন। কিন্তু কিনানা ইবন হুকায়ক অথবা মারহাব টের পাইয়া দুর্গের প্রাচীরের উপর হইতে বিরাট একটি পাথর নিক্ষেপ করে। উহার ফলে তাহার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যায় এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭-৮৮)।
এই সময় প্রচণ্ড গরম ছিল। মুহাম্মাদ ইবন মাসলামার ভ্রাতা মাহমূদ ইবন মাসলামা গরমের প্রচণ্ডতায় এবং ভারী অস্ত্র বহনের ফলে ক্লান্ত হইয়া পড়েন। তিনি নাঈম দুর্গের প্রাচীরের পাদদেশে নির্জন ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণের জন্য শয়ন করেন। কিন্তু কিনানা ইবন হুকায়ক অথবা মারহাব টের পাইয়া দুর্গের প্রাচীরের উপর হইতে বিরাট একটি পাথর নিক্ষেপ করে। উহার ফলে তাহার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যায় এবং তিনি শাহাদাত লাভ করেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৮৭-৮৮)।