📄 'আমের ইবনুল আকওয়া (রা)-এর শাহাদাতবরণ
রাসূলুল্লাহ (স)-এর ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হইয়াছিল। ঐ যুদ্ধেই আমের (রা) শাহাদাত বরণ করিয়াছিলেন। যুদ্ধকালে তাঁহার নিজের তরবারি তাঁহার প্রতি ফিরিয়া আসিয়া তাঁহাকে গুরুতরভাবে আহত করে এবং ইহার ফলেই তিনি শাহাদাত লাভ করেন। মুসলমানদের মধ্যে তাঁহার শাহাদাতের ব্যাপারে সন্দেহের উদ্রেক হয়। তাহারা বলাবলি করিতে থাকেন, নিজ তরবারির আঘাতে তাঁহার মৃত্যু হইয়াছে, তাই তিনি কী করিয়া শহীদ হইবেন? এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁহার ভ্রাতুষ্পুত্র সালামা ইব্ন আম্র ইবনুল আকওয়া রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিলেন। তিনি তাঁহার ব্যাপারে লোকদের জল্পনা-কল্পনার কথাও তাঁহাকে অবহিত করিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলিলেন, انهُ لَشَهِيدٌ (নিশ্চয় সে শহীদ)। তিনি যথারীতি তাঁহার জানাযার সালাত আদায় করেন। ইহার ফলে তাঁহার ব্যাপারে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, অনুবাদ ইফাবা, ৩খ., পৃ. ৩৪৭, ১৯৯৫ খৃ.)। বুখারীর বর্ণনা অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তাহার জন্য দ্বিগুণ ছওয়াব রহিয়াছে। সে কর্মতৎপর জিহাদকারী (বুখারী, ২খ., পৃ. ৬০৩)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হইয়াছিল। ঐ যুদ্ধেই আমের (রা) শাহাদাত বরণ করিয়াছিলেন। যুদ্ধকালে তাঁহার নিজের তরবারি তাঁহার প্রতি ফিরিয়া আসিয়া তাঁহাকে গুরুতরভাবে আহত করে এবং ইহার ফলেই তিনি শাহাদাত লাভ করেন। মুসলমানদের মধ্যে তাঁহার শাহাদাতের ব্যাপারে সন্দেহের উদ্রেক হয়। তাহারা বলাবলি করিতে থাকেন, নিজ তরবারির আঘাতে তাঁহার মৃত্যু হইয়াছে, তাই তিনি কী করিয়া শহীদ হইবেন? এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁহার ভ্রাতুষ্পুত্র সালামা ইব্ন আম্র ইবনুল আকওয়া রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিলেন। তিনি তাঁহার ব্যাপারে লোকদের জল্পনা-কল্পনার কথাও তাঁহাকে অবহিত করিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলিলেন, انهُ لَشَهِيدٌ (নিশ্চয় সে শহীদ)। তিনি যথারীতি তাঁহার জানাযার সালাত আদায় করেন। ইহার ফলে তাঁহার ব্যাপারে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, অনুবাদ ইফাবা, ৩খ., পৃ. ৩৪৭, ১৯৯৫ খৃ.)। বুখারীর বর্ণনা অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তাহার জন্য দ্বিগুণ ছওয়াব রহিয়াছে। সে কর্মতৎপর জিহাদকারী (বুখারী, ২খ., পৃ. ৬০৩)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হইয়াছিল। ঐ যুদ্ধেই আমের (রা) শাহাদাত বরণ করিয়াছিলেন। যুদ্ধকালে তাঁহার নিজের তরবারি তাঁহার প্রতি ফিরিয়া আসিয়া তাঁহাকে গুরুতরভাবে আহত করে এবং ইহার ফলেই তিনি শাহাদাত লাভ করেন। মুসলমানদের মধ্যে তাঁহার শাহাদাতের ব্যাপারে সন্দেহের উদ্রেক হয়। তাহারা বলাবলি করিতে থাকেন, নিজ তরবারির আঘাতে তাঁহার মৃত্যু হইয়াছে, তাই তিনি কী করিয়া শহীদ হইবেন? এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁহার ভ্রাতুষ্পুত্র সালামা ইব্ন আম্র ইবনুল আকওয়া রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিলেন। তিনি তাঁহার ব্যাপারে লোকদের জল্পনা-কল্পনার কথাও তাঁহাকে অবহিত করিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলিলেন, انهُ لَشَهِيدٌ (নিশ্চয় সে শহীদ)। তিনি যথারীতি তাঁহার জানাযার সালাত আদায় করেন। ইহার ফলে তাঁহার ব্যাপারে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, অনুবাদ ইফাবা, ৩খ., পৃ. ৩৪৭, ১৯৯৫ খৃ.)। বুখারীর বর্ণনা অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তাহার জন্য দ্বিগুণ ছওয়াব রহিয়াছে। সে কর্মতৎপর জিহাদকারী (বুখারী, ২খ., পৃ. ৬০৩)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর ভবিষ্যদ্বাণী সত্য প্রমাণিত হইয়াছিল। ঐ যুদ্ধেই আমের (রা) শাহাদাত বরণ করিয়াছিলেন। যুদ্ধকালে তাঁহার নিজের তরবারি তাঁহার প্রতি ফিরিয়া আসিয়া তাঁহাকে গুরুতরভাবে আহত করে এবং ইহার ফলেই তিনি শাহাদাত লাভ করেন। মুসলমানদের মধ্যে তাঁহার শাহাদাতের ব্যাপারে সন্দেহের উদ্রেক হয়। তাহারা বলাবলি করিতে থাকেন, নিজ তরবারির আঘাতে তাঁহার মৃত্যু হইয়াছে, তাই তিনি কী করিয়া শহীদ হইবেন? এমনকি শেষ পর্যন্ত তাঁহার ভ্রাতুষ্পুত্র সালামা ইব্ন আম্র ইবনুল আকওয়া রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিলেন। তিনি তাঁহার ব্যাপারে লোকদের জল্পনা-কল্পনার কথাও তাঁহাকে অবহিত করিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলিলেন, انهُ لَشَهِيدٌ (নিশ্চয় সে শহীদ)। তিনি যথারীতি তাঁহার জানাযার সালাত আদায় করেন। ইহার ফলে তাঁহার ব্যাপারে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, অনুবাদ ইফাবা, ৩খ., পৃ. ৩৪৭, ১৯৯৫ খৃ.)। বুখারীর বর্ণনা অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তাহার জন্য দ্বিগুণ ছওয়াব রহিয়াছে। সে কর্মতৎপর জিহাদকারী (বুখারী, ২খ., পৃ. ৬০৩)।
📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর দু'আ
ইবন ইসহাক তদীয় সূত্রে আবূ মুআত্তাব ইবন আমর (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের নিকটবর্তী পৌঁছিয়া তাঁহার সাহাবীদিগকে বলিলেন: তোমরা থাক! অতঃপর বলিলেন:
اللهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَمَا أَظْلَلْنَ وَرَبُّ الْأَرْضِينَ وَمَا أَقْلَلْنَ وَرَبُّ الشَّيَاطِينَ وَمَا أَضْلَلْنَ وَرَبُّ الرِّيَاحِ وَمَا أَدْرَيْنَ فَإِنَّا نَسْتَلْكَ خَيْرَ هُذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا .
"হে আল্লাহ! আসমান ও তাহার ছায়াতলে যাহা কিছু রহিয়াছে তাহার প্রতিপালক, যমীন ও তাহার মধ্যে যাহা কিছু উৎপন্ন হয় তাহার প্রতিপালক, শয়তান ও তাহার দ্বারা পথভ্রষ্টদের প্রতিপালক এবং বায়ুসমূহ ও তাহার দ্বারা উড়াইয়া নেওয়া বস্তুর প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ঐ জনপদের এবং উহার বাসিন্দাদের এবং উহার মধ্যে নিহিত সকল অমঙ্গল হইতে তোমার আশ্রয় চাহিতেছি" (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা ও বঙ্গানুবাদ, ই. ফা. বা., ৩খ., পৃ. ৩৪৮)।
ইবন ইসহাক তদীয় সূত্রে আবূ মুআত্তাব ইবন আমর (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের নিকটবর্তী পৌঁছিয়া তাঁহার সাহাবীদিগকে বলিলেন: তোমরা থাক! অতঃপর বলিলেন:
اللهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَمَا أَظْلَلْنَ وَرَبُّ الْأَرْضِينَ وَمَا أَقْلَلْنَ وَرَبُّ الشَّيَاطِينَ وَمَا أَضْلَلْنَ وَرَبُّ الرِّيَاحِ وَمَا أَدْرَيْنَ فَإِنَّا نَسْتَلْكَ خَيْرَ هُذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا .
“হে আল্লাহ! আসমান ও তাহার ছায়াতলে যাহা কিছু রহিয়াছে তাহার প্রতিপালক, যমীন ও তাহার মধ্যে যাহা কিছু উৎপন্ন হয় তাহার প্রতিপালক, শয়তান ও তাহার দ্বারা পথভ্রষ্টদের প্রতিপালক এবং বায়ুসমূহ ও তাহার দ্বারা উড়াইয়া নেওয়া বস্তুর প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ঐ জনপদের এবং উহার বাসিন্দাদের এবং উহার মধ্যে নিহিত সকল অমঙ্গল হইতে তোমার আশ্রয় চাহিতেছি” (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা ও বঙ্গানুবাদ, ই. ফা. বা., ৩খ., পৃ. ৩৪৮)।
ইবন ইসহাক তদীয় সূত্রে আবূ মুআত্তাব ইবন আমর (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের নিকটবর্তী পৌঁছিয়া তাঁহার সাহাবীদিগকে বলিলেন: তোমরা থাক! অতঃপর বলিলেন:
اللهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَمَا أَظْلَلْنَ وَرَبُّ الْأَرْضِينَ وَمَا أَقْلَلْنَ وَرَبُّ الشَّيَاطِينَ وَمَا أَضْلَلْنَ وَرَبُّ الرِّيَاحِ وَمَا أَدْرَيْنَ فَإِنَّا نَسْتَلْكَ خَيْرَ هُذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا .
“হে আল্লাহ! আসমান ও তাহার ছায়াতলে যাহা কিছু রহিয়াছে তাহার প্রতিপালক, যমীন ও তাহার মধ্যে যাহা কিছু উৎপন্ন হয় তাহার প্রতিপালক, শয়তান ও তাহার দ্বারা পথভ্রষ্টদের প্রতিপালক এবং বায়ুসমূহ ও তাহার দ্বারা উড়াইয়া নেওয়া বস্তুর প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ঐ জনপদের এবং উহার বাসিন্দাদের এবং উহার মধ্যে নিহিত সকল অমঙ্গল হইতে তোমার আশ্রয় চাহিতেছি” (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা ও বঙ্গানুবাদ, ই. ফা. বা., ৩খ., পৃ. ৩৪৮)।
ইবন ইসহাক তদীয় সূত্রে আবূ মুআত্তাব ইবন আমর (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের নিকটবর্তী পৌঁছিয়া তাঁহার সাহাবীদিগকে বলিলেন: তোমরা থাক! অতঃপর বলিলেন:
اللهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَمَا أَظْلَلْنَ وَرَبُّ الْأَرْضِينَ وَمَا أَقْلَلْنَ وَرَبُّ الشَّيَاطِينَ وَمَا أَضْلَلْنَ وَرَبُّ الرِّيَاحِ وَمَا أَدْرَيْنَ فَإِنَّا نَسْتَلْكَ خَيْرَ هُذِهِ الْقَرْيَةِ وَخَيْرَ أَهْلِهَا وَخَيْرَ مَا فِيْهَا وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَمِنْ شَرِّ أَهْلِهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا .
"হে আল্লাহ! আসমান ও তাহার ছায়াতলে যাহা কিছু রহিয়াছে তাহার প্রতিপালক, যমীন ও তাহার মধ্যে যাহা কিছু উৎপন্ন হয় তাহার প্রতিপালক, শয়তান ও তাহার দ্বারা পথভ্রষ্টদের প্রতিপালক এবং বায়ুসমূহ ও তাহার দ্বারা উড়াইয়া নেওয়া বস্তুর প্রতিপালক! আমরা তোমার নিকট ঐ জনপদের এবং উহার বাসিন্দাদের এবং উহার মধ্যে নিহিত সকল অমঙ্গল হইতে তোমার আশ্রয় চাহিতেছি" (ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবابিয়্যা ও বঙ্গানুবাদ, ই. ফা. বা., ৩খ., পৃ. ৩৪৮)।
📄 খায়বারবাসীদের পলায়ন
মুনাফিক নেতা 'আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য ইবন সালূল খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিয়াছিল। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (স) ঘোষণা করিয়াছিলেন যে, এই অভিযানে এমন কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করিতে পারিবে না যাহার মধ্যে পার্থিব লোভ-লালসা রহিয়াছে। উহার ফলে মুনাফিকদের সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য খায়বারবাসীকে পূর্বেই অবহিত করিয়াছিল যে, মুহাম্মাদ (স) তোমাদের মূলোৎপাটনের ইচ্ছা পোষণ করিতেছেন। সাবধান! নিজেদের দুর্গে প্রবেশ করিবে না। খোলামাঠে বাহির হইয়া তাহার সহিত যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কারণ যুদ্ধের জন্য তোমাদের অগাধ রসদপত্র ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেবক রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদঃ গোলাম মুঈনুদ্দিন, ২খ., পৃ. ৪০১)। যেই রাত্রিশেষে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বারবাসীদের উপর আক্রমণ চালাইবার কথা ঐ রাত্রিতে আল্লাহর ইচ্ছায় তাহারা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিল, যদিও তাহারা ঐ আক্রমণ সম্পর্কে পূর্ব হইতেই অবগত ছিল। আক্রমণের সংবাদ প্রাপ্তির পর হইতে তাহারা স্ব-স্ব বসতিসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাহারা মোতায়েন করিয়াছিল। কিন্তু আক্রমণের রাত্রে তাহারা নিদ্রামগ্ন হইয়া পড়ে। তাহাদের মোরগের ডাক শোনা যায় নাই, এমনকি তাহাদের পশুগুলিও নিশ্চুপ ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, উরদূ অনুবাদ ২খ., ৪০৬)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নীতি ছিল যে, যখন তিনি কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করিতে মনস্থ করিতেন, তখন ভোর না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ চালাইতেন না। যদি কোন জনপদে পৌঁছিয়া তিনি ফজরের আযান শুনিতে পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ হইতে বিরত থাকিতেন। আর যদি আযান শুনিতে না পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ করিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, আমরা রাত্রিবেলা খায়বারে গিয়া অবতরণ করিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) সেখানে রাত্রিযাপন করিলেন। প্রত্যূষে তিনি আযান শুনিতে পাইলেন না। অতঃপর তিনি বাহনে আরোহণ করিলেন এবং আমরাও বাহনে আরোহণ করিলাম। আমি আবূ তালহার সহযাত্রী হইলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পাশাপাশি আগাইতেছিলাম। আমার পা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পবিত্র পদযুগল স্পর্শ করিতেছিল। আমরা লক্ষ্য করিলাম, খায়বারের কর্মজীবী লোকেরা প্রত্যূষেই গৃহ হইতে কর্মস্থলের দিকে বাহির হইয়া পড়িয়াছে। সঙ্গে তাহাদের বেলচা ও টুকরি ছিল। তাহারা যখন রাসূলুল্লাহ (স) ও তাঁহার পূর্ণাঙ্গ বাহিনীকে প্রত্যক্ষ করিল তখন বলিয়া উঠিল, ঐ যে মুহাম্মাদ ও তাঁহার সেনাবাহিনী দেখা যাইতেছে। তখন তাহারা পশ্চাৎ দিকে পালাইয়া গেল। তাহাদের পালানোর এই দৃশ্য অবলোকন করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذِرِينَ.
"আল্লাহু আকবার! খায়বার ধ্বংস হইয়া গেল। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি তখন ঐ সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কতই না অশুভ"।
রাসূলুল্লাহ (স) যখন খায়বারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তখন তিনি 'আসীর পাহাড়ের পথ ধরিয়া অগ্রসর হন। সেখানে তাঁহার আগমন উপলক্ষে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ। অতঃপর তিনি আস-সাহবায় গিয়া পৌঁছেন। ইহার পর বাহিনীসহ তিনি আর-রাজী' নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। ইহা খায়বার ও গাতাফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে অবস্থানের উদ্দেশ্য ছিল গাতাফান ও খায়বারবাসীদের মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করা। ফলে গাতাফানীরা খায়বারবাসীদিগকে কোনরূপ সাহায্য করিতে পারিল না, যদিও তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বিরুদ্ধে খায়বারবাসীদের সমর্থক ছিল (ইব্ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, ৩খ., ২২৬)।
মুনাফিক নেতা 'আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য ইবন সালূল খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিয়াছিল। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (স) ঘোষণা করিয়াছিলেন যে, এই অভিযানে এমন কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করিতে পারিবে না যাহার মধ্যে পার্থিব লোভ-লালসা রহিয়াছে। উহার ফলে মুনাফিকদের সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য খায়বারবাসীকে পূর্বেই অবহিত করিয়াছিল যে, মুহাম্মাদ (স) তোমাদের মূলোৎপাটনের ইচ্ছা পোষণ করিতেছেন। সাবধান! নিজেদের দুর্গে প্রবেশ করিবে না। খোলামাঠে বাহির হইয়া তাহার সহিত যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কারণ যুদ্ধের জন্য তোমাদের অগাধ রসদপত্র ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেবক রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদঃ গোলাম মুঈনুদ্দিন, ২খ., পৃ. ৪০১)। যেই রাত্রিশেষে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বারবাসীদের উপর আক্রমণ চালাইবার কথা ঐ রাত্রিতে আল্লাহর ইচ্ছায় তাহারা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিল, যদিও তাহারা ঐ আক্রমণ সম্পর্কে পূর্ব হইতেই অবগত ছিল। আক্রমণের সংবাদ প্রাপ্তির পর হইতে তাহারা স্ব-স্ব বসতিসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাহারা মোতায়েন করিয়াছিল। কিন্তু আক্রমণের রাত্রে তাহারা নিদ্রামগ্ন হইয়া পড়ে। তাহাদের মোরগের ডাক শোনা যায় নাই, এমনকি তাহাদের পশুগুলিও নিশ্চুপ ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, উরদূ অনুবাদ ২খ., ৪০৬)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নীতি ছিল যে, যখন তিনি কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করিতে মনস্থ করিতেন, তখন ভোর না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ চালাইতেন না। যদি কোন জনপদে পৌঁছিয়া তিনি ফজরের আযান শুনিতে পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ হইতে বিরত থাকিতেন। আর যদি আযান শুনিতে না পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ করিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, আমরা রাত্রিবেলা খায়বারে গিয়া অবতরণ করিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) সেখানে রাত্রিযাপন করিলেন। প্রত্যূষে তিনি আযান শুনিতে পাইলেন না। অতঃপর তিনি বাহনে আরোহণ করিলেন এবং আমরাও বাহনে আরোহণ করিলাম। আমি আবূ তালহার সহযাত্রী হইলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পাশাপাশি আগাইতেছিলাম। আমার পা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পবিত্র পদযুগল স্পর্শ করিতেছিল। আমরা লক্ষ্য করিলাম, খায়বারের কর্মজীবী লোকেরা প্রত্যূষেই গৃহ হইতে কর্মস্থলের দিকে বাহির হইয়া পড়িয়াছে। সঙ্গে তাহাদের বেলচা ও টুকরি ছিল। তাহারা যখন রাসূলুল্লাহ (স) ও তাঁহার পূর্ণাঙ্গ বাহিনীকে প্রত্যক্ষ করিল তখন বলিয়া উঠিল, ঐ যে মুহাম্মাদ ও তাঁহার সেনাবাহিনী দেখা যাইতেছে। তখন তাহারা পশ্চাৎ দিকে পালাইয়া গেল। তাহাদের পালানোর এই দৃশ্য অবলোকন করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذِرِينَ.
"আল্লাহু আকবার! খায়বার ধ্বংস হইয়া গেল। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি তখন ঐ সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কতই না অশুভ"।
রাসূলুল্লাহ (স) যখন খায়বারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তখন তিনি 'আসীর পাহাড়ের পথ ধরিয়া অগ্রসর হন। সেখানে তাঁহার আগমন উপলক্ষে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ। অতঃপর তিনি আস-সাহবায় গিয়া পৌঁছেন। ইহার পর বাহিনীসহ তিনি আর-রাজী' নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। ইহা খায়বার ও গাতাফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে অবস্থানের উদ্দেশ্য ছিল গাতাফান ও খায়বারবাসীদের মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করা। ফলে গাতাফানীরা খায়বারবাসীদিগকে কোনরূপ সাহায্য করিতে পারিল না, যদিও তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বিরুদ্ধে খায়বারবাসীদের সমর্থক ছিল (ইব্ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২২৬)।
মুনাফিক নেতা 'আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য ইবন সালূল খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিয়াছিল। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (স) ঘোষণা করিয়াছিলেন যে, এই অভিযানে এমন কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করিতে পারিবে না যাহার মধ্যে পার্থিব লোভ-লালসা রহিয়াছে। উহার ফলে মুনাফিকদের সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য খায়বারবাসীকে পূর্বেই অবহিত করিয়াছিল যে, মুহাম্মাদ (স) তোমাদের মূলোৎপাটনের ইচ্ছা পোষণ করিতেছেন। সাবধান! নিজেদের দুর্গে প্রবেশ করিবে না। খোলামাঠে বাহির হইয়া তাহার সহিত যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কারণ যুদ্ধের জন্য তোমাদের অগাধ রসদপত্র ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেবক রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদঃ গোলাম মুঈনুদ্দিন, ২খ., পৃ. ৪০১)। যেই রাত্রিশেষে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বারবাসীদের উপর আক্রমণ চালাইবার কথা ঐ রাত্রিতে আল্লাহর ইচ্ছায় তাহারা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিল, যদিও তাহারা ঐ আক্রমণ সম্পর্কে পূর্ব হইতেই অবগত ছিল। আক্রমণের সংবাদ প্রাপ্তির পর হইতে তাহারা স্ব-স্ব বসতিসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাহারা মোতায়েন করিয়াছিল। কিন্তু আক্রমণের রাত্রে তাহারা নিদ্রামগ্ন হইয়া পড়ে। তাহাদের মোরগের ডাক শোনা যায় নাই, এমনকি তাহাদের পশুগুলিও নিশ্চুপ ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদ ২খ., ৪০৬)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নীতি ছিল যে, যখন তিনি কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করিতে মনস্থ করিতেন, তখন ভোর না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ চালাইতেন না। যদি কোন জনপদে পৌঁছিয়া তিনি ফজরের আযান শুনিতে পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ হইতে বিরত থাকিতেন। আর যদি আযান শুনিতে না পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ করিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, আমরা রাত্রিবেলা খায়বারে গিয়া অবতরণ করিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) সেখানে রাত্রিযাপন করিলেন। প্রত্যূষে তিনি আযান শুনিতে পাইলেন না। অতঃপর তিনি বাহনে আরোহণ করিলেন এবং আমরাও বাহনে আরোহণ করিলাম। আমি আবূ তালহার সহযাত্রী হইলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পাশাপাশি আগাইতেছিলাম। আমার পা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পবিত্র পদযুগল স্পর্শ করিতেছিল। আমরা লক্ষ্য করিলাম, খায়বারের কর্মজীবী লোকেরা প্রত্যূষেই গৃহ হইতে কর্মস্থলের দিকে বাহির হইয়া পড়িয়াছে। সঙ্গে তাহাদের বেলচা ও টুকরি ছিল। তাহারা যখন রাসূলুল্লাহ (স) ও তাঁহার পূর্ণাঙ্গ বাহিনীকে প্রত্যক্ষ করিল তখন বলিয়া উঠিল, ঐ যে মুহাম্মাদ ও তাঁহার সেনাবাহিনী দেখা যাইতেছে। তখন তাহারা পশ্চাৎ দিকে পালাইয়া গেল। তাহাদের পালানোর এই দৃশ্য অবলোকন করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذِرِينَ.
"আল্লাহু আকবার! খায়বার ধ্বংস হইয়া গেল। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি তখন ঐ সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কতই না অশুভ"।
রাসূলুল্লাহ (স) যখন খায়বারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তখন তিনি 'আসীর পাহাড়ের পথ ধরিয়া অগ্রসর হন। সেখানে তাঁহার আগমন উপলক্ষে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ। অতঃপর তিনি আস-সাহবায় গিয়া পৌঁছেন। ইহার পর বাহিনীসহ তিনি আর-রাজী' নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। ইহা খায়বার ও গাতাফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে অবস্থানের উদ্দেশ্য ছিল গাতাফান ও খায়বারবাসীদের মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করা। ফলে গাতাফানীরা খায়বারবাসীদিগকে কোনরূপ সাহায্য করিতে পারিল না, যদিও তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বিরুদ্ধে খায়বারবাসীদের সমর্থক ছিল (ইব্ن হিশাম, আস-সীরাতুন নাবabিয়্যা, ৩খ., ২২৬)।
মুনাফিক নেতা 'আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য ইবন সালূল খায়বার যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট আবেদন করিয়াছিল। উত্তরে রাসূলুল্লাহ (স) ঘোষণা করিয়াছিলেন যে, এই অভিযানে এমন কোন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করিতে পারিবে না যাহার মধ্যে পার্থিব লোভ-লালসা রহিয়াছে। উহার ফলে মুনাফিকদের সরদার আবদুল্লাহ ইবন উবায়্য খায়বারবাসীকে পূর্বেই অবহিত করিয়াছিল যে, মুহাম্মাদ (স) তোমাদের মূলোৎপাটনের ইচ্ছা পোষণ করিতেছেন। সাবধান! নিজেদের দুর্গে প্রবেশ করিবে না। খোলামাঠে বাহির হইয়া তাহার সহিত যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ কর। কারণ যুদ্ধের জন্য তোমাদের অগাধ রসদপত্র ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সেবক রহিয়াছে (মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদঃ গোলাম মুঈনুদ্দিন, ২খ., পৃ. ৪০১)। যেই রাত্রিশেষে রাসূলুল্লাহ (স)-এর খায়বারবাসীদের উপর আক্রমণ চালাইবার কথা ঐ রাত্রিতে আল্লাহর ইচ্ছায় তাহারা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন ছিল, যদিও তাহারা ঐ আক্রমণ সম্পর্কে পূর্ব হইতেই অবগত ছিল। আক্রমণের সংবাদ প্রাপ্তির পর হইতে তাহারা স্ব-স্ব বসতিসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পাহারা মোতায়েন করিয়াছিল। কিন্তু আক্রমণের রাত্রে তাহারা নিদ্রামগ্ন হইয়া পড়ে। তাহাদের মোরগের ডাক শোনা যায় নাই, এমনকি তাহাদের পশুগুলিও নিশ্চুপ ছিল (মাদারিজুন নুবুওয়া, উরদূ অনুবাদ ২খ., ৪০৬)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর নীতি ছিল যে, যখন তিনি কোন সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করিতে মনস্থ করিতেন, তখন ভোর না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ চালাইতেন না। যদি কোন জনপদে পৌঁছিয়া তিনি ফজরের আযান শুনিতে পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ হইতে বিরত থাকিতেন। আর যদি আযান শুনিতে না পাইতেন তাহা হইলে আক্রমণ করিতেন। আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, আমরা রাত্রিবেলা খায়বারে গিয়া অবতরণ করিলাম। রাসূলুল্লাহ (স) সেখানে রাত্রিযাপন করিলেন। প্রত্যূষে তিনি আযান শুনিতে পাইলেন না। অতঃপর তিনি বাহনে আরোহণ করিলেন এবং আমরাও বাহনে আরোহণ করিলাম। আমি আবূ তালহার সহযাত্রী হইলাম। আমরা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পাশাপাশি আগাইতেছিলাম। আমার পা রাসূলুল্লাহ (স)-এর পবিত্র পদযুগল স্পর্শ করিতেছিল। আমরা লক্ষ্য করিলাম, খায়বারের কর্মজীবী লোকেরা প্রত্যূষেই গৃহ হইতে কর্মস্থলের দিকে বাহির হইয়া পড়িয়াছে। সঙ্গে তাহাদের বেলচা ও টুকরি ছিল। তাহারা যখন রাসূলুল্লাহ (স) ও তাঁহার পূর্ণাঙ্গ বাহিনীকে প্রত্যক্ষ করিল তখন বলিয়া উঠিল, ঐ যে মুহাম্মাদ ও তাঁহার সেনাবাহিনী দেখা যাইতেছে। তখন তাহারা পশ্চাৎ দিকে পালাইয়া গেল। তাহাদের পালানোর এই দৃশ্য অবলোকন করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ خَرِبَتْ خَيْبَرُ إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذِرِينَ.
"আল্লাহু আকবার! খায়বার ধ্বংস হইয়া গেল। আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙিনায় অবতরণ করি তখন ঐ সতর্ককৃতদের প্রভাত হইবে কতই না অশুভ"।
রাসূলুল্লাহ (স) যখন খায়বারের উদ্দেশে যাত্রা করেন তখন তিনি 'আসীর পাহাড়ের পথ ধরিয়া অগ্রসর হন। সেখানে তাঁহার আগমন উপলক্ষে নির্মাণ করা হয় একটি মসজিদ। অতঃপর তিনি আস-সাহবায় গিয়া পৌঁছেন। ইহার পর বাহিনীসহ তিনি আর-রাজী' নামক প্রান্তরে শিবির স্থাপন করেন। ইহা খায়বার ও গাতাফানের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। এখানে অবস্থানের উদ্দেশ্য ছিল গাতাফান ও খায়বারবাসীদের মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করা। ফলে গাতাফানীরা খায়বারবাসীদিগকে কোনরূপ সাহায্য করিতে পারিল না, যদিও তাহারা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বিরুদ্ধে খায়বারবাসীদের সমর্থক ছিল (ইব্ন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যা, ৩খ., ২২৬)।
📄 গাতাফানীদের খায়বারবাসীদিগকে সাহায্য দানের ব্যর্থ চেষ্টা
ইবন হিশাম বলেন, গাতাফানীরা যখন সংবাদ পাইল যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারে শিবির স্থাপন করিয়াছেন, তখন তাহারা লোকজনকে সমবেত করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে ইয়াহুদীদের সাহায্য করার মানসে বাহির হয়। কিন্তু এক মনযিল (১৬ মাইল প্রায়) পথ অতিক্রম করিতেই তাহাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে গাতাফানবাসীদের ধারণা হইল যে, এই উদ্যোগ তাহাদের জন্য শুভ হইতেছে না এবং ইহাও ধারণা হইল যে, মুসলমানগণ পিছন হইতে তাহাদের আক্রমণ করিতেছে। তখন তাহারা ফিরিয়া যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স) ও খায়বারবাসীদের ব্যাপারটি তাহাদের উপর ছাড়িয়া দেয় (পৃ. গ্র.)।
আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের দিকে যখন রওয়ানা হইয়াছিলেন তখন লোকজন একটি উপত্যকায় উপনীত হইয়া উচ্চস্বরে তাকবীর বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ.
ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: নিজেদেরকে সংযত রাখ। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে আহ্বান করিতেছ না। যাহাকে ডাকিতেছ তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী এবং তোমাদের সঙ্গে আছেন।
আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাহনে পিছন দিকে উপবিষ্ট ছিলাম। আমি لاَحَوْلَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله পড়িতেছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহা শুনিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবদুল্লাহ ইব্ন কায়স! আমি উত্তর দিলাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি বলিলেন: আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিক্ষা দিব কি যাহা জান্নাতের অন্যতম ভাণ্ডার। আমি বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! অবশ্যই শিক্ষা দিন, আমার মাতা-পিতা আপনার প্রতি কুরবান হউক। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: বাক্যটি হইল: لا حَولَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু গাযওয়াতি খায়বার; মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদ, ২খ., ৪০৬)।
ইবন হিশাম বলেন, গাতাফানীরা যখন সংবাদ পাইল যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারে শিবির স্থাপন করিয়াছেন, তখন তাহারা লোকজনকে সমবেত করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে ইয়াহুদীদের সাহায্য করার মানসে বাহির হয়। কিন্তু এক মনযিল (১৬ মাইল প্রায়) পথ অতিক্রম করিতেই তাহাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে গাতাফানবাসীদের ধারণা হইল যে, এই উদ্যোগ তাহাদের জন্য শুভ হইতেছে না এবং ইহাও ধারণা হইল যে, মুসলমানগণ পিছন হইতে তাহাদের আক্রমণ করিতেছে। তখন তাহারা ফিরিয়া যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স) ও খায়বারবাসীদের ব্যাপারটি তাহাদের উপর ছাড়িয়া দেয় (পৃ. গ্র.)।
আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের দিকে যখন রওয়ানা হইয়াছিলেন তখন লোকজন একটি উপত্যকায় উপনীত হইয়া উচ্চস্বরে তাকবীর বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ.
ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: নিজেদেরকে সংযত রাখ। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে আহ্বান করিতেছ না। যাহাকে ডাকিতেছ তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী এবং তোমাদের সঙ্গে আছেন।
আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাহনে পিছন দিকে উপবিষ্ট ছিলাম। আমি لاَحَوْلَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله পড়িতেছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহা শুনিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবদুল্লাহ ইব্ন কায়স! আমি উত্তর দিলাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি বলিলেন: আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিক্ষা দিব কি যাহা জান্নাতের অন্যতম ভাণ্ডার। আমি বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! অবশ্যই শিক্ষা দিন, আমার মাতা-পিতা আপনার প্রতি কুরবান হউক। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন:
لا حَولَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু গাযওয়াতি খায়বার; মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদ, ২খ., ৪০৬)।
ইবন হিশাম বলেন, গাতাফানীরা যখন সংবাদ পাইল যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারে শিবির স্থাপন করিয়াছেন, তখন তাহারা লোকজনকে সমবেত করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে ইয়াহুদীদের সাহায্য করার মানসে বাহির হয়। কিন্তু এক মনযিল (১৬ মাইল প্রায়) পথ অতিক্রম করিতেই তাহাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে গাতাফানবাসীদের ধারণা হইল যে, এই উদ্যোগ তাহাদের জন্য শুভ হইতেছে না এবং ইহাও ধারণা হইল যে, মুসলমানগণ পিছন হইতে তাহাদের আক্রমণ করিতেছে। তখন তাহারা ফিরিয়া যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স) ও খায়বারবাসীদের ব্যাপারটি তাহাদের উপর ছাড়িয়া দেয় (পৃ. গ্র.)।
আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের দিকে যখন রওয়ানা হইয়াছিলেন তখন লোকজন একটি উপত্যকায় উপনীত হইয়া উচ্চস্বরে তাকবীর বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ.
ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: নিজেদেরকে সংযত রাখ। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে আহ্বান করিতেছ না। যাহাকে ডাকিতেছ তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী এবং তোমাদের সঙ্গে আছেন।
আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাহনে পিছন দিকে উপবিষ্ট ছিলাম। আমি لاَحَوْلَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله পড়িতেছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহা শুনিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবদুল্লাহ ইব্ন কায়س! আমি উত্তর দিলাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি বলিলেন: আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিক্ষা দিব কি যাহা জান্নাতের অন্যতম ভাণ্ডার। আমি বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! অবশ্যই শিক্ষা দিন, আমার মাতা-পিতা আপনার প্রতি কুরবান হউক। রাসূলুল্লাহ (س) বলিলেন:
لا حَولَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু গাযওয়াতি খায়বার; মাদারিজুন নوبোত, উরদূ অনুবাদ, ২খ., ৪০৬)।
ইবন হিশাম বলেন, গাতাফানীরা যখন সংবাদ পাইল যে, রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারে শিবির স্থাপন করিয়াছেন, তখন তাহারা লোকজনকে সমবেত করিয়া তাঁহার বিরুদ্ধে ইয়াহুদীদের সাহায্য করার মানসে বাহির হয়। কিন্তু এক মনযিল (১৬ মাইল প্রায়) পথ অতিক্রম করিতেই তাহাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সম্পর্কে গাতাফানবাসীদের ধারণা হইল যে, এই উদ্যোগ তাহাদের জন্য শুভ হইতেছে না এবং ইহাও ধারণা হইল যে, মুসলমানগণ পিছন হইতে তাহাদের আক্রমণ করিতেছে। তখন তাহারা ফিরিয়া যায় এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের নিকটেই অবস্থান গ্রহণ করে। তাহারা রাসূলুল্লাহ (স) ও খায়বারবাসীদের ব্যাপারটি তাহাদের উপর ছাড়িয়া দেয় (পৃ. গ্র.)।
আবু মুসা আল-আশ'আরী (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) খায়বারের দিকে যখন রওয়ানা হইয়াছিলেন তখন লোকজন একটি উপত্যকায় উপনীত হইয়া উচ্চস্বরে তাকবীর বলিলেন:
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ.
ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: নিজেদেরকে সংযত রাখ। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত সত্তাকে আহ্বান করিতেছ না। যাহাকে ডাকিতেছ তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী এবং তোমাদের সঙ্গে আছেন।
আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাহনে পিছন দিকে উপবিষ্ট ছিলাম। আমি لاَحَوْلَ وَلَا قُوَّةَ الا بالله পড়িতেছি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহা শুনিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবদুল্লাহ ইব্ন কায়স! আমি উত্তর দিলাম, আমি উপস্থিত হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি বলিলেন: আমি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিক্ষা দিব কি যাহা জান্নাতের অন্যতম ভাণ্ডার। আমি বলিলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! অবশ্যই শিক্ষা দিন, আমার মাতা-পিতা আপনার প্রতি কুরবান হউক। রাসূলুল্লাহ (স) বলিলেন: বাক্যটি হইল:
لا حَولَ وَلا قُوَّةَ الا بالله (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী, বাবু গাযওয়াতি খায়বার; মাদারিজুন নুবুওয়াত, উরদূ অনুবাদ, ২খ., ৪০৬)।