📄 সন্ধির শর্তাবলীর ব্যাপারে সাহাবীগণের প্রতিক্রিয়া
সন্ধির কতিপয় শর্তের ব্যাপারে হযরত আবূ বাক্স সিদ্দীক (রা) ব্যতীত প্রায় সকল সাহাবায়ে কিরাম দুঃখে, ক্ষোভে ও অভিমানে অত্যন্ত উত্তেজিত ছিলেন। কারণ এই সন্ধির শর্তগুলি বাহ্যত ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত হীনতাজনক ছিল। হযরত উমার (রা) কিছুতেই ধৈর্য ধারণ করিতে পারিতেছিলেন না। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে হাযির হইয়া বলিলেন, আপনি যে আল্লাহ্র রাসূল, ইহা কি সত্য নহে? তিনি উত্তর দিলেন, হাঁ, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্র রাসূল। উমার বলিলেন, আমরা যে পথে আছি তাহা কি ন্যায় ও সত্যের পথ নহে? আর কাফিরগণ যে পথে আছে উহা কি অন্যায় ও অসত্যের পথ নহে? তিনি বলিলেন, নিশ্চয়। উমার বলিলেন, তবে দীনের কাজে আমরা এত দুর্বলতা দেখাই কেন? এত অপমান কেন সহ্য করিব? মহানবী (স) বলিলেন, আমি আল্লাহ্ প্রেরিত নবী। তিনিই আমার সাহায্য করিবেন। আমি কিছুতেই তাঁহার আদেশ অমান্য করিব না। উমার বলিলেন, আপনি কি বলেন নাই যে, আমরা কা'বাঘর তাওয়াফ করিব? তিনি বলিলেন, হাঁ, অবশ্যই বলিয়াছি। কিন্তু এই কথা তো বলি নাই যে, এই বৎসরই তাওয়াফ করিব। উমার বলিলেন, না, তাহা বলেন নাই। মহানবী (স) বলিলেন, তাহা হইলে কিছুকাল ধৈর্য ধর। অচিরেই আমরা সকলে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করিব (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৭৬)।
হযরত উমার (রা) বলেন, ইহার পর আমি হযরত আবূ বাক্স সিদ্দীক (রা)-এর নিকট গেলাম এবং ঠিক ঐ কথাগুলির পুনরাবৃত্তি করিলাম। তিনিও আমাকে অবিকল তদ্রূপ উত্তরই দিলেন। তৎপর তিনি আমাকে বলিলেন, হে উমার! রাসূলুল্লাহ (স)-এর আনুগত্যে অটল থাকিও, তিনি আল্লাহ্র রাসূল। তিনি যাহা কিছু করেন, আল্লাহ্র নির্দেশেই করেন। মৃত্যু পর্যন্ত কখনও তাঁহার মতের বিরুদ্ধাচরণ করিও না (যাদুল মা'আদ, ১খ., পৃ. ৩৮৩)।
বর্ণিত আছে যে, হযরত উমার (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই কথাও জিজ্ঞাসা করিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহাদের নিকট আমাদের কেহ চলিয়া গেলে তাহারা তাহাকে আমাদের নিকট ফেরৎ পাঠাইতে বাধ্য থাকিবে না, অথচ তাহাদের কেহ আমাদের নিকট মুসলমান হইয়া আসিলে আমরা তাহাকে এই যালিম মুশরিকদের হাতে সোপর্দ করিতে বাধ্য থাকিব, এই শর্তও কি আপনি মানিয়া লইলেন? তিনি বলিলেন, হাঁ, যে কেহ তাহাদের আশ্রয় গ্রহণ করিবে, সে মুসলমান নহে, সে মুনাফিক। তাহার চলিয়া যাওয়াই বাঞ্ছনীয়। আর যে সকল খাঁটি মুসলমান তাহাদের নিকট আবদ্ধ থাকিবে স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা তাহাদের মুক্তির উপায় করিয়া দিবেন (সীরাতুল মুস্তাফা, ২খ., পৃ. ৩৬০)।
হযরত উমার (রা) দুঃখে ও ক্ষোভে ইসলাম ও মুসলমানদের বাহ্যত অবমাননায় মর্মপীড়ায় অস্থির হইয়া পড়িয়াছিলেন। তাই তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই সমস্ত প্রশ্ন করিয়াছিলেন। পরে যখন তিনি প্রকৃতিস্থ হইলেন, তখন ইহার জন্য তিনি খুবই অনুতপ্ত হইয়াছিলেন। আজীবন তিনি ইহার জন্য অনুশোচনা করিতে থাকেন। এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য তিনি বহু নফল নামায পড়েন, অনেক রোযা রাখেন, প্রচুর দান-খয়রাত করেন, গোলাম আযাদ করেন এবং আল্লাহ্র দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৬)।
উলামায়ে কিরাম বলেন, হযরত উমার (রা)-এর এই সকল প্রশ্ন রাসূলে করীম (স)-এর রিসালাত ও আল্লাহ্র ওয়াদার প্রতি আস্থাহীনতা বা সন্দেহ ও সংশয়ের কারণে ছিল না, বরং তাঁহার উদ্দেশ্য ছিল ইহার প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদ্ঘাটন। আর ইহাও ছিল কাফিরদের প্রতি তাঁহার তীব্র ঘৃণা এবং ইসলামের প্রতি পরম শ্রদ্ধাবোধ হইতে উৎসারিত (হাশিয়া-ই সাবী, ৪খ., পৃ. ৯১)।
সন্ধির কতিপয় শর্তের ব্যাপারে হযরত আবূ বাক্স সিদ্দীক (রা) ব্যতীত প্রায় সকল সাহাবায়ে কিরাম দুঃখে, ক্ষোভে ও অভিমানে অত্যন্ত উত্তেজিত ছিলেন। কারণ এই সন্ধির শর্তগুলি বাহ্যত ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত হীনতাজনক ছিল। হযরত উমার (রা) কিছুতেই ধৈর্য ধারণ করিতে পারিতেছিলেন না। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে হাযির হইয়া বলিলেন, আপনি যে আল্লাহ্র রাসূল, ইহা কি সত্য নহে? তিনি উত্তর দিলেন, হাঁ, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্র রাসূল। উমার বলিলেন, আমরা যে পথে আছি তাহা কি ন্যায় ও সত্যের পথ নহে? আর কাফিরগণ যে পথে আছে উহা কি অন্যায় ও অসত্যের পথ নহে? তিনি বলিলেন, নিশ্চয়। উমার বলিলেন, তবে দীনের কাজে আমরা এত দুর্বলতা দেখাই কেন? এত অপমান কেন সহ্য করিব? মহানবী (স) বলিলেন, আমি আল্লাহ্ প্রেরিত নবী। তিনিই আমার সাহায্য করিবেন। আমি কিছুতেই তাঁহার আদেশ অমান্য করিব না। উমার বলিলেন, আপনি কি বলেন নাই যে, আমরা কা'বাঘর তাওয়াফ করিব? তিনি বলিলেন, হাঁ, অবশ্যই বলিয়াছি। কিন্তু এই কথা তো বলি নাই যে, এই বৎসরই তাওয়াফ করিব। উমার বলিলেন, না, তাহা বলেন নাই। মহানবী (স) বলিলেন, তাহা হইলে কিছুকাল ধৈর্য ধর। অচিরেই আমরা সকলে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করিব (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৭৬)।
হযরত উমার (রা) বলেন, ইহার পর আমি হযরত আবূ বাক্স সিদ্দীক (রা)-এর নিকট গেলাম এবং ঠিক ঐ কথাগুলির পুনরাবৃত্তি করিলাম। তিনিও আমাকে অবিকল তদ্রূপ উত্তরই দিলেন। তৎপর তিনি আমাকে বলিলেন, হে উমার! রাসূলুল্লাহ (স)-এর আনুগত্যে অটল থাকিও, তিনি আল্লাহ্র রাসূল। তিনি যাহা কিছু করেন, আল্লাহ্র নির্দেশেই করেন। মৃত্যু পর্যন্ত কখনও তাঁহার মতের বিরুদ্ধাচরণ করিও না (যadুল মা'আদ, ১খ., পৃ. ৩৮৩)।
বর্ণিত আছে যে, হযরত উমার (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই কথাও জিজ্ঞাসা করিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহাদের নিকট আমাদের কেহ চলিয়া গেলে তাহারা তাহাকে আমাদের নিকট ফেরৎ পাঠাইতে বাধ্য থাকিবে না, অথচ তাহাদের কেহ আমাদের নিকট মুসলমান হইয়া আসিলে আমরা তাহাকে এই যালিম মুশরিকদের হাতে সোপর্দ করিতে বাধ্য থাকিব, এই শর্তও কি আপনি মানিয়া লইলেন? তিনি বলিলেন, হাঁ, যে কেহ তাহাদের আশ্রয় গ্রহণ করিবে, সে মুসলমান নহে, সে মুনাফিক। তাহার চলিয়া যাওয়াই বাঞ্ছনীয়। আর যে সকল খাঁটি মুসলমান তাহাদের নিকট আবদ্ধ থাকিবে স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা তাহাদের মুক্তির উপায় করিয়া দিবেন (সীরাতুল মুস্তাফা, ২খ., পৃ. ৩৬০)।
হযরত উমার (রা) দুঃখে ও ক্ষোভে ইসলাম ও মুসলমানদের বাহ্যত অবমাননায় মর্মপীড়ায় অস্থির হইয়া পড়িয়াছিলেন। তাই তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-কে এই সমস্ত প্রশ্ন করিয়াছিলেন। পরে যখন তিনি প্রকৃতিস্থ হইলেন, তখন ইহার জন্য তিনি খুবই অনুতপ্ত হইয়াছিলেন। আজীবন তিনি ইহার জন্য অনুশোচনা করিতে থাকেন। এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য তিনি বহু নফল নামায পড়েন, অনেক রোযা রাখেন, প্রচুর দান-খয়রাত করেন, গোলাম আযাদ করেন এবং আল্লাহ্র দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৬)।
উলামায়ে কিরাম বলেন, হযরত উমার (রা)-এর এই সকল প্রশ্ন রাসূলে করীম (স)-এর রিসালাত ও আল্লাহ্র ওয়াদার প্রতি আস্থাহীনতা বা সন্দেহ ও সংশয়ের কারণে ছিল না, বরং তাঁহার উদ্দেশ্য ছিল ইহার প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদ্ঘাটন। আর ইহাও ছিল কাফিরদের প্রতি তাঁহার তীব্র ঘৃণা এবং ইসলামের প্রতি পরম শ্রদ্ধাবোধ হইতে উৎসারিত (হাশিয়া-ই সাবী, ৪খ., পৃ. ৯১)।
📄 কুরবানী করিয়া ইহরামমুক্ত হওয়ার নির্দেশ
যেহেতু সন্ধির শর্তানুযায়ী এই বৎসর মক্কায় প্রবেশ এবং মীনায় কুরবানী করা সম্ভব হইবে না, তাই রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীগণকে কুরবানীর উটগুলি যবেহ করিবার নির্দেশ দিলেন এবং বলিলেন, তোমরা মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাটাইয়া ইহরাম হইতে মুক্ত হইয়া যাও। কিন্তু সন্ধির শর্তাবলীর কারণে সকলের মন একেবারে ভাঙ্গিয়া পড়িয়াছিল। সকলেই মাথা নত করিয়া নিথর, নিস্তব্ধ হইয়া বসিয়া রহিলেন, কুরবানী করিবার জন্য কেহই অগ্রসর হইলেন না। রাসূলুল্লাহ (স) তিনবার এই নির্দেশের পুনরাবৃত্তি করিলেন (সীরাতুল মুস্তাফা, ২খ., পৃ. ৩৬০)।
যেহেতু সন্ধির শর্তানুযায়ী এই বৎসর মক্কায় প্রবেশ এবং মীনায় কুরবানী করা সম্ভব হইবে না, তাই রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীগণকে কুরবানীর উটগুলি যবেহ করিবার নির্দেশ দিলেন এবং বলিলেন, তোমরা মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাটাইয়া ইহরাম হইতে মুক্ত হইয়া যাও। কিন্তু সন্ধির শর্তাবলীর কারণে সকলের মন একেবারে ভাঙ্গিয়া পড়িয়াছিল। সকলেই মাথা নত করিয়া নিথর, নিস্তব্ধ হইয়া বসিয়া রহিলেন, কুরবানী করিবার জন্য কেহই অগ্রসর হইলেন না। রাসূলুল্লাহ (স) তিনবার এই নির্দেশের পুনরাবৃত্তি করিলেন (সীরাতুল মুস্তাফা, ২খ., পৃ. ৩৬০)।
📄 হযরত উম্মু সালামা (রা)-এর সুপরামর্শ
রাসূলুল্লাহ (স) কুরবানী করার জন্য নির্দেশ দিয়াছেন, কিন্তু কেহই কুরবানী করার জন্য অগ্রসর হইতেছে না। এই অবস্থা দেখিয়া তাঁহার মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হইল। তিনি তাঁবুতে প্রবেশ করিয়া হযরত উম্মু সালামা (রা)-এর নিকট মনের ক্ষোভ প্রকাশ করিলেন। উম্মু সালামা (রা) বলিলেন, সাহাবীগণ দুঃখে, ক্ষোভে ও অপমানে মর্মাহত হইয়া আছেন। তাই আপনি তাহাদেরকে কিছু না বলিয়া স্বয়ং বাহির হইয়া নিজেই কুরবানী করুন এবং মাথা মুণ্ডন করাইয়া 'উমরাহর ইহরাম ভাঙ্গিয়া ফেলুন। রাসূলুল্লাহ্ (স) তাহাই করিলেন। সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্ (স)-কে দেখিয়া বুঝিতে পারিলেন যে, এই হুকুম আর রদবদল হইবে না। তখন সকলেই রাসূলুল্লাহ (স)-এর অনুসরণ করিলেন। কেহ কেহ মাথা মুণ্ডন করাইলেন আর কিছু সাহাবী মাথার চুল ছাটাইলেন। মহানবী (স) মাথা মুণ্ডনকারীদের জন্য এই বলিয়া তিনবার দু'আ করিলেন, (اللهم ارحم المحلقين )হে আল্লাহ্! মাথা মুণ্ডনকারীদের রহম কর)। সাহাবীগণ আরয করিলেন, চুল ছাটাইকারীদের জন্যও। তিনি একবার দু'আ করিলেন, হে আল্লাহ চুল ছাটাইকারীদের উপর রহমত কর।
কুরবানীর পশুর গোস্ত দরিদ্র সাহাবীদের মধ্যে বণ্টন করিয়া দিলেন। দশটি উট হযরত নাজিয়া ইবন জুনদুবের মাধ্যমে মারওয়ায় প্রেরিত হইল এবং সেখানে কুরবানী করিয়া তথাকার লোকদের মধ্যে বিতরণ করা হইল (যাদুল মা'আদ, ১খ., পৃ. ৩৮৩; তাফসীর ইব্ন কাছীর, ৪খ., পৃ. ১৮১)।
সাহাবী হযরত খিরাশ ইবন উমায়্যা ইবনিল ফাদল আল-খুযা'ঈ (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর মাথা মুণ্ডন করেন (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৮)।
রাসূলুল্লাহ (স) কুরবানী করার জন্য নির্দেশ দিয়াছেন, কিন্তু কেহই কুরবানী করার জন্য অগ্রসর হইতেছে না। এই অবস্থা দেখিয়া তাঁহার মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হইল। তিনি তাঁবুতে প্রবেশ করিয়া হযরত উম্মু সালামা (রা)-এর নিকট মনের ক্ষোভ প্রকাশ করিলেন। উম্মু সালামা (রা) বলিলেন, সাহাবীগণ দুঃখে, ক্ষোভে ও অপমানে মর্মাহত হইয়া আছেন। তাই আপনি তাহাদেরকে কিছু না বলিয়া স্বয়ং বাহির হইয়া নিজেই কুরবানী করুন এবং মাথা মুণ্ডন করাইয়া 'উমরাহর ইহরাম ভাঙ্গিয়া ফেলুন। রাসূলুল্লাহ্ (স) তাহাই করিলেন। সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (স)-কে দেখিয়া বুঝিতে পারিলেন যে, এই হুকুম আর রদবদল হইবে না। তখন সকলেই রাসূলুল্লাহ (স)-এর অনুসরণ করিলেন। কেহ কেহ মাথা মুণ্ডন করাইলেন আর কিছু সাহাবী মাথার চুল ছাটাইলেন। মহানবী (স) মাথা মুণ্ডনকারীদের জন্য এই বলিয়া তিনবার দু'আ করিলেন, (اللهم ارحم المحلقين )হে আল্লাহ্! মাথা মুণ্ডনকারীদের রহম কর)। সাহাবীগণ আরয করিলেন, চুল ছাটাইকারীদের জন্যও। তিনি একবার দু'আ করিলেন, হে আল্লাহ চুল ছাটাইকারীদের উপর রহমত কর।
কুরবানীর পশুর গোস্ত দরিদ্র সাহাবীদের মধ্যে বণ্টন করিয়া দিলেন। দশটি উট হযরত নাজিয়া ইবন জুনদুবের মাধ্যমে মারওয়ায় প্রেরিত হইল এবং সেখানে কুরবানী করিয়া তথাকার লোকদের মধ্যে বিতরণ করা হইল (যাদুল মা'আদ, ১খ., পৃ. ৩৮৩; তাফসীর ইব্ন কাছীর, ৪খ., পৃ. ১৮১)।
সাহাবী হযরত খিরাশ ইবন উমায়্যা ইবনিল ফাদল আল-খুযা'ঈ (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর মাথা মুণ্ডন করেন (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৮)।