📄 কুরায়শদের প্রতিরোধের কারণ
প্রথমত, তাহারা ইতোপূর্বে মক্কা ও তৎপার্শ্ববর্তী এলাকায় অপপ্রচার করিতেছিল যে, মুসলমানদের অন্তরে বায়তুল্লাহ্র প্রতি কোন শ্রদ্ধা ও অনুরাগ নাই। অতঃপর যখন তাহারা এই সংবাদ শুনিল যে, রাসূলুল্লাহ্ (স) সদলবলে 'উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কাভিমুখে রওয়ানা হইয়াছেন, তখন তাহারা এক মহাসংকটে পড়িয়া গেল। কারণ ইহাতে তাহাদের পূর্বের প্রচারণা মিথ্যা প্রমাণিত হইবে।
দ্বিতীয়ত, মাত্র কয়েক মাস আগে তাহারা মদীনাকে বিধ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে সম্মিলিত বাহিনীসহ মদীনা অবরোধ করিয়াছিল। তখন মুসলমানগণ খন্দক খননের মাধ্যমে তাহাদের সেই স্বপ্ন ব্যর্থ করিয়া দিয়াছিলেন। তাহারা সম্মিলিত বাহিনী লইয়াও মদীনায় প্রবেশ করিতে পারে নাই, বরং চরম অপমান ও লাঞ্ছনার বোঝা মাথায় লইয়া মক্কায় প্রত্যাবর্তন করিয়াছিল। এই সকল কারণে কুরায়শগণ মক্কার আশেপাশে বসবাসকারী গোত্র ও সম্প্রদায়ের নিকট লজ্জিত ছিল। তাই এখন যদি তাহারা মুসলমানদেরকে মক্কায় প্রবেশের সুযোগ দেয়, তাহা হইলে ভবিষ্যতে তাহারা আর মুখ দেখাইতে পারিবে না। সুতরাং তাহারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিল যে, যে কোন মূল্যে মুসলমানদের মক্কায় প্রবেশ প্রতিহত করিতেই হইবে।
তৃতীয়ত, মুসলমানদেরকে মক্কায় প্রবেশ করিতে দিলে সাধারণ মক্কাবাসীদের নিকট মুসলমানগণের শৌর্য-বীর্য এবং কুরায়শদের দুর্বলতা স্পষ্ট হইয়া উঠিবে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে সাধারণ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের প্রতি দুর্বল ও অনুরক্ত হইয়া পড়িবে। ফল এই দাঁড়াইবে যে, সাধারণ জনগোষ্ঠী আজ কুরায়শদেরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে সাহায্য-সহযোগিতা করিতেছে তাহা আর করিবে না। এই সকল বিষয় বিবেচনা করিয়া কুরায়শগণ রাসূলুল্লাহ্ (স) ও তাঁহার অনুসারিগণের মক্কায় প্রবেশ প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ইহার জন্য সমরায়োজন করিয়া রাখে।
প্রথমত, তাহারা ইতোপূর্বে মক্কা ও তৎপার্শ্ববর্তী এলাকায় অপপ্রচার করিতেছিল যে, মুসলমানদের অন্তরে বায়তুল্লাহ্র প্রতি কোন শ্রদ্ধা ও অনুরাগ নাই। অতঃপর যখন তাহারা এই সংবাদ শুনিল যে, রাসূলুল্লাহ্ (স) সদলবলে 'উমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কাভিমুখে রওয়ানা হইয়াছেন, তখন তাহারা এক মহাসংকটে পড়িয়া গেল। কারণ ইহাতে তাহাদের পূর্বের প্রচারণা মিথ্যা প্রমাণিত হইবে।
দ্বিতীয়ত, মাত্র কয়েক মাস আগে তাহারা মদীনাকে বিধ্বস্ত করার উদ্দেশ্যে সম্মিলিত বাহিনীসহ মদীনা অবরোধ করিয়াছিল। তখন মুসলমানগণ খন্দক খননের মাধ্যমে তাহাদের সেই স্বপ্ন ব্যর্থ করিয়া দিয়াছিলেন। তাহারা সম্মিলিত বাহিনী লইয়াও মদীনায় প্রবেশ করিতে পারে নাই, বরং চরম অপমান ও লাঞ্ছনার বোঝা মাথায় লইয়া মক্কায় প্রত্যাবর্তন করিয়াছিল। এই সকল কারণে কুরায়শগণ মক্কার আশেপাশে বসবাসকারী গোত্র ও সম্প্রদায়ের নিকট লজ্জিত ছিল। তাই এখন যদি তাহারা মুসলমানদেরকে মক্কায় প্রবেশের সুযোগ দেয়, তাহা হইলে ভবিষ্যতে তাহারা আর মুখ দেখাইতে পারিবে না। সুতরাং তাহারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিল যে, যে কোন মূল্যে মুসলমানদের মক্কায় প্রবেশ প্রতিহত করিতেই হইবে।
তৃতীয়ত, মুসলমানদেরকে মক্কায় প্রবেশ করিতে দিলে সাধারণ মক্কাবাসীদের নিকট মুসলমানগণের শৌর্য-বীর্য এবং কুরায়শদের দুর্বলতা স্পষ্ট হইয়া উঠিবে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে সাধারণ জনগোষ্ঠী মুসলমানদের প্রতি দুর্বল ও অনুরক্ত হইয়া পড়িবে। ফল এই দাঁড়াইবে যে, সাধারণ জনগোষ্ঠী আজ কুরায়শদেরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে সাহায্য-সহযোগিতা করিতেছে তাহা আর করিবে না। এই সকল বিষয় বিবেচনা করিয়া কুরায়শগণ রাসূলুল্লাহ্ (স) ও তাঁহার অনুসারিগণের মক্কায় প্রবেশ প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ইহার জন্য সমরায়োজন করিয়া রাখে।
📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর উট বসিয়া পড়িল
সানিয়াতুল মিরার হইতে যখন রাসূলুল্লাহ্ (স) সামনে অগ্রসর হইতে চাহিলেন, তখন তাঁহার কাস্তয়া নামক উটটি বসিয়া পড়িল। সাহাবীগণ উটটিকে উঠাইবার জন্য নানাবিধ চেষ্টা চালাইলেন,, কিন্তু কোন ফল হইল না। শেষ পর্যন্ত সাহাবীগণ বলিতে শুরু করিলেন, উটটি বাঁকিয়া বসিয়াছে, "উটটি ক্লান্ত ও অবসন্ন হইয়া পড়িয়াছে।" রাসূলুল্লাহ্ (স) সকলের ধারণা নাকচ করিয়া বলিলেন: 'কাওয়া' বাঁকিয়া বসে নাই, বাঁকিয়া বসা তাহার অভ্যাস নহে। যিনি আসহাবে ফীলের হাতীগুলিকে বাধা দিয়াছিলেন, তিনিই কাসওয়ার গতিরোধ করিয়াছেন। অর্থাৎ কোনক্রমেই যেন পবিত্র কা'বাঘরের মর্যাদাহানি না ঘটে, তৎপ্রতি লক্ষ্য করিয়াই সে আল্লাহর হুকুমে কা'বার দিকে অগ্রসর হইতে অসম্মতি প্রকাশার্থে বসিয়া পড়িয়াছে। অতঃপর তিনি বলিলেন: "আল্লাহ্র কসম! যাহাতে যুদ্ধ-সংঘাত না ঘটে এবং কা'বার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে, তৎসম্পর্কে তাহারা যে কোন শর্ত পেশ করে, আমি তাহা মানিয়া লইতে প্রস্তুত আছি।” এই কথা বলিয়া তিনি উটটিকে উঠাইবার চেষ্টা করিলেন। তৎক্ষণাৎ উটটি উঠিয়া দাঁড়াইল এবং পথ চলা শুরু করিল, তবে ইহার গতিপথ পরিবর্তন করিয়া হুদায়বিয়ার দিকে চলিল। সাহাবীগণ ইহার অনুগমন করিলেন।
সানিয়াতুল মিরার হইতে যখন রাসূলুল্লাহ্ (স) সামনে অগ্রসর হইতে চাহিলেন, তখন তাঁহার কাস্তয়া নামক উটটি বসিয়া পড়িল। সাহাবীগণ উটটিকে উঠাইবার জন্য নানাবিধ চেষ্টা চালাইলেন,, কিন্তু কোন ফল হইল না। শেষ পর্যন্ত সাহাবীগণ বলিতে শুরু করিলেন, উটটি বাঁকিয়া বসিয়াছে, "উটটি ক্লান্ত ও অবসন্ন হইয়া পড়িয়াছে।" রাসূলুল্লাহ্ (স) সকলের ধারণা নাকচ করিয়া বলিলেন: 'কাওয়া' বাঁকিয়া বসে নাই, বাঁকিয়া বসা তাহার অভ্যাস নহে। যিনি আসহাবে ফীলের হাতীগুলিকে বাধা দিয়াছিলেন, তিনিই কাসওয়ার গতিরোধ করিয়াছেন। অর্থাৎ কোনক্রমেই যেন পবিত্র কা'বাঘরের মর্যাদাহানি না ঘটে, তৎপ্রতি লক্ষ্য করিয়াই সে আল্লাহর হুকুমে কা'বার দিকে অগ্রসর হইতে অসম্মতি প্রকাশার্থে বসিয়া পড়িয়াছে। অতঃপর তিনি বলিলেন: "আল্লাহ্র কসম! যাহাতে যুদ্ধ-সংঘাত না ঘটে এবং কা'বার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে, তৎসম্পর্কে তাহারা যে কোন শর্ত পেশ করে, আমি তাহা মানিয়া লইতে প্রস্তুত আছি।" এই কথা বলিয়া তিনি উটটিকে উঠাইবার চেষ্টা করিলেন। তৎক্ষণাৎ উটটি উঠিয়া দাঁড়াইল এবং পথ চলা শুরু করিল, তবে ইহার গতিপথ পরিবর্তন করিয়া হুদায়বিয়ার দিকে চলিল। সাহাবীগণ ইহার অনুগমন করিলেন।
📄 হুদায়বিয়ায় অবতরণ
উটটি চলিতে চলিতে হুদাবিয়ার শেষ প্রান্তে আসিয়া পানির একটি অগভীর কূপের নিকট বসিয়া পড়িল। কূপটিতে যৎসামান্য পানি ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (স) কাস্তয়া হইতে অবতরণ করিয়া তাঁবু গাড়িলেন। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করিয়া সাহাবীগণ পিপাসায় কাতর হইয়া পড়িয়াছেন। কূপ হইতে পানি উঠাইয়া তাঁহারা পিপাসা নিবারণ করিতে লাগিলেন। কিন্তু প্রথমে যাঁহারা পৌঁছিলেন তাঁহারা পানি উঠাইবার পরই কূপের পানি নিঃশেষ হইয়া গেল। অবশিষ্ট সাহাবীগণ পিপাসায় কাতর হইয়া অস্থির হইয়া গেলেন।
উটটি চলিতে চলিতে হুদাবিয়ার শেষ প্রান্তে আসিয়া পানির একটি অগভীর কূপের নিকট বসিয়া পড়িল। কূপটিতে যৎসামান্য পানি ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (স) কাস্তয়া হইতে অবতরণ করিয়া তাঁবু গাড়িলেন। দীর্ঘ পথ অতিক্রম করিয়া সাহাবীগণ পিপাসায় কাতর হইয়া পড়িয়াছেন। কূপ হইতে পানি উঠাইয়া তাঁহারা পিপাসা নিবারণ করিতে লাগিলেন। কিন্তু প্রথমে যাঁহারা পৌঁছিলেন তাঁহারা পানি উঠাইবার পরই কূপের পানি নিঃশেষ হইয়া গেল। অবশিষ্ট সাহাবীগণ পিপাসায় কাতর হইয়া অস্থির হইয়া গেলেন।
📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর কয়েকটি মু'জিযা
১. রাসূলুল্লাহ্ (স) কূপের পানি নিঃশেষ হওয়ার সংবাদ পাইয়া নিজের তীরদান হইতে একটি তীর বাহির করিয়া তাহাদের হাতে দিয়া বলিলেন: তীরটি উক্ত কূপের ভিতর নিক্ষেপ কর। ইবন ইসহাক রিওয়ায়াত করিয়াছেন যে, হযরত নাজিয়া ইব্ন জুনদুব (রা) তীরটি লইয়া কূপের ভিতর অবতরণ করেন এবং তাহা গাড়িয়া দেন। কেহ কেহ বলিয়াছেন যে, এই সাহাবী হইলেন হযরত বারাআ ইব্ন আযিব (রা) (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৩)। তীর গাড়িয়া দেওয়ামাত্র পানিতে কূপ পরিপূর্ণ হইয়া গেল। তাঁহারা নিজেরা পান করিলেন, পশুদিগকে পান করাইলেন। যতদিন তাঁহারা সেখানে ছিলেন ততদিন পর্যন্ত এই পানি তাঁহারা ব্যবহার করিয়াছিলেন। কিন্তু কূপের পানি আর কখনও কমে নাই (আর-রাহীকুল মাখতুম, পৃ. ৩৮০; তাফসীর ইব্ন কাছীর, ৪খ., পৃ. ১৭৫)।
২. হুদায়বিয়ার যাত্রাপথে এক স্থানে কাফেলার উযূ ও খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিল। একমাত্র রাসূলুল্লাহ্ (স)-এর নিকট একটি চামড়ার পাত্রে সামান্য পানি ছিল। সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্ (স)-কে তাহাদের পানির অভাবের কথা জানাইলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহার হাত পাত্রের ভিতরে প্রবেশ করাইলেন। আর তখনই তাঁহার আঙ্গুলসমূহের ফাঁক হইতে ঝর্ণার মত পানি উৎসারিত হইয়া প্রবাহিত হইতে লাগিল। জাবির (রা) বলেন, আমরা সেদিন প্রায় পনর শত লোক ছিলাম, সকলেই তৃপ্তিসহকারে পানি পান করিলাম এবং আমাদের উযু, গোসল ও অন্যান্য প্রয়োজন মিটাইলাম। এক লক্ষ লোক হইলেও ঐ পানিতে তাহাদের প্রয়োজন মিটিত (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৯)।
৩. পথিমধ্যে আরেক স্থানে কাফেলা তাঁবু গাড়িল। সেখানে প্রায় পানিশূন্য একটি কূপ ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (স) কূপের পাড়ে বসিয়া উযু করিলেন এবং কুলি করিয়া উহার পানি কূপের ভিতরে ফেলিলেন। তৎক্ষণাৎ কূপটির তলদেশ হইতে এত প্রচুর পানি উৎসারিত হইতে লাগিল যে, সাহাবীগণ উহার পাড়ে বসিয়াই সরাসরি হাতে পানি উঠাইয়া লইতে সক্ষম হইলেন, বালতির প্রয়োজন হইল না (তাফসীর ইব্ন কাছীর, ৪খ., পৃ. ১৬৫; আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৮)।
১. রাসূলুল্লাহ্ (স) কূপের পানি নিঃশেষ হওয়ার সংবাদ পাইয়া নিজের তীরদান হইতে একটি তীর বাহির করিয়া তাহাদের হাতে দিয়া বলিলেন: তীরটি উক্ত কূপের ভিতর নিক্ষেপ কর। ইবন ইসহাক রিওয়ায়াত করিয়াছেন যে, হযরত নাজিয়া ইব্ন জুনদুব (রা) তীরটি লইয়া কূপের ভিতর অবতরণ করেন এবং তাহা গাড়িয়া দেন। কেহ কেহ বলিয়াছেন যে, এই সাহাবী হইলেন হযরত বারাআ ইব্ন আযিব (রা) (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৩)। তীর গাড়িয়া দেওয়ামাত্র পানিতে কূপ পরিপূর্ণ হইয়া গেল। তাঁহারা নিজেরা পান করিলেন, পশুদিগকে পান করাইলেন। যতদিন তাঁহারা সেখানে ছিলেন ততদিন পর্যন্ত এই পানি তাঁহারা ব্যবহার করিয়াছিলেন। কিন্তু কূপের পানি আর কখনও কমে নাই (আর-রাহীকুল মাখতুম, পৃ. ৩৮০; তাফসীর ইব্ন কাছীর, ৪খ., পৃ. ১৭৫)।
২. হুদায়বিয়ার যাত্রাপথে এক স্থানে কাফেলার উযূ ও খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিল। একমাত্র রাসূলুল্লাহ্ (স)-এর নিকট একটি চামড়ার পাত্রে সামান্য পানি ছিল। সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্ (স)-কে তাহাদের পানির অভাবের কথা জানাইলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহার হাত পাত্রের ভিতরে প্রবেশ করাইলেন। আর তখনই তাঁহার আঙ্গুলসমূহের ফাঁক হইতে ঝর্ণার মত পানি উৎসারিত হইয়া প্রবাহিত হইতে লাগিল। জাবির (রা) বলেন, আমরা সেদিন প্রায় পনর শত লোক ছিলাম, সকলেই তৃপ্তিসহকারে পানি পান করিলাম এবং আমাদের উযু, গোসল ও অন্যান্য প্রয়োজন মিটাইলাম। এক লক্ষ লোক হইলেও ঐ পানিতে তাহাদের প্রয়োজন মিটিত (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৯)।
৩. পথিমধ্যে আরেক স্থানে কাফেলা তাঁবু গাড়িল। সেখানে প্রায় পানিশূন্য একটি কূপ ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (স) কূপের পাড়ে বসিয়া উযু করিলেন এবং কুলি করিয়া উহার পানি কূপের ভিতরে ফেলিলেন। তৎক্ষণাৎ কূপটির তলদেশ হইতে এত প্রচুর পানি উৎসারিত হইতে লাগিল যে, সাহাবীগণ উহার পাড়ে বসিয়াই সরাসরি হাতে পানি উঠাইয়া লইতে সক্ষম হইলেন, বালতির প্রয়োজন হইল না (তাফসীর ইব্ন কাছীর, ৪খ., পৃ. ১৬৫; আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৪খ., পৃ. ৫৫৮)।