📄 হুদায়বিয়ার সন্ধির সন-তারিখ
৬ষ্ঠ হিজরারী যুল-কা'দা মাসের পহেলা তারিখ সোমবার (৬ মার্চ, ৬২৮ খৃ.) রাসূলুল্লাহ (স) এই সফরে রওয়ানা হন। ইমাম যুহরী, মূসা ইব্ন্ন উকবা ও কাতাদা প্রমুখ (র) এইরূপ বর্ণনা করিয়াছেন (বায়হাকী, দালাইলুন নুবুওয়াত, ৩খ., পৃ. ৯১)। কিন্তু হিশাম ইব্ন উরওয়া হযরত উরওয়া (র) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) মদীনা মুনাওয়ারা হইতে রমযান মাসে রওয়ানা হন এবং শাওওয়াল মাসে হুদায়বিয়াতে গিয়া পৌঁছেন। কিতাবুল খারাজে ইমাম আবূ ইউসুফ (র) বর্ণনা করিয়াছেন যে, হুদায়বিয়ার সন্ধির দস্তখতের তারিখ ছিল রমযান মাস। মাওলানা আবদুর রউফ দানাপুরী লিখিয়াছেন, হিশামের এই রিওয়ায়াত শুদ্ধ নহে। কারণ স্বয়ং উরওয়া হইতেই আবুল আসওয়াদ যুল-কা'দা মাসের কথা বর্ণনা করিয়াছেন। উপরন্তু ইমাম বুখারী ও মুসলিম (র) হযরত আনাস (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) চারটি উমরা করিয়াছেন। ইহার সব কয়টি যুল-কা'দা মাসে। তিনি ইহার মধ্যে হুদায়বিয়ার (মূলতবী) উমরাহও উল্লেখ করিয়াছেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৬৭)।
এই মতপার্থক্যের আরও একটি ব্যাখ্যা এই যে, আরবগণ জাহিলী যুগে হারাম মাসকে পিছাইয়া দিত (দ্র. আল-কুরআন, ৯: ৩৭)। ৬ষ্ঠ হিজরী পর্যন্ত মাসকে পিছাইয়া দেওয়া সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা অবতীর্ণ হয় নাই। তাই ৬ষ্ঠ হিজরী এবং ৯ম হিজরীর সমাপ্তিতে লীপ ইয়ারের একটি মাস বৃদ্ধি করা হইয়াছিল। দশম হিজরীতে মাসকে পিছাইয়া দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা অবতীর্ণ হয়। এখন যদি খাঁটি চান্দ্র বৎসর হইতে উপরের দিকে গণনা করা হয় তবে ৬ষ্ঠ হিজরীর যুল-কা'দা মাস ৬ষ্ঠ হিজরীর রমযান মাস হইয়া যায় (যাহা ইমাম আবূ ইউসুফ গ্রহণ করিয়াছেন এবং উরওয়া হইতে এক রিওয়ায়াত রহিয়াছে)। সম্ভবত সন্ধির আলোচনা সমাপ্তি পর্যন্ত উক্ত মাস শেষ হইয়া গিয়াছিল। তাই দস্তখতের তারিখ ছিল শাওওয়াল মাস যাহা উরওয়া বর্ণনা করিয়াছেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২৬খ., পৃ. ১০৩)।
৬ষ্ঠ হিজরারী যুল-কা'দা মাসের পহেলা তারিখ সোমবার (৬ মার্চ, ৬২৮ খৃ.) রাসূলুল্লাহ (স) এই সফরে রওয়ানা হন। ইমাম যুহরী, মূসা ইব্ন্ন উকবা ও কাতাদা প্রমুখ (র) এইরূপ বর্ণনা করিয়াছেন (বায়হাকী, দালাইলুন নুবুওয়াত, ৩খ., পৃ. ৯১)। কিন্তু হিশাম ইব্ন উরওয়া হযরত উরওয়া (র) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) মদীনা মুনাওয়ারা হইতে রমযান মাসে রওয়ানা হন এবং শাওওয়াল মাসে হুদায়বিয়াতে গিয়া পৌঁছেন। কিতাবুল খারাজে ইমাম আবূ ইউসুফ (র) বর্ণনা করিয়াছেন যে, হুদায়বিয়ার সন্ধির দস্তখতের তারিখ ছিল রমযান মাস। মাওলানা আবদুর রউফ দানাপুরী লিখিয়াছেন, হিশামের এই রিওয়ায়াত শুদ্ধ নহে, কারণ স্বয়ং উরওয়া হইতেই আবুল আসওয়াদ যুল-কা'দা মাসের কথা বর্ণনা করিয়াছেন। উপরন্তু ইমাম বুখারী ও মুসলিম (র) হযরত আনাস (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) চারটি উমরা করিয়াছেন। ইহার সব কয়টি যুল-কা'দা মাসে। তিনি ইহার মধ্যে হুদায়বিয়ার (মূলতবী) উমরাহও উল্লেখ করিয়াছেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৬৭)।
এই মতপার্থক্যের আরও একটি ব্যাখ্যা এই যে, আরবগণ জাহিলী যুগে হারাম মাসকে পিছাইয়া দিত (দ্র. আল-কুরআন, ৯: ৩৭)। ৬ষ্ঠ হিজরী পর্যন্ত মাসকে পিছাইয়া দেওয়া সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা অবতীর্ণ হয় নাই। তাই ৬ষ্ঠ হিজরী এবং ৯ম হিজরীর সমাপ্তিতে লীপ ইয়ারের একটি মাস বৃদ্ধি করা হইয়াছিল। দশম হিজরীতে মাসকে পিছাইয়া দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা অবতীর্ণ হয়। এখন যদি খাঁটি চান্দ্র বৎসর হইতে উপরের দিকে গণনা করা হয় তবে ৬ষ্ঠ হিজরীর যুল-কা'দা মাস ৬ষ্ঠ হিজরীর রমযান মাস হইয়া যায় (যাহা ইমাম আবূ ইউসুফ গ্রহণ করিয়াছেন এবং উরওয়া হইতে এক রিওয়ায়াত রহিয়াছে)। সম্ভবত সন্ধির আলোচনা সমাপ্তি পর্যন্ত উক্ত মাস শেষ হইয়া গিয়াছিল। তাই দস্তখতের তারিখ ছিল শাওওয়াল মাস যাহা উরওয়া বর্ণনা করিয়াছেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২৬খ., পৃ. ১০৩)।
৬ষ্ঠ হিজরারী যুল-কা'দা মাসের পহেলা তারিখ সোমবার (৬ মার্চ, ৬২৮ খৃ.) রাসূলুল্লাহ (স) এই সফরে রওয়ানা হন। ইমাম যুহরী, মূসা ইব্ন্ন উকবা ও কাতাদা প্রমুখ (র) এইরূপ বর্ণনা করিয়াছেন (বায়হাকী, দালাইলুন নুবুওয়াত, ৩খ., পৃ. ৯১)। কিন্তু হিশাম ইব্ن উরওয়া হযরত উরওয়া (র) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) মদীনা মুনাওয়ারা হইতে রমযান মাসে রওয়ানা হন এবং শাওওয়াল মাসে হুদায়বিয়াতে গিয়া পৌঁছেন। কিতাবুল খারাজে ইমাম আবূ ইউসুফ (র) বর্ণনা করিয়াছেন যে, হুদায়বিয়ার সন্ধির দস্তখতের তারিখ ছিল রমযান মাস। মাওলানা আবদুর রউফ দানাপুরী লিখিয়াছেন, হিশামের এই রিওয়ায়াত শুদ্ধ নহে, কারণ স্বয়ং উরওয়া হইতেই আবুল আসওয়াদ যুল-কা'দা মাসের কথা বর্ণনা করিয়াছেন। উপরন্তু ইমাম বুখারী ও মুসলিম (র) হযরত আনাস (রা) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) চারটি উমরা করিয়াছেন। ইহার সব কয়টি যুল-কা'দা মাসে। তিনি ইহার মধ্যে হুদায়বিয়ার (মূলতবী) উমরাহও উল্লেখ করিয়াছেন (আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৬৭)।
এই মতপার্থক্যের আরও একটি ব্যাখ্যা এই যে, আরবগণ জাহিলী যুগে হারাম মাসকে পিছাইয়া দিত (দ্র. আল-কুরআন, ৯: ৩৭)। ৬ষ্ঠ হিজরী পর্যন্ত মাসকে পিছাইয়া দেওয়া সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞা অবতীর্ণ হয় নাই। তাই ৬ষ্ঠ হিজরী এবং ৯ম হিজরীর সমাপ্তিতে লীপ ইয়ারের একটি মাস বৃদ্ধি করা হইয়াছিল। দশম হিজরীতে মাসকে পিছাইয়া দেওয়া নিষেধাজ্ঞা অবতীর্ণ হয়। এখন যদি খাঁটি চান্দ্র বৎসর হইতে উপরের দিকে গণনা করা হয় তবে ৬ষ্ঠ হিজরীর যুল-কা'দা মাস ৬ষ্ঠ হিজরীর রমযান মাস হইয়া যায় (যাহা ইমাম আবূ ইউসুফ গ্রহণ করিয়াছেন এবং উরওয়া হইতে এক রিওয়ায়াত রহিয়াছে)। সম্ভবত সন্ধির আলোচনা সমাপ্তি পর্যন্ত উক্ত মাস শেষ হইয়া গিয়াছিল। তাই দস্তখতের তারিখ ছিল শাওওয়াল মাস যাহা উরওয়া বর্ণনা করিয়াছেন (ইসলামী বিশ্বকোষ, ২৬খ., পৃ. ১০৩)।