📄 অপবাদের প্রতিক্রিয়া
হযরত আইশা সিদ্দীকা (রা) মদীনায় প্রত্যাবর্তনের অব্যবহিত পর অসুস্থ হইয়া পড়েন এবং অসুস্থতার মেয়াদ ছিল প্রায় একমাস। এইদিকে লোকমুখে অপবাদ চর্চা অব্যাহত গতিতে চলিতে লাগিল। এমনকি ইহা রাসূলুল্লাহ (স), হযরত আবূ বাক্র (রা) ও হযরত আইশা (রা)-র মাতা উম্মে রূমান (রা)-এর কানে পর্যন্ত পৌঁছিল। কিন্তু হযরত আইশা (রা) এই ব্যাপারে কিছুই জানিতে পারিলেন না, কিন্তু রাসূলুল্লাহ (স)-এর আচরণের মধ্যে সামান্য পরিবর্তন লক্ষ্য করিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) চিন্তাক্লিষ্ট হইয়া পড়িলেন, দিন দিন তাঁহার মানসিক কষ্ট বৃদ্ধি পাইতে লাগিল। পূর্বে হযরত আইশা (রা) রোগাক্রান্ত হইলে আল্লাহর রাসূল (স) যেইভাবে সহমর্মিতা ও আন্তরিকতা প্রদর্শন করিতেন, এইবার যেন তাহার কিছুটা ব্যতিক্রম হইতেছে, আইশা (রা)-র ইহা আর বুঝিতে বাকী রহিল না।
রাসূলুল্লাহ (স) হযরত আইশা (রা)-এর শুশ্রূষাকারীদের নিকট কেবল জিজ্ঞাসা করিতেন, সে কেমন আছে (كيف تيكم)। এমতাবস্থায় হযরত আইশা (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর অনুমতি লইয়া সেবা ও শুশ্রূষা লাভ করিবার উদ্দেশ্যে পিত্রালয়ে চলিয়া যান। এক রাত্রিতে হযরত আইশা (রা) ও মিসতাহের মা (যিনি হযরত আবূ বাক্র (রা)-এর খালাত বোন ছিলেন) প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য মদীনার দূর প্রান্তরে 'আল-মানাসী' নামক স্থানে যাইতেছিলেন। উল্লেখ্য যে, আরবের লোকেরা প্রাচীন যুগে বাড়ীর অভ্যন্তরে শৌচাগার নির্মাণে অভ্যস্ত ছিল না। হাঁটার সময় মিস্তাহের মা পরিধেয় বস্ত্রে হোঁচট খাইয়া বলিয়া উঠিলেন, 'মিসতাহের সর্বনাশ হউক' (تعس مسطح)! হযরত আইশা (রা) বলেন, তুমি তাহার সম্পর্কে এমন বিরূপ মন্তব্য কেন করিতেছ? সে তো হিজরতকারী এবং বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজন। বৃদ্ধা জবাব দিলেন, হায়রে আবূ বাক্রের সরল মেয়ে! তুমি কি সংবাদটি এখনও পাও নাই? হযরত আইশা (রা) সংবাদটি কি জানিবার আগ্রহ প্রকাশ করিলে বৃদ্ধা ঘটনার আদ্যোপান্ত বর্ণনা দিলেন। ঘটনার আকস্মিকতায় হযরত আইশা (রা) বিহ্বল হইয়া পড়িলেন এবং রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাইল। প্রাকৃতিক প্রয়োজন না সারিয়াই তিনি গৃহে প্রত্যাবর্তন করিলেন। মিথ্যা কলংকের এই সংবাদে তিনি ভীষণভাবে ব্যথিত হইলেন। অপবাদের কথা জানিবার পর হযরত আইশা (রা) বলেন, আমি অন্তরে এমন দুঃখ পাইয়াছিলাম যে, মাঝে মধ্যে ভাবিতাম, কোন কূপে ঝাপ দিয়া আত্মহত্যা করিলে বোধ হয় বাঁচি (সহীহ বুখারী, ২খ., পৃ. ৫৯৪-৫)।
হযরত আইশা (রা) মা'কে বলিলেন, লোকেরা নানা কথা বলিতেছে অথচ আপনারা তাহার বিন্দুবিসর্গ কিছুই জানাইলেন না। মা জবাবে বলিলেন: يا بنية هوني عليك فو الله لقلما كانت إمراة قط وضية عند رجل يحبها ولها ضرائر إلا أكثرن عليها .
"বেটী! এই বিষয়টি লইয়া বেশী দুশ্চিন্তা করিওনা। কারণ সতীন আছে এমন স্বামীর অতি প্রিয় সুন্দরী নারীকে তাহার সতীনেরা বদনাম করিবে না, এমন খুব কমই হইয়া থাকে” (সহীহ বুখারী, ২খ., পৃ. ৫৯৫)।
ক্ষোভে, দুঃখে ও বেদনায় হযরত আইশা (রা)-র শরীরে কম্পন দেখা দিল। মা তাঁহার গায়ের উপর কাপড় জড়াইয়া দিলেন। সারারাত ধরিয়া তিনি অপবাদের আঘাতে অঝোর ধারায় কাঁদিতে লাগিলেন, এক মুহূর্তের জন্যও অশ্রুধারা বন্ধ হইল না, পানাহার ত্যাগ করিলেন; এইভাবে ভোর হইয়া গেল (সায়্যিদ সুলায়মান নদবী, সীরাতে আইশা, পৃ. ৯০)।
📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর জিজ্ঞাসাবাদ
হযরত আইশা সিদ্দীকা (রা) যে নিষ্পাপ ও নিষ্কলুষ চরিত্রের অধিকারী এই কথা স্বীকৃত সত্য, তবুও অপবাদকারীদের মুখ বন্ধ করিবার জন্য পরামর্শ ও অনুসন্ধানের প্রয়োজন পড়ে। ওহী আসিতে বিলম্ব হওয়ায় রাসূলুল্লাহ (স) উসামা (রা)-কে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করিলেন। উসামা (রা) বলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! তিনি তো আপনার সহধর্মিনী। আপনার নবুওয়াতের মর্যাদার সহিত সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ তাঁহার চরিত্র। এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের আদৌ কোন প্রয়োজন নাই। আমি তাঁহার সম্পর্কে উত্তম বৈ কিছুই জানি না (أهلك وما نعلم إلا خيرا)। তাই আপনি তাঁহাকে নিজের কাছেই রাখুন।
অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স) হযরত আলী ইব্ন আবী তালিব (রা)-কে ডাকিয়া তাঁহার মত জানিতে চাহিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (স)-এর দুঃখ-দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগের কথা বিবেচনা করিয়া বলিলেন: يا رسول الله لم يضيق الله عليك والنساء سواها كثير سل الجارية تصدقك.
“হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তো আপনার জন্য সংকীর্ণতা রাখেন নাই। তিনি ছাড়া তো মেয়েলোক আরও আছে। আপনি গৃহপরিচারিকাকে জিজ্ঞাসা করুন। সেই আপনাকে সত্য কথা বলিয়া দিবে” (সহীহ বুখারী, ২খ., পৃ. ৫৯৫)।
ইবন হাজার আসকালানী (র) এই প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহ না করুন! হযরত আইশা (রা)-র পবিত্রতা ও সতীত্ব সম্বন্ধে হযরত আলীর বিন্দুমাত্র সন্দেহ ছিল না। এই মন্তব্য কেবল আল্লাহ্ রাসূল (স)-কে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য করিয়াছিলেন। দুঃখ ও বেদনায় ভারাক্রান্ত হইয়া যেন আল্লাহর রাসূল দাম্পত্য সম্পর্ক দ্রুত ছিন্ন না করেন, এইজন্য তিনি গৃহপরিচারিকাকে জিজ্ঞাসাবাদ করিবার জন্য রাসূলুল্লাহ (স)-কে পরামর্শ দেন। কারণ হযরত আলী (রা)-র নিশ্চিত বিশ্বাস ছিল যে, গৃহপরিচারিকা তাঁহার চেয়ে হযরত আইশা (রা)- এর চারিত্রিক সততা সম্পর্কে অধিকতর জ্ঞাত" (ফাতহুল বারী, ৮খ., পৃ. ৩৮৭)।
রাসূলুল্লাহ (স) গৃহপরিচারিকা বরীরাহকে ডাকিয়া আনিয়া বলিলেন: আমি যে আল্লাহ্ রাসূল এই কথার তুমি কি সাক্ষ্য দিতে পার? বরীরাহ জবাবে বলিল, হাঁ। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তোমার নিকট আমি কতিপয় বিষয়ে জানিতে আগ্রহী; তুমি কিন্তু কোন তথ্য গোপন করিবে না। অন্যথায় আল্লাহ তা'আলা ওহীর মাধ্যমে সকল কিছু অবহিত করাইবেন। বরীরাহ বলিল, আপনি অনুগ্রহ করিয়া প্রশ্ন করুন, আমি কোন কথা গোপন করিব না। রাসূলুল্লাহ (স) বারীরাহকে বলিলেন: اي بريرة هل رايت من ضيئ يريبك.
"হে বারীরাহ! তোমার সন্দেহের উদ্রেক হয় এমন কোন কাজ আমার পরিবারকে করিতে দেখিয়াছ কি"?
বারীরাহ জবাব দিল: والذي بعثك بالحق ما رأيت عليها امرا قط اغمضه غير انها جارية حديثة السن تنام عن عجين اهلها فتاتي الداجن فتاكله.
"আল্লাহর কসম! যিনি আপনাকে সত্য দীন সহকারে প্রেরণ করিয়াছেন। আমি তো আইশার মধ্যে কখনও কোন দোষই খুঁজিয়া পাই না। তবে হাঁ, তিনি অল্পবয়স্কা হওয়ার কারণে রুটর জন্য খামির তৈয়ার করিয়া ঘুমাইয়া পড়েন। তখন ছাগল আসিয়া তাহা খাইয়া ফেলে" (সহীহ বুখারী, ২খ., পৃ. ৫৯৬)।
ইন্ন কায়্যিম (র) লিখিয়াছেন, নেতৃস্থানীয় সাহাবায়ে কিরামের সম্মুখে বিষয়টি যখন আলোচিত হয় তখন হযরত আবু আয়্যুব আনসারী (রা), যায়দ ইব্ন হারিছা (রা)-সহ অন্যান্যরা বলেন, আল্লাহ পবিত্র মহান। ইহা তো এক গুরুতর অপবাদ (سُبْحَانَكَ هُذَا بُهْتَانٌ عظیم)। শাহ আবদুল হক মুহাদ্দিছ দেহলবী (র) সীরাত বিশেষজ্ঞদের মতামত উদ্ধৃত করিয়া লিখিয়াছেন, হযরত উমার ইবন খাত্তাব (রা) ও হযরত উছমান ইব্ন আফফান (রা) এই প্রসঙ্গে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ পাক আপনার স্ত্রীকে এইরূপ গর্হিত ও অপবিত্র কর্মে সম্পৃক্ত করিবেন, ইহা তো হইতে পারে না (জালালুদ্দীন সুয়ূতী, দুররুল মানছুর, ৫খ., পৃ. ৩৪; আবুল বারাকাত আবদুর রউফ দানাপুরী, আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১৩৭)। ইন্ন কাছীর লিখিয়াছেন, আবূ আয়্যুব খালিদ ইব্ন যায়দ আল- আনসারীকে একদা তাঁহার স্ত্রী বলিলেন, হে আয়্যুবের বাবা! শোন নাই, হযরত আইশার ব্যাপারে লোকেরা কি যেন কানাঘুষা করিতেছে? তিনি জবাবে বলিলেন: نعم فذلك الكذب اكنت فاعلة ذلك يا ام ايوب قالت لا والله ماكنت لا فعله قال فعائشة والله خير منك.
"হাঁ শুনিয়াছি, সব মিথ্যা। তুমি কি এইরূপ গর্হিত কর্ম করিতে পার, হে আয়্যুবের মা? তিনি বলিলেন, না, আল্লাহ্র কসম! এমন কাজ আমি করিতে পারি না। আয়্যুবের বাবা বলিলেনঃ আল্লাহ্র কসম! আইশা (রা) তোমার চেয়ে অনেক বেশী উত্তম মহিলা” (ইব্ন কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল-আযীম, ৩খ, ৩০১)।
📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর ভাষণ
রাসূলুল্লাহ (স) অতঃপর মসজিদে নববীতে গেলেন এবং মিম্বরে দাঁড়াইয়া আবদুল্লাহ ইব্ন উবাই প্রসঙ্গে বলিলেন: يا معشر المسلمين من يعذرني من رجل قد بلغنى اذاه في اهل بيتي فوالله ما علمت على اهلى الا خيرا ولقد ذكروا رجلا ما علمت عليه الا خيرا لا يدخل بيتي قط الا وانا حاضر ولا غبت في سفر الا غاب معي.
“হে মুসলিমগণ! যে ব্যক্তি আমার স্ত্রীর ব্যাপারে বদনাম ও অপবাদ রটাইয়া আমাকে কষ্ট দিয়াছে, তাহার বিরুদ্ধে কে আমাকে সাহায্য করিতে পার? আল্লাহ্র কসম! আমি আমার পরিবার সম্বন্ধে উত্তম বৈ অন্য কিছু অবগত নই। যাহাকে জড়াইয়া কানাঘুষা চলিতেছে তাহার সম্পর্কেও ভাল ছাড়া মন্দ কিছু জানি না। সে আমার সঙ্গে ছাড়া কখনও একাকী আমার ঘরে প্রবেশ করে নাই। আমি সফরে থাকিলে সেও আমার সফরসঙ্গী হইত” (সহীহ বুখারী, ২খ., পৃ. ৫৯৫; তাফসীর ইব্ন কাছীর, ৩খ., পৃ. ২৯৮)।
রাসূলুল্লাহ (স)-এর ভাষণশেষে সা'দ ইব্ন মু'আয আনসারী (রা) দাঁড়াইয়া নিবেদন করিলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনাকে সাহায্য করিবার জন্য আমি প্রস্তুত। অপবাদ রটনাকারী যদি আওস গোত্রীয় হয় তবে আমি নিজেই তাহার গর্দান উড়াইয়া দিব। আর সে যদি খাযরাজ গোত্রভুক্ত হয় তখন আপনি যেই আদেশ দিবেন আমরা তাহা পালনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সা'দ ইবন 'উবাদা (রা) খাযরাজ গোত্রের সর্দার। তিনি দাঁড়াইয়া বলিলেন, অপরাধী খাযরাজ গোত্রীয় হওয়ায় সা'দ ইব্ন মু'আয এই উক্তি করিয়াছেন। তাঁহাকে সম্বোধন করিয়া সা'দ ইব্ন উবাদা বলিলেন, আল্লাহর কসম! আপনি তাহাকে কখনও হত্যা করিতে পারিবেন না। সা'দ ইব্ন মু'আযের চাচাত ভাই উসায়দ ইব্ন হুদায়র (রা) দাঁড়াইয়া সা'দ ইবন 'উবাদাকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, আপনি ভুল বলিতেছেন। রাসূলুল্লাহ যখন হুকুম করিবেন, আমরা অবশ্য তাহাকে হত্যা করিব, অপরাধী খাযরাজ গোত্রের হউক অথবা অন্য কোন গোত্রের হউক। আমাদের কেহ বাঁধা দিতে পারিবে না। আপনি কি মুনাফিক! কেন মুনাফিকদের পক্ষ অবলম্বন করিতেছেন? এইভাবে কথা কাটাকাটিতে যখন উত্তেজনা বৃদ্ধি পাইল, দাঙ্গা বাঁধিবার উপক্রম হইল আল্লাহ্র রাসূল তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপ করিয়া উভয় পক্ষকে শান্ত করিলেন (সহীহ বুখারী, ২খ, ৫৯৫; ইব্ন হিশাম, সীরাতুন্নবী, ৩খ., পৃ. ২০২)।
📄 আইশা (রা)-কে রাসূলুল্লাহ (স)-এর পরামর্শ
আইশা (রা) দিবা-রাত্রি কান্নাকাটি করিতেন। তাঁহার মনে হইতেছিল বেদনায় বুঝি হৃৎপিণ্ড বিদীর্ণ হইয়া যাইবে। ভোরবেলা হযরত আবূ বাক্র (রা) মেয়ের পাশে উপবেশন করিলেন। ইত্যবসরে আনসারী এক মহিলা আগমন করিলেন। তিনিও তাহাদের সহিত কান্নায় শরীক হইলেন। ঠিক সেই সময় রাসূলুল্লাহ (স) ঘরে প্রবেশ করিয়া সালাম দিলেন এবং আইশা (রা)-র পাশে বসিলেন। অপবাদ রটনার পর হইতে তিনি পাশে বসেন নাই। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স) আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা করিয়া বলেনঃ يا عائشة انه بلغني عنك كذا وكذا فان كنت برئية فيبرئك الله وان كنت المت بذنب فاستغفرى الله وتوبى اليه فان العبد اذا اعترف بذنبه ثم تاب تاب الله عليه.
"হে আইশা! লোকেরা যে আজেবাজে কথা বলিতেছে তাহা আমার কানে পৌঁছিয়াছে। তুমি যদি নির্দোষ হও তাহা হইলে আল্লাহ তোমাকে নিশ্চিতভাবে দোষমুক্ত করিবেন। যদি তুমি কোন পাপ করিয়া থাক, তাহা হইলে আল্লাহ্র নিকট তাওবা কর এবং তাঁহার নিকট গুনাহ মাফ চাও। কারণ বান্দা যখন পাপ স্বীকার করিয়া তওবা করে, আল্লাহ তাহা কবুল করেন" (সহীহ বুখারী, ২খ., পৃ. ৫৯৬; তারীখ তাবারী, ২খ., পৃ. ৬১৫)।