📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 যাহাদের বিরুদ্ধে এই অভিযান

📄 যাহাদের বিরুদ্ধে এই অভিযান


বানু মুহারিব ও বানু ছা'লাবা ছিল গাতাফান গোত্রের দুইটি উপগোত্র। উহাদের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালিত হইয়াছিল (যুরকানী, শারহু মাওয়াহিবিল লাদুন্নিয়্যা, ২খ., পৃ. ৯১)। ওয়াকিদী বলেন, জনৈক আগন্তুক মদীনায় কোন একটি জিনিস ক্রয় করিতে আসিয়া সংবাদ দিল যে, মুসলমানদের বিরুদ্ধে আমি আনমার ও ছা'লাবা গোত্রের লোকদেরকে যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করিতে দেখিয়া আসিয়াছি। অথচ আপনারা এই ব্যাপারে গাফিল রহিয়াছেন। এই সংবাদ রাসূলুল্লাহ (স.)-এর নিকট পৌছিলে তিনি চারি শত সাহাবী সঙ্গে লইয়া উহাদের বিরুদ্ধে অভিযানে রওয়ানা করিলেন। কেহ কেহ বলিয়াছেন, সাহাবীগণের সংখ্যা ছিল সাত শত। আবার কেহ বলিয়াছেন, সাহাবীগণের সংখ্যা ছিল আট শত (আল-ওয়াকিদী, প্রাগুক্ত)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 যুদ্ধের সময়-কাল

📄 যুদ্ধের সময়-কাল


এই যুদ্ধের মাস ও সন নির্ধারণ একটি জটিল ব্যাপার। কেননা এই ব্যাপারে সর্বজনস্বীকৃত কোন অভিমত পাওয়া যায় না। প্রথমত, মাস নির্ণয়। এই সম্পর্কে তিনটি অভিমত রহিয়াছে। ওয়াকিদীর মতে, একাদশ মুহাররম রাসূলুল্লাহ (স) এই অভিযানে রওয়ানা করিয়াছিলেন (কিতাবুল মাগাযী, প্রাগুক্ত)। ইবন ইসহাকের মতে, বানু নাযীর গোত্রের সহিত যুদ্ধে অবতীর্ণ হইবার পর রাসূলুল্লাহ্ (স) রবীউল আওয়াল মাস মদীনায় অবস্থান করিবার পর এই যুদ্ধে রওয়ানা করেন। সেই হিসাবে তাহা ছিল রবীউছ ছানী মাস। আল্লামা হালাবী বলেন, ইবন ইসহাক ছাড়া অন্যরা বলিয়াছেন, বানু নাযীর গোত্রের সহিত যুদ্ধের পর রাসূলুল্লাহ (স) রবীউল আওয়াল ও রবীউছ ছানী ও জুমাদাল উলা মাসের কিছুদিন পর এই যুদ্ধে রওয়ানা করিয়াছিলেন। এই উক্তি অনুযায়ী এই যুদ্ধ জুমাদাল উলা মাসে সংঘটিত হইয়াছিল (হালাবী, প্রাগুক্ত)।
এই যুদ্ধ হিজরী কোন সনে এবং কোন যুদ্ধের পর সংঘটিত হইয়াছিল তাহাতেও মতভেদ রহিয়াছে। কিছু দিন মদীনায় অবস্থান করিবার পর রাসূলুল্লাহ (স) এই অভিযানে রওয়ানা করেন (হালাবী, প্রাগুক্ত)। ওয়াকিদীর মতে, এই গাযওয়ায় রাসূলুল্লাহ (স) মুহাররাম মাসে রওয়ানা করিয়াছিলেন আর তাহা ছিল মুহাররমের দশ তারিখ (কিতাবুল মাগাযী, প্রাগুক্ত)। এই গাযওয়া কোন সনে সংঘটিত হইয়াছিল তাহা নির্ণয় করা কঠিন। সামঞ্জস্য বিধানের জন্য অনেককে এইরূপ অভিমতও পোষণ করিতে দেখা যায় যে, গাযওয়া যাতির-রিকা' ছিল দুইটি গাযওয়ার নাম। একটি সংঘটিত হইয়াছিল খায়বার যুদ্ধের পর। মাগাযী সম্পর্কিত বেশীর ভাগ গ্রন্থের বিবরণমতে এই যুদ্ধ বানু নাযীর যুদ্ধের দুই বা তিন মাস পর হিজরী চতুর্থ সনে অনুষ্ঠিত হইয়াছিল। কিন্তু এই মতের বিপরীতে আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) কর্তৃক বর্ণিত আছে যে, তিনি এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করিয়াছিলেন। হাদীছটি বুখারী ও মুসলিমসহ অন্যান্য বিশুদ্ধ হাদীছ গ্রন্থে বর্ণিত হইয়াছে। এই বর্ণনা অনুযায়ী ইহাও মানিয়া লইতে হইবে যে, ইহা খায়বার যুদ্ধের পর সপ্তম হিজরীতে সংঘটিত হইয়াছিল। কারণ এই কথা স্বীকৃত যে, আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রা) খায়বার যুদ্ধের সময় মদীনায় ফিরিয়াছিলেন। উহার পূর্ব পর্যন্ত তিনি হাবশায় অবস্থানরত ছিলেন।
এই মতপার্থক্য নিরসন করিতে গিয়া কেহ কেহ বলিয়াছেন, ‘মুহারিব' বা যাতুর-রিকা' নামে দুইটি যুদ্ধ সংঘটিত হইয়াছিল। একটি খায়বার যুদ্ধের পূর্বে আর অপরটি খায়বার যুদ্ধের পরে। আবার কেহ কেহ সীরাতবিদদের অভিমতকে অগ্রাধিকার দিয়া বলিয়াছেন যে, আবূ মূসা আশ'আরী (রা) আসলে এই যুদ্ধে সশরীরে অংশগ্রহণ করেন নাই, বরং তিনি যাহা বর্ণনা করিয়াছেন তাহা অন্যান্য অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের বরাতে বর্ণনা করিয়াছেন (হালাবী, প্রাগুক্ত)। কিন্তু এই উক্তি একেবারে বাস্তবতা বিরোধী। কারণ তাঁহার বিবরণের ভাষা হইল এইরূপঃ আমরা ছয়জন রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত রওয়ানা করিলাম। আমাদের মাত্র একটি উট ছিল। আমরা পালাক্রমে তাহার উপর সওয়ার হইতাম (বুখারী, প্রাগুক্ত)। ইমতা' গ্রন্থে বলা হইয়াছে:
وَقَدْ قَالَ بَعْضُ مَنْ أَرْخَ أَنَّ غَزْوَةَ ذَاتِ الرِّقَاعِ أَكْثَرُ مِنْ مَرَّةٍ فَوَاحِدَةً كَانَتْ قَبْلَ الْخَنْدَقِ وأخرى بَعْدَهَا أَوْ بَعْدَ خَيْبَرَ
"কতক ঐতিহাসিকের মতে যাতুর-রিকা' যুদ্ধ একাধিকবার সংঘটিত হইয়াছিল। একবার খন্দক যুদ্ধের পূর্বে আর অন্যবার খন্দক তথা খায়বার যুদ্ধের পর সংঘটিত হইয়াছিল" (হালাবী, প্রাগুক্ত)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মদীনায় স্থলাভিষিক্ত নিযুক্তি

📄 মদীনায় স্থলাভিষিক্ত নিযুক্তি


এই অভিযানে রওয়ানা করিবার প্রাককালে রাসূলুল্লাহ (স) মদীনায় আবু যার আল-গিফারী (রা)-কে স্থলাভিষিক্ত নিযুক্ত করিয়া যান। মতান্তরে হযরত উছমান ইব্‌ন আফফান (রা)-কে স্থলাভিষিক্ত নিযুক্ত করা হয়। ইব্‌ন আবদিল বারর বলেন, অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের অভিমত হইল, উছমান (রা)-কে স্থলাভিষিক্ত নিযুক্ত করা হয়। কেননা আবূ যার (রা) মক্কায় ইসলাম গ্রহণ করিবার পর তাহার স্বগোত্রীয় আবাসভূমিতে চলিয়া যান। অতঃপর বদর, উহুদ ও খন্দক যুদ্ধ সংঘটিত হইবার পর তিনি মদীনায় হিজরত করেন। সুতরাং তাঁহার খলীফা নিযুক্ত হইবার অভিমত সংশয়মুক্ত নয়। এই অভিমতের ব্যাপারে হালাবী বলেন, ইব্‌ন আবদিল বারর-এর এই সংশয় কেবল তখনই প্রাসঙ্গিক হইবে যখন এই কথা মানিয়া লওয়া হইবে যে, যাতুর-রিকা যুদ্ধ খন্দক যুদ্ধের পূর্বে সংঘটিত হইয়াছিল। উহা খন্দক ও খায়বার পরবর্তী ঘটনা বলিয়া স্বীকার করিলে তো আর সংশয় সৃষ্টির অবকাশ নাই (হালাবী, প্রাগুক্ত)। মদীনা হইতে রওয়ানা করিয়া রাসূলুল্লাহ (স) আল-মুদীক নামক জনপদে যাত্রা বিরতি করিলেন। অতঃপর সেখান হইতে আশ-শুকরা উপত্যকায় পৌছিয়া তথায় একদিন অবস্থান করিলেন। সেখান হইতে যুদ্ধের কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছোট ছোট দলে বিভক্ত করিয়া সেখানকার অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য লোক প্রেরণ করা হয়। তাহারা ফিরিয়া আসিয়া রাসূলুল্লাহ (স)-কে খবর দিল যে, সেখানে তাহারা কোন মানুষ দেখিতে পায় নাই। তবে এলাকা ত্যাগ করিবার নূতন নূতন পদক্ষেপ তাহারা দেখিতে পাইয়াছে (আল-ওয়াকিদী, প্রাগুক্ত)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সালাতুল খাওফের বিধান প্রবর্তন

📄 সালাতুল খাওফের বিধান প্রবর্তন


অধিকাংশ সীরাত ও হাদীছবিদের অভিমত এই যে, সালাতুল খাওফের বিধান এই যুদ্ধের সময় প্রবর্তিত হয়। কিন্তু কেহ কেহ দ্বিমত পোষণ করিয়াছেন। এই মতানৈক্যের ভিত্তি হইল যাতুর-রিকা যুদ্ধের সময় নির্ধারণের উপর। যেহেতু এই যুদ্ধের সময় নির্ধারণে প্রবল মতপার্থক্য রহিয়াছে, ফলে রাসূলুল্লাহ্ (স) সর্বপ্রথম কোন যুদ্ধে সালাতুল খাওফ পড়িয়াছিলেন উহার ব্যাপারেও সর্বসম্মত কোন অভিমত নাই।
আল্লামা নাওয়াবী বলেন, সালাতুল খাওফ গাযওয়া যাতুর-রিকা অথবা গাযওয়া বানু নাযীরে প্রবর্তিত হইয়াছিল (আবদুর রউফ দানাপূরী, আসাহহুস সিয়ার, পৃ. ১২৬)। ইবনুল কায়্যিম আল-জাওযিয়্যা বলেন, যাতুর-রিকা, যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (স) সর্বপ্রথম সালাতুল খাওফ পড়িয়াছিলেন এইরূপ উক্তি ঠিক নয়। কারণ ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল (র) ও সুনান গ্রন্থসমূহের সংকলকগণ আবূ আয়‍্যাশ আয-যুরাকী (রা) সূত্রে এবং ইমাম তিরমিযী আবূ হুরায়রা (রা) সূত্রে বর্ণনা করিয়াছেন যে, সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ্ (স) গাযওয়া উসফানে সালাতুল খাওফ আদায় করিয়াছিলেন (দানাপূরী, প্রাগুক্ত)।
আল্লামা ইবনুল কায়্যিমের এইরূপ উক্তির মূলে রহিয়াছে তাঁহার এই অভিমত যে, গাযওয়া যাতুর-রিকা গাযওয়া উসফান ও গাযওয়া খায়বারের পরবর্তী ঘটনা। যদি বাস্তবে এইরূপ হইয়া থাকে তাহা হইলে তাঁহার কথার সার হইল, সালাতুল খাওফের বিধান প্রবর্তিত হইয়াছে 'উসফান যুদ্ধে, আর দ্বিতীয়বার তাহা আদায় করা হয় যাতুর-রিকা যুদ্ধে।
কিন্তু কয়েকটি হাদীছ এইরূপও বর্ণিত পাওয়া যায় যাহার দ্বারা এই সালাত সর্বপ্রথম যাতুর-রিকা যুদ্ধেই প্রবর্তিত হইয়াছে বলিয়া প্রতীয়মান হয়। ওয়াকিদী জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন:
قَالَ فَكَانَ أَوَّلُ مَا صَلَّى يَوْمَئِذٍ صَلَاةَ الْخَوْفِ وَخَافَ أَنْ يُغِيرُوا عَلَيْهِ وَهُمْ فِي الصَّلَاةِ وَهُمْ صُفُوفٌ.
"তিনি বলেন, এই দিনই সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ (স) সালাতুল খাওফ আদায় করেন। তিনি আশংকা করিয়াছিলেন যে, শত্রুপক্ষ সালাতে কাতারবদ্ধ অবস্থায় মুসলিম বাহিনীর উপর আক্রমণ করিয়া বসিতে পারে" (ওয়াকিদী, প্রাগুক্ত)।
ইমাম বুখারী স্বীয় সালিহ ইব্‌ন খাওয়াত সূত্রে একাধিক সনদে এই সম্পর্কিত যেই হাদীছ বর্ণনা করিয়াছেন তাহা হইতেও প্রতীয়মান হয় যে, সালাতুল খাওফের বিধান সর্বপ্রথম এই যুদ্ধেই প্রবর্তিত হইয়াইছিল। হাদীছটি হইল:
عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَاتِ عَمَّنْ شَهِدَ مَعَ رَسُولِ اللهِ ﷺ يَوْمَ ذَاتِ الرِّقَاعِ صَلوةَ الْخَوْفِ أَنْ طَائِقَةُ صَفَّتْ مَعَهُ وَطَائِفَةٌ وَجَاءَ العَدُوِّ فَصَلَّى بالتي مَعَهُ رَكْعَةً ثُمَّ ثَبَتَ قَائِمًا وَآتَمُوا لِأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ انْصَرَفُوا وَجَاءَ الْعَدُوِّ وَجَاءَتِ الطَّائِفَةُ الْأُخْرَى فَصَلَّى بِهِمُ الرَّكْعَةَ الَّتِي بَقِيَتْ مِنْ صَلَاتِهِ ثُمَّ ثَبَتَ جَالِسًا وَآتَمُوا لِأَنْفُسِهِمْ ثُمَّ سَلَّمَ بِهِمْ.
(বুখারী, প্রাগুক্ত, ২খ., পৃ. ৫৯২)।
এই হাদীছে সালাতুল খাওফ আদায় করিবার বর্ণনার সহিত উহা আদায় করিবার পদ্ধতির কথাও উল্লেখ রহিয়াছে। যদি উহার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী কোন যুদ্ধে এই সালাত আদায় করা হইত তাহা হইলে এখানে তাহা আদায় করিবার বিস্তারিত নিয়মের অবতারণার প্রয়োজন হইত না।
হালাবী বলেন, গাযওয়া হুদায়য়িয়ার প্রাককালে 'উসফান নামক স্থানে সালাতুল 'খাওফ আদায় করিবার কথাও বর্ণিত রহিয়াছে। ইহাতে কোন বিপত্তি নাই। কারণ সালাতুল খাওফের ঘটনা একাধিক বার সংঘটিত হইতে পারে। এই সম্ভাবনাকেও নাকচ করা যায় না যে, কিছু সংখ্যক বর্ণনাকারীর নিকট বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল বিধায় সালাতুল খাওফ একাধিক ঘটনার সহিত সম্পর্কিত করা হইয়াছে।
উপরিউক্ত আলোচনা হইতে বুঝা যায় যে, সালাতুল খাওফের বিধান প্রথমে যাতুর-রিকা যুদ্ধে প্রবর্তিত হইয়াছিল। ইহাই সংখ্যাগরিষ্ঠ বিশেষজ্ঞগণের অভিমত। যদি যাতুর-রিকা যুদ্ধ খায়বার অভিযানের পরবর্তী ঘটনা হয় তাহা হইলে রাসূলুল্লাহ্ (স) প্রথমে এই যুদ্ধে সালাতুল খাওফ পড়িয়াছিলেন, এইরূপ অভিমত যথার্থ হইবে না। কারণ উহার আগে উসফান নামক স্থানে তাহা আদায় করিবার প্রমাণ রহিয়াছে। আর যদি তাহা খায়বারের পূর্ববর্তী ঘটনা হয় তাহা হইলে সালাতুল খাওফ প্রথমে এই যুদ্ধে আদায় করিবার অভিমত যথার্থ।
সর্বপ্রথম কোন ওয়াক্তে সালাতুল খাওফ আদায় করা হইয়াছিল এই সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, যুহরের সালাতে যখন মুসলিম বাহিনীকে লইয়া রাসূলুল্লাহ্ (স) দাঁড়াইয়াছিলেন তখন মুশরিকরা আক্রমণ করিবার মনস্থ করিয়াছিল। ইত্যবসরে জনৈক মুশরিক পরামর্শ দিল যে, আসরের সালাত মুসলমানদের নিকট তাহাদের সন্তানাদির চেয়েও প্রিয়। সুতরাং তখনই আক্রমণ করা হউক। তাহাদের এই পরামর্শ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা জিবরাঈল (আ)-কে রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট ওহীসহ প্রেরণ করেন। ওহী লাভের পর রাসূলুল্লাহ (স) আসরের ওয়াক্তে সালাতুল খাওফ আদায় করেন (হালাবী, প্রাগুক্ত)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00