📄 সাহাবীদেরকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর জ্ঞানগর্ভ উপদেশ
রাসূলুল্লাহ (স) সমবেত সাহাবীদিগকে জিহাদে উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করিবার জন্য সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা প্রদান করেন। প্রথমেই তিনি আল্লাহ্ প্রশংসা করিয়া বলিলেন, আল্লাহ তা'আলা যাহার প্রতি তাহাদিগকে উৎসাহিত করিয়াছেন আমিও তাহার প্রতি তোমাদিগকে উৎসাহিত করিতেছি এবং তিনি যাহা করিতে নিষেধ করিয়াছেন আমিও তাহা নিষেধ করিতেছি। আল্লাহ মহান, তিনি হকের নির্দেশ দেন, সত্য পছন্দ করেন, সৎকর্মপরায়ণকে তাহার কর্ম অনুযায়ী মর্যাদা দান করেন। তোমরা হকের মনষিলে পৌঁছিয়াছ। তিনি কেবল সেই আমলই কবুল করেন যাহা তাঁহার সন্তুষ্টির জন্য করা হয়। নিরাশার সময় ধৈর্যধারণ করিলে আল্লাহ উহার দ্বারা মুশকিল আসান করিয়া দেন এবং দুঃখ-কষ্ট হইতে পরিত্রাণ দান করেন। আখিরাতে উহার বিনিময়ে তোমরা মুক্তি পাইবে। তোমাদের মধ্যে আল্লাহ্ নবী আছেন। তিনি তোমাদিগকে সতর্ক করেন এবং সৎকাজের নির্দেশ দেন। তাই আজ তোমরা এমন কাজ করিতে লজ্জাবোধ করিও যাহা দেখিলে তিনি রাগান্বিত হন। কারণ তিনি ইরশাদ করিয়াছেন (৪০:১০):
لَمَقْتُ اللَّهِ اَكْبَرُ مِنْ مُقْتِكُمْ اَنْفُسَكُمْ.
"তোমাদের নিজেদের প্রতি তোমাদের ক্ষোভ অপেক্ষা আল্লাহর অপ্রসন্নতা ছিল অধিক" (৪০:১০)।
আল্লাহ তাঁহার কিতাবে যাহা নির্দেশ করিয়াছেন তাহার প্রতি লক্ষ্য রাখিও, উহা মজবুতভাবে ধারণ কর। তাহা হইলে তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হইবেন এবং তোমাদের প্রতি রহমত ও মাগফিরাতের যে ওয়াদা করিয়াছেন তাহা তোমরা লাভ করিবে। কারণ তাঁহার ওয়াদা হক, তাঁহার কথা সত্য এবং তাঁহার শাস্তি কঠোর। আমি ও তোমরা মহান আল্লাহ্র সহিত রহিয়াছি। তাঁহার নিকটই আমরা আশ্রয় চাহি, তাঁহারই উপর ভরসা করি এবং তাঁহারই দিকে আমাদের প্রত্যাবর্তন করিতে হইবে। আল্লাহ আমাদিগকে এবং সকল মুসলমানকে ক্ষমা করুন।
📄 যুদ্ধক্ষেত্রে মুসলিম বাহিনীর কাতারবন্দী
অতঃপর ১৭ই রামাদান শুক্রবার প্রভাতে রাসূলুল্লাহ (স) যুদ্ধের জন্য মুসলিম বাহিনীকে কাতারবন্দী করিতে লাগিলেন। তাঁহার হাতে ছিল ছোট একটি তীর। উহা দ্বারাই তিনি কাতার সোজা করিতেছিলেন। বানু আদী ইবনুন নাজ্জার-এর মিত্র সাওওয়াদ ইব্ন গাযিয়্যা নামক জনৈক সাহাবী কাতার হইতে একটু সম্মুখে বাড়িয়া ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তীর দ্বারা তাহার পেটে মৃদু খোঁচা দিয়া বলিলেন, সোজা হইয়া দাঁড়াও হে সাওওয়াদ! তখন সাওওয়াদ (রা) বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আমাকে ব্যথা দিয়াছেন। অথচ আল্লাহ আপনাকে সত্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিতে প্রেরণ করিয়াছেন। তাই আমাকে প্রতিশোধ গ্রহণ করিতে দিন। রাসূলুল্লাহ (স) স্বীয় পেট হইতে কাপড় সরাইয়া বলিলেন, লও, প্রতিশোধ গ্রহণ কর। সাওওয়াদ তখন রাসূলুল্লাহ (স)-কে জড়াইয়া ধরিলেন এবং তাঁহার পেটে চুমা দিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) জিজ্ঞাসা করিলেন, তুমি কেন এমনটি করিলে হে সাওওয়াদ? তিনি বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কি ঘটিতেছে তাহা আপনি দেখিতেছেন। তাই আমি ইচ্ছা করিলাম যে, আমার ত্বক আপনার ত্বকের স্পর্শে ধন্য হইবে, ইহাই হউক আপনার সহিত আমার শেষ অবস্থা। রাসূলুল্লাহ (স) তাহার জন্য দু'আ করিলেন। এক বর্ণনামতে তিনি নিহত হইবার আশংকাও প্রকাশ করিয়াছিলেন।
📄 আগে আক্রমণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদেরকে যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়া বলিলেন, আমার অনুমতি ব্যতীত কেহ যুদ্ধ শুরু করিবে না, অগ্রে আক্রমণ করিবে না। তাহারা তোমাদের নিকটবর্তী হইয়া পড়িলে তাহাদিগকে তীর নিক্ষেপ করিবে। তোমাদিগকে ঘিরিয়া না ফেলা পর্যন্ত তরবারি চালনা করিবে না। তীরগুলিও সংরক্ষণ করিয়া রাখিবে।
📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর আরীশে প্রবেশ ও আল্লাহ্র নিকট মুনাজাত
রাসূলুল্লাহ (স)-এর আরীশে প্রবেশ ও আল্লাহর নিকট মুনাজাত : মুসলিম বাহিনীকে কাতারবন্দী করার পর রাসূলুল্লাহ (স) 'আরীশে প্রবেশ করিলেন। তখন তাঁহার সঙ্গে ছিলেন কেবল আবূ বাক্স (রা), আর কেহই সেখানে ছিল না। তিনি সেখানে কাকুতি-মিনতি সহকারে মহান আল্লাহ্র দরবারে তাঁহার সাহায্য প্রার্থনা করিয়া দু'আ করিতে লাগিলেন। বিভিন্নভাবে তিনি দু'আ করিলেন। কখনও সিজদায় পড়িয়া, কখনও উভয় হস্ত উত্তোলন করিয়া। দু'আর মধ্যে তিনি বলিলেন:
اللهم ان تهلك هذه العصابة اليوم لا تعبد بعدها في الأرض.
“হে আল্লাহ! এই দলটি যদি আজ ধ্বংস হইয়া যায় তাহা হইলে আর পৃথিবীতে তোমার ইবাদত করা হইবে না" (ইবন হিশাম, আস-সীরা, ২খ., পৃ. ২৬৯)।
তিনি আরও বলিলেন:
أنجزلي ما وعدتني اللهم نصرك.
"হে আল্লাহ! তুমি আমার নিকট যে অঙ্গীকার করিয়াছ তাহা পূরণ কর। হে আল্লাহ! তোমার সাহায্য পাঠাও”।
আকাশের দিকে হস্ত উত্তোলন করিয়া তিনি এই দু'আ করিতেছিলেন। ইহাতে এক পর্যায়ে তাঁহার উভয় কাঁধ হইতে চাদর পড়িয়া গেল। আবূ বাক্স (রা) তাঁহার পিছনে থাকিয়া চাদর তুলিয়া দিতেছিলেন এবং তাঁহার অধিক কান্নাকাটির কারণে সমবেদনা ও সান্ত্বনাদান পূর্বক বলিতেছিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ক্ষান্ত হউন। আপনার প্রতিপালকের নিকট প্রার্থনা সীমিত করুন। কারণ অতি সত্বর তিনি আপনাকে দেওয়া অঙ্গীকার পূরণ করিবেন (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৩খ., পৃ. ২৭২)। এই সময় রাসূলুল্লাহ (স) একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন হইয়াছিলেন। তিনি জাগ্রত হইয়া বলিলেন, সুসংবাদ গ্রহণ কর হে আবু বাক্স! আল্লাহ্র সাহায্য আসিয়া গিয়াছে। এই হইল জিবরীল, ঘোড়ার লাগাম ধরিয়া সম্মুখে ধূলা উড়াইয়া উহাকে হাঁকাইয়া আসিতেছে (ইবন হিশাম, আস-সীরা, ২খ., পৃ. ২৬৯; 'উয়ূনুল আছার, ১খ., পৃ. ২৯৮)।
এই সময় 'আরীশে আল্লাহ্র নিকট তাঁহার দু'আ ও কান্নাকাটির যে এক অবর্ণনীয় অবস্থার সৃষ্টি হইয়াছিল, বিভিন্ন রিওয়ায়াতে তাহা সুস্পষ্টরূপে ফুটিয়া উঠিয়াছে। আলী (রা) বলেন, আমি কিছুক্ষণ যুদ্ধ করিবার পর রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট দৌঁড়াইয়া আসিলাম, তিনি কি করিতেছেন তাহা দেখিবার জন্য। তিনি সিজদায় পড়িয়া বলিতেছেন, يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ (হে চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক), ইহার বেশী আর কিছুই নহে। অতঃপর আমি যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়া যুদ্ধ করিতে লাগিলাম। ফিরিয়া আসিয়া দেখিলাম, তিনি সিজদায় পড়িয়া ইহাই বলিতেছেন। আমি আবারও যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরিয়া গেলাম। আবার আসিয়া দেখিলাম, তিনি সিজদায় পড়িয়া উহাই বলিতেছেন। অবশেষে আল্লাহ তাঁহাকে বিজয় দান করিলেন (আত-তাবাকাত, ২খ., পৃ. ২৬)।
ইবন মাসউদ (রা) বলেন, বদর যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (স) এই দু'আ করেন: اللهم اني انشدك عهدك ووعدك اللهم ان تهلك هذه العصابة لا تعبد. "হে আল্লাহ! আমি আপনার ওয়াদা ও অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন কামনা করিতেছি। হে আল্লাহ! আপনি যদি এই দলটিকে ধ্বংস করেন তবে আপনার ইবাদত করা হইবে না"।
অতঃপর ফিরিয়া উৎফুল্ল চিত্তে তিনি' বলিলেন, আমি যেন মুশরিকদের নিহত হইবার স্থানসমূহ দেখিতে পাইতেছি (ইউসুফ সালিহী আশ-শামী, প্রাগুক্ত, ৪খ., পৃ. ৩৭; ইব্ন কাছীর, প্রাগুক্ত, ৩খ., পৃ. ২৭৬)।
উমার (রা) বলেন, বদর যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (স) মুশরিকদের দিকে দৃষ্টিপাত করিলেন। তাহারা ছিল সংখ্যায় এক হাজার, আর তাঁহার সাহাবীগণ ছিলেন ৩১৯ জন। অতঃপর তিনি কিবলামুখী হইয়া উভয় হস্ত প্রসারিত করিয়া দিলেন এবং তাঁহার প্রতিপালকের নিকট এই বলিয়া দু'আ করিতে লাগিলেন: اللهم انجزلي ما وعدتني اللهم اتني ما وعدتني اللهم أن تهلك هذه العصابة من اهل الاسلام لا تعبد في الارض. "হে আল্লাহ! তুমি আমার নিকট যে অঙ্গীকার করিয়াছ তাহা পূরণ কর। হে আল্লাহ! তুমি আমার নিকট যাহার ওয়াদা করিয়াছ তাহা আমাকে দাও, হে আল্লাহ! মুসলমানদের এই দলটিকে যদি তুমি ধ্বংস করিয়া দাও তবে পৃথিবীতে তোমার ইবাদত করা হইবে না"।
অতঃপর এইভাবেই তিনি কিবলামুখী হইয়া উভয় হস্ত প্রসারিত করিয়া অবিরত তাঁহার প্রতিপালকের নিকট দু'আ করিতে থাকিলেন, এমনকি তাঁহার কাঁধ হইতে চাদর পড়িয়া গেল। আবূ বাক্স (রা) আসিয়া তাঁহার কাঁধে চাদর তুলিয়া দিলেন, অতঃপর তিনি চাদর আঁকড়াইয়া ধরিয়া রাখিলেন। তিনি বলিলেন, হে আল্লাহ্ নবী! আপনার প্রতিপালকের নিকট চাওয়া যথেষ্ট হইয়াছে। অতি সত্বর তিনি আপনাকে দেওয়া অঙ্গীকার পূরণ করিবেন। অতঃপর আল্লাহ এই আয়াত (৮ : ৯) নাযিল করিলেন: إِذْ تَسْتَغِيْثُوْنَ رَبَّكُمْ... مردفين (ইউসুফ সালিহী আশ-শামী, প্রাগুক্ত, ৪খ., পৃ. ৩৭-৩৮)।
উবায়দুল্লাহ ইব্ন আবদুল্লাহ ইব্ন উতবা বলেন, বদর যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (স) মুশরিকদের প্রতি দৃষ্টিপাত করিলেন এবং মুসলমানদের প্রতিও দৃষ্টিপাত করিলেন। মুশরিকদের তুলনায় মুসলমানদের সংখ্যা কম দেখিয়া তিনি দুই রাক্'আত সালাত আদায় করিলেন। আবূ বাক্স তাঁহার ডান পাশে দাঁড়াইলেন। রাসূলুল্লাহ (স) সালাতের মধ্যে বলিলেন:
اللهم لا تودع منى اللهم لا تخذلنى اللهم انشدك ما وعدتني.
"হে আল্লাহ! তুমি আমাকে পরিত্যাগ করিও না। হে আল্লাহ! আমাকে অপদস্থ করিও না। হে আল্লাহ! তুমি আমার নিকট যাহার অঙ্গীকার করিয়াছ আমি তাহাই চাহিতেছি"।
ইব্ন আব্বাস (রা) হইতে বর্ণিত যে, বদরের দিন রাসূলুল্লাহ (স) উঁচু স্থানে (কুব্বায়) থাকিয়া বলিতেছিলেন:
اللهم اني انشدك عهدك ووعدك اللهم ان تشأ لم تعبد.
"হে আল্লাহ! আমি তোমার ওয়াদা ও অঙ্গীকারের বাস্তবায়ন চাহিতেছি। হে আল্লাহ! তুমি ইচ্ছা করিলে আজিকার পর আর কখনও তোমার ইবাদাত করা হইবে না" (আল-বুখারী, আস-সাহীহ, কিতাবুল মাগাযী, হাদীছ নং ৩৯৫৩)।
ইবন আব্বাসেরই অপর বর্ণনায় আছে, তিনি আরও বলিতেছিলেন:
اللهم ان ظهروا على هذه العصابة ظهر الشرك وما يقوم لك دين.
"হে আল্লাহ! তাহারা যদি এই দলের উপর বিজয়ী হয় তবে শিরকের প্রসার ঘটিবে এবং তোমার দীন প্রতিষ্ঠিত হইবে না"।
তখন আবূ বাক্স (রা) দুই হাতে তাঁহাকে ধরিয়া বলিলেন, যথেষ্ট হইয়াছে ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আপনার প্রতিপালকের প্রতি বেশী দু'আ করিয়াছেন (সুবুলুল হুদা, ৪খ., পৃ. ৩৭-৩৮; আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ৩খ., পৃ. ২৭৬)।
অতঃপর রাসূলুল্লাহ (স) দ্রুত লৌহবর্ম পরিধান করিলেন এবং বলিলেন:
سَيُهْزَمُ الجَمْعُ وَيُوَلُّوْنَ الدُّبْرُ . بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهُى وَأَمَرُّ.
"এই দল তো শীঘ্রই পরাজিত হইবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিবে। অধিকন্তু কিয়ামত তাহাদের শাস্তির নির্ধারিত কাল এবং কিয়ামত হইবে কঠিনতর ও তিক্ততর" (৫৪:৪৫-৬)।
আবূ জাহলের বদদু'আঃ উভয় পক্ষ মুখামুখী হইলে কুরায়শ নেতা আবূ জাহল আল্লাহ্র নিকট এই বলিয়া দু'আ করিয়াছিল:
اللهم أقطعنا الرحم واتانا بما لا يعرف فاحنه الغداة.
"হে আল্লাহ! সে আমাদের আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করিয়াছে এবং আমাদের নিকট এক অপরিচিত বিষয় লইয়া আসিয়াছে। তাই আগামী কালই তুমি তাহাকে ধ্বংস কর" (ইব্ন হিশাম, আস-সীরা, ২খ., পৃ. ২৭০; 'উয়ূনুল আছার, ১খ., পৃ. ৩০০)।
ইব্ন আব্বাস (রা)-এর এক বর্ণনামতে আবু জাহল তাহার অভিশাপের মধ্যে ইহাও বলিয়াছিল:
اللهم من كان أحب إليك وأرضى عندك فانصره اليوم.
"হে আল্লাহ! তোমার নিকট যে প্রিয় এবং তুমি যাহার উপর সন্তুষ্ট অদ্য তাহাকেই তুমি সাহায্য কর" (আর-রাহীকুল মাখতুম, পৃ. ২৩৯; সুবুলুল হুদা ওয়ার-রাশাদ, ৪খ., পৃ. ৪৬)।
এই বদদু'আ তাহার নিজের উপরই পতিত হইয়াছিল এবং সে নিজেই ধ্বংস হইয়াছিল। এই সম্পর্কেই নাযিল হয়:
إِنْ تَسْتَفْتِحُوا فَقَدْ جَاءَكُمُ الْفَتْحُ.
"তোমরা মীমাংসা চাহিয়াছিলে তাহা তো তোমাদের নিকট আসিয়াছে" (৮:১৯)।