📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 কুরায়শদের বানু কিনানা ভীতি এবং শয়তানের সান্ত্বনা দান

📄 কুরায়শদের বানু কিনানা ভীতি এবং শয়তানের সান্ত্বনা দান


কুরায়শদের বানু কিনানা ভীতি এবং শয়তানের সান্ত্বনা দান : কুরায়শগণ যখন তাহাদের পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করিল এবং রওয়ানা হওয়ার ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ হইল তখন তাহাদের মধ্যে ও বানু বাক্স ইবন আব্দ মানাফ ইব্‌ন কিনানার মধ্যে দীর্ঘ দিন হইতে যে যুদ্ধ চলিয়া আসিতেছিল উহার কথা তাহাদের স্মরণ হইল। তখন তাহারা বলিল, আমাদের আশঙ্কা হইতেছে যে, তাহারা আমাদের পিছন দিক হইতে আমাদের উপর আক্রমণ করিয়া বসিবে। কুরায়শ ও বানু বাক্স গোত্রের মধ্যে যুদ্ধের সূত্রপাত হইয়াছিল 'আমের ইব্‌ লুআয়্যি গোত্রের হাম্স ইবনুল আখয়াফ তনয়কে কেন্দ্র করিয়া। তাহাকে বানু বাক্স নেতা 'আমের ইব্‌ন ইয়াযীদ ইব্‌ন 'আমের ইবনুল মাল্লহ-এর ইঙ্গিতে উক্ত গোত্রের এক লোক হত্যা করিয়াছিল। নিহতের ভ্রাতা মিকরায ইব্‌ন আখয়াফ ইহার বদলাস্বরূপ 'আমের ইবন ইয়াযীদকে হত্যা করিয়া তাহার তরবারি কা'বা শরীফের গিলাফের সহিত লটকাইয়া রাখে। অতঃপর কুরায়শগণ যুদ্ধে রওয়ানা হওয়ার মুহূর্তে তাহাদের সহিত দ্বন্দ্বের কথা স্মরণ করিয়া ভীত হইয়া পড়ে। ভয়ে তাহাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করিয়া ফিরিয়া যাইবার উপক্রম হইল। তখন ইবলীস কিনানা গোত্রের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি সুরাকা ইবন মালিক ইবন জু'শুম আল-মুদলিজী আল-কিনানী-এর আকৃতি ধারণ করিয়া তাহাদিগকে বলিল, কিনানা গোত্র তোমাদের পশ্চাত হইতে আক্রমণ করার ব্যাপারে আমি তোমাদিগকে নিরাপত্তা দান করিতেছি যাহা তোমরা অপছন্দ করিতেছ। ইহাতে তাহারা সান্ত্বনা লাভ করিয়া দ্রুত বাহির হইয়া পড়িল। এই সময় কুরায়শ যোদ্ধাদের সংখ্যা ছিল ৯৫০, মতান্তরে ১০০০। তাহাদের সঙ্গে ছিল ২০০ ঘোড়া, ৬০০ লৌহবর্ম। সমরাস্ত্রের বিপুল সমাহার ছাড়াও ছিল গায়িকাদল, যাহারা দফ বাজাইয়া এবং মুসলমানদের প্রতি ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক সঙ্গীত গাহিয়া আনন্দ প্রকাশ করিতেছিল। তাহাদের সঙ্গে আরও ছিল ইবলীস সুরাকার আকৃতি ধরিয়া। সে তাহাদিগকে আশ্বাস দিতেছিল যে, তাহাদের সাহায্যার্থে কিনানা গোত্র তাহাদের পিছনে আসিতেছে, কেহই তোমাদের উপর বিজয়ী হইতে পারিবে না। কুরায়শদের এহেন দর্পভরে বাহির হওয়া এবং ইবলীসের আশ্বাসবাণী সম্পর্কে কুরআন কারীমে উক্ত হইয়াছে : وَلاَ تَكُونُوا كَالَّذِيْنَ خَرَجُوْا مِنْ دِيَارِهِمْ بَطَرًا وَرِيَاءَ النَّاسِ وَيَصُدُّوْنَ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ وَاللهُ بِمَا يَعْمَلُوْنَ مُحِيْطٌ. وَإِذْ زَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ أَعْمَالَهُمْ وَقَالَ لاَ غَالِبَ لَكُمُ الْيَوْمَ مِنَ النَّاسِ وَإِنِّيْ جَارٌ لَكُمْ (٨ : ٤٧-٤٨) . "তোমরা তাহাদের ন্যায় হইবে না যাহারা দম্ভভরে ও লোক দেখাইবার জন্য স্বীয় গৃহ হইতে বাহির হইয়াছে এবং লোককে নিবৃত্ত করে। তাহারা যাহা করে আল্লাহ্ তাহা পরিবেষ্টন করিয়া রহিয়াছেন। স্মরণ কর, যখন শয়তান তাহাদের কার্যাবলী তাহাদের দৃষ্টিতে শোভন করিয়াছিল এবং বলিয়াছিল, আজ মানুষের মধ্যে কেহই তোমাদের উপর বিজয়ী হইতে পারিবে না। আমি তোমাদের পার্শ্বেই থাকিব" (৮:৪৭-৪৮)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 পথিমধ্যে কুরায়শ বাহিনীর আহারের ব্যবস্থা

📄 পথিমধ্যে কুরায়শ বাহিনীর আহারের ব্যবস্থা


পথিমধ্যে কুরায়শ বাহিনীর আহারের ব্যবস্থা: কুরায়শ নেতৃবৃন্দ সকল সৈন্যের আহারেরও সুবন্দোবস্ত করিয়াছিল। মক্কা হইতে বাহির হইবার পর প্রথম দিন আবু জাহল তাহাদের জন্য দশটি উট যবেহ করিল। অতঃপর 'উসফান নামক স্থানে পৌঁছিয়া উমায়‍্যা ইবন খালাফ ৯টি উট যবেহ করে। সুহায়ল ইবন 'আমর, যিনি পরর্তী কালে ইসলাম গ্রহণ করেন, কুদায়দ-এ পৌঁছিয়া যবেহ করেন দশটি উট। কুদায়দ হইতে তাহারা সমুদ্র অভিমুখে পানির নিকট গমন করে। সেখানে তাহারা একদিন অবস্থান করে। এই সময় শায়ba ইবন রাবী'আ তাহাদের জন্য নয়টি উট যবেহ করেন। পরদিন তাহারা জুহফা নামক স্থানে পৌঁছে। সেখানে উতবা ইবন রাবী'আ তাহাদের জন্য দশটি উট যবেহ করে। অতঃপর তাহারা 'আল-আবওয়া' নামক স্থানে পৌঁছে। সেখানে নুবায়হ ও মুনাব্বিহ ইবনুল হাজ্জাজ নামক ভ্রাতৃদ্বয় দশটি উট যbeহ করে। এক বর্ণনামতে মুকায়্যিস ইন্ন 'আমর আল-জুমাহী এখানে নয়টি উট যবেহ করে। অতঃপর আব্বাস ইবন 'আবদিল মুত্তালিব দশটি, অতঃপর আল-হারিছ ইবন 'আমের ইবন নাওফাল নয়টি উট যবেহ করে। বদর প্রান্তরে পানির নিকট পৌছিয়া আবুল বাখতারী দশটি উট যবেহ করে। এখানে মুকায়্যিস আল-জুমাহী নয়টি উট যবেহ করে। অতঃপর তাহারা তাহাদের সঙ্গে বহনকৃত পাথেয় হইতে আহার করিতে থাকে। উল্লেখ্য যে, আল-জুহফা পর্যন্ত পৌঁছিতে তাহাদের দশ দিন অতিবাহিত হয়।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 জুহায়ম ইবনুস সালতের স্বপ্ন

📄 জুহায়ম ইবনুস সালতের স্বপ্ন


জুহায়ম ইবনুস সান্ত-এর স্বপ্ন: আসন্ন যুদ্ধে কুরায়শ নেতৃবৃন্দ যে নিহত হইবে উহা জুহায়ম নামক এক লোক স্বপ্নে দেখিয়াছিল, কিন্তু তাহারা উপহাস করিয়া উহা উড়াইয়া দেয়। 'উরওয়া ইবনুষ যুবায়র সূত্রে বর্ণিত যে, কুরায়শদের মধ্যে বানু মুত্তালিব ইবন 'আব্দ মানাফ গোত্রে জুহায়ম ইব্‌ন আবিস সান্ত ইন্ন মাখরামা নামে এক লোক ছিল, যিনি পরবর্তী কালে হুনায়ন যুদ্ধকালে ইসলাম গ্রহণ করেন। কুরায়শ দল যখন জুহফা নামক স্থানে পৌঁছিল তখন জুহায়ম-এর একটু ঘুমের আবেশ হইল। তিনি ভীত অবস্থায়, উঠিয়া তাহার সঙ্গীদেরকে বলিলেন, তোমরা কি সেই অশ্বারোহীকে দেখিয়াছ, যে এইমাত্র আমার নিকট আগমন করিয়াছিল? তাহারা বলিল, না, তুমি পাগল হইয়া গিয়াছ। জুহায়ম বলিলেন, এইমাত্র এক অশ্বারোহী আমার নিকট আসিয়া বলিয়া গেল, আবু জাহল, উতবা ইব্‌ন রাবী'আ, শায়ba ইব্‌ন রাবী'আ, যাম'আ ইবনুল আসওয়াদ, আবুল বাখতারী, উমায়্যা ইব্‌ন খালাফ নিহত হইবে। অতঃপর জুহায়ম বদর যুদ্ধে আরও যেসব কুরায়শ নেতা নিহত হইবে তাহাদের নাম বলিলেন। তিনি আরও বলেন, অতঃপর আমি সেই আরোহীকে দেখিলাম, সে তাহার উটের গলদেশে আঘাত করিল। অতঃপর উহাকে সেনাবাহিনীর মধ্যে ছাড়িয়া দিল। ফলে সেনাবাহিনীর এমন কোনও তাঁবু অবশিষ্ট রহিল না যেখানে উহার রক্ত গিয়া পতিত হয় নাই। ইহা শুনিয়া তাহার সঙ্গীগণ বলিল, শয়তানই তোমার সহিত খেলা করিয়াছে। আবূ জাহলের নিকট এই স্বপ্ন বর্ণনা করা হইলে সে বলিল, তোমরা বানু হাশিমের মিথ্যাচারের সহিত বানু মুত্তালিবের মিথ্যাচার লইয়া আসিয়াছ। সেও মুত্তালিব বংশের আর একজন নবী। আগামী কালই জানিতে পারিবে, কে নিহত হয়। তখন আতিকা নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করিলেন:
الم تكن الرويا بحق وجاءكم - بتصديقها فل من القوم هارب فقلتم ولم اكذب كذبت وإنما - يكذبنا بالصدق من هو كاذب. "আমার স্বপ্ন কি সত্য ছিল না? কওমের এক লোক উহার সত্যতা প্রতিপন্ন করিয়া দ্রুত আগমন করিয়াছে। তোমরা বলিয়াছ যে, আমি মিথ্যা বলিয়াছি। অথচ আমি মিথ্যা বলি নাই; প্রকৃতপক্ষে যে নিজে মিথ্যাবাদী সে-ই সত্যকে মিথ্যা বলিয়া প্রতিপন্ন করে"।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর সাহাবীগণের যাত্রা

📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর সাহাবীগণের যাত্রা


রাসূলুল্লাহ (স) ও সাহাবীগণের যাত্রা: রাসূলে কারীম (স) স্বীয় সাহাবীগণকে লইয়া ২য় হিজরী অর্থাৎ হিজরতের ১৯ মাসের মাথায় রামাদান মাসে মদীনা হইতে এই যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বাহির হইলেন। ইবন সা'দ-এর বর্ণনামতে ১২ রামাদান শনিবার, আর ইন হিশাম-এর বর্ণনামতে ৮ রামাদান সোমবার তিনি যাত্রা শুরু করেন। এই সময় তাঁহার সঙ্গে ছিল ৩০৫ জন সাহাবী। তন্মধ্যে ৬৪ জন মুহাজির এবং ২৪১ জন আনসার। এতদ্ব্যতীত ৮ জন সাহাবীর এই সফরে রাসূলুল্লাহ (স)-এর সঙ্গী হওয়ার অদম্য ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সঙ্গত কারণে তাহারা মদীনায় থাকিয়া গিয়াছিলেন যাহাদিগকে এই যুদ্ধে শামিল বলিয়া গণ্য করা হয়। তন্মধ্যে ৩ জন মুহাজির এবং ৫ জন আনসার। রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহাদিগকে গনীমাতের অংশ প্রদান করেন।
মুহাজিরগণ হইলেন: (১) উছমান ইব্‌ন আফফান (রা), তাঁহার স্ত্রী ও রাসূলুল্লাহ (স)-এর কন্যা রুকায়্যা (রা) অসুস্থ থাকায় তাঁহার সেবা-শুশ্রূষা করার জন্য রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁহাকে মদীনায় রাখিয়া যান, এই রোগেই তিনি ইনতিকাল করেন; (২) তালহা ইবন 'উবায়দিল্লাহ ও (৩) সা'ঈদ ইবন যায়দ; এই দুইজনকে রাসূলুল্লাহ (স) আবু সুফ্যানের কাফেলার খবর সংগ্রহ করার জন্য গুপ্তচর হিসাবে প্রেরণ করেন। আনসারগণ হইলেনঃ (১) আবু লুবাবা ইন্ন 'আবদিল মুনযির। তিনি যথারীতি সাহাবীগণের সহিত বাহির হইয়াছিলেন কিন্তু আর-রাওহা নামক স্থানে পৌঁছিয়া রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহাকে মদীনার গভর্নর বানাইয়া প্রেরণ করেন; (২) 'আসিম ইব্‌ন 'আদী আল-আজলানী; রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁহাকে আপার মদীনার শাসকরূপে নিয়োগ দিয়া পাঠান; (৩) আল-হারিছ ইবন হাতিব আল-'উমরী; তাঁহাকেও রাসূলুল্লাহ (স) আর-রাওহা হইতে বানু 'আমর ইবন 'আওফ গোত্রের নিকট ফেরত পাঠান। কারণ তাহাদের সম্পর্কে বিশেষ কোনও সংবাদ রাসূলুল্লাহ (স) অবহিত হন; (৪) আল-হারিছ ইবনুস সিম্মা ও (৫) খাওওয়াত ইবন জুবায়র; উভয়কেই পায়ে অসুবিধার কারণে রাসূলুল্লাহ (স) আর-রাওহা হইতে ফেরত পাঠান।
মদীনার মসজিদে সালাতের ইমামতি করার জন্য রাসূলুল্লাহ (স) আবদুল্লাহ ইব্‌ন উম্মে মাকতুম (রা)-কে দায়িত্ব প্রদান করিয়া আসেন। মদীনা হইতে এক মাইল দূরে 'আবূ 'ইনাবা' নামক কূপের নিকট পৌছিয়া তিনি সৈন্যদিগকে বাছাই করিলেন। এই সময় তিনি যাহাদিগকে অল্পবয়স্ক মনে করিলেন তাহাদিগকে মদীনায় ফেরত পাঠাইলেন। যাহাদিগকে তিনি ফেরত পাঠাইয়াছিলেন তাঁহারা হইলেন: (১) আবদুল্লাহ ইবন উমার; (২) উসামা ইব্‌ন যায়দ; (৩) রাফে ইব্‌ন খাদীজ; (৪) আল-বারাআ ইবন 'আযিব; (৫) উসায়দ ইবন হুদায়র; (৬) যায়দ ইব্‌ন আরকাম ও (৭) যায়দ ইব্‌ন ছাবিত। এতদ্ব্যতীত 'উমায়র ইব্‌ন আবী ওয়াক্কাস (রা)-কেও তিনি ফেরত যাওয়ার নির্দেশ দিয়াছিলেন। কিন্তু এই নির্দেশ শুনিয়া তিনি কাঁদিতে লাগিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) তাঁহাকে অনুমতি দেন। বদর প্রান্তৱে এই যুদ্ধে তিনি শহীদ হন। তখন তাঁহার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বৎসর।
মদীনা হইতে চার মারহালা দূরে 'আস-সুরুয়া' নামক স্থানে পৌঁছিয়া সেখানকার কূপ হইতে পানি পান করার জন্য রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীদিগকে নির্দেশ দিলেন। তিনি নিজেও উহা হইতে পানি পান করিলেন। সেখানকার গৃহের নিকট সালাত আদায় করিলেন এবং সেই দিন মদীনার জন্য এই দু'আ করিলেন:
اللهم أن إبراهيم عبدك وخليلك ونبيك دعاك لاهل مكة واني محمد عبدك ونبيك ادعوك لاهل المدينة أن تبارك لهم في صاعهم ومدهم وثمارهم اللهم حبب الينا المدينة واجعل ما بها من الوباء بخم اللهم اني حرمت ما بين لابتـيـهـا كـمـا حـرم ابراهيم خليلك مكة.
"হে আল্লাহ! ইবরাহীম (আ) তোমার বান্দা, তোমরা বন্ধু, তোমার নবী। তিনি মক্কাবাসীদের জন্য দু'আ করিয়াছেন। আর আমি মুহাম্মাদ তোমার দাস ও তোমার নবী। আমি মদীনাবাসীর জন্য তোমার নিকট এই দু'আ করিতেছি যে, তুমি তাহাদের সা' ও মুদ্দ ওজন পরিমাণে ও ফল-ফলাদিতে বরকত দাও। উহাতে যত মহামারী আছে সব খুম (জুহফা হইতে তিন মাইল দূরে একটি স্থান)- এ আনিয়া দাও। হে আল্লাহ! আমি উহার দুই প্রস্তরময় ভূমির মধ্যবর্তী অংশকে হারাম করিলাম, যেমনিভাবে তোমার খলীল ইবরাহীম (আ) মক্কাকে হারাম করিয়াছিলেন”।
'আস-সুয়া' হইতে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি রওয়ানা হন এবং দু'আ করেন:
أللهم انهم حفاة فاحملهم وعراة فاكسهم وجياع فاشبعهم وعالة فاغنهم من فضلك.
"হে আল্লাহ! ইহারা নগ্নপদবিশিষ্ট (পদাতিক), ইহাদেরকে বাহন দাও। ইহারা উলংগ বদন, খালী শরীর বিশিষ্ট; ইহাদিগকে কাপড় পরিধান করাও। ইহারা ক্ষুধার্ত; ইহাদিগকে পর্যাপ্ত পরিমাণে আহার দান কর এবং ইহারা দরিদ্র; ইহাদিগকে তোমার অনুগ্রহে স্বনির্ভর কর।”

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00