📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 কূটনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে শত্রু কবলিত এলাকা হইতে সম্পদ উদ্ধার

📄 কূটনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে শত্রু কবলিত এলাকা হইতে সম্পদ উদ্ধার


পূর্বেই উক্ত হইয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ (স) যুদ্ধকে কূটনৈতিক কৌশল বলিয়া অভিহিত করিয়াছেন। খায়বার যুদ্ধ জয়ের অব্যাহিত পরে এবং মক্কায় সেই সংবাদ পৌঁছিবার পূর্বেই হাজ্জাজ ইব্‌ন ঈলাত নামক একজন সদ্য ইসলাম গ্রহণকারী সাহাবী রাসূলুল্লাহ (স)-এর খিদমতে আরয করিলেন যে, মক্কায় কুরায়শদের কাছে তাহার প্রচুর সম্পদ রহিয়া গিয়াছে। তিনি ইসলাম গ্রহণ করিয়াছেন জানিতে পারিলে অন্যরা তো বটেই, তাহার নিজ স্ত্রীও সম্পদ ফেরত দিবে না। এমতাবস্থায় পূর্বাহ্নেই মক্কায় গিয়া কূটনৈতিক চাল না চালিলে তাহার সম্পদ উদ্ধারের কোনই পথ নাই। তিনি বলিলেন, আমাকে অনুমতি দেওয়া হউক, প্রয়োজনে কিছু উল্টাপাল্টা কথাও যেন আমি বলিতে পারি। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে সেই অনুমতি দিলে তিনি সত্বর মক্কা অভিমুখে রওয়ানা হইলেন।
হাজ্জাজ বলেন, তারপর আমি বাহির হইয়া পড়িলাম। ছানিয়াতুল বিদায় পৌঁছিতেই কুরায়শের কয়েক ব্যক্তির সহিত আমার সাক্ষাত হইল। তাহারা আমার ইসলাম গ্রহণের সংবাদ জানিত না। তাহারা রাসূলুল্লাহ্ (স)-এর ব্যাপারে লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতেছিল। আমাকে দেখিয়াই তাহারা বলিয়া উঠিল, এই যে হাজ্জাজ ইব্‌ন ঈলাত! নিশ্চয় তাহার কাছে সংবাদ পাওয়া যাইবে। তাহারা বলিল, হে আবূ মুহাম্মাদ! আমরা তো সংবাদ পাইয়াছি যে, ঐ ডাকাতটা খায়বার যাত্রা করিয়াছে, আর খায়বার হইতেছে ইয়াহুদী জনপদ ও হিজাযের সমৃদ্ধতম এলাকা। আমাদিগকে তাহার সংবাদ জানাও। হাজ্জাজ বলেন, আমিও এইরূপ শুনিয়াছি। আমার কাছে এমন আরও সংবাদ আছে যে, তোমরা তাহা শুনিলে আনন্দিত হইবে। তারপর সেই শুভ সংবাদটি কী জানিবার জন্য কুরায়শরা আমার উটের চারিপাশে ভিড় জমাইল। হাজ্জাজ বলেন, আমি বলিলাম, সে এমন শোচনীয় পরাজয়ই বরণ করিয়াছে যেরূপ পরাজয়ের কথা তোমরা কোন দিন শুন নাই। তাহার সঙ্গী-সাথীরা শোচনীয়ভাবে নিহত হইয়াছে। মুহাম্মাদ তাহাদের হাতে বন্দী। মক্কাবাসীরা যাহাতে প্রকাশ্যে তাহাকে হত্যা করিয়া তাহাদের আত্মীয়-স্বজনকে হত্যার প্রতিশোধ তিল তিল করিয়া গ্রহণ করিতে পারে এইজন্য তাহারা নিজেরা তাহাকে হত্যা না করিয়া শীঘ্রই মক্কাবাসীদের হাতে হস্তান্তর করিবে। মক্কার কাফিররা এই সংবাদে উল্লাসে ফাটিয়া পড়িল। তাহারা বলাবলি করিতে লাগিল, শীঘ্রই তাহারা বন্দী মুহাম্মাদকে নিজেদের হাতের মুষ্টিতে পাইতে যাইতেছে।
আমি বলিলাম, মক্কায় ছড়াইয়া-ছিটাইয়া থাকা আমার অর্থসম্পদ উদ্ধারে তোমরা আমাকে একটু সাহায্য কর এবং আমার খাতকদিগকে চাপ দিয়া আমার পাওনাগুলি উশুল করিয়া দাও! আমি খায়বারে সর্বাগ্রে পৌঁছিয়া অন্যান্য ব্যবসায়ীদের পূর্বেই পরাজিত মুহাম্মাদ ও তাহার দলবলের মালপত্র কিনিয়া লইতে আগ্রহী। আমার কথায় তাহারা এতই উৎসাহিত হইল যে, অভাবনীয় স্বল্প সময়ের মধ্যে তাহারা আমার পাওনাগুলি আদায় করিয়া দিল। তারপর আমি আমার সঙ্গিনীটির কাছে গিয়াও অনুরূপ বলিয়া তাহার কাছে রক্ষিত আমার অর্থ-সম্পদ তাড়াতাড়ি দিয়া দেওয়ার জন্য বলিলাম।
আমি তখন ব্যবসায়ীদের একটি তাঁবুতে অবস্থান করিতেছিলাম। আমার মুখ হইতে প্রচারিত সংবাদ মক্কার আনাচে-কানাচে স্বল্প সময়ের মধ্যে পৌছিয়া গেল। নবী করীম (স)-এর চাচা আব্বাসের কানেও খবরটি পৌঁছিল। তিনি অস্থির হইয়া উঠিলেন এবং সাথে সাথে তাঁহার গোলামকে হাজ্জাজের নিকট পাঠাইয়া সঠিক সংবাদ আসলে কী তাহা জানিবার প্রয়াস পাইলেন। হাজ্জাজ বলিলেন, আবুল ফাদলকে আমার সালাম জানাইয়া বলিবে যে, আমি আসিলে যেন একান্তে মিলিত হওয়ার ব্যবস্থা রাখেন। আমি যেই সংবাদ দিব তাহাতে তিনি খুশীই হইবেন। গোলাম ফিরিয়া গিয়া এই সংবাদ দিতেই আনন্দ-উৎফুল্ল আব্বাস তাঁহার বার্ধক্য ও রোগের কথা ভুলিয়া গিয়া চাঙ্গা হইয়া উঠিলেন। তারপর একান্তে মিলিত হইয়া হাজ্জাজ তাঁহাকে প্রকৃত সংবাদটি জানাইতে গিয়া বলিলেন, খায়বারপতির কন্যার সাথে আমি আপনার ভাতিজাকে বাসররত রাখিয়া আসিয়াছি। কৌশলে নিজের সম্পদ উদ্ধারের জন্য স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (স)-এর অনুমতিক্রমে আমি এখানে এইরূপ প্রচার করিয়াছি। আমি চলিয়া যাওয়ার আগে কিন্তু এই কথা প্রচার করা যাইবে না। আপনি তিন দিনের আগে কোনক্রমেই ইহা কাহাকেও বলিবেন না।
তিন দিন পর বৃদ্ধ আব্বাস সুগন্ধি আতর মাখিয়া নক্শী শাল গায়ে দিয়া লাঠিতে ভর করিয়া রাজকীয় চালে ঐ মহিলা ও কুরায়শদের সম্মুখে কা'বা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হইয়া কা'বাঘর তাওয়াফ করিলেন। আপন ভাতিজার এই দুর্দিনে আব্বাসের নিরুদ্বেগ আচরণ দর্শনে কুরায়শগণ বিস্মিত হইয়া এই ব্যাপারে তাঁহার দৃষ্টি আকর্ষণ করিল। তিনি বলিলেন, তোমরা যাহা শুনিয়াছ তাহা যথার্থ নহে। প্রকৃত সংবাদ হইল, খায়বার বিজিত। বিজয়ী মুহাম্মাদ (স) এবং তাঁহার সঙ্গী-সাথীগণের করতলগত সেখানকার তাবৎ সম্পদ। খায়বারের রাজকন্যার সহিত বাসররত অবস্থায় মুহাম্মাদকে রাখিয়া আসা হইয়াছে। হাজ্জাজ ইসলাম গ্রহণ করিয়া তাহার অর্থ-সম্পদ উদ্ধারের উদ্দেশ্যে আসিয়াছিল এবং আবার তাহাদের সহিত মিলিত হইবার উদ্দেশ্যে খায়বারের পথে পাড়ি জমাইয়াছে। এই সংবাদ শুনিয়া কাফিরগণ বিমর্ষ হইয়া পড়িল এবং মক্কায় অবস্থানরত মুসলমানগণের আনন্দের সীমা রহিল না। [ইব্‌ন হিশাম, সীরাতুন নবী, ৩খ., পৃ. ৩৬৭-৩৬৯; আসাহ্হুস্ সিয়ার, পৃ. ২০২-২০৪]

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ইয়াহুদী নেতার কন্যার উম্মুল মুমিনীনের মর্যাদা লাভ

📄 ইয়াহুদী নেতার কন্যার উম্মুল মুমিনীনের মর্যাদা লাভ


খায়বার বিজিত হইল। খায়বারের ইয়াহুদী নেতা হুয়াই ইব্‌ন আখতাব, যে মক্কার কুরায়শ কুলকে, আরবের বিভিন্ন পৌত্তলিক গোত্র ও ইয়াহুদী গোত্রসমূহকে ইসলামের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করার এবং ইসলামকে চিরতরে ধরাপৃষ্ঠ হইতে মিটাইয়া দেওয়ার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছিল, সে নিহত হইয়াছে। তাহারই কন্যা সাফিয়্যা মুসলমানদের হাতে বন্দী হইলেন।
পিতা, ভ্রাতা, আত্মীয়-স্বজনের নিহত হওয়ার ফলে হিংসা ও ঘৃণায় সাফিয়্যার মন রাসূলুল্লাহ (স)-এর প্রতি অতিশয় বিরুপ হইয়া উঠিয়াছিল। তাই মনের গতি পরিবর্তনের জন্য রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে আনাসের মাতার তত্ত্বাবধানে রাখিয়াছিলেন। বিশেষ আদর-যত্নে থাকায় তাহার মনের পরিবর্তন ঘটিলে তিনি এক শুভ মুহূর্তে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় গ্রহণ করিলেন। রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে মুক্ত করিয়া তাহার সহিত পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হইলেন। প্রত্যাবর্তন পথে আস-সাহ্হ্বা নামক স্থানে শাদী মুbarak সুসম্পন্ন হইল। তিনি সেখানে তিন দিন অবস্থান করেন। দাসত্বমুক্তিই ছিল তাঁহার মোহরানা। এইরূপ মোহরানা আদায় করা রাসূলুল্লাহ (স)-এর জন্য জায়েয ছিল। হযরত সাফিয়্যা স্বয়ং বর্ণনা করিয়াছেন, বন্দিনী অবস্থায় আমাকে রাসূলুল্লাহ (স)-এর নিকট উপস্থিত করা হইল। পিতা, ভ্রাতা ও কওমকে কতল করার দরুন তিনি আমার নিকট ঘৃণ্যতম মনে হইতেছিলেন। কিন্তু তাঁহার অমায়িক ব্যবহারে আমি বিমোহিত হইয়া পড়িলাম। আমার অন্তর হইতে হিংসা চিরতরে মুছিয়া গেল। এক্ষণে তিনি আমার নিকট সারা জাহানের মধ্যে সর্বাধিক প্রিয়। [সাইয়েদুল মুরসালীন, ২খ., পৃ. ৮২৭]
আল্লামা শিবলী নু'মানী এই প্রসঙ্গে লিখেন, "বলা বাহুল্য, হযরত সাফিয়্যা (রা)-কে খান্দানের ধ্বংসের পর খান্দানের বাহিরে কাহারও স্ত্রী বা বাঁদী হইয়া থাকিতে হইত। তিনি ছিলেন খায়বারের রঈস-দুহিতা, তাহার স্বামীও বনূ নযীর গোত্রের রঈস ছিল। পিতা ও স্বামী দুইজনই নিহত। এমতাবস্থায় তাহার মন রক্ষা, মর্যাদা রক্ষা এবং বিষাদ দূরীকরণের ইহা ছাড়া আর কোন উত্তম উপায় ছিল না যে, স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (স) তাহাকে সহধর্মিনী ও জীবন-সঙ্গিনীরূপে বরণ করিলেন। তিনি তাহাকে বাঁদীরূপেও রাখিতে পারিতেন, কিন্তু রাসূলুল্লাহ (স) তাহার বংশকৌলিন্যের দিকে লক্ষ্য করিয়া তাহাকে আযাদ করিয়া দেন, তারপর যথারীতি বিবাহ করিলেন। মুসনাদে আহমাদ ইব্‌ন হাম্বল-এর বর্ণনা অনুযায়ী তিনি তাহাকে স্বাধীন হইয়া নিজের পরিবারে চলিয়া যাওয়ার অথবা তাহাকে পতিরূপে বরণের মধ্যে কোন একটি প্রস্তাব বাছিয়া লওয়ার এখতিয়ার দান করেন। সদাচরণ, করুণা, বিপন্নের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন ছাড়াও রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দিক হইতেও তাঁহার এইরূপ আচরণ অত্যন্ত সঙ্গত ও যথার্থ ছিল। এই জাতীয় কর্মপদ্ধতির ফলে আরবগণ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট ও মোহিত হইত। তাহারা বিস্ময়ে প্রত্যক্ষ করিত যে, ইসলাম তাহার শত্রুদের উত্তরাধিকারীদের প্রতি কিরূপ সদয় ও সহানুভূতিশীল! বনূ মুসতালিকের যুদ্ধে হযরত জুওয়ায়রিয়া (রা)-এর সহিতও অনুরূপ আচরণ করা হইয়াছিল। [শিবলী, সীরাতুন্নবী, ১খ., পৃ. ৪৯২, ৫ম সংস্করণ, আলীগড়]

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 যুদ্ধক্ষেত্রে মুসলমানদের সহনশীলতা ও পরধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন

📄 যুদ্ধক্ষেত্রে মুসলমানদের সহনশীলতা ও পরধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন


ইয়াহুদীদের ইসলাম বৈরিতা ছিল সর্বজনবিদিত। আল-কুরআনে বলা হইয়াছে:
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِينَ آمَنُوا الْيَهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا .
"অবশ্য মু'মিনদের প্রতি শত্রুতায় মানুষের মধ্যে ইয়াহুদী ও মুশরিকদিগকে তুমি সর্বাধিক উগ্র দেখিবে"। [৫:৮২]
আল্লাহর কিতাব আল-কুরআন যেহেতু মুসলমানদের পথপ্রদর্শক, অমুসলিমদের অনেকেই এই কিতাবখানির প্রতি বিদ্বেষভাবাপন্ন। বুখারী শরীফে বর্ণিত হইয়াছে:
عن عبد الله بن عمر أن رسول الله ﷺ نهى ان تسافر بالقرآن الى ارض العدو.
"আবদুল্লাহ ইবন উমার (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (স) বিধর্মী শত্রুদের ভূমিতে কুরআনসহ গমন করিতে বারণ করিয়াছেন"। [সহীহ বুখারী, হাদীছ নং ২৭৬৯, কিতাবুল জিহাদ]
শত্রুদের হাতে আল-কুরআনের অবমাননার আশঙ্কা থাকার কারণেই যে এই নিষেধাজ্ঞা তাহা বলাই বাহুল্য। কিন্তু ইসলামে অন্য ধর্মের বা তাহাদের ধর্মগ্রন্থের অবমাননা করার অনুমতি নাই। তাই খায়বার যুদ্ধে তাওরাতের কয়েকটি কপি মুসলমানদের হস্তগত হইলে ইয়াহুদীরা সেইগুলি তাহাদের নিকট ফিরাইয়া দেওয়ার আবেদন জানাইলে রাসূলুল্লাহ (স) সসম্মানে সেইগুলি ফেরত দানের নির্দেশ দিলেন। [তারীখুল খামীস, ২খ., পৃ. ৬০]
তারীখুল ইয়াহুদ ফী বিলাদিল 'আরাব গ্রন্থের (পৃ. ১৭০) বরাতে আল্লামা আবুল হাসান আলী নদবী ইয়াহুদী পণ্ডিত ডঃ ইসরাঈল ওয়েলফিন্সন-এর মন্তব্য উদ্ধৃত করিয়াছেন এইভাবে:
"এই ঘটনা থেকে আমরা পরিমাপ করতে পারি যে, এইসব ধর্মীয় সহীফার প্রতি রাসূলুল্লাহ (স)-এর অন্তরে কোন পর্যায়ের শ্রদ্ধাবোধ ছিল। তাঁর এই উদারতা ও সহনশীলতার বিরাট প্রভাব পড়ে ইয়াহুদীদের ওপর। তারা তাঁর এই বদান্যতা ভুলতে পারে না যে, তিনি তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থের সঙ্গে এমন কোন আচরণ করেননি যা দ্বারা তার অসম্মান হয়। এর বিপরীতে তাদের সেই ঘটনা বেশ ভালই মনে আছে যখন রোমানরা খৃ. পূর্ব ৭০ সনে জেরুসালেম জয় করে ঐসব পবিত্র সহীফায় অগ্নিসংযোগ করে এবং সেসব পদদলিত করে। ঠিক তেমনি ঈর্ষাকাতর ও উগ্র সাম্প্রদায়িক খৃস্টানরা স্পেনে ইয়াহুদীদের উপর জুলুম-নির্যাতন চালানোকালীন তাওরাতের সহীফাগুলোকে অগ্নিদগ্ধ করে। এই সেই বিরাট পার্থক্য যা ঐসব বিজয়ী (যাদের কথা একটু ওপরে বলা হল) এবং ইসলামের নবীর মধ্যে দেখতে পাই”। [নবীয়ে রহমত, বাংলা অনু., পৃ. ৩২৭]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00