📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ভ্রাতৃবন্ধন : প্রতিরক্ষার মযবুত বুনিয়াদ

📄 ভ্রাতৃবন্ধন : প্রতিরক্ষার মযবুত বুনিয়াদ


রাসূলুল্লাহ (স) মদীনাতে আগমন করিয়া সেখানকার মুসলমানদিগকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করিয়াছিলেন। এই বন্ধন ছিল আদর্শ ও ঈমানের ভিত্তিতে। ইহাতে সকল ভেদাভেদ, বংশীয় শ্রেষ্ঠত্ব, অর্থ ও প্রভাবের পার্থক্য বিলুপ্ত হইয়া যায়। ইহাতে ধনী-নির্ধন, আরব-অনারব, সাদা-কালো এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক পার্থক্য সম্পূর্ণ দূর হইয়া যায়। রাসূলুল্লাহ (স) এই ভ্রাতৃত্বের যেই বন্ধন স্থাপন করিয়াছিলেন, তাহার দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বিরল। ইহা কেবল মৌখিক অঙ্গীকার ছিল না, বরং সাহাবীগণের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা, আত্মত্যাগ ও উদারতার এক বিস্ময়কর ইতিহাস। আনসারগণ তাহাদের যাবতীয় সম্পদ, ঘর-বাড়ি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বাগ-বাগিচা মুহাজিরদিগকে দ্বিধাহীন চিত্তে অর্ধেক করিয়া দান করিয়াছিলেন (আল-বুখারী, কিতাবুল মানাকিব, বাবু ইখাইস সাহাবিয়্যি, হাদীছ নং ৩৫৪৩; মুসলিম, কিতাবুল ঈমান, বাবুল উখুওয়াত)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মদীনা সনদ ও অন্যান্য সন্ধিচুক্তি

📄 মদীনা সনদ ও অন্যান্য সন্ধিচুক্তি


যেই রাষ্ট্র বা জাতি ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক দিক দিয়া সুসংহত নয়, ইহার আত্মরক্ষা করা কঠিন হইয়া পড়ে। সেই সময় মদীনার জনসংখ্যা ছিল তিন সম্প্রদায়ের, যথাঃ মুসলিম, ইয়াহুদী ও মুশরিক। ইসলাম গ্রহণ করিবার পর মুসলিমগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাইলেও ইয়াহুদী ও মুশরিক সম্প্রদায় ছিল শক্তিশালী। মদীনা নগরীর চারিপাশে ছিল ইয়াহুদী জনবসতি। তাহারা মদীনার রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করিতে সদা সচেষ্ট ছিল। মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাহারা ইব্‌ন উবাইয়ের নেতৃত্বে নিজেদের গোত্রীয় প্রভাব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন নতুন ষড়যন্ত্রের জাল বুনাইতেছিল। মক্কার কুরায়শগণও মদীনার মুসলিম ও ইয়াহুদীদের দুর্বল সম্পর্ককে সুযোগ হিসাবে গ্রহণ করিয়াছিল। ইয়াহুদীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও গোত্রীয় রেষারেষি তাহাদিগকে দুর্বল করিয়া ফেলিয়াছিল। তাহারা নিজেদের মধ্যে বারংবার যুদ্ধে লিপ্ত হইত। ইয়াহুদী গোত্র বানু কায়নুকা, বানু নাযীর ও বানু কুরায়যা ইয়াসরিবে (মদীনা) বসবাস করিত। বানু কায়নুকা ও বানু নাযীর বনূ খাযরাজ গোত্রের মিত্র ছিল। বানু কুরায়যা বানূ আওস গোত্রের মিত্র ছিল। এই মিত্রতা ও রেষারেষির ফলে তাহারা একে অন্যের সহিত যুদ্ধে লিপ্ত হইত। এই কারণে ইয়াসরিবে একটি কেন্দ্রীয় শাসন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হইতেছিল (আবু যাহরা, খাতিমুন নাবিয়্যীন, পৃ. ২৪৫)।
এই প্রেক্ষাপটে রাসূলুল্লাহ (স) একটি সর্বাত্মক সনদ প্রণয়ন করেন। এই সনদে মদীনার সকল সম্প্রদায়ের লোক স্বতস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। ইয়াহুদী গোত্রগুলিও এই সনদে শামিল ছিল। ইব্‌ন ইসহাক তাঁহার সীরাত গ্রন্থে সনদটির বিবরণ সবিস্তারে উল্লেখ করিয়াছেন। এই সনদে মোট ৫৩টি অনুচ্ছেদ ছিল। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক, অভ্যন্তরীণ শান্তি ও সংহতি প্রতিষ্ঠা করাই ছিল এই সনদের মৌলিক উদ্দেশ্য (সীরাত ইবন হিশাম, ২খ, পৃ. ৫০১-৫০৬)। ইয়াহুদীগণ তাহাদের ধর্ম পালনের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে। যুদ্ধ ও শান্তি সংক্রান্ত বিষয়ে তাহারা মুসলমানদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকিবে এবং মক্কার কুরায়শদের বিরুদ্ধে মুসলমানদেরকে সর্বাত্মকভাবে সাহায্য করিবে, এই মর্মে তাহারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় (আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৩খ, পৃ. ২৭৭-২৭৮)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মদীনা চুক্তির প্রতিরক্ষা তাৎপর্য

📄 মদীনা চুক্তির প্রতিরক্ষা তাৎপর্য


মদীনা চুক্তিতে এমন সব বিষয় অন্তর্ভূক্ত ছিল যাহার ভিত্তিতে একটি সুসংহত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হইতে পারিত। এই চুক্তি মদীনার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করিয়াছিল। সনদে মুসলিম ও অমুসলিমদের দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলিকে পৃথকভাবে চিহ্নিত করা হইয়াছিল। ইয়াহুদীগণ তাহাদের ধর্ম পালন করিতে পারিবে, তবে তাহারা স্বীয় ধর্মের মূলনীতিগুলি পরিবর্তন করিতে পারিবে না। যুদ্ধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় তাহারা মুসলমানদের সহযোগী হইবে। সনদে এই কথাও উল্লেখ ছিল যে, কুরায়শদের সাথে চুক্তিভুক্ত কোন লোকের সহিত তাহারা কোন প্রকার সম্পর্ক স্থাপন করিতে পারিবে না। ইহা ছিল মদীনার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি (আবুল আলা মওদূদী, সীরাতে সারওয়ারে আলম, ৪খ, পৃ. ৭১-৭৬)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 হুদায়বিয়ার সন্ধি

📄 হুদায়বিয়ার সন্ধি


সন্ধি চুক্তির মাধ্যমে প্রতিরক্ষাকে মজবুত করার এবং বৃহত্তর বিজয়ের পথ সুগম করার সর্বোত্তম নমুনা হইতেছে ৬ষ্ঠ হিজরীতে সম্পাদিত হুদায়বিয়ার সন্ধি। ১৪০০ জন নিবেদিতপ্রাণ সাহাবীকে সঙ্গে করিয়া সেইদিন রাসূলুল্লাহ (স) উমরার উদ্দেশ্যে বাহির হইয়াছিলেন (যিলকদ ৬ হি.)। যুলহুলায়ফা নামক স্থানে পৌঁছিয়া তাঁহারা কুরবানীর পশুসমূহের গলায় কুরবানীর পশুর প্রতীক চিহ্ন লৌহ পাদুকা ঝুলাইয়া দেন, কিন্তু উসফান নামক স্থানে পৌঁছিতেই উমরা করার বিষয়ে কুরায়শদের পরম অনীহার কথা জানিতে পারেন। এই সন্ধির বিস্তারিত বিবরণ প্রদান যেহেতু আমাদের উদ্দেশ্য নহে, কেবল উহার প্রতিরক্ষার গুরুত্বই আমাদের প্রতিপাদ্য, তাই সংক্ষেপে এতটুকু বলা যায় যে, আপাত দৃষ্টিতে উহা মুসলমানদের জন্য নতি স্বীকারমূলক চুক্তি বলিয়া ম'নে হইলেও প্রকৃতপক্ষে এই চুক্তিদ্বারাই সর্বপ্রথম ইসলাম একটি অপরাজেয় শক্তি হিসাবে আরবদের কাছে অনানুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত হয় এবং এই চুক্তি দ্বারাই নিরাপদে ইসলামের বাণী বিশ্বদরবারে পৌঁছাইয়া দেওয়ার মত অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হইয়াছিল। অন্তত পরবর্তী দশ বৎসর কুরায়শদের পক্ষ হইতে আক্রমণের কোন সুযোগ ছিল না, তাই এই সুযোগে রাসূলুল্লাহ (স) তদানীন্তন বৃহত্তম শক্তিদ্বয় রোমক সম্রাট ও পারস্য সম্রাটসহ সভ্যজগত এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার দেশসমূহের রাজন্যবর্গের দরবারে দূত ও পত্র প্রেরণ করিয়া ইসলামের দাওয়াতকে ছাড়াইয়া দিয়াছিলেন। এই চুক্তিই পরবর্তী কালে মাত্র দুই বৎসরের ব্যবধানে বিনা বাধায় মক্কা বিজয়ের পথ সুগম করিয়া দিয়াছিল। আর মক্কা বিজয় হওয়া মাত্র আরবের বিভিন্ন গোত্রের প্রতিনিধিগণ দলে দলে মদীনায় হাযির হইয়া ইসলাম গ্রহণ করিয়াছিল। হুদায়বিয়ার চুক্তি সম্পাদনের তিনদিন পর মদীনার পথে রওয়ানা হইলে রাসূলুল্লাহ (স)-এর প্রতি আল-কুরআনের এই আয়াত নাযিল হইল: إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُّبِينًا. “আমি তোমাকে স্পষ্ট বিজয় দান করিয়াছি” (৪৮:১)।

আল্লামা ইন কাছীরের ভাষায়: "এই সন্ধিকে উহার অন্তর্নিহিত মঙ্গলসমূহ ও পরিণতির দিক হইতে আল্লাহ তা'আলা মুসলমানদের জন্য সুস্পষ্ট বিজয় বলিয়া আখ্যায়িত করিয়াছেন। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) বলেন, বিজয় বলিতে তোমরা মক্কা বিজয়কে গণ্য করিয়া থাক. আর আমরা বিজয় বলিতে গণ্য করি হুদায়বিয়ার সন্ধিকে। ইমাম বুখারী হযরত বারাক ইবন 'আযিব (রা)-এর বিবরণে উল্লেখ করেন, তোমরা বিজয় বলিতে মক্কা বিজয়কে গণ্য করিয়া থাক। মক্কা বিজয় একটি বিজয় ছিল তাহাতে সন্দেহ নাই, কিন্তু আমরা বিজয় বলিতে গণ্য করি হুদায়বিয়ার সন্ধির সমমর্যাদার বায়'আতে রিদওয়ানকে” (মুখতাসার তাফসীর ইবন কাছীর, খ. ৩, পৃ. ৩০১)।

এই সময় কুরায়শদের পক্ষ হইতে আক্রমণের আর কোন আশঙ্কা না থাকার রাসূলুল্লাহ (স) নির্বিঘ্নে খায়বার অভিযান করিয়া সেই বিরাট বিজয় ও বিপুল গণীমতের সামগ্রীর অধিকারী হইতে পারিয়াছিলেন যাহা মদীনার মুসলমানদিগের মধ্যে সচ্ছলতা আনিয়া দিয়াছিল। আর অর্থনৈতিক সচ্ছলতা যে প্রতিরক্ষার অন্যতম প্রধান উপাদান উহাও অর্জিত হইয়াছিল।

হুদায়বিয়ার সন্ধি যে সুস্পষ্ট বিজয় ছিল উহার সমর্থনে সাঈদ কুতুব শহীদ লিখেন, “বিজয়ের বিভিন্ন কেন্দ্রের মধ্যে হইতে একটি হইল দাওয়াত তথা ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে বিজয়। ইমাম যুহরী বলেন, ইসলামের আগমনের পর হুদায়বিয়ার সন্ধি চুক্তির পূর্বে ইহার ন্যায় এত বিরাট বিজয় সংঘটিত হয় নাই। যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে বহু লোকের সমাগম হইয়াছিল। অতঃপর যুদ্ধ বন্ধ হইয়া গেল। এক পক্ষের লোকজনের কাছে অপর পক্ষের লোকজনের প্রাণের নিরাপত্তা ছিল। পরিশেষে বাদানুবাদের উভয় পক্ষ মীমাংসায় উপনীত হইয়া সন্ধি চুক্তি স্বাক্ষর করিল। এ সন্ধির পর মক্কা বিজয়ের পূর্ব পর্যন্ত অসংখ্য মুসলিম নর-নারী ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করিয়াছিল যাহাদের সংখ্যা ইতিপূর্বে দীক্ষিত মুসলমানদের সমান বা উহার চাইতে বেশী” (ফী যিলালিল কুরআন, বাংলা অনু., ২৮ খ., পৃ. ১৫৬-১৫৭)।

যুহরীর বক্তব্যই আরও বিশদভাবে উদ্ধৃত করিয়া ইবন হিশাম নিম্নলিখিতভাবে উল্লেখ করেন, “পূর্বে যেখানেই লোকজন সমবেত হইত বা পারস্পরিক সাক্ষাৎ হইত সেখানেই যুদ্ধের সূচনা হইত। এই সন্ধি স্থাপিত হইলে সেই যুদ্ধের অবসান হইল এবং লোকজন একে অপরের হইতে নিরাপত্তাবোধ করিতে লাগিল। তখন পারস্পরিক সাক্ষাতে তাহারা আলাপ-আলোচনা, ভাব বিনিময়, বিতর্ক ও বাদানুবাদের সুযোগ পাইল। যখন কেহ ইসলাম সম্পর্কে কোন কথা বলিত এবং উহা কাহারো বোধগম্য হইয়া যাইত তখনই সে ইসলাম গ্রহণ করিত। ফলে দুই বৎসরে এত অধিক সংখ্যক লোক ইসলাম গ্রহণ করিল যাহা ইতিপূর্বে সামগ্রিকভাবে ইসলাম গ্রহণকারীদের সমান, বরং সেই সংখ্যাকেও অতিক্রম করিয়াছিল।”

ইবন হিশাম বলেন, যুহরীর এই বক্তব্যের যথার্থতার প্রমাণ হইল রাসূলুল্লাহ (স) যখন হুদায়বিয়ার দিকে যাত্রা করেন তখন জাবীর ইবন আবদুল্লাহর ভাষ্য অনুসারে তাঁহার সঙ্গীসাথীর সংখ্যা ছিল চৌদ্দশ। পক্ষান্তরে দুই বৎসর পর মক্কা বিজয়ের সময় যখন তিনি পুনরায় যাত্রা করেন তখন তাঁহার সঙ্গী-সাথীদের সংখ্যা ছিল দশ হাজার (ইফা প্রকাশিত বাংলা ভাষ্য সীরাতুনবী, ৩ খ., পৃ. ৩৩৮-৩৩৯)।

“প্রকৃত তথ্য হইতেছে, সাহাবীগণের জিহাদের বায়'আত এবং মামুলী বাঙ্গানুবাদের পর বিদ্বেষপরায়ণ কাফিররা ভীত-সন্ত্রস্ত হইয়া সন্ধির দিকে ঝুঁকিয়া পড়া এবং নবী করীম (স)-এর যুদ্ধ ও প্রতিশোধ গ্রহণের পূর্ণশক্তি থাকা সত্ত্বেও প্রতিটি ব্যাপারে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ এবং কেবল বায়তুল্লাহর সম্মানার্থে তাহাদের আবদারসমূহ অর্থহীন হওয়া সত্ত্বেও বিন্দুমাত্র উত্তেজিত না হওয়া প্রভৃতি একদিকে আল্লাহর রহমত আকর্ষণের মাধ্যম হইয়াছিল, অপরদিকে শত্রুদের অন্তরে ইসলামের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি এবং নবী করীম (স)-এর পয়গাম্বরী প্রভাব বিস্তার করিয়া চলিয়াছিল। সত্য কথা এই যে, কেবল মক্কা বিজয় বা খায়বর বিজয়েরই নহে, বরং অনাগত কালের তাবৎ ইসলামী বিজয়সমূহের ভিত্তি এবং সোনালী পূর্বাভাস ছিল এই হুদায়বিয়ায় সন্ধি” (তাফসীরে উছমানী, সূরা ফাতহ-এর তফসীর প্রসঙ্গে, পৃ. ৮৭৪-৭৫)।

অনুরূপ নাজরান চুক্তি এবং বিভিন্ন আরব গোত্রের সহিত সম্পাদিত চুক্তিগুলিও রাসূলুল্লাহ (স)-এর প্রতিরক্ষা কৌশলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসাবে গণ্য। ঐ সমস্ত চুক্তির বরখেলাফ করায়ই মক্কা বিজয়, খায়বার বিজয় ও বনূ নাযীর, বনু কায়নুকা প্রভৃতি ইয়াহুদী গোষ্ঠীসমূহের দেশান্তরিতকরণের হেতু হইয়াছিল (আল-ওয়াকিদী, কিতাবুল মাগাযী; আল-বালাযুরী, আনসাব আল-আশরাফ; আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00