📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ১৩. জন্ম তিথির সামঞ্জস্য

📄 ১৩. জন্ম তিথির সামঞ্জস্য


কল্কি পুরাণের ২য় অধ্যায়ে ১৫শ শ্লোকে বলা হইয়াছে যে, কল্কি অবতার মাধব মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বাদশ তারিখে জন্মগ্রহণ করিবেন। বস্তুত ইহা ঐতিহাসিক সত্য যে, মুহাম্মাদ (স) রবীউল আওয়াল মাসের শুক্ল পক্ষের দ্বাদশ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ১৪. শরীর হইতে সুগন্ধ নির্গত হওয়া

📄 ১৪. শরীর হইতে সুগন্ধ নির্গত হওয়া


ভাগবত পুরাণ, দ্বাদশ স্কন্ধ, দ্বিতীয় অধ্যায়ে একুশ নম্বর শ্লোকে বলা হইয়াছে যে, কল্কি অবতারের শরীর হইতে সুগন্ধ বাহির হইবে, এমনকি বায়ু সুগন্ধময় হইয়া যাইবে।
বস্তুত ইহা ঐতিহাসিক সত্য যে, মুহাম্মাদ (স)-এর দেহ হইতে সুগন্ধ বহির্গত হইত, এমনকি যে ব্যক্তি তাঁহার করমর্দন করিত, তাহার হাতেও সারাদিন সুগন্ধি থাকিত। যখন তিনি গৃহ হইতে বহির্গত হইতেন, তখন সমস্ত বাতাস সুগন্ধে সুরভিত হইত (শামাইলে তিরমিযী, পৃ. ২০৮, গ্লোব লাইব্রেরী)।
হযরত উম্মু সুলায়ম (রা) মহানবী (স)-এর দেহের ঘাম শিশিতে ভরিয়া রাখিতেন। ইহার কারণ জিজ্ঞাসা করা হইলে তিনি বলেন যে, উহা আমরা অন্য সুগন্ধিতে মিশ্রিত করিয়া থাকি। কারণ মহানবী (স)-এর ঘাম সকল সুগন্ধি অপেক্ষা অধিক সুগন্ধময়।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ১৫. অষ্টগুণে গুণান্বিত

📄 ১৫. অষ্টগুণে গুণান্বিত


ভাগবত পুরাণের দ্বাদশ স্কন্ধ, দ্বিতীয় অধ্যায়ে কল্কি অবতারকে অষ্ট গুণে গুণান্বিত বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ঐশ্বরিক রাজা

📄 ঐশ্বরিক রাজা


শুল্ক যজুর্বেদ ৩য় অধ্যায় ৩৫ সুক্তে বলা হইয়াছে: “আইস, আমরা ঐশ্বরিক রাজা সবিতু দেবের রাজ্যশাসন দৃশ্যকে ধ্যান করি, উহা আমাদের বুদ্ধিকে পরিচালিত করুক” (কল্কি অবতার ও মোহাম্মদ সাহেব, পৃ. ৮৩)।
শুল্ক যজুর্বেদ ৪র্থ অধ্যায় ২৫ মন্ত্রে সবিতু দেবের অন্যান্য পরিচয় এইরূপ প্রদত্ত হইয়াছে: আমরা বিশ্বব্যাপক, মেধাবী, সত্যস্বরূপ, বিবিধ রত্নের ধারক, প্রেমাস্পদ, মননশীল, স্বর্ণদর্শী সবিতু দেবের অর্চনা করি। তাহার কিরণ নিখিল কর্মপ্রকাশের জন্য ঊর্ধ্বগগনে সকল বস্তু তুলিয়া
১১৮ ধরে না। হিরণ পাণি শোভন কর্ম সম্পন্ন সেই সবিতু দেব এখন জনগণের কল্পনার অতীতে বর্তমান। হে দেব! আমরা তোমাকে সকলের জন্য অর্চনা করি। বিশ্বব্যাপী সকলে তোমাকে হৃদয়ে ধারণ করুক। বিশ্বব্যাপী সকলকে তুমি সঞ্জীবিত কর (কল্কি অবতার ও মোহাম্মদ সাহেব, পৃ. ৮৩)।
এইসব সুক্ত বা মন্ত্রে দেখা যাইতেছে যে, সেই মহান ঋষিকে নরাশংস, অগ্নি ও সবিতু নামে আহবান করা হইতেছে এবং যিনি এখনও কল্পনার অতীতে বিদ্যমান, তিনি শুধু ভারতের হইবেন এবং শুধু আর্যদের জন্য হইবেন না, বরং সমগ্র পৃথিবীর আর্য-অনার্য সকল মানবের ঋষি হইবেন। তেমনি বেদ পাঠ ও শ্রবণে যেমন কেবল ব্রাহ্মণ ছাড়া কোন মানুষের অধিকার নাই, কিন্তু তিনি দেশকাল পাত্রভেদে সকল মানুষকে ঐশীজ্ঞানে সঞ্জীবিত করিবেন।
বস্তুত আমরা দেখিতে পাই, হযরত মুহাম্মাদ (স) রাজা ছিলেন ও বিশ্বে ঐশী রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বিশ্বনবী অর্থাৎ সমগ্র বিশ্বের জন্য নবী ছিলেন। বিশ্বের সকল স্তরের মানুষের জন্য তাঁহার প্রাপ্ত কুরআন পাঠ ও ইসলাম ধর্ম অবারিত রহিয়াছে।
মোটকথা, মন্ত্রগুলিতে উল্লিখিত প্রতিটি গুণ একমাত্র তাঁহার মধ্যে পাওয়া যাইতেছে, অন্য কোন ঋষি বা নবীর মধ্যে পাওয়া যায় না। কারণ হয় তাহারা আর্যাবর্তের আর্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ, নতুবা মধ্যপ্রাচ্যের বানু ইসরাঈলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00