📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 রবিবার: সাপ্তাহিক সম্মিলিত প্রার্থনা দিবস

📄 রবিবার: সাপ্তাহিক সম্মিলিত প্রার্থনা দিবস


খৃস্টানগণ "রবিবারকে সাপ্তাহিক সম্মিলিত প্রার্থনা দিবস" হিসাবে পালন করিয়া থাকে এবং সমগ্র খৃস্টান বিশ্বে ও তাহার প্রভাবাধীন অখৃস্টান দেশসমূহে ঐ দিনটি সাপ্তাহিক ছুটি হিসাবে পালিত হয়। কিন্তু হযরত ঈসা (আ) এই দিবসটি নির্দিষ্ট করিয়া সাপ্তাহিক ইবাদত ও ছুটি দিবস হিসাবে পালনের কোন নির্দেশ দেন নাই, বরং মূসা (আ)-এর শরীআতের সত্যায়নকারী (দ্র. আল-কুরআন ৩:৫০) হিসাবে তিনি ও তাঁহার অনুসারীগণ "শনিবারকেই সাপ্তাহিক বিশ্রাম দিবস" হিসাবে পালন করিয়া যান। হযরত ঈসা (আ) শনিবারকে বিশ্রাম দিবস হিসাবে পালনের ধর্মীয় রীতিনীতি বাতিল করিয়া যান নাই, তবে তাহা পালনে ইয়াহুদীদের কঠোরতাকে শিথিল করিয়াছেন বলা যায়। বর্তমান বাইবেলের নূতন নিয়মেও ইহার কিছু ইশারা-ইঙ্গিত আছে (দ্র. মথি, ১২:১২; মার্ক, ২:২৩-২৮, ৩:২-৫; লুক, ৬:১-২)। প্রাথমিক যুগের খৃস্টানগণ শনিবারকেই যে বিশ্রাম দিবস তথা সাব্বাথ (Sabbah) দিবস হিসাবে পালন করিতেন তাহা কেম্ব্রিজ হইতে প্রকাশিত রেড লেটার বাইবেলের (ইংরেজী) বাইবেল ডিকশনারী অংশে খৃস্টান পণ্ডিতগণ স্পষ্টভাবে বলিয়াছেন (দ্র. বাইবেল ডিকশনারী, page ৮৮, শিরো. Sabbah)।
পরবর্তীতে খৃস্টান ধর্ম অ-ইসরাঈলীদের মাঝে প্রচারিত হইলে খৃস্টানগণ রবিবারকে প্রভু দিবস (The Lord's Day) হিসাবে গ্রহণ করে, যাহার প্রতি ঈসায়ী বাইবেলের কোন প্রমাণ বা সমর্থন নাই। বাইবেল সমর্থিত 'সাব্বাথ'-এর বিধান অমান্য করিয়া 'রবিবারে প্রার্থনা'র প্রচলন তাহাদের পথভ্রষ্টতার প্রমাণ বহন করে। মহানবী (স)-ও তাহাদের এই ভ্রষ্টতার প্রতি ইংগিত করিয়াছেন। তিনি বলেন:
فَهُذَا يَوْمُهُمُ الذى اخْتَلَفُوا فيه هدانا الله له قال يوم الجمعة فاليوم لنا وغـدا لليهود وبعد غد للنصارى.
"তাহারা যে দিনটি সম্পর্কে মতভেদে লিপ্ত হইয়াছে সেই দিন সম্পর্কে আল্লাহ আমাদেরকে দিকনির্দেশনা দিয়াছেন অর্থাৎ শুক্রবার। অতএব এই দিনটি আমাদের, তৎপরবর্তী দিন ইয়াহুদীদের এবং তৎপরবর্তী দিন খৃস্টানদের" (মুসলিম, জুমুআহ, বাব হিদায়াতু হাযিহিল উম্মাহ লি-ইয়াওমিল জুমুআহ, নং ১৯৮০ (২০)-১৯৮২ (২২); আরও দ্র. নাসাঈ, জুমুআহ, বাব ঈজাবিল জুমুআহ, নং ১৩৬৯; মুসনাদ আহমাদ, ২খ, page ২৪৩, নং ৭৩০৮, আরও বহুস্থা.; বুখারী, জুমুআহ, page ৬৯, নং ৮৭৬, page ৭০, নং ৮৯৬, রিয়াদ সং.)।
বস্তুত ঈসা (আ)-এর উর্দ্ধগমনের দুই শত বৎসরের মধ্যেই গোটা খৃস্টান জগত ঈসা (আ)-এর শরীআত হইতে বিচ্যুত হইয়া যায়। তাহা মহানবী (স) এক হাদীছে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন:
عن أبي الدرداء عن النبي (ص) قال لقد قبض الله داود (ص) من اصحابه فما فتنوا وما بدلوا ولقد مكث اصحاب المسيح من بعده على سنته وهديه مائتي سنة.
"আবু দারদা (রা) হইত বর্ণিত। নবী (স) বলেন: দাউদ (আ)-কে তাঁহার সাহাবীগণের উপস্থিতিতে আল্লাহ তা'আলা মৃত্যু দান করেন। ফলে তাহারা বিভ্রান্ত হয় নাই এবং পরিবর্তিতও হয় নাই। অপর দিকে ঈসা মাসীহ (আ)-এর সঙ্গীগণ তাঁহার পরে মাত্র দুই শত বৎসর তাঁহার রীতিনীতির উপর ও তাঁহার প্রদর্শিত পথের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল” (মুসনাদ আবূ ইয়ালা ও তাবারানীর আল-মুজামুল কাবীর-এর বরাতে কানযুল উম্মাল, ১১খ, নং ৩২৩২৮)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ঈসা (আ) সান অফ গড না সান অফ ম্যান?

📄 ঈসা (আ) সান অফ গড না সান অফ ম্যান?


হযরত ঈসা (আ) ঈশ্বর পুত্র ছিলেন না মনুষ্য পুত্র, এই বিষয়টি সম্পর্কে খৃস্টান জগতেও কম বিতর্ক হয় নাই। ঈসা (আ) যে বাণী রাখিয়া গিয়াছেন তাহাতে কোথাও এমন কোন দাবি বা উক্তি নাই যে, তিনি নিজেকে ঈশ্বরের পুত্র (SON OF GOD) বলিয়া ঘোষণা করিয়াছেন। এমনকি খৃস্টানদের স্বীকৃত বর্তমান বাইবেলের কোথাও ঐ ধরনের উক্তি পাওয়া যায় না। যদিও বাইবেলে কিছু কিছু তথ্য এমন পাওয়া যায় যে, তাঁহার কোন কোন অনুসারী তাঁহাকে ঈশ্বরের পুত্র বলিয়া সম্বোধন করিয়াছে (দ্র. মথি, ১৪ : ৩৩, ১৬ : ১৬; লুক, ৪ : ৪১; যোহন, ৩: ১৮, ২০ : ৩১)। যদিও তিনি বলিয়াছেন, "আমার পিতা" (My Father) তোমাদের পিতা (Your Father), তাহাও বিশেষ অর্থে। অর্থাৎ তিনি ও তাঁহার অনুসারীগণ আল্লাহ্র প্রিয় ও বিশেষ মর্যাদার পাত্র ছিলেন এই অর্থে। আর এই কথা সকলের জানা যে, প্রাথমিক যুগের বাইবেলসমূহ সুরিয়ানী ও ইবরানী ভাষা হইতে গ্রীক ভাষায় অনূদীত হয়। আর গ্রীকরা ছিল পৌত্তলিক। তাই 'আল্লাহ' নির্দেশক বাইবেলের মূল ভাষার বিশেষ শব্দটি গ্রীক অনুবাদে পৌত্তলিক প্রতিরূপ গ্রহণ করে। বর্তমান ইংরাজী বাইবেল ঐ গ্রীক অনুবাদের প্রতিরূপ। এক ভাষা হইতে অপর ভাষায় বারবার ভাষান্তর হওয়ায় ঈশ্বর এবং প্রিয়পাত্র হিসাবে সন (Son) বা পুত্র অর্থে রূপান্তরিত হয়। যেমন কুরআন মজীদের গিরীশ সেনের বঙ্গানুবাদে 'আল্লাহ' শব্দের বঙ্গানুবাদ করা হইয়াছে 'ঈশ্বর'। অথচ ঈশ্বর এমন এক সত্তা যাহার নিম্নতর ও উচ্চতর বংশধারা রহিয়াছে। আর এই ঈশ্বর শব্দটি আরবী আল্লাহ শব্দের বঙ্গানুবাদ মোটেই যথাযথ নহে, বরং মারাত্মক বিভ্রান্তিকর। কারণ আল্লাহ্র ঊর্ধ্বতন বা নিম্নতর কোন বংশধারা নেই, তিনি নিজ সত্তায় এক ও একক। এইভাবে ভাষান্তরে ভাবান্তর হয়। আর বাইবেলে ঈসা (আ) নিজেকে ঈশ্বরের পুত্র বলিয়া তো দাবি করেনই নাই, বরং ৮০টি স্থানে তিনি নিজেকে 'মনুষ্য পুত্র' বলিয়া ঘোষণা করিয়াছেন (দ্র. বাইবেল ডিকশনারী, রেড লেটার বাইবেল-এর সংযুক্তি)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 গ্রন্থপঞ্জী

📄 গ্রন্থপঞ্জী


গ্রন্থপঞ্জী : (১) আল-কুরআনুল করীম, বঙ্গানুবাদ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ঢাকা; (২) The New Encyclopaedia Britannica, vol. 10 (Chicago, Encyclopaedia Britannica Inc., 1978); (৩) Encyclopedia Americana, vol. 16, Encyclopedia Americana Corporation, 1979; (৪) Encyclopaedia Britannica, vol. 13 (London: Encyclopaedia Britannica Ltd. 1962); (৫) ইমাম মুহাম্মাদ আবূ যুহরা, মুহাদারাত ফিন নাসরানিয়‍্যাহ (কায়রো: দারুল ফিক্রিল আরাবী, তা.বি.); (৬) বাইবেল (পুরাতন ও নূতন নিয়ম), বঙ্গানুবাদ বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটি, ঢাকা; (৭) আবদুল ওয়াহিদ খান, ঈসাইয়্যাত, দিল্লী, মারকাযী মাক্কাবায়ে ইসলামী; (৮) ইসলামী বিশ্বকোষ, বাংলা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ঢাকা, ৫খ; (৯) সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদূদী, তাফহীমুল কুরআন, বঙ্গানু, মাও. আবদুর রহীম (ঢাকা: আধুনিক প্রকাশনী); (১০) মুতাওয়াল্লী ইউসুফ শালাবী, আদওয়া আলাল মাসীহিয়্যা (কুয়েত : আদ্‌-দারুল কুওয়ায়তিয়্যাহ, ১৯৭৩ খৃ./১৩৯৩ হি.); (১৪) বার্নাবাসের বাইবেল, বঙ্গানুবাদ আফজাল চৌধুরী (ঢাকা: বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ বুক সোসাইটি লিমিটেড, ১৯৯৬); (১৫) ইব্‌ন কাছীর, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া (কায়রো, দারুদ দায়‍্যান লিত-তুরাছ, ১৪০৮ হি./১৯৮৮ খৃ.); (১৬) ইবনুল জাওযী, ইমাম আবুল ফারাজ জামালুদ্দীন আবদুর রহমান ইবন আলী, যাদুল মাসীর ফী ইলমিত তাফসীর (দামিশক : আল-মাকতাবুল ইসলাম, ১ম সং., তা.বি.); (১৭) আল-মাওয়ারদী, তাফসীর আননুকাত ওয়াল 'উয়ূন, বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ; (১৮) সায়্যিদ মাহমূদ আলুসী, রূহুল মা'আনী (বৈরূত : দারু ইহয়াইত্ তুরাছিল আরাবী, তা.বি.); (১৯) মাওলানা হিফজুর রহমান সিওহারবী, কাসাসুল কুরআন, বঙ্গানুবাদ মুহাম্মাদ মূসা, ঢাকা: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ; (২০) মাও. আবুল কালাম আযাদ, তারজুমানুল কুরআন, ২খ., লাহোরঃ ইসলামী একাডেমী, তা.বি.; (২১) I Lehman, The Jews Report; (২২) Mohammad Ataur Rahim. Jesus A Prophet of Islam; (২৩) Syeed Sajjad Hosain, A Young Muslim's guide to religions in the world, Dhaka: Bangladesh Institute of Islamic Thought, 1992; (২৪) ফীরোযাবাদী, তানবীরুল মিকয়াস মিন তাফসীরি ইব্‌ন আব্বাস (বৈরূত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১৪১২ হি./১৯৯২ খৃ.); (২৫) আবু হায়‍্যান, আল-বাহরুল মুহীত, বৈরূত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়‍্যাহ; (২৬) ইব্‌ন আশূর, তাফসীরুত্ তাহরীর ওয়াত্-তানবীর (আলজেরিয়া: দার সাহনূন); (২৭) নাসাফী, ইমাম আবদুল্লাহ ইব্‌ন আহমাদ ইব্‌ন মাহমূদ, মাদারিকুত্ তানযীল ওয়া হাকায়িকুত্ তাবীল (করাচী, কাদমী কুতুবখানা, তা.বি.); (২৮) ইমাম আবূ আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইব্‌ন আহমাদ কুরতুবী, আল জামি লি আত্কামিল কুরআন (বৈরূত: দারু ইহয়ায়িত তুরাছিল আরাবী, তা.বি.); (২৯) সহীহ মুসলিম; (৩০) 'আল্লামা রহমাতুল্লাহ কীরানবী, ইযহারুল হক, রিয়াদ, আল-ইদারাতুল ইলমিয়্যা ওয়াল বুহুছ; (৩১) কাযী ছানাউল্লাহ পানিপথী, তাফসীরে মাযহারী, বঙ্গানুবাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ঢাকা ১৯৯৮ ইং; (৩২) ইসলামী ইন্সাইক্লোপেডিয়া (উর্দু), সম্পাদনা: সায়্যিদ কাসিম মাহমূদ, করাচী; (৩৩) ইব্‌ন জারীর তাবারী, তাফসীরে তাবারী শরীফ, বঙ্গানুবাদ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ঢাকা ১৯৯২; (৩৪) আলাউদ্দীন বাগদাদী, তাফসীরুল খাযিন (বৈরূত: দারুল মারিফা, তা.বি.); (৩৫) শায়খ ইসমাঈল হাক্কী, তাফসীর রূহুল বায়ান (বৈরূত: দার ইয়ায়িত তুরাছিল আরাবী, ১৪০৫/১৯৮৫); (৩৬) জামি তিরমিযী (মানাকিব); (৩৭) আহমাদ ইবন হাম্বল, আল-মুসনাদ; (৩৮) নওয়াব সিদ্দীক হাসান কানূজী, ফাল্গুল বায়ান ফী মাকাসিদিল কুরআন; (৩৯) যামাঙ্গারী, আবুল কাসিম জারুল্লাহ মাহমূদ, আল-কাশশাফ (বৈরূত: দারুল মারিফা); (৪০) মুহা. মুরতাদা আয-যুবাইদী, তাজুল আরূস (বৈরূত: দারু মাক্কাবাতিল হায়াত, তা.বি.); (৪১) বায়দাবী, আনওয়ারুত্ তানযীল (বৈরূত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা); (৪২) Encyclopedia of Islam, Leiden, 1st, ed.; (৪৩) সায়্যিদ রশীদ রিদা, তাফসীরুল মানার (বৈরূত: দারুল মারিফা, ২য় সং., তা.বি.); (৪৪) The Hans wehr Dictionary of Modern written Arabic-English, Edited by I.M. Cowan, New York; (৪৫) উইল ডুরান্ট, কিস্সাতুল হাদারা, বৈরূত; (৪৬) মুহাম্মাদ ফুআদ আবদুল বাকী, আল-মুজাম আল-মাফাহরিস লি-আলফাজিল কুরআনিল কারীম; (৪৭) ইব্‌ন কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, (বৈরূত: দারুল মারিফা); (৪৮) ইব্‌ন হাম্, আল-ফিসাল ফিল্ মিলাল ওয়াল আহওয়ায়ে ওয়ান নিহাল (বৈরূত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ); (৪৯) আহমাদ আবদুল ওয়াহাব, আল-মাসীহ ফী মাসাদিরিল আকায়িদিল মাসীহিয়‍্যাহ, কায়রো ১৩৯৮ হি./১৯৭৮ খৃ.; (৫০) ড. মরিস বুকাইলি, বাইবেল কোরআন ও বিজ্ঞান, বঙ্গানুবাদ আখতার উল-আলম, ঢাকা: রংপুর পাবলিকেশন্স লিমিটেড, ১৯৮৮; (৫১) মাও. সায়্যিদ আবুল আলা মওদূদী, সীরাতে সরোয়ারে আলম, ঢাকা, আধুনিক প্রকাশী; (৫২) Dr. Nenham, Saint Mark, England: Penguin books, 1963; (৫৩) F. Grant, The Gospels" Their origins and their growth (London 1957); (৫৪) ড. শারকাবী, মুকারানাতুল আদয়ান (কায়রো ১৪০৫ হি.); (৫৫) আহম্দ দিদাত, দি চয়েস, অনু, আখতার উল আলম, ঢাকা: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী, ১৯৯৯ ইং; (৫৬) মুহাম্মাদ জামীল আহমাদ, আম্বিয়ায়ে কুরআন (উর্দু), ৩য় খণ্ড; (৫৭) সহীহ বুখারী; (৫৮) আসকালানী, আহম্‌د ইব্‌ন আলী, ফাতহুল বারী শারহি সহীহিল বুখারী (বৈরূত: দারুল মারিফা, তা.বি); (৫৯) আহমাদ মুস্তাফা মারাগী তাফসীরুল মারাগী (দামিশক: দারুল ফিক্র, তা.বি.); (৬০) আবদুল মাজেদ দরিয়াবাদী, তাফসীরে মাজেদী, বঙ্গানুবাদ মাওলানা মুহাম্মদ ওবাইদুর রহমান মল্লিক (ঢাকা: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ১৯৯৮); (৬১) ড. মুহা. আবদুর রহমান আনওয়ারী, মানহাজুদ দাওয়াত ওয়াদ-দু'আত ফিল কুরআনিল কারীম (পি এইচ ডি থিসিস), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া ১৯৯৯; (৬২) The World Book of Encyclopaedia, vol. 17; (৬৩) Balman Struck, The four Gospels (New York: Macmillan 1960); (৬৪) তকী উছমানী, মা হিয়ান নাসরানিয়্যা (মক্কা: রাবেতাতুল আলামিল ইসলামী, তা.বি.); (৬৫) আখতার উল আলম, শেষ নবী (ঢাকা: কারামাতিয়া পাবলিকেশন্স ১৯৯১); (৬৭) আলী মুত্তাকী, কানযুল উম্মাল, (বৈরূত: মুআস্সাতুর রিসালা, ১৪০৯ হি./১৯৮৯ খৃ.); (৬৮) ইমাম বায়হাকী, কিতাবুল আসমা ওয়াস্-সিফাত; (৬৯) ইবনুল আছীর, আল-কামিল ফিত্-তারীখ, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরূত ১৪০৭ হি./১৯৮৭ খৃ.; (৭০) মাওলানা মুহাম্মদ তাহের, খৃষ্টধর্ম ও বাইবেল (ঢাকা: আল কাউসার প্রকাশনী, ২০০০); (৭১) মাও. ইমদাদুল হক, বাইবেলের স্বরূপ ও খৃষ্টধর্ম (ঢাকা: শায়খুল হিন্দ ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র, ১৯৯৭); (৭২) ফাখরুদ্দীন রাযী, আত্-তাফসীরুল কবীর (তেহরান: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, তা.বি.); (৭৪) মুহা. সিরাজুল হক, বাইবেল কি ঐশী গ্রন্থ (ঢাকা: জনতা প্রেস এন্ড পাবলিকেশন্স, ২০০০); (৭৫) শ্রী প্রমোদ সেন গুপ্ত, ধর্ম দর্শন, ঢাকা: ব্যানার্জী পাবলিকেশন্স, ৩য় সং., ১৯৮৯; (৭৬) The Encyclopedia of Religion (New York: Macmillan Publishing Company, 1987); (৭৭) Encyclopedia of Religion and Ethics; (৭৮) ইব্‌ন তায়মিয়্যা, আল-জাওয়াবুস সাহীহ লিমান বাদ্দালা দীনাল মাসীহ, কায়রো ১৩২২-২৩ হি.; (৭৯) মুহাম্মদ আকবর খান, ক্রুসেড অর জিহাদ, লাহোর, সিনদ সাগর, ১৯৬১ খৃ.; (৮০) আল-বুস্তানী, দাইরাতুল-মাআরিফ, আলবী, ৬খ., বৈরূত; (৮১) আল্-মাকরীযী, আল্-খিতাত, বৈরূত ১৯৫৯ ইং; (৮২) F. C. Burkitt, The Christian Religion, Cambrige.; (৮৩) আবূ খালিদ, কাদিয়ানী মতবাদ একটি ভ্রান্ত মতবাদ, বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার, ঢাকা ২০০১ খৃ.।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00