📄 হযরত মারয়াম (আ)-এর বায়তুল মুকাদ্দাস ত্যাগ
হযরত মারয়াম (আ)-এর অন্তঃসত্তার পর যখন গর্ভধারণের বিভিন্ন আলামত প্রকাশ পাইতে থাকে তখন তিনি বায়তুল মুকাদ্দাস ত্যাগ করেন। কারণ তিনি আশংকা করিতেছিলেন যে, মানুষ ঘটনার আকস্মিকতায় বিভ্রান্ত হইয়া তাঁহার জীবন অতিষ্ঠ করিয়া তুলিবে। তাই তিনি বায়তুল মুকাদ্দাস ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেন, কিন্তু বাহির হইয়া কোথায় গেলেন সেই সম্পর্কে সঠিকভাবে কিছু জানা যায় নাই। আল-কুরআনে শুধু এতটুকু বলা হইয়াছে, তিনি দূরবর্তী স্থানে চলিয়া গেলেন। আলুসীর মতে, তিনি তাহার পরিবার-পরিজন হইতে দূরে পাহাড়ের আড়ালে চলিয়া গেলেন (আলুসী, প্রাগুক্ত)।
কোন কোন বর্ণনামতে তিনি তাঁহার খালা যাকারিয়্যা (আ)-এর স্ত্রীর নিকট চলিয়া গিয়াছিলেন এবং তাঁহার ঐ ধরনের গর্ভধারণের কথা ব্যক্ত করিয়াছিলেন, আর তিন মাস সেখানেই ছিলেন (মথি সুসমাচার, ১: ৩৯-৫৬)। অন্য বর্ণনায় আসিয়াছে, তিনি নবী পরিবারেই ছিলেন কিন্তু গর্ভের আকার বৃদ্ধি পাওয়ায় লজ্জা বোধ করেন এবং লজ্জায় স্বজাতির লোকজন হইতে বাহির হইয়া পূর্বদিকে চলিয়া যান (আলuসী, প্রাগুক্ত)। এই সব বর্ণনার কোন ভিত্তি নাই। বাইবেলের বর্ণনায় দেখা যায়, তিনি নাসারত পল্লীতে নিজ গৃহে চলিয়া যান (লুক, ১: ৫৬, ২: ৪; বার্ণাবাসের বাইবেল, page ৩)।
📄 বার্ণাবাসের গসপেলের পরিচয়
ঐতিহাসিকগণের মতে ৩২৫ খৃস্টাব্দ পর্যন্ত এন্টিওক ও আলেকজান্দ্রিয়ার খৃস্টান গির্জাসমূহে বার্ণাবাসের বাইবেল আইন সম্মত গ্রন্থ হিসাবে আচরিত ছিল। ইরানীয়াস (Iranacus, 130-200) (A.D) বিশুদ্ধ একত্ববাদের সপক্ষে প্রচুর লেখালেখি করিয়াছিলেন এবং সন্তু পলের বিরোধিতা করিয়াছিলেন এই কারণে যে, পল প্লেটোর দর্শন এবং রোমক পৌত্তলিকতা খৃস্টধর্মে প্রক্ষিপ্ত করিয়া চলিয়াছেন। ইরানীয়াস বার্ণাবাসের গসপেল করায় ১ম ও ২য় খৃস্টীয় শতকে এই গ্রন্থের যে বহুল প্রচলন ছিল তাহা অনুধাবন করা যায়।
নিকাইয় কাউন্সিল (Nicen council)-এর অধিবেশন বসে ৩২৫ খৃ. তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, মূল হিব্রু (ইবরানী) গসপেলগুলি ধ্বংস করিয়া ফেলিতে হইবে এবং কেহ তাহা সংরক্ষণ করিলে তাহাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হইবে। সম্রাট জেনোর রাজত্বকালের চতুর্থ বৎসর (৪৭৮ খৃ.)। বার্ণাবাসের অক্ষত লাশ পুনঃসমাধিস্থ করা হয় এবং তাহারই স্বহস্ত লিখিত এক কপি গসপেল তাহার বুকের উপর রক্ষিত অবস্থায় পাওয়া যায় (Acia Sanctorum, Boland Junni, Tom II pages, 422 and 450, Antwerp 1698). প্রসিদ্ধ একত্ববাদী বাইবেল (Uniterian Bible) ভালগেট গসপেলের উৎস যে এই গসপেলই তাহা স্পষ্ট।
পোপ সিক্সটাস (Pope Sixtus-1585-90)-এর বন্ধু ছিলেন ফ্রামারনো। তিনি পোপের ব্যক্তিগত গ্রন্থশালায় এক খণ্ড ইভানজেলিয়ান বার্ণারি-র সন্ধান পান। ফ্রামারিনো ইরানীয়াসের রচনায় বার্ণাবাসের প্রচুর উদ্ধৃতি পাঠ করিয়া এই বিষয়ে আগ্রহী হইয়া উঠিয়াছিলেন।
আমস্টারডামের একজন বিদগ্ধ ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তি, যিনি এই গ্রন্থের মহা ভক্ত ছিলেন, তাহার মৃতুর পর এই ইতালীয় পাণ্ডুলিপিখানি ১৭০৯ সালে প্রোশিয়া রাজের উপদেষ্টা জে.ই ক্রেমারের হাতে পৌঁছায়। ১৭১৩ খৃস্টাব্দে সেভয়ের প্রিন্স ইউজিন, যিনি ছিলেন বিখ্যাত তাত্ত্বিক, ক্রেমার পাণ্ডুলিপিটি তাহাকে উপহার দেন। ১৭৩৮ খৃস্টাব্দে প্রিন্সের সংগ্রহশালাটি ভিয়েনার হফবিব লিয়েথেক-এ স্থানান্তরিত হয়। সেইখানেই পাণ্ডুলিপিটি এখনও বিদ্যমান আছে।
Miscellaneous work (মৃতুর পরে ১৭৪৭ সালে প্রকাশিত)-এর ১ম ভল্যুমের ৩৮০ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করিয়াছেন যে, 'গসপেল অব বার্ণাবাস এখনও অবলুপ্ত। পঞ্চদশ অধ্যায়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, ৪৯৬ খৃ. গ্লাসিয়ান (Glesion Decvce of 496) ডিক্রিতে নিষিদ্ধ পুস্তকমালার তালিকায় ইভানজেলিয়ান বার্ণাবাসের নাম আছে। ইহার আগে পোপ ইনোসেন্ট ৪৬৫ খৃ. বইটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন, পাশ্চাত্য গির্জাসমূহের ৩৮২ খৃস্টাব্দের ডিক্রিবলে। তাহারও আগে ইহার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী হইয়াছিল।
স্টিফোমেট্রি অব নিসেফেরাস, ক্রমিক নং ৩, এপিসল অব বার্ণাবাস .... পংক্তি ১৩০০ তে বার্ণাবাসের উল্লেখ আছে। তাহা ছাড়া আরও উল্লেখ আছে, ক্রমিক নং ১৭ : ট্রাভেলস এণ্ড টিচিংস অব এপেন্সিলস্ ১৮ : এপিসল অব বার্ণাবাস ২৪ : গসপেল একর্ডিং টু বার্ণাবাস কিছু বিচ্ছিন্ন পাতার অগ্নিদগ্ধ 'গসপেল অব বার্ণাবাস'-এর গ্রীক সংস্করণেরও সন্ধান পাওয়া গিয়াছে।
মিঃ ও মিসেস র্যাগ ল্যাটিন টেক্সট-এরই অনুবাদ করিয়াছিলেন এবং অক্সফোর্ডের ক্লোরেন ডেন প্রেসে উহা মুদ্রিত। ইহা অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস কর্তৃক প্রকাশিত হয় ১৯০৭ সালে। অত্যন্ত রহস্যজনকভাবে বাজার হইতে ইহার সকল কপি উধাও হইয়া যায়। এই ইংরেজী সংস্করণের মাত্র দুই কপি এখন আছে; একটি বৃটিশ মিউজিয়ামে এবং অপরটি ওয়াশিংটন ডিসির লাইব্রেরী অব কংগ্রেসে। দ্বিতীয় দফায় যে সংস্করণ হয় সেইটা লাইব্রেরী অব কংগ্রেসের মাইক্রো ফিল্মের কপি হইতে গৃহীত (বেগম আয়েশা বাওয়ানী ওয়াকফ করাচী থেকে প্রকাশিত— গসপেল অব বার্ণাবাস-এর অবশিষ্টাংশের দ্রষ্টব্য; আরো দ্র. শায়খ আবু যাহরা, প্রাগুক্ত, page ৬১-৬২; ইউসুফ মুতাওয়াল্লী শালাবী, প্রাগুক্ত, page ৬২-৬৩)।
📄 ঈসা (আ)-এর ভূমিষ্ট হওয়ার স্থান
ঈসা (আ)-এর ভূমিষ্ট হওয়ার সময় নিকটবর্তী হইলে হযরত মারয়াম জেরুসালেম হইতে নয় মাইল দূরে সারাত (সাঈর) পর্বতের একটি টিলায় চলিয়া গেলেন যাহা বর্তমানে 'বেথেলহাম' নামে প্রসিদ্ধ (সিওহারবী, কাসাসুল কুরআন, ৪খ., page ৩৫)। অধিকাংশ আলিমের মতে এইখানেই হযরত ঈসা (আ) ভূমিষ্ট হন'।
বার্ণাবাসের বাইবেলে উল্লেখ করা হইয়াছে যে, রোম সম্রাট অগাষ্টাস-এর এক ডিক্রিবলে ঐ সময় ইয়াহুদা রাজ্যের শাসক ছিলেন হেরোদ। অগাষ্টাস সীজারের ফরমান অনুসারেই গোটা সাম্রাজ্যে শুমারী প্রথা চালু ছিল, যে কারণে প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজ নিজ প্রদেশে গিয়া আপন আপন গোত্রের নামে সরকারী করদভুক্ত প্রজারূপে গণ্য হইত। সীজারের এই ডিক্রি অনুযায়ী নিজেকে করদভুক্ত করার জন্য ইউসুফ অন্তঃসত্তা মারয়ামকে লইয়া গ্যালিলী অঞ্চলের নাসারত শহর ত্যাগ করিয়া বায়তুল লাহমে গেলেন। কেননা দাউদ-এর বংশধারার লোকদের বাসভূমিরূপে ইহা ছিল তাহাদের নিজস্ব শহর। ইউসুফ ক্ষুদ্র শহর বাইতুল-লাহামে গিয়া দেখিলেন, অধিবাসীরা অধিকাংশই বহিরাগত যাহাদের কাছে তাঁহার আশ্রয় পাইবার সম্ভাবনা নাই। তাই শহরতলীতে রাখালদের জন্য নির্মিত সাধারণ ছাউনিতে তিনি অবস্থান করিতে লাগিলেন (বার্নাবাসের বইবেল, page ৩-৪)।
মারয়াম (আ)-এর সন্তান প্রসব প্রসঙ্গে আল কুরআনে উল্লিখিত হইয়াছে: فَأَجَاءَهَا الْمَخَاضُ إِلَى جِذْعِ النَّخْلَةِ قَالَتْ يُلَيْتَنِي مِنْ قَبْلَ هُذَا وَكُنْتُ نَسَبًا مَنْسِيًّا , فَنَادَهَا مِنْ تَحْتِهَا أَلَّا تَحْزَنِي قَدْ جَعَلَ رَبُّكَ تَحْتَكِ سَرِيًّا , وَهُزِئ إِلَيْكِ بِجِذْعِ النَّخْلَةِ تُسْقِطَ عَلَيْكِ رُطَبًا جَنِيًّا
“প্রসব বেদনা তাহাকে এক খর্জুর বৃক্ষতলে আশ্রয় লাইতে বাধ্য করিল। সে বলিল, হায়! ইহার পূর্বে আমি যদি মরিয়া যাইতাম ও লোকের স্মৃতি হইতে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হইতাম। ফেরেশতা তাহার নিম্ন পার্শ্ব হইতে আহ্বান করিয়া তাহাকে বলিল, তুমি দুঃখ করিও না। তোমার পাদদেশে তোমার প্রতিপালক এক নহর সৃষ্টি করিয়াছেন। তুমি তোমার দিকে এক খর্জুর বৃক্ষের কাণ্ডে নাড়া দাও। উহা তোমাকে সুপক্ক তাজা খর্জুর দান করিবে” (১৯ : ২৩-২৫)।
উপরিউক্ত আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, মারয়াম (আ) স্বীয় সন্তান (ঈসা) প্রসবের জন্য খর্জুর বৃক্ষবিশিষ্ট কোন বাগানে আশ্রয় লইয়াছিলেন এবং তাঁহার সন্তানের বরকতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা সেইখানে একটি নহর জারি করিয়া দেন। কিন্তু এই স্থানটি কোথায় সুনির্দিষ্টভাবে তাহার উল্লেখ করা হয় নাই।
ওয়াহ্ ইব্ন মুনাব্বিহের ধারণা যে, ঈসা (আ) মিসরে জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন। ইবন কাছীর ইহাকে সঠিক নহে বলিয়া মন্তব্য করিয়াছেন (ইব্ন কাছীর, প্রাগুক্ত, ২খ, page ৬৯)। মাওলানা আবুল কালাম আযাদ-এর মতে হযরত ঈসা (আ) নাসীরা নামক স্থানে ভূমিষ্ট হইয়াছিলেন (মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, তারজুমানু'ল কুরআন, ২খ, page ৪৩৩)। Encyclopaedia Britannica-তে উল্লেখ করা হইয়াছে যে, আধুনিক কিছু গবেষকের মতে তাঁহার জন্ম হয় নাযারাথ (Nagarath) পল্লীতে।
ঐতিহাসিক মুফাস্সিরগণের প্রসিদ্ধ মতে হযরত ঈসা (আ)-এর জন্মস্থান হইল বেথেলহাম। মহানবী (সা)-এর মি'রাজ সম্পর্কিত বর্ণিত যে হাদীছ আছে, তাহাতে বেথেলহামকেই ঈসা (আ)-এর ভূমিষ্ট হওয়ার স্থান বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে। এই হাদীছটি ইমাম নাসাঈ আনাস (রা) সূত্রে এবং ইমাম বায়হাকী শাদদাদ ইব্ন আউস (রা) হইতে এবং সহীহ সূত্রে বর্ণনা করেন। তাই এই হাদীছের বক্তব্যের পরিপন্থী মত গ্রহণযোগ্য নহে (ইব্ন কাছীর, প্রাগুক্ত, ২খ., page ৬৯)।
বেথেলহামে ঈসা (আ)-এর ভূমিষ্ট হওয়ার জায়গায় রোমান সম্রাটগণ একটি গীর্জা নির্মাণ করিয়াছিলেন (ইব্ন কাছীর, প্রাগুক্ত; আবদুল ওয়াহহাব নাজ্জার, প্রাগুক্ত, page ৩৮১)। পূর্ববর্তী আম্বিয়ার মাধ্যমে এই কথা বলা হইতেছিল যে, মাসীহ দাউদ (আ)-এর নগরীতে জন্মগ্রহণ করিবেন (মথি, ২:৪,৫-৬)। আর বাইবেলে আসিয়াছে যে, হযরত দাউদ (আ)-এর জন্ম হইয়াছিল বেথেলহামে। হযরত মারয়াম বেথেলহামে থাকিতেই তাঁহার সন্তান ঈসা (আ)-এর জন্ম হয় (লূক সুসমাচার, ২:৪-৭)।
📄 বার্ণাবাসের বাইবেলের বিষয়বস্তু ও তাহার তাৎপর্য
বার্ণাবাসের সুসমাচারে অন্যান্য সুসমাচারের মতই হযরত ঈসা (আ)-এর জীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলী ও বাণী সংকলিত হইয়াছে। তবে বিষয়বস্তুগত দিক দিয়া বার্ণাবাসের গ্রন্থটি কয়েকটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের দাবিদার।
(১) ঈসা (আ) যে ইলাহ ছিলেন না, তাহা বার্ণাবাসের সুসমাচারে বারবার ব্যক্ত করা হইয়াছে। এই গ্রন্থের মতে ঈসা আল্লাহর পুত্র নহেন, বরং তিনি ছিলেন আল্লাহর বান্দাও রাসূল।
(২) এই গ্রন্থের মতে ইবরাহীমের সন্তানগণের মাঝে যাহাকে কুরবানী দেওয়া হইয়াছিল তিনি ইসহাক নহেন, বরং তিনি হইলেন ইসমাঈল (আ)।
(৩) এই গ্রন্থে হযরত মুহাম্মাদ (স)-এর আগমনের সুসংবাদটি বারবার উল্লেখ করা হইয়াছে।
(৪) এই সুসমাচারে মসীহকে ক্রুশবিদ্ধ করিয়া হত্যা করিবার ঘটনাকে অস্বীকার করা হইয়াছে। বরং যাহারা দাবি করেন যে, ঈসা (আ)-কে ক্রুশে বিদ্ধ করা হইয়াছিল, তাহাদেরকে মূর্খ বলা হইয়াছে।
(৫) এই সুসমাচারে ত্রিত্ববাদকে প্রত্যাখ্যান করা হইয়াছে।
(৬) সুসমাচারে তাকওয়া, তওবা, তথা অনুতাপ ও গোনাহর জন্য ক্রন্দন পদ্ধতি, নামায, রোযা, আল্লাহ্র স্মরণের প্রকৃতি, ঈসা (আ) ও বার্ণাবাসের মধ্যে সরাসরি কথোপকথন, পাপ মোচন তত্ত্বকে কমনির্ভরকরণ ইত্যাদি বিষয় আসিয়াছে, যাহা অন্যান্য গ্রন্থে এইভাবে আসে নাই।
(৭) অন্যান্য সুসমাচারের তুলনায় বার্ণাবাসের বাইবেলে ঈসা (আ)-এর বাণী বেশী আসিয়াছে এবং সেই বাণীগুলি সংযত ও যুক্তিসংগত শৈলীতে পরিবেশিত।
(৮) আদম ও হাওয়া (আ)-এর ঘটনা, ইবরাহীম (আ)-এর ঘটনাসহ উপমাস্বরূপ অতীত কাহিনীও উল্লেখ করা হইয়াছে, যাহাতে বিভিন্ন নসীহতমূলক কথাবার্তা রহিয়াছে।