📄 ইয়াহুদী ও খৃস্টান জগতে মারয়াম (আ) সম্পর্কে বাড়াবাড়ি ও তাহা খণ্ডন
কুরআন-সুন্নাহে বর্ণিত বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে মুসলমানগণ হযরত মারয়াম (আ)-কে যেইরূপ আদর্শ স্থানীয় মহিলা হিসাবে ধারণা পোষণ করিয়া থাকেন, ইয়াহুদী ও খৃস্টানগণ তেমনি ধারণা পোষণ করে না। ইয়াহুদী ও খৃস্টান জগত মারয়াম (আ) সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করিয়াছে, বিরূপ ও বিকৃত মন্তব্য করিয়াছে। কেহ তাঁহাকে মর্যাদাহীন প্রমাণ করিতে গিয়া বাড়াবাড়ি করিয়াছে, অন্যরা তাঁহাকে বেশী মর্যাদা দিতে গিয়া সীমা লংঘন করিয়াছে।
স্মর্তব্য যে, হযরত মারয়াম (আ) যখন পিতৃহীন সন্তান ঈসা (আ)-কে জন্ম দেন, তখন ইয়াহুদীগণ প্রথমে মারয়াম (আ) সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে। কিন্তু যখন তাহারা ঈসা (আ)-এর অলৌকিক জন্মের প্রমাণ দোলনা হইতে মুজিযাসুলভ কথা বলিবার মাধ্যমে পাইল, তখন এই মহান ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ইয়াহুদীদের আর কোনরূপ সন্দেহ রহিল না। অতঃপর তাহারা সতীসাধ্বী মারয়াম (আ)-কে পরবর্তী ত্রিশ বৎসর পর্যন্ত কোন অপবাদ দেয় নাই, আর ঈসা (আ)-কেও কখনও অবৈধ সন্তান বলিয়া তিরস্কার করে নাই। হযরত ঈসা (আ)-এর বয়স যখন ত্রিশ বৎসর হইল তখন তিনি নবুওয়াত লাভ করিয়া দাওয়াতী কাজ শুরু করিলেন। তিনি ইয়াহুদী সমাজের, বিশেষত ইয়াহুদী আলেম সমাজের বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি যখন প্রকাশ করিতে আরম্ভ করিলেন তখনই তাহারা 'ঈসা (আ)-এর বিরোধিতায় লিপ্ত হয়। তাহারা কেবল ঈসা (আ) সম্পর্কে কটূক্তি ও নিন্দাবাদ করিয়াই ক্ষান্ত হইল না, বরং তাঁহার সতী সাধ্বী মাতাকেও জঘন্য অপবাদ দিতে লাগিল যে, মারয়াম ব্যভিচারিণী ও ঈসা তাঁহার ব্যভিচারের ফসল (নাউযুবিল্লাহ)।
কুরআন মজীদে ইয়াহুদীদের এই অপবাদের নিন্দা জানানো হইয়াছে। এই অপবাদ দেওয়ার জন্য তাহাদের উপর লানত বর্ষিত হইয়াছে। যেমন আল্লাহ আ'তালার বাণী:
وَبِكُفْرِهِمْ وَقَوْلُهُمْ عَلَى مَرْيَمَ بُهْتَانًا عَظِيمًا .
"আর তাহারা লানতগ্রস্ত হইয়াছিল তাহাদের কুফরীর জন্য ও মারয়ামের বিরুদ্ধে গুরুতর অপবাদের জন্য" (৪: ১৫৬)।
ইয়াহুদীদের মধ্যে কেহ কেহ তাঁহার সম্পর্কে আল্লাহর নবী যাকারিয়্যা (আ)-কেও অপবাদ দিয়া থাকে। আর এইজন্য বলা হয়, যাকারিয়্যা (আ)-কে হত্যার কারণও তাহাই (দ্র. ইবনুল আছীর, প্রাগুক্ত)। তাহাদের কেহ কেহ আর এক আবিদ ইউসুফের সহিত জড়িত করিয়া মারয়াম (আ)-কে অপবাদ দিয়া থাকে। অথচ ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী এমন তথ্যও আছে, ইউসুফের সহিত মারয়ামের কোন কালেই বিবাহ হয় নাই, উভয়ে অত্যন্ত ধার্মিক ইবাদতগুযার ছিলেন (তাফসীরে মাজেদী, ২খ., page ৪৩৫; The new Encyclopedia of Britanica, vol. 1, Page 562. এইসব ভিত্তিহীন রটনাকে আল-কুরআনে গুরুতর অপবাদ (বুহতান আযীম) বলিয়া আখ্যায়িত করা হইয়াছে।
মোটকথা, তাহাদের ঐ অপবাদের সূত্র ধরিয়াই ইয়াহুদী সাহিত্যে হযরত মারয়াম (আ)-এর গর্ভে ঈসা (আ)-এর অলৌকিক জন্মের ঘটনা অস্বীকার করা হয় (ইসলামী বিশ্বকোষ, ১৮খ, page ১২৪)। এনসাইক্লোপেডিয়া বাইবেলিকায় Mary নিবন্ধে এই ব্যাপারে বিশদ আলোচনা করা হইয়াছে এবং সুসমাচারসমূহের (Gospels) বরাত দিয়া এই কথা প্রমাণিত করিবার চেষ্টা করা হইয়াছে যে, হযরত ঈসা (আ)-এর জন্ম অলৌকিক ছিল না। যেমন লুকের সুসমাচারের বরাতে মন্তব্য করা হয়, আমরা আরো অগ্রসর হইয়া বলিতে পারি যে, লুকের প্রথম দুই অধ্যায় কুমারীরা সন্তান জন্মের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য বহন করে (ইসলামী বিশ্বকোষ, ১৮খ, ১২৪)।
আর উক্ত বরাতে এই কথাও প্রতিপন্ন করিবার চেষ্টা করা হইয়াছে যে, হযরত মারয়াম (আ) কোন উচ্চ মর্যাদার অধিকারিনী ছিলেন না; বরং তিনিও উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গুনাহের কলংক হইতে বাঁচিয়া থাকিতে পারেন নাই (ইসলামী বিশ্বকোষ, ১৮খ, ১২৪)। 'এই পর্যায়ে শুধু ইয়াহুদী লেখক বা নাস্তিক পর্যায়ের পাশ্চাত্যের নব্য খৃষ্টবাদীদের প্রচেষ্টাই নহে বরং খোদ সুসমাচারসমূহেও হযরত মারয়াম (আ)-এর প্রতি যথাযথ শিষ্টাচার ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় নাই।
যথা মথি লিখিত সুসমাচারে রহিয়াছে, "যখন তিনি জনতার নিকট এই সকল কথা বলিতেছিলেন এমন সময়ে দেখ, তাঁহার মাতা ও ভাই বাহিরে দাঁড়াইয়াছিলেন এবং তাঁহার সহিত কথা বলিতে চাহিতেছিলেন। কেহ তাঁহাকে বলিলঃ আপনার মাতা ও ভ্রাতারা বাহিরে দাঁড়াইয়া রহিয়াছেন এবং আপনার সহিত কথা বলিতে চাহিতেছেন। তিনি সংবাদদাতাকে উত্তরে বলিলেন, আমার মাতা কে? আমার ভ্রাতারাই বা কাহারা? পরে তিনি তাঁহার শাগরিদগণের দিকে হাত বাড়াইয়া কহিলেনঃ এই দেখ, আমার মাতা ও আমার ভ্রাতারা; কেননা যে কেহ আমার স্বর্গস্থ পিতার ইচ্ছা পালন করে সেই আমার ভ্রাতা, ভগিনী ও মাতা (মথি, ১২: ৪৬-৫০, মার্ক, ৩: ৩১-৫; লুক, ৮: ১৯-২১; আরও (দ্র. মথিঃ ১৩: ৫৫; মার্ক, ৬: ৩, লুক, ৮: ২০)।
অথচ কুরআন কারীম, যাহা আল্লাহ তা'আলার শাশ্বত ও সংরক্ষিত বাণী, তাহাতে ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের মারয়াম সম্পর্কে অপবাদ ও অসম্মান প্রদর্শনকে সুস্পষ্টভাবে খণ্ডন করিয়াছে এবং উভয় সম্প্রদায়ের ভুলগুলি চিহ্নিত করিয়া দিয়াছে। হযরত মারয়াম (আ)-কে একজন মুত্তাকী, পবিত্র চরিত্রের অধিকারিনী, সতী সাধ্বী, ফেরেশতার সহিত বাক্যালাপকারিনী, সিদ্দীকা এবং অতি উচ্চতর পর্যায়ের আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বের অধিকারিনী মহিলা হিসাবে উল্লেখ করা হইয়াছে (দ্র. ৩: ৩৬-৩৭, ৪২, ৪৫)। সূরা আম্বিয়ায় হযরত মারয়াম (আ)-এর নির্মল অত্যুজ্জ্বল চারিত্রিক মাধুর্যের বর্ণনা আসিয়াছে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায়:
وَالَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهَا مِنْ رُوحِنَا وَجَعَلْنَاهَا وَابْنَهَا أَيَةً لِلْعَالَمِينَ .
"আর সেই নারী, যে নিজ সতীত্বকে রক্ষা করিয়াছিল, অতঃপর তাহার মধ্যে আমি আমার রূহ ফুঁকিয়া দিয়াছিলাম এবং তাহাকে ও তাঁহার পুত্রকে করিয়াছিলাম বিশ্ববাসীর জন্য এক নিদর্শন" (২১ঃ ৯১)।
সূরা তাহরীমের একটি আয়াতে হযরত মারয়াম (আ)-এর ক্রিয়াকলাপকে এক মহান রূহানী ব্যক্তিত্বের গুণে ভূষিত করিয়া পেশ করা হইয়াছে:
وَمَرْيَمَ ابْنَتَ عِمْرَانَ الَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهِ مِنْ رُّوحِنَا وَصَدَّقَتْ بِكَلِمَاتِ رَبَّهَا وَكُتُبِهِ وَكَانَتْ مِنَ الْقَانِتِينَ .
"(আল্লাহ আরও দৃষ্টান্ত দিতেছেন) ইমরান তনয়া মারয়ামের, যে তাহার সতীত্ব হিফাযত করিয়াছিল। ফলে আমি তাহার মধ্যে রূহ ফুঁকিয়া দিয়ছিলাম এবং সে তাহার প্রতিপালকের বাণী ও তাহার কিতাবসমূহ সত্য বলিয়া গ্রহণ করিয়াছিল; সে ছিল অনুগতদের একজন" (৬৬:১২)।
অপরদিকে খৃস্টানগণ হযরত মারয়াম (আ)-কে সম্মান প্রদর্শনের ক্ষেত্রে অতিশয় বাড়াবাড়ি করিয়া থাকে। তাহাদের শিল্প, সংগীত ও সাহিত্যে হযরত মারয়াম (আ) একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করিয়া আছেন। তাঁহার প্রশংসা ও প্রার্থনায় নিবেদিত হয় বিশেষ সংগীত। খৃস্টান জগত মারয়াম (আ) সম্পর্কে যে সকল ধারণার জন্ম দিয়াছে তাহাকে দর্শনে রূপ দিয়াছে যাহাকে Doctrine of Mary বা Mariology বলা হয়। যদিও এই ধারণাগুলি একদিনে গড়িয়া উঠে নাই (Encyclopaedia of Britanica, Vol. 14, Page 996)।
এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকায় ঐ দর্শনের আলোকে যুগে যুগে প্রাপ্ত তত্ত্বের ভিত্তিতে মারয়ামকে বিভিন্ন অভিধায় অভিহিত করা হইয়াছে। যেমন, কুমারী মাতা (Virgin mother), প্রভু মাতা (Mother of god) বা প্রভুর বাহক (God bearer), চির কুমারী (ever virgin), আদি পাপমুক্ত (Immaculate), স্বশরীরে স্বর্গে প্রবেশকারিনী (Assumed into the Heaven), (দ্র. প্রাগুক্ত, page ৯৯৭)। The new Encyclopaedia of Britanica তে তাঁহাকে দ্বিতীয় হাওয়া (Second Eve) নামেও আখ্যায়িত করা হইয়াছে (১১খ., page ৫৬১)।
এইগুলি শুধু তাঁহার উপাধিই নহে, বরং খৃস্টানদের আকীদারও অংশ। এইজন্য তাঁহার প্রতি খৃস্টান চার্চ (রোমান ক্যাথলিক হউক বা অর্থোডক্স হউক) স্তুতিমূলক বিশেষ প্রার্থনা (Rosary) পালন করে।
টিকাঃ
১. ইবনুল আরাবীর আহকামুল কুরআন (২খ, ২৮০), আল-মানার (৬খ, ৩৯২) এবং তাফসীরে তাবারীতেও (১০খ, ৯৭) এই ধরনের বর্ণনা রহিয়াছে।
২. আল্লামা ইবনুল আরাবীর আহকামুল কুরআন (২খ, ২৮০) এবং রূহুল মা'আনীতে (১৬খ, ৩০) এই ধরনের বর্ণনা রহিয়াছে।
📄 গ্রন্থপঞ্জী
গ্রন্থপঞ্জী: (১) William Little, H.W. Fowler and lessie Coulson, The Shorter Oxford English dictionary on historical priciple, vol. 2 (Oxford : clorind on 1973); (২) বাইবেল বঙ্গানুবাদ (ঢাকা: বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটি, ১৯৯৩/৯৭);
(৩) Colliers Encyclopedia, vol. 15 (New York : Macmillan Educational Corporation, 1977); (৪) The Encyclopedia Americana, vol. 18 (Danbury : Americana Corporation, 1979); (৫) আবুল কাসিম আল-হুসায়ন ইবন মুহাম্মাদ (রাগিব আল-ইসফাহানী হিসাবে পরিচিত), আল-মুফরাদাতু ফী গরীবিল কুরআন (বৈরূত, দারুল মারিফা, তা. বি.); (৬) আলাউদ্দীন আল-বাগদাদী, আল-খাযিন, লুবাবুত্-তাবীল ফী মা'আনিয়ি্যত তানযীল (তাফসীরে খাযিন হিসাবে প্রসিদ্ধ) (বৈরূত, দারুল মারিফা, তা. বি.); (৭) আবুল কাসিম জারুল্লাহ আয-যামাখশারী, আল-কাশশাফ (বৈরূত, দারুল মারিফা, তা. বি.); (৮) আবূ আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ আল-আনসারী আল-কুরতুবী আল-জামিলি-আহকামিল কুরআন (বৈরূত, দারু ইহয়াইত্ তুরাছিল আরাবী, তা. বি.); (৯) কাযী ফাখরুদ্দীন আর-রাযী, আত্-তাফসীরুল কবীর (বৈরূত, দারু ইয়াইত তুরাছিল আরাবী, তা. বি.); (১০) শায়খ যাদাহ্, হাশিয়া আলা তাফসীরিল বায়দাবী (তাফসীরে বায়দাবীর উপর টীকা; মুলতান: মাক্কাবা ইমদাদিয়া, তা. বি.); ১২. রায়দাবী, তাফসীর বায়দাবী (কলিকাতা, এম বশীর হাসান এন্ড সন্স, তা. বি.); ১৩. ফীরোযাবাদী, আল-কামূসুল মুহীত; (১৪) ইমাম 'আবদুল্লাহ আহমদ ইব্ন মাহমূদ আন-নাসাফী, মাদারিকুত্ তানযীল ওয়া হাকায়িকুত্ তাবীল (তাফসীরে নাসাফী হিসাবে প্রসিদ্ধ, করাচী, কাদেমী কুতুবখানা, তা.বি.); (১৫) Encyclopaedia Britannica, vol.14 (Chicago : Ency. Britannica LTD,1962); (১৬) The New Encyclopaedia Britannica, vol.11, (Chicago : Encyclopaedia Britannica Inc. 1980); (১৭) মাও. আবুল কালাম আযাদ, তরজমানুল কুরআন, ৪খ, নয়াদিল্লী, সাতিয়া একাডেমী, ৩য় সং, ১৯৮০; (১৮) আবূ জাফর মুহাম্মাদ ইব্ন জারীর তাবারী, জামিউল বায়ান ফী তাফসীরিল কুরআন, আরবী, বৈরূত: দারুল মারিফা, ১৩৯৮ হি./১৯৭৮ খৃ., ও বঙ্গানুবাদ তাফসীরে তাবারী শরীফ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ঢাকা ১৯৯৪; (১৯) আবদুল মাজেদ দরিয়াবাদী, তাফসীরে মাজেদী, বঙ্গানুবাদ মাওলানা মহাম্মদ ওবাইদুর রহমান মল্লিক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ঢাকা ১৯৯৪; (২০) ইবনুল জাওযী, যাদুল মাসীর, (দামিঙ্ক: আল-মাক্তাবুল ইসলামী, ১ম সং, ১৩৮৪ হি./১৯৬৪ খৃ.); (২১) ইবন কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম (বৈরূত: দারুল মারিফা, ১৪০০ হি./১৯৮০ খৃ.); (২২) ঐ, আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া (কায়রোঃ দারুদ দায়্যান, ১৪০৮ হি./১৯৮৮ খৃ.); (২৩) ইবনুল আরাবী, আহকামুল কুরআন (বৈরূত: দারুল মারিফা তা.বি:); (২৪) সায়্যিদ মাহমূদ আলুসী, রূহুল মা'আনী (বৈরূত: দারু ইহয়াইত্ তুরাছিল আরাবী, তা.বি.); (২৫) মাও. হিফযুর রহমান, সিউহারবী, কাসাসুল কুরআন, ৪খ., বঙ্গানুবাদ মাওলানা মুহাম্মদ মূসা (ঢাকা: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ, ১৯৮৯ খৃ./১৪০৯ হি.); ২৬. ছানাউল্লাহ পানিপথি, তাফসীরে মাযহারী, বঙ্গানুবাদ ই.ফা.বা. ১৯৯৭ খৃ.; (২৭) কিরমানী, শারহি সহীহিল বুখারী, বৈরূত, দারু ইহয়াইত্ তুরাছিল আরাবী, ১৪০১ হি./১৯৮১ খৃ.; (২৮) জাস্সাস, আহকামুল কুরআন, দামিশক: দারুল ফিক্স তা.বি.; (২৯) ইসমাঈল হাক্বী, রূহুল বায়ান, বৈরূত, দারু ইহয়াইত্ তুরাছিল আরাবী, ১৪০৫ হি./১৯৮৫ খৃ.; (৩০) আবদুল হক হাক্কানী, তাফসীরে হাক্কানী, দিল্লী: ইতিকাদ পাবলিকেশান্স হাউস, তা.বি.; (৩১) মাও. মওদূদী, তাফহীমুল কুরআন, উর্দু (৩খ. page ৬৩), দিল্লী: মারকখী মাক্কাবা ইসলামী, ১৯৮২ খৃ.; (৩২) ইবনুল আছীর, আল-কামিল ফিত্ তারীখ, বৈরূত, দারুল কুতুবিল ইসলামিয়া, ১৪০৭ হি./১৯৮৭ খৃ.; (৩৩) ইবন হাজার আসকালানী, ফাতহুল বারী (বৈরূত), দারু ইহয়াইত্ তুরাছিল আরাবী, ১৪০২ হি.; (৩৪) ইব্ন হাযম, আল-ফিসাল ফিল মিলাল ওয়াল আহ্ওয়াই ওয়ান-নিহাল (৫খ, page ১৭), বৈরূত, দারুল মারিফা, ১৩৯৫ হি./১৯৭৫ খৃ.; (৩৫) বদরুদ্দীন আয়নী, উমদাতুল কারী, শারহু সাহীহিল বুখারী, বৈরুত, দারু ইহয়াইত্ তুরাছিল আরাবী, তা.বি.; (৩৬) সুনান তিরমিযী, দিল্লী, কুতুবখানা রশীদিয়া, তা.বি; (৩৭) John R. Hinnclis, who's who of world Religions, London, Macmillan press, 1991।