📄 হযরত দাউদ (আ)-এর মু'জিযাঃ লৌহবর্ম
আল্লাহ তা'আলা হযরত দাউদ (আ)-কে যে প্রজ্ঞাপূর্ণ জ্ঞান দান করিয়াছিলেন, লৌহবর্ম নির্মাণ সংক্রান্ত প্রযুক্তিও তাহার অন্তর্ভুক্ত। কুরআন মজীদের দুই স্থানে এই সংক্রান্ত বর্ণনা আসিয়াছে। মহান আল্লাহ বলেন: “এবং আমি তাহাকে তোমাদের জন্য বর্ম নির্মাণ শিক্ষা দিয়াছিলাম, যাহাতে তাহা তোমাদের যুদ্ধে তোমাদেরকে রক্ষা করে। অতএব তোমরা কি কৃতজ্ঞ হইবে না" (২১ঃ ৮০)?
"আর আমি তাহার জন্য নমনীয় করিয়াছিলাম লৌহ, যাহাতে তুমি পূর্ণ মাপের বর্ম নির্মাণ করিতে এবং বুননে পরিমাপ রক্ষা করিতে পার" (৩৪: ১০)।
দাউদ (আ)-এর বর্ম নির্মাণ প্রযুক্তি আয়ত্ত করা সম্পর্কে ইব্ন আসাকির বর্ণনা করিয়াছেন যে, তিনি তাঁহার জীবনকালের উল্লেখযোগ্য সময় আল্লাহর ইবাদতে ও অসহায়ের সেবায় ব্যয় করেন। তিনি প্রায়ই ছদ্মবেশে বাহিরে যাইতেন এবং আগন্তুকদের নিকট তাহাদের আগমনের কারণ-জিজ্ঞাসা করিতেন। তিনি তাহাদেরকে নিজের পরিচয় গোপন রাখিয়া নিজের সম্পর্কে তাহাদের মতামত অবহিত হইতেন। তাহারা বলিত, তিনি তাঁহার নিজের ও তাঁহার উম্মতের জন্য আল্লাহর এক কল্যাণময় সৃষ্টি। একদা আল্লাহ তা'আলা একজন ফেরেশতাকে মানববেশে তাঁহার নিকট পাঠাইলে তিনি তাহাকেও একইভাবে জিজ্ঞাসা করেন। ফেরেশতাবেশে মানবও তাঁহার সম্পর্কে একই মন্তব্য করেন। দাউদ (আ) আল্লাহ তা'আলার নিকট দু'আ করেন যে, তিনি তাঁহাকে এমন একটি পেশা শিখাইয়া দিন যাহাকে অবলম্বন করিয়া তাঁহার ও তাঁহার পরিবারবর্গের জীবিকার ব্যবস্থা করিতে পারেন। আল্লাহ তা'আলা তাঁহার দু'আ কবুল করেন, তাঁহাকে লৌহবর্ম নির্মাণের কৌশল শিখাইয়া দেন। তিনি উহা নির্মাণ করিয়া বাজারে বিক্রয় করিয়া যে অর্থ পাইতেন তাহার এক-তৃতীয়াংশ দান-খয়রাত করিতেন, এক-তৃতীয়াংশ দ্বারা পরিজনবর্গের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করিতেন এবং যেদিন অন্যরূপ ব্যস্ততার কারণে কাজ করিতে পারিবেন না সেদিন দান-খয়রাত করার জন্য এক-তৃতীয়াংশ সঞ্চয় করিয়া রাখিতেন (তাহযীব তারীখ দিমাশক, ৫খ, পৃ. ১৯৩-৪)।
স্বশ্রমে উপার্জন করিয়া জীবিকা নির্বাহ একটি প্রশংসনীয় বিষয়। মহানবী (স) বলেনঃ "স্বহস্তে বা স্বশ্রমে উপার্জিত খাদ্য অপেক্ষা উত্তম খাদ্য কেহ ভক্ষণ করে নাই। আল্লাহ্ নবী দাউদ (আ) স্বশ্রমে উপার্জন করিয়া জীবিকা নির্বাহী করিতেন” (বুখারী, বুয়ু, বাব ১৫, নং ১৯২৭)।
আধুনিক কালের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা ও খননকার্যে প্রমাণিত হয় যে, মানব সমাজে লৌহ ব্যবহারের যুগ খৃ. পৃ. ১২০০-১০০০ বৎসরের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হইয়াছিল। ইহাই ছিল হযরত দাউদ (আ)-এর সময়কাল। আকাবা ও আয়লা সন্নিহিত হযরত সুলায়মান (আ)-এর আমলের সামুদ্রিক বন্দর ইচুউন জাবির-এর প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে যে কারখানার ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়াছে তাহা পর্যবেক্ষণ করিয়া অনুমান করা হইয়াছে যে, তাহাতে এমন সব সূত্র প্রয়োগ করা হইত, যাহা বর্তমান কালের Blast Furnace-এ ব্যবহৃত হইয়া থাকে। হযরত দাউদ (আ) সর্বপ্রথম সর্বাধিকভাবে এই নূতন পন্থাকে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করিয়াছেন (তাফহীম, সূরা আম্বিয়া, ৭১ নং টীকা)। "আমি দাউদের জন্য লৌহ নরম করিয়া দিয়াছিলাম" অর্থাৎ তাঁহার হাতের স্পর্শে লোহা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নরম হইয়া যাইত। তিনি মোমের ন্যায় ইহাকে যেভাবে ইচ্ছা মোটা, সরু, লম্বা, চওড়া করিতে পারিতেন। ইহার জন্য কঠোর শ্রম ও লোহারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি কিছুই দরকার হইত না (মা'আরিফুল কুরআন, সৌদী সং, পৃ. ৮৮৪; কাসাসুল কুরআন-হিফজুর রহমান, ২খ, পৃ. ২৮৪; কাসাসুল আম্বিয়া, নাজ্জার, পৃ. ৩১০)। ইমাম রাযী (র) বলেন, হযরত দাউদ (আ)-ই সর্বপ্রথম লৌহবর্ম নির্মাণ করেন, অতঃপর লোকেরা তাঁহার নিকট হইতে ইহার নির্মাণবিদ্যা শিক্ষা করে এবং এইভাবে তাহারা উহার উত্তরাধিকারী হয় (তাফসীরে কবীর, ২১খ, ২০১)।
যে শিল্প দ্বারা সমাজের মানুষ উপকৃত হয়, তাহাদের প্রয়োজন পূর্ণ হয় এবং পেশাগত বা অন্য কাজে লাগে সেই শিল্প উৎপাদন করা অত্যন্ত ছওয়াবের কাজ। মহানবী (স) বলেনঃ
"যে শিল্পী তাহার শিল্পকর্মের সওয়াব লাভের নিয়ত রাখে সে মূসা (আ)-এর মাতার অনুরূপ। তিনি নিজ সন্তানকে দুধ পান করাইয়া অপরের নিকট হইতে পারিশ্রমিকও পাইয়াছিলেন" (মা'আরিফুল কুরআন, ৬খ, ২১২)।
নবী-রাসূলগণও কায়িক শ্রমে নিয়োজিত হইয়াছেন। যেমন দাউদ (আ) শস্য বপন ও কর্তন করিয়াছেন। অতএব যে ব্যক্তি জনসাধারণের উপকার সাধনের অভিপ্রায়ে শিল্পকর্ম করে, সে জনসেবার সওয়াব তো পাইবেই, উপরন্তু শিল্পকর্মের পার্থিব উপকারও প্রাপ্ত হইবে (মা'আরিফুল কুরআন, সৌদী সং, পৃ. ৮৮৪-৫; আরও দ্র. পৃ. ৮৫২)।
📄 পাখির ভাষা বোঝার ক্ষমতা
আল্লাহ তা'আলা হযরত দাউদ (আ) ও হযরত সুলায়মান (আ)-কে মুজিয়াস্বরূপ পাখীর ভাষা বুঝিবার ক্ষমতা দান করিয়াছিলেন। একই ভাষাভাষী মানুষ যেমন সহজেই পরস্পরের কথা বুঝিতে পারে, তদ্রূপ তাঁহারাও পাখির ডাক শুনিয়া তাহার অর্থ বুঝিতে পারিতেন। মহান আল্লাহ বলেন:
وَوَرِثَ سُلَيْمَانُ دَاوُدَ وَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ عُلِّمْنَا مَنْطِقَ الطَّيْرِ وَأُوتِينَا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ .
"সুলায়মান দাউদের উত্তরাধিকারী হইল এবং সে বলিল, হে জনগণ! আমাদেরকে পক্ষীকুলের ভাষা শিক্ষা দেওয়া হইয়াছে এবং আমাকে সকল কিছু দেওয়া হইয়াছে; ইহা অবশ্যই সুস্পষ্ট অনুগ্রহ” (২৭: ১৬)।
আল্লামা বায়দাবী (র) বলেন, 'উল্লিমনা' ও 'উতীনা' ক্রিয়াপদদ্বয়ের সর্বনাম (দামীর) দ্বারা, পিতা-পুত্র উভয়কে বুঝানো হইয়াছে (নাজ্জার, কাসাস, পৃ. ৩১০; আরও তু. আনওয়ারে আম্বিয়ড়, পৃ. ১১০-১১; কাসাসুল কুরআন, বাংলা অনু., ২খ, পৃ. ২৮৫)। তবে অনেক তাফসীরকারের মতে কেবল সুলায়মান (আ)-কে এই ক্ষমতা প্রদান করা হইয়াছিল।
📄 সুলায়মান (আ) দাউদ (আ)-এর উত্তরাধিকারী
আল্লাহ তা'আলা যোগ্য পিতাকে যোগ্য উত্তরাধিকারী পুত্র দান করিয়াছিলেন (দ্র. ২৭: ১৬)।
وَوَهَبْنَا لِدَاؤُدَ سُلَيْمَانَ نِعْمَ الْعَبْدُ إِنَّهُ أَوَّابٌ .
"আমি দাউদকে দান করিয়াছিলাম সুলায়মান। সে ছিল উত্তম বান্দা এবং অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী” (৩৮: ৩০)।
পরবর্তী ইতিহাস প্রমাণ করে যে, সুলায়মান (আ) তাঁহার পিতার রাজত্বকে আরও সম্প্রসারিত করিয়া উহাকে দৃঢ়তা দান করেন, সাবা সাম্রাজ্যকে ইসলামী শাসনাধীনে আনয়ন করেন এবং সাবার রাণী বিলকীস পারিষদবর্গসহ শিরক ত্যাগ করিয়া ইসলাম গ্রহণ করেন (বিস্তারিত দ্র. শিরো. সুলায়মান আ.)।
এখানে উত্তরাধিকার বলিতে ধন-সম্পত্তির উত্তরাধিকার বুঝানো হয় নাই, বরং নবুওয়াত ও খিলাফাতের উত্তরাধিকার বুঝানো হইয়াছে। কারণ তিনি একাধারে নবুওয়াত প্রাপ্ত হন এবং পিতার পরে তাঁহার রাজ্যের অধিপতি হন। অতএব উক্ত আয়াত মহানবী (স)-এর নিম্নোক্ত বাণীর বিরোধী নহে:
لا نُورَثْ مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ
"আমাদের (নবী-রাসূলগণের) ওয়ারিছ হয় না, আমরা যাহা রাখিয়া যাই তাহা সাদাকা" (বুখারী, জিহাদ, বাব ২০২, নং ২৮৬৩; ই'তিসাম, ৫খ, পৃ. ৪২৪, নং ৬৭৯৫; নাফাকাত, ৫খ, পৃ. ১৬৩-৪, নং ৪৯৫৮; মুসলিম, জিহাদ, ৬খ, নং ৪৪২৫, ৪৪২৭-৮, ৪৪৩০, ৪৪৩৩; তিরমিযী, সিয়ার, বাব ৪৩, নং ১৫৫৪, ১৫৫৬)।
إِنَّ النَّبِيُّ لَا يُورَثُ إِنَّمَا مِيرَاثُهُ فِي فُقَرَاءِ الْمُسْلِمِينَ وَالْمَسَاكِينِ .
"নবীর ওয়ারিছ হয় না। তাঁহার পরিত্যক্ত সম্পত্তি মুসলমানদের ফকীর-মিসকীনদের জন্য" (মুসনাদে আহমাদ, ১খ, পৃ. ১০, ১৩)।
الْعُلَمَاءُ وَرَثَةُ الأَنْبِيَاءِ وَإِنَّ الأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوْرِثُوا ديناراً وَلَا دِرْهَمَا وَلَكِنْ وَرَثُوا الْعِلْمَ .
"আলেমগণ নবীগণের ওয়ারিছ। নবীগণ দীনার কিংবা দিরহাম (ধন-সম্পদ) রাখিয়া যান নাই, বরং রাখিয়া গিয়াছেন জ্ঞান" (আবূ দাউদ, ইলম, বাব ১; তিরমিযী, ইলম, বাব ১৯, নং ২৬১৯; ইবন মাজা, মুকাদ্দিমা, বাব ১৭, নং ২২৩)।
অতএব সুলায়মান (আ) তাঁহার পিতার নবুওয়াত ও রাষ্ট্র পরিচালনা কার্যাদির ওয়ারিছ হইয়াছিলেন (বিস্তারিত দ্র. তাফসীরে কবীর, ২৪খ, পৃ. ১৮৬; তাফহীমুল কুরআন, ৩খ, পৃ. ৫৬১-২, টীকা ২০; মাআরেফুল কোরআন, ৬ খ, পৃ. ৬২৩; রূহুল মাআনী, ১৯ খ, পৃ. ১৭০-১)।
📄 দাউদ (আ)-এর কণ্ঠস্বর
আল্লাহ তাআলা দাউদ (আ)-কে এমন এক হৃদয়স্পর্শী সুললিত কণ্ঠস্বর দান করিয়াছিলেন যে, তাঁহার আবেগময় সুরমুর্ছনায় প্রতিটি প্রাণী বিমোহিত হইয়া থমকিয়া দাঁড়াইত। তিনি যখন আল্লাহ্র যিকিরে মশগুল হইতেন বা আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করিতেন তখন তাঁহার সুর মাধুর্যে প্রাণীজগত বিমোহিত হইয়া তাঁহার সহিত যিকিরে লিপ্ত হইত, এমনকি পাহাড়-পর্বতও যিকিরে শরীক হইত। তাঁহার কণ্ঠস্বর প্রবাদবাক্যে (লাহন-ই দাউদ) পরিণত হইয়াছে (বিদায়া, ২খ, পৃ. ১০-১১; তাহযীব তারীখ দিমাশক, ৫ খ, পৃ. ১৯৪-৫; আরাইস, পৃ. ২৯৭; নাজ্জার, কাসাস, পৃ. ৩১১; তাফসীরে কবীর, ২৬ খ., পৃ. ১৮৫)।
আইশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আবূ মূসা আশআরী (রা)-র কুরআন তিলাওয়াত শুনিয়া বলেন, আবূ মূসাকে দাউদ (আ)-এর সুর দান করা হইয়াছে (মুসনাদে আহমাদের বরাতে বিদায়া, ২খ, পৃ. ১১; একই বরাতে আবূ হুরায়রা (রা) কর্তৃকও অনুরূপ হাদীছ বর্ণিত হইয়াছে)।
বাদ্যযন্ত্র শয়তানের আবিষ্কার। শয়তান যখন লক্ষ্য করিল যে, দাউদ (আ)-এর সুরমাধুর্যে মুগ্ধ হইয়া মানব, পশু-পাখি, গাছপালা, পাহাড়-পর্বত ইত্যাদি তাঁহার সহিত আল্লাহর যিকিরে মশগুল হইতেছে, তখন সে তাহাদেরকে পথভ্রষ্ট করিবার উপায় উদ্ভাবন করিতে তাহার অনুচরদিগকে নির্দেশ দিল। ইহারা দাউদ (আ)-এর ৭০টি সুর বিভিন্ন রকম বাদ্যযন্ত্রে নকল করিয়া মানুষকে পথভ্রষ্ট করে (আরাইস, পৃ. ২৯৭; তাহযীব তারীখ দিমাশক, ৫খ, পৃ. ১৯৫-৬)।
এইজন্যই মহানবী (স) বাদ্যযন্ত্রকে “মাযামীরুশ শায়তান” (শয়তানের বাদ্যযন্ত্র) আখ্যায়িত করিয়াছেন। হযরত আবূ বাক্স (রা) রাসূলুল্লাহ (স)-এর গৃহে প্রবেশ করিয়া দুইটি বালিকাকে সংগীত পরিবেশন করিতে দেখিয়া বলিলেন:
الْمَرْمُورِ الشَّيْطَانِ فِي بَيْتِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .
"শয়তানের বাদ্যযন্ত্র দ্বারা কি রাসূলুল্লাহ (স)-এর গৃহে গান গাওয়া হইতেছে”। (মুসলিম, ঈদায়ন, নং ১৯৩১, ৩খ, ২৪৬; আরও দ্র. নং ১৯৩৫, পৃ. ২৪৮; বুখারী, মানাকিব, ৩খ, পৃ. ৬৫৯, বাব ১০৪, নং ৩৬৪১; জিহাদ, বাবা ৮০, নং ২৬৯২, পৃ. ১৩০-১)।
আনাস (রা) হইতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (স) বলেনঃ
صوتَانِ مَلْعُونَانِ فَاجِرَانِ أَنْهَى عَنْهُمَا صَوْتُ عِزْمَارٍ وَرَنَّهُ شَيْطَانٍ .
"দুইটি শব্দ অভিশপ্ত ও পাপিষ্ঠ, আমি সেই দুইটি নিষিদ্ধ করিতেছি: বাদ্যযন্ত্রের শব্দ ও শয়তানের আওয়াজ” (জামে তিরমিযীর বরাতে কুরতুবী, ১৪খ, পৃ. ১৫৩)।
উল্লেখ্য যে, দাউদ (আ)-এর কণ্ঠস্বরকেও মিযমার (বাদ্যযন্ত্র) বলা হইয়াছে। তাহা বাদ্যযন্ত্র অর্থে নহে, বরং সুমধুর সুর হিসাবে।