📄 জন্ম ও বংশপরিচয়
হযরত ইউশা' (আ)-এর পিতার নাম ছিল নূন (নুন)। তিনি ছিলেন হযরত ইউসুফ (আ)-এর বংশধর। পিতার মিসরে অবস্থানকালে ইউশা' (আ) সেইখানেই জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁহার বংশ নির্ধারণে কিছু মতপার্থক্য রহিয়াছে। ইব্ন হাজার আস্কালানী ইবনুল আরাবীর বরাতে উল্লেখ করেন, তিনি হযরত মূসা (আ)-এর ভাগিনা (দ্র. ইবনুল আরাবী, আহ্হ্বামূল কুরআন, বৈরূত, তা.বি., ৩খ, পৃ. ১২৪৪; ইব্ন হাজার আস্কালানী, ফাল্গুল বারী, বৈরূত, তা.বি., ৮খ, পৃ. ৪১৫)।
প্রখ্যাত ঐতিহাসিক তাবারী, ইবনুল আছীর, বিশিষ্ট মুফাস্স্সির ইবনুল আরাবী প্রমুখের মতে হযরত ইউশা' (আ)-এর নসবনামা নিম্নরূপ: ইব্ন নূন ইব্ন আফ্রাইম ইব্ন ইউসুফ ইব্ন ইয়া'কূব ইবন ইসহাক ইব্ন ইবরাহীম (আ) (দ্র. ইন্ন জারীর আত-তাবারী, তারীখুল উমাম ওয়াল মুলুক, বৈরূত, ১৪০৩/১৯৮৩, ১খ, পৃ. ৩০৬, ইবনুল আছীর, প্রাগুক্ত, ১খ, পৃ. ১৫৩, ইবনুল 'আরাবী, প্রাগুক্ত, ৩খ, পৃ. ১২৪৪)।
অপরদিকে 'আল্লামা বদরুদ্দীন আল্-'আয়নী স্বীয় গ্রন্থে ইউশা' (আ)-এর এক বিস্তারিত নসবনামা পেশ করেন এইভাবে:
ইউশা' ইব্ন নূন ইবনুর য়াশামি' ইব্ন আম্মীহুয়া ইন্ন বারিস ইব্ন বা'দান ইব্ন নাখার ইব্ন তালিখ ইব্ন রাশিফ ইব্ন রাকিখ ইব্ন বারীআ ইব্ন আফ্রাঈম ইব্ন ইউসুফ ইব্ন ইয়া'কূব আলাইহিমুস্ সালাতু ওয়াস্-সালাম (দ্র. বদরুদ্দীন আল-'আয়নী, 'উমাদাতুল কারী শারহু সাহীহিল্ বুখারী, পাকিস্তান, বেলুচিস্তান, আল-মাক্তাবাতুর-রাশীদিয়া, ১৪০৬ হি., ২খ., পৃ. ৬৩)।
যাহাই হউক তাঁহার নসবনামা সম্পর্কে উপরিউক্ত বর্ণনাগুলি ইসরাঈলী উৎস হইতে গৃহীত। মোটকথা তাঁহার বংশক্রম সম্পর্কে সামান্য মতপার্থক্য থাকিলেও তিনি যে বানু ইসরাঈল তথা ইয়া'কূব (আ)-এর পুত্রগণের মাঝে হযরত ইউসুফ (আ)-এর বংশ শাখার অন্তর্ভুক্ত ছিলেন সেই বিষয়ে অধিকাংশ ঐতিহাসিক ঐক্যমত পোষণ করিয়াছেন।
📄 ইউশা (আ)-এর সময়কাল
তাঁহার সময়কাল নির্দিষ্ট করিয়া বলা কঠিন। তবে তাঁহার জীবনের একটি অংশ মূসা (আ)-এর সাহচর্যে কাটে। মূসা (আ)-এর ইন্তিকালের পরে তিনি বানু ইসরাঈলের নবী হিসাবে দায়িত্ব পালন করিয়াছিলেন, এই ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়। অধুনা বিভিন্ন গবেষণা ও ইনসাইক্লোপিডিয়া অব রিলিজিয়ন-এর পরিবেশিত তথ্যে দেখা যায়, তিনি খৃষ্টপূর্ব ত্রয়োদশ শতাব্দীর লোক ছিলেন (দ্র. Ency. of Religion, vol. 8, P. 118; আরো দ্র. মুহাম্মাদ জামীল আহমদ, আম্বিয়ায়ে কুরআন, লাহোর, তা.বি., ২খ, পৃ. ৩০৪)।
তাঁহার শৈশবকাল সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে মিসরের মাটিতে তিনি জন্মগ্রহণ করিয়া সেইখানেই তাঁহার শৈশবকাল অতিবাহিত করিয়াছিলেন। কেননা বানু ইসরাঈলগণ সিনাইয়ে আসিবার সময় হযরত ইউশা' (আ)-এর বয়স বিশ বৎসরের কম ছিল না বলিয়া তথ্য পাওয়া যায়। যেমন প্রচলিত বাইবেলে আছে:
"আর সেইদিন সদাপ্রভুর ক্রোধ প্রজ্জ্বলিত হইলে তিনি শপথ করিয়া বলিয়াছিলেন, আমি আব্রাহামকে, ইসহাককে ও যাকোবকে যে দেশ দিতে দিব্য করিয়াছি, মিসর হইতে আগত পুরুষদের মধ্যে বিংশতি বৎসর ও ততোধিক বয়স্ক কেহই সেই দেশ দেখিতে পাইবে না। কেননা তাহারা সম্পূর্ণরূপে আমার অনুগত হয় নাই; কেবল কনিসীয় যিষ্ণুন্নির পুত্র কালেব ও নূনের পুত্র যিহোশুয় উহা দেখিবে। কারণ তাহারাই সম্পূর্ণরূপে সদাপ্রভুর অনুগত হইয়াছে" (গণনাপুস্তক, ৩৪ : ১৭)।
সেই সময়ে তিনি ছিলেন একজন যুবক। সেইজন্য আল-কুরআনেও তাঁহাকে মূসা (আ)-এর যুবক হিসাবে আখ্যায়িত করা হইয়াছে (দ্র. ১৮:৬০)।
📄 কুরআন ও হাদীছে হযরত ইউশা (আ)
কুরআন কারীমে হযরত ইউশার প্রসঙ্গ উল্লিখিত হইয়াছে যদিও স্পষ্টভাবে তাঁহার নাম উল্লেখ করা হয় নাই (দ্র. ইব্ন কাছীর, প্রাগুক্ত)।
উবাই ইব্ন কা'ব (রা) বর্ণিত মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (স)-এর হাদীছে উল্লেখ করা হয় যে, আল-কুরআনে বর্ণিত মূসা (আ) ও খিযির (আ)-এর সাক্ষাত লাভের ঘটনায় মূসা (আ)-এর সাথে যেই যুবক ছিলেন, সেই যুবকের নাম ইউশা' ইব্ন নূন (বুখারী, কিতাবুত্ তাফসীর, বাব ওয়া ইয কালা মূসা লিফাতাহু.....; দ্র. ইব্ন হাজার আস্কালানী, প্রাগুক্ত, ৮খ, পৃ. ৪০৯)। আল-কুরআনের সূরা কাহফে সেই যুবকের বিষয়টিই উল্লেখ করা হইয়াছেঃ
وَإِذْ قَالَ مُوسَى لِفَتَاهُ لَا أَبْرَحُ حَتَّى ابْلُغَ مَجْمَعَ الْبَحْرَيْنِ أَوْ أَمْضِيَ حُقُبًا .
"স্মরণ কর, মূসা যখন তাহার সঙ্গী যুবককে বলিয়াছিল, দুই সমুদ্রের সংগমস্থলে না পৌঁছিয়া আমি থামিব না অথবা আমি যুগ যুগ ধরিয়া চলিতে থাকিব" (১৮: ৬০)।
فَلَمَّا جَاوَزَا قَالَ لِفَتَاهُ أَتَنَا غَدًا عَنَا لَقَدْ لَقِينَا مِنْ سَفَرِنَا هَذَا نَصَبًا .
"যখন উহারা আরও অগ্রসর হইল, মূসা তাহার সংগী যুবককে বলিল, আমাদের প্রাতঃরাশ আন, আমরা তো আমাদের এই সফরে ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছি" (১৮: ৬২)।
অনেক মুফাস্স্সির ও মুহাদ্দিছের-প্রসিদ্ধ মত হইল, সেই যুবক ছিলেন ইউশা' ইব্ নূন (আ)। নাওফ আল-বিকালি ও আবূ নসর ইবনুল কুশায়রী ও ইবনুল আরাবী (দ্র. ইবন হাজার আস্কালানী, প্রাগুক্ত, ৮খ., পৃ. ৪১৫, আরো দ্র. আবূ 'আবদুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইব্ন আহমাদ আল্-আনসারী আল-কুরতুবী, আল-জামি'উ লি-আহকামিল কুরআন, কায়রো, দারুল কিতাবিল 'আরাবী, ১৩৮৭ হি/১৯৬৭, ১১খ, পৃ.) প্রমুখ ধারণা করিয়াছেন যে, সেই যুবক ইউশা' ইব্ন নূন নহেন।
যাহা হউক, নাওফ আল-বিকালির মন্তব্যকে মিথ্যা বলিয়া আখ্যায়িত করিয়াছেন স্বয়ং হযরত ইবন 'আব্বাস (রা) (দ্র. তাবারী, প্রাগুক্ত, ১খ, পৃ. ২৬২; আরো দ্র. আল-আলুসী, রূহুল মা'আনী, বৈরূত, দারু ইয়াহইয়াইত্ তুরাছিল 'আরাবী, তা.বি., ১৫খ., পৃ., ৩১)।
সুতরাং উবাই ইব্ন কা'ব (রা) বর্ণিত হাদীছসহ প্রসিদ্ধ উলামার মতে সেই যুবক ছিলেন ইউশা' ইবন নূন (আ) আর আল-কুরআনের উপরিউক্ত ভাষ্যে বুঝা যায় যে, তিনি হযরত মূসা (আ)-এর সাথী ও খাদেম ছিলেন।
আল-কুরআনের সূরা কাহফ্ফের উপরিউক্ত দুই স্থান ব্যতীত সূরা মাইদাতেও হযরত ইয়ূশা ইব্ন নূন (আ)-এর প্রসঙ্গ আসিয়াছে বলিয়া মুফাস্স্সিরগণ মত ব্যক্ত করিয়াছেন। যথা আল্লাহর বাণী:
قَالَ رَجُلانِ مِنَ الَّذِينَ يَخَا فُوْنَ أَنْعَمَ اللهُ عَلَيْهِمَا ادْخُلُوا الْبَابَ فَإِذَا دَخَلْتُمُوهُ فَإِنَّكُمْ غُلِبُونَ .
"যাহারা ভয় করিতেছিল তাহাদের মধ্যে দুইজন, যাহাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করিয়াছিলেন, তাহারা বলিল, তোমরা তাহাদের মুকাবিলা করিয়া দ্বারে প্রবেশ কর, প্রবেশ করিলেই জয়ী হইবে" (৫:২৩)।
এই আয়াতে "দুইজন" বলিতে একজন হযরত ইউশা' ইব্ন নূন (আ) এবং অপরজন হইলেন কালিব ইব্ন ইয়ুফান্না। হযরত ইব্ন আব্বাস (রা)-সহ অন্যান্য অনেক মুফাসসির ও মুহাদ্দিছের অভিমত ইহার স্বপক্ষে। তবে প্রখ্যাত তাবি'ঈ হযরত দাহহাকের মতে সেই দুই ব্যক্তি বানূ ইসরাঈলভুক্ত নহেন, বরং দুর্ধর্ষ জাতিসমূহের মধ্যে এমন দুইজন যাহারা মূসা (আ)-এর আনীত ধর্মে দীক্ষিত হইয়াছিলেন (দ্র. কুরতুবী, প্রাগুক্ত, ৬খ, পৃ. ১২৭)।
তবে সেই দুই ব্যক্তির মধ্যে হযরত ইউশা' (আ) অন্তর্ভুক্ত থাকিবার পক্ষে যে মতটি আছে তাহাই বেশী প্রসিদ্ধ ও প্রামাণ্য, যাহা বাইবেলের তথ্যও সমর্থন করে (দ্র. গণনাপুস্তক, ১৪:৭-৯)।
এইখানে উল্লেখ্য যে, আল-কুরআনের উক্ত আয়াতগুলির মাধ্যমে বুঝা যায়, তিনি নবুওয়াত লাভের পূর্বেই এক অসম সাহসী ঈমানদার মর্দে মুজাহিদ ও মূসা (আ)-এর এক বিশ্বস্ত অনুসারী ছিলেন। তিনি বানু ইসরাঈলকে যুদ্ধে অবতীর্ণ হইতে উৎসাহিত করিয়া যুদ্ধে জয়ী হইয়া আল্লাহ্র দীনকে বিজয়ী হিসাবে দেখিতে চাহিয়াছিলেন।
তেমনিভাবে সূরা মায়িদার অন্য স্থানে আসিয়াছে: وَلَقَدْ أَخَذَ اللَّهُ مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَبَعَثْنَا مِنْهُمُ اثْنَى عَشَرَ نَقِيبًا وَقَالَ اللَّهُ إِنِّي مَعَكُمْ لَئِنْ أَقَمْتُمُ الصَّلوةَ وَأَتَيْتُمُ الزَّكَوٰةَ وَأَمَنْتُمْ بِرُسُلِى وَعَزَّرْ تُمُوهُمْ وَأَقْرَضْتُمُ اللهَ قَرْضًا حَسَنًا لَأُكَفِّرَنْ عَنْكُمْ سَيَاتِكُمْ وَلَأُدْخِلَنَّكُمْ جَنَّتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَرُ فَمَنْ كَفَرَ بَعْدَ ذَلِكَ مِنْكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيلِ .
"আর আল্লাহ তো বানু ইসরাঈলের অঙ্গীকার গ্রহণ করিয়াছিলেন এবং তাহোদের মধ্য হইতে দ্বাদশ নেতা নিযুক্ত করিয়াছিলাম" (৫: ১২)।
মুফাস্সিরগণের মতে এই দ্বাদশ নেতার অন্যতম ছিলেন হযরত ইউশা' ইব্ন নূন (আ) (দ্র. কুরতুবী, প্রাগুক্ত, ১খ, পৃ. ২৯৯)।
উপরিউক্ত আয়াতে "নিযুক্ত করিয়াছিলাম" বা "প্রেরণ করিয়াছিলাম" বাক্যাংশ দ্বারা বুঝা যায়, আল্লাহ পাকের ইচ্ছাতেই হযরত ইউশা' ইব্ন নূন (আ)-এর মাঝে নেতৃত্বের গুণাবলী বিকশিত হইতেছিল। সেইজন্য আল্লাহর মনোনয়নেই তিনি বানু ইসরাঈলের বারজন নেতার একজন অবিসংবাদিত নেতা হিসাবে পরিগণিত হইয়াছিলেন।
এমনিভাবে সূরা আ'রাফে আছে: وَاتْلُ عَلَيْهِمْ تَبَا الَّذِي آتَيْنَهُ بِايْتِنَا .
"তুমি তাহাদের কছে ঐ ব্যক্তির বৃত্তান্ত পড়িয়া শুনাও, যাহাকে আমি নিদর্শন দিয়াছিলাম" (৭:১৭৫)।
মুফাস্স্সিরগণের মতে যাহাকে নিদর্শন দেওয়া হইয়াছিল, সেই ব্যক্তিটি হইল বাল'আম ইব্ন বাউরা, যে বানু ইসরাঈল জাতি ও তাহাদের সৈনিকদের উপর অভিশাপ দেওয়ার চেষ্টা করিয়াছিল। উক্ত আয়াতে সেই ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত রহিয়াছে যাহা প্রকারান্তরে হযরত ইউশা' ইব্ন নূন (আ)-এর প্রসঙ্গও আসিয়াছে (দ্র. ইব্ন কাছীর, প্রাগুক্ত, ১খ, ৩০০)।
ইহা ছাড়া সূরা বাকারা-এর ৮৫ নং আয়াত এবং সূরা আ'রাফ-এর ১৬১ নং আয়াতে কারিয়া () (বায়তুল মুকাদ্দাস) প্রবেশের যে আদেশটি দেওয়া হইয়াছে তাহা হযরত ইউশা' (আ) ও তাঁহার সাথীবর্গের প্রতি ছিল বলিয়া মুফাস্স্রিগণ অভিমত ব্যক্ত করিয়াছেন (দ্র. কুরতুবী, প্রাগুক্ত, ১খ, পৃ. ৪০৯; আরো দ্র. ইব্ন কাছীর, প্রাগুক্ত, ১খ, ৩০২)।
সুতরাং প্রসঙ্গক্রমে আল-কুরআনের সেই দুইটি স্থানেও হযরত ইউশা' ইব্ নূন (আ)-এর বর্ণনা আসিয়াছে বলিয়া ধরিয়া লওয়া যায়।
📄 বাইবেলে হযরত ইউশা ইবন নূন (আ)
হযরত মূসা (আ)-এর পবিত্র জীবনের ঘটনাবলীতে হযরত হারুন (আ)-এর পরেই ইউশা (আ)-এর উল্লেখ একাধিক স্থানে পাওয়া যায়। যেমন যাত্রাপুস্তক, ১৭, গণনাপুস্তক, ১৪, ২৭, দ্বিতীয় বিবরণ, ৩১, ৩২, ৩৪, বংশাবলী, ১ম ও ৭ম (২৭-২৮)।
ইহা ছাড়া ইউশা' (আ)-এর নামে একটি যিহোশূয়ের পুস্তক শিরোনামে আলাদা পুস্তকই আছে। প্রচলিত তাওরাতের পঞ্চ পুস্তক (pantace)-এর পরই উহার স্থান যাহাতে হযরত ইউশা' ইব্ন নূন (আ)-এর নবুওয়াত, যুদ্ধ পরিচালনা ও বিজয় লাভ, বানু ইসরাঈলের প্রতি তাহাদের দিকনির্দেশনা, তাঁহার প্রশাসনিক কার্যাবলী, মু'জিযা লাভ ইত্যাদি বিষয়াবলী স্থান পাইয়াছে। ইয়াহুদীদের মধ্যে আমেরীয় নামে একটি উপদল রহিয়াছে, যাহারা তাওরাতের পঞ্চ পুস্তকের পর একমাত্র ইউশা' (আ)-এর পুস্তক ব্যতীত বাইবেলের অন্য কোন পুস্তককে ধর্মীয় স্বীকৃতি দেয় না।