📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 সাক্ষাতের স্থান

📄 সাক্ষাতের স্থান


কুরআন কারীমে মূসা (আ) ও খিফ্র-এর সাক্ষাতের স্থান বলা হইয়াছে 'মাজমাউল বাহ্রায়ন' (দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থল)। কিন্তু ইহা দ্বারা কোন্ দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থল বুঝানো হইয়াছে সে সম্পর্কে মতভেদ রহিয়াছে। কাহারও কাহারও মতে আফ্রিকার দুইটি সমুদ্রের সঙ্গমস্থল (আম্বিয়া-ই কুরআন, ২খ, ২৬৮; ইফা. আল-কুরআনুল কারীম, টীকা নং ৯৭১)।
আধুনিক কালের অধিকাংশ আলিমের মতে ভূমধ্য সাগর ও লোহিত সাগরের সঙ্গমস্থল। সম্ভবত যখন এই ঘটনা সংঘটিত হইয়াছিল তখন এই উভয় সমুদ্রের মধ্যে সংযোগ বিদ্যমান ছিল যেখানে মূসা (আ) ও খিফ্র (আ)-এর সাক্ষাত হয়। এই মতটিকেই মাওলানা হিফজুর রাহমান সিউহারবী যুক্তিসঙ্গত বলিয়া মন্তব্য করিয়াছেন। কারণ মিসর হইতে বাহির হওয়া এবং তীহ ময়দানে অবস্থানকালে এই সমুদ্রদ্বয়ের সহিতই উক্ত ঘটনা সম্পৃক্ত হইতে পারে। আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী বলেন, ইহা সেই স্থান যাহা বর্তমানে 'আকাবা নামে প্রসিদ্ধ (প্রাগুক্ত; কাসাসুল কুরআন, ১খ., ৫৪৮)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 শেষ নবীর উম্মত হওয়ার জন্য মূসা (আ)-এর আকাঙ্ক্ষা

📄 শেষ নবীর উম্মত হওয়ার জন্য মূসা (আ)-এর আকাঙ্ক্ষা


কাতাদা হইতে বর্ণিত যে, মূসা (আ) আল্লাহ তা'আলার সহিত কথোপকথনের সময় একবার বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাওরাত সূত্রে জানিলাম যে, মানুষের কল্যাণের জন্য একটি উম্মাত আবির্ভূত হইবে। তাহারা সৎকাজের আদেশ করিবে এবং অসৎ কাজ হইতে নিষেধ করিবে। হে আমার প্রতিপালক! তাহাদিগকে আমার উম্মাত বানাও। আল্লাহ তাআলা বলিলেন, উহারা তো আহমাদ-এর উম্মাত।
মূসা (আ) পুনরায় বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাওরাতে দেখিতে পাইতেছি যে, এমন একটি উম্মাত আছে যাহাদের আবির্ভাব সকলের শেষে হইবে অথচ তাহারা সর্বাগ্রে জান্নাতে প্রবেশ করিবে। ওগো আমার প্রতিপালক! তাহাদিগকে আমার উম্মাত বানাও। আল্লাহ তা'আলা বলিলেন, উহারা তো আহমাদ-এর উম্মাত।
তিনি পুনরায় আরয করিলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাওরাতে এমন এক উম্মাতের কথা পাইতেছি যাহাদের কিতাব তাহাদের সীনায় থাকিবে। তাহারা উহা (মুখস্থ) পাঠ করিবে। কাতাদা (র) বলেন, ইহার পূর্বের উম্মাতগণ তাহাদের কিতাব দেখিয়া দেখিয়া পড়িত। এমনকি যখন উহা উঠাইয়া লওয়া হইত তখন তাহারা উহার কিছুই স্মরণ করিতে পারিত না এবং উহার কোনও অংশই আর চিনিতে ও বুঝিতে পারিত না। হে উম্মাত (মুহাম্মাদী)! আল্লাহ তোমাদিগকে এমন মুখস্থ শক্তি দান করিয়াছেন যাহার কিয়দাংশও পূর্ববর্তী কোনও উম্মাতকে দেওয়া হয় নাই। মূসা (আ) বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক! উহাদিগকে আমার উম্মাত কর। আল্লাহ তা'আলা বলিলেন, তাহারা আহমাদ-এর উম্মাত।
মূসা (আ) বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাওরাতে এমন এক উম্মাতের কথা দেখিতে পাইতেছি, যাহারা পূর্বের কিতাবের উপরও ঈমান আনিবে, পরের কিতাবের উপরও। বিভিন্ন সময়ে সৃষ্ট গোমরাহীর বিরুদ্ধে তাহারা জিহাদ করিবে, এমনকি তাহারা মিথ্যাবাদী কানা দাজ্জাল-এর বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করিবে। তাহাদিগকে আমার উম্মাত বানাও। আল্লাহ বলিলেন, উহারা তো আহমাদ-এর উম্মাত।
মূসা (আ) বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাওরাতে এমন এক উম্মাতের কথা পাইতেছি, যাহাদের সাদাকা তাহারা আহার করিবে অথচ ইহার জন্য তাহাদিগকে বিনিময় ও ছাওয়াব দেওয়া হইবে! কাতাদা (র) বলেন, ইহার পূর্বে কোনও ব্যক্তি সাদাকা করিলে তাহা যদি কবুল হইত তবে আল্লাহ উহার জন্য অগ্নি প্রেরণ করিতেন, সেই অগ্নি আসিয়া উহা পোড়াইয়া ফেলিত। আর কবুল না হইলে উহা অমনি পড়িয়া থাকিত। জীবজন্তু ও পশু-পক্ষী উহা খাইয়া ফেলিত। অথচ আল্লাহ তা'আলা তোমাদের ধনীদের নিকট হইতে সাদাকা লইয়া আহারের জন্য দরিদ্রদিগকে দেন। মূসা (আ) বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক! তাহাদিগকে আমার উম্মাত বানাও। আল্লাহ তা'আলা বলিলেন, উহারা আহমাদ-এর উম্মাত।
মূসা (আ) বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাওরাতে দেখিতেছি যে, তাহাদের কেহ কোনও নেক কাজের সংকল্প করিয়া উহা করিতে না পারিলেও ইহাতে তাহার একটি নেকী লেখা হইবে। আর যদি সে উহা করে তবে তাহার জন্য দশ হইতে সাত শত গুণ পর্যন্ত নেকী লেখা হইবে। হে আমার প্রতিপালক! উহাদিগকে আমার উম্মাত কর। আল্লাহ তা'আলা বলিলেন, তাহারা আহমাদ-এর উম্মাত।
মূসা (আ) বলিলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমি তাওরাতে দেখিতেছি যে, এমন এক উম্মাত হইবে যাহারা নিজেরও সুপারিশকারী হইবে, আবার তাহাদের জন্য সুপারিশ করা হইবে। হে আমার প্রতিপালক! তাহাদিগকে আমার উম্মাত বানাও। আল্লাহ তা'আলা বলিলেন, উহারা তো আহমাদ-এর উম্মাত। কাতাদা (র) বলেন, বর্ণিত আছে যে, অতঃপর মূসা (আ) তাওরাত রাখিয়া দিলেন এবং বলিলেন, হে আল্লাহ! আমাকে আহমাদ-এর উম্মাতের অন্তর্ভুক্ত কর (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ১খ, ২৯০)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মূসা (আ)-এর হজ্জ

📄 মূসা (আ)-এর হজ্জ


কয়েকটি বর্ণনা হইতে জানা যায় যে, মূসা (আ) বায়তুল্লায় হজ্জ পালন করিয়াছিলেন এবং তালবিয়াও পাঠ করিয়াছিলেন। তবে কিভাবে তিনি মক্কায় গমন করিয়াছিলেন তাহার বিবরণ হাদীছে পাওয়া যায় না। তবে সম্ভবত ইবরাহীম (আ) যেরূপ ফিলিস্তীন হইতে আসিয়া মক্কায় স্বীয় পরিবার-পরিজনকে দেখিয়া যাইতেন এবং কা'বা শরীফ নির্মাণ করিয়া গিয়াছিলেন তদ্রূপ আল্লাহ্র পক্ষ হইতে কোনও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় মূসা হজ্জ পালন করিয়াছিলেন।
ইমাম আহমাদ (র) ইব্‌ন আব্বাস (রা) হইতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (স) একবার আযরাক উপত্যকা দিয়া যাইতেছিলেন। তিনি সাহাবীদিগকে জিজ্ঞাসা করিলেন, ইহা কোন উপত্যকা? তাহারা বলিলেন, 'আযরাক' উপত্যকা। তিনি বলিলেন, আমি যেন দেখিতেছি মূসা (আ) গিরিপথ হইতে কাতরকণ্ঠে আল্লাহ্ উদ্দেশে তালবিয়া পাঠ করিতে করিতে নামিতেছেন। হারশা টিলায় আসিয়া তিনি বলিলেন, ইহা কোন্ টিলা? তাহারা বলিলেন, ইহা হারশা টিলা। তিনি বলিলেন, আমি যেন ইউনুস ইব্‌ন মাত্তা (আ)-কে একটি লাল উটের উপর দেখিতে পাইতেছি। তাঁহার পরনে একটি পশমের জুব্বা রহিয়াছে। তাঁহার উষ্ট্রীর নাকের রশি খেজুরের ছাল দিয়া তৈরী। তিনিও তালবিয়া পাঠ করিতেছিলেন। ইমাম মুসলিম এই হাদীছটি উল্লেখ করিয়াছেন।
ইমাম তাবারানী ইব্‌ন আব্বাস (রা) হইতে একটি মারফু হাদীছ বর্ণনা করিয়াছেন যে, মূসা (আ) একটি লাল ষাঁড়ের উপর আরোহণ করিয়া হজ্জ করিয়াছেন। ইব্‌ন কাছীর এই বর্ণনা অত্যন্ত গারীব পর্যায়ের বলিয়া মন্তব্য করিয়াছেন (আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ১খ, ৩১৬)।
ইমাম আহমাদ মুজাহিদ সূত্রে ইব্‌ন আব্বাস (রা) হইতে একটি হাদীছ বর্ণনা করিয়াছেন। উহাতে উল্লেখ আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন..... আর মূসা (আ), তিনি তো গৌরবর্ণের কোঁকড়ানো চুলের অধিকারী। তিনি একটি লাল উটের উপর আরোহী ছিলেন, যাহার নাকের রশি ছিল খেজুর গাছের ছাল দিয়া তৈরী। আমি যেন তাঁহাকে দেখিতে পাইতেছি তিনি তালবিয়া পাঠ করিতে করিতে উপত্যকা হইতে নামিতেছেন (প্রাগুক্ত)।

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 মূসা (আ)-এর মর্যাদা

📄 মূসা (আ)-এর মর্যাদা


হযরত মূসা (আ) খুবই উচু পর্যায়ের একজন নবী ও রাসূল ছিলেন। হিফজুর রাহমান সিউহারবী শেষ নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (স) ও হযরত ইবরাহীম (আ)-এর পরই তাঁহার স্থান বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন। কুরআন কারীমের বহু আয়াতে এবং সহীহ হাদীছে বিভিন্নভাবে তাঁহার মর্যাদার কথা ফুটিয়া উঠিয়াছে। দাওয়াত ও তাবলীগের কাজ করিতে গিয়া, ফিরআওন, ফিরআওন সম্প্রদায় ও বনী ইসরাঈলের পক্ষ হইতে তিনি যেরূপ কষ্ট সহ্য করিয়াছেন, বিভিন্ন দুঃখ-ক্লেশ ও বিপদাপদের মুকাবিলা করিয়াছেন উপরিউক্ত নবীদ্বয় ছাড়া তাহার দৃষ্টান্ত বিরল। তাই উম্মাতে মুহাম্মাদীর শিক্ষা গ্রহণের জন্য কুরআন কারীমে বারবার তাঁহার ও তাঁহার সম্প্রদায়ের কার্যকলাপ ও ঘটনাবলীর উল্লেখ করা হইয়াছে। মূসা (আ)-এর মর্যাদা ও মাহাত্ম্য সম্পর্কে কুরআন কারীমে ইরশাদ হইয়াছে:
"এবং মূসার সহিত আল্লাহ সাক্ষাত বাক্যালাপ করিয়াছিলেন" (৪: ১৬৪)। وَكَلَّمَ اللَّهُ مُوسَى تَكْلِيمًا (٤: ١٦٤)
قَالَ يَا مُوسَى إِنِّي اصْطَفَيْتُكَ عَلَى النَّاسِ برسالاتي وبكلامي (٧: ١٤٤) "তিনি (আল্লাহ) বলিলেন, হে মূসা! আমি তোমাকে আমার রিসালাত ও বাক্যালাপ দ্বারা মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়াছি” (৭ঃ ১৪৪)।
وَاذْكُرْ فِي الْكِتَابِ مُوسَى إِنَّهُ كَانَ مُخْلصًا وَكَانَ رَسُولاً نَبِيًّا (١٩: ٥١) "স্মরণ কর এই কিতাবে মূসার কথা, সে ছিল বিশেষ মনোনীত এবং সে ছিল রাসূল নবী" (১৯:৫১)।
"এবং সে (মূসা) আল্লাহ্র নিকট মর্যাদাবান" (৩৪ : ৬৯)। وَكَانَ عِنْدَ اللهِ وَجِيْهَا (٣٤ : ٦٩)
وَلَقَدْ مَنَنَا عَلَى مُوسَى وَهُرُونَ وَنَجَّيْنَاهُمَا وَقَوْمَهُمَا مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ وَنَصَرْنَاهُمْ فَكَانُوا هُمُ الْطالبين وَأَتَيْنَاهُمَا الكِتَابَ الْمُسْتَبِينَ وَهَدَيْنَاهُمَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ وَتَرَكْنَا عَلَيْهِمَا فِي الْآخِرِينَ سَلامُ عَلَى مُوسَى وَهُرُونَ إِنَّا كَذَلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ إِنَّهُمَا مِنْ عِبَادِنَا الْمُؤْمِنِينَ (٣٧: ١١٤-١٢٢)
"আমি অনুগ্রহ করিয়াছিলাম মূসা ও হারূনের প্রতি এবং তাহাদিগকে ও তাহাদের সম্প্রদায়কে আমি উদ্ধার করিয়াছিলাম মহাসংকট হইতে। আমি সাহায্য করিয়াছিলাম তাহাদিগকে, ফলে তাহারাই হইয়াছিল বিজয়ী। আমি উভয়কে দিয়াছিলাম বিশদ কিতাব এবং তাহাদিগকে আমি পরিচালিত করিয়াছিলাম সরল পথে। আমি তাহাদের উভয়কে পরবর্তীদের স্মরণে রাখিয়াছি। মূসা ও হারূনের প্রতি শান্তি বর্ষিত হউক। এইভাবে আমি সৎকর্মপরায়ণদিগকে পুরস্কৃত করিয়া থাকি। তাহারা উভয়ই ছিল আমার মুমিন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত" (৩৭ : ১১৪-১২২)।
وَاصْطَنَعْتُكَ لِنَفْسِي "আমি তোমাকে আমার নিজের জন্য প্রস্তুত করিয়া লইয়াছি" (২০:৪১)।
وَلَقَدْ فَتَنَّا قَبْلَهُمْ قَوْمَ فِرْعَوْنَ وَجَاءَهُمْ رَسُولٌ كَرِيمٌ (٤٤:١٧) "ইহাদের পূর্বে আমি তো ফিরআওন সম্প্রদায়কে পরীক্ষা করিয়াছিলাম এবং উহাদের নিকটও আসিয়াছিল এক সম্মানিত রাসূল" (৪৪:১৭)।
তাঁহার প্রতি অবতীর্ণ কিতাবের উপযোগিতা ও প্রশংসা করিয়া সূরা আন'আমে বলা হইয়াছে: ثُمَّ أَتَيْنَا مُوسَى الْكِتَابَ تَمَامًا عَلَى الَّذِي أَحْسَنَ وَتَفْصِيلًا لِكُلِّ شَيْءٍ وَهُدًى وَرَحْمَةً لَعَلَّهُمْ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ يُؤْمِنُونَ: (٦:١٥٤)
"অতঃপর আমি মূসাকে দিয়াছিলাম কিতাব যাহা সৎকর্মপরায়ণের জন্য সম্পূর্ণ, যাহা সমস্ত কিছুর বিশদ বিবরণ, পথনির্দেশ ও দয়াস্বরূপ, যাহাতে তাহারা তাহাদের প্রতিপালকের সাক্ষাত সম্বন্ধে বিশ্বাস করে" (৬:১৫৪)।
রাসূলুল্লাহ (স) হইতে বর্ণিত সাহীহ হাদীসসমূহেও হযরত মূসা (আ)-এর সম্মান ও মর্যাদার উল্লেখ রহিয়াছে। বুখারী ও মুসলিম-এ বর্ণিত হইয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তোমার মূসা (আ)-এর উপর আমাকে প্রাধান্য দিও না। কারণ কিয়ামতের দিন লোকজন যখন বেহুঁশ হইয়া পড়িবে তখন সর্বপ্রথম আমারই হুঁশ ফিরিবে। হুঁশ ফিরিবার পর আমি দেখিতে পাইব যে, মূসা (আ) আরশের স্তম্ভ ধরিয়া আছেন। আমি জানি না, তিনি আমার পূর্বেই হুঁশ ফিরিয়া পাইয়াছেন, নাকি তুর পাহাড়ের সেই বেহুঁশ হওয়ার ফলে আজ তাহাকে বেহুঁশী হইতে মুক্ত রাখা হইয়াছে (আল-বুখারী, আস-সাহীহ, কিতাবুল-আম্বিয়া, ২খ, পৃ. ৪৮৯, হাদীছ নং ৩১৫১)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00