📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 'মূসা' নামের তাৎপর্য

📄 'মূসা' নামের তাৎপর্য


. ইমাম ইবন জারীর তাবারীর বর্ণনামতে কিবতী ভাষায় 'মৃ' অর্থ পানি, আর 'শা' অর্থ গাছ। মূসা (আ)-কে তথা তিনি যে বাক্সে ছিলেন তাহা গাছ ও পানির মধ্যে পাওয়া গিয়াছিল বলিয়া তাঁহার উক্ত নামকরণ করা হইয়াছে।
অপর এক বর্ণনামতে মূসা হিব্রু শব্দ 'মূশা' হইতে উদ্ভূত, যাহার অর্থ 'নাজাত দানকারী'। তিনি যেহেতু বনী ইসরাঈলকে চারি শত বৎসরের গোলামী হইতে নাজাত দান করেন সেইজন্য ইয়ত-বা তাঁহার উক্ত নামকরণ করা হইয়াছে। Sibenian Bible ও ইঞ্জীলে মূসা শব্দটি এইভাবে আসিয়াছে, যাহার অর্থ "পানি হইতে সংগৃহীত"। যেহেতু ফিরআওন কন্যা অথবা তাহার স্ত্রী উহাকে নীল নদ হইতে সংগ্রহ করিয়াছিল, এইজন্য তাঁহা উক্ত নামকরণ করা হইয়া থাকিবে।

টিকাঃ
আত-তাবারী, তারীখ, ১খ, ৩৯০
আম্বিয়া-ই কুরআন, ২খ, ৯৪

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 বংশপরিচয়

📄 বংশপরিচয়


হযরত মূসা (আ) ইবরাহীম (আ)-এর অষ্টম (মতান্তরে সপ্তম) পুরুষে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁহার বংশলতিকা হইল : মূসা ইব্‌ন ইমরান ইবন কাহাহ ইব্‌ন গাযির (মতান্তরে য়াসহার) ইব্‌ন লাবী ইব্‌ন ইয়াকুব ইবন ইসহাক ইবন ইবরাহীম (আ)। কোন কোন বর্ণনায় কাহাছ ও লাবী-এর মধ্যখানে গাযির-এর নাম উল্লেখ করা হয় নাই বরং বলা হইয়াছে: কাহাছ ইবন লাবী। তাঁহার বংশ ও পূর্বপুরুষের একটি ছক নিম্নরূপ:
মূসা (আ)-এর পিতার নাম ইমরান। কুরআন কারীমে মূসা (আ)-এর জন্ম প্রসঙ্গে তাঁহার মাতা ও ভগ্নীর উল্লেখ আছে। কিন্তু পিতা, সম্পর্কে কোন বর্ণনা নাই। এই জন্য অনেকের ধারণা যে, মূসা (আ)-এর জন্মের সময় তিনি জীবিত ছিলেন না।
হযরত মূসা (আ)-এর মাতার নাম সম্পর্কে মতভেদ রহিয়াছে। সুহায়লীর বর্ণনামতে তাহার নাম আয়ারুখা, মতান্তরে আয়াযাখত; ছা'লাবীর বর্ণনামতে লুখা বিনত হানিদ ইবন লাবী ইবন ইয়াকুব (আ)। কোন কোন তাফসীরে যুজান্য বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে।
অন্য এক বর্ণনামতে তাহার নাম ইয়ূকাবিদ (JOCHEBED)। এক বর্ণনামতে তিনি ছিলেন মূসা (আ)-এর পিতা ইমরান-এর ফুফু অর্থাৎ লাবীর কন্যা।
হযরত মূসা (আ)-এর মাতা ছিলেন একজন সম্মানিত মহিলা এবং আল্লাহর প্রিয়পাত্রী। আল্লাহ তাঁহার গর্ভে দুইজন খ্যাতিমান নবীর আবির্ভাব ঘটাইয়া তাঁহাকে গৌরবান্বিত করেন। তিনি তাঁহার নিকট প্রত্যাদেশ প্রেরণ করিয়াও তাঁহাকে সম্মানিত ও মর্যাদাবতী করেন। যেমন কুরআন কারীমে ইরশাদ হইয়াছে:
وَأَوْحَيْنَا إِلَى أُمِّ مُوسَى أَنْ أَرْضِعِيهِ فَإِذَا خِفْتِ عَلَيْهِ فَالْقِيْهِ فِي الْيَمِّ وَلَا تَخَافِي وَلَا تَحْزَنِي إِنَّا رَادُّوهُ اليكِ وَجَاعِلُوهُ مِنَ الْمُرْسَلِينَ (۷ : ۲۸)
আল্লামা হাফিজ ইব্‌ন কাছীর বলেন, তবে ইহা নবুওয়াতের ওয়াহয়ি ছিল না, বরং ইহা ছিল ইলহাম। তাই ইহার অর্থ অন্তরে ইংগিত দ্বারা নির্দেশ করা। যেমন অন্য আয়াতে আল্লাহ তা'আলা মৌমাছির প্রতি ইলহাম প্রেরণের কথা উল্লেখ করিয়া বলিয়াছেন:
وَأَوْحَى رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذُى مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُونَ . ثُمَّ كُلِي مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكَ ذللاً (۱۹-۱۸ : ١٦)

টিকাঃ
আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ১খ, ২৩৭
আম্বিয়া-ই কুরআন, ২খ, ৯৬৭
আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ১খ., ২৩৯
আবদুল ওয়াহহাব আন-নাজ্জার, কাসাসুল আম্বিয়া, পৃ. ১৫৬-১৫৮

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 ফিরআওনের রাজপ্রাসাদে মূসা (আ)

📄 ফিরআওনের রাজপ্রাসাদে মূসা (আ)


দুধ পান করানোর নির্দিষ্ট সময়কাল শেষ হইলে মূসা (আ)-এর মাতা তাঁহাকে ফিরআওনের নিকট ফেরত দেন। মূসা (আ) এখন হইতে রাজপ্রাসাদে পুত্রস্নেহে মহা আদরযত্নে বড় হইতে লাগিলেন। একদিন হযরত আসিয়া তাঁহাকে লইয়া ক্রীড়া-কৌতুক করিতেছিলেন। এক সময় তিনি ফিরআওনের কোলে শিশু মূসাকে দিলেন। মুসা (আ) কোলে উঠিয়াই তাহার দাড়ি ধরিয়া টান দিলেন এবং কয়েকটি দাড়ি উপড়াইয়া ফেলিলেন। ফিরআওন বলিল, শীঘ্রই জল্লাদগণকে ডাক, এই সেই শিশু। আসিয়া বলিলেন, এতো অবুঝ শিশু, নিতান্তই শিশুসুলভ আচরণ সে করিয়াছে। বিশ্বাস না হয় পরীক্ষা করিয়া দেখা যাক। মিসরে আমার চাইতে মূল্যবান ও অধিক গহনার অধিকারী আর কোন মহিলা নাই। আমি তাহার সম্মুখে ইয়াকৃতের গহনা ও আগুনের জ্বলন্ত অঙ্গার রাখিব। সে যদি ইয়াকৃত ধরে তবে বুঝিব সে জ্ঞানের অধিকারী, তখন তাহাকে হত্যা করিও। আর যদি অঙ্গার ধরে তবে বুঝিতে হইবে, সে নিতান্তই শিশু। অতঃপর আসিয়া তাহার ইয়াকৃতের গহনা বাহির, করিয়া একটি তরিতে রাখিলেন এবং অপর একটি তন্তরিতে জ্বলন্ত অঙ্গার রাখিলেন। অতঃপর মূসা (আ)-কে ছাড়িয়া দেওয়া হইল। জিবরাঈল (আ) আসিয়া তাঁহার হাতে জ্বলন্ত অঙ্গার উঠাইয়া দিলেন আর শিশু মূসা উহা মুখে পুরিয়া দিলেন। ইহাতে তাহার জিহ্বা পুড়িয়া গেল। ইহার ফলে পরবর্তী কালে তাঁহার কথায় কিছুটা তোতলামী আসিয়াছিল, যাহা দূর করিবার জন্য তিনি দু'আ করেন। কুরআন কারীমে ইরশাদ হইয়াছে : وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّنْ لِسَانِي يَفْقَهُوا قَوْلِي “আমার জিহ্বার জড়তা দূর করিয়া দাও, যাহাতে উহারা আমার কথা বুঝিতে পারে" (২০ঃ ২৭-২৮)।
এদিকে মূসা (আ)-এর মাতার মনে শুধু একটিই চিন্তা ছিল যে, তাহার শিশু পুত্রের না জানি কি হইল! আল্লাহ তাহাকে সবরের ক্ষমতা দান করিলেন এবং তাহার পুত্রকে তাহার নিকটু ফিরাইয়া দেওয়ার ব্যবস্থা করিলেন। শিশু পুত্রকে দুধ পান করানোর জন্য ধাত্রী মহিলাদিগকে ডাকা হইল। তাঁহারা তাহাকে দুধ পান করাইতে পারিলে ফিরআউনের প্রাসাদে স্থান পাওয়া এবং মোটা অংকের বখশিশ পাওয়ার আশায় সকলেই আগ্রহভরে আগমন করিল। প্রত্যেকেই তাঁহাকে দুধ পান করানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করিল কিন্তু শিশু পুত্র কাহারও দুধ পান করিল না। কারণ আল্লাহ যে তাঁহাকে স্বীয় মাতৃক্রোড়ে ফিরাইয়া দিবেন বলিয়া অঙ্গীকার করিয়াছিলেন, তাই আল্লাহ' অন্য মহিলার দুধ পান করা তাঁহার জন্য হারাম করিয়া দিয়াছিলেন। কুরআন কারীমে ইরশাদ হইয়াছে: وَحَرَّمْنَا عَلَيْهِ المَرَاضِعَ مِنْ قَبْلُ (۱۲ : ۲۸) "পূর্ব হইতেই আমি ধাত্রী স্তন্য পানে তাহাকে বিরত রাখিয়াছিলাম” (২৮: ১২) ইহাতে আসিয়া ও অন্যান্য সকলে খুবই বিচলিত হইয়া পড়িল এবং বিভিন্নভাবে তাঁহাকে দুধ পান করাইরার চেষ্টা করিল, কিন্তু কৃতকার্য হইল-না। শিশু মূসা (আ) অন্য কাহারও দুধ বা কিছুই গ্রহণ করিলেন না। অতঃপর তাঁহাকে মহিলাদেরসহ বাজারে পাঠাইয়া দেওয়া হইল ইহা দেখিবার জন্য যে, সেখানে কোনও মহিলার দুধ পান করে কি না। এদিকে তাঁহার ভগ্নী মরিয়াম মায়ের নির্দেশ মত বাক্সটিকে অনুসরণ করিয়া লোকজনের সহিত সেখানে আসিয়া উপস্থিত হইয়াছিলেন। তিনি তাহাদের এই অবস্থা দেখিয়া নিজের পরিচয় গোপন রাখিয়া তাহাদিগকে বলিলেন: هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَى أَهْلِ بَيْتِ يَكْفُلُونَهُ لَكُمْ وَهُمْ لَهُ نَاصِحُونَ (۲۸:۱۲) -"তোমাদিগকে কি আমি এমন এক পরিবারের সন্ধান দিব যাহারা তোমাদের হইয়া ইহাকে লালন-পালন করিবে, এবং ইহার মঙ্গলকামী হইবে" (২৮:১২)।
ইবন আব্বাস (রা) বলেন, তিনি এই কথা বলার পর তাহারা বলিল, 'উহারা তাহার মঙ্গল কামনা করিবে এবং তাহাকে স্নেহ করিবে' এই কথা দ্বারা কি বুঝাইতে চাহিতেছ। তাহারা কি ইহাকে চিনে? তাহারা এই ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করিতেছিল। এক বর্ণনামতে তাহারা তাহাকে পাকড়াও করিল এবং উক্ত কথাগুলি বলিল। তিনি ইহার উত্তরে বলিলেন, বাদশাহর সহিত সম্পর্ক সৃষ্টি হওয়ার এবং তাহার নিকট হইতে উপকার লাভের আশায় উহারা তাহার মঙ্গলকামী হইবে এবং তাহাকে স্নেহ করিবে। অতঃপর তাহারা মরিয়াম-এর সহিত তাহাদের বাড়িতে গেল। শিশুটিকে তাহার মাতা কোলে লইয়া দুধ দিল। অমনি সে উহা চোষণ করিতে লাগিল এবং দুধপান করিতে লাগিল। ইহাতে তাহারা খুবই সন্তুষ্ট হইল। তাহাদের মধ্য হইতে একজন তাড়াতাড়ি আসিয়া আসিয়াকে এই সুসংবাদ দিল। অতঃপর আসিয়া তাহাকে রাজ-প্রাসাদে ডাকাইয়া আনিলেন এবং তাহার নিকট সেখানে থাকিয়া বাচ্চাকে দুধ পান করাইবার প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু তিনি তাহাতে অপারগতা প্রকাশ করিয়া বলিলেন, আমার স্বামী-সন্তান রহিয়াছে। কাজেই আমি উহা পারিব না। তবে আপনি যদি বাচ্চাকে আমার সহিত পাঠাইয়া দেন তবে বাড়ীতে বসিয়া দুধ পান করানো আমার দ্বারা সম্ভব হইতে পারে। অতঃপর আসিয়া বাচ্চাকে তাহার সহিত পাঠাইয়া দিলেন এবং তাহার জন্য ভাতা নির্ধারণ করিলেন, তাহার ভরণ-পোষণ, কাপড়-চোপড়ের ভার লইলেন এবং উপঢৌকনও প্রদান করিলেন। অতঃপর তিনি কোলের বাচ্চা কোলে লইয়া স্বগৃহে ফিরিয়া আসিলেন। এক বর্ণনামতে মরিয়াম আসিয়া তাহার মাতাকে খবর দিলে তিনি প্রাসাদে পৌঁছিয়া বাচ্চাকে স্তন্য দান করেন। তখন সে দুধ পান করিতে লাগিল এবং দুধ পান করিতে করিতে ঘুমাইয়া পড়িল। তখন তাহার মুখ দিয়া প্রায় বাহির হইয়া যাইতেছিল, ‘এ আমার পুত্র’। তখন আল্লাহই তাহাকে ইহা বলা হইতে রক্ষা করেন। ইহার প্রতিই কুরআন কারীমে ইঙ্গিত করা হইয়াছে:
إِنْ كَادَتْ لَتُبْدِي بِهِ لَوْلا أَنْ رَبَطْنَا عَلَى قَلْبِهَا لِتَكُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ (۲۸:۱۰)
"যাহাতে সে আস্থাশীল হয় তজ্জন্য আমি তাহার হৃদয়কে দৃঢ় করিয়া না দিলে সে তাহার পরিচয় তো প্রকাশ করিয়াই দিত" (২৮: ১০)। ইহার পর আসিয়া উক্ত প্রস্তাব দেন।

টিকাঃ
আত-তাবারী তারীখ, ১খ, ৩৯০; আল-মুনতাজাম, ১খ, ৩৩৪
আল-কামিল, ১খ, ১৩২; আল-বিদায়া, প্রাগুক্ত
আল-কামিল, ১খ, ১৩২
আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ১খ, ২৪০
আল-কামিল, ১খ, ১৩২
আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া, ১খ, ২৪০
আল-কামিল, ১খ., ১৩২-১৩৩; আত-তাবারী, তারীখ, ১খ, ৩৭৮-৮০

📘 সীরাত বিশ্বকোষ > 📄 আল-কুরআনে হযরত মূসা (আ)

📄 আল-কুরআনে হযরত মূসা (আ)


কুরআন কারীমের বহু স্থানে হযরত মূসা (আ)-এর উল্লেখ করা হইয়াছে। বলা যায়, যত বেশী স্থানে তাঁহার আলোচনা ও ঘটনার উল্লেখ আসিয়াছে অন্য কোন নবীর আলোচনা তত আসে নাই। তাঁহার উম্মতের অবস্থা রাসূলুল্লাহ (স)-এর সহিত অধিক সামঞ্জস্যশীল। তাঁহার ঘটনাবলীতে স্বাধীন-পরাধীনের সংগ্রাম এবং হক ও বাতিলের মুকাবিলার অপূর্ব দৃষ্টান্ত নিহিত রহিয়াছে। উপরন্তু উহা শিক্ষা ও উপদেশাবলীর এক মহাভাণ্ডার। তাই শিক্ষা ও উপদেশ গ্রহণের জন্য আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন সময় ও পরিবেশে প্রয়োজন মাফিক কোথাও সংক্ষিপ্ত, কোথায়ও বিস্তারিত তাঁহার ঘটনার উল্লেখ করিয়াছেন আল- কুরআনুল কারীমে। নিম্নে তাঁহার ও বানু ইসরাঈল সম্পর্কে আলোচনার স্থানসমূহ সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করা হইল:

ক্রঃ নং সূরার নাম আয়াতসমূহ আয়াত সংখ্যা
১. বাকারা ৪৭-৬১, ৬৩-৭৫, ৮৩-৮৭, ৯২-৯৩, ৬৫ আয়াত ১০৮, ১৩৬, ২৪৬, ২৪৮
২. আল ইমরান ৮৪ ১
৩. নিসা ১৫০-১৫৬, ১৬৪ ১২
৪. মাইদা ১২, ১৩, ২০-২৬ ৩১
৫. আনআম ৮৪-৯০, ১৪৬-১৫৪ ২১
৬. আ'রাফ ১0৩-১৫৭, ১৫৯-১৭১ ৬৮
৭. আনফাল ৬৮ ১
৮. ইউনুস ৭৪-৯৩ ২০
৯. হুদ ৯৬-৯৯, ১১০ ৫
১০. ইবরাহীম ৫, ৬, ৮ ৩
১১. নাহল ১২৪ ১
১২. বানু ইসরাঈল ২-৮, ১০১-১০৪ ১১
১৩. কাহাফ্ফ ৬০-৮২ ২৩
১৪. মারয়াম ৫১-৫৩ ৩
১৫. তাহা ৯-৯৮ ৯২
১৬. আম্বিয়া ৪৮, ৪৯ ২
১৭. মুমিনূন ৪৫-৪৯ ৫
১৮. ফুরকান ৩৫-৩৬ ২
১৯. শু'আরা ১০-৬৬: ৫৭
২০. নামল ৭-১৪ ৮
২১. কাসাস ৩-৪৮ ৪৬
২২. 'আনকাবূত ৩৯-৪০ ২
২৩. আলিফ লাম-মীম সাজদা ২৩-২৪ ২
২৪. আহযাব ৬৯ ১
২৫. আস-সাফফাত ১১৪-১২২ ৯
২৬. মু'মিন ২৩-৪৫, ৫৩-৫৪ ২৩
২৭. যুখরুফ ৪৬-৫৬ ১১
২৮. দুখান ১৭-৩৩ ১৭
২৯. জাছিয়া ১৬-১৭ ২
৩০. আয-যারিয়াত ৩৮-৪০ ৩
৩১. কামার ৪১-৫৫ ১৫
৩২. সাফ্ফ ৫ ১
৩৩. জুমুআ ৫,৬ ২
৩৪. তাহরীম ১১ ১
৩৫. আল-হাক্কা ৯, ১০ ২
৩৬. মুয্যাম্মিল ১৫, ২৬ ১১
৩৭. আন-নাযি'আত ১৫-২৫ ৮
৩৮. ফা ২০-১৩ ৮
৩৯. আ'লা ১৯ ১
মোট ৫১৬
আল-কুরআনুল কারীমের কত স্থানে তাঁহার উল্লেখ আসিয়াছে সে সম্পর্কিত একটি ছক নিম্নরূপ :
ক্রমিক নং সুরার নাম স্থান সংখ্যা ক্রমিক নং সুরার নাম স্থান সংখ্যা
১. বাকারা ১৩ স্থানে ১৫. মুমিনূন ২
২. আল-ইমরান ১ ১৬. ফুরকান ১
৩. নিসা ৩ ১৭. শু'আরা ৮
৪. মাইদা ৩ ১৮. নামল ৩
৫. আন'আম ৩ ১৯. কাসাস ১৮
৬. আ'রাফ ৩ ২০. সাজদা ১
৭. ইউনুস ৮ ২১. আহযাব ২
৮. হুদ ৩ ২২. সাফ্ফাত ২
৯. ইবরাহীম ৩ ২৩. মুমিন ৮
১০. বানু ইসরাঈল ৩ ২৪. যুখরুফ ১
১১. কাহফ ২ ২৫. যারিয়াত ১
১২. মারয়াম ১ ২৬. সাফ্ফ ১
১৩. তাহা ১৭ ২৭. আন-নাযিআত ১
১৪. আম্বিয়া ১ ২৮. আলা ১
মোট ১২৯

টিকাঃ
হিফজুর রাহমান সিউহারবী, কাসাসুল-কুরআন, ১খ, ১৭-৩৭০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00