📘 শোনো হে যুবক > 📄 তরুণ যুবাইর ইবনে আওয়াম রা.

📄 তরুণ যুবাইর ইবনে আওয়াম রা.


ইসলামের অন্যতম যোদ্ধা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিশিষ্ট সাহাবী, দুঃসাহসী সৈনিক, বীর-বাহাদুর, ইসলামী দাওয়াতের অন্যতম স্তম্ভ হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম রা.। ইসলাম গ্রহণের সময় এই মহামনীষীর বয়স কত ছিল? তখন তার বয়স ছিল মাত্র পনেরো বছর!! অর্থাৎ আমাদের বর্তমান সময় অনুযায়ী সর্বোচ্চ নবম বা একাদশ শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রের বয়সের।
আজকের একজন মাধ্যমিক বা উচ্চ-মাধ্যমিক পড়ুয়া ছাত্র কি সেই চিন্তা-ভাবনা করে, সেই স্বপ্ন দেখে, সেই আশা ব্যক্ত করে ও সেই রকম আমল করে, যেমন হযরত যুবাইর ইবনে আওয়ام রা. সেই বয়সে চিন্তা-ভাবনা করতেন, স্বপ্ন দেখতেন, আশা ব্যক্ত করতেন ও আমল করতেন? নিশ্চয় এখানে কোন গলদ আছে।
তাই ভাবা দরকার। নিজেদের হিসাব-নিকাশ ও আত্মসমালোচনার জন্য একটু ভাবা দরকার।
কেন আজ মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিক এমনকি ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রের মেধায় সে সকল বস্তু স্থান পায় না, যা দেশ-জাতি নির্বিশেষে গোটা বিশ্বের জন্য কল্যাণকর? কেবল কতিপয় অশ্লীল সিনেমা, ধ্বংসাত্মক গান-বাজনা, জীবন-বিধ্বংসী বিনোদন ছাড়া তাদের মাথায় অন্য কিছু জায়গা পায় না? কেন তারা টেলিভিশন, ভিডিওগেম ও ইন্টারনেটের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকে? কেন তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিলিয়ার্ড হলে ও নীলনদের তীরে সময় নষ্ট করে? অথচ সামান্য সময় দ্বীন, ইলম, দাওয়াত, মহৎ উদ্দেশ্য বা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যয় করে না? এ বিষয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা করা দরকার!!

📘 শোনো হে যুবক > 📄 যুবক তলহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রা.

📄 যুবক তলহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রা.


মক্কায় বেড়ে ওঠা মুসলিম জামাতের অন্যতম প্রধান খুঁটি, আল্লাহর পথের অন্যতম দায়ী, বীর যোদ্ধা- যার ক্ষমতা, দক্ষতা, সাহসীকতা ও অগ্রসরতার সাক্ষ্য ইতিহাসে পাওয়া যায়- দু'-হাত উজার করে যারা আল্লাহর পথে দান করেছিলেন তাদের উপমা তিনি, যাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'তলহাতুল খায়ের [কল্যাণময়ী তলহা] বলে সম্বোধন করেছিলেন, তিনি হলেন হযরত তলহা ইবনে উবাইদুল্লাহ রা.।
এই মহান সাহাবী মাত্র ষোলো বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন!!

📘 শোনো হে যুবক > 📄 যুবক সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.

📄 যুবক সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা.


হযরত সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. বিশিষ্ট মহান সাহাবী। তিনি একক ব্যক্তি, যার শানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের পিতা-মাতা উৎসর্গের ঘোষণা দিয়েছেন। ওহুদের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সম্বোধন করে বলেছিলেন-
ارْمِ سَعْدِ فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي. (رواه الترمذي)
'সা'দ, নিক্ষেপ করো। তোমার প্রতি আমার বাবা-মা উৎসর্গিত হোক।' হাদীসটি ইমাম তিরমিযী রহ. হযরত আলী ইবনে আবি তালেব রা.-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
ইসলামগ্রহণের সময় এই মহান সাহাবীর বয়স কত ছিল? তার বয়স হয়েছিলো মাত্র সতেরো বছর!!

📘 শোনো হে যুবক > 📄 নওজোয়ান আরকাম ইবনে আবিল আরকাম মাখযুমী রা. এর কীর্তি

📄 নওজোয়ান আরকাম ইবনে আবিল আরকাম মাখযুমী রা. এর কীর্তি


বিশিষ্ট সাহাবী হযরত আরকাম ইবনে আবিল আরকাম আলমাখযুমী রা.। যার নামের মাঝে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য রয়েছে বহু উপদেশ। যিনি মক্কায় নিজ বাড়িতে পূর্ণ তেরো বছর ইসলামী দাওয়াতের স্থান দিয়েছিলেন।
তিনি ছিলেন মাখযুম গোত্রের সদস্য। হাশেম গোত্রের সঙ্গে যাদের বিরোধিতা সর্বদা লেগেই থাকত। সেই হাশেমী গোত্রের নবীকে তিনি নিজ বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছিলেন। নিঃসন্দেহে এতে তিনি স্বগোত্র ও সাথী-সঙ্গীদের পক্ষ থেকে চরম কষ্ট সহ্য করেছিলেন। ভুলে গেলে চলবে না, মাখযুম গোত্রের সর্দার ছিল আবু জেহেল। মক্কায় যার নির্মমতা-নিষ্ঠুরতা ও অহংকারের কথা কারও অজানা ছিলনা। সে হলো মুসলিম জাতির ফেরাউন। যদি তার গোত্রের কেউ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বা তার সাহাবীদেরকে তার ঘরে আসতে দেখত, তাহলে তার কেয়ামত ঘটে যেত। তার ওপর দিয়ে বয়ে যেত অত্যাচারের স্টিম রোলার। হযরত যায়েদ আরকাম ইবনে আবিল আরকাম রা. ইসলামের খাতিরে এই বিপদকে গ্রহণ করেছেন। নিজেকে উৎস্বর্গ করেছেন।
জানেন ইসলামগ্রহণের সময় এই মহান সাহাবীর বয়স কত ছিল? মাত্র ষোলো বছর!! কল্পনা করা যায়?!

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00