📄 আল্লাহর অনুগত হয়ে সালাতে দাঁড়াও
আবু যুরআ এক মসজিদের ইমাম ছিলেন। বিশ বছর ধরে সেখানে সালাত পড়াচ্ছিলেন। তার নিকট হাদিস পড়ার জন্য একদিন কয়েকজন ছাত্র এল। মেহরাবের দিকে তাকিয়ে তারা সেখানে কিছু লেখা দেখতে পেল। তাকে বলল, 'মেহরাবে কিছু লেখার ব্যাপারে কী হুকুম?' তিনি বললেন, 'আগের দিনের অনেক আলেমই এটা অপছন্দ করেছেন। আর আমিও তা থেকে নিষেধ করি এবং অপছন্দ করি।' তারা বলল, 'ওই তো! আপনার মেহরাবেই তো লেখা দেখা যাচ্ছে। আপনি কি তা জানেন না?' তিনি বললেন, 'সুবহানাল্লাহ! কী যে বলো! বান্দা আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে, আর তার সামনে কী আছে, তা জানবে!'
শো'বা বিন হাজ্জাজ সালাত লম্বা করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, 'যখনই আমি তাকে রুকু' তে দেখেছি, তার দীর্ঘ রুকু'র কারণে আমার ধারণা হয়েছে, তিনি ক্বাওমা করতে ভুলে গেছেন। যখনই দুই সেজদার মাঝখানে বসেছেন, আমার মনে ধারণা জন্মেছে, পরের সেজদা করতে তিনি ভুলে গেছেন।'
উবাইদা বিন মুহাজির অনেক বড় আবেদ ছিলেন। আল্লাহ-র নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা সব সময় আদায় করতেন। বিনয়ী ও যিকিরকারী ছিলেন। তার মা ছিলেন অগ্নিপূজক। মায়ের সাথে অত্যন্ত সৎ ব্যবহার করতেন। তাকে ইসলামের দাওয়াত দিতেন। কিন্তু তিনি ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করতেন। একদিন আসরের সালাত থেকে এলে তার মা তাকে সুসংবাদ শোনালেন—তিনি মুসলমান হয়েছেন, কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করেছেন। এতে তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার জন্য সেজদায় লুটিয়ে পড়লেন। কান্নাকাটি করতে লাগলেন। যখন মাথা তুললেন, ততক্ষণে সূর্য ডুবে গেছে।
হাফসা বিনতে সিরিন রাতের বেলায় বাতি জ্বালিয়ে সালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন। কাছেই কাফন রেখে দিতেন, যেন মৃত্যুর কথা স্মরণ হয় এবং অন্তর বিগলিত হয়।
📄 গাধাকে ঘাস খাওয়াত্ত
সুফিয়ান সওরি-র ঘটনা। তাঁর ছাত্র আব্দুর রাজ্জাক বর্ণনা করেন, “একবার সুফিয়ান সওরি রহ. ইশার সালাতের পর আমার নিকট আগমন করলেন। তাঁর সামনে রাতের খাবার পেশ করলাম। কিশমিশ ও বাদামও সামনে রাখলাম। তিনি বেশ খেলেন। খানা শেষ করে উঠে দাঁড়ালেন। অযু করলেন। এরপর কোমরে ভালভাবে ইজার বাঁধলেন। ক্বিবলামুখী হলেন। বললেন, 'আব্দুর রাজ্জাক! লোকে বলে, গাধাকে খাওয়াও। এরপর তাকে দিয়ে পরিশ্রম করাও'। এরপর তিনি সালাতে দাঁড়ালেন। সকাল পর্যন্ত সালাত পড়লেন।”
ইবনে ওহব বলেন, 'সুফিয়ান সওরি-কে একবার আমি হারামে দেখেছিলাম। মাগরিবের পর সালাত পড়লেন। এরপর সেজদায়ে গেলেন। ইশার আযানের আগে আর মাথা তুলেননি।'
আবু মুসলিম খাওলানি একরাত সালাতে দাঁড়ালেন। তাঁর পা-দুটি ক্লান্ত হয়ে পড়ল। ছড়ি দিয়ে সেগুলোকে প্রহার করতে করতে বলতে লাগলেন, 'রাসুলে ﷺ-এর সাহাবিগণ ধারণা করছেন, তারা আমাদের আগে চলে যাবেন? খোদার কসম! আমরা তাঁদের সাথে প্রতিযোগিতা করব, যেন তারা জানতে পারেন, তাঁদের পিছনে কিছু যোগ্য লোক রেখে গেছেন।'
📄 উমরা আদায়ের নিয়ম
হারামে প্রবেশ করা পর্যন্ত তালবিয়া পড়তে থাকবে। সেখানে প্রবেশ করলে তালবিয়া বন্ধ করে দেবে। ইহরামের কাপড় পেঁচিয়ে নেবে। [ডান কাঁধ খোলা রাখবে এবং বাম কাঁধ ঢেকে রাখবে।] এরপর ডান হাত দিয়ে হজরে আসওয়াদের ইস্তিলাম করবে। [অর্থাৎ মাসেহ করবে।] এবং আল্লাহু আকবার বলে সেটাকে চুমু খাবে। ভিড়ের কারণে চুমু দিতে না পারলে হাত দিয়ে ইস্তিলাম করবে এবং হাতে চুমু খাবে। এটাও যদি পারা না যায়, তা হলে হাতের লাঠি ইত্যাদি দিয়ে ইস্তিলাম করবে, এবং সেটাকে চুমু দেবে। এটাও যদি সম্ভব না হয়, তা হলে সেটার দিকে দেহ ফিরিয়ে ডান হাত দিয়ে ইশারা করবে। তবে আল্লাহু আকবার বলে সেটাকে চুমু দেবে না।
এরপর সাত বার কা'বার তাওয়াফ করবে। প্রতিটি তাওয়াফ শুরু হবে হজরে আসওয়াদ থেকে, এবং শেষও হবে সেখানে। সেটার নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় সেটাকে চুমু খাবে এবং তাকবির বলে ইস্তিলাম করবে। তা যদি সম্ভব না হয়, তা হলে চুমু ছাড়া তাকবির বলে হাত দিয়ে ইশারা করবে, যেমনটা আগে বলা হয়েছে। সপ্তম চক্করের শেষেও এটা করবে।
আর যখনই রুকনে-ইয়ামানি দিয়ে অতিক্রম করবে, ডান হাত দিয়ে তাকবির ছাড়া ইস্তিলাম করবে। ভিড়ের কারণে যদি ইস্তিলাম করা না যায়, তা হলে ইশারাও করবে না, তাকবিরও বলবে না, বরং তাওয়াফ করে যাবে।
রুকনে-ইয়ামানি ও হজরে আসওয়াদের মাঝখান দিয়ে যাওয়ার সময় এ দোয়া পড়া মুস্তাহাব—
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآখِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
তাওয়াফের জন্য বিশেষ কোনো দোয়া নির্ধারিত নেই। তাই যদি তাওয়াফকারী কুরআন পাঠ করতে থাকে, বা দোয়া করতে থাকে বা আল্লাহর যিকির করতে থাকে, কোনো ক্ষতি নেই।
তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে পুরুষের জন্য রমল করা সুন্নাত। রমল হল, ছোট ছোট কদমে দ্রুত হাঁটা।
পবিত্রতা সহকারে তাওয়াফ আদায় করা উচিত।
তাওয়াফের চক্করের সংখ্যায় যদি সন্দেহ দেখা দেয়, তা হলে নিশ্চিতটাই ধরবে, অর্থাৎ কমটা। যেমন সন্দেহ হল, তিন চক্কর হল, না কি চার চক্কর। তা হলে তিন চক্করই ধরে নিয়ে সাত চক্কর পুরো করবে। এটা সতর্কতার দাবি।
তাওয়াফ শেষ করার পর মাকামে ইবরাহিমের দিকে মুখ ফেরাবে এবং এই আয়াত পাঠ করবে—
وَاتَّخِذُوا مِنْ মَّقَامِ إِبْرَهِمَ مُصَلَّى
এরপর ইহরামের চাদর খুলে তা দিয়ে উভয় কাঁধ ঢেকে নেবে এবং তার পিছনে দু' রাকআত সালাত পড়বে। প্রথম রাকআতে পড়বে সূরায়ে কাফেরুন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরায়ে ইখলাস। ভিড়ের কারণে যদি মাকামে ইবরাহিমের পিছনে সালাত পড়া না যায়, তা হলে হারামের যেখানে পারা যায়, পড়ে নেবে। এরপর যমযমের পানি পান করবে। এটা মুস্তাহাব। এরপর সম্ভব হলে হজরে আসওয়াদের ইস্তিলাম করবে।
এরপর সা'য়ির জায়গায় যাবে। সা'য়ি শুরু করবে সাফা থেকে। সেখানে গিয়ে সর্বপ্রথম এ আয়াত পাঠ করবে— إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ ۚ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِاعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَوَّفَ بِهِمَا وَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ আর বলবে, আমরা তা থেকেই শুরু করছি, যা দিয়ে আল্লাহ শুরু করেছেন। এরপর সাফার ওপর উঠবে। ক্বিবলার দিকে ফিরবে, হাত উঠাবে এবং এ বলে দোয়া করবে—
اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ ، وَلَهُ الْحَمْدُ ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَه ، أَنْجَزَ وَعْدَه ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحَدَهُ
এরপর মনে যে দোয়া আসে, পড়বে। এরপর আবার আগের যিকিরটি পড়বে। এরপর আবার দোয়া পড়বে। এরপর আবার ওই যিকিরটি পড়বে। এরপর হাত নামিয়ে মারওয়ার দিকে হাঁটতে থাকবে। সবুজ দুটি চিহ্নের মাঝখানে দ্রুত চলবে। মারওয়া পৌঁছার পর সাফাতে যা যা করেছে, সেখানেও তা তা করবে। অর্থাৎ ক্বিবলার দিকে ফিরবে এবং দোয়া করবে। প্রত্যেকবারের শুরুতে এরূপ করবে। সপ্তমবারের শেষে দোয়া করবে না।
সা'য়ির সময়ের জন্য বিশেষ কোনো যিকির নির্দিষ্ট নেই। তবে আল্লাহর যিকির করতে থাকবে এবং মনের চাহিদামতো দোয়া করতে থাকবে। আর কুরআন পাঠ করলেও ক্ষতি নেই। পবিত্র অবস্থায় সা'য়ি করা মুস্তাহাব। সা'য়ি করার সময় সালাত শুরু হলে সা'য়ি বন্ধ করে সালাত আদায় করে নেবে। সালাত শেষ করে সা'য়ি পূর্ণ করবে।
সা'য়ি শেষ করার পর মাথা হলক করবে অথবা চুল ছোট করবে। যদি হজ্জের কাছাকাছি সময় হয়, তা হলে মাথা হলক করা থেকে কসর করা, মানে, চুল ছোট করা উত্তম। তা হলে হজ্জের সময় মাথা হলক করা যাবে। আর যদি শুধু উমরা হয়, তা হলে হলক করা উত্তম।
চুল ছোট করার সময়, মাথার একদিকের নয়, পুরো মাথার চুল ছোট করবে।
মেয়েরা তাদের মাথার চুলের আগার দিক থেকে আঙ্গুলের মাথার পরিমাণ, যা মোটামুটি এক সেন্টিমিটার হয়, ছোট করবে। তা-ও পুরো মাথার চুল থেকে করতে হবে। রাসুল ﷺ ইরশাদ করেছেন—
'মেয়েদের মাথা হলক করবে না। বরং তারা চুল ছোট করবে।' [আবু দাউদ]
হলক করা হলে বা চুল ছোট করা হলে উমরার কার্যক্রম শেষ হবে।
📄 ইহরামের অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ
ইহরামের কারণে যেসব কাজ নিষিদ্ধ হয়ে পড়ে, যেগুলো থেকে বেঁচে থাকা ওয়াজিব। এমন কাজ নয়টি—
১. বিনা উযরে দেহের যে-কোনো স্থান থেকে চুল বা পশম দূর করা, কেটে হোক বা উপড়ে হোক। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন— وَلَا تَحْلِقُوا رُءُوسَكُمْ حَتَّى يَبْلُغَ الْهَدْيُ مَحِلَّهُ আর তোমাদের মাথা ততক্ষণ পর্যন্ত মুণ্ডন করবে না, যতক্ষণ না কোরবানি[-র পশু] যথাস্থানে পৌঁছে যায়। [সূরা বাকারা : আয়াত ১৯৬]
২. নখ কাটা। তবে উপড়ে গেলে প্রয়োজনে তা ফেলে দেওয়া যাবে।
৩. পুরুষের জন্য পোশাক দ্বারা, যেমন পাগড়ি, টুপি ইত্যাদি দ্বারা, মাথা ঢাকা। তবে যদি ছাতা ব্যবহার করে, বা গাছের ছায়ায় বসে বা গাড়ির হুডের নীচে বসে, তা হলে ক্ষতি নেই।
৪. সেলাই করা জামা-পাজামা পরিধান করা। তদ্রূপ মোজাজাতীয় কোনো কিছু পরিধান করা। মুহরিম সম্বন্ধে নবীজি ﷺ ইরশাদ করেছেন—
মুহরিম ব্যক্তি জামা পরবে না, পাগড়ি পরবে না, বুরনুস [হুডবিশিষ্ট একধরনের ঢিলা কোট] পরবে না, পাজামা পরবে না, এমন পোশাক পরিধান করবে না, যাতে লাল বা জাফরানি রঙের মিশ্রণ রয়েছে, এবং মোজা পরবে না। [বুখারি, মুসলিম]
মহিলারা সবধরনের পোশাক পরিধান করবে, তবে নিকাব ও বোরকা পরিধান করবে না। [তা হল এমন পোশাক, যা দিয়ে মহিলা তার মুখমণ্ডল ঢাকে, এবং তাতে চোখের ওপর দুটি ছিদ্র থাকে।] বরং ওড়না বা চাদর দিয়ে সে তার মুখ ঢেকে রাখবে। আর সে মোজা পরিধান করবে না। নবীজি ইরশাদ করেছেন— ইহরামকারিনী মহিলা নিকাব ব্যবহার করবে না এবং মোজা পরিধান করবে না। [বুখারি]
৫. সুগন্ধ ব্যবহার করা। মুহরিম ব্যক্তির জন্য তার পোশাকে বা দেহে সুগন্ধ ব্যবহার করা হারাম। কারণ, মুহরিম ব্যক্তি সম্বন্ধে নবীজি বলেছেন—
'তাকে সুগন্ধ লাগিয়ো না।' [মুসলিম]
তদ্রূপ ইচ্ছাকৃতভাবে সুগন্ধের ঘ্রাণ নেবে না।
৬. স্থলভাগের প্রাণী শিকার করা। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন— وَحُرِّمَ عَلَيْكُمْ صَيْدُ الْبَرِّ مَا دُمْتُمْ حُرُمًا
আর তোমাদের ওপর হারাম করা হয়েছে স্থলভাগের শিকার, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা ইহরামে থাক। [মায়েদা : আয়াত ৯৬]
৭. নিজে বিবাহ করা বা অন্যকে বিবাহ করানো। নবীজি ইরশাদ করেছেন—
'মুহরিম ব্যক্তি নিজেও বিবাহ করবে না, অন্যকেও বিবাহ করাবে না।' [মুসলিম]
৮. সঙ্গম করা। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন— فَمَنْ فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلَا رَفَثَ
আর এ মাসগুলোয় যে হজ্জ ফরজ করল, [অর্থাৎ হজ্জ করার নিয়্যত করল] সে রফছ করবে না। [সূরা বাকারা: আয়াত ১৯৭]
আর এই আয়াতে رَفَثَ শব্দের অর্থ সম্বন্ধে ইবনে আব্বাস বলেন, 'এর অর্থ হল সঙ্গম।'
কাজেই যে ব্যক্তি প্রথম হালাল হওয়ার আগে সঙ্গম করবে, তার হজ্জ ফাসেদ হয়ে যাবে। তার জন্য চলমান হজ্জও পূর্ণ করতে হবে, এবং পরবর্তী বছর কাজাও আদায় করতে হবে। আর তার একটি পশুও জবাই করতে হবে। আর যদি প্রথম হালালের পর হয়, তা হলে হজ্জ আদায় হয়ে যাবে। তবে তাকে একটি বকরি জবাই করতে হবে।
৯. মহিলার সাথে মেলামেশা করা। অর্থাৎ কামনা সহকারে স্পর্শ করা, চুম্বন করা ইত্যাদি।
হজ্জ পালনকারীর জন্য এসব নিষিদ্ধ কাজ থেকে দূরে থাকা জরুরি, যেন হজ্জে কোনোরূপ ত্রুটি না আসে। কারও থেকে নিষিদ্ধ কাজগুলোর কোনোটা ঘটে গেলে সেটার হুকুম কী, ফিদয়া দিতে হবে কি হবে না, সেটা দীর্ঘ আলোচনাসাপেক্ষ। এখানে সে আলোচনার সুযোগ নেই। প্রয়োজনের ক্ষেত্রে তা আলেমদের থেকে জেনে নিতে হবে।
পরিশেষে, আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, আল্লাহ যেন আমাদের ইবাদত কবুল করেন, আমাদেরকে যেন পুরোপুরি সুন্নাত অনুসারে চলার তাওফিক দান করেন। আল্লাহ-ই সবচেয়ে ভাল জানেন।
وَ صَلَّى اللهُ وَ سَلَّمَ وَبَارَكَ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ওَّآلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ
সমাপ্ত