📄 রামাদানে তারা যা করতেন
উমর রাযি.-র যুগে সাহবায়ে কিরাম তেইশ রাকআত সালাত পড়তেন। আর রামাদানে কুরআন কয়েক খতম দিতেন।
মুআত্তা কিতাবে ইবনে হুরমুয থেকে বর্ণিত, আমি লোকদের দেখেছি, রামাদানে তারা কাফেরদের লা'নত করছেন। ক্বারি সাহেব আট রাকআতে সূরায়ে বাকারা পড়তেন। যদি বারো রাকআত পড়তেন, লোকজন মনে করত, সালাত সহজ করা হয়েছে।
মুআত্তা কিতাবে আছে, আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর তার পিতা থেকে রেওয়ায়াত করেন, 'আমরা রামাদানে কিয়ামুল্লাইল করে [তারাবিহর সালাত পড়ে] আসতাম। তাড়াতাড়ি খাবার আনার জন্য খাদেমকে তাগাদা দিতাম, আবার না ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যায়।'
ইমাম বায়হাকি শু'আবুল ঈমান কিতাবে খালেদ বিন দুরাইক থেকে রেওয়ায়াত করেন, 'বসরায় আমাদের এক ইমাম ছিলেন। তিনি রামাদানে প্রতি তিন রাতে কুরআন এক খতম দিতেন। একবার তিনি পীড়িত হয়ে পড়লে আমরা অন্য একজনকে ইমাম বানালাম। তিনি প্রতি চার রাতে কুরআন এক খতম করতেন। আমরা এটাকে ধরে নিয়েছি, তিনি সালাত হালকা করে ফেলেছেন।'
সায়েব বিন ইয়াজিদ বলেন, 'সালাতে ইমাম সাহেব শত শত আয়াত করে পড়তেন। এমনকি দীর্ঘ কিয়ামের কারণে আমরা লাঠির ওপর ভর দিয়ে দাঁড়াতাম। আর সালাত থেকে ফিরতে ফিরতে প্রায় ফজরের সময় হয়ে যেত।
ভায়েরা! আমাদের অবস্থাকে তাদের অবস্থার সঙ্গে তুলনা করুন।