📄 ঈদের সালাত আদায়ের পদ্ধতি
প্রথমে তাকবিরে-তাহরিমা বাঁধবে। এরপর সানা পড়বে। এরপর ছয় তাকবির বলবে।³⁰ এখানে তাকবিরে তাহরিমা সালাতের রুকন। বাকি তাকবিরগুলো সুন্নাত।³¹ এরপর সূরায়ে ফাতিহা পড়বে। আর দ্বিতীয় রাকআতে ক্বিরাআতের আগে পাঁচটি তাকবির বলবে।³² প্রত্যেক তাকবিরের সাথে হাত উঠাবে। কারণ, নবীজি প্রত্যেক তাকবিরের সাথে হাত উঠাতেন। ইবনে কাইয়্যেম বলেন, প্রতি দু' তাকবিরের মাঝে নবীজি সামান্য বিরতি দিতেন। এ সময় কোনো দোয়া পড়েছেন বলে বর্ণিত নেই।
ক্বিরাআত শুরু করার পর কেউ যদি সালাতে শরিক হয়, তা হলে সে শুধু তাকবিরে তাহরিমার একটি তাকবির বলবে।³³
ঈদের সালাত দু' রাকআত। এই সালাতের ক্বিরাআত উচ্চ স্বরে পড়বে। নবীজি প্রথম রাকআতে সূরায়ে আ'লা এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরায়ে গাশিয়াহ পড়তেন। [মুসনাদে আহমাদ] অথবা প্রথম রাকআতে সূরায়ে ক্বাফ এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরায়ে কামার পড়বে। [সহিহ মুসলিম]
সালাত শেষ করার পর দুটি খুতবা পাঠ করবে। দুটোর মাঝখানে বসবে। এরপর লোকজন চলে যাবে। এই সালাতের পর কোনো সালাত নেই।
ঈদের সালাতে মেয়েদের আসা মুস্তাহাব।
যে ব্যক্তি ঈদের সালাত মোটেই পায়নি বা কিছুটা পায়নি, সে দু' রাকআত কাজা আদায় করবে।³⁴ এবং তাকবির সহকারে আদায় করবে। এসে যদি দেখতে পায়, ইমাম সাহেব খুতবা দিচ্ছেন, তা হলে খুতবা শোনার জন্য বসে পড়বে। খুতবা শেষ হলে সালাত পড়ে নেবে। কাজা একাকীও পড়া যাবে; আবার জামাআতের সাথেও পড়া যাবে।
টিকাঃ
৩০. হানাফী আলেমদের মতে, তিন তাকবির বলবে।
৩১. হানাফী আলেমদের মতে, ওয়াজিব।
৩২. হানাফী আলেমদের মতে, দ্বিতীয় রাকআতে রুকুর আগে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলবে।
৩৩. হানাফী আলেমদের মতে, ঈদের তাকবিরও বলতে হবে।
৩৪. হানাফী আলেমদের মতে, ঈদের সালাতের কাজা নেই।