📘 শুধু তাঁরই ইবাদাত 📄 চার অবস্থায় তায়াম্মুম করা জায়েয

📄 চার অবস্থায় তায়াম্মুম করা জায়েয


১. পানি না থাকলে, চাই সফররত অবস্থায় হোক, কিংবা মুকিম থাকা অবস্থায়। তবে পানি পাওয়ার জন্য পুরোপুরি চেষ্টা করার পর ব্যর্থ হলেই কেবল তায়াম্মুম করা যাবে।

২. যদি সাথে পানি থাকে, কিন্তু তা অযুর জন্য যথেষ্ট না হয়, এবং পান করা ও রান্নাবান্নার জন্য পানির প্রয়োজন হয়।

৩. যদি রোগের কারণে পানি ব্যবহারে অসমর্থ হয় কিংবা শরীরের কোন অংশ পুড়ে যাওয়ার কারণে পানি ব্যবহারে অসমর্থ হয়।

৪. যদি পানি থেকে থাকে, কিন্তু তা সংগ্রহের শক্তি না থাকে, তা হলেও তায়াম্মুম করা যাবে। যেমন পানি অনেক দূর, যেখানে গিয়ে পানি এনে অযু করতে করতেই সালাতের সময় পেরিয়ে যাবে; অথবা পানি পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তা বিপদসংকুল, কিংবা পানি ক্রয় করতে হবে এবং ক্রয়মূল্য অনেক বেশি—এসব ক্ষেত্রে তায়াম্মুম করা জায়েয।

প্রচণ্ড ঠান্ডার সময়, যখন তা গরম করার ব্যবস্থা না থাকে, সে-ক্ষেত্রেও তায়াম্মুম করা যাবে।

মাটি বা মাটি-জাতীয় যা-কিছু আছে, সেসব দ্বারা তায়াম্মুম করা যাবে। যেমন মাটি, বালি, পাথর ইত্যাদি। আল্লাহ ইরশাদ করেন— فَتَيَمَّمُوا صَعِيدًا طَيِّبًا তোমরা পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করো। [সূরা মায়েদা : ৬]

📘 শুধু তাঁরই ইবাদাত 📄 তায়াম্মুমের পদ্ধতি

📄 তায়াম্মুমের পদ্ধতি


হাতের আঙ্গুলগুলোর মধ্যে ফাঁক রেখে মাটিতে আঘাত করবে। এরপর তা দিয়ে মুখমণ্ডল মাসেহ করে নেবে। আবার মাটিতে আঘাত করে এক হাত দিয়ে অপর হাত মাসেহ করবে। আঙ্গুলের পেট দিয়ে আঙ্গুলের পিঠ মাসেহ করবে।

কেউ যদি পানি ব্যবহারেও অক্ষম হয় এবং তায়াম্মুমও করতে না পারে, তা যে কোনো কারণেই হোক, (যেমন, কেউ উড়োজাহাজে আছে, এবং সেখানে অযু করার মত পর্যাপ্ত পানিও নেই, এবং মাটিও নেই যে, তায়াম্মুম করবে;) আর ওয়াক্তও পেরিয়ে যাচ্ছে, তা হলে এ অবস্থায়ই, অযু ও তায়াম্মুম ছাড়া সালাত পড়ে নেবে। সামর্থ্যের বাইরে আল্লাহ বান্দাকে কোনো কাজের আদেশ করেন না।

টিকাঃ
১. এখানে ইমামদের মাঝে মতভেদ আছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px