📄 কুরআন হাদীসে বর্ণিত কতকগুলো নিষিদ্ধ কাজ
আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে অনেক ব্যাপারে নিষেধ করেছেন যেগুলো থেকে দূরে থাকার উপর নির্ভর করছে অন্যায়, অবিচার ও সকল প্রকার অনিষ্টতার মোকাবেলায় সফলতা অর্জন ও কল্যাণ সাধন। ঐ সকল নিষিদ্ধ কাজ সমূহের মধ্যে কতকগুলো রয়েছে মাকরুহ বা অপছন্দনীয়। কিন্তু প্রতিটি মুসলমানের উচিৎ হলো সকল প্রকার নিষিদ্ধ কাজ থেকেই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা; কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “আমি তোমাদেরকে যে সব বিষয়ে নিষেধ করেছি সেগুলো বর্জন কর”। তাই নিষ্ঠাবান মুসলমানগণ সকল প্রকার নিষেধাবলীকেই- হারাম হোক বা মাকরুহ - সচেতন ভাবে পরিহার করে চলে এবং কখনো দুর্বল ঈমান-দারদের মতো আচরণ করে না যারা অপছন্দনীয় কাজ করতে এতটুকু দ্বিধা করে না; কেননা তারা জানে যে মাকরুহ কাজ গুলোকে সহজ ও উদার ভাবে দেখলে তা এক সময় হারাম কাজে লিপ্ত হওয়ার কারন হয়ে দাঁড়ায়। তাই এই সব মাকরুহ বা অপছন্দনীয় কাজগুলো হারাম কাজগুলোর জন্য একটি সংরক্ষিত এলাকার মতো, যদি কেহ এখানে সাহসিকতার সাথে বিচরণ করে তাহলে তার আল্লাহ্ কর্তৃক হারাম কাজে লিপ্ত হওয়ার যথেষ্ঠ আশংকা রয়েছে। তদুপরি কোন মুসলমান যদি এই মাকরুহ কাজগুলো আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পরিহার করে চলে তাহলে সে ছওয়াবেরও ভাগী হবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মাকরুহ কাজ এবং হারাম কাজের মধ্যে পার্থক্য সুচিত হয় না। তাছাড়াও উভয়ের মাঝে সূক্ষ পার্থক্য নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞানেরও আবশ্যক। উপরোন্তু এখানে যে সব নিষিদ্ধ কাজ সমূহ নিয়ে আলোচনা করা হবে তার অধিকাংশই হারামের অন্তর্ভূক্ত, মাকরুহের নয়। সুহৃদ পাঠকবৃন্দ! আপনাদের সমীপে কতকগুলো শরীয়ত নিষিদ্ধ কাজসমূহ তুলে ধরা হলো:
📄 আকীদাহ বিশ্বাসের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ কাজ সমূহ
সাধারন ভাবে ছোট, বড়, স্পষ্ট ও প্রচ্ছন্ন সকল প্রকার শির্ক গুনাহসমূহ, গনক ও জোতিষীদের নিকট যাওয়া এবং তাদের কথা বিশ্বাস করা, আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো নামে পশু জবাই করা, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল সম্পর্কে অজ্ঞতা বশতঃ কোন কথা বলা, তাবীজ লটকানো, যেমন: খেরজ - এক ধরনের মালা যা মানুষের নজর থেকে বাঁচার জন্য লটকানো হয় এবং তেওয়ালাহ - যাদুর সাহায্যে দু'ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও সম্পর্কচ্ছেদের মাধ্যম - ইত্যাদি এর অন্তর্ভূক্ত। সাধারনভাবে সকল প্রকার যাদুটোনা, ভাগ্য গণনা, মানব জীবন ও পৃথিবীর বিচিত্র ঘটনা প্রবাহের উপর নক্ষত্র, তারকারাজী ও বিভিন্ন গ্রহ উপগ্রহের প্রভাব আছে বলে বিশ্বাস করা এবং কোন কোন বস্তু সম্পর্কে এমন ধারণা পোষণ করা যে এতে কল্যান রয়েছে, অথচ সৃষ্টিকর্তা তাকে এ কাজের জন্য সৃষ্টি করেননি। আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে গবেষনা না করে আল্লাহর স্বত্তা নিয়ে গবেষনা করা। আল্লাহ তায়া'লার প্রতি খারাপ ধারনা নিয়ে কোন মুসলমানের মৃত্যুবরণ করা ঠিক নয় বরং তাঁর প্রতি ভাল ধারণা পোষণ করতঃ মৃত্যুবরণ করা।
কোন দ্বীনদার ব্যক্তিকে দোযখী বলা, কোন মুসলমানকে শরীয়তের প্রমাণ ব্যতীত কাফের ফতোয়া দেয়া, আল্লাহর নাম করে পার্থিব কোন বিষয় চাওয়া, আল্লাহর ওয়াস্তে কোন কিছু চাওয়া হলে তা নিষেধ করা, বরং আল্লাহ তায়া'লার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তাকে কিছু না কিছু দিয়ে বিদায় করা যদি তা গুনাহের কারন না হয়।
যুগ বা কালকে গালি দেয়া; কেননা আল্লাহই তো যুগের নিয়ন্ত্রন কর্তা (তাই যূগকে গালি দিলে আল্লাহকে গালি দেয়া হয়)। কোন কাজকে অশুভ ও অলক্ষুনে মনে করা। কাফের, মুশরিক ও অমুসলিমদের দেশ (বিনা প্রয়োজনে) ভ্রমন করা এবং তাদের সঙ্গে সহ অবস্থান করা, মুসলমানদেরকে বাদ দিয়ে ইয়াহুদী, খৃষ্টান ও আল্লাহ্র দুশমনদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করা, যার ফলে তারা শলাপরামর্শ ও ভালবাসার দাবীতে মুসলমানদের নৈকট্য লাভ করে।
কারো প্রতি অনুগ্রহ করে তার খোঁটা দেয়া, দুনিয়ায় খ্যাতি অর্জন ও লোক দেখানোর নিয়তের মাধ্যমে সৎ কাজ বিনষ্ট করা।
তিনটি মসজিদ ব্যতীত ইবাদাতের উদ্দেশ্যে কোন স্থান ভ্রমন করা। মসজিদ গুলো হচ্ছেঃ- পবিত্র কাবাঘর, মদীনার মসজীদে নববী এবং মসজিদে আকসা, (বায়তুল মাকদাস)। তাছাড়াও কবরের উপর ইমারত নির্মান করা এবং কবর গুলোকে মসজিদ বানানো।
সাহবাদেরকে গালি দেয়া এবং তাদের মাঝে যে সব ফেতনা সৃষ্টি হয়েছিল সে সব ব্যাপারে অনর্থক তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে পড়া। ভাগ্যের ব্যাপারে গভীর আলোচনায় মগ্ন হওয়া, অজ্ঞতা বশতঃ কুরআন নিয়ে তর্ক বিতর্কে লিপ্ত হওয়া, যারা কুরআন সম্পর্কে অন্যায় ভাবে তর্কে লিপ্ত হয় তাদের সঙ্গে উঠা-বসা করা, কাদারিয়াহ(১) এবং এই জাতীয় কোন বেদয়াত পন্থী রোগীদের পরিচর্যা করা এবং তাদের জানাযা নামাজে শরীক হওয়া।
কাফেরদের ইলাহ্ গুলোকে গালি দেয়া, যদি তা আল্লাহ্ তায়ালাকে গালি দেয়ার কারন হয়। নানা প্রকার মত ও পথের (ইসলাম ব্যতিত) অনুসরন করা এবং দ্বীনে হকের ব্যাপারে মতভেদ সৃষ্টি করা। আল্লাহ্র আয়াত ও নিদর্শন সমূহকে ঠাট্টা বিদ্রুপের বিষয় হিসাবে গ্রহন করা। আল্লাহ্পাক যা কিছু হারাম করেছেন তাকে হালাল মনে করা, অথবা যা কিছু হালাল করেছেন তাকে হারাম মনে করা। আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো উদ্দেশ্যে সেজদা বা মাথা নীচু করা। মোনাফেক বা ফাসেক শ্রেণীর লোকদের সঙ্গে বন্ধুত্বের উদ্দেশ্যে উঠা বসা করা এবং হক পন্থী ইসলামী জামাতের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা।
সাধারন ভাবে ইহুদী, খৃষ্টান, অগ্নিপূজক ও কাফেরদের অনুসরণ করা, কাফেরদেরকে আগে সালাম দেয়া, আহলে কেতাবগণ তাদের গ্রন্থসমূহ থেকে এমন কোন বিষয়ে খবর দিলে যার সত্য হওয়া না হওয়া সম্পর্কে আমাদের জানা নেই তা বিশ্বাস করা অথবা মিথ্যা মনে করা এবং শরীয়তের কোন ব্যাপারে আহলে কেতাবদের নিকট ফতোয়া চাওয়া (জ্ঞান ও ফায়দা লাভের উদ্দেশ্যে)। আমানতদারী, বাপ-দাদা, সন্তান-সন্ততি এবং তাগুতদের নামে শপথ করা, আল্লাহ্র ইচ্ছা ও তোমার ইচ্ছা এ ধরনের উক্তি করা, কোন ভৃত্য বা চাকর তার মনিবকে এই বলে সম্বোধন জানানো যে, হে আমার রব বরং তার বলা উচিৎ যে, হে আমার মনিব, দায়িত্বশীল। এমনি ভাবে মনিবেরও তার চাকর ও চাকরানীকে 'হে আমার বান্দা বা বান্দী বলা, বরং সে তাকে হে যুবক, যুবতী বা বৎস বলে সম্বোধন করবে। যুগ সম্পর্কে নিরাশ হওয়া এবং আল্লাহর লা'নত অথবা তার ক্রোধ বা দোযখের আগুন নিয়ে পরস্পরকে লা'নত করা।
টিকাঃ
(১) যারা ভাগ্যকে অস্বীকার করে।
📄 পবিত্রতার ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ বিষয় সমূহ
যেমনঃ বদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করা, রাস্তার উপর, ছায়া বিশিষ্ট স্থানে যেখানে মানুষ ছায়া গ্রহন করে এবং পানির উৎস স্থলে পায়খানা করা, প্রস্রাব পায়খানার সময় কেবলার দিকে মুখ করা বা পিঠ দেয়া, এ ক্ষেত্রে কোন কোন আলেমগণ ঘরে বা চার দেয়ালের ভিতর কেবলামুখী হয়ে বা কেবলার দিকে পিঠ দিয়ে প্রস্রাব-পায়খানা করাকে নিষেধের আওতায় মনে করেন না। ডান হাত দিয়ে গুপ্তাংগ মুছে নেয়া ও শৌচ কার্য করা। হাড় হাড্ডি ও গোবরের সাহায্যে কুলুখ করা; কেননা উহা আমাদের জ্বিন ভাইদের খাদ্য, আর গোবর হচ্ছে জ্বিনদের আওতাভূক্ত চতুষ্পদ জন্তুর অন্ন। প্রস্রাব করা অবস্থায় কোন পুরুষ ডান হাত দিয়ে তার লিংগ ধরে রাখা, প্রস্রাব পায়খানারত কোন ব্যক্তিকে সালাম দেয়া। ঘুম থেকে জেগে উঠা মাত্র হাত ধৌত না করেই কোন পাত্রে প্রবেশ করানো।
📄 নামাজের সাথে সংশ্লিষ্ট নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ
সূর্য্য উদয়, দ্বিপ্রহর ও সূর্যাস্তের সময় নফল নামাজ পড়া, কেননা সূর্য্য শয়তানের শিং দ্বয়ের মাঝে উদয় হয় ও অস্ত যায়। নক্ষত্র পূজারী কাফেরগণ যখন ইহা প্রত্যক্ষ করে তখন তারা সেজদা করে। ফজর নামাজের পর সূর্য্য না উঠা পর্যন্ত তেমনি ভাবে বাদ আছর সূর্যাস্ত না যাওয়া পর্যন্ত কোন কারণ ব্যতীত নামাজ পড়া। তবে যদি কোন কারন বশতঃ নামাজ আদায় করতে হয় সেটা ভিন্ন কথা। যেমন তাহিয়্যাতুল মাসজিদের নামাজ - যা কিনা মসজিদে প্রবেশ করার কারনে পড়তে হয়।
নিজেদের ঘর গুলোকে সুন্নাত ও নফল নামাজ সেখানে আদায় না করার কারনে কবর বানিয়ে রাখা। ফরজ ও সুন্নাত নামাজের মাঝে কোন কথাবার্তা যিকির আযকার অথবা স্থান ত্যাগের মাধ্যমে ব্যবধান সৃষ্টি না করা। ফজরের আজানের পর ফজরের দু' রাকাত সুন্নাত ব্যতীত অন্য কোন নামাজ আদায় করা।
নামাজের ভিতরে ঈমামের আগে আগেই কোন কাজ সম্পাদন করা, জামায়াতের সহিত নামাজ আদায়ের সময় একাই পিছনের কাতারে নামাজ পড়া। নামাজের ভিতরে ডানে বামে ও আকাশের দিকে তাকানো। রুকু ও সেজদায় গিয়ে কুরআন তেলাওয়াত করা। কিন্তু সেজদায় গিয়ে কুরআন থেকে যদি দোয়া করে তাহলে ক্ষতি নেই।
দুই কাঁধকে বিবস্ত্র রেখে শুধু মাত্র এক কাপড়ে নামাজ আদায় করা। খাবারের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও খাবার রেখে নামাজ আদায় করা।
পেশাব, পায়খানা ও বায়ু আটকিয়ে রেখে নামাজ পড়া; কেননা এ কাজগুলো নামাজীকে নামাজে গভীর মনোযোগী ও বিনয়ী হতে বাধা প্রদান করে। গোসল খানা ও কবর স্থানে নামাজ আদায় করা।
নামাজের ভিতর কাকের ঠোকর দেবার মতো করে রুকু সেজদা করা, শৃগালের মতো এদিক ওদিক তাকানো, হিংস্র প্রাণীর ন্যায় বসা, কুকুরের মতো হাতের কনুই মাটির সঙ্গে বিছিয়ে সেজদা করা এবং উটের মতো নির্দিষ্ট কোন স্থান বেছে নেয়া অর্থাৎ মসজিদের ভিতর কোন স্থানকে নির্দিষ্ট করে নেয়া যে, ঐ স্থান ব্যতীত অন্য কোন স্থানে নামাজ আদায় না করা।
তাছাড়াও উট রাখার স্থানে নামাজ পড়া, কেননা শায়তানদের মধ্য থেকে উহার সৃষ্টি।
নামাজরত অবস্থায় জমিন পরিস্কার করা, তবে প্রয়োজনে পাথর বা এই জাতীয় কোন কিছুকে সমান করার উদ্দেশ্যে শুধু মাত্র এক বার সে পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে, নামাজের মধ্যে মুখ ঢেঁকে রাখা, নামাজের ভিতর উচ্চ শব্দ করা যার ফলে মুমেনগণ কষ্ট পায়, তন্দ্রা আসা সত্ত্বেও বিরতিহীন ভাবে রাত্রে নফল নামাজ আদায় করা, বরং ঘুমিয়ে নিয়ে তার পর নামাজের জন্য উঠা উচিৎ, এ ছাড়াও সারা রাত জেগে নামাজ পড়ার অভ্যাস করা।
নামাজের ভিতর হাইতোলা ও ফুঁ-দেয়া, মানুষের কাঁধের উপর দিয়ে চলা-ফেরা করা, নামাজের ভিতরে কাপড় এবং চুল নিয়ে খেলা করা।
শুদ্ধ নামাজকে পুনরায় পড়া আর এই নিষেধাজ্ঞাটি ধোকা প্রাপ্তদের জন্য খুবই উপকারী। ওজু ভেঙ্গে গেছে এমন সন্দীহান হয়ে নামাজ ছেড়ে দেয়া। তবে যদি বায়ু নির্গত হওয়ার কোন শব্দ বা গন্ধ পাওয়া যায় তাহলে অন্য কথা। জুমআর দিনে নামাজের পূর্বে দাঁড়ী কামানো, খোৎবার সময় পাথর স্পর্শ করা, খেলনা করা ও কথাবার্তা বলা। ইহতেবা অবস্থায় খোতবাহ শোনা অর্থাৎ দুই উরু পেটের সাথে মিলিয়ে কাপড় বা দুই হাত দিয়ে বেঁধে বসা।
ফরজ নামাজের একামাত হয়ে গেলে এই সময় অন্য কোন নামাজ পড়া। বিনা প্রয়োজনে ইমাম মোক্তাদীদের আসন হতে উচ্চ আসনে দাঁড়ানো, নামাজের সামনে দিয়ে অতিক্রম করা এবং নামাজী ব্যক্তি সামনে দিয়ে বা ছোতরার(১) মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে কাউকে যাতায়াত করার সুযোগ দেয়া।
নামাজের ভিতরে কেবলা এবং ডান দিকে থুথু ফেলা, তবে মুসল্লী তার বাম দিকে বা বাম পায়ের নীচে থুথু ফেলবে। মুসল্লী তার জুতা দুটোকে না ডান পাশে রাখবে না বাম পাশে, কেননা তাহলে তা অন্য মুসল্লীর ডান পাশে হলো, তবে হ্যাঁ যদি তার বামে কেহ না থাকে তাহলে দোষ নেই। অবশ্য জুতা দুটোকে দুই পায়ের মধ্যবর্তী স্থানে রাখা উচিৎ।
এশার নামাজ সময় মতো পড়তে না পারার ভয় থাকলে এর পূর্বে ঘুমানোও নিষেধ। শরীয়ত সম্পর্কিত আলোচনা ছাড়া এশার নামাজের পর কথাবার্তায় মগ্ন হওয়া। কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির প্রভাবাধীন স্থানে গিয়ে তার বিনা অনুমতিতে নামাজের ইমামতি করা যেমন :- কোন অতিথী বাড়ী ওয়ালাদের অনুমতি ছাড়াই তাদের ইমামতি শুরু করে দেয়া। কোন ব্যক্তির এমন লোকদের ইমামতি করা যারা তাকে কোন শরীয়ত সম্মত কারনে অপছন্দ করে।
টিকাঃ
(১) যে স্থানে লোকজন বেশী চলাচল করে সেখানে মুসল্লী তার সামনে কোন কিছু রেখে তার আড়ালে নামাজ পড়া।