📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 এসব অপরাধ করার সময় ঈমান না-থাকার তাৎপর্য

📄 এসব অপরাধ করার সময় ঈমান না-থাকার তাৎপর্য


এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 আলি (রাঃ)-এর ব্যাখ্যা

📄 আলি (রাঃ)-এর ব্যাখ্যা


[৪৪৬.] আলকামা ইবনু কাইস বলেন, ‘আমি আলি ইবনু আবী তালিব -কে কুফার মিম্বারে বলতে শুনেছি,
“আমি আল্লাহর রাসূল -কে বলতে শুনেছি—
لَا يَزْنِي الزَّانِي حِيْنَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَسْرِقُ السَّارِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَنْتَهِبُ الرَّجُلُ نُهْبَةً يَرْفَعُ النَّاسُ إِلَيْهَا أَبْصَارَهُمْ وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلَا يَشْرَبُ الرَّجُلُ الْخَمْرَ وَهُوَ مُؤْمِنٌ
‘ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন সে মুমিন থাকে না; চোর মুমিন অবস্থায় চুরি করে না; মানুষের চোখের সামনে যখন কেউ ডাকাতি করে, তখন সে মুমিন থাকে না; আর মানুষ মদ্যপানের সময় মুমিন থাকে না।”’
তখন একব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলে, “আমীরুল মুমিনীন, যে ব্যভিচার করে সে কাফির হয়ে যায়?” জবাবে আলি বলেন—
إِنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ كَانَ يَأْمُرُنَا أَنْ تُبْهِمَ أَحَادِيثَ الرُّخْصِ ، لَا يَزْنِي الزَّانِي وَهُوَ مُؤْمِنٌ بِذَلِكَ الزِّنَا أَنَّهُ لَهُ حَلَالٌ، فَإِنْ آمَنَ بِهِ أَنَّهُ لَهُ حَلَالٌ فَقَدْ كَفَرَ، وَلَا هُوَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنُ بِتِلْكَ السَّرِقَةِ أَنَّهَا لَهُ حَلَالُ، فَإِنْ آمَنَ بِهَا أَنَّهَا لَهُ حَلَالُ فَقَدْ كَفَرَ، وَلَا يَشْرَبُ الْخَمْرَ حِينَ يَشْرَبُهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ أَنَّهَا لَهُ حَلَالٌ، فَإِنْ شَرِبَهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ أَنَّهَا لَهُ حَلَالٌ فَقَدْ كَفَرَ ، وَلَا يَنْتَهِبُ نُهْبَةً ذَاتَ شَرَفٍ حِيْنَ يَنْتَهِبُهَا يَرْفَعُ النَّاسُ فِيْهَا إِلَيْهِ أَبْصَارَهُمْ وَهُوَ مُؤْمِنٌ أَنَّهَا لَهُ حَلَالٌ فَإِنْ انْتَهَبَهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ أَنَّهَا لَهُ حَلَالٌ فَقَدْ كَفَرَ.
“আল্লাহর রাসূল আমাদের আদেশ দিতেন—যেসব হাদীসে শিথিলতা বা ছাড় দেওয়া হয়েছে সেগুলোকে আমরা যেন সেভাবেই থাকতে দিই। ব্যভিচারী যখন ব্যভিচার করে, তখন এ বিশ্বাস নিয়ে করে না যে ব্যভিচার তার জন্য বৈধ; যদি সেটিকে তার জন্য বৈধ মনে করে, তা হলে সে কুফর করল। যখন সে চুরি করে, তখন এ বিশ্বাস নিয়ে করে না যে সেটি তার জন্য বৈধ; যদি সেটিকে তার জন্য বৈধ মনে করে, তা হলে সে কুফর করল। মদপান করার সময় সে এ বিশ্বাস নিয়ে করে না যে এটি তার জন্য বৈধ; যদি সে এ বিশ্বাস নিয়ে মদ পান করে যে এটি তার জন্য বৈধ, তা হলে সে কুফর করল। মানুষের চোখের সামনে যখন সে মূল্যবান জিনিস ডাকাতি করে, তখন এ বিশ্বাস নিয়ে ডাকাতি করে না যে এটি তার জন্য বৈধ; ডাকাতির সময় যদি এ বিশ্বাস নিয়ে করে যে এটি তার জন্য বৈধ, তা হলে সে কুফর করল।”’

তাবারানি, সগীর ৯০৬, বর্ণনাসূত্রে ইসমাঈল ইবনু ইয়াহইয়া তাইমি ত্রুটিযুক্ত, তার বিরুদ্ধে (মিথ্যা-রটনার) অভিযোগ রয়েছে (দারানি); ইবনু আদি ৭/২৭০৭; মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০১ (৩৭৫)।

**টিকাঃ**
১. “তোমাদের কাছে শিথিলতার বিষয়গুলো বর্ণনা করার জন্য নবি আমাদের আদেশ দেননি।” (ইবনু আদি ৭/২৭০৭)।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 মুহাম্মাদ ইবনু আলি (রাঃ)-এর উদাহরণ

📄 মুহাম্মাদ ইবনু আলি (রাঃ)-এর উদাহরণ


[৪৪৭.] ফাদল ইবনু ইয়াসার বলেন, لَا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْنِي وَهُوَ مُؤْمِنُ وَلَا يَسْرِقُ السَّارِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنُ “ব্যভিচারী মুমিন অবস্থায় ব্যভিচার করে না, আর চোর মুমিন অবস্থায় চুরি করে না”—আমি নবি -এর এ-কথা সম্পর্কে মুহাম্মাদ ইবনু আলিকে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে শুনেছি। তখন তিনি মাটিতে একটি প্রশস্ত বৃত্ত আঁকেন। তারপর বৃত্তের মাঝখানে আরেকটি বৃত্ত এঁকে বলেন—
“প্রথম বৃত্তটি হলো ইসলাম, আর বৃত্তের মাঝখানের বৃত্তটি হলো ঈমান। ব্যভিচারের সময় সে ঈমান থেকে বের হয়ে ইসলামের (বৃত্তের) দিকে যায়। একমাত্র শির্কই তাকে ইসলাম থেকে (পুরোপুরি) বের করে দেয়।”’

বাযযার (কাশফ) ১/১০১-১০২ (৩৭৭); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০১-১০২ (৩৭৭)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00