📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 জাদুবಿದ্যা, মুমিনদের প্রতি ঘৃণা ও শত্রুতা

📄 জাদুবಿದ্যা, মুমিনদের প্রতি ঘৃণা ও শত্রুতা


[৩৯৭.] ইবনু আব্বাস বলেন, 'আল্লাহর রাসূল বলেছেন—

ثَلَاثُ مَنْ لَمْ يَكُنْ فِيْهِ وَاحِدَةً مِنْهُنَّ، فَإِنَّ اللهَ يَغْفِرُ لَهُ مَا سِوَى ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ : مَنْ مَاتَ لَا يُشْرِكْ بِاللهِ شَيْئًا، وَلَمْ يَكُنْ سَاحِرًا يَتْبَعُ السَّحَرَةَ، وَلَمْ يَحْقِدْ عَلَى أَخِيهِ

"যার মধ্যে তিনটির কোনও একটিও থাকবে না, (তাকে মাফ করে দেওয়া হবে); কারণ, এসব বাদে অন্যগুলো আল্লাহ যাকে ইচ্ছা মাফ করে দেবেন [৮]। (যাদের মাফ করে দেওয়া হবে, তারা হলো-)

» যে-ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কোনও শির্ক না-করে মারা যায়;
» যে-ব্যক্তি নিজে জাদুকর নয়, জাদুকরদের পেছনেও ছুটে না; আর
» যে-ব্যক্তি তার ভাইকে ঘৃণা করে না [৫]।"

তাবারানি, কাবীর ১২/২৪৩-২৪৪ (১৩০০৪), বর্ণনাসূত্রে লাইস ইবনু আবী সুলাইম রয়েছেন (হাইসামি); তাবারানি, আওসাত ১/২৬৫-২৬৬ (১১৭), ৪/৬৬ (৫২৩০); আত-তারগীব ৩/৪৬১ (২৩); কানযুল উম্মাল ১৫/৮৩৯-৮৪০ (৪৩৩৩৭); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০৪ (৩৯২)।

টিকাঃ
[৮] فَإِنَّهُ يُغْفَرُ لَهُ مَا سِوَى ذَلِكَ، إِنْ شَاءَ اللَّهُ "কারণ, আল্লাহ চাইলে তার অন্য অপরাধগুলো মাফ করে দেওয়া হবে” (তাবারানি, আওসাত ৪/৬৬ (৫২৩০))।
[৫] ; "আর” (তাবারানি, আওসাত ১/২৬৫-২৬৬ (১১৭))।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া

📄 আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া


[৩৯৮.] ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত, ‘একব্যক্তি বলল, “আল্লাহর রাসূল! কবীরা গোনাহ কোনগুলো?” নবি বললেন—

» “আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করা,
الشَّرْكُ بِاللَّهِ وَالْإِيَاسُ مِنْ رَوْحِ اللَّهِ وَالْقُنُوْطُ مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ
> আল্লাহর দয়ার ব্যাপারে হতাশ হওয়া ও আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া।”

বাযযার (কাশফ) ১/৭১ (১০৬), বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত (হাইসামি); কানযুল উম্মাল ৩/৮৩২ (৮৮৮৫); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০৪ (৩৯৪)।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 আল্লাহর কৌশলের ব্যাপারে নিজেকে নিরাপদ মনে করা

📄 আল্লাহর কৌশলের ব্যাপারে নিজেকে নিরাপদ মনে করা


[৩৯৯.] ইবনু মাসউদ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “কবীরা গোনাহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো হলো—

أَكْبَرُ الْكَبَائِرِ: الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ، وَالْأَمْنُ مِنْ مَكْرِ اللهِ، وَالْقُنُوْطُ مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ، وَالْيَأْسُ مِنْ رَوْحِ اللَّهِ

>> আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করা,
> আল্লাহর কৌশলের ব্যাপারে নিজেকে নিরাপদ মনে করা,
> আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া, ও আল্লাহর দয়ার ব্যাপারে হতাশ হওয়া।”

তাবারানি, কাবীর ১/১৭১ (৮৭৮৪), ইসনাদটি সহীহ (হাইসামি), ১/১৭১ (৮৭৮৩), ৯/১৭১ (৮৭৮৫); আবদুর রাযযাক ১০/৪৫৯-৪৬০ (১৯৭০১); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০৪ (৩৯৫)।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 মিথ্যা শপথের মাধ্যমে অপরের অধিকার কেড়ে নেওয়া

📄 মিথ্যা শপথের মাধ্যমে অপরের অধিকার কেড়ে নেওয়া


[৪০০.] আবদুল্লাহ ইবনু উনাইস জুহানি থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল বলেছেন—

مِنْ أَكْبَرِ الْكَبَائِرِ الشَّرْكُ بِاللهِ، وَعُقُوْقُ الْوَالِدَيْنِ، وَالْيَمِينُ الْغَمُوسُ، وَمَا حَلَفَ حَالِفٌ بِاللَّهِ يَمِينَ صَبْرٍ فَأَدْخَلَ فِيْهَا مِثْلَ جَنَاحَ بَعُوضَةٍ إِلَّا كَانَتْ نُكْتَةٌ فِي قَلْبِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

“কবীরা গোনাহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো হলো—
> আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করা,
> পিতামাতার অবাধ্য হওয়া, ও
» মিথ্যা শপথের মাধ্যমে অপরের অধিকার কেড়ে নেওয়া। যে-ব্যক্তি আল্লাহর নাম নিয়ে জবরদস্তিমূলক শপথ করায়, আর তাতে মাছির ডানা পরিমাণ (মিথ্যা) ঢুকায়, কিয়ামাতের দিন সেটি তার অন্তরে একটি কলঙ্ক হয়ে থাকবে [১]।”

তাবারানি, আওসাত ২/২৬৫ (৩২৩৭), বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত (হাইসামি); আহমাদ ৩/৪৯৫ (১৬০৪৩); তিরমিযি ৩০২১; ইবনু আবী আসিম, আল-আহাদ ওয়াল মাসানী ৪/৮০ (২০৩৬); হাকিম ৪/২৯৬ (৭৮০৮); কানযুল উম্মাল ৩/৫৪১-৫৪২ (৭৮০৯); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০৫ (৩৯৮)।

টিকাঃ
[১] إِنَّا جَعَلَهُ اللهُ نُكْتَةٌ فِي قَلْبِهِ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ "আল্লাহ কিয়ামাত পর্যন্ত সেটিকে তার অন্তরের কলঙ্ক বানিয়ে দেবেন” (আহমাদ ৩/৪৯৫ (১৬০৪৩))।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00