📄 আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন তা-ই কবীরা গোনাহ
[৩৮৩.] ইবনু আব্বাস বলেন-
"আল্লাহ যা-কিছু নিষেধ করেছেন, তা-ই কবীরা গোনাহ।"
তাবারানি, কাবীর ১৮/১৪০ (২৯৩, শেষাংশ), বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত, তবে হাসান মুদাল্লিস (হাইসামি); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০৩ (৩৮৭, শেষাংশ)।
📄 কবীরা গোনাহ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ
[৩৮৪.] জাবির থেকে বর্ণিত, 'আল্লাহর রাসূল বলেছেন-
اجْتَنِبُوا الْكَبَائِرَ، وَسَدَّدُوا، وَأَبْشِرُوا
"বড়ো বড়ো গোনাহ থেকে দূরে থাকো, মধ্যমপন্থা অবলম্বন করো, আর (জান্নাতের) সুসংবাদ লও।"'
আহমাদ ৩/৩৯৪ (১৫২৩৮), হাদীসটি সহীহ, তবে ইবনু লাহীআর দরুন বর্ণনাসূত্রটি ত্রুটিযুক্ত (আরনাউত), ৩/৩৩৬ (১৪৬০৫); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০২-১০৩ (৩৮২)।
📄 কবীরা গোনাহ এড়িয়ে চলার বিনিময় জান্নাত
[৩৮৫.] আবদুল্লাহ ইবনু আমর বলেন, 'আল্লাহর রাসূল মিম্বারে উঠে বলেন-
لَا أُقْسِمُ لَا أُقْسِمُ لَا أُقْسِمُ
"আমি শপথ করে বলছি, আমি শপথ করে বলছি, আমি শপথ করে বলছি।" তারপর (মিম্বার থেকে) নেমে বলেন-
أَبْشِرُوا أَبْشِرُوا إِنَّهُ مَنْ صَلَّى الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ وَاجْتَنَبَ الْكَبَائِرَ دَخَلَ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ شَاءَ
"সুসংবাদ লও! সুসংবাদ লও! যে-ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, আর কবীরা গোনাহগুলো এড়িয়ে চলবে—সে জান্নাতের যে-দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে।"'
মুত্তালিব বলেন, 'আমি একব্যক্তিকে শুনলাম, সে আবদুল্লাহ ইবনু আমর-কে জিজ্ঞেস করছে- "আপনি কি আল্লাহর রাসূল-কে সেসব (কবীরা গোনাহ) সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন?" তিনি বলেন, "হ্যাঁ! (নবি বলেছেন, সেগুলো হলো-)
عُقُوْقُ الْوَالِدَيْنِ وَالشَّرْكُ بِاللهِ وَقَتْلُ النَّفْسِ وَقَذْفُ الْمُحْصَنَاتِ وَأَكُلُ مَالِ الْيَتِيمِ وَالْفِرَارُ مِنَ الرَّحْفِ وَأَكُلُ الرِّبَا
'পিতামাতার অবাধ্য হওয়া, আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করা, মানুষ হত্যা করা, সচ্চরিত্রের নারীদের অপবাদ দেওয়া, ইয়াতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা, জিহাদের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়া, এবং সুদ খাওয়া।'"'
তাবারানি, কাবীর ১৪/৬ (১৪৫৮৯), বর্ণনাসূত্রে মুসলিম ইবনুল ওলীদ ইবনিল আব্বাস আছেন, তার সম্পর্কে আলোচনা করতে কাউকে দেখিনি (হাইসামি); আত-তারগীব ২/৩০৩ (৪); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০৩-১০৪ (৩৮৯)।
📄 রাসূল ﷺ-এর যুগে অনেকে ধ্বংসাত্মক গোনাহকে আজকাল তুচ্ছ মনে করা হয়
[৩৮৬.] আবু সাঈদ বলেন, "তোমরা এমন কিছু কাজ করছো, যা তোমাদের চোখে চুলের চেয়েও সরু মনে হবে, অথচ আল্লাহর রাসূল -এর যুগে আমরা সেগুলোকে ধ্বংসাত্মক গোনাহ হিসেবে গণ্য করতাম।”
আহমাদ ৩/৩ (১০৯৯৫), হাদীসটি সহীহ (আরনাউত); বাযযার (কাশফ) ১/৭২ (১০৮); আত-তারগীব ৩/৩১৩ (৮); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০৬ (৪০৪)।