📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 মুনাফিক পিতার সঙ্গে ভালো আচরণ করার জন্য সাহাবির প্রতি নির্দেশ

📄 মুনাফিক পিতার সঙ্গে ভালো আচরণ করার জন্য সাহাবির প্রতি নির্দেশ


[২৮৭.] আবূ হুরায়রা বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালূল একটি ছায়াদার জায়গায় ছিল। এমন সময় আল্লাহর রাসূল ﷺ তার পাশ দিয়ে গেলে সে বলে ওঠে, "আবূ কাবশার ছেলে তো আমাদের ওপর ধুলা ছড়িয়ে গেল!” এ-কথা শুনে তার ছেলে আবদুল্লাহ ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, "শপথ সেই সত্তার, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন আর আপনার ওপর কুরআন নাযিল করেছেন। আপনি চাইলে, তার মাথা আপনার কাছে নিয়ে আসব।"
আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন-
لَا ، وَلكِنْ بِرَّ أَبَاكَ وَأَحْسِنُ صُحْبَتَهُ
"না। বরং তোমার পিতার সঙ্গে ভালো আচরণ করো এবং তাকে উত্তম সাহচর্য দাও।"'
তাবারানি, আওসাত ১/৮১ (২২৯), এটি যাইদ ইবনু বিশর হাদরামি এককভাবে বর্ণনা করেছেন (তাবারানি), ইবনু হিব্বান তাকে 'বিশ্বস্ত' আখ্যায়িত করেছেন, ইসনাদের অন্যান্য বর্ণনাকারীও বিশ্বস্ত (হাইসামি); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০৯ (৪২৭)।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 সাহাবিদের মধ্যে বারোজন মুনাফিক

📄 সাহাবিদের মধ্যে বারোজন মুনাফিক


[৩০১.] কাইস বলেন, 'আমি আম্মার -কে বললাম, "আপনারা আলি -এর ব্যাপারে যা করছেন, সে-সম্পর্কে ভেবে দেখেছেন? এটা কি আপনাদের নিছক চিন্তাপ্রসূত মত, নাকি এ-ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল আপনাদের কাছ থেকে কোনও ওয়াদা নিয়েছিলেন?" [১] [২]

তিনি বলেন, "আল্লাহর রাসূল আমাদের কাছ থেকে এমন কোনও বিশেষ ওয়াদা নেননি, যা তিনি জনসাধারণের কাছ থেকে নেননি। তবে নবি সম্পর্কে হুযাইফা আমাকে জানিয়েছেন যে, নবি বলেছেন-

فِي أَصْحَابِي اثْنَا عَشَرَ مُنَافِقًا، فِيْهِمْ ثَمَانِيَةُ لَا يَدْخُلُوْنَ الْجَنَّةَ حَتَّى يَلِجَ الْجَمَلُ فِي سَمِّ الْحَيَاطِ، ثَمَانِيَةً مِنْهُمْ تَكْفِيكَهُمُ الدُّبَيْلَةُ، وَأَرْبَعَةٌ

"আমার সাহাবিদের মধ্যে [৩] বারোজন মুনাফিক আছে। এদের মধ্যে আটজন জান্নাতে যাবে না [৪], যতক্ষণ-না সুইয়ের ছিদ্রের ভেতর দিয়ে উট ঢুকছে। এদের আটজনকে শায়েস্তা করার জন্য দুবাইলা যথেষ্ট [৫]। আর চারজন ..."

(বর্ণনাকারী) শু'বা এদের ব্যাপারে কী বলেছিলেন, তা আমার মনে নেই।'

মুসলিম ৭০৩৫/৯ (২৭৭৯), ৭০৩৬/১০ (...); আহমাদ ৪/৩৬২-৩৬৩ (১৮৩১৩), ৪/৩১৯-৩২০ (১৮৮৮৫), ৫/৩৯০ (২৩৩১৯)।

টিকাঃ
[১] "আপনাদের লড়াই সম্পর্কে ভেবে দেখেছেন?" (মুসলিম ৭০৩৬/১০ (...))
[২] "চিন্তাপ্রসূত মত তো সঠিকও হতে পারে, আবার ভুলও হতে পারে।” (মুসলিম ৭০৩৬/১০ (...))।
[৩] فِي أُمَّتِي "আমার উম্মাহর মধ্যে” (মুসলিম ৭০৩৬/১০ (...))
[৪] وَلَا يَجِدُونَ رِيْحَهَا "এর সুঘ্রাণও পাবে না” (মুসলিম ৭০৩৬/১০ (...))
[৫] سِرَاجُ مِنَ النَّارِ يَظْهَرُ فِي أَكْتَافِهِمْ حَتَّى يَنْجُمَ مِنْ صُدُورِهِمْ "আগুনের একটি প্রদীপ, যা উদয় হবে এদের কাঁধের মধ্যে, আর শেষ হবে বুকের ভেতর গিয়ে” (মুসলিম ৭০৩৬/১০ (...))।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 এক সাহাবি সম্পর্কে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর মন্তব্য

📄 এক সাহাবি সম্পর্কে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর মন্তব্য


[৩০২.] ইবনু আব্বাস বলেন, 'তাদের কেউ একজন বলে, "আমার পিতা আল্লাহর রাসূল -এর সাহচর্য পেয়েছিলেন, তিনি আল্লাহর রাসূল-এর সঙ্গে ছিলেন।” অথচ একটি পুরাতন ছেঁড়া জুতাও তার পিতার চেয়ে উত্তম।'

বাযযার (কাশফ) ১/৬৩ (৮৮), এর বর্ণনাকারীগণ বুখারি ও মুসলিমেও হাদীস বর্ণনা করেছেন (হাইসামি); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১১৩ (৪৪২)।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 সিফফীন যুদ্ধের প্রতিপক্ষ সম্পর্কে আমার ইবনু ইয়াসির (রাঃ)-এর মন্তব্য

📄 সিফফীন যুদ্ধের প্রতিপক্ষ সম্পর্কে আমার ইবনু ইয়াসির (রাঃ)-এর মন্তব্য


[৩০৩.] সাদ ইবনু হুযাইফা থেকে বর্ণিত, 'সিফফীন যুদ্ধের সময় প্রতিপক্ষ ও সন্ধির বিষয়টি উল্লেখ করে আম্মার ইবনু ইয়াসির বলেন, "শপথ আল্লাহর! তারা ইসলাম গ্রহণ করেনি, বরং কুফর লুকিয়ে রেখে আত্মসমর্পণ করেছিল; এখন নিজেদের সহযোগী দেখতে পেয়ে কুফরের বিষয়টি প্রকাশ করে দিয়েছে।”'

তাবারানি, কাবীর, অনাবিষ্কৃত খণ্ড, সূত্র মাজমাউয যাওয়াইদ ৪৪৬, সাদ ইবনু হুযাইফা সম্পর্কে আলোচনা করতে কাউকে দেখিনি (হাইসামি), তারীখ গ্রন্থে (৪/৫৪) বুখারি তার সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, কিন্তু ভালো-মন্দ কিছু উল্লেখ করেননি (দারানি); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১১৩ (৪৪৬)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00