📄 মুমিনের দুটো খেজুরগাছের সঙ্গে তুলনীয়
[২৭৪.] ইবনু উমর বলেন, 'আমরা আল্লাহর রাসূল-এর কাছে ছিলাম। সে-সময় তিনি বলেন [৪]
أَخْبِرُونِي بِشَجَرَةٍ شِبْهِ / كَالرَّجُلِ الْمُسْلِمِ لَا يَتَحَاتُ وَرَقُهَا وَلَا وَلَا وَلَا ، تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِيْنٍ
"আমাকে এমন একটি গাছের কথা বলো, 'যা মুসলিম ব্যক্তির মতো, না এর পাতা ঝরে পড়ো, আর না (সেই গাছের এটা হয়), আর না (তার এটা হয়), আর না (তার এটা হয়), আর তা ফল দেয় সবসময়।"
আমার মনে হলো, সেটা খেজুরগাছ। কিন্তু আবূ বকর ও উমর-কে চুপ থাকতে দেখে, আমার কথা বলতে ভালো লাগেনি। তারা কিছু না বলায়, আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন, ) فِي النَّخْلَةُ “সেটা হলো খেজুরগাছ।"
(বৈঠক থেকে) উঠার পর আমি উমর-কে বলি, "আব্বা! শপথ আল্লাহর! আমার মনে হয়েছিল, সেটা খেজুরগাছ।”
তিনি বলেন, "তা হলে বলোনি কেন?”
আমি বলি, "আপনাদের চুপ থাকতে দেখে, আমার কিছু বলতে ভালো লাগেনি।"
উমর বলেন- “তুমি সেটা বলে দিলে, তা হতো আমার জন্য অমুক অমুক বস্তুর চেয়ে বেশি প্রিয়!"'
বুখারি ৪৬৯৮, ৬১, ৬২, ৭২, ১৩১, ২২০৯, ৪৬৯৮, ৫৪৪৪, ৫৪৪৮, ৬১২২, ৬১৪৪; মুসলিম ৭০৯৮/৬৩ (২৮১১), ৭০৯৯/৬৪ (...), ৭১০০ (...), ৭১০১ (...), ৭১০২ (...); তিরমিযি ২৮৬৭; নাসাঈ, কুবরা ১১১৯৭; আহমাদ ২/১২ (৪৫৯৯), ২/৩১ (৪৮৫৯), ২/৪১ (৫০০০), ২/৬১ (৫২৭৪), ২/১১৫ (৫৯৫৫), ২/১২৩ (৬০৫২), ২/১৫৭ (৬৪৬৮); দারিমি ২৯১; তাবারানি, কাবীর ১২/৪০৯ ১৩৫০৮); ইবনু উমর বলেন, 'আমি ছিলাম নবি-এর কাছে। তিনি তখন খেজুরগাছের নরম শাঁস খাচ্ছিলেন। তিনি বলেন-' (বুখারি ২২০৯)।
টিকাঃ
[৩] 'বসে' (বুখারি ৫৪৪৪)。
[৪] মুজাহিদ বলেন, '(মক্কা থেকে) মদীনায় যাওয়ার পথে আমি ইবনু উমর এ-এর সঙ্গে ছিলাম। সে-সময় তাকে আল্লাহর রাসূল-এর উদ্ধৃতি দিয়ে কেবল একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, "আমরা নবি-এর কাছে ছিলাম। এমন-সময় তাঁর কাছে খেজুরগাছের নরম শাঁস আনা হলে তিনি বলেন-"' (বুখারি ৭২; তাবারানি, কাবীর (১৩৫০৮), ১২/৪১০-৪১১ (১৩৫১৩), ১২/৪১১-৪১২ (১৩৫১৭), ১২/৪১২-৪১৩ (১৩৫২১); তাবারানি, সগীর ৫৭৮; বুখারি, মুফরাদ ৩৬০; ইবনু হিব্বান ১/৪৭৮ (২৪৩), ১/৪৭৯-৪৮০ (২৪৪), ১/৪৮০-৪৮১ (২৪৫), ১/৪৮১ (২৪৬); ইবনু মানদাহ ১৮৭, ১৮৮, ১৮৯, ১৯০; হুমাইদি ২/১৯৯-২০০ (৬৯৩), ২/২০১ (৬৯৪); আবদ ইবনু হুমাইদ ৭৯০; বাগাবি, শারহুস সুন্নাহ ১৪৩。
[১] يُنْتَفَعُ بِهَا "যা অনেক উপকারে আসে” (আহমাদ ২/১১৫ (৫৯৫৫)。
[২] لَمَّا بَرَكَتُهُ كَبَرَكَةِ الْمُسْلِمِ كَالرَّجُلِ الْمُؤْمِنِ “মুমিন ব্যক্তির মতো” (বুখারি ২২০৯(; “যার বরকত মুসলিমের বরকতের মতো” (বুখারি ৫৪৪৪(; مَثَلُ الْمُؤْمِنِ كَمَثَلِ شَجَرَةٍ خَضْرَاءَ "মুমিনের উদাহরণ হলো একটি সবুজ গাছের মতো” (বুখারি ৬১২২)。
[৩] مَا شَجَرَةٌ لَا يَسْقُطُ وَرَقُهَا “এমন কোন গাছ আছে, যার পাতা ঝরে পড়ে না?” (আহমাদ ২/৬১ (৫২৭৪))。
[৪] بِإِذْنِ رَبِّهَا “তার রবের নির্দেশে” (বুখারি ৬১৪৪)。
[৫] مَنْ يُخْبِرُنِي عَنْ شَجَرَةٍ مَثَلُهَا مَثَلُ الْمُؤْمِنِ ، أَصْلُهَا ثَابِتٌ وَفَرْعُهَا فِي السَّمَاءِ ، تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِيْنٍ بِإِذْنِ رَبِّهَا “আমাকে এমন একটি গাছের কথা কে বলতে পারবে-যার উদাহরণ মুমিনের মতো, যার শিকড় অত্যন্ত মজবুত, যার ডাল আকাশে ছড়িয়ে পড়েছে, আর যা তার রবের নির্দেশে সবসময় ফল দেয়?” (ইবনু হিব্বান ১/৪৭৮-৪৭৯ (২৪৩))。
[৬] 'তাই, বলার ইচ্ছে জাগল-আল্লাহর রাসূল, সেটা খেজুরগাছ!' (বুখারি ৫৪৪৪)。
[৭] 'সেখানে ছিল জাতির বয়স্ক লোকজন' (মুসলিম ৭০৯৯/৬৪ (...); '(বয়সের দিক দিয়ে) আমি ছিলাম দশজনের মধ্যে দশম' (বুখারি ৫৪৪৪); 'বয়সে আমি ছিলাম তাদের মধ্যে সবচেয়ে ছোটো, তাই চুপ করে থাকি' (বুখারি ৭২); 'যেখানে আবূ বকর ও উমর আছেন, সেখানে আমার কথা বলা ভালো মনে হয়নি' (বুখারি ৬১৪৪)。
[৮] 'তারা (বেশ কিছু গাছের নাম) বললেন, কিন্তু কারও উত্তর সঠিক হয়নি' (আহমদ ২/৩১ (৪৮৫১)); 'লোকজন মরুভূমির [উপত্যকার (ইবনু হিব্বান ২৪৫)] বিভিন্ন গাছের নাম বলতে লাগল। আমার মনে হলো, সেটা খেজুরগাছ, কিন্তু লজ্জায় বলিনি। এরপর তারা বললেন, "আল্লাহর রাসূল! আমাদের বলে দিন কী সেটা।" নবি ﷺ বলেন-' (বুখারি ৬১)。
[৯] 'আমার ধারণা, তিনি লাল উটের কথা বলেছিলেন' (ইবনু হিব্বান ১/৪৭৮-৪৭৯ (২৪৩))。
📄 প্রাচুর্য ও দুঃপূর্ণ উভয়টিই মুমিনের জন্য কল্যাণকর
[২৭৫.] সুহাইব থেকে বর্ণিত, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন,
عَجَبًا لِأَمْرِ الْمُؤْمِنِ، إِنَّ أَمْرَهُ كُلَّهُ خَيْرٌ، وَلَيْسَ ذَاكَ لِأَحَدٍ إِلَّا لِلْمُؤْمِنِ، إِنْ أَصَابَتْهُ سَرَّاءُ شَكَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ، وَإِنْ أَصَابَتْهُ ضَرَّاءُ صَبَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ
"মুমিনের ব্যাপারটি বিস্ময়কর! তার সবকিছুই কল্যাণকর; মুমিন ছাড়া অন্য কারও ক্ষেত্রে সেটি প্রযোজ্য নয়। তার জীবনে সুখসমৃদ্ধি এলে সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, ফলে তা হয় তার জন্য কল্যাণকর; আর দুঃখদুর্দশার মুখোমুখি হলে ধৈর্যধারণ করে, ফলে তাও হয় তার জন্য কল্যাণকর।"
মুসলিম ৭৫০০/৬৪ (২৯৯৯); আহমাদ ৪/৩৩২ (১৮৯৩৪), ৪/৩৩৩ (১৮৯৩৯); জামউল ফাওয়াইদ ২১।
টিকাঃ
]১[ عَجِبْتُ مِنْ أَمْرِ الْمُؤْمِنِ "মুমিনের বিষয়টি ভেবে আমি বিস্মিত!” (আহমাদ ৪/৩৩২ (১৮৯৩৪))。
📄 মুমিন ও মুশরিকের পরিণতি এবং বিভিন্ন কাজের উদাহরণ
[২৭৬.] খুরাইম ইবনু ফাতিকা বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
الْأَعْمَالُ سِتَّةُ ، وَالنَّاسُ أَرْبَعَةٌ ، فَمُوْجِبَتَانِ ، وَمِثْلُ بِمِثْلٍ ، وَحَسَنَةٌ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا ، وَحَسَنَةٌ بِسَبْعِ مِائَةٍ ، فَأَمَّا الْمُوْجِبَتَانِ : فَمَنْ مَاتَ لَا يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ ، وَمَنْ مَاتَ يُشْرِكْ بِاللَّهِ شَيْئًا دخلَ النَّارَ ، وَأَمَّا مِثْلُ بِمِثْلٍ ، فَمَنْ هُمَّ بِحَسَنَةٍ حَتَّى يُشْعِرَهَا قَلْبَهُ، وَيَعْلَمَهَا اللَّهُ مِنْهُ كُتِبَتْ لَهُ حَسَنَةٌ ، وَمَنْ عَمِلَ سَيِّئَةٌ ، كُتِبَتْ عَلَيْهِ سَيِّئَةٌ ، وَمَنْ عَمِلَ حَسَنَةٌ فَبِعَشْرِ أَمْثَالِهَا ، وَمَنْ أَنْفَقَ نَفَقَةٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَحَسَنَةٌ بِسَبْعِ مِائَةٍ ، وَأَمَّا النَّاسُ ، فَمُوَسِّعٌ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا مَفْتُورٌ عَلَيْهِ فِي الْآخِرَةِ ، وَمَفْتُورُ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا مُوَسَّعٌ عَلَيْهِ فِي الْآخِرَةِ ، وَمَفْتُورٌ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ ، وَمُوَسَّعٌ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
"কাজ ছয় ধরনের, আর মানুষ চার ধরনের। দু ধরনের কাজ (দু ধরনের পরিণতিকে) অনিবার্য করে তোলে, এক ধরনের কাজের জন্য রয়েছে সমান বিনিময়, এক ধরনের ভালো কাজের জন্য রয়েছে দশগুণ প্রতিদান, আরেক ধরনের কাজের জন্য রয়েছে সাতশ গুণ প্রতিদান। যে-দুটি কাজ (দুটি পরিণতিকে) অনিবার্য করে তোলে তা হলো:
» যে-ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কোনোকিছুর শির্ক না করে মারা যাবে, সে জান্নাতে যাবে), আর
» যে-ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কোনোকিছুর শির্ক করে মারা যাবে, সে জাহান্নামে যাবে।
সমান বিনিময়ের বিষয়টি হলো-
» যে-ব্যক্তি কোনও ভালো কাজের ইচ্ছা পোষণ করে, যা তার অন্তরে অনুভূত হয় এবং যা আল্লাহ তাআলা জানেন, তার জন্য একটি সাওয়াব লেখা হয়。
» আর যে-ব্যক্তি কোনও খারাপ কাজ বাস্তবায়ন করে, তার জন্য একটি গোনাহ লেখা হয়。
(দশ ও সাতশ গুণের বিষয়টি হলো-)
» যে-ব্যক্তি একটি ভালো কাজ করে, তাকে দশগুণ সাওয়াব দেওয়া হয়。
» যে-ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় খরচ করে, তাকে সাতশ গুণ সাওয়াব দেওয়া হয়。
আর (চার ধরনের) মানুষ হলো এরকম:
» দুনিয়ায় সচ্ছল, কিন্তু আখিরাতে নিঃস্ব;
» দুনিয়ায় নিঃস্ব, তবে আখিরাতে সচ্ছল;
» দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গায় নিঃস্ব;
» দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গায় সচ্ছল।”'
আহমাদ ৪/৩২১-৩২২ (১৮৯০০) হাসান, ৪/৩৪৫ (১৯০৩৫), ৪/৩৪৬ (১৯০৩৯); তাবারানি, কাবীর ৪/২০৫-২০৬ (৪১৫১), ৪/২০৬ (৪১৫২), ৪/২০৬-২০৭ (৪১৫৩), ৪/২০৭ (৪১৫৪), ৪/২০৭ (৪১৫৫); ইবনু হিব্বান ১৪/৪৫-৪৬ (৬১৭১); ইবনু হিব্বান (মাওয়ারিদ) ৩১; হাকিম ২/৮৭ (২৪৪২); হিলইয়া ৯/৩৪; উসদুল গবাহ ২/১৩১; তুহফাতুল আশরাফ ৩/১২২; মাজমাউয যাওয়াইদ ১/২১ (৩২)।
টিকাঃ
[২] আসাদি (ইবনু হিব্বান ৬১৭১)。
[১] مُسْلِمًا مُؤْمِنًا “বিশ্বাসী ও আত্মসমর্পণকারী হিসেবে” (আহমাদ ৪/৩৪৫ (১৯০৩৫))。
[২] مَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ "যে-ব্যক্তি বলে, আল্লাহ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই” (ইবনু হিব্বان ৬১৭১)。
[৩] فَوَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ "তার জন্য জান্নাত অবধারিত” (আহমাদ ৪/৩৪৫ (১৯০৩৫))。
[৪] كَافِرًا "কাফির অবস্থায়” (হাকিম ২/৮৭ (২৪৪২)。
[৫] وَجَبَتْ لَهُ النَّارُ “তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত” (আহমাদ ৪/৩৪৫ (১৯০৩৫))。
[৬] مَنْ هُمَّ بِحَسَنَةٍ فَلَمْ يَعْمَلْهَا ، فَعَلِمَ اللهُ أَنَّهُ قَدْ أَشْعَرَهَا قَلْبَهُ ، وَحَرَضَ عَلَيْهَا ، كُتِبَتْ لَهُ حَسَنَةً "যে-ব্যক্তি কোনও ভালো কাজের ইচ্ছা পোষণ করল, কিন্তু এখনও তা বাস্তবায়ন করেনি, আর আল্লাহ জেনে গিয়েছেন যে এ কাজের ইচ্ছা তার অন্তরে অনুভূত হয়েছে এবং এ কাজের জন্য সে যথেষ্ট আগ্রহী, তখন তার জন্য একটি সাওয়াব লেখা হয়।” (আহমাদ ৪/৩৪৫ (১৯০৩৫))。
[৭] - وَمَنْ هُمَّ بِسَيِّئَةٍ لَمْ تُكْتَبْ عَلَيْهِ ، وَمَنْ عَمِلَهَا كُتِبَتْ وَاحِدَةٌ وَلَمْ تُضَاعَفْ عَلَيْهِ কোনও খারাপ কাজের ইচ্ছা পোষণ করে, তার (আমলনামায়) সেটি লেখা হয় না, তবে সে ওই খারাপ কাজটি বাস্তবায়ন করে ফেললে একটি গোনাহ লেখা হয়, তাকে বাড়তি (গোনাহের দায়) দেওয়া হয় না।” (আহমাদ ৪/৩৪৫ (১৯০৩৫)); مَنْ هَمَّ بِسَيِّئَةٍ فَلَمْ يَعْمَلْهَا كُتِبَتْ لَهُ حَسَنَةٌ “যে-ব্যক্তি কোনও খারাপ কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন করল না, তার জন্য একটি সাওয়াব লেখা হয়।” (তাবারানি, কাবীর ৪/২০৬ (৪১৫২); ইবনু হিব্বান ৬১৭১)。
[৮] شَقِيٌّ "হতভাগা” (আহমাদ ৪/৩৪৫ (১৯০৩৫))。
📄 মুমিন যেন আকর-নিকেতা
[২৭৭.] ইবনু উমর রা. বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
مَثَلُ الْمُؤْمِنِ كَمَثَلِ الْعَطَّارِ، إِنْ جَالَسْتَهُ نَفَعَكَ، وَإِنْ مَاشَيْتَهُ نَفَعَكَ، وَإِنْ شَارَكْتَهُ نَفَعَكَ
"মুমিনের উদাহরণ হলো আতর-বিক্রেতার মতো: তার সঙ্গে বসলে তুমি উপকৃত হবে, তার সঙ্গে হাঁটলে তুমি উপকৃত হবে, [১] আর তার কারবারে অংশীদার হলেও তুমি উপকৃত হবে。[৩]"'
তাবারানি, কাবীর ১২/৩১৯ (১৩৫৪১), বর্ণনাসূত্রে লাইস ইবনু আবী সুলাইম মুদাল্লিস (হাইসামি); হিলইয়া ৮/১২৯; আল-মাতালিবুল আলিয়া ৩/৬৬ (২৮৯১); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৮৩ (২৭৩)।
টিকাঃ
[১] مَثَلُ النَّخْلَةِ “খেজুরগাছের মতো” (আসকালানি, মাতালিব ৩/৬৬ (২৮৯১))。
[২] وَإِنْ شَاوَرْتَهُ نَفْعَكَ “তার সঙ্গে পরামর্শ করলে তুমি উপকৃত হবে” (হিলইয়া ৮/১২৯)。
[৩] وَكُلُّ شَيْءٍ مِنْ أَمْرِهِ مَنْفَعَةٌ "তার প্রত্যেকটি বিষয়ের মধ্যে উপকার রয়েছে” (হিলইয়া ৮/১২৯)。