📄 অন্তরে আগে ঢুকে ঈমান, তারপর কুরআন
[২৬৮.] আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনিল আস থেকে বর্ণিত, 'একব্যক্তি আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি কুরআন পাঠ করি; তবে এর নিগূঢ় তত্ত্ব আমার অন্তর বুঝতে পারে বলে আমার মনে হয় না!" এর পরিপ্রেক্ষিতে নবি ﷺ বলেন,
إِنَّ قَلْبَكَ حُشِيَ الْإِيمَانَ، وَإِنَّ الْإِيمَانَ يُعْطَى الْعَبْدَ قَبْلَ الْقُرْآنِ
"তোমার অন্তরে (সবেমাত্র) ঈমান দেওয়া হয়েছে; আর বান্দাকে কুরআনের আগে দেওয়া হয় ঈমান।"'
আহমাদ ২/১৭২ (৬৬০৪), সহীহ (আহমাদ শাকির); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৬০ (২২৪); জামউল ফাওয়াইদ ১১৫১।
অর্থাৎ কুরআনের সব তত্ত্ব পুরোপুরি বুঝতে পারা সকল পর্যায়ের মুমিনের জন্য সমান উপকারী নয়; আগে অন্তরে স্থান পায় নিখাদ ঈমান, তারপর ঈমানের স্তর অনুযায়ী তাকে কুরআনের ততটুকু অংশের নিগূঢ় তত্ত্ব বোঝার ক্ষমতা দেওয়া হয়, যতটুকু তার জন্য উপকারী; যে নিগূঢ় তত্ত্ব ওই পর্যায়ের মুমিনের জন্য উপকারী নয়, তাকে তা পূর্ণভাবে অনুধাবন করার শক্তি দেওয়া হয় না।
[২৬৮.] আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনিল আস থেকে বর্ণিত, 'একব্যক্তি আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি কুরআন পাঠ করি; তবে এর নিগূঢ় তত্ত্ব আমার অন্তর বুঝতে পারে বলে আমার মনে হয় না!" এর পরিপ্রেক্ষিতে নবি ﷺ বলেন,
إِنَّ قَلْبَكَ حُشِيَ الْإِيمَانَ، وَإِنَّ الْإِيمَانَ يُعْطَى الْعَبْدَ قَبْلَ الْقُرْآنِ
"তোমার অন্তরে (সবেমাত্র) ঈমান দেওয়া হয়েছে; আর বান্দাকে কুরআনের আগে দেওয়া হয় ঈমান।"'
আহমাদ ২/১৭২ (৬৬০৪), সহীহ (আহমাদ শাকির); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৬০ (২২৪); জামউল ফাওয়াইদ ১১৫১।
অর্থাৎ কুরআনের সব তত্ত্ব পুরোপুরি বুঝতে পারা সকল পর্যায়ের মুমিনের জন্য সমান উপকারী নয়; আগে অন্তরে স্থান পায় নিখাদ ঈমান, তারপর ঈমানের স্তর অনুযায়ী তাকে কুরআনের ততটুকু অংশের নিগূঢ় তত্ত্ব বোঝার ক্ষমতা দেওয়া হয়, যতটুকু তার জন্য উপকারী; যে নিগূঢ় তত্ত্ব ওই পর্যায়ের মুমিনের জন্য উপকারী নয়, তাকে তা পূর্ণভাবে অনুধাবন করার শক্তি দেওয়া হয় না।
📄 আল্লাহর সামনে মানুষের চেয়ে অন্যান্য মাখলুক বেশি অনুগত
[২৬৯.] সুলাইমান ইবনু বুরাইদা তার পিতার সূত্রে বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَيْسَ شَيْءٍ إِلَّا وَهُوَ أَطْوَعُ لِلَّهِ مِنْ ابْنِ آدَمَ
"এমন কোনও বস্তু নেই যা আল্লাহ তাআলার (বিধানের) সামনে মানুষের চেয়ে বেশি অনুগত নয়।"'
তাবারানি, সগীর ৯০৮, ৯০৯, বর্ণনাকারী আবু উবাইদা ইবনুল আশজাঈ'র জীবনবৃত্তান্ত জানতে পারিনি (হাইসামি); বাযযার (কাশফ) ৪/৬৭ (৩২১৩); মুসনাদুল ফিরদাউস ৪/৪৮ (৬১৪৯); কানযুল উম্মাল ১৬/৫ (৪৩৬৮৩); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫২ (১৫৮)।
[২৬৯.] সুলাইমান ইবনু বুরাইদা তার পিতার সূত্রে বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَيْسَ شَيْءٍ إِلَّا وَهُوَ أَطْوَعُ لِلَّهِ مِنْ ابْنِ آدَمَ
"এমন কোনও বস্তু নেই যা আল্লাহ তাআলার (বিধানের) সামনে মানুষের চেয়ে বেশি অনুগত নয়।"'
তাবারানি, সগীর ৯০৮, ৯০৯, বর্ণনাকারী আবু উবাইদা ইবনুল আশজাঈ'র জীবনবৃত্তান্ত জানতে পারিনি (হাইসামি); বাযযার (কাশফ) ৪/৬৭ (৩২১৩); মুসনাদুল ফিরদাউস ৪/৪৮ (৬১৪৯); কানযুল উম্মাল ১৬/৫ (৪৩৬৮৩); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫২ (১৫৮)।
📄 কিয়ামাতের বিভীষিকার সামনে সারাজীবনের সমস্ত নেক আমলও তুচ্ছ
[২৭০.] উতবা ইবনু আবদ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَوْ أَنَّ رَجُلًا يَخِرُّ عَلَى وَجْهِهِ مِنْ يَوْمِ وُلِدَ إِلَى يَوْمِ يَمُوْتُ هَرَمًا فِي مَرْضَاةِ اللَّهِ لَحَقَّرَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
"কোনও ব্যক্তি যদি জন্মের দিন থেকে নিয়ে বুড়ো অবস্থায় মারা যাওয়ার দিন পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে সাজদায় পড়ে থাকে, কিয়ামাতের দিন সেটিও তার কাছে অতি নগণ্য মনে হবে।"'
আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৪৯), একজন বর্ণনাকারী মুদাল্লিস হলেও তিনি হাদ্দাসা শব্দটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন (হাইসামি), ৪/১৮৫ (১৭৬৫০) ইসনাদটি সহীহ; বুখারি, তারীখ ১/১৫ (৫); তাবারানি, কাবীর ১৭/১২২-১২৩ (৩০৩), ১৯/২৪৯ (৫৬২); তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়্যীন ১১৩৮; বাইহাকি, শুআব ১/৪৭৯ (৭৬৭), ১/৪৭৯ (৭৬৮); আত-তারগীব ৪/৩৯৭ (৪০, ৪১); ইবনু আবী আসিম, আল-আহাদ ২/২৫৩ (১১২৪); উসদুল গবাহ ৫/১০৯; আল-ইসাবা ৯/১২৮; কানযুল উম্মাল ১৪/৩৬১ (৩৮৯৪০), ১৫/৭৮৮ (৪৩১২০), সহীহ; মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫১ (১৫৫, ১৫৬)।
[২৭১.] জাবির ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
مَا فِي السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ مَوْضِعُ قَدَمِ وَلَا شِبْرٍ وَلَا كَفَ إِلَّا وَفِيهِ مَلَكُ قَائِمٌ أَوْ مَلَكُ سَاجِدٌ فَإِذَا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالُوا جَمِيعًا : سُبْحَانَكَ مَا عَبَدْنَاكَ حَقَّ عِبَادَتِكَ إِلَّا أَنَّا لَمْ نُشْرِكْ بِكَ شَيْئًا
"সাত আকাশের কোথাও এক কদম অথবা এক বিঘত অথবা হাতের এক তালু পরিমাণ জায়গাও নেই, যেখানে একজন ফেরেশতা (নামাজে) দাঁড়ানো কিংবা সাজদার অবস্থায় নেই। তারপরও কিয়ামাতের দিন এলে, তারা সবাই বলবে-'পবিত্র তুমি! যেভাবে তোমার গোলামি করার প্রয়োজন ছিল, সেভাবে তোমার গোলামি করতে পারিনি, তবে আমরা তোমার সঙ্গে কোনও শির্ক করিনি।"'
তাবারানি, কাবীর ২/১৮৪ (১৭৫১), দারাকুতনি'র মতে বর্ণনাকারী উরওয়া ইবনু মারওয়ান ইরকি শক্তিশালী নয় (হাইসামি); তাবারানি, আওসাত ২/৩৬৯-৩৭০ (৩৫৬৮); কানযুল উম্মাল ১০/৩৬৭ (২৯৮৩৯); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫১-৫২ (১৫৭)।
টিকাঃ
[১] فِي طَاعَةِ اللَّهِ “আল্লাহর আনুগত্যে” (আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৫০))|
[২] وَلَوَدَّ أَنَّهُ رُدَّ إِلَى الدُّنْيَا كَيْمَا يَزْدَادَ مِنَ الْأَجْرِ وَالثَّوَابِ "এবং সে মন থেকে চাইবে-তাকে যদি আরও বেশি সাওয়াব অর্জনের জন্য দুনিয়ায় ফেরত পাঠানো হতো!” (আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৫০)); أَنَّهُ زِيدَ "তাকে যদি আরও বাড়তি (হায়াত) দেওয়া হতো” (বুখারি, তারীখ ১/১৫ (৫))。
[২৭০.] উতবা ইবনু আবদ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَوْ أَنَّ رَجُلًا يَخِرُّ عَلَى وَجْهِهِ مِنْ يَوْمِ وُلِدَ إِلَى يَوْمِ يَمُوْتُ هَرَمًا فِي مَرْضَاةِ اللَّهِ لَحَقَّرَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
"কোনও ব্যক্তি যদি জন্মের দিন থেকে নিয়ে বুড়ো অবস্থায় মারা যাওয়ার দিন পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে সাজদায় পড়ে থাকে, কিয়ামাতের দিন সেটিও তার কাছে অতি নগণ্য মনে হবে।"'
আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৪৯), একজন বর্ণনাকারী মুদাল্লিস হলেও তিনি হাদ্দাসা শব্দটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন (হাইসামি), ৪/১৮৫ (১৭৬৫০) ইসনাদটি সহীহ; বুখারি, তারীখ ১/১৫ (৫); তাবারানি, কাবীর ১৭/১২২-১২৩ (৩০৩), ১৯/২৪৯ (৫৬২); তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়্যীন ১১৩৮; বাইহাকি, শুআব ১/৪৭৯ (৭৬৭), ১/৪৭৯ (৭৬৮); আত-তারগীব ৪/৩৯৭ (৪০, ৪১); ইবনু আবী আসিম, আল-আহাদ ২/২৫৩ (১১২৪); উসদুল গবাহ ৫/১০৯; আল-ইসাবা ৯/১২৮; কানযুল উম্মাল ১৪/৩৬১ (৩৮৯৪০), ১৫/৭৮৮ (৪৩১২০), সহীহ; মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫১ (১৫৫, ১৫৬)।
[২৭১.] জাবির ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
مَا فِي السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ مَوْضِعُ قَدَمِ وَلَا شِبْرٍ وَلَا كَفَ إِلَّا وَفِيهِ مَلَكُ قَائِمٌ أَوْ مَلَكُ سَاجِدٌ فَإِذَا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالُوا جَمِيعًا : سُبْحَانَكَ مَا عَبَدْنَاكَ حَقَّ عِبَادَتِكَ إِلَّا أَنَّا لَمْ نُشْرِكْ بِكَ شَيْئًا
"সাত আকাশের কোথাও এক কদম অথবা এক বিঘত অথবা হাতের এক তালু পরিমাণ জায়গাও নেই, যেখানে একজন ফেরেশতা (নামাজে) দাঁড়ানো কিংবা সাজদার অবস্থায় নেই। তারপরও কিয়ামাতের দিন এলে, তারা সবাই বলবে-'পবিত্র তুমি! যেভাবে তোমার গোলামি করার প্রয়োজন ছিল, সেভাবে তোমার গোলামি করতে পারিনি, তবে আমরা তোমার সঙ্গে কোনও শির্ক করিনি।"'
তাবারানি, কাবীর ২/১৮৪ (১৭৫১), দারাকুতনি'র মতে বর্ণনাকারী উরওয়া ইবনু মারওয়ান ইরকি শক্তিশালী নয় (হাইসামি); তাবারানি, আওসাত ২/৩৬৯-৩৭০ (৩৫৬৮); কানযুল উম্মাল ১০/৩৬৭ (২৯৮৩৯); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫১-৫২ (১৫৭)।
টিকাঃ
[১] فِي طَاعَةِ اللَّهِ “আল্লাহর আনুগত্যে” (আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৫০))|
[২] وَلَوَدَّ أَنَّهُ رُدَّ إِلَى الدُّنْيَا كَيْمَا يَزْدَادَ مِنَ الْأَجْرِ وَالثَّوَابِ "এবং সে মন থেকে চাইবে-তাকে যদি আরও বেশি সাওয়াব অর্জনের জন্য দুনিয়ায় ফেরত পাঠানো হতো!” (আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৫০)); أَنَّهُ زِيدَ "তাকে যদি আরও বাড়তি (হায়াত) দেওয়া হতো” (বুখারি, তারীখ ১/১৫ (৫))。