📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 দ্বীন নিরাপদে রাখতে হলে সন্দেহযুক্ত বিষয় এড়িয়ে চলতে হবে

📄 দ্বীন নিরাপদে রাখতে হলে সন্দেহযুক্ত বিষয় এড়িয়ে চলতে হবে


[২৬৬.] নুমান ইবনু বশীর বলেন, 'আমি আল্লাহর রাসূল-কে বলতে শুনেছি-
الخَلَالُ بَيِّنٌ، وَالحَرَامُ بَيِّنٌ، وَبَيْنَهُمَا مُشَبَّهَاتٌ لَا يَعْلَمُهَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الْمُشَبَّهَاتِ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ كَرَاعِي يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى يُوْشِكُ أَنْ يُوَاقِعَهُ. أَلَا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمَى، أَلَا إِنَّ حِمَى اللهِ فِي أَرْضِهِ مَحَارِمُهُ. أَلَا وَإِنَّ فِي الْجَسَدِ مُضْغَةً إِذَا صَلَحَتْ صَلَحَ الجَسَدُ كُلُّهُ، وَإِذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، أَلَا وَهِيَ الْقَلْبُ.
"হালাল সুস্পষ্ট, হারামও সুস্পষ্ট, আর এ-দয়ের মাঝখানে আছে কিছু সন্দেহযুক্ত বিষয় যেগুলো অনেক মানুষের কাছে অজানা।"
যে-ব্যক্তি সন্দেহযুক্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে, সে তার দ্বীন ও সম্মান নিরাপদ করে নেয়[১]; আর যে সন্দেহযুক্ত বিষয়ে জড়িত হয়[২] [৩] তার উদাহরণ হলো[৪] সেই রাখালের মতো যে আরেকজনের সংরক্ষিত চারণভূমির আশেপাশে পশু চরায়, যেখানে তার[১] ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছো।এখ মনে রাখবে, প্রত্যেক রাজার একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে, আর দুনিয়াতে আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তার নিষিদ্ধ বিষয়গুলো।
মনে রাখবে, দেহের ভেতর এক টুকরো মাংস আছে, যা সংশোধিত হলে পুরো দেহ সংশোধিত হয়ে যায়, আর সেটা নষ্ট হলে পুরো দেহ নষ্ট হয়ে যায়। মনে রাখবে, সেটা হলো কল্ব বা অন্তর।
বুখারি ৫২, ২০৫১; মুসলিম ৪০৯৪/১০৭ (১৫৯৯), ৪০৯৫ (...), ৪০৯৬ (...), ৪০৯৭/১০৮ (...); আবূ দাউদ ৩৩২৯, ৩৩৩০; তিরমিযি ১২০৫; নাসাঈ ৪৪৫৩, ৫৭১০; ইবনু মাজাহ ৩৯৮৪; আহমাদ ৪/২৬৭ (১৮৩৪৭), ৪/২৬৯ (১৮৩৬৮), ৪/২৭০ (১৮৩৭৪), ৪/২৭১ (১৮৩৮৪), ৪/২৭৪ (১৮৪১২), ৪/২৭৫ (১৮৪১৮); দারিনি ২৫৬০; নাসাঈ, কুবরা ৫২০০, ৫২১৯, ৫৯৯৭, ৬০৪০; আবদুর রাযযাক ১১/২২১ (২০৩৭৬); ইবনু আবী শাইবা ৬/৫৬০-৫৬১ (২২৪৩৫); হুমাইদি ২/৪৬৮-৪৬৯ (৯৪৩), ২/৪৭৩ (১৪৭); তায়ালিসি ৮২৫; তহাভি, মুশকিল ১/৩২২-৩২৩; তহাভি, শারহু মুশকিল ২/২১৯ (৭৪৯), ২/২১৯-২২০ (৭৫০), ২/২২০ (৭৫১, ৭৫২); আবূ ইয়া'লা ৩/২১৩ (১৬৫৩); ইবনুল জারূদ ৫৫৫; বাযযার ৮/২১৯ (৩২৬৮), ৮/২২০ (৩২৬৯), ৮/২২০-২২১ (৩২৭০), ৮/২২১ (৩২৭১), ৮/২২৩ (৩২৭৩), ৮/২২৩ (৩২৭৪), ৮/২২৪ (৩২৭৬), ৮/২২৪ (৩২৭৭); তাবারানি, সগীর ৩২; তাবারানি, আওসাত ১/৪৭০ (১৭৩৫), ১/৬১৭ (২২৬৪), ২/৫০ (২৪৭২), ২/১৫৮ (২৮৬৮), ৫/৩৯৪-৩৯৫ (৭৭২৯); তাবারানি, কাবীর ১০/৪০৪-৪০৫ (১০৮২৪); তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়‍্যীন ৫১১; ইবনু হিব্বان ২/৪৯৭ (৭২১); হিইয়া ৪/২৬৯-২৭০, ৪/৩৩৬, ৫/১০৫; মুসনাদুশ শিহাব ১/১২৭ (১০২৯), ১/১২৮ (১০০০); তারীখু বাগদাদ ৯/৭০; আবুশ শাইখ, আমসাল ১২১, ২৬০; রামাহুরমুযি, আমসাল ৩ (দ্বিতীয় অংশ); উকাইলি ২/২৫২-২৫৩; বাইহাকি, কুবরা ৫/২৬৪ (১০৪৯৮), ৫/২৬৪ (১০৪৯৯), ৫/৩৩৪ (১০৯১৮), ৫/৩৩৪ (১০৯১৯); বাইহাকি, শুআব ৫/৫০ (৫৭৪০), ৫/৫০ (৫৭৪১), ৫/৫১ (৫৭৪২); বাগাবি, শারহুস সুন্নাহ ২০৩১; মাজমাউয যাওয়াইদ ৪/৭৩ (৬৩৬৬, ৬৩৬৭, ৬৩৬৮)।

টিকাঃ
[৫] 'হিম্স এলাকায় জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে' (মুসলিম ৪০৯৭/১০৮ (...))。
[৬] 'এ-কথা বলার সময় নুমান তাঁর দু আঙুল দিয়ে দু কানের দিকে ইশারা করেন।' (মুসলিম ৪০৯৪/১০৭ (১৫৯৯)); শা'বি বলেন, 'আমি যখন নুমান ইবনু বশীর এ-কে বলতে শুনতাম- “আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি", তখন আমার মনে হতো (ভবিষ্যতে) আর কাউকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ-কথা বলতে শুনব না-"আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি"!' (আহমদ ৪/২৭৪ (১৮৪১২))。
[৭] بَيْنَ الْحَلَالِ وَالْحَرَامِ "হালাল ও হারামের মাঝখানে” (আহমদ ৪/২৬৯ (১৮৩৬৮))。
[৮] لَا يَدْرِي كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ أَمِنَ الْحَلَالِ هِيَ أَمْ مِنَ الْحَرَامِ "অনেক মানুষ জানে না-সেগুলো হালাল, নাকি হারাম” (আহমদ ৪/২৬৯ (১৮৩৬৮))。
[১] الشُّبُهَاتِ “সংশয়যুক্ত বিষয়গুলো” (মুসলিম ৪০৯৪/১০৭ (১৫৯৯))。
[২] فِيهِ “সে-ক্ষেত্রে” (আহমাদ ৪/২৭০ ১৮৩৭৪)。
[৩] فَمَنْ تَرَكَهَا اسْتِبْرَاءٌ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ، فَقَدْ سَلِمَ “যে-ব্যক্তি নিজের দ্বীন ও সম্মান নিরাপদ রাখার জন্য সেসব বিষয় বাদ দেয়, সে নিরাপদ হয়ে যায়” (তিরমিযি ১২০৫); مَنْ تَوَفَّاهُنَّ كُنَّ وَقَاءً لِدِيْنِهِ “যে সেগুলো থেকে বেঁচে থাকে, সেগুলো হবে তার দ্বীনের সুরক্ষাদাতা” (আবু ইয়া'লা ৩/২১৩ (১৬৫৩)); مَنْ تَرَكَهَا كَانَ أَوْقَى لِدِيْنِهِ وَعِرْضِهِ “যে সেগুলো ছেড়ে দেয়, সে তার দ্বীন ও সম্মানকে অধিক সুরক্ষা দেয়” (তারীখু বাগদাদ ৯/৭০); مَتَى يَدْعُهُنَّ الْمَرْءُ، يَكُوْنُ أَشَدَّ اسْتِبْرَاءً لِعِرْضِهِ وَدِيْنِهِ “কেউ যখন সেগুলো ছেড়ে দেবে, তখন সে অত্যন্ত মজবুতভাবে নিজের সম্মান ও দ্বীন নিরাপদ করে নিতে পারবে” (তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়্যীন ৫১১); فَمَنِ اسْتَبْرَأَهُنَّ فَهُوَ أَسْلَمُ لِدِيْنِهِ وَلِعِرْضِهِ “যে সেগুলো থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে, সে তার দ্বীন ও সম্মানের ক্ষেত্রে অধিক নিরাপদ” (হিলইয়া ৪/২৬৯ ২१०); فَمَنْ تَرَكَ الشُّبُهَاتِ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ كَانَ حَرِيًّا أَنْ لَا يَقَعَ فِي الشُّبُهَةِ “যে সংশয়যুক্ত জিনিসগুলো বাদ দেয়, সে তার দ্বীনকে নিরাপদ করে নেয় (আর ভবিষ্যতে) সংশয়যুক্ত জিনিসে লিপ্ত না হওয়ার ব্যাপারে সে হবে উপযুক্ত ব্যক্তি” (বাযযার ৮/২২১ ); فَمَنِ اتَّقَاهَا كَانَ أَنْزَهَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ((৫৯৭৬ “যে সেগুলো এড়িয়ে চলে, সে তার দ্বীন ও সম্মানের ক্ষেত্রে অধিক পরিচ্ছন্ন” (তাবারানি, আওসাত ২/১৫৮ (২৮৬৮)); وَمَنِ اجْتَنَبَهُنَّ فَهُوَ أَوْفَرُ لِدِينِهِ “যে সেগুলো বর্জন করে, তার দ্বীন অধিক পূর্ণাঙ্গ” (তাবারানি, কাবীর ১০/৪০৪-৪০৫ (১০৮২৪)); فَمَنِ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ اسْتَتَرْنَ مِنْهُ সংশয়যুক্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে, সেগুলো (একপর্যায়ে) তার আড়ালে চলে যায়” (রামাহরমুযি, আমসালুল হাদীস ৩. দ্বিতীয় অংশ)。
[৪] مَنْ قَارَبَهَا “যে সেগুলোর কাছে যায়” (তারীখু বাগদাদ ৯/৭০)。
[৫] وَاقَعَ الْحَرَامَ “সে হারামে লিপ্ত হবে” (আহমদ ৪/২৭০ ১৮৩74)؛ يُوْشِكُ أَنْ يُوَاقِعَ الْحَرَامَ “তার হারামে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে” (আহমদ ৪/২৬৯ (১৮৩৬৮)); يُوْشِكُ أَنْ يُوَاقِعَ الْكَبَائِرَ “ক’দিন বাদে সে কবীরা গোনাহে লিপ্ত হবে” (আবূ ইয়ালা ৩/২১৩ (১৬৫৩)); فَهُوَ قَمِيْنُ أَنْ يَأْثَمَ “সে গোনাহে লিপ্ত হওয়ার জন্য উপযুক্ত” (তাবারানি, কাবীর ১০/৪০৪-৪০৫ (১০৮২৪))。
[৬] وَسَأَضْرِبُ لَكُمْ فِي ذَلِكَ مَثَلًا “এ-বিষয়ে আমি তোমাদের একটি উদাহরণ দিচ্ছি” (আবু দাউদ ৩৩২৯)。
[৭] وَهُوَ لَا يَشْعُرُ “অবচেতন মনে” (তাবারানি, আওসাত ২/১৫৮ (২৮৬৮))。

[২৬৬.] নুমান ইবনু বশীর বলেন, 'আমি আল্লাহর রাসূল-কে বলতে শুনেছি-
الخَلَالُ بَيِّنٌ، وَالحَرَامُ بَيِّنٌ، وَبَيْنَهُمَا مُشَبَّهَاتٌ لَا يَعْلَمُهَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ، فَمَنِ اتَّقَى الْمُشَبَّهَاتِ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ، وَمَنْ وَقَعَ فِي الشُّبُهَاتِ كَرَاعِي يَرْعَى حَوْلَ الْحِمَى يُوْشِكُ أَنْ يُوَاقِعَهُ. أَلَا وَإِنَّ لِكُلِّ مَلِكٍ حِمَى، أَلَا إِنَّ حِمَى اللهِ فِي أَرْضِهِ مَحَارِمُهُ. أَلَا وَإِنَّ فِي الْجَسَدِ مُضْغَةً إِذَا صَلَحَتْ صَلَحَ الجَسَدُ كُلُّهُ، وَإِذَا فَسَدَتْ فَسَدَ الْجَسَدُ كُلُّهُ، أَلَا وَهِيَ الْقَلْبُ.
"হালাল সুস্পষ্ট, হারামও সুস্পষ্ট, আর এ-দয়ের মাঝখানে আছে কিছু সন্দেহযুক্ত বিষয় যেগুলো অনেক মানুষের কাছে অজানা।"
যে-ব্যক্তি সন্দেহযুক্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে, সে তার দ্বীন ও সম্মান নিরাপদ করে নেয়[১]; আর যে সন্দেহযুক্ত বিষয়ে জড়িত হয়[২] [৩] তার উদাহরণ হলো[৪] সেই রাখালের মতো যে আরেকজনের সংরক্ষিত চারণভূমির আশেপাশে পশু চরায়, যেখানে তার[১] ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছো।এখ মনে রাখবে, প্রত্যেক রাজার একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে, আর দুনিয়াতে আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তার নিষিদ্ধ বিষয়গুলো।
মনে রাখবে, দেহের ভেতর এক টুকরো মাংস আছে, যা সংশোধিত হলে পুরো দেহ সংশোধিত হয়ে যায়, আর সেটা নষ্ট হলে পুরো দেহ নষ্ট হয়ে যায়। মনে রাখবে, সেটা হলো কল্ব বা অন্তর।
বুখারি ৫২, ২০৫১; মুসলিম ৪০৯৪/১০৭ (১৫৯৯), ৪০৯৫ (...), ৪০৯৬ (...), ৪০৯৭/১০৮ (...); আবূ দাউদ ৩৩২৯, ৩৩৩০; তিরমিযি ১২০৫; নাসাঈ ৪৪৫৩, ৫৭১০; ইবনু মাজাহ ৩৯৮৪; আহমাদ ৪/২৬৭ (১৮৩৪৭), ৪/২৬৯ (১৮৩৬৮), ৪/২৭০ (১৮৩৭৪), ৪/২৭১ (১৮৩৮৪), ৪/২৭৪ (১৮৪১২), ৪/২৭৫ (১৮৪১৮); দারিনি ২৫৬০; নাসাঈ, কুবরা ৫২০০, ৫২১৯, ৫৯৯৭, ৬০৪০; আবদুর রাযযাক ১১/২২১ (২০৩৭৬); ইবনু আবী শাইবা ৬/৫৬০-৫৬১ (২২৪৩৫); হুমাইদি ২/৪৬৮-৪৬৯ (৯৪৩), ২/৪৭৩ (১৪৭); তায়ালিসি ৮২৫; তহাভি, মুশকিল ১/৩২২-৩২৩; তহাভি, শারহু মুশকিল ২/২১৯ (৭৪৯), ২/২১৯-২২০ (৭৫০), ২/২২০ (৭৫১, ৭৫২); আবূ ইয়া'লা ৩/২১৩ (১৬৫৩); ইবনুল জারূদ ৫৫৫; বাযযার ৮/২১৯ (৩২৬৮), ৮/২২০ (৩২৬৯), ৮/২২০-২২১ (৩২৭০), ৮/২২১ (৩২৭১), ৮/২২৩ (৩২৭৩), ৮/২২৩ (৩২৭৪), ৮/২২৪ (৩২৭৬), ৮/২২৪ (৩২৭৭); তাবারানি, সগীর ৩২; তাবারানি, আওসাত ১/৪৭০ (১৭৩৫), ১/৬১৭ (২২৬৪), ২/৫০ (২৪৭২), ২/১৫৮ (২৮৬৮), ৫/৩৯৪-৩৯৫ (৭৭২৯); তাবারানি, কাবীর ১০/৪০৪-৪০৫ (১০৮২৪); তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়‍্যীন ৫১১; ইবনু হিব্বان ২/৪৯৭ (৭২১); হিইয়া ৪/২৬৯-২৭০, ৪/৩৩৬, ৫/১০৫; মুসনাদুশ শিহাব ১/১২৭ (১০২৯), ১/১২৮ (১০০০); তারীখু বাগদাদ ৯/৭০; আবুশ শাইখ, আমসাল ১২১, ২৬০; রামাহুরমুযি, আমসাল ৩ (দ্বিতীয় অংশ); উকাইলি ২/২৫২-২৫৩; বাইহাকি, কুবরা ৫/২৬৪ (১০৪৯৮), ৫/২৬৪ (১০৪৯৯), ৫/৩৩৪ (১০৯১৮), ৫/৩৩৪ (১০৯১৯); বাইহাকি, শুআব ৫/৫০ (৫৭৪০), ৫/৫০ (৫৭৪১), ৫/৫১ (৫৭৪২); বাগাবি, শারহুস সুন্নাহ ২০৩১; মাজমাউয যাওয়াইদ ৪/৭৩ (৬৩৬৬, ৬৩৬৭, ৬৩৬৮)।

টিকাঃ
[৫] 'হিম্স এলাকায় জনতার উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে' (মুসলিম ৪০৯৭/১০৮ (...))。
[৬] 'এ-কথা বলার সময় নুমান তাঁর দু আঙুল দিয়ে দু কানের দিকে ইশারা করেন।' (মুসলিম ৪০৯৪/১০৭ (১৫৯৯)); শা'বি বলেন, 'আমি যখন নুমান ইবনু বশীর এ-কে বলতে শুনতাম- “আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি", তখন আমার মনে হতো (ভবিষ্যতে) আর কাউকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ-কথা বলতে শুনব না-"আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি"!' (আহমদ ৪/২৭৪ (১৮৪১২))。
[৭] بَيْنَ الْحَلَالِ وَالْحَرَامِ "হালাল ও হারামের মাঝখানে” (আহমদ ৪/২৬৯ (১৮৩৬৮))。
[৮] لَا يَدْرِي كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ أَمِنَ الْحَلَالِ هِيَ أَمْ مِنَ الْحَرَامِ "অনেক মানুষ জানে না-সেগুলো হালাল, নাকি হারাম” (আহমদ ৪/২৬৯ (১৮৩৬৮))。
[১] الشُّبُهَاتِ “সংশয়যুক্ত বিষয়গুলো” (মুসলিম ৪০৯৪/১০৭ (১৫৯৯))。
[২] فِيهِ “সে-ক্ষেত্রে” (আহমাদ ৪/২৭০ ১৮৩৭৪)。
[৩] فَمَنْ تَرَكَهَا اسْتِبْرَاءٌ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ، فَقَدْ سَلِمَ “যে-ব্যক্তি নিজের দ্বীন ও সম্মান নিরাপদ রাখার জন্য সেসব বিষয় বাদ দেয়, সে নিরাপদ হয়ে যায়” (তিরমিযি ১২০৫); مَنْ تَوَفَّاهُنَّ كُنَّ وَقَاءً لِدِيْنِهِ “যে সেগুলো থেকে বেঁচে থাকে, সেগুলো হবে তার দ্বীনের সুরক্ষাদাতা” (আবু ইয়া'লা ৩/২১৩ (১৬৫৩)); مَنْ تَرَكَهَا كَانَ أَوْقَى لِدِيْنِهِ وَعِرْضِهِ “যে সেগুলো ছেড়ে দেয়, সে তার দ্বীন ও সম্মানকে অধিক সুরক্ষা দেয়” (তারীখু বাগদাদ ৯/৭০); مَتَى يَدْعُهُنَّ الْمَرْءُ، يَكُوْنُ أَشَدَّ اسْتِبْرَاءً لِعِرْضِهِ وَدِيْنِهِ “কেউ যখন সেগুলো ছেড়ে দেবে, তখন সে অত্যন্ত মজবুতভাবে নিজের সম্মান ও দ্বীন নিরাপদ করে নিতে পারবে” (তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়্যীন ৫১১); فَمَنِ اسْتَبْرَأَهُنَّ فَهُوَ أَسْلَمُ لِدِيْنِهِ وَلِعِرْضِهِ “যে সেগুলো থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে, সে তার দ্বীন ও সম্মানের ক্ষেত্রে অধিক নিরাপদ” (হিলইয়া ৪/২৬৯ ২१०); فَمَنْ تَرَكَ الشُّبُهَاتِ اسْتَبْرَأَ لِدِينِهِ كَانَ حَرِيًّا أَنْ لَا يَقَعَ فِي الشُّبُهَةِ “যে সংশয়যুক্ত জিনিসগুলো বাদ দেয়, সে তার দ্বীনকে নিরাপদ করে নেয় (আর ভবিষ্যতে) সংশয়যুক্ত জিনিসে লিপ্ত না হওয়ার ব্যাপারে সে হবে উপযুক্ত ব্যক্তি” (বাযযার ৮/২২১ ); فَمَنِ اتَّقَاهَا كَانَ أَنْزَهَ لِدِينِهِ وَعِرْضِهِ((৫৯৭৬ “যে সেগুলো এড়িয়ে চলে, সে তার দ্বীন ও সম্মানের ক্ষেত্রে অধিক পরিচ্ছন্ন” (তাবারানি, আওসাত ২/১৫৮ (২৮৬৮)); وَمَنِ اجْتَنَبَهُنَّ فَهُوَ أَوْفَرُ لِدِينِهِ “যে সেগুলো বর্জন করে, তার দ্বীন অধিক পূর্ণাঙ্গ” (তাবারানি, কাবীর ১০/৪০৪-৪০৫ (১০৮২৪)); فَمَنِ اتَّقَى الشُّبُهَاتِ اسْتَتَرْنَ مِنْهُ সংশয়যুক্ত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে, সেগুলো (একপর্যায়ে) তার আড়ালে চলে যায়” (রামাহরমুযি, আমসালুল হাদীস ৩. দ্বিতীয় অংশ)。
[৪] مَنْ قَارَبَهَا “যে সেগুলোর কাছে যায়” (তারীখু বাগদাদ ৯/৭০)。
[৫] وَاقَعَ الْحَرَامَ “সে হারামে লিপ্ত হবে” (আহমদ ৪/২৭০ ১৮৩74)؛ يُوْشِكُ أَنْ يُوَاقِعَ الْحَرَامَ “তার হারামে লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে” (আহমদ ৪/২৬৯ (১৮৩৬৮)); يُوْشِكُ أَنْ يُوَاقِعَ الْكَبَائِرَ “ক’দিন বাদে সে কবীরা গোনাহে লিপ্ত হবে” (আবূ ইয়ালা ৩/২১৩ (১৬৫৩)); فَهُوَ قَمِيْنُ أَنْ يَأْثَمَ “সে গোনাহে লিপ্ত হওয়ার জন্য উপযুক্ত” (তাবারানি, কাবীর ১০/৪০৪-৪০৫ (১০৮২৪))。
[৬] وَسَأَضْرِبُ لَكُمْ فِي ذَلِكَ مَثَلًا “এ-বিষয়ে আমি তোমাদের একটি উদাহরণ দিচ্ছি” (আবু দাউদ ৩৩২৯)。
[৭] وَهُوَ لَا يَشْعُرُ “অবচেতন মনে” (তাবারানি, আওসাত ২/১৫৮ (২৮৬৮))。

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 অন্তরে আগে ঢুকে ঈমান, তারপর কুরআন

📄 অন্তরে আগে ঢুকে ঈমান, তারপর কুরআন


[২৬৮.] আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনিল আস থেকে বর্ণিত, 'একব্যক্তি আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি কুরআন পাঠ করি; তবে এর নিগূঢ় তত্ত্ব আমার অন্তর বুঝতে পারে বলে আমার মনে হয় না!" এর পরিপ্রেক্ষিতে নবি ﷺ বলেন,
إِنَّ قَلْبَكَ حُشِيَ الْإِيمَانَ، وَإِنَّ الْإِيمَانَ يُعْطَى الْعَبْدَ قَبْلَ الْقُرْآنِ
"তোমার অন্তরে (সবেমাত্র) ঈমান দেওয়া হয়েছে; আর বান্দাকে কুরআনের আগে দেওয়া হয় ঈমান।"'
আহমাদ ২/১৭২ (৬৬০৪), সহীহ (আহমাদ শাকির); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৬০ (২২৪); জামউল ফাওয়াইদ ১১৫১।

অর্থাৎ কুরআনের সব তত্ত্ব পুরোপুরি বুঝতে পারা সকল পর্যায়ের মুমিনের জন্য সমান উপকারী নয়; আগে অন্তরে স্থান পায় নিখাদ ঈমান, তারপর ঈমানের স্তর অনুযায়ী তাকে কুরআনের ততটুকু অংশের নিগূঢ় তত্ত্ব বোঝার ক্ষমতা দেওয়া হয়, যতটুকু তার জন্য উপকারী; যে নিগূঢ় তত্ত্ব ওই পর্যায়ের মুমিনের জন্য উপকারী নয়, তাকে তা পূর্ণভাবে অনুধাবন করার শক্তি দেওয়া হয় না।

[২৬৮.] আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনিল আস থেকে বর্ণিত, 'একব্যক্তি আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি কুরআন পাঠ করি; তবে এর নিগূঢ় তত্ত্ব আমার অন্তর বুঝতে পারে বলে আমার মনে হয় না!" এর পরিপ্রেক্ষিতে নবি ﷺ বলেন,
إِنَّ قَلْبَكَ حُشِيَ الْإِيمَانَ، وَإِنَّ الْإِيمَانَ يُعْطَى الْعَبْدَ قَبْلَ الْقُرْآنِ
"তোমার অন্তরে (সবেমাত্র) ঈমান দেওয়া হয়েছে; আর বান্দাকে কুরআনের আগে দেওয়া হয় ঈমান।"'
আহমাদ ২/১৭২ (৬৬০৪), সহীহ (আহমাদ শাকির); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৬০ (২২৪); জামউল ফাওয়াইদ ১১৫১।

অর্থাৎ কুরআনের সব তত্ত্ব পুরোপুরি বুঝতে পারা সকল পর্যায়ের মুমিনের জন্য সমান উপকারী নয়; আগে অন্তরে স্থান পায় নিখাদ ঈমান, তারপর ঈমানের স্তর অনুযায়ী তাকে কুরআনের ততটুকু অংশের নিগূঢ় তত্ত্ব বোঝার ক্ষমতা দেওয়া হয়, যতটুকু তার জন্য উপকারী; যে নিগূঢ় তত্ত্ব ওই পর্যায়ের মুমিনের জন্য উপকারী নয়, তাকে তা পূর্ণভাবে অনুধাবন করার শক্তি দেওয়া হয় না।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 আল্লাহর সামনে মানুষের চেয়ে অন্যান্য মাখলুক বেশি অনুগত

📄 আল্লাহর সামনে মানুষের চেয়ে অন্যান্য মাখলুক বেশি অনুগত


[২৬৯.] সুলাইমান ইবনু বুরাইদা তার পিতার সূত্রে বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَيْسَ شَيْءٍ إِلَّا وَهُوَ أَطْوَعُ لِلَّهِ مِنْ ابْنِ آدَمَ
"এমন কোনও বস্তু নেই যা আল্লাহ তাআলার (বিধানের) সামনে মানুষের চেয়ে বেশি অনুগত নয়।"'
তাবারানি, সগীর ৯০৮, ৯০৯, বর্ণনাকারী আবু উবাইদা ইবনুল আশজাঈ'র জীবনবৃত্তান্ত জানতে পারিনি (হাইসামি); বাযযার (কাশফ) ৪/৬৭ (৩২১৩); মুসনাদুল ফিরদাউস ৪/৪৮ (৬১৪৯); কানযুল উম্মাল ১৬/৫ (৪৩৬৮৩); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫২ (১৫৮)।

[২৬৯.] সুলাইমান ইবনু বুরাইদা তার পিতার সূত্রে বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَيْسَ شَيْءٍ إِلَّا وَهُوَ أَطْوَعُ لِلَّهِ مِنْ ابْنِ آدَمَ
"এমন কোনও বস্তু নেই যা আল্লাহ তাআলার (বিধানের) সামনে মানুষের চেয়ে বেশি অনুগত নয়।"'
তাবারানি, সগীর ৯০৮, ৯০৯, বর্ণনাকারী আবু উবাইদা ইবনুল আশজাঈ'র জীবনবৃত্তান্ত জানতে পারিনি (হাইসামি); বাযযার (কাশফ) ৪/৬৭ (৩২১৩); মুসনাদুল ফিরদাউস ৪/৪৮ (৬১৪৯); কানযুল উম্মাল ১৬/৫ (৪৩৬৮৩); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫২ (১৫৮)।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 কিয়ামাতের বিভীষিকার সামনে সারাজীবনের সমস্ত নেক আমলও তুচ্ছ

📄 কিয়ামাতের বিভীষিকার সামনে সারাজীবনের সমস্ত নেক আমলও তুচ্ছ


[২৭০.] উতবা ইবনু আবদ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَوْ أَنَّ رَجُلًا يَخِرُّ عَلَى وَجْهِهِ مِنْ يَوْمِ وُلِدَ إِلَى يَوْمِ يَمُوْتُ هَرَمًا فِي مَرْضَاةِ اللَّهِ لَحَقَّرَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
"কোনও ব্যক্তি যদি জন্মের দিন থেকে নিয়ে বুড়ো অবস্থায় মারা যাওয়ার দিন পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে সাজদায় পড়ে থাকে, কিয়ামাতের দিন সেটিও তার কাছে অতি নগণ্য মনে হবে।"'
আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৪৯), একজন বর্ণনাকারী মুদাল্লিস হলেও তিনি হাদ্দাসা শব্দটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন (হাইসামি), ৪/১৮৫ (১৭৬৫০) ইসনাদটি সহীহ; বুখারি, তারীখ ১/১৫ (৫); তাবারানি, কাবীর ১৭/১২২-১২৩ (৩০৩), ১৯/২৪৯ (৫৬২); তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়্যীন ১১৩৮; বাইহাকি, শুআব ১/৪৭৯ (৭৬৭), ১/৪৭৯ (৭৬৮); আত-তারগীব ৪/৩৯৭ (৪০, ৪১); ইবনু আবী আসিম, আল-আহাদ ২/২৫৩ (১১২৪); উসদুল গবাহ ৫/১০৯; আল-ইসাবা ৯/১২৮; কানযুল উম্মাল ১৪/৩৬১ (৩৮৯৪০), ১৫/৭৮৮ (৪৩১২০), সহীহ; মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫১ (১৫৫, ১৫৬)।
[২৭১.] জাবির ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
مَا فِي السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ مَوْضِعُ قَدَمِ وَلَا شِبْرٍ وَلَا كَفَ إِلَّا وَفِيهِ مَلَكُ قَائِمٌ أَوْ مَلَكُ سَاجِدٌ فَإِذَا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالُوا جَمِيعًا : سُبْحَانَكَ مَا عَبَدْنَاكَ حَقَّ عِبَادَتِكَ إِلَّا أَنَّا لَمْ نُشْرِكْ بِكَ شَيْئًا
"সাত আকাশের কোথাও এক কদম অথবা এক বিঘত অথবা হাতের এক তালু পরিমাণ জায়গাও নেই, যেখানে একজন ফেরেশতা (নামাজে) দাঁড়ানো কিংবা সাজদার অবস্থায় নেই। তারপরও কিয়ামাতের দিন এলে, তারা সবাই বলবে-'পবিত্র তুমি! যেভাবে তোমার গোলামি করার প্রয়োজন ছিল, সেভাবে তোমার গোলামি করতে পারিনি, তবে আমরা তোমার সঙ্গে কোনও শির্ক করিনি।"'
তাবারানি, কাবীর ২/১৮৪ (১৭৫১), দারাকুতনি'র মতে বর্ণনাকারী উরওয়া ইবনু মারওয়ান ইরকি শক্তিশালী নয় (হাইসামি); তাবারানি, আওসাত ২/৩৬৯-৩৭০ (৩৫৬৮); কানযুল উম্মাল ১০/৩৬৭ (২৯৮৩৯); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫১-৫২ (১৫৭)।

টিকাঃ
[১] فِي طَاعَةِ اللَّهِ “আল্লাহর আনুগত্যে” (আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৫০))|
[২] وَلَوَدَّ أَنَّهُ رُدَّ إِلَى الدُّنْيَا كَيْمَا يَزْدَادَ مِنَ الْأَجْرِ وَالثَّوَابِ "এবং সে মন থেকে চাইবে-তাকে যদি আরও বেশি সাওয়াব অর্জনের জন্য দুনিয়ায় ফেরত পাঠানো হতো!” (আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৫০)); أَنَّهُ زِيدَ "তাকে যদি আরও বাড়তি (হায়াত) দেওয়া হতো” (বুখারি, তারীখ ১/১৫ (৫))。

[২৭০.] উতবা ইবনু আবদ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَوْ أَنَّ رَجُلًا يَخِرُّ عَلَى وَجْهِهِ مِنْ يَوْمِ وُلِدَ إِلَى يَوْمِ يَمُوْتُ هَرَمًا فِي مَرْضَاةِ اللَّهِ لَحَقَّرَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
"কোনও ব্যক্তি যদি জন্মের দিন থেকে নিয়ে বুড়ো অবস্থায় মারা যাওয়ার দিন পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে সাজদায় পড়ে থাকে, কিয়ামাতের দিন সেটিও তার কাছে অতি নগণ্য মনে হবে।"'
আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৪৯), একজন বর্ণনাকারী মুদাল্লিস হলেও তিনি হাদ্দাসা শব্দটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন (হাইসামি), ৪/১৮৫ (১৭৬৫০) ইসনাদটি সহীহ; বুখারি, তারীখ ১/১৫ (৫); তাবারানি, কাবীর ১৭/১২২-১২৩ (৩০৩), ১৯/২৪৯ (৫৬২); তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়্যীন ১১৩৮; বাইহাকি, শুআব ১/৪৭৯ (৭৬৭), ১/৪৭৯ (৭৬৮); আত-তারগীব ৪/৩৯৭ (৪০, ৪১); ইবনু আবী আসিম, আল-আহাদ ২/২৫৩ (১১২৪); উসদুল গবাহ ৫/১০৯; আল-ইসাবা ৯/১২৮; কানযুল উম্মাল ১৪/৩৬১ (৩৮৯৪০), ১৫/৭৮৮ (৪৩১২০), সহীহ; মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫১ (১৫৫, ১৫৬)।
[২৭১.] জাবির ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
مَا فِي السَّمَاوَاتِ السَّبْعِ مَوْضِعُ قَدَمِ وَلَا شِبْرٍ وَلَا كَفَ إِلَّا وَفِيهِ مَلَكُ قَائِمٌ أَوْ مَلَكُ سَاجِدٌ فَإِذَا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالُوا جَمِيعًا : سُبْحَانَكَ مَا عَبَدْنَاكَ حَقَّ عِبَادَتِكَ إِلَّا أَنَّا لَمْ نُشْرِكْ بِكَ شَيْئًا
"সাত আকাশের কোথাও এক কদম অথবা এক বিঘত অথবা হাতের এক তালু পরিমাণ জায়গাও নেই, যেখানে একজন ফেরেশতা (নামাজে) দাঁড়ানো কিংবা সাজদার অবস্থায় নেই। তারপরও কিয়ামাতের দিন এলে, তারা সবাই বলবে-'পবিত্র তুমি! যেভাবে তোমার গোলামি করার প্রয়োজন ছিল, সেভাবে তোমার গোলামি করতে পারিনি, তবে আমরা তোমার সঙ্গে কোনও শির্ক করিনি।"'
তাবারানি, কাবীর ২/১৮৪ (১৭৫১), দারাকুতনি'র মতে বর্ণনাকারী উরওয়া ইবনু মারওয়ান ইরকি শক্তিশালী নয় (হাইসামি); তাবারানি, আওসাত ২/৩৬৯-৩৭০ (৩৫৬৮); কানযুল উম্মাল ১০/৩৬৭ (২৯৮৩৯); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫১-৫২ (১৫৭)।

টিকাঃ
[১] فِي طَاعَةِ اللَّهِ “আল্লাহর আনুগত্যে” (আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৫০))|
[২] وَلَوَدَّ أَنَّهُ رُدَّ إِلَى الدُّنْيَا كَيْمَا يَزْدَادَ مِنَ الْأَجْرِ وَالثَّوَابِ "এবং সে মন থেকে চাইবে-তাকে যদি আরও বেশি সাওয়াব অর্জনের জন্য দুনিয়ায় ফেরত পাঠানো হতো!” (আহমাদ ৪/১৮৫ (১৭৬৫০)); أَنَّهُ زِيدَ "তাকে যদি আরও বাড়তি (হায়াত) দেওয়া হতো” (বুখারি, তারীখ ১/১৫ (৫))。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00