📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 রাসূল ﷺ-কে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা

📄 রাসূল ﷺ-কে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা


[১৪৭.] আনাস বলেন, 'নবি ﷺ বলেছেন,
لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ
"[১] তোমাদের কেউ মুমিন হবে না, যতক্ষণ-না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তানও সকল মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হবো।”'
বুখারি ১৫, ১৪; মুসলিম ১৬৮/৬৯ (৪৪), ১৬৯/৭০ (...); নাসাঈ ৫০১৩, ৫০১৪, ৫০১৫; ইবনু মাজাহ্ ৬৭; আহমাদ ৩/১৭৭ (১২৮১৪), ৩/২০৭ (১৩১৫১, শেষাংশ), ৩/২৭৫ (১৩৯১১), ৩/২৭৮ (১৩৯৫৯, শেষাংশ); দারিমি ২৭৭১; তাবারানি, আওসাত ৬/৩০৫-৩০৬ (৮৮৫৯); আবূ ইয়া'লা ৫/৩৮৭ (৩০৪৯), ৬/২৩ (৩২৫৮), ৭/৮ (৩৮৯৫); ইবনু হিব্বان ১/৪০৫-৪০৬ (১৭৯); ইবনু মানদাহ, কিতাবুল ঈমান ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৭; বাগাবি, শারহুস সুন্নাহ ২২; জামিউল উসূল ২১, ২২; মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৮৮ (২৯৮); জামউল ফাওয়াইদ ৭০।
[১৪৮.] আবূ লাইলা আনসারি বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন,
لَا يُؤْمِنُ عَبْدٌ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهِ، وَأَهْلِي أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ أَهْلِهِ، وَعِتْرَتِي أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ عِتْرَتِهِ، وَذَاتِي أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ ذَاتِهِ
"কোনও বান্দা মুমিন (বলে গণ্য) হবে না, যতক্ষণ-না
>> আমি তার কাছে তার নিজের চেয়ে বেশি প্রিয়,
>> আমার পরিবারের সদস্যগণ তার কাছে তার পরিবারের সদস্যদের চেয়ে বেশি প্রিয়,
>> আমার নিকটাত্মীয়গণ তার কাছে তার নিকটাত্মীয়দের চেয়ে বেশি প্রিয় এবং
>> আমার ব্যক্তিসত্তা তার কাছে তার ব্যক্তিসত্তার চেয়ে বেশি প্রিয় হবে।"
তাবারানি, আওসাত ৪/২২৩ (৫৭৯০), বর্ণনাসূত্রের মুহাম্মাদ ইবনু আবদির রহমান ইবনি আবী লাইলা স্মৃতিশক্তি খারাপ হওয়ায় প্রামাণ্য নন (হাইসামি); তাবারানি, কাবীর ৭/৮৬ (৬৪১৬); কানযুল উম্মাল ১/৪১ (৯৩); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৮৮ (২৯৭); জামউল ফাওয়াইদ ৭৩।
[১৪৯.] আবদুল্লাহ ইবনু জাফর বলেন, 'আব্বাস এসে বলেন-(২) "আল্লাহর রাসূল! আমি কিছু লোকের কাছে আসি, তারা তখন কথাবার্তা বলছিল, আমাকে দেখে তারা চুপ হয়ে যায়;(১) এর একমাত্র কারণ হলো, তারা আমাকে সহজভাবে নিতে পারেনি।"
এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন
أَقَدْ فَعَلُوهَا؟ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، لَا يُؤْمِنُ أَحَدُهُمْ حَتَّى يُحِبَّكُمْ لِحُبِّي أَتَرْجُونَ أَنْ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ بِشَفَاعَتِي وَلَا يَرْجُوهَا بَنُو عَبْدِ الْمُطَّلِبِ
"তারা এ-কাজ করেছে? শপথ সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার প্রাণ! তাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ-না আমাকে ভালোবাসার দরুন তারা তোমাদের ভালবাসবে। [আবদুল মুত্তালিবের বংশধরদের মনঃপূত না হলেও, আমার সুপারিশ নিয়ে জান্নাতে চলে যাবে—তোমরা কি এ-আশা করছো? [৪]",
তাবারানি, আওসাত ৩/২৯৯ (৪৬৪৭), বর্ণনাসূত্রের আসরাম ইবনু হাওশাবের বর্ণনা পরিত্যক্ত (হাইসামি), ৫/৪০৫ (৭৭৬১, শেষাংশ); তাবারানি, সগীর ১০৩৭; আহমাদ ১/২০৭ (১৭৭২), ১/২০৭ (১৭৭৩), ১/২০৭-২০৮ (১৭৭৭), ৪/১৬৫ (১৭৫১৫), ৪/১৬৫ (১৭৫১৬); তিরমিযি ৩৭৫৮, হাসান সহীহ; ইবনু মাজাহ ১৪০; নাসাঈ, কুবরা ৮১২০; হাকিম ৩/৩৩৩ (৫৪৩২), ৩/৫৬৮ (৬৪১৮, শেষাংশ); কানযুল উম্মাল ১২/৪১ (৩৩৯০৭); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৮৮ (২৯৯)।
[১৫০.] মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন—
مَنْ أَحَبَّ اللهَ وَرَسُولَهُ صَادِقًا غَيْرَ كَاذِبٍ، وَلَقِيَ الْمُؤْمِنِينَ فَأَحَبَّهُمْ، وَكَانَ أَمْرُ الْجَاهِلِيَّةِ عِنْدَهُ كَمَنْزِلَةِ نَارِ أُلْقِيَ فِيهَا - فَقَدْ طَعِمَ طَعْمَ الْإِيمَانِ / فَقَدْ بَلَغَ ذِرْوَةَ الْإِيمَانِ
“যে-ব্যক্তি
> আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে সত্যিই ভালোবাসে, যে-ভালোবাসার দাবিতে কোনও মিথ্যা নেই,
> মুমিনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে তাদের ভালোবাসে, এবং
> যার কাছে জাহিলিয়াতের বিষয়কে এমন এক আগুনের মতো মনে হয়, যেখানে তাকে নিক্ষেপ করা হয়েছে
-সে ঈমানের স্বাদ পেল/ ঈমানের সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছে গেল।”'
তাবারানি, কাবীর ২০/২৫৭ (৬০৬), বর্ণনাসূত্রের শুরাইহ ইবনু উবাইদ বিশ্বস্ত, তবে মুদাল্লিস (হাইসামি); কানযুল উম্মাল ১/২৬৬ (১৩৩৫); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৮৮ (৩০০)।
[১৫১.] আবূ সাঈদ খুদরি থেকে বর্ণিত, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন-
ا . . . .]لابنى
إِنَّ لِلَّهِ - عَزَّ وَجَلَّ - حُرُمَاتٍ ثَلَاثَةٌ مَنْ حَفِظَهُنَّ حَفِظَ اللهُ لَهُ أَمْرَ دِينِهِ وَدُنْيَاهُ، وَمَنْ ضَيَّعَهُنَّ لَمْ يَحْفَظ اللهُ لَهُ شَيْئًا
"আল্লাহ তাআলার (নির্ধারিত) তিনটি সম্মানের বিষয় আছে, যে-ব্যক্তি এগুলো (র সম্মান) সুরক্ষিত রাখে, আল্লাহ তার দ্বীন-দুনিয়ার বিষয়াদি সুরক্ষিত রাখবেন, আর যে-ব্যক্তি এগুলো নষ্ট করবে, আল্লাহ তার কিছুই সুরক্ষিত রাখবেন না।"
বলা হলো, "আল্লাহর রাসূল! কী সেগুলো?”
তিনি বলেন-
حُرْمَةُ الْإِسْلَامِ، وَحُرْمَتِي، وَحُرْمَةُ رَحِمِي
"ইসলামের সম্মান, আমার সম্মান ও আমার রক্ত-সম্পর্কের আত্মীয়দের সম্মান।"
তাবারানি, আওসাত ১/৭৩ (২০৩), বর্ণনাসূত্রে ইবরাহীম ইবনু হাম্মাদ ত্রুটিযুক্ত (হাইসামি); কানযুল উম্মাল ১/৭৭ (৩০৮); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৮৮ (৩০১)।
[১৫২.] আনাস বলেন, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
حُبُّ قُرَيْشٍ إِيمَانُ، وَبُغْضُهُمْ كُفْرُ، وَحُبُّ الْعَرَبِ إِيمَانُ، وَبُغْضُهُمْ كُفْرُ، فَمَنْ أَحَبَّ الْعَرَبَ فَقَدْ أَحَبَّنِي، وَمَنْ أَبْغَضَ الْعَرَبَ فَقَدْ أَبْغَضَنِي
"কুরাইশদের ভালোবাসা ঈমান, তাদের ঘৃণা করা কুফর, আরবদের ভালোবাসা ঈমান, আর তাদের ঘৃণা করা কুফর; সুতরাং যে-ব্যক্তি আরবদের ভালোবাসে, সে আমাকে ভালোবাসল, আর যে আরবদের ঘৃণা করে, সে আমাকে ঘৃণা করল।"'
তাবারানি, আওসাত ২/৬৬ (২৫৩৭), আহমাদ, ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন ও বাযযারের মতে, বর্ণনাসূত্রের হাইসাম ইবনু জাম্মাজ ত্রুটিযুক্ত (হাইসামি); বাযযার (কাশফ) ১/৫১ (৬৪); উকাইলি ৪/৩৫৫; হিলুইয়া ২/৩৩৩; কানযুল উম্মাল ১২/৪৪ (৩৩৯২৫); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৮৯ (৩০৩)।

টিকাঃ
]۱[ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ "শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ!” (বুখারি ১৪)。
]২[ أَهْلِهِ وَمَالِهِ “তার পরিবারের লোকজন ও ধনসম্পদ....” (মুসলিম ১৬৮/৬৯ (৪৪))。
[১] 'আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর কাছে' (আহমাদ ১/২০৭ (১৭৭৩))|
[২] আবদুল মুত্তালিব ইবনু রবীআ বলেন, 'আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব রাগান্বিত অবস্থায় আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর কাছে আসেন। আমি তখন তাঁর পাশে। তিনি বলেন, مَا أَغْضَبَكَ "আপনি রেগে আছেন কেন?” আব্বাস বলেন-' (তিরমিযি ৩৭৫৮; আহমাদ ৪/১৬৫ (১৭৫১৬))|
[৩] "আমরা বের হলে কুরাইশদের আলাপরত দেখি। আমাদের দেখলে তারা চুপ হয়ে যায়” (আহমাদ ১/২০৭-২০৮ (১৭৭৭)); "আমি কিছু লোকের কাছে গেলাম। তারা তখন কথা বলছিল। আমাকে দেখে তারা মুখ ফিরিয়ে নিল এবং আমাকে উপেক্ষা করল" (হাকিম ৩/৫৬৮ (৬৪১৮, শেষাংশ)); "কুরাইশরা নিজেদের মধ্যে দেখাসাক্ষাৎ হলে হাসিখুশি থাকে, কিন্তু আমাদের সঙ্গে দেখা হলে তাদের চেহারা আর চেনা যায় না” (আহমাদ ১/২০৭ (১৭৭২); "কুরাইশদের সঙ্গে আমাদের কী হলো!” নবি ﷺ বলেন, مَا لَكَ وَلَهُمْ "তাদের সঙ্গে আপনার আবার কী হলো?” তাদের নিজেদের মধ্যে দেখাসাক্ষাৎ হলে তাদের চেহারা হাস্যোজ্জ্বল থাকে, কিন্তু আমাদের সঙ্গে দেখা হলে তাদের চেহারা অন্যরকম হয়ে যায়” (হাকিম ৩/৩৩৩ (৫৪৩২); তিরমিযি ৩৭৫৮)。
[৪] "তারা আমাদের প্রতি বিদ্বেষ রাখে” (তাবারানি, আওসাত ৫/৪০৫ (৭৭৬১))|
[১] 'এ-কথা শুনে নবি ﷺ ভীষণ রাগান্বিত হয়ে বলেন-' (আহমাদ ১/২০৭ (১৭৭২)); 'এ-কথা শুনে আল্লাহর রাসূল ﷺ রেগে যান। আর তাঁর দু চোখের মাঝখানের শিরায় রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। এরপর তিনি বলেন-' (আহমাদ ১/২০৭-২০৮ (১৭৭৭), ৪/১৬৫ (১৭৫১৫)); 'এ-কথা শুনে আল্লাহর রাসূল ﷺ এতটা রেগে যান যে, তাঁর চেহারা লাল হয়ে ওঠে। এরপর তিনি বলেন-' (তিরমিযি ৩৭৫৮); 'এ-কথা শুনে আল্লাহর রাসূল ﷺ এতটা রেগে যান যে, তাঁর চেহারা লাল হয়ে ওঠে ও তাঁর দু চোখের মাঝখানের শিরায় রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। রেগে গেলে তাঁর (চেহারায়) রক্ত চলাচল বেড়ে যেত। রাগ চলে যাওয়ার পর তিনি বলেন-' (আহমাদ ৪/১৬৫ (১৭৫১৬))|
[২] " مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَتَحَدَّثُوْنَ فَإِذَا رَأَوُا الرَّجُلَ مِنْ أَهْلِ بَيْتِي قَطَعُوا حَدِيثَهُمْ নিজেদের মধ্যে কথা বলে, আর আমার ঘরের সদস্যদের কাউকে দেখলে কথা বন্ধ করে দেয়!" (ইবনু মাজাহ ১৪০)。
[৩] لَا يَدْخُلُ قَلْبَ رَجُلٍ الْإِيْمَانُ حَتَّى يُحِبَّكُمْ لِلَّهِ وَلِرَسُوْلِهِ "কারও অন্তরে ঈমান ঢুকবে না, যতক্ষণ-না সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সন্তুষ্টির) উদ্দেশে তোমাদের ভালোবাসে" (আহমাদ ১/২০৭ (১৭৭২)); حَتَّى يُحِبَّكُمْ لِلَّهِ وَلِقَرَابَنِي "যতক্ষণ-না সে আল্লাহর খাতিরে ও আমার নিকটাত্মীয় হওয়ার খাতিরে তোমাদের ভালোবাসে” (আহমাদ ১/২০৭-২০৮ (১৭৭৭), ৪/১৬৫ (১৭৫১৫))|
[৪] 'তারপর তিনি বলেনمَا بَالُ رِجَالٍ يُؤْذُوْنَنِي فِي الْعَبَّاسِ "কিছু লোকের কী হলো! তারা আব্বাসের ব্যাপারে আমাকে কষ্ট দেয়!" (হাকিম ৩/৩০০ (৫৪৩২)); أَيُّهَا النَّاسُ مَنْ آذَى عَمَّيْ فَقَدْ آذَانِي فَإِنَّمَا عَمُّ الرَّجُلِ صِنْرُ أَبِيهِ “লোকসকল! যে আমার চাচাকে কষ্ট দেয়, সে মূলত আমাকে কষ্ট দেয়, কারণ ব্যক্তির চাচা ও পিতা উভয়ের মূল একই” (তিরমিযি ৩৭৫৮; আহমাদ ৪/১৬৫ (১৭৫১৬))|
[৫] أَيَرْجُوْنَ “তারা কি এ-আশা করছে?” (তাবারানি, আওসাত ৫/৪০৫ (৭৭৬১)); أَتَرْجُوْنَ أَنْ يَدْخُلُوا الْجَنَّةَ بِشَفَاعَتِي وَلَا يَدْخُلُهَا بَنُوْ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ “তোমরা কি মনে করছো—তারা আমার সুপারিশ নিয়ে জান্নাতে চলে যাবে, আর আবদুল মুত্তালিবের বংশধররা জান্নাতে যাবে না?” (তাবারানি, সগীর ১০৩৭)。

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 মানুষকে নিরাপদ রাখা

📄 মানুষকে নিরাপদ রাখা


[১৫৩.] আনাস বলেন, [১] আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
الْمُؤْمِنُ مَنْ أَمِنَهُ النَّاسُ ، وَالْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُوْنَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ ، وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ السُّوءَ ، وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا يَدْخُلُ عَبْدُ الْجَنَّةَ لَا يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ
"মুমিন তো সে, যার কাছে লোকজন নিরাপদ থাকে; মুসলিম' তো সে, যার জিহ্বা ও হাত থেকে মুসলিমরা সুরক্ষিত থাকে;[৮] আর মুহাজির (ত্যাগী) তো সে, যে খারাপ কাজ ত্যাগ করেশি। শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! কোনও বান্দা জান্নাতে যাবে না, যার উপদ্রব-অত্যাচার থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ থাকে না।",
আবু ইয়া'লা ৭/১৯৯ (৪১৮৭), সহীহ (দারানি), ৭/১৫ (৩৯০৯); বুখারি ১০, ১১, ৬৪৮৪; মুসলিম ১৬১/৬৪ (৪০), ১৬২/৬৫ (৪১), ১৬৩/৬৬ (৪২), ১৬৪; আহমাদ ২/১৫৯-১৬০ (৬৪৮৭ শেষের অংশবিশেষ), ২/১৬৩ (৬৫১৫), ২/২০৬ (৬৯২৫), ২/২১২ (৬৯৮২), ২/২১২ (৬৯৮৩), ২/২১৫ (৭০১৭), ২/৩৭৯ (৮৯৩১), ৩/১৫৪ (১২৫৬১), ৩/১৫৪ (১২৫৬২), ৩/৩৭২ (১৪৯৯৫), ৩/৩৯১ (১৫২১০ মাঝখানের অংশবিশেষ), ৩/৪৪০ (১৫৬৩৫), ৩/৪৪০ (১৫৬৪৪), ৬/২০ (২৩৯৫১), ৬/২১ (২৩৯৫৮), ৬/২২ (২৩৯৬৫), ৬/২২ (২৩৯৬৭); আবূ দাউদ ২৪৮১; তিরমিযি ২৫০৪, ২৬২৭, ২৬২৮; নাসাঈ ৪৯৯৫, ৪৯৯৬, ৪৯৯৯; নাসাঈ, কুবরা ৮৭০১; ইবনু মাজাহ ৩৯৩৪; দারিমি ২৭৪১, ২৭৪৫; বাযযার (কাশফ) ১/১৯ (২১), ২/৩৫ (১১৪৩ দ্বিতীয় ভাগ); তাবারানি, কাবীর ১/৩৬৯-৩৭০ (১১৩৭); ৮/৩১৫ (৮০২১), ২০/১৯৭ (৪৪৪); ইবনু হিব্বان ২/২৬৪ (৫১০), ১১/২০৩-২০৪ (৪৮৬২), ১৮/৩০৯ (৭৯৬); মাওয়ারিদুয যমআন ২৬; হাকিম ১/১০-১১ (২৪), ১/১১ (২৫); বাইহাকি, শুআব ৭/৪৯৯ (১১১২৩); জামিউল উসূল ২৬, ২৭, ২৮, ২৯; আত-তারগীব ৩/৩৫৩-৩৫৪ (১১); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫৪ (১৬৯, ১৭০, ১৭১), ১/৫৬ (১৮০, ১৮১, ১৮২); কানযুল উম্মাল ১/১৫০ (৭৪৮), ১/১৫০-১৫১ (৭৪৯); জামউল ফাওয়াইদ ৭৫, ৭৬।
[১৫৪.] আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বললেন-
لَا وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ، لَا وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ، لَا وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ
"শপথ আল্লাহর! না, সে-ব্যক্তি মুমিন নয়! শপথ আল্লাহর! না, সে-ব্যক্তি মুমিন নয়! শপথ আল্লাহর! না, সে-ব্যক্তি মুমিন নয়!"
সাহাবিগণ বললেন, “আল্লাহর রাসূল! কে সেই ব্যক্তি?"
নবি ﷺ বললেন-
جَارُ لَا يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ
"এমন প্রতিবেশী, যার উপদ্রব থেকে তার আশেপাশের লোকজন নিরাপদ থাকে না।"
জিজ্ঞেস করা হলো, "তাঁর উপদ্রব কী?”
নবি ﷺ বললেন, “তার অনিষ্ট বা ক্ষতি।”'
আহমাদ ২/৩৩৬ (৮৪৩২), ইসনাদটি সহীহ (আরনাউত), ২/২৮৮ (৭৮৭৮), ৪/৩১ (১৬৩৭২), ৬/৩৮৫ (২৭১৬২); বুখারি ৬০১৬; হাকিম ১/১০ (২১), ৪/১৬৫ (৭২৯৯); তাবারানি, কাবীর ২২/১৮৭ (৪৮৭)।

টিকাঃ
[১] 'একব্যক্তি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে জিজ্ঞেস করে, "মুসলিমদের মধ্যে কে সর্বোত্তম?"' (মুসলিম ১৬১/৬৪ (৪০)); 'আবূ মূসা বলেন, আমি জিজ্ঞেস করি-আল্লাহর রাসূল! ইসলামের কোন কাজটি সর্বোত্তম?' (মুসলিম ১৬৩/৬৯ (৪২); আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনিল আস বলেন, 'আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি, تَدْرُوْنَ مَنِ الْمُسْلِ “তোমরা কি জানো, মুসলিম কে?” সাহাবিগণ বলেন "আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন।" নবি ﷺ বলেন,...। নবি ﷺ বলেন, تذرُوْنَ مَنِ الْمُؤْمِنُ "তোমরা কি জানো, মুমিন কে?" সাহাবিগণ বলেন "আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন।" নবি ﷺ বলেন, ...' (আহমাদ ২/২০৬ (৬৯২৫), ২/২১৫ (৭০১৭))|
[২] 'বিদায় হজের সময়' (হাকিম ১/১০-১১ (২৪))|
]0[ أَلَّا أُخْبِرُكُمْ بِالْمُؤْمِنِ "আমি কি তোমাদের মুমিনের বৈশিষ্ট্য বলে দেবো না?” (হাকিম ১/১০-১১ (২৪))。
]8[ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَأَمْوَالِهِمْ "নিজেদের জানমালের ব্যাপারে” (আহমাদ ৬/২১ (২৩৯৫৪); হাকিম ১/১০-১১ (২৪))|
]৫[ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُوْنَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ “যার কাছে মুসলিমরা নিজেদের জানমাল নিরাপদ বোধ করে" (তিরমিযি ২৬২৭); مَنْ أَمِنَهُ جَارُهُ وَلَا يَخَافُ بَوَائِقَهُ "যার কাছে তার প্রতিবেশী নিরাপদ বোধ করে এবং তার অত্যাচার-উপদ্রব থেকে শঙ্কামুক্ত থাকে” (আবূ ইয়া'লা ৭/১৫ (৩৯০১))|
]৬[ السَّالِمُ "সুরক্ষিত” (আহমাদ ৩/৪৪০ (১৫৬৪৪))。
]৭[ النَّاسُ "লোকজন” (আহমাদ ৩/৪৪০ (১৫৬৩৫))。
[৮] الْمُجَاهِدُ مَنْ جَاهَدَ نَفْسَهُ فِي طَاعَةِ اللهِ “মুজাহিদ তো সে, যে আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে নিজের প্রবৃত্তির সঙ্গে লড়াই করে” (আহমাদ ৬/২১ (২৩৯৫৪), ৬/২২ (২৩৯৬৫); ইবনু হিব্বان ১১/২০৩-২০৪ (৪৮৬২); হাকিম ১/১০-১১ (২৪))|
]۵[ هَجَرَ مَا نَهَى اللَّهُ عَنْهُ “আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন, তা ত্যাগ করে;” (বুখারি ১০); هَجَرَ الْخَطَايَا وَالذُّنُوْبُ “যাবতীয় গোনাহের কাজ ত্যাগ করে” (আহমদ ৬/২১ (২৩৯৫৪); হাকিম ১/১০-১১ (২৪((; أَنْ تَهْجُرَ مَا كَرِهَ رَبُكَ "যা-কিছু তোমার রবের অপছন্দ, তা ত্যাগ করা” (আহমদ ৬৪৮৭)。
[১] الْجَارُ "প্রতিবেশী” (আহমাদ ২/২৮৮ (৭৮৭৮))。
[২] "আল্লাহর রাসূল!” (হাকিম ৪/১৬৫ (৭২৯৯))|

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 খাবার খাওয়ানো ও সালাম দেওয়া

📄 খাবার খাওয়ানো ও সালাম দেওয়া


[১৫৫.] আবদুল্লাহ ইবনু আমর থেকে বর্ণিত, 'একব্যক্তি নবি ﷺ-এর কাছে জানতে চায়, "ইসলামের কোন কাজটি সর্বোত্তম?"
নবি ﷺ বলেন,
تُطْعِمُ الطَّعَامَ وَتَقْرَأُ السَّلَامَ عَلَى مَنْ عَرَفْتَ وَمَنْ لَمْ تَعْرِفُ
"খাবার খাওয়ানো ও চেনা-অচেনা সবাইকে সালাম দেওয়া।"'
বুখারি ১২, ২৮, ৬২৩৬; মুসলিম ১৬০/৬৩ (৩৯); আবূ দাউদ ৫১৯৪; নাসাঈ ৫০০০; ইবনু মাজাহ ৩২৫৩; আহমাদ ২/১৬৯ (৬৫৮১); জামিউল উসূল ৩০; জামউল ফাওয়াইদ ৭৭।

📘 সবার ওপরে ঈমান > 📄 আল্লাহর অবাধ্যতা এড়িয়ে চলা, ভালো কথা বলা নতুবা চুপ থাকা, প্রতিবেশী ও মেহমানকে সম্মান করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা

📄 আল্লাহর অবাধ্যতা এড়িয়ে চলা, ভালো কথা বলা নতুবা চুপ থাকা, প্রতিবেশী ও মেহমানকে সম্মান করা, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা


[১৫৬.] নবি ﷺ-এর কয়েকজন সাহাবি থেকে বর্ণিত, 'তিনি বলেছেন—[৩]
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ، فَلْيَتَّقِ اللهَ وَلْيُكْرِمْ جَارَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ، فَلْيَتَّقِ اللهَ وَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ، فَلْيَتَّقِ اللهَ وَلْيَقُلْ حَقًّا أَوْ لِيَسْكُتْ
» "যে আল্লাহ ও পরকালের ওপর ঈমান রাখে, সে যেন আল্লাহর অবাধ্যতা এড়িয়ে চলে আর তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে;
» [খ]যে আল্লাহ ও পরকালের ওপর ঈমান রাখে, সে যেন আল্লাহর অবাধ্যতা এড়িয়ে চলে আর তার মেহমানকে সম্মান করে; আর
» যে আল্লাহ ও পরকালের ওপর ঈমান রাখে, সে যেন আল্লাহর অবাধ্যতা এড়িয়ে চলে আর সত্য কথা বলে, নতুবা যেন চুপ থাকে।"
আহমাদ৫/২৪ (২০২৮৫), ইসনাদটি সহীহ (আরনাউত), ২/১৭৪ (৬৬২১), ২/২৬৭ (৭৬২৬), ২/২৬৯ (৭৬৪৫), ২/৪৩৩ (৯৫৯৫), ২/৪৬৩ (৯৯৬৭), ২/৪৬৩ (৯৯৭০), ৪/৩১ (১৬৩৭০), ৫/৪১২ (২৩৪৯৬), ৬/৬৯ (২৪৪০৪), ৬/৩৮৪ (২৭১৫৯); বুখারি ৫১৮৫, ৬০১৮, ৬১৩৬, ৬১৩৮, ৬৪৭৫; মুসলিম ১৭৩/৭৪ (৪৭), ১৭৪/৭৫ (...), ১৭৫/৭৬ (...), ১৭৬/৭৭ (৪৮); আবু দাউদ ৫১৫৪; তিরমিযি ২৫০০; নাসাঈ, কুবরা ১১৭৭৯, ১১৭৮০, ১১৭৮১, ১১৭৮২, ১১৭৮৩; ইবনু মাজাহ ৩৬৭২, ৩৯৭১; দারিমি ২০৬১; বুখারি, মুফরাদ ১০২; ইবনুল মুবারক, যুহদ ৩৬৮, ৩৭২; হান্নাদ যুহদ ১০৫০, ১০৫১, ১১০৫; আবদুর রাযযাক ১১/৭ (১৯৭৪৬); ইবনু আবী শাইবা ৮/৩৫৮ (২৫৯২৭); তায়ালিসি ৪/১০৬ (২৪৬৮); হুমাইদি ২/১১৪ (৫৮৫); বাযযার (কাশফ) ২/৩৯০-৩৯১ (১৯২৫), ২/৩৯১ (১৯২৬), ২/৩৯১ (১৯২৭), ৪/২২০-২২১ (৩৫৭৫); আবু ইয়া'লা ১১/৮৫-৮৬ (৬২১৮, প্রথম অংশ); তাবারানি কাবীর ৫/২৩৩ (৫১৮৭), ১০/৪১২-৪১৩ (১০৮৪৩), ১৪/৭৩ (১৪৬৭৭), ২২/১৯২ (৫০১); তাবারানি, মাকারিম ২১১-২৩৫; তহাড়ি, শারহু মুশকিল ৭/২০৮ (২৭৭৪), ৭/২০৯ (২৭৭৫), ৭/২০৯-২১০ (২৭৭৬), ৭/২১০ (২৭৭৭, ২৭৭৮), ৭/২১১ (২৭৮১); ইবনু হিব্বান ২/২৫৯ (৫০৬), ২/২৭৩-২৭৪ (৫১৬); ইবনু মানদাহ ঈমান ২৯৮, ২৯৯, ৩০০, ৩০১, ৩০৩; মুসনাদুশ শিহাব ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৬৯, ৪৭০; আবূ আওয়ানা ৯৪, ৯৫, ৯৬; ইবনু আবিদ দুনইয়া, মাকারিম ৩২৩, ৩২৪; ইবনু আবিদ দুনইয়া আস-সামৃত ৪০, ৫৫৭, ৫৫৯; খারাইতি, মাকারিম ৯৯, ১৩৮; হাকিম৪/১৬৪ (৭২৯৭); বাইহাকি, কুবরা ৫/৬৮ (১২৫১), ৮/১৬৪ (১৬৭৪১); বাইহাকি, শুআব ৪/২৩৫ (৪৯১২), ৭/৭৪ (১৫৩০), ৭/৭৫ (১৫৩২), ৭/৭৫ (৯৫৩৩), ৭/৮৯ (১৫৮২), ৭/৮৯ (১৫৮৩), ৭/৮৯ (১৫৮৪); বাইহাকি, আদাব ৭৬; বাগাবি, শারহুস সুন্নাহ ২৩৩২, ৩০০১, ৪১২১; মাজমাউয যাওয়াইদ৮/১৬৬ (১৩৫৭৪), ৮/১৬৬-১৬৭ (১৩৫৭৫), ৮/১৬৭ (১৩৫৭৬), ৮/১৬৭ (১৩৫৭৭), ৮/১৭৬ (১৩৬৪৩), ৮/১৭৬ (১৩৬৪৪), ৮/১৭৬-১৭৭ (১৩৬৪৫), ৮/১৭৭ (১৩৬৪৬), ১০/৩০০ (১৮১০৬), ১০/৩০০-৩০১ (১৮১০৭)।

টিকাঃ
[৩] সাহাবি আবূ শুরাইহ খুযাঈ বলেন, 'আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছি-' (আহমাদ ৪/৩১ (১৬৩৭০))|
]১[ فَلَا يُؤْذِي جَارَهُ “সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়” (মুসলিম ১৭৪/৭৫ )( فَلْيُحْسِنُ إِلَى جَارِهِ যেন তার প্রতিবেশীর সঙ্গে সুন্দর আচরণ করে" (মুসলিম ১৭৫/৭১ (...); 'কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন' (আহমাদ ৫/৪১২ (২৩৪৯৬(( ; فَلْيَحْفَظُ جَارَهُ "সে যেন তার প্রতিবেশীকে হেফাজত করে" (আহমাদ ২/১৭৪ (৬৬২১))。
[২] 'তিনি তিনবার বলেছেন' (আহমাদ ৫/৪১২ (২৩৪৯৬))|
]0[ فَلْيُحْسِنُ قُوْتَ ضَيْفِهِ "সে যেন তার মেহমানের জন্য উত্তম খাবারের ব্যবস্থা করে।" সাহাবিগণ বললেন, "মেহমানের খাবার কতদিন?" নবি ﷺ বলেন, ثَلَاثَةُ، وَمَا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ فَصَدَقَةٌ “তিন (দিন); এর পর মেহমানদারি করা হলে, তা সদাকা হিসেবে গণ্য।” (ইবনু মানদাহ, ঈ১۵( فَلْيُحْسِنُ قِرَى ضَيْفِهِ যেন তার মেহমানকে সুন্দরভাবে আপ্যায়ন করে।" জিজ্ঞেস করা হলো, "আল্লাহর রাসূল! মেহমানের আপ্যায়ন কতদিন?" নবি ﷺ বলেন, ثَلَاثُ وَالضَّبَافَةُ ثَلَانَةُ أَيَّامٍ ثَلَاثُ لَيَالٍ فَمَا كَانَ بَعْدُ فَهُوَ صَدَقَةٌ “তিন [ মেহমানদারি করতে হবে তিনদিন/ তিনরাত (বাযযার (কাশফ) ২/৩৯০-৩৯১ (১৯২৫); তাবারানি, কাবীর ৫/২৩৩ (৫১৮৭))]; এর পরের মেহমানদারি সদাকা হিসেবে গণ্য হবে।" (আবূ ইয়া'লা ১১/৮৫-৮৬ (৬২১৮))|
]8[ خَيْرًا "কল্যাণজনক” (মুসলিম ১৭৩/৭৪ (৪৭(( |
]4[ " وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَصِلُ رَحِمَهُ রাখে, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে" (বুখারি ৬১৩৮)。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00