📄 মুমিনদের তিনটি ভাগ
[১০৬.] আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, ‘আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
الْمُؤْمِنُوْنَ فِي الدُّنْيَا عَلَى ثَلَاثَةِ أَجْزَاء : الَّذِينَ آمَنُوا بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ ، ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوا ، وَجَاهَدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ، وَالَّذِي يَأْمَنُهُ النَّاسُ عَلَى أَمْوَالِهِمْ وَأَنْفُسِهِمْ ، ثُمَّ الَّذِي إِذَا أَشْرَفَ عَلى طَمَع تَرَكَهُ لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ
"দুনিয়ায় মুমিনদের তিনটি ভাগ রয়েছে:
>> যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে মেনে নিয়েছে, এরপর কোনও সংশয়ে ভোগে না, এবং নিজেদের জানমাল দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম করে;
>> যার কাছ থেকে লোকজন নিজেদের জানমালের নিরাপত্তা পায়; এরপর
>> যারা (নিষিদ্ধ) প্রলোভনের মুখোমুখি হলে, আল্লাহ তাআলার (সন্তুষ্টির) উদ্দেশে তা ত্যাগ করে।",
আহমাদ ৩/৮ (১১০৫০), বর্ণনাকারী দারাজ কারও মতে বিশ্বস্ত আবার কারও মতে ত্রুটিযুক্ত (হাইসামি); কানযুল উম্মাল ১/১৬৫ (৮২৪); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫২-৫৩ (১৬২), ১/৬৩-৬৪ (২২৭)।
📄 ঈমানের সারনির্যাস বা মৌলিক গুণের অধিকারী হওয়ার উপায়
[১০৭.] আবুদ দারদা রা. থেকে বর্ণিত, 'আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেছেন-
لَا يَبْلُغُ عَبْدٌ حَقِيقَةَ الْإِيْمَانِ حَتَّى يَعْلَمَ أَنَّ مَا أَصَابَهُ لَمْ يَكُنْ لِيُخْطِئَهُ ، وَمَا أَخْطَأَهُ لَمْ يَكُنْ ليُصيبه
"কোনও বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানের মৌলিক গুণের নাগাল পাবে না, যতক্ষণ-না সে ভালোভাবে জেনে নিচ্ছে যে-
>> (ভালো-মন্দ) যা-কিছু তাকে স্পর্শ করেছে, তা তাকে স্পর্শ না-করার মতো ছিল না, আর
>> যা-কিছু তাকে স্পর্শ করেনি, তা তাকে স্পর্শ করার মতো ছিল না।",
বাযযার (কাশফ) ১/২৭ (৩৩), ইসনাদটি হাসান (বাযযার); আহমাদ ৬/৪৪১-৪৪২ (২৭৪৯০); ইবনু আবী আসিম, আস-সুন্নাহ ২৪৬; মুসনাদুশ শিহাব ২/৬৪ (৮৯০), ২/৬৪ (৮৯১); তাবারানি, মুসনাদুশ শামিয়্যীন ২২১৪; ইবনু আসাকির ১৪/৪২; কানযুল উম্মাল ১/৪২ (১০২); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫৮ (১৯২)।
[১০৮.] হারিস ইবনু মালিক আনসারি থেকে বর্ণিত, 'তিনি আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর পাশ দিয়ে গেলে, রাসূল ﷺ তাকে বলেন, كَيْفَ أَصْبَحْتَ يَا حَارِثُ "হারিস! তোমার সকাল কাটল কীভাবে?"
তিনি বলেন, "আমার সকাল কেটেছে সত্যিকার মুমিন হিসেবে।”
নবি ﷺ বলেন, فَانْظُرْ مَا تَقُوْلُ فَإِنَّ لِكُلِّ قَوْلٍ حَقِيقَةٌ، فَمَا حَقِيقَةُ إِيْمَانِكَ "তুমি কী বলছো, ভেবে দেখ! কারণ, প্রত্যেকটি কথার একটি মৌলিক তাৎপর্য থাকে; তোমার ঈমানের মৌলিক তাৎপর্য কী?”
তিনি বলেন, "আমার অন্তর দুনিয়া-বিমুখ হয়ে গিয়েছে, আমি রাত কাটাই না-ঘুমিয়ে, দিন কাটাই তৃষ্ণার্ত অবস্থায়, আমি যেন আমার রবের আরশ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, ঠিক যেন দেখতে পাচ্ছি জান্নাতবাসীরা পরস্পরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছে, আর যেন দেখতে পাচ্ছি জাহান্নামবাসীরা দুঃখবেদনায় চিৎকার করছে!"
নবি ﷺ তিনবার বলেন, يَا حَارِثُ عَرَفْتَ فَالْزَمْ "হারিস! তুমি চিনতে পেরেছ! সুতরাং (তা) আঁকড়ে ধরে থাকো। [১]",
তাবারানি, কাবীর ৩/৩০২ (৩৩৬৭), বর্ণনাসূত্রে ইবনু লাহীআ-সহ এমন বর্ণনাকারী আছেন যার সম্পর্কে তথ্যানুসন্ধান প্রয়োজন (হাইসামি); কাশফুল আস্তার ১/২৬ (৩২), বর্ণনাসূত্রে ইউসুফ ইবনু আতিয়্যা আছেন, যার কথাকে দলিল হিসেবে পেশ করা হয় না (হাইসামি); আবদুর রাযযাক, আল-মুসান্নাফ ১১/১২৯ (২০১১৪); ইবনু আবী শাইবা, আল-মুসান্নাফ ১১/৪২-৪৩ (৩১০৬৪); বাইহাকি, শুআব ৭/৩৬৩ (১০৫৯১), ৭/৩৬৩ (১০৫৯২); আবদ ইবনু হুমাইদ ৪৪৫; মুসনাদুশ শিহাব ২/১২৭ (১০২৮); উসদুল গবাহ ১/১১৪; মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫৭ (১৯০, ১৯১); কানযুল উম্মাল ১৩/৩৫১-৩৫৪ (৩৬৯৮৮, ৩৬৯৮৯, ৩৬৯৯০, ৩৬৯৯১); জামউল ফাওয়াইদ ১১৩।
[১০৯.] আনাস ইবনু মালিক রা. থেকে বর্ণিত, 'মুআয ইবনু জাবাল আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর কাছে গেলে তিনি বলেন-
"মুআয! তোমার সকাল কীভাবে কাটল?”
মুআয বলেন, “আল্লাহ তাআলার প্রতি ঈমানদার হিসেবে।”
নবি ﷺ বলেন- كَيْفَ أَصْبَحْتَ يَا مُعَاذُ ؟
إِنَّ لِكُلِّ قَوْلٍ مِصْدَاقًا وَلِكُلِّ حَقٌّ حَقِيقَةٌ فَمَا مِصْدَاقُ مَا تَقُوْلُ ؟
"প্রত্যেক কথার সমর্থনে একটি প্রমাণ থাকে, আর প্রত্যেক সত্যের থাকে একটি মৌলিক তাৎপর্য। তুমি যা বলছো, তার প্রমাণ কী?"
মুআয বলেন-
يَا نَبِيَّ اللهِ مَا أَصْبَحْتُ صَبَاحًا قَطُّ إِلَّا ظَنَنْتُ أَنِّي لَا أُمْسِي ، وَمَا أَمْسَيْتُ مَسَاءً قَطُّ إِلَّا ظَنَنْتُ أَنِّي لَا أُصْبِحُ ، وَلَا خَطَوْتُ خُطْوَةً إِلَّا ظَنَنْتُ أَنِّي لَا أَتْبَعُهَا أُخْرَى ، وَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى كُلِّ أُمَّةٍ جَاثِيَةٍ تُدْعَى إِلَى كِتَابِهَا مَعَهَا نَبِيٌّ وَأَوْثَانُهَا الَّتِي كَانَتْ تُعْبَدُ مِنْ دُوْنِ اللهِ ، وَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى عُقُوْبَةِ أَهْلِ النَّارِ وَثَوَابِ أَهْلِ الْجَنَّةِ
"আল্লাহর নবি! প্রত্যেক সকালে আমার মনে হয়েছে, আমি সন্ধ্যা পর্যন্ত বাঁচব না; প্রত্যেক সন্ধ্যায় মনে হয়েছে আমি সকাল পর্যন্ত বেঁচে থাকব না; প্রত্যেকবার পা ফেলার সময় মনে হয়েছে পরের বার পা ফেলতে পারব না; আমি যেন দেখতে পাচ্ছি-হাঁটু-গেড়ে-বসে-থাকা প্রত্যেকটি জাতিকে হিসাবের জন্য ডাকা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে আছেন একজন নবি ও তাদের মূর্তিগুলো, আল্লাহকে বাদ দিয়ে যেগুলোর ইবাদাত করা হতো; আর আমার চোখে ভেসে ওঠছে-জাহান্নামীদের শাস্তি ও জান্নাতীদের প্রতিদান।"
নবি ﷺ বলেন-عَرَفْتَ فَالْزَمْ "তুমি (ঈমানের মৌলিক তাৎপর্য) বুঝতে পেরেছ; অতএব তা আঁকড়ে ধরে থাকো।"'
আবু নুআইম, হিলয়াতুল আউলিয়া ১/২৪২।
[১১০.] আবূ রযীন উকাইলি বলেন, 'আমি আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর কাছে এসে বলি, “আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ মৃতদের কীভাবে জীবিত করবেন?”
নবি ﷺ বলেন,
أَمَا مَرَرْتَ بِأَرْضِ مِنْ أَرْضِكَ مُجْدِبَةٍ ، ثُمَّ مَرَرْتَ بِهَا مُخْصَبَةٍ؟
"তোমার কোনও জমি যখন সম্পূর্ণ শুকিয়ে যায়, তখন এর পাশ দিয়ে গিয়েছ? তারপর যখন (পানি পেয়ে আবার) উর্বর হয়ে ওঠে, তখন এর পাশ দিয়ে গিয়েছ?"[১]
তিনি বলেন "হ্যাঁ!"
নবি ﷺ বলেন- "(মানুষের মৃত্যুর পর) পুনরুজ্জীবনের বিষয়টিও তেমনই।”
كَذلِكَ النُّشُورُ
তিনি বলেন, "আল্লাহর রাসূল! ঈমান কী?"
নবি ﷺ বলেন-
أَنْ تَشْهَدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ ، وَأَنْ يَكُونَ اللَّهُ وَرَسُوْلُهُ أَحَبَّ إِلَيْكَ مِمَّا سِوَاهُمَا ، وَأَنْ تُحْرَقَ فِي النَّارِ أَحَبُّ إِلَيْكَ مِنْ أَنْ تُشْرِكَ بِاللهِ ، وَأَنْ تُحِبُّ غَيْرَ ذِي نَسَبٍ لَا تُحِبُّهُ إِلَّا لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ، فَإِذَا كُنْتَ كَذلِكَ فَقَدْ دَخَلَ حُبُّ الْإِيْمَانِ فِي قَلْبِكَ ، كَمَا دَخَلَ حُبُّ الْمَاءِ لِلظَّمْآنِ فِي الْيَوْمِ الْقَائِظِ
"(ঈমান হলো-)
> তুমি সাক্ষ্য দেবে আল্লাহ ছাড়া কোনও ইলাহ্ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনও অংশীদার নেই, এবং মুহাম্মাদ তাঁর দাস ও বার্তাবাহক;
> তোমার কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল হবেন সবার চেয়ে বেশি প্রিয়;
> তুমি আল্লাহর সঙ্গে শির্ক করবে-এর চেয়ে তোমার কাছে বেশি প্রিয় হবে তোমাকে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া; এবং
» একেবারে সাধারণ পর্যায়ের মানুষকে কেবল আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশে ভালোবাসবে।
তোমার মধ্যে এসব বৈশিষ্ট্য থাকলে বুঝবে-ঈমানের ভালোবাসা তোমার অন্তরে ঢুকেছে, ঠিক যেভাবে প্রচণ্ড গরমের দিন ভীষণ তৃষ্ণার্ত ব্যক্তির ভেতর পানির ভালোবাসা ঢুকে পড়ে।”
আমি বলি, “আল্লাহর রাসূল! কীভাবে বুঝব আমি মুমিন?"
নবি ﷺ বলেন-
مَا مِنْ أُمَّتِي أَوْ هَذِهِ الْأُمَّةِ عَبْدُ يَعْمَلُ حَسَنَةً فَيَعْلَمُ أَنَّهَا حَسَنَةٌ ، وَأَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ جَازِيْهِ بِهَا خَيْرًا ، وَلَا يَعْمَلُ سَيِّئَةً فَيَعْلَمُ أَنَّهَا سَيِّئَةٌ ، وَيَسْتَغْفِرُ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ مِنْهَا ، وَيَعْلَمُ أَنَّهُ لَا يَغْفِرُ إِلَّا هُوَ إِلَّا وَهُوَ مُؤْمِنٌ
"আমার উম্মাহর-অথবা এ উম্মাহর-কোনও ব্যক্তি যদি
> ভালো কাজ করার পর বুঝতে পারে যে-কাজটি ভালো এবং আল্লাহ তাআলা তাকে এর জন্য উত্তম প্রতিদান দেবেন, এবং
> কোনও খারাপ কাজ করার পর বুঝতে পারে যে-কাজটি খারাপ, এর জন্য সে আল্লাহ তাআলার কাছে মাফ চায় এবং জানে যে তিনি ছাড়া আর কেউ (গোনাহ) মাফ করতে পারে না,
তা হলে সে মুমিন।"'
আহমাদ ৪/১১-১২ (১৬১৯৪), ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন ও আবূ হাতিমের মতে বর্ণনাকারী সুলাইমান ইবনু মূসা 'বিশ্বস্ত', অন্যদের মতে 'ত্রুটিযুক্ত' (হাইসামি), ৪/১২ (১৬১৯৬); মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫৩-৫৪ (১৬৭); কানযুল উম্মাল ১/১৬০ (৮০০), ১১/১০৪ (৩০৮০৬)।
টিকাঃ
]১[ لِكُلِّ شَيْءٍ حَقِيقَةٌ “সবকিছুরই একটি মৌলিক তাৎপর্য থাকে; আর” (আহমাদ ৬/৪৪১-৪৪২ (২৭৪৯০))。
]১[ مُؤْمِنٌ نَوَّرَ اللَّهُ قَلْبَهُ " )সে) মুমিন। আল্লাহ তার অন্তরকে আলোকিত করে দিন!” (বাযযার (কাশফুল আসতার( ১/২৬ (৩২(; نُورَقَلْبُهُ “তার অন্তরকে আলোকিত করে দেওয়া হয়েছে” (আবদুর রাযযাক ১১/১২৯ (২০১১৪((|
[১] a " أَمَا مَرَرْتَ بِوَادٍ مُمْحِلٍ ، ثُمَّ مَرَرْتَ بِهِ خِصْبًا ثُمَّ تَمُرُّ بِهِ خَضِرًا [২] PRE TO গিয়েছ, যখন তা শুকনো অবস্থায় পড়ে থাকে? তারপর এর পাশ দিয়ে গিয়েছ, যখন তা (পানি পেয়ে) উর্বর হয়ে ওঠে? (বর্ণনাকারী) ইবনু জা'ফারের ভাষ্য অনুযায়ী, "তারপর এর পাশ দিয়ে গিয়েছ, যখন তা সবুজে ভরে ওঠে?” (আহমদ ৪/১২ (১৬১৯৬)) |
[১] আক্ষরিক অর্থ “বংশপরিচয় অভিজাত নয় এমন"。
📄 ঈমানের আনন্দ অন্তরে ঢুকলে, মানুষ দ্বীনের ব্যাপারে অসন্তুষ্ট থাকে না
[১১১.] ইবনু আব্বাস রা. বলেন, 'আবূ সুইয়ান আমাকে জানিয়েছেন যে, (বাইজান্টাইন সম্রাট) হিরাক্লিয়াস তাকে বলেছিলেন- "আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করলাম, তাদের (অর্থাৎ মুহাম্মাদ ﷺ-এর অনুসারীদের) সংখ্যা কি বাড়ছে, নাকি কমছে? তুমি বললে, তাদের সংখ্যা বাড়ছে। ঈমানের বিষয়টি এমনই হয়ে থাকে, যতক্ষণ-না তা পূর্ণতা পাচ্ছে। আর তোমার কাছে জানতে চাইলাম, দ্বীনে ঢুকার পর কেউ এর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে দ্বীন ছাড়ছে কি না। তুমি বললে, না। ঈমানের বিষয়টি এমনই; যখন এর আনন্দ কারও অন্তরে ঢুকে, তখন সে দ্বীনের ব্যাপারে অসন্তুষ্ট থাকে না।"'
বুখারি ৫১।
📄 ঈমানের স্বাদ পেতে হলে তিনটি বিষয়ে সন্তুষ্ট থাকা চাই
[১১২.] আব্বাস ইবনু আব্দিল মুত্তালিব থেকে বর্ণিত, 'তিনি আল্লাহর রাসূল ﷺ-কে বলতে শুনেছেন,
ذَاقَ طَعْمَ الْإِيْمَانِ مَنْ رَضِيَ بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالْإِسْلَامِ دِيْنًا، وَبِمُحَمَّدٍ رَّسُوْلًا
"সে-ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে,
» যে আল্লাহকে রব,
» ইসলামকে দ্বীন ও
» মুহাম্মাদ ﷺ-কে রাসূল [১] হিসেবে মেনে সন্তুষ্ট হয়েছে।"'
মুসলিম ১৫১/৫৬ (৩৪); আহমাদ ১/২০৮ (১৭৭৮), ১/২০৮ (১৭৭৯); তিরমিযি ২৬২৩; জামিউল উসূল ১৪; জামউল ফাওয়াইদ ৫৩।
টিকাঃ
[১] টীকা : “নবি” (আহমাদ ১৭৭৯; তিরমিযি ২৬২৩)।