📄 কতিপয় রসূলের প্রতি ঈমান আনা এবং কতিপয়ের প্রতি ঈমান না আনা
রসূলগণের মাঝে পার্থক্য সৃষ্টি করা।
ব্যাখ্যা: কতেক রসূলকে অস্বীকার করা এবং কতিপয়ের প্রতি ঈমান আনা আহলে কিতাবদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য。
মূর্তিপূজক ও মুশরিকরা রসূলগণের প্রতি আদৌ ঈমান আনে না। বরং সকল রসূলকে অস্বীকার করে。
অন্যদিকে ইয়াহুদীরা ঈসা আলাইহিস সালাম ও মুহাম্মাদকে জ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অস্বীকার করে। আর খ্রিষ্টানরা মুহাম্মাদ জ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অস্বীকার করে। আর যে একজন নাবীকে অস্বীকার করে সে মূলতঃ সকল নাবী-রসূলকেই অস্বীকার করে। কেননা, নাবী-রসূলগণের পন্থা একই এবং দীন একটিই। তারা পরস্পর ভাই ভাই। তাই একজনকে অস্বীকার করার কারণে সকলকেই অস্বীকার করা হয়। যারা রসূলকে অস্বীকার করে আর কতিপয়ের প্রতি ঈমান আনে তাদের ক্ষেত্রে দলীল-প্রমাণ একই তথা সকলকেই তারা অস্বীকার করে। সুতরাং তাদের মাঝে কোন পার্থক্য নেই। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা বলেন,
{قُولُوا آمَنَّا بِاللَّهِ وَمَا أُنْزِلَ إِلَيْنَا وَمَا أُنْزِلَ إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ وَإِسْحَاقَ وَيَعْقُوبَ وَالْأَسْبَاطِ وَمَا أُوتِيَ مُوسَى وَعِيسَى وَمَا أُوتِيَ النَّبِيُّونَ مِنْ رَبِّهِمْ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْهُمْ وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ} [البقرة: ١٣٦] ، {آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلُّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْ رُسُلِهِ} [البقرة: ٢٨٥]
তোমরা বল, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা নাযিল করা হয়েছে আমাদের উপর ও যা নাযিল করা হয়েছে ইবরাহীম, ইসমাইল, ইসহাক, ইয়াকুব ও তাদের সন্তানদের উপর এবং যা প্রদান করা হয়েছে মূসা ও ঈসাকে এবং যা প্রদান করা হয়েছে তাদের রবের পক্ষ হতে নাবীগণকে। আমরা তাদের কারো মধ্যে তারতম্য করি না। আর আমরা তাঁরই অনুগত। রসূল তার নিকট তার রবের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত বিষয়ের প্রতি ঈমান এনেছে, আর মুমিনগণও। প্রত্যেকে ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাকুল, কিতাবসমূহ ও তাঁর রসূলগণের উপর, আমরা তাঁর রসূলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না (সূরা আল-বাক্বারাহ ২:১৩৬,২৮৫)।
অর্থাৎ আমরা কোন রসূলের মাঝে পার্থক্য করি না। ঈমানের ছয়টি রুকনের একটি হলো সকল রসূলের প্রতি ঈমান আনা, যা হাদীছে জিবরাঈলে বর্ণিত হয়েছে। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে যখন জিবরাঈল আলাইহিস সালাম জিজ্ঞেস করলেন, আমাকে ঈমান সম্পর্কে সংবাদ দিন। তখন তিনি জবাবে বলেন,
أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ، وَتُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ
আল্লাহ, তাঁর ফেরেস্তামন্ডলী, আসমানী কিতাবসমূহ, তাঁর সকল রসূল, আখেরাত এবং ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি বিশ্বাস রাখাই হলো ঈমান। ৭১
এসব বিষয়ের আংশিকের প্রতি ঈমান আনা যথেষ্ট নয়। বরং সবগুলোর প্রতিই ঈমান আনতে হবে। এসবের কোন একটি অস্বীকার করলে সবগুলোই অস্বীকার করা হবে। এজন্য আল্লাহ তা'আলা বলেন, { كَذَّبَتْ قَوْمُ نُوحٍ الْمُرْسَلِينَ} [الشعراء: ١٠٥] নূহ-এর সম্প্রদায় রসূলগণকে অস্বীকার করেছিল (সূরা আশ-শু'আরা ২৬:১০৫)।
، {كَذَّبَتْ عَادٌ الْمُرْسَلِينَ} [الشعراء: ۱۲۳] 'আদ জাতি রসূলগণকে অস্বীকার করেছিল (সূরা আশ-শু'আরা ২৬:১২৩)।
{ كَذَّبَتْ ثَمُودُ الْمُرْسَلِينَ} [الشعراء: ١٤١] সামূদ জাতি রসূলগণকে অস্বীকার করেছিল (সূরা আশ-শু'আরা ২৬:১৪১)।
নূহ আলাইহিস সালাম এর জাতি ও আদ সম্প্রদায় তাদের নাবীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতো। তাদের নিজ নিজ নাবীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কারণে মূলতঃ তারা সকল নাবী-রসূলকেই মিথ্যা প্রতিপন্ন করতো。
টিকাঃ
৭১. ছহীহ বুখারী ৫০, ছহীহ মুসলিম ১০।
📄 অজানা বিষয় নিয়ে বিতর্ক করা
যে বিষয়ে জ্ঞান নেই তা নিয়ে বিবাদ সৃষ্টি করা।
ব্যাখ্যা: জাহিলরা যে বিষয়ে জ্ঞান রাখে না তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক ও মতভেদ সৃষ্টি করে। জ্ঞান ছাড়া তর্ক না করাই আবশ্যক। কোন বিষয় জানা না থাকলে নিরব থাকবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, {بَلْ كَذَّبُوا بِمَا لَمْ يُحِيطُوا بِعِلْمِهِ وَلَمَّا يَأْتِهِمْ تَأْوِيلُهُ} [يونس: ٣٩]
বরং, তারা যে ব্যাপারে পূর্ণ জ্ঞান লাভ করেনি, তা তারা মিথ্যা অস্বীকার করেছে এবং এখনও এর পরিণতি তাদের কাছে আসেনি (সূরা ইউনূস ১০:৩৯)। অর্থাৎ কোন বিষয়ের বাস্তব ব্যাখ্যা মূলকঃ জ্ঞান না থাকা। এ বিষয়টি দু'টি দিককে অন্তর্ভুক্ত করে:
প্রথম: মানুষ যে বিষয় জানে না সে বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। আর অজ্ঞাত বিষয় অস্বীকারও করবে না। বরং বলবে, আল্লাহই অধিক অবগত। একারণে আল্লাহ তা'আলা তার নাবী মুহাম্মাদ জ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলেন, {وَقُلْ رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا} [طه: ١١٤]
সুতরাং আল্লাহ মহান যিনি সত্যিকার অধিপতি; তোমার প্রতি ওহী সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বে তুমি কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করো না এবং তুমি বল, 'হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন' (সূরা ত্বা-হা ২০:১১৪)।
কোন মানুষ নিজেকে পূর্ণজ্ঞানী দাবি করতে পারে না। মানুষের জ্ঞান সীমাবদ্ধ। মানুষ যদিও অনেক জ্ঞানের অধিকারী তবুও সে কেবল সামর্থ অনুযায়ী জানতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ জ্ঞানই তার অজানা। আল্লাহ তা'আলা বলেন, { وَفَوْقَ كُلِّ ذِي عِلْمٍ عَلِيمٌ} [يوسف: ٧٦]
প্রত্যেক জ্ঞানীর উপর রয়েছে একজন মহাজ্ঞানী (সূরা ইউসূফ ১২:৭৬)।
আল্লাহ তা'আলাই চুড়ান্ত জ্ঞানের অধিকারী。
দ্বিতীয়: কারো জানা বিষয় মানুষ অস্বীকার করবে না। কারো নিকট থেকে নিজের অজ্ঞাত কোন বিষয় জানতে পারলে তা গ্রহণ করা মানুষের জন্য আবশ্যক। কোন মানুষকেই পূর্ণজ্ঞান দান করা হয়নি। একারণে আলেমগণ সদা সর্বদা একটি কথা পূনরাবৃত্তি করে বলেন,
من حفظ حجة على من لم يحفظ
যারা দলীল সংরক্ষণ করেনি, তাদের উপর প্রাধান্য পাবে তাদের কথা, যারা সংরক্ষণ করে。
নাস্তিক, মুশরিক, আল্লাহর গুণাবলীকে বাতিল সাব্যস্তকারী এবং ভ্রষ্ট সম্প্রদায় তাদের অজানা বিষয়কে অস্বীকার করে। কেননা, অজানা বিষয়ে তারা বিবেক-বুদ্ধি প্রয়োগ করেনি; এ জন্য তারা অদৃশ্যের প্রতি ঈমান আনে না। তাই বাতিল ক্বিয়াস তথা পরিত্যাজ্য অনুমান ভিত্তিক রীতির উপর তারা তাদের চলার পথ নির্ধারণ করেছে। ফলে তারা সঠিক পথ হারিয়েছে।
📄 অন্যদের অনুসরণে বৈপরীত্য সৃষ্টি করা
স্পষ্ট সালাফদের (পূর্ববর্তী নেকলোক) বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও নিজেদেরকে তাদের অনুসারী দাবি করা।
ব্যাখ্যা: সব ইয়াহুদী-খ্রিষ্টান ও ইসলামের দিকে সম্পৃক্তকারী ভ্রষ্টদের প্রত্যেকেই দাবি করে যে, তারা পূর্ববর্তী মু'মিনদের অনুসারী। ইয়াহুদীরা দাবি করে, তারা মূসা আলাইহিস সালাম ও তার দলবলের অনুসরণ করে। আর খ্রিষ্টানদের দাবি, তারা ঈসা আলাইহিস সালাম ও তার অনুসারীদের অনুসরণ করে। আর মুহাম্মাদ জ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভ্রষ্ট উম্মত দাবি করে, তারা পূর্ববর্তী ছাহাবী, তাবেয়ী ও তাদের অনুসারীদের অনুসরণ করে। অথচ সালাফদের রীতির উপর তারা প্রতিষ্ঠিত নয়。
যারা নিজেদেরকে সালাফী দাবি করে, তাদের এ দাবি তখনই সঠিক হবে যখন তাদের নিকট সালফে-সালেহীনদের রীতি বহাল থাকবে। যদি তাদের রীতি অনুযায়ী আমল হয়, তাহলেই তা হবে সালাফী পন্থা। অন্যাথায়, তা হবে সালাফী রীতি বিরোধী। যদিও তাদের অনুসারীরা সালাফী দাবি করে থাকে。
আজকাল প্রত্যেক ভ্রষ্ট দলই দাবি করে, তারা সালাফী মূলনীতির উপর বহাল আছে। কিন্তু তারা সালাফী পন্থার উপর বহাল নেই। কেননা, সালাফীরীতি হচ্ছে,
من كان على مثل ما أنا عليه وأصحابي
আমি ও আমার ছাহাবীগণের রীতির উপর যারা অটল থাকে। ৭২
এ রীতি সংরক্ষণে রসূল জ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কথা অনুযায়ী তারা আমল করে না। এ হাদীছের কথা অনুযায়ী আমল হলেই তা হবে সালাফী রীতি। আর এ কথার বিরোধী আমল হলে তা সালাফী পন্থা বলে গণ্য হবে না। যদিও বিরোধী বিষয়কে সালাফী রীতি দাবি করা হয়। দাবি উত্থাপনের মাঝে কোন শিক্ষা নেই। বাস্তবতার মাঝেই শিক্ষা আছে। অনেকেই নিজেদেরকে সালাফী দাবি করে। কিন্তু সালফে-সালেহীনদের রীতির উপর বহাল থাকা তাদের জন্য আবশ্যক। আমল যদি সালাফী রীতির অনুকূলে হয় তবেই তা হক্ব বলে গণ্য হবে। সালফে-সালেহীনদের রীতি বিরোধী হলে তা হক্ব নয়। অনুরূপভাবে যারা নিজেদেরকে চার মাযহাবের সাথে সম্পৃক্ত করে চার ঈমামের আক্বীদার বিরোধিতায় লিপ্ত হয়। তাদের এ সম্পৃক্ত হওয়া সঠিক নয়। কেননা, তারা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আক্বীদার বিপরীত আমল করে。
টিকাঃ
৭২. তিরমিযী, হা/২৬৪১।
📄 আল্লাহর রাস্তায় বাধা দান
যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, তাদেরকে আল্লাহর রাস্তায় চলতে বাধা দান করা।
ব্যাখ্যা: আল্লাহর রাস্তায় বাধাদান বলতে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করা হতে মানুষকে ফিরিয়ে রাখা। পূর্ববর্তী ও বর্তমান যুগের কাফিরদের রীতি এটাই। হোক তারা ইয়াহুদী, খ্রিষ্টান এবং মুশরিক। সর্বযুগে ও সর্বস্থানে জাহিলী রীতি হলো আল্লাহর রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা। ভ্রষ্ট দলগুলো বর্তমানে এ রীতির উপর প্রতিষ্ঠিত。
মুসলিমদেরকে ভ্রান্ত পথে পরিচালনায় তারা সদালিপ্ত। তারা বাতিল রীতির দিকে মুসলিমদেরকে ধাবিত করছে। অনুরূপভাবে মুসলিমদেরকে ইসলাম হতে বিরত রাখতে খ্রিষ্টানরাও সর্বদা অপচেষ্টায় লিপ্ত থেকে বলে, আসো, আমরা পরস্পরে নিজেদের মাঝে আলোচনা করি। তারা ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলে, এটাই হলো আল্লাহ তা'আলার রাস্তায় বাধাদানের স্বরূপ。
আমরা কি আমাদের দীনের বিশুদ্ধতা নিয়ে সন্দেহ করি যে, তাদের বাতিল দীনের আলোচনায় বসতে হবে? আমরা আমাদের দীনের ব্যাপারে সন্দেহবাদী নই। তারা যে দীনের উপর বহাল আছে, তা বাতিল-মিথ্যা। তারা মূলতঃ সকল দীনের আলোচনা করা ও পরস্পরের দীনকে সহযোগিতার জন্য আহবান জানায়। এর মাধ্যমে তারা আল্লাহর রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এটাই তাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যে। বর্তমানে কাফেরেরা মুসলিদেরকে ভ্রান্ত পথে পরিচালনায় সদা তৎপর। দীন ইসলাম হতে বিমুখ করতে তারা মুসলিমদেরকে হত্যা করছে, বিতাড়িত করছে এবং তাদেরকে শাস্তি দিচ্ছে। আবার তারাই বলে, আসো আমরা পরস্পর দীনের আলোচনা করি。
মূলতঃ তারা তাদের ধর্ম ও বিশ্বাসকে উদ্দেশ্যে করেই ধর্মীয় স্বাধীনতা ও বিশ্বাসের কথা বলে। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
{ وَوَدُّوا لَوْ تَكْفُرُونَ} [الممتحنة: ٢] তারা কামনা করে যদি তোমরা কুফরি করতে! (সূরা মুমতাহিনা ৬০:২)। { وَلَا يَزَالُونَ يُقَاتِلُونَكُمْ حَتَّى يَرُدُّوكُمْ عَنْ دِينِكُمْ إِنِ اسْتَطَاعُوا} [البقرة: ٢১৭]
আর তারা তোমাদের সাথে লড়াই করতে থাকবে, যতক্ষণ না তোমাদেরকে তোমাদের দীন থেকে ফিরিয়ে দেয়, তারা যদি পারে (সূরা আল-বাক্বারাহ ২:২১৭)।
{وَدُّوا لَوْ تَكْفُرُونَ كَمَا كَفَرُوا فَتَكُونُونَ سَوَاءً} [النساء: ٨٩]
তারা কামনা করে, যদি তোমরা কুফরী করতে যেভাবে তারা কুফরী করেছে। অতঃপর তোমরা সমান হয়ে যেতে (সূরা আন নিসা ৪:৮৯)।
তারা বাতিলের সাথে হক্বের মিশ্রণ ঘটাতে এবং বাতিল দীনের সাথে হক্ব দীনের সমতা বিধান করতে চায়। কিন্তু তারা হকু দীনকে সাব্যস্ত করে না। বরং তারা ইসলামকে অপসারণ করতে চায়। ফলে দীন বিমুখ করতে তারা মুসলিমদের হত্যা করছে, তাদেরকে বাড়ি-ঘর হতে বিতাড়িত করছে। তারা চায়, পৃথিবীতে কোন মুসলিম যেন অবশিষ্ট না থাকে। এটাই তাদের প্রত্যাশা ও ইচ্ছা。