📘 শারহু মাসাইলিল জাহিলিয়্যাহ > 📄 গন্ডা বা মিথ্যা নিয়ে অহংকার করা

📄 গন্ডা বা মিথ্যা নিয়ে অহংকার করা


অহংকার করা জাহিলদের নিকট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যদিও তা হক্ব হয়। তাই এটা নিষেধ করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা: জাহিলী সমস্যা হলো অহংকার করা যদিও তা হক্বের ব্যাপারে হয়। তারা নিজেদের ও বাপদাদার কর্ম-কান্ডের মাধ্যমে দাম্ভিকতা প্রকাশ করতো যা নিষিদ্ধ। কেননা, কর্মরীতির অহংকার আশ্চার্যবোধ এবং অন্যকে হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রেরণা দেয় যা নিষিদ্ধ এবং তা জাহিলী কর্মের অন্তর্ভুক্ত। কোন মুসলিমের জন্য অহংকার করা বৈধ নয়। যখনই অহংকারপূর্ণ বিষয়ে প্রচেষ্টা ও আমল করবে তখনই তা অবহেলা বলে গণ্য হবে। আর তখন আল্লাহ তা'আলা যা ওয়াজীব করেছেন তা পালন করবে না। সুতরাং আল্লাহ, পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের হক্ব সর্বোত্তম। তাই মানুষ যখন ইহসান অথবা সৎ অথবা কল্যাণকর কাজ করে তখন কিভাবে অহংকার করতে পারে যদিও তার কাছে এসব কাজ সহজ হয়ে থাকে?

এটা সৃষ্টির মাঝে মানুষের অহংকার বুঝায়। অপরদিকে মানুষ যখন তার কর্ম নিয়ে আল্লাহর সাথে অহংকার করে তখন তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। কেননা, সে তার কর্মের মাধ্যমে বিস্ময় প্রকাশ করে, কর্মের আধিক্য তুলে ধরে। এসব কর্মই মানুষের আমলকে বিনষ্ট করে দেয়। তাই স্পষ্ট কথা হলো বান্দার নিজের ও আল্লাহর ব্যাপারে সর্বদাই নিজেকে ছোট মনে করা আবশ্যক। আর বান্দা ও সৃষ্টির মাঝেও নিজেকে নিচু রাখা আবশ্যক। কেননা, মানুষ নিজেকে ছোট মনে করলে বিনম্রতা লাভে প্রেরণা পায়, যা অধিক কল্যাণ অর্জনে উদ্বুদ্ধ করে। পক্ষান্তরে, নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ মনে করে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলে এটা তাকে কল্যাণকর কাজ থেকে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে এবং মনে করে সে চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এভাবে সে কল্যাণ থেকে বিরত থাকে。

মোদ্দা কথা হলো অহংকার করা কোন মুসলিমের জন্যই উচিত নয়। এটা কেবল জাহিলী কর্মই বটে。

নাবী জ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন উল্লেখ করলেন যে, তিনি বনী আদমের নেতা তখন বললেন, কোন অহংকার করা চলবে না (لما ذكر أنه سيد ولد آدم ) قال: "ولا فخر" )৬৫ তার পদ-মর্যাদায় কেউ সমান হতে পারবে না এসত্ত্বেও তিনি বললেন, কোন অহংকার করা যাবে না। তিনি নিজের অহংকারকে নাকোচ করে দিলেন। কেবল তিনি আল্লাহ তা'আলার নিআ'মত ও শুকরিয়া আদায়ের সংবাদ দিলেন, অহংকার করতে বলেননি。

টিকাঃ
৬৫. আবু সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূল জ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "أنا سيد ولد آدم يوم القيامة ولا فخر، وبيدي لواء الحمد ولا فخر، وما من نبي يومئذ آدم فمن سواه إلا تحت لوائي، وأنا أول من تنشق عنه الأرض ولا فخر ... " أخرجه الترمذي ٥/٣٠٨ رقم ٣١٦٠ ٥٨٧/٥ رقم ٣٦٢٤ ، وقال في الموضعين: هذا حديث حسن صحيح. وصححه الألباني في صحيح الجامع رقم ١٤٦٨ কিয়ামতের দিন আমি আদম সন্তানদের ইমাম (নেতা) হব, এতে অহংকার নেই। হামদের (আল্লাহ তা'আলার প্রশংসার) পতাকা আমার হাতেই থাকবে, এতেই গর্ব নেই। সে দিন আল্লাহ তা'আলা নাবী আদম আ. এবং নাবীগণের সকলেই আমার পতাকার নিচে থাকবেন। সর্ব প্রথম আমার জন্যই মাটিকে বিদীর্ণ করা হবে, এতে কোন অহংকার নেই। তিরমিযী ৫/৩০৮ হা/৩১৬০, ৫/৩৬২ হা/৩৬২৪। ছহীহ জামে হা/১৪৬৮।

📘 শারহু মাসাইলিল জাহিলিয়্যাহ > 📄 ঘৃণ্য গোঁড়ামি ও অন্ধভক্তি দেখানো

📄 ঘৃণ্য গোঁড়ামি ও অন্ধভক্তি দেখানো


হক্ক ও বাতিল যাই হোক দলের পক্ষপাতিত্ব করা, যা জাহিলরা নিজেদের জন্য আবশ্যক করে নিয়েছে। এব্যাপারে আল্লাহ তা'আলা যথাযথভাবে তার বাণী উল্লেখ করেছেন।

ব্যাখ্যা: ঘৃণিত পক্ষপাতিত্ব হলো অহংকার ও সীমালঙ্ঘন করতঃ বাতিল-মিথ্যাকে জানার পরও তার উপর অটল থাকা এবং ব্যক্তি অথবা গোত্রের সহযোগিতার উদ্দেশ্যে হক্ব অথবা বাতিল-মিথ্যার উপর বহাল থাকা, যা জাহিলী কর্ম。
(غَوَيْتُ وإِنْ تَرْشَد غزية أَرْشُد ... وما أنا مِنْ غزية إن غَوَتْ)
দেখাও যদি অভিযানের পথ* দেখাবো আমিও গোমরাহীর পথ কেউ ভ্রষ্ট হলে, নেইকো আমি অভিযানের দলে। এব্যাপারে আল্লাহ তা'আলা আয়াত নাযিল করেন, {وَلَا يَجْرِمَنَّكُمْ شَنَآنُ قَوْمٍ عَلَى أَلَّا تَعْدِلُوا} [المائدة: ۸]

কোন সম্প্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদেরকে কোনভাবে প্ররোচিত না করে যে, তোমরা ইনসাফ করবে না (সূরা আল-মায়েদা ৫:৮)।

অর্থাৎ হকের ব্যাপারে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে সম্প্রদায়ের শত্রুতা যেন তোমাদেরকে প্ররোচিত না করে। যদিও তারা তোমাদের শত্রু। তাই শত্রু-মিত্র সকলের ব্যাপারে ন্যায় বজায় রাখাই উদ্দেশ্যে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, {وَإِذَا قُلْتُمْ فَاعْدِلُوا وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبَى} [الأنعام: ١٥২]

আর যখন তোমরা বলবে, তখন ইনসাফ কর, যদিও সে আত্মীয় হয় (সূরা আল-আন'আম ৬:১৫২)।

আত্মীয়ের সাথে অন্যায় আচরণ করবে না। ভুল হলে তা সংশোধন করে নিবে, ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। বরং তার কল্যাণ কামনা করবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
{وَإِذَا قُلْتُمْ فَاعْدِلُوا وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبَى} [الأنعام: ১৫২]
আর যখন তোমরা বলবে, তখন ইনসাফ কর, যদিও সে আত্মীয় হয় (সূরা আল- আন'আম ৬:১৫২)। আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন,
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ لِلَّهِ شُهَدَاءَ بِالْقِسْطِ} [المائدة: ৮] ،
হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য ন্যায়ের সাথে সাক্ষদানকারী হিসাবে সদা দন্ডয়মান হও (সূরা আল-মায়িদা ৫:৮)। তিনি আরো বলেন,
{يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُونُوا قَوَّامِينَ بِالْقِسْطِ شُهَدَاءَ لِلَّهِ وَلَوْ عَلَى أَنْفُسِكُمْ أَوِ الْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ إِنْ يَكُنْ غَنِيّاً أَوْ فَقِيراً فَاللَّهُ أَوْلَى بِهِمَا فَلا تَتَّبِعُوا الْهَوَى أَنْ تَعْدِلُوا وَإِنْ تَلْوُوا أَوْ تُعْرِضُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيراً} [النساء: ১৩৫]
হে মুমিনগণ, তোমরা ন্যায়ের উপর সুপ্রতিষ্ঠিত থাকবে আল্লাহর জন্য সাক্ষীরূপে। যদিও তা তোমাদের নিজদের কিংবা পিতা-মাতার অথবা কাছে আত্মীয়দের বিরূদ্ধে হয়। যদি সে বিত্তশালী হয় কিংবা দরিদ্র, তবে আল্লাহ উভয়ের ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে তোমরা প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। আর যদি তোমরা ঘুরিয়ে- পেঁচিয়ে কথা বল কিংবা এড়িয়ে যাও তবে আল্লাহ তোমরা যা কর সে বিষয়ে সম্যক অবগত (সূরা আন নিসা ৪:১৩৫)।

সুতরাং নিজের ক্ষেত্রে এবং শত্রু-মিত্র সকলের সাথে ন্যায় সঙ্গত আচরণ করা মানুষের উপর আবশ্যক। কারো শত্রুতা যেন অন্যায় আচরণ ও অত্যাচারে প্ররোচিত না করে। এটাই মুসলিমের কাজ। অপরদিকে জাহিলরা তাদের সম্প্রদায়ের পক্ষপাতিত্ব করে যদিও ঐ সম্প্রদায় যালেম হয়ে থাকে। আল্লাহ তা'আলা মুসলিমদেরকে জাহিলদের বিপরীত কর্মের আদেশ করেন এবং নিজ, আত্মীয়-স্বজন ও শত্রু-মিত্র সকলের ব্যাপারে হক্ব কথা বলার নির্দেশ দেন। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
"انصر أخاك ظالماً أو مظلوماً"، قالوا: يا رسول الله، ننصره إذا كان مظلوماً، فكيف ننصره إذا كان ظالماً؟! قال: "تمنعه عن الظلم، فذلك نصره"
তুমি তোমার ভাইকে সাহায্য কর হোক সে যালেম অথবা মাযলুম। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা মাযলুমকে সহযোগিতা করতে পারি, কিন্তু কিভাবে যালেমকে সাহায্য করবো? তিনি বললেন, তোমরা যুলুম থেকে তাকে বিরত রাখবে। এটাই হবে তার প্রতি সাহায্য করা।৬৬

সাহায্য করা অর্থ কাউকে যুলুম করা হতে বিরত রাখা। যুলুম করতে সহযোগিতা করা সাহায্য নয়। এটাই অনুসরণীয়。

টিকাঃ
৬৬. জ্বহীহ বুখারী হা/২৪৪৩, ২৪৪৪, ৬৯৫৬।

📘 শারহু মাসাইলিল জাহিলিয়্যাহ > 📄 অন্যের অপরাধে নিরপরাধকে শাস্তি দেয়া

📄 অন্যের অপরাধে নিরপরাধকে শাস্তি দেয়া


জাহিলদের দীনের অন্তর্ভুক্ত বিষয় হলো একজনের অপরাধে আরেকজনকে শাস্তি দেয়া। আল্লাহ তা'আলা এ প্রসঙ্গে বলেন,
وَلا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى} [ফাত্বির: ১৮]
কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না (সূরা ফাতির ৩৫:১৮)।

ব্যাখ্যা: জাহিলী সমস্যা হলো তারা নিরপরাধকে পাঁকড়াও করতো অর্থাৎ অপরের অন্যায়ের কারণে তাকে শাস্তি দিতো। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা এ ব্যাপারে বলেন,
وَلا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى} [ফাত্বির: ১৮]
কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না (সূরা ফাতির ৩৫:১৮)।

সুতরাং যে অন্যায় করেনি তাকে অন্যের অপরাধের কারণে শান্তি দেয়া যাবে না। যদিও সে অপরাধী ভাতিজা অথবা পিতা অথবা সন্তান হয়। অপরাধীকেই শান্তি দেয়া হবে। নিরীহকে সীমালঙ্ঘনকারীর অপরাধের কারণে শাস্তি দেয়া যাবে না। সীমালঙ্ঘনকারীর অন্যায়ের কারণে নিরপরাধকে শান্তি দেয়া হলে তা হবে যুলুম ও অত্যাচার যা ইসলাম স্বীকৃতি দেয় না。

বর্তমানে কতিপয় গ্রাম্যলোকের অবস্থা: অন্য গোত্রের কোন সাধারণ লোকের সাথে নিজ গোত্রের কারো দ্বন্দ্ব হলে গ্রাম্যলোকেরা ঐ সাধারণ লোকের নিকট থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করে না। বরং তাদের গোত্রের অধিক মর্যাদা সম্পন্ন ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ হতে প্রতিশোধ গ্রহণ করে অথবা হত্যা করে। তারা সীমা লঙ্ঘনকারীকে শান্তি দেয় না। বরং তারা কেবল গোত্রের সম্মানিত অথবা গ্রহণযোগ্য অথবা পদ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে শাস্তি দেয় যা জাহিলী কর্ম। অন্যায়ের অপরাধীকেই শান্তির জন্য নির্দিষ্ট করা ওয়াজীব। তার নিকট থেকেই অপরাধের প্রতিশোধ নিতে হবে। এটাই ন্যায় বিচার। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
{فَمَنِ اعْتَدَى عَلَيْكُمْ فَاعْتَدُوا عَلَيْهِ بِمِثْلِ مَا اعْتَدَى عَلَيْكُمْ} [البقرة: ١٩٤]
সুতরাং যে তোমাদের উপর আক্রমণ করেছে, তোমরা তার উপর আক্রমণ কর, যেরূপ সে তোমাদের উপর আক্রমণ করেছে (সূরা আল-বাক্বারাহ ২:১৯৪)।

মোদ্দা কথা: সবচেয়ে বড় মূলনীতি হলো অপরাধীর সাথেই অপরাধকে নির্দিষ্ট করতে হবে, অন্যের সাথে নয়। যদি বলা হয় যে, আল্লাহ তা'আলা ভুলের ধার্য্যকৃত ক্ষতিপূরণ নিহতের রক্তমূল্য পরিশোধকারীর উপর নির্ধারণ করেছেন। হত্যাকারীর উপর নির্ধারণ করেননি। তাহলে এ ক্ষেত্রে অন্যের পাপ আরেকজন কি বহন করে না?

জবাবে বলা হবে, এটাই ন্যায় বিচার ও সত্যের সহযোগিতা। কেননা, এটা হত্যাকারীর অনিচ্ছাকৃত ভুল। এখানে ব্যক্তিকে সাহায্যে করাই যথাযথ। মানুষ মারা গেলে আত্মীয়-স্বজনরা যেমন মৃতের সম্পদের ওয়ারীস হয়, এটিও তেমনই। অনিচ্ছাকৃত যে ভুল হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ তার পক্ষ থেকে বহন করবে। অপর দিকে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায়কারীর উপরই তার অন্যায়ের শাস্তি বা ক্ষতিপূরণ বর্তাবে। একারণে ক্ষতিপূরণ করতে ইচ্ছুকের উপর তা বর্তাবে না।

📘 শারহু মাসাইলিল জাহিলিয়্যাহ > 📄 কাউকে অন্যের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরে গালমন্দ করা

📄 কাউকে অন্যের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরে গালমন্দ করা


অন্যকে গালি দেয়া। রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একব্যক্তিকে বললেন, "أَعَيَّرَتَهُ بأمه؟ إنك امرؤ فيك جاهلية" তুমি তার মাকে গালি দিলে? তুমিতো এমনলোক যার মাঝে এখনও জাহিলীয়াত আছে।৬৭

ব্যাখ্যা: এটা আবূ যার রদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর কাহিনী; ইসলাম গ্রহণকারী পূর্ববর্তী মর্যাদাবান ছাহাবীদের কোন একজনের ব্যাপারে তিনি বলেছিলেন, হে কালোর বেটা! ঐ ছাহাবীর মা ছিল কালো। রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটা শুনে আবু যার রদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বললেন, أَعَيَّرَتَهُ بأمه؟ إنك امرؤ فيك جاهلية তুমি তার মাকে গালি দিলে?! তুমিতো এমন লোক যার মাঝে এখনও জাহিলীয়াত আছে।৬৮

সুতরাং কোন ব্যক্তিকে এমন বিষয়ে গালমন্দ করা যা তার মাঝে নেই, বরং অন্যের মাঝে আছে অথবা তার বংশের বদনাম করা সবই জাহিলী কর্ম। কারো মাঝে জাহিলী স্বভাবের কিছু বিদ্যমান থাকলেই কাফির হবে না。

টিকাঃ
৬৭. ছহীহ বুখারী হা/৩০, ৬০৫০, জ্বহীহ মুসলিম হা/১৬৬১。
৬৮. দ্বহীহ বুখারী হা/৩০, ৬০৫০, জ্বহীহ মুসলিম হা/১৬৬১।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00