📘 শেষ বিদায়ের আগে রেখে যাও কিছু উত্তম নিদর্শন 📄 ইবাদতে মগ্ন হওয়া উত্তম না ইলম পঠন-পাঠনে লিপ্ত হওয়া উত্তম?

📄 ইবাদতে মগ্ন হওয়া উত্তম না ইলম পঠন-পাঠনে লিপ্ত হওয়া উত্তম?


হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানি বলেন: 'এ ক্ষেত্রে ন্যায়ভিত্তিক কথা হচ্ছে—শরিয়তের বিধিবিধান পালনে বাধ্য প্রতিটি মুসলিম ফরজে আইন আমলগুলো পালন করবে। এরপর অন্যান্য আমলের ক্ষেত্রে তাদের দুটি ভাগ হবে। প্রথমত, যারা মেধাবী ও রচনার ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্য বোধ করবেন, তাদের কর্তব্য হবে ইলম থেকে মুখ না ফিরিয়ে ইলম নিয়ে ব্যস্ত থাকা এবং সাধ্যমতো নফল ইবাদতে লিপ্ত হওয়া উত্তম। কেননা, এটাতেই বিস্তৃত ও সুপরিসরের উপকারিতা বিদ্যমান। দ্বিতীয়ত, যারা নিজেদের মাঝে মেধাশক্তি ও রচনাশক্তির ক্ষেত্রে ঘাটতি ও দুর্বলতা অনুভব করবেন, তাদের জন্য ইবাদতে লিপ্ত থাকা অধিক উত্তম হবে। তাদের জন্য ইলম ও ইবাদত উভয়টিকে একত্র করা কঠিন। প্রথম শ্রেণির মুসলিমদের ইলমবিমুখতার কারণে কিছু হুকুম-আহকাম ধ্বংসের মুখে পতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ইলমের প্রতি তাদের অধিক ব্যস্ততা রেখে পাশাপাশি ইবাদতে লিপ্ত হতে হবে। অন্যদিকে দ্বিতীয় শ্রেণির মুসলিমগণ যদি ইলমে লিপ্ত হয়ে ইবাদতে ত্রুটি করেন, তবে তার দুদিকই হারাবে। কারণ, প্রথমটি তো তারা পূর্ণ আয়ত্ত করতে পারবেন না, আর তাদের বিমুখতার কারণে তাদের দ্বিতীয়টিও ছুটে যাবে। আর সকল বিষয়ে আল্লাহ-ই হলেন তাওফিকদাতা। '৪৩

ইমাম নববি বলেন: 'ইতিকাফকারী ব্যক্তির জন্য মসজিদে বসে কুরআন পড়া ও পড়ানো, ইলম শেখা ও শেখানো উভয়টিই জায়িজ আছে। ইতিকাফ অবস্থায় এ ধরনের কাজে কোনো বাধা নেই। ইমাম শাফিয়ি ও আমাদের অনেক উলামায়ে কিরাম বলেন, “বরং ইলম অন্বেষণে প্রবৃত্ত হওয়া নফল নামাজে লিপ্ত হওয়ার চেয়েও উত্তম। কারণ, (দ্বীনের সকল বিষয়ে) ইলম অন্বেষণ করা ফরজে কিফায়া। আর ফরজে কিফায়া অবশ্যই নফলের চেয়ে উত্তম। তা ছাড়া নামাজ শুদ্ধ হওয়াসহ অন্যান্য ইবাদত শুদ্ধ হওয়ার মাধ্যম হলো ইলম। এর উপকারিতা বিস্তৃত ও সুপরিসর। নফল নামাজে ব্যস্ত থাকার চেয়েও ইলম অন্বেষণে ব্যস্ত থাকা অধিক উত্তম হওয়ার বিষয়টি রাসুল-এর অনেক হাদিসে স্পষ্ট বর্ণিত হয়েছে।”'

শাইখ আব্দুল আজিজ বিন বাজ রহিমাহুল্লাহ মাঝে মাঝে নফল রোজা থেকে বিরত থাকতেন। তিনি বলেন, 'কারণ এতে মানুষের উপকার করতে গিয়ে দুর্বল হয়ে যাওয়া থেকে বাঁচা যায়।'

টিকাঃ
৪৩. ফাতহুল বারি: ১৩/২৬৭

📘 শেষ বিদায়ের আগে রেখে যাও কিছু উত্তম নিদর্শন 📄 জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ

📄 জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ


আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: قِيلَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا يَعْدِلُ الْجِهَادَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ؟ قَالَ: لَا تَسْتَطِيعُونَهُ، قَالَ: فَأَعَادُوا عَلَيْهِ مَرَّتَيْنِ، أَوْ ثَلَاثًا كُلُّ ذَلِكَ يَقُولُ: لَا تَসْتَطِيعُونَهُ، وَقَالَ فِي الثَّالِثَةِ : مَثَلُ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ الصَّائِمِ الْقَائِمِ الْقَانِتِ بِآيَاتِ اللهِ ، لَا يَفْتُرُ مِنْ صِيَامٍ، وَلَا صَلَاةٍ، حَتَّى يَرْجِعَ الْمُجَاهِدُ إِلَى أَهْلِهِ

'নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, "কোন আমলটি জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর সমতুল্য?” তিনি বললেন, “তোমরা সেই আমল করতে পারবে না।” বর্ণনাকারী বলেন, সাহাবায়ে কিরাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা দুই বা তিনবার জিজ্ঞেস করলেন। তিনি প্রতিবারই বললেন, “তোমরা তা করতে পারবে না।” তৃতীয় বার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধরত মুজাহিদের দৃষ্টান্ত ঠিক সেই রোজাদার ও আল্লাহর আয়াত পাঠ করে নামাজ আদায়কারীর মতো, যে অনবরত- অবিরত রোজা রাখে, নামাজ পড়ে। মুজাহিদ ব্যক্তি বাড়িতে ফিরে আসা পর্যন্ত সে রোজা ও নামাজ থেকে বিরত হয় না।”৪৪

আবু সাইদ খুদরি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন :

قِيلَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ النَّاسِ أَفْضَلُ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مُؤْمِنٌ يُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ، قَالُوا: ثُمَّ مَنْ؟ قَالَ: مُؤْمِنُ فِي শִعْبٍ مِنَ শِّعَابِ يَتَّقِي اللَّهَ، وَيَدَعُ النَّاسَ مِنْ শَرِّهِ

'রাসুল-কে বলা হলো, “কোন মানুষটি অধিক উত্তম?” রাসুল উত্তরে বললেন, “যেই মুমিন তার জান ও মাল দ্বারা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করে।” তাঁরা বললেন, “এরপর কে উত্তম?” তিনি বললেন, "এমন মুমিন যে কোনো গিরিপথে থেকে আল্লাহকে ভয় করে এবং মানুষকে তার অনিষ্ট হতে দূরে রাখে।”'৪৫

জিহাদ থেকে পিছিয়ে থেকে যাওয়া মুমিনের চেয়ে একজন মুজাহিদ মুমিন অনেক উত্তম। কেননা, মুজাহিদ তার জান-মাল আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে। তার ইবাদতের উপকার সুপরিসর ও ব্যাপক হয়ে থাকে। জিহাদের ফলে মানুষ দলে দলে ইসলামে প্রবেশ করে। জিহাদ কুফর ও কাফিরদের অপদস্থ করে। জিহাদ দ্বীনের নিশানকে সমুন্নত রাখে। জিহাদ মুসলিম ভূখণ্ডকে রক্ষা করে। মুসলিমদের ইজ্জত-আবরুর হিফাজত করে। এ ছাড়াও জিহাদের মাধ্যমে আরও অনেক উপকার সাধিত হয়।

অন্যান্য উম্মতের তুলনায় এ উম্মতের একটি শ্রেষ্ঠত্ব এটাও যে, এ উম্মাহ অধিক উপকারী ও মানবহিতৈষী। এ উম্মাহ স্বাভাবিকভাবে অনেক উপকারী বিষয়ের মাধ্যমে অন্যদের উপকার করে থাকে। তাদেরকে ইসলামের দিকে আহ্বান করে, তাদের জান্নাতে প্রবেশ করাতে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির পথ বাতলে দিতে চেষ্টা করে।

كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ [তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে।] আয়াতের তাফসিরে আবু হুরাইরা বলেন:

خَيْرَ النَّاسِ لِلنَّاسِ تَأْتُونَ بِهِمْ فِي السَّلَاسِلِ فِي أَعْنَاقِهِمْ، حَتَّى يَدْخُلُوا في الإسلام

'মানুষের জন্য মানুষ কল্যাণকর তখনই হয়, যখন তোমরা তাদের (কাফিরদের) ঘাড়ে শিকল লাগিয়ে নিয়ে আসবে। অতঃপর তারা ইসলামে প্রবেশ করবে। '৪৬

ইবনে হাজার বলেন:

আবু হুরাইরা-এর কথা (خَيْرَ النَّاسِ لِلنَّاسِ) অর্থ হচ্ছে, মানুষের জন্য সর্বোত্তম উপকারী মানুষ। তাদের সর্বোত্তম মানুষ হওয়ার কারণ হলো, তারা লোকদের ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার মাধ্যম হয়েছেন। ৪৭

ইবনে হাজার ইবনুল জাওজি-এর একটি বাণী উল্লেখ করে বলেন :

'লোকদের জোরপূর্বক কারারুদ্ধ ও বন্দী করা হয়েছে। অতঃপর যখন তারা ইসলামের শুদ্ধতা ও সঠিকতার বিষয়টি জানল, তখন তারা নিজ থেকেই ইসলামে প্রবেশ করল এবং জান্নাত পর্যন্ত পৌঁছে গেল। '৪৮

টিকাঃ
৪৪. সহিহ মুসলিম: ১৮৭৮
৪৫. সহিহুল বুখারি: ২৭৮৬, সহিহু মুসলিম: ১৮৮৮
৪৬. সহিহুল বুখারি: ৪৫৫৭
৪৭. ফাতহুল বারি: ৮/২২৫
৪৮. ফাতহুল বারি: ৬/১৪৫

📘 শেষ বিদায়ের আগে রেখে যাও কিছু উত্তম নিদর্শন 📄 আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দেওয়া

📄 আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দেওয়া


বিস্তৃত উপকারী আরেকটি আমল হচ্ছে, আল্লাহর রাস্তায় পাহারাদারি করা। ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, নবিজি বলেন :

أَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِلَيْلَةٍ أَفْضَلَ مِنْ لَيْلَةِ الْقَدْرِ؟ حَارِسٌ حَرَسَ فِي أَرْضِ خَوْفٍ، لَعَلَّهُ أَنْ لَا يَرْجِعَ إِلَى أَهْلِهِ

'আমি কি তোমাদের এমন একটি রাতের সংবাদ দেবো না, যে রাত লাইলাতুল কদরের চেয়েও উত্তম? এটি সে রাত, যে রাতে কোনো প্রহরী এমন ভীতিকর ভূমিতে পাহারা দেয়, যার ব্যাপারে তার আশঙ্কা হয় যে, সে হয়তো তার পরিবারের কাছে আর ফিরে আসবে না।'৪৯

ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন :
সমিআতু রাসুলুল্লাহি ﷺ ইয়াাকুলু: আইানি লা তামাসসুহুমান নারু...

'আমি রাসুলুল্লাহ-কে বলতে শুনেছি, “দুটি চোখকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করবে না। যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কেঁদেছে। আর যে চোখ আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দিয়ে রাত যাপন করেছে।”৫০

এখানে চোখ উল্লেখ করে ব্যক্তিকে বোঝানো উদ্দেশ্য। শরীরের একাংশ উল্লেখ করে পুরো শরীরকে বোঝানো হয়েছে। ৫১

টিকাঃ
৪৯. আল-মুসতাদরাক আলাস সহিহাইন: ২৪২৪
৫০. সুনানুত তিরমিজি: ১৬৩৯
৫১. তুহফাতুল আহওয়াজি: ৫/২২

📘 শেষ বিদায়ের আগে রেখে যাও কিছু উত্তম নিদর্শন 📄 মুসলিমদের পাহারায় আব্বাদ বিন বিশর ؓ

📄 মুসলিমদের পাহারায় আব্বাদ বিন বিশর ؓ


জাবির বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : 'আমরা রাসুল-এর সাথে নজদের উদ্দেশে বের হলাম। পথিমধ্যে আমরা মুশরিকদের একটি বাড়ি ঘেরাও করলাম। আমরা তাদের এক মহিলাকে হত্যা করলাম। অতঃপর রাসুল ফেরার পথে চলতে শুরু করলেন। ইতিমধ্যে মহিলাটির স্বামী ফিরে এল। এর আগে তার স্বামী অনুপস্থিত ছিল। আসার পর তাকে তার স্ত্রী নিহত হওয়ার কথা শুনালে সে এই শপথ করল যে, রাসুল-এর সাহাবিদের রক্তপাত ঘটানো ছাড়া সে ফিরবে না।' জাবির বলেন, 'পথিমধ্যে রাসুল একটি উপত্যকায় অবতরণ করলেন এবং বললেন, “এমন কোন দুজন আছে, যারা এই রাতে শত্রু থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য পাহারা দেবে?" জাবির বলেন, মুহাজিরদের মধ্য থেকে একজন ও আনসারদের মধ্য থেকে একজন বললেন, “হে আল্লাহর রাসুল, আমরা আপনাকে পাহারা দেবো।” জাবির বলেন, এরপর তারা দুজন বাহিনী পেছনে রেখে গিরিপথের সম্মুখভাগে চলে গেলেন। তারপর আনসারি সাহাবি মুহাজির সাহাবিকে বললেন, “রাতের প্রথম ভাগে আমি পাহারা দেবো আর আপনি শেষ ভাগে দেবেন, নাকি আমি শেষ ভাগে দেবো আর আপনি প্রথম ভাগে পাহারা দেবেন?” মুহাজির সাহাবি বললেন, “আপনি প্রথম ভাগে পাহারা দিন, আমি শেষ ভাগে পাহারা দেবো।” এরপর মুহাজির সাহাবি ঘুমিয়ে গেলেন এবং আনসারি সাহাবি নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি নামাজে দাঁড়িয়ে কুরআনের একটি সুরা তিলাওয়াত করতে শুরু করলেন। এমনই সময় সে মহিলার স্বামী চলে আসলো। লোকটি সাহাবিকে দণ্ডায়মান দেখে বুঝতে পারল যে, তিনি মুসলিম বাহিনীর পাহারাদার। সে সাহাবিকে লক্ষ্য করে তির নিক্ষেপ করল। তিরটি সাহাবির শরীরে বিঁধল। সাহাবি একটু না নড়ে তিরটিকে খুলে নিয়ে তার সুরা তিলাওয়াত করতে থাকলেন; সুরা শেষ না করে তিনি থামতে চাইলেন না। সে লোক আরেকটি তির নিক্ষেপ করল, এ তিরও সাহাবির শরীরে বিঁধে গেল। সাহাবি নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায়ই সে তিরটি খুলে রাখলেন—সুরা তিলাওয়াতে ব্যাঘাত ঘটবে, এটি তার কাছে খারাপ লাগায় তিনি একটুও নড়লেন না। এরপর সে লোক আরেকটি তির নিক্ষেপ করল। তিনি সেটাও খুলে রাখলেন এবং রুকু-সিজদা করলেন। অতঃপর তার সঙ্গীকে বললেন, “উঠুন, আপনার পালা এসেছে।” মুহাজির সাহাবি উঠে বসলেন। যখন মহিলার স্বামী তাদের দুজনকে দেখতে পেল, তখন সে এই ভেবে পালিয়ে গেল যে, সে তার সাথিকে সতর্ক করে দিয়েছে। জাবির বলেন, আনসারি সাহাবিকে রক্তে মাখামাখি অবস্থায় দেখে মুহাজির সাহাবি বললেন, “আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন। প্রথমবার নিক্ষেপ করার সাথে সাথে আপনি আমাকে ডাকেননি কেন?” তিনি উত্তরে বললেন, “আমি একটি সুরা পাঠ করছিলাম। সুরাটি অসমাপ্ত রেখে দিতে অপছন্দ করলাম। আল্লাহর কসম! রাসুলুল্লাহ-এর আদিষ্ট এ পাহারাদারি নষ্ট হওয়ার বিষয়টি না থাকলে আমার প্রাণ শেষ হয়ে গেলেও আমি সুরার তিলাওয়াত পূর্ণ করতাম।”’৫২

টিকাঃ
৫২. মুসনাদু আহমাদ : ১৪৪৫১, সুনানু আবু দাউদ: ১৯৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px