📘 সীরাহ (রেইনড্রপস) 📄 মসজিদ আল-দ্বিরারের ঘটনা থেকে শিক্ষা

📄 মসজিদ আল-দ্বিরারের ঘটনা থেকে শিক্ষা


১) মসজিদ আদ-দ্বিরার প্রতিষ্ঠা করেছিল মুনাফিকরা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল এই মসজিদের মাধ্যমে তাদের ইসলামবিদ্বেষী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা। তারা আল্লাহর রাসূলকে দিয়ে সেখানে সালাত আদায় করিয়ে তাদের এই কার্যক্রমের বৈধতা আদায় করতে চেয়েছিল। আল্লাহ তাআলা এই মসজিদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেছেন -- দুররান ওয়া কুফরান ওয়া তাফরিকান। অর্থাৎ এটা এমন এক মসজিদ যা ক্ষতিসাধন করে, কুফরি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে এবং মু'মিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে।

খোদ আল্লাহর রাসূলের যুগেই যদি মুনাফিকরা এমন কাজ করার সাহস করে, তাহলে বর্তমান যুগে এই ফিতনার স্বরূপ কী হতে পারে তা অনুধাবন করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে মুসলিম বিশ্বে সরকার ও রাজনীতিবিদরা নিজেদের প্রভাব খাটানোর জন্য মসজিদগুলোকে ব্যবহার করছে। নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য আলিমদের ব্যবহার করে ফতোয়া প্রদান করাচ্ছে। কাজেই, বর্তমান সময়ের কোনো মসজিদ যদি কাফিরদের এজেন্ডা প্রচার করে, তাহলে সেটিও মসজিদ আল-দ্বিরারের সমতুল্য। দ্বীনের শত্রুদের এই ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে মুসলিমদের সতর্ক হতে হবে।

২) আল কুফরু মিল্লাতুন ওয়াহিদা-- অর্থাৎ, কাফিররা এক মিল্লাত বা এক জাতি। আবু আমীর ছিল একজন খ্রিস্টান। আক্বীদার বিচারে খ্রিস্টধর্ম ইসলামের কাছাকাছি, কারণ খ্রিস্টধর্ম মূলত তাওহীদবাদী একটি ধর্ম। যদিও খ্রিস্টানরা তাওহীদের বিশুদ্ধতা বজায় রাখেনি। সে তুলনায় মুশরিকদের আক্বীদা মৌলিকভাবে শিরকের ওপর প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু একজন খ্রিস্টান হয়েও আবু আমীর মুসলিমদের সাথে শত্রুতা করেছে এবং মুশরিকদের আপন করে নিয়েছে। আল্লাহর রাসূল তার নাম বদলে রেখেছিলেন আবু আমীর আল-ফাসিক, কারণ সে ছিল নীতিহীন, পথভ্রষ্ট একটি লোক।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية