📘 সীরাহ (রেইনড্রপস) 📄 হিজরতের বিধান

📄 হিজরতের বিধান


১। যদি কোনো মুসলিম তার দেশে ইসলামের আবশ্যকীয় আহকাম যেমন সালাত, সাওম ইত্যাদি পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে সামর্থ্য থাকলে তার অন্য কোথাও চলে যাওয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়।

২। যদি এমন হয় যে, কোনো দেশে বাস করতে গিয়ে একজন মুসলিমের এমন সব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় যা তার জন্য কষ্টকর, তখন সে চাইলে তার যন্ত্রণা লাঘব করার উদ্দেশ্যে অন্য ইসলামি ভূমিতে হিজরত করতে পারে, তবে সেটি বাধ্যতামূলক নয়।

৩। কোনো মুসলিমের হিজরতের কারণে যদি সে অঞ্চলে ইসলামের কোনো আনুষ্ঠানিক হুকুম বা দায়িত্ব পালনে অবহেলা ঘটে-যার দায়িত্ব সে ছাড়া অন্য কেউ পালনের ক্ষমতা রাখে না, তাহলে তার জন্য সে অঞ্চল ছেড়ে অন্যত্র হিজরত করা নিষিদ্ধ।

১। যদি কোনো মুসলিম তার দেশে ইসলামের আবশ্যকীয় আহকাম যেমন সালাত, সাওম ইত্যাদি পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে সামর্থ্য থাকলে তার অন্য কোথাও চলে যাওয়া তার জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়।

২। যদি এমন হয় যে, কোনো দেশে বাস করতে গিয়ে একজন মুসলিমের এমন সব সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় যা তার জন্য কষ্টকর, তখন সে চাইলে তার যন্ত্রণা লাঘব করার উদ্দেশ্যে অন্য ইসলামি ভূমিতে হিজরত করতে পারে, তবে সেটি বাধ্যতামূলক নয়।

৩। কোনো মুসলিমের হিজরতের কারণে যদি সে অঞ্চলে ইসলামের কোনো আনুষ্ঠানিক হুকুম বা দায়িত্ব পালনে অবহেলা ঘটে-যার দায়িত্ব সে ছাড়া অন্য কেউ পালনের ক্ষমতা রাখে না, তাহলে তার জন্য সে অঞ্চল ছেড়ে অন্যত্র হিজরত করা নিষিদ্ধ।

📘 সীরাহ (রেইনড্রপস) 📄 অমুসলিম দেশে বসবাস করার ব্যাপারে বিধান

📄 অমুসলিম দেশে বসবাস করার ব্যাপারে বিধান


মুসলিম আলিমগণ এই ব্যাপারে একমত যে, কোনো মুসলিমের জন্য অমুসলিমদের মাঝে তাদের সমাজে বসবাস করা বৈধ নয়। একটি হাদীস এই ব্যাপারটি স্পষ্ট করে বলছে, 'আমি সেই মুসলিমদের ব্যাপারে কোনো দায়িত্ব নিব না, যারা মুশরিকদের মধ্যে বসবাস করে।'

এটি হচ্ছে সাধারণ বিধান, তবে এর কিছু ব্যতিক্রমও আছে। আলিমরা সেসব নিয়ে আলোচনা করেছেন। যেমন তারা বলেছেন, যদি কোনো মুসলিম অমুসলিম দেশে ইসলাম প্রচার করে এবং সেখানে স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন করতে পারে, সেক্ষেত্রে তার জন্য অমুসলিম দেশে থাকা বৈধ হতে পারে। এছাড়া ব্যবসা অথবা জ্ঞানার্জনের জন্য অমুসলিম দেশে অস্থায়ীভাবে অবস্থান করা যায়। সাধারণভাবে দাওয়াতী কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকা ছাড়া অমুসলিম পরিবেশে বসবাস করা মুসলিমদের জন্য বৈধ নয়, এর অন্যথা হলে গুনাহ হবে। তবে দাওয়াহ'র মানে এই নয় যে, প্রত্যেক ব্যক্তিকে একই কাজ করতে হবে। দাওয়াহর অর্থ ব্যাপক-যেকোনো কাজ, যেটা ইসলামের বার্তাকে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে, সেটাই দাওয়াহ। সেটা হতে পারে ত্রাণ, দান-সাদাকাহ, দাওয়াহ-সংক্রান্ত কাজকর্ম ইত্যাদি, মুসলিমদের শিক্ষা দেওয়াও দাওয়াতী কাজ হিসেবে গণ্য হতে পারে。

মুসলিম আলিমগণ এই ব্যাপারে একমত যে, কোনো মুসলিমের জন্য অমুসলিমদের মাঝে তাদের সমাজে বসবাস করা বৈধ নয়। একটি হাদীস এই ব্যাপারটি স্পষ্ট করে বলছে, 'আমি সেই মুসলিমদের ব্যাপারে কোনো দায়িত্ব নিব না, যারা মুশরিকদের মধ্যে বসবাস করে।'

এটি হচ্ছে সাধারণ বিধান, তবে এর কিছু ব্যতিক্রমও আছে। আলিমরা সেসব নিয়ে আলোচনা করেছেন। যেমন তারা বলেছেন, যদি কোনো মুসলিম অমুসলিম দেশে ইসলাম প্রচার করে এবং সেখানে স্বাধীনভাবে ইসলাম পালন করতে পারে, সেক্ষেত্রে তার জন্য অমুসলিম দেশে থাকা বৈধ হতে পারে। এছাড়া ব্যবসা অথবা জ্ঞানার্জনের জন্য অমুসলিম দেশে অস্থায়ীভাবে অবস্থান করা যায়। সাধারণভাবে দাওয়াতী কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকা ছাড়া অমুসলিম পরিবেশে বসবাস করা মুসলিমদের জন্য বৈধ নয়, এর অন্যথা হলে গুনাহ হবে। তবে দাওয়াহ'র মানে এই নয় যে, প্রত্যেক ব্যক্তিকে একই কাজ করতে হবে। দাওয়াহর অর্থ ব্যাপক-যেকোনো কাজ, যেটা ইসলামের বার্তাকে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে, সেটাই দাওয়াহ। সেটা হতে পারে ত্রাণ, দান-সাদাকাহ, দাওয়াহ-সংক্রান্ত কাজকর্ম ইত্যাদি, মুসলিমদের শিক্ষা দেওয়াও দাওয়াতী কাজ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px