📄 অত্যাচার-নিপীড়ন
নবুওয়্যাতের প্রাক্কালে রাসূলুল্লাহকে অপবাদ, লাঞ্ছনা, গঞ্জনা, অপমান, ক্ষয়-ক্ষতি এ সবকিছু সহ্য করতে হলেও, অত্যাচার-নির্যাতন কখনো সহ্য করতে হয়নি। এটি ছিল আল্লাহ আযযা ওয়াজালের পক্ষ থেকে নবীজির জন্য একটি বিশেষ সুরক্ষা। প্রথমে আল্লাহ তাআলা নবীজির চাচা আবু তালিবের মাধ্যমে তাঁকে নিরাপত্তা দান করেন। আবু তালিবের মৃত্যুর পরেও আল্লাহ তাঁকে নিরাপদ রেখেছেন; তবে তাঁর অনুসারী মুসলিমরা নানা রকম অত্যাচার আর নিপীড়নের শিকার হয়। এসব ঘটনা নবীজির মনে গভীর দাগ কাটতে থাকে। তিনি ছিলেন তাঁর সাহাবীদের জন্য অন্তঃপ্রাণ। সাহাবীদের ওপর অত্যাচার তাঁকে প্রচণ্ড পীড়া দিত, তিনি তাদের কষ্ট সইতে পারতেন না।
একটি বর্ণনায় ইবন ইসহাক বলেন, 'কুরাইশরা মুসলিমদেরকে লোহার পাতে মুড়ে কড়া রোদের নিচে রেখে দিত, যেন তাদের শরীরগুলো সূর্যের উত্তাপে ঝলসে যায়।' সীমাহীন অত্যাচারের মুখেও যে সাহাবী সর্বাধিক দৃঢ়তার পরিচয় দেন, তিনি হলেন বিলাল। তাঁকে যতই অত্যাচার করা হতো, তিনি যেন ততোই দৃঢ় হতেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়-এত নির্যাতন সত্ত্বেও আপনি কীভাবে 'আল্লাহ এক, আল্লাহ এক' (আহাদ, আহাদ) বলতে পারতেন?
বিলাল বলেন, কারণ আমি খেয়াল করেছি যখনই আমি 'আল্লাহ এক' বলে চিৎকার দিয়ে উঠি, ওরা আরও ক্ষেপে যায়, আরও বেশি অত্যাচার করে, তাই এটাই বারবার বলতাম।
ইবন ইসহাক বলেন, 'বিলাল আল্লাহর কাছে নিজেকে বিক্রি করে দিয়েছিলেন।' বস্তুত আল্লাহ ছাড়া তাদের হৃদয়ে আর কিছুই স্থান পেতো না।
নানান মাত্রা আর ধরনের অত্যাচার বহাল থাকে। নির্যাতিতদের তালিকায় শুধু দাস সাহাবীরা নয়; বরং সম্ভ্রান্ত বংশের অনেক সাহাবীও যুক্ত হন। কুরাইশ বংশের অভিজাত পরিবার বনু উমাইয়ার সন্তান উসমান ইবন আফফান যখন ইসলাম গ্রহণ করলেন, তখন তাঁকে মারাত্মক রোষের শিকার হতে হয়। কুরাইশরা তাঁকে কার্পেটে মুড়ে তাঁর গায়ের ওপর লাফাতো। পায়ের চাপায় পিষে দিতো যেন তাঁকে।
মুসলিম দাসদের ওপর অত্যাচারের মাত্রা ছিল ভয়াবহ। আবু জাহেল তার অধীনস্থ দাস সুমাইয়া, তাঁর স্বামী ইয়াসির, ছেলে আম্মারের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। ইয়াসির আর সুমাইয়া দুজনেই আবু জাহেলের হাতে শহীদ হন। এক রেওয়ায়েতে বর্ণিত আছে, আবু জাহেল সুমাইয়ার গোপনাঙ্গে বর্শা দিয়ে আঘাত করে।
বাবা-মায়ের ওপর এই পাশবিক নির্যাতনের দৃশ্য সহ্য করা কোনো সন্তানের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু আম্মারকে এই ভয়ানক পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই যেতে হয়েছিল। সে চোখের সামনে দেখলো বাবা আর মা'কে অত্যাচার করতে করতে মেরে ফেলা হলো। নিজের ওপর শারীরিক নির্যাতন তো আগে থেকেই ছিল, তার ওপর বাবা-মায়ের মৃত্যু তাঁকে পাগল করে দিলো। শারীরিক অত্যাচার, মানসিক নির্যাতন সব মিলিয়ে ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত সাহাবী আম্মারের মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে নবীজির বিরুদ্ধে কিছু কথা। একটা সময় যখন সব ব্যথা থেকে নিষ্কৃতি পান, তাঁকে অনুশোচনা ঘিরে ধরে। দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ছুটে যান নবীজির কাছে। নবীজি, যিনি সুখে-দুখে সর্বদা তাদের পরম আশ্রয়। পুরো ঘটনা খুলে বললেন তাঁর কাছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনের আয়াত নাযিল করলেন।
"যদি কোনো মুসলিম মাত্রাছাড়া অত্যাচারের কবলে পড়ে মুখে ঈমানের বিপরীতে কিছু কথা বলেও ফেলে, তবে সে কথার জন্য তাঁকে মাফ করে দেওয়া হবে, যদি তার অন্তরে ঈমান অটুট থাকে। কেননা আল্লাহ তাআলা কারো ওপর সাধ্যের বেশি বোঝা চাপান না।” (সূরা নাহল, ১৬: ১০৬)
ইসলামের বিরুদ্ধে আবু জাহেলের বাড়াবাড়ি সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সে ছিল দুর্বৃত্তদের নেতা, চরম ইসলামবিদ্বেষী। অপকর্ম আর দুষ্কৃতিতে তার কোনো জুড়ি নেই। সবাইকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলছে, মুসলিমদের অত্যাচার করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছে। এত একনিষ্ঠভাবে শত্রুতার উদাহরণ ইতিহাসে বিরল। ইবন ইসহাকের বর্ণনায়,
'আবু জাহেল-ই হলো সেই পাপিষ্ঠ যে কুরাইশদেরকে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ফুসলে দিতো। প্রভাবশালী বা উচ্চবংশীয় কোনো ব্যক্তির ইসলাম গ্রহণের কথা তার কানে আসামাত্র সে তাকে অপমান করার জন্য বলতো, তুমি তোমার বাবার ধর্ম পরিত্যাগ করেছো, তোমার বাবা তোমার চেয়ে ঢের ভালো ছিল। বুড়ো আঙুল দেখাই আমরা তোমার এই ছাইপাশ আদর্শ আর মূল্যবোধকে। আমরা তোমাদেরকে বিভক্ত করে দেবো, মাটির সাথে মিশিয়ে দেবো তোমাদের সব খ্যাতি, মান-ইজ্জত নিয়ে বেঁচে থাকতে দেবো না। কোনো ব্যবসায়ী লোক মুসলিম হয়ে গেলে তাকে বলতো, আল্লাহর কসম, আমরা তোমার সাথে সব রকম ব্যবসা বয়কট করবো, তোমাকে শেষ করে দেবো। আর যদি ইসলাম গ্রহণকারী মানুষটি হতো সহায়-সম্পদহীন দুর্বল কোনো ব্যক্তি, তবে সে নিজে তো তাকে মারধোর করতোই, সেই সাথে অন্যদেরকেও মারধোর করার জন্য ডেকে আনতো। আল্লাহ আযযা ওয়াজাল আবু জাহেলকে শাস্তি দিক, তাকে ধ্বংস করুক!²⁷
উমার ইবন খাত্তাব ইসলাম গ্রহণের আগে কট্টর ইসলামবিদ্বেষী ছিলেন। তাঁর একজন দাসী ছিল, তিনি তাঁকে অনেক মারধোর করতেন। পেটানোর মাঝখানে কখনও থেমে বলতেন, 'মনে কোরো না তোমার ওপর খুব দয়া এসেছে দেখে আমি তোমাকে পেটানো থামিয়ে দিলাম। তোমাকে মারা বন্ধ করেছি কারণ আমি এখন ক্লান্ত, তা না হলে আরো পেটাতাম।'
টিকাঃ
২৭. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১১৭।
📄 হত্যার পরিকল্পনা
পৃথিবীর বুক থেকে ইসলামের নাম চিরতরে মুছে দেওয়ার জন্য কুরাইশরা প্রথমে রাসূলুল্লাহর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চেয়েছিল। বলেছিল-এই লোকটা উন্মাদ, জাদুকর, এর কথার কোনো দাম নেই। কিন্তু বার বার ব্যর্থ হয়ে তারা শেষ পর্যন্ত নবীজিকে জানে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। আবু তালিব বেঁচে থাকতে তাদের সাহস এতোটা বাড়ে নি। তারা জানতো যে, নবীজিকে হত্যা করলে আবু তালিবের হাত থেকে তাদের মুক্তি নেই। কিন্তু আবু তালিব মারা যাওয়ার পর এসব ষড়যন্ত্র করতে আর কোনো বাধা থাকলো না। তারা নবীজিকে হত্যা করার পরিকল্পনা আঁটে। একের পর এক চাল চালে, কিন্তু প্রতিবারই আল্লাহ আযযা ওয়াজাল তাঁকে সুরক্ষিত রাখেন। হিজরতের বিবরণে এরকম একটি ঘটনা পরবর্তীতে বর্ণনা করা হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন:
"কাফিররা যখন আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল যে আপনাকে বন্দী করবে অথবা হত্যা করবে অথবা বের করে দেবে – তখন তারা যেমন আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল; আল্লাহও তেমনি পরিকল্পনা করেছিলেন। আর পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে আল্লাহই শ্রেষ্ঠ।” (সূরা আনফাল, ৮: ৩০)
📄 নবীজির ﷽ প্রতিক্রিয়া
বুখারিতে বর্ণিত আছে, খাব্বাব ইবন আরাত নামের এক সাহাবী একবার রাসূলুল্লাহর কাছে যান। নবীজি কাবার দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে আছেন। খাব্বাব তাঁর কাছে গিয়ে বললেন-ইয়া রাসূলুল্লাহ, আপনি কেন আমাদের জন্য দুআ করছেন না?
খাব্বাবের জীবনের নিদারুণ কষ্টের মুহূর্তগুলোর একটি ঘটনা এরকম: উমার ইবন খাত্তাব তখন খলীফা। একদিন তিনি মুসলিমদের মাক্কী জীবনের অভিজ্ঞতা শোনার জন্য তাদের জড়ো করলেন। দেখতে দেখতে খাব্বাবের পালা এলো। তিনি মুখে কিছু বললেন না, শুধু পরনের জামাটা খুলে সবার সামনে পিঠ মেলে দাঁড়ালেন। উমার তাঁকে দেখে যেন আঁতকে উঠলেন, বললেন, 'তোমার কী হয়েছিল, খাব্বাব? এমন কিছু আমি কখনও দেখিনি!
খাব্বাবের পিঠ জুড়ে ছিল গভীর গভীর গর্ত। তিনি বললেন, 'মাক্কী জীবনের ঘটনা। কুরাইশরা পাথর নিয়ে এসে সেগুলোকে আগুনে পোড়াতো। পাথরগুলো যখন পুড়ে লাল হয়ে যেতো, তখন রৌদ্রতপ্ত বালিতে জ্বলন্ত পাথর রেখে আমাকে তার ওপর ছুঁড়ে ফেলতো। তপ্ত পাথরে আমার মাংস ঝলসে যেতো। আমি আমার নিজের মাংস পোড়ার শব্দ শুনতাম, চর্বি পোড়ার গন্ধ পেতাম।'
প্রকৃতপক্ষেই খাব্বারের কাছে নালিশ করার জন্য যথেষ্ট যুক্তি ছিল। কিন্তু তিনি নালিশ করেননি। মুসলিমদের ওপর যে সীমাহীন কষ্ট এসে পড়েছে, সে কষ্ট কমানোর দুআ করতে বলেছেন শুধু "ইয়া রাসূলুল্লাহ, আপনি কেন আমাদের জন্য দুআ করছেন না?"
কিন্তু নবীজি রেগে গেলেন, সোজা উঠে বসলেন, রাগে তাঁর চোখমুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। তিনি খাব্বাবকে বললেন,
'তোমাদের আগে এমনও মু'মিন বান্দা ছিল, লোহার চিরুনি দিয়ে যাদের হাড় থেকে মাংস খুবলে আনা হতো, করাত দিয়ে যাদের মাথা থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত চিরে দু' ভাগ করে ফেলা হতো, কিন্তু তবুও তাদেরকে দ্বীন থেকে বিচ্যুত করা যায়নি। আর তোমরা তাড়াহুড়া করছো। আল্লাহর শপথ, আল্লাহ অবশ্যই তাঁর দ্বীনকে বিজয় দান করবেন। আর অচিরেই এমন এক সময় আসবে যখন একজন মুসাফির সানা থেকে হাযরামাউত পর্যন্ত সফর করবে, কিন্তু তার মনে আল্লাহ ছাড়া আর কারো ভয় থাকবে না।'²⁸
টিকাঃ
২৮. আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ১২০।
📄 খাব্বাবের ؓ ঘটনা থেকে শিক্ষা
১. রাসূলুল্লাহ ﷺ ধৈর্য ধারণ করতে বলেছেন। যত কষ্ট-দুর্ভোগ-অত্যাচার সহ্য করতে হোক না কেন, হার মানা যাবে না।
২. প্রকৃতি, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান প্রভৃতির যেমন কিছু ধরাবাঁধা সূত্র আছে, তেমনি দ্বীন কায়েমেরও কিছু নির্দিষ্ট সূত্র আছে যেগুলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা ঠিক করে রেখেছেন। দুনিয়ার বুকে দ্বীনকে কায়েম করার জন্য মুসলিম উম্মাহকে একে একে সেই নির্ধারিত পথের প্রতিটি ধাপ পাড়ি দিতে হবে; এর কোনো ব্যতিক্রম বা শর্টকাট নেই। বহু আগের যুগের মু'মিনরা যে কণ্টকাকীর্ণ পথ অতিক্রম করেছেন, সাহাবীদেরকেও ﷺ সেই একই পথ পার করতে হয়েছে। আমাদেরও সে পথই পাড়ি দিতে হবে। রাসূলুল্লাহ ﷺ চেয়েছিলেন তাঁর উম্মাহ হবে সবার সেরা। তাই পূর্ববর্তী জাতিরা যদি দ্বীন কায়েমের পথে ধৈর্যশীল হয়ে থাকে, তবে তাঁর উম্মাহ যেন আরও বেশি ধৈর্যের পরিচয় দেয়। পূর্ববর্তী জাতিরা যদি শক্তিশালী হয়ে থাকে, তবে এই উম্মাহ যেন তারচেয়েও বেশি শক্তিশালী হয়-এটাই ছিল নবীজির ﷺ চাওয়া। তিনি চাইতেন যে কিয়ামতের দিনে তাঁর উম্মাহ-ই হবে সর্বশ্রেষ্ঠ। তাই মুসলিমদের দায়িত্ব হচ্ছে রাসূলুল্লাহর ﷺ প্রত্যাশা অনুযায়ী আচরণ করা।
৩. রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করবেন আর এমন এক সময় আসবে যখন লোকেরা সানা থেকে হাযরামাউত পর্যন্ত নিরাপদে সফর করতে পারবে আর তাদের মনে আল্লাহ ছাড়া আর কারো ভয় স্থান পাবে না। এখানে প্রশ্ন জাগতে পারে, রাসূল ﷺ ছিলেন মক্কার অধিবাসী, তিনি মক্কার কথা না বলে ইয়েমেনের এই বিশেষ দুটি স্থানকে বেছে নিলেন কেন? মক্কার লোকেদের জীবনেই তো তেমন নিরাপত্তা ছিল না, তাহলে মক্কা উল্লেখ করে বোঝানো কি যেতো না যে, পরবর্তী সময়ে মক্কায় নিরাপত্তা আসবে। হাদীসে মক্কার কথা উল্লেখ না করে ইয়েমেনের কথা বলার বিশেষ কারণ আছে। সেই অতীত থেকে আজ পর্যন্ত ইয়েমেনে গোত্রভিত্তিক সমাজব্যবস্থা প্রচলিত। রাসূলের ﷺ সময় পুরো ইয়েমেনজুড়ে প্রচুর সশস্ত্র গোত্র ছিল। তারা একে অপরের সাথে যুদ্ধ ও হানাহানিতে লিপ্ত থাকতো। তারা প্রত্যেকে পরস্পর প্রতিদ্বন্দ্বী। রাসূলুল্লাহর ﷺ যুগে যখন ইসলামের আলো ইয়েমেনে প্রবেশ করলো, তা পুরো সমাজকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করে তুললো। ইসলামের সৌন্দর্যই এটা। যেকোনো কিছুই ইসলামের স্পর্শে নিরাপদ ও প্রশান্তিময় হয়ে ওঠে। এখন মানুষ ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, শরীয়াহর শাসন উঠে গেছে আর সেজন্যই সেই একই সানা থেকে হাযরামাউত পর্যন্ত অঞ্চলটি আজ আবারও ইয়েমেনের সবচেয়ে অনিরাপদ স্থানে পরিণত হয়েছে। অস্ত্রশস্ত্র ছাড়া এ দুটো স্থানের আশেপাশে সফরের কথা চিন্তায় আনাও নির্বুদ্ধিতার শামিল। এতেই বোঝা যায়, একমাত্র ইসলামের ছায়াতলেই রয়েছে সত্যিকার শান্তি。