📄 আল্লাহ আপনাকে ভালোবাসেন
আল্লাহ আপনাকে ততখানি ভালোবাসেন, যতখানি আপনি কল্পনাও করতে পারেন না। আপনি মূল্যবান। আপনি গুরুত্বপূর্ণ। সমগ্র বিশ্বজগৎ সৃষ্টি হয়েছে আপনার জন্য, যাতে আপনি আল্লাহর ইবাদত এবং আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আপনার ভেতর বহন করা মূল্যবান সম্পদরাজিকে আবিষ্কার করতে পারেন।
আল্লাহর ভালোবাসা কখনো বদলে যায় না; বরং আমরা যে অনুভূতি দিয়ে আল্লাহর ভালোবাসাকে অনুভব করি, সে অনুভূতিই বদলে যায়।
আল্লাহর ভালোবাসা নিঃশর্ত ও অমূল্য; একে কোনো কিছু দিয়ে কেনা সম্ভব নয়। তবে আমাদের সৎকর্মগুলো গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, সৎকর্মের মাধ্যমেই আমরা আল্লাহর ভালোবাসার স্বাদ অনুভব করতে পারি।
বিশ্বজগতের স্রষ্টা মহামহিম আল্লাহ আপনার ভেতর রুহকে ফুঁকে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি নিজের ভালোবাসার গোপন রহস্যকে আপনার আত্মার ভেতর রোপণ করে দিয়েছেন। সৃষ্টিজগতের প্রভু তাঁর অপার ভালোবাসা দিয়ে সমগ্র সৃষ্টিজগতের মধ্য থেকে আপনাকে নিজের প্রতিনিধি হিসেবে পছন্দ করেছেন। আপনার সৃষ্টি হয়েছে আল্লাহর মাধ্যমে, আল্লাহরই জন্য। অন্য কাউকে সন্তুষ্ট করার জন্য আপনাকে সৃষ্টি করা হয়নি কিংবা আপনার সংস্কৃতি ও সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্যেও আপনাকে সৃষ্টি করা হয়নি। আপনাকে সৃষ্টি করা হয়েছে আপনার সমগ্র হৃদয় দিয়ে আল্লাহকে জানার জন্য, আল্লাহকে ভালোবাসার জন্য এবং আল্লাহর ইবাদত করার জন্য। আপনাকে এজন্য সৃষ্টি করা হয়েছে-যাতে আপনি আল্লাহর প্রশংসার ভেতর ডুবে থাকেন, আল্লাহর রহমতের সাগরে সাঁতরে বেড়ান এবং আপনার হৃদয়ের গহিনে থাকা আধ্যাত্মিক মণি-মুক্তোগুলোকে আবিষ্কার করেন।
আপনি গুরুত্বপূর্ণ
বিশ্বজগতের স্রষ্টা তাঁর অসীম করুণা ও ভালোবাসার নুর থেকে আপনাকে সুপরিকল্পিতভাবে সৃষ্টি করেছেন। যে আল্লাহর নিশ্বাস আপনাকে জীবন দান করেছে, আপনার মূল্য নির্ধারিত হয় তার ভিত্তিতে।
আপনি আপনার শরীরটা আপনি নন, যে শরীর একসময় ভেঙে পড়বে; বরং আপনি হলেন সেই আত্মা, যার বিনাশ নেই। জালালুদ্দিন রুমি বলেছেন- 'ভাবছ, তুমি এ বিশ্বজগতের একজন নাগরিক। ভাবছ, তুমি এ ধূলিকণার জগতের মালিক। তুমি মূলত নিজের জন্য ধূলিকণার একটি প্রতিচ্ছবি নির্মাণ করেছ এবং এভাবে তোমার সত্যিকার উৎসের কথা ভুলে গেছ।'
আল্লাহ আপনাকে ততখানি ভালোবাসেন, যতখানি আপনি কল্পনাও করতে পারেন না। আপনি মূল্যবান। আপনি গুরুত্বপূর্ণ। সমগ্র বিশ্বজগৎ সৃষ্টি হয়েছে আপনার জন্য, যাতে আপনি আল্লাহর ইবাদত ও আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আপনার ভেতর বহন করা মূল্যবান সম্পদরাজিকে আবিষ্কার করতে পারেন।
আল্লাহ আপনাকে নিঃশর্তভাবে ভালোবাসেন
আল্লাহ যেহেতু তাঁর সৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল নন, সেহেতু আমাদের কর্মের মাধ্যমে আল্লাহর গুণগুলো প্রভাবিত হয় না। আমরা যখন গুনাহ করি, তখন আল্লাহ আমাদের ওপর তাঁর ভালোবাসাকে কমিয়ে দেন না; বরং গুনাহ করার মাধ্যমে আমরা নিজেরাই আল্লাহর ভালোবাসার সামনে একটি আবরণ স্থাপন করি। আল্লাহর ভালোবাসা কখনো বদলে যায় না; বরং আমরা যে অনুভূতি দিয়ে আল্লাহর ভালোবাসাকে অনুভব করি, সে অনুভূতিই বদলে যায়।
ইসলামের স্তম্ভ ও মূলনীতিগুলো হলো কাপড় পরিষ্কার করার মতো, যা আমাদের গুনাহ, আল্লাহকে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা ও দুনিয়ার প্রতি আকর্ষণের ময়লাকে ধুয়ে পরিষ্কার করে দেয়। আপনি যখন একবার উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন- আল্লাহর কাছে আপনি গুরুত্বপূর্ণ, তখন দুনিয়ার যেকোনো স্বীকৃতি ও সাফল্য আপনার কাছে তুচ্ছ মনে হবে।
আল্লাহর ভালোবাসা নিঃশর্ত ও অমূল্য; একে কোনো কিছু দিয়ে কেনা সম্ভব নয়। তবে আমাদের সৎকর্মগুলো গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, সৎকর্মের মাধ্যমেই আমরা আল্লাহর ভালোবাসার স্বাদ অনুভব করতে পারি। বাতাসের মাধ্যমে চলার জন্য যেমন একটি নৌকাকে পাল তুলতে হয়, তেমনি আল্লাহর অবারিত ভালোবাসার মাধ্যমে জীবনের পথ চলতে হলে আমাদের হাত ও হৃদয়কে প্রার্থনা ও আত্মসমর্পণের দিকে বাড়িয়ে ধরতে হয়।
আপনার যা কিছু প্রয়োজন, তা ইতোমধ্যেই পেয়ে গেছেন
সুবিশাল বিশ্বজগতের মধ্যে আপনি একটি ক্ষুদ্র বিশ্বজগৎ। আপনি সমগ্র সৃষ্টিজগতের একটি প্রতিফলন। আল্লাহর অনুগ্রহ প্রতিটি মুহূর্তে আপনার সাথেই রয়েছেন। আপনি যে-ই হন, যেখানেই থাকুন, তিনি আপনার খুব নিকটে রয়েছেন। তাঁর কাছে কোনো কিছুর অভাব নেই। প্রাণসম্পন্ন সবকিছুই তাঁর প্রাণের প্রতিফলন। অস্তিত্বশীল সবকিছুই তাঁর একত্বের প্রতিফলন। আপনি যা চান, তা ইতোমধ্যেই আপনার ভেতরে রয়েছে। ইসলামের বিধানগুলো কেবল আপনার সীমাবদ্ধতাকে দূর করে দেয়, যাতে আপনি আল্লাহর ভালোবাসাকে গ্রহণ করার উপযুক্ত হতে পারেন।
আল্লাহর নামগুলো ইতোমধ্যে আমাদের হৃদয়ের জমিনে রোপিত হয়ে আছে। আমাদের কাজ হলো-আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সেই জমিনে পানি সিঞ্চন করা। জান্নাত সেই জায়গা নয়, যেখানে আমরা মৃত্যুর পিঠে চড়ে পৌঁছাই; বরং জান্নাতকে আমরা নিজেদের ভেতরেই বহন করে চলেছি। ভবিষ্যতের জান্নাতকে অর্জন করার জন্য আমাদের ইবাদত করতে বলা হয়নি; বরং আমাদের ইবাদত করতে বলা হয়েছে আল্লাহর ভালোবাসার গুণগুলো প্রয়োগের মাধ্যমে দুনিয়াতেই জান্নাতের প্রতিফলন ঘটানোর জন্য।
আপনার জীবনের উদ্দেশ্য
আপনার জীবনের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহকে জানা, আল্লাহকে ভালোবাসা ও আল্লাহর ইবাদত করা। দৃশ্যমান সমগ্র সৃষ্টিজগৎ আল্লাহর অসীম চেহারার প্রতিফলন। আল্লাহ কাবা ঘরের ভেতর লুকিয়ে রয়েছেন-বিষয়টি এমন নয়; বরং তিনি সর্বদা আরশে আজিমে অধিষ্ঠিত তার কুরসি পরিব্যাপ্ত করে আছে সমস্ত আকাশ-কমিন।
আল্লাহ তাঁর সৌন্দর্য ও মাহাত্ম্যের প্রতিফলন হিসেবে আপনাকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি দুনিয়াতে আপনাকে প্রেরণ করেছেন তাঁর ইবাদত করার জন্য, নিজেকে জানার জন্য, জীবনের পবিত্রতা রক্ষার জন্য, অসহায়কে সাহায্য করার জন্য এবং হৃদয় দিয়ে সকল মানুষ ও সৃষ্টিকে ভালোবাসার জন্য। আল্লাহ আপনার জীবনের কলসকে তাঁর অপার করুণার পানি দিয়ে পূর্ণ করে দিয়েছেন, যাতে আপনি পিপাসার্ত হৃদয়গুলোকে ভালোবাসার পানি সরবরাহ করতে পারেন।
আল্লাহর আপনাকে পড়ে যাওয়া মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে বলেছেন, অসুস্থ মানুষের জন্য ডাক্তারের ভূমিকা পালন করতে বলেছেন। আল্লাহর ভালোবাসা ও অনুগ্রহকে শুধু বিশ্বাসীদের নিকট নয়, নির্বিশেষে সকল মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে বলা হয়েছে। আর এজন্য আপনার কমফোর্ট জোন থেকে আপনাকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং দিশাহীন, নৈরাশ্যের অন্ধকারের যাত্রীদের জন্য আলোকবর্তিকার ভূমিকা পালন করতে হবে।
মহান আল্লাহ বলেন- 'আল্লাহর পথে চেষ্টা-সাধনা করো তোমার জান ও মাল দিয়ে।' (সূরা আস-সফ : ১১)। কিন্তু আপনি যা বিশ্বাস করেন, তা অপরকেও বিশ্বাস করানোর বাধ্যবাধকতা আপনার ওপর আরোপিত হয়নি। আপনি আপনার বিশ্বাসকে সংহত করুন। মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিন, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। মানুষকে আল্লাহর ভালোবাসার দিকে আহ্বান করুন এবং তাদের নিজেদের পথ নিজেদের ঠিক করে নেওয়ার সুযোগ দিন। সকল মানুষের কান্নার ভাষা এক, সকল মানুষের রক্তের রং এক। কাজেই দুনিয়াতে আল্লাহর ভালোবাসার প্রবাহের ব্যাপারে বিশ্বাসের ভিত্তিতে বৈষম্য করা নয়।
মুসলিম হতে হলে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ-গরিব, অভাবগ্রস্ত, বিপদাপন্ন, অসুস্থ, দুঃখী, দুর্বল, ইয়াতিম, ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী-সকলের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। মুসলিম কখনো বর্ণান্ধ হতে পারে না; বরং মানুষের বৈচিত্র্যের ভেতর সে আল্লাহর নিদর্শন দেখতে পায়।
'আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে আসমান ও জমিনের সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের ভিন্নতা। নিশ্চয়ই এর মধ্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য।' (সূরা রূম: ২২)। সকল মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি। কাজেই কী করে এক মানুষের তুলনায় অন্য মানুষ বেশি মূল্যবান হতে পারে-যেখানে একই আল্লাহ তাঁর একই নিশ্বাসকে একই রকমভাবে সবার ভেতরে ফুঁকে দিয়েছেন? কাজেই মানুষে মানুষে বাহ্যিক প্রভেদকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। নির্বিশেষে সকল মানুষকে আল্লাহর নিঃশর্ত ভালোবাসার প্রবাহের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে হবে এবং তাদের ওপর সেই ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।
আমরা একের ভেতরে বহু। আমরা একটি বীজ থেকে উৎসারিত বহু ফলের সমাহার। কাজেই আপনি যে-ই হন, যেখানেই থাকুন, আমি আপনাকে ভালোবাসি। আমি কী করে কাউকে ভালো না বেসে পারি, যে ভালোবাসা থেকেই তৈরি? আমি কী করে ভালোবাসাকে না ভালোবেসে পারি?
আল্লাহ তায়ালা ঠিক আপনাকেই বলছেন-
'তোমরা ভয় করো না। আমি তো তোমাদের সাথেই আছি। আমি সবকিছু শুনি ও দেখি।' (সূরা ত্ব-হা: ৪৬)।
মহান আল্লাহ ঠিক আপনাকেই বলছেন-
'আমি তোমাকে আমার নিজের জন্য তৈরি করেছি।' (সূরা ত্ব-হা: ৪১)।
আল্লাহ বলেননি, দুনিয়ার জীবন আপনার জন্য কুসুমাস্তীর্ণ হবে। তবে তিনি বলেছেন-
'আর ধৈর্যধারণ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।' (সূরা আনফাল : ৪৬)।
আপনি বিপদে পড়বেন; দুঃখ, কষ্ট ও বেদনা আপনাকে তাড়িত করবে। আপনাকে নানাভাবে পরীক্ষা করা হবে। কিন্তু ভয় পাবেন না। কেননা, আল্লাহ আপনার পাশেই রয়েছেন। প্রিয়নবি মুহাম্মাদ ﷺ খুব সুন্দরভাবে বলেছেন-
'আল্লাহর বিধিনিষেধের রক্ষা করবে, আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করবেন। আল্লাহর সন্তুষ্টির প্রতি লক্ষ রাখবে, তাহলে আল্লাহকে তুমি কাছে পাবে। তোমার কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে আল্লাহর নিকট চাও, আর সাহায্য প্রার্থনা করতে হলে আল্লাহর নিকটই করো। আর জেনে রেখো, যদি সমগ্র জগৎ তোমার কোনো উপকারের উদ্দেশ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে তারা তোমার ততটুকু উপকারই করতে পারবে, যতটুকু আল্লাহ তোমার জন্য লিখে রেখেছেন। অপরদিকে যদি সমগ্র জগৎ তোমার কোনো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে একতাবদ্ধ হয়, তাহলে ততটুকু ক্ষতিই করতে সক্ষম হবে, যতটুকু আল্লাহ তোমার জন্য নির্ধারণ করে রেখেছেন। কলম তুলে নেওয়া হয়েছে এবং লিখিত কাগজসমূহ শুকিয়ে গেছে।' ১৯৫
আল্লাহ আপনার নিয়ে এক নিখুঁত প্রেমের গল্প লিখেছেন। আপনি যা কিছুর মুখোমুখি হন, যত পাহাড়, সমুদ্র বা মরুভূমি আপনার সামনে এসে দাঁড়ায়, সবকিছুই আপনার সামনে এ কারণে রাখা হয়েছে, যাতে আপনি নিজেকে এবং আপনার প্রভুকে জানতে পারেন। প্রতিটি আনন্দ-ব্যথা, প্রতিটি সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রতিটি চড়াই-উতরাই আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। আপনার সামনে যা আসে, তার মধ্যে আল্লাহর দিকে ফেরার আহ্বান লুকিয়ে আছে।
আল্লাহ আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছেন। তিনি আপনার কণ্ঠের শিরার চাইতেও নিকটে অবস্থান করেন। তিনি আপনার ফুসফুসের নিশ্বাসের চাইতেও কাছে রয়েছেন। আল্লাহ এখানেই, তিনি আপনার অতি নিকটে, আপনার জন্য অপেক্ষমাণ। কাজেই তাঁর কাছে ফিরে আসতে এক মুহূর্তও বিলম্ব করবেন না।
‘হে প্রশান্ত আত্মা! তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তোষভাজন হয়ে।’ (সূরা ফাজর: ২৮)।
আল্লাহর কাছে আপনি গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি আপনাকে শর্তহীনভাবে ভালোবাসেন। আল্লাহ সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে, সুপরিকল্পিতভাবে আপনাকে সৃষ্টি করেছেন। কাজেই আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন। আপনি যত দূরেই যান না কেন, যত নষ্টই হন না কেন, আল্লাহ তাঁর ক্ষমা ও ভালোবাসা নিয়ে আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন। আল্লাহকে ভালোবাসতে দিন, আপনার ব্যথাগুলোকে উপশম করতে দিন, আপনার আত্মার ভেতরে থাকা মণি-মুক্তোগুলোকে অবমুক্ত করার সুযোগ দিন। আপনি যখনই পথভ্রষ্ট হন, তখনই আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন। আপনি যখনই হোঁচট খেয়ে পড়ে যান, তখনই আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন। ফিরে আসুন আল্লাহর ভালোবাসার সাগরের কাছে এবং তাঁর সীমাহীন দয়া ও অনুগ্রহের ঢেউকে আলিঙ্গন করুন।
টিকাঃ
১৯৫. তিরমিজি