📄 সালাফদের পথ ভিন্ন অন্য পথে না যেতে সতর্কীকরণ
এখন মানুষেরা সালাফ তথা ন্যায়নিষ্ঠ সত্য পূর্বসূরীদের পথ ছেড়ে অন্য পথে ধাবিত হচ্ছে। তারা তাদের মনগড়া পথ তাদের প্রচারিত সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন ও বই-পত্রে প্রচার করছে। তারা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা'আতের মানহাজকে হেয় এবং অবমূল্যায়ন করে। তারা (বিপথগামীরা) তাদেরকে চরমপন্থী হিসেবে গণনা করে এবং তাদের মতে সালাফগণ প্রত্যেক মুসলমানকে অবিশ্বাসী মনে করে ইত্যাদি। তাদের দাবিগুলো সালাফীদের কোনো ক্ষতিসাধন করবে না বরং তাদেরই ক্ষতি করবে যাদের ধৈর্য এবং দৃঢ় অঙ্গীকার থাকে না।
অনেকে প্রশ্ন করেন, সালাফ কারা? তারা দাবি করে সালাফগণ অন্যান্য দলের মতোই একটি দল। তারা সাধারণ দলের মতোই একটি দল যাদের আলাদা কোনো মর্যাদা নেই। তাদের মতে এরাই সালাফ। তারা দাবি করে যে, সালাফগণ আর সাধারণ দলের মতোই একটি দল। ঐ লোকেরা প্রকৃতপক্ষে আমাদেরকে সালাফগণের পথ ভিন্ন অন্য পথে নিয়ে যেতে চায়।
এক শ্রেণির লোকেরা বলে, আমরা সালাফদের জ্ঞান ও মানহাজ অনুযায়ী চলতে বাধ্য নই। আমরা তাদের পথ অনুসরণ করব না, বরং আমাদের নিজেদের মানহাজ অনুসরণ করব। আমরা আমাদের নিজস্ব মানহাজ এবং বুঝ তৈরি করব। সালাফদের মানহাজ পুরাতন, তাদের বুঝ তাদের সময়ের জন্য ছিল এবং এটি আমাদের সময়ের সাথে চলে না; যেহেতু আমাদের সময় ভিন্ন। এ কারণে এ ব্যক্তিরা সালাফদের মানহাজ পরিত্যাগ করে এবং তারা নতুন বুঝ তৈরি করে। এ সত্যপথ বিচ্যুত লোকেরা তাদের সৃষ্ট মানহাজ পত্রিকা, ম্যাগাজিন ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে প্রচার করে, যা তাদের দ্বারাই সম্পাদিত। তারা আমাদেরকে সালাফদের পথ ভিন্ন অন্য পথে নিয়ে যেতে চায়। এটা এ কারণে যে, আমরা যেন সালাফদের মানহাজ না জানি। তবে আমরা এ মানহাজ পরিত্যাগ করব এবং তা থেকে জ্ঞান লাভ করব না। এটা উপযুক্ত নয় যে, কেউ সালাফদের জ্ঞান ও বুঝ ব্যতিরেকে নিজেকে সালাফ বলে দাবি করবে। এটাই পথভ্রষ্টরা চায়। তারা চায় আমরা সালাফদের মানহাজ, বুঝ ও জ্ঞান পরিত্যাগ করি এবং তার পরিবর্তে নতুন বুঝ সৃষ্টি করি যা এই সময়ের সাথে উপযুক্ত (তাদের দাবি অনুযায়ী)। এই ধারণাটি ভুল। ইসলামিক আইন-কানুনসমূহ প্রত্যেক পাত্র ও কাল ভেদে প্রয়োগযোগ্য কিয়ামত আসার আগ পর্যন্ত। সালাফদের মাযহাজ প্রত্যেক পাত্র ও প্রত্যেক কালের জন্য যথার্থ। এটি মহান ও সুউচ্চ আল্লাহ প্রদত্ত আলো। সুতরাং প্রতারক ও পথভ্রষ্টদের কথায় প্রতারিত হওয়া যাবে না। তোমরা তাদের দ্বারা পরিচালিত হয়ো না।
ইমাম মালেক বলেছেন,
لَا يُصْلِحُ آخِرُ هُذِهِ الْأُمَّةِ إِلَّا مَا أَصْلَحَ أَوَّلُهُ )
এ উম্মতের পরবর্তী প্রজন্ম সংশোধিত হবে ঐভাবে যেভাবে পূর্ববর্তী প্রজন্মের লোকেরা সংশোধিত হয়েছিল।
পূর্ববর্তী প্রজন্মের লোকেরা কিভাবে সংশোধিত হয়েছিল? কুরআন-সুন্নাহ এবং তাদের দ্বারা যারা রসূল ﷺ-কে অনুসরণ করেছিলেন। পরবর্তী প্রজন্মের লোকেরা সংশোধিত হবে সেভাবে যেভাবে পূর্ববর্তী প্রজন্মের লোকেরা সংশোধিত হয়েছিল।
ফলে এটি ঐ ব্যক্তির জন্য, যে সালাফদের মানহাজ শিখে, দৃঢ়ভাবে ধরে রাখে এবং প্রচার করে মুক্তি পেতে চায়। এটাই মুক্তির পথ। এটি নূহ-এর জাহাজের মতো, যে ব্যক্তি এ জাহাজে উঠল সে মুক্তি পেল, যে উঠল না সে পথভ্রষ্টতায় ডুবে গেল। সেজন্য সালাফদের মানহাজ ব্যতীত মুক্তির কোনো উপায় নেই এবং তাদের মানহাজ না শিখে জ্ঞানার্জনের কোনো উপায়ও নেই। এটি আমাদের শিখতে হবে, শিক্ষা প্রদান করতে হবে এবং একইসাথে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে।
اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ)
আমাদেরকে সরল সঠিক পথ প্রদর্শন করুন। ২৫
আল্লাহর কাছে প্রতিনিয়ত দুআ করা উচিত, আল্লাহ যেন আমাদেরকে এই পথে পরিচালিত করেন, আমরা যেন তা দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে পারি। এটা ফরয। শুধু আমরা এ পথের ওপর আছি বললেই হবে না, অনুসরণ করছি বললেই হবে না, প্রমাণ ছাড়া দাবি অসার। কারণ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
وَالَّذِينَ اتَّبَعُوهُمْ بِإِحْسَانٍ )
এবং যেসব লোক একান্ত নিষ্ঠার সাথে (ঈমান আনয়নে) তাদের অনুগামী। ২৬
এর অর্থ পরবর্তী প্রজন্মের অনুসারীরা পূর্ববর্তীদের পরিপূর্ণভাবে নিষ্ঠার সাথে অনুসরণ করবে এবং একজন পরিপূর্ণভাবে সালাফদের মানহাজের অনুসরণ করতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের এ মানহাজের পরিপূর্ণ জ্ঞান রয়েছে এবং সে এটি ধরে রাখতে পারবে না যদি না ধৈর্যশীল হয়। একজনের কারো পক্ষে অবশ্যই মিথ্যুক ও পথভ্রষ্ট লোকের দাবিগুলো শোনা উচিত নয় যা তাকে এ মানহাজ থেকে বিচ্যুত করে। প্রকৃতপক্ষে এটিই সঠিক পথ, মুক্তির পথ। এ পথ ব্যতীত অন্যান্য সব পথই জাহান্নামে পরিচালিত করবে।
স্বহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! কোনটি মুক্তির পথ? তিনি ﷺ উত্তর দিলেন,
مَا أَنَا عَلَيْهِ الْيَوْمِ وَ أَصْحَابِي ))
আমি এবং আমার স্বহাবীগণ আজকের দিনে যার ওপর প্রতিষ্ঠিত (সে দলটি জান্নাতে যাবে)।২৭
এটা তাদের বিপক্ষে অনেক বড় সতর্কবাণী। বিশেষভাবে সময়ের সাথে ইসলাম অচেনা রূপ ধারণ করছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং দুর্যোগ বেড়েই চলেছে। তাই মুসলমানদের পক্ষে সালাফদের মানহাজ অনুসরণ অতীব জরুরি। এ পথভ্রষ্টরা বলে যে, আমরা সকলেই মুসলিম।
হ্যাঁ, কিন্তু কোন পথের? যদি মুসলমানরা রসূলুল্লাহ ﷺ-এর অনুসরণ করে তবে এটি গ্রহণযোগ্য। কিন্তু যারা পথভ্রষ্ট ও ভুল পথে আছে যদিও তারা নামে মুসলমান, তবে এ মুসলমানরা অবশ্যই জাহান্নামের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বাস্তব সত্য যে, ইসলাম শুধু দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একজন ব্যক্তির ইসলাম অনুসরণের দাবি বৈধ হবে না যদি না সে উপকারী জ্ঞান অর্জন করে এবং সালাফদের মানহাজ অনুসরণের প্রবণতা থাকে। এ কারণে ইসলামী বিশেষজ্ঞরা আক্বীদার বিভিন্ন অধ্যায়, শাখা-প্রশাখা ও বিষয়াদির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা আক্বীদা ও সালাফদের মানহাজের শিক্ষা প্রদানের জন্য সারাংশ তৈরি করেন। এটি ধরে রাখা এবং এর ওপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকার ওপর গুরুত্ব দেন।
এ কারণেই, এ বিষয়ের ওপর দৃষ্টি আরোপ এবং মনোযোগ প্রদান করা বিশেষ প্রয়োজন; যেহেতু পথভ্রষ্টরা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুতরাং মুসলমানদের এমন আলোর প্রয়োজন যা তাদেরকে অন্ধকার, পথভ্রষ্টতা এবং অজ্ঞতা থেকে আলোর দিকে ধাবিত করবে।
আজকাল এমন অনেক ব্যক্তি আছে যারা স্ব-শিক্ষিত ও নিজেদের জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন দাবি করে। এ সকল ব্যক্তি উপযুক্ত উৎস এবং ভিত্তি হতে জ্ঞান অর্জন করেনি। পক্ষান্তরে তারা তাদের মতো ব্যক্তি, বই ও সংস্কৃতি থেকে জ্ঞান অর্জন করেছে যেমন তারা বলে থাকে। এ জ্ঞান অর্জনের পদ্ধতি আলোর দিকে নিয়ে যায় না, সঠিক পথও দেখায় না। এটা প্রত্যেকের ওপর অপরিহার্য যে, তারা সালাফদের মানহাজ সঠিকভাবে শিখবে, মানবে এবং অনুসরণ করবে। এ পথ অনুসরণের সময় যখন মানুষ দোষারোপ এবং হেয় প্রতিপন্ন করবে তখন তাকে উপযুক্ত ধৈর্য প্রদর্শন অপরিহার্য। বর্তমানে যারা সালাফদের এ মানহাজ অনুসরণ করে তাদের বিরুদ্ধে গালিগালাজ এবং সমালোচনা শোনা যায়। মানুষ তাদেরকে সেকেলে হিসাবে গণ্য করে। এ হাসি-ঠাট্টা ও মিথ্যারোপ শুনেই সালাফদের পথ অনুসরণ থেকে দূরে সরা যাবে না। বরং সঠিক মানহাজকে আঁকড়ে ধরে রাখতে হবে। কারণ এটিই মুক্তির পথ। এ কারণেই রসূল ﷺ বলেছেন,
عَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ الْمَهْدِيِّينَ وَعَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِنِ)
তোমরা অবশ্যই আমার সুন্নাত এবং আমার হিদায়াতপ্রাপ্ত খলীফাগণের সুন্নাত অনুসরণ করবে। তা দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরবে।২৮
তিনি আরো বলেন,
فَإِنَّهُ مَنْ يَعِشُ مِنْكُمْ بَعْدِي فَسَيَرَى اخْتِلَافًا كَثِيرًا فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي )
তোমাদের মধ্যে যারা আমার পরে বেঁচে থাকবে তারা অচিরেই প্রচুর মতবিরোধ দেখবে, তাই তোমাদের দায়িত্ব হল আমার সুন্নাতকে ধরে রাখা। ২৯
যখন মতবিরোধ দেখা দিবে তখন কোনো কিছুই একজনকে রক্ষা করতে পারবে না। রসূল ﷺ ও হেদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত অনুসরণ ব্যতীত। আমাদের উচিত এ মানহাজকে মেনে চলা এবং তাদের দ্বারা পথভ্রষ্ট হওয়া যাবে না যারা এ পথকে হেয় প্রতিপন্ন করে এবং খারাপ বিশেষণ দ্বারা উপস্থাপন করে। এই লোকেরা এ মানহাজকে শুধুমাত্র নিজেদের মধ্যেই অমর্যাদা করে তা নয়, বরং অন্যদের মধ্যেও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেয়। কারণ তারা এ মানহাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তাদের এটা করার কারণ হচ্ছে-তারা জানে যে, এটি সঠিক পথ এবং তারা চায় পথভ্রষ্ট করতে। সুতরাং হে আল্লাহর বান্দারা! তাদের ব্যাপারে সতর্ক হও। শুধুমাত্র এ মানহাজ মানার দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখো না। ইসলামী বিশেষজ্ঞদের যারা জ্ঞানী এবং সঠিক পথে চলে-তাদের কাছ থেকে না শিখে বা জ্ঞান অর্জন না করে নিজেকে স্ব-শিক্ষিত ভেবে এতেই সীমাবদ্ধ থেকো না। তোমার দায়িত্ব হচ্ছে, বিপথগামীদের পথ পরিত্যাগ করা, যা থেকে আল্লাহ আমাদেরকে সতর্ক করেছেন।
وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيلِهِ )
আর নানা পথের অনুসরণ করো না, করলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবে।৩০
সেজন্য আমাদের এ পথ অনুসরণ করা বিশেষ প্রয়োজন। যেহেতু বর্তমান সময়ে প্রচুর পরিমাণ বাধা-বিপত্তি, ভ্রান্তপথের আহ্বানকারী এবং অনেকভাবে কুকর্ম ছড়ানোর উপায় বিদ্যমান। শয়তানের কৌশল অনেক দুর্বোধ্য। অন্যান্য পথ শয়তানের দিকে ডাকে। তারা কু-কর্মের দিকে আহ্বান করে, নিষিদ্ধ কাজের দিকে ডাকে এবং ভ্রষ্টতার দিকে আহ্বান করে যা তারা উপযুক্ত বুঝ ও সংস্কৃতি মনে করে। তারা বলে, মানুষকে বদ্ধ-মনা এবং চরমপন্থী হওয়া উচিত নয়। এ ধরনের উক্তির কারণে একজন ব্যক্তির সালাফদের মানহাজ ও জ্ঞান ত্যাগ করা উচিত নয়। পরবর্তী প্রজন্মের মানহাজ থেকে সালাফদের মানহাজ অধিক নিরাপদ, জ্ঞানসম্পন্ন ও বিচক্ষণতায় ভরা। সালাফদের মানহাজ নির্ভেজাল এবং এটা কুরআন ও সুন্নাহ থেকে নেয়া। আর পরবর্তী প্রজন্মের পথ ভেজালপূর্ণ বা কলুষিত। সালাফদের মানহাজ পরিষ্কার ও নির্ভেজাল। এ কারণে সালাফদের বইসমূহ যত পুরাতন তত খাঁটি এবং তত তথ্যবহুল ও সহজ। বিশিষ্ট ইসলামিক বিশেষজ্ঞ ইবনে রজব তাঁর “সালাফদের (ন্যায়নিষ্ঠ পূর্বসূরী) জ্ঞান খালাফদের (পরবর্তী অনুসারী) চেয়ে অধিক উৎকৃষ্ট” শিরোনামের বইয়ে বলেছেন, “সালাফদের বাণী সংক্ষিপ্ত কিন্তু জ্ঞানে পরিপূর্ণ। অন্যদিকে খালাফদের বাণী প্রচুর কিন্তু তাতে জ্ঞান খুবই কম।”
এ বিষয়ের ওপর আমাদের গভীর মনোযোগ প্রদান সময়ের দাবি এবং অপরিহার্য। এটাই সালাফদের পথ বা মানহাজ, যা ছাড়া মুক্তির কোনো পথ নেই। এটি সঠিকভাবে শেখা এবং জানার পর মেনে চলতে হবে এবং ধৈর্য ধারণ করতে হবে। ঐ নিয়ম ও পন্থা অনুসরণীয় নয় যা ভেজাল ও জালিয়াতি আর যা সালাফদের পথ হিসেবে দাবি করা হয়, অথচ তা ঠিক নয়, বরং মিথ্যা। আমাদেরকে অবশ্যই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
টিকাঃ
২৫. সূরা আল ফাতিহা ১ : ৬
২৬. সূরা তাওবা ৯ : ১০০
২৭. তিরমিযী, হাসান, হা: ২৬৪১, মুসনাদ আহমাদ ৩৩২, আবু দাউদ ৪৫৯৬, সিলসিলা সহীহা ২০৩, ২০৪
২৮. আবূ দাউদ হা : ৪৬০৭, সহীহ ইবনু হিব্বান হা: ৫, মুসনাদ আহমাদ ১৭১৪৪, সহীহ, আলবানী।
২৯. আবূ দাউদ হা : ৪৬০৭, সুনান দারিমী ৯৫, মুসনাদ আহমাদ ১৭১৪৫, সহীহ, আলবানী।
৩০. সূরা আল-আন'আম ৬ : ১৫৩
📄 উপসংহার
এটা হল আলোচ্য বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য। আমি বিভিন্ন দিক থেকে বিষয়টি নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করতে পারিনি সময়ের অভাবে। মহান আল্লাহ বলেন,
وَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَى تَنْفَعُ الْمُؤْمِنِينَ )
আর তুমি উপদেশ দিতে থাক, কেননা উপদেশ মু'মিনদের উপকার করবে। ৩১
আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন,
فَذَكِّرْ ان نَفَعَتِ الذِّكْرَى سَيَدَنَّكُرُ مَنْ يَخْشَى )
কাজেই তুমি উপদেশ দাও যদি উপদেশ উপকার দেয়। যে ভয় করে সে উপদেশ গ্রহণ করবে। ৩২
আমরা মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাই, তিনি যেন আমাদের সৎকর্মগুলোকে কবুল করেন, আমাদেরকে সত্য পথে পরিচালিত করেন এবং সত্য পথে চলার মতো ধৈর্যশক্তি দান করেন।
টিকাঃ
৩১. সূরা আয যারিআত ৫১ : ৫৫
৩২. সূরা আ'লা ৮৭ : ৯-১০