📄 উপসংহার
হুকুমদাতা, বিধানদাতা তথা আল্লাহর বিধান তথা ইসলাম বিধান মানতে হবে এবং এর কোন বিকল্প পথ নেই আর তা না হলে মুসলিম জাতিকে বিদ'আত তথা কুসংস্কার থেকে রক্ষা করা কঠিন। রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি এখানে কোন বিদ'আত সৃষ্টি করবে তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতাসমূহ এবং লোক সকলের অভিশাপ হবে। বিদ'আতী আমল ও শিরক মুক্ত আমল পরিহার করা এবং মৃত সুন্নাত জীবিত করা। কারন মৃত সুন্নাত জীবিত করার মর্যাদা অনেক বেশি। যখন কোন সূন্নাত বিলুপ্ত হয়ে যায়, তার উপর মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং তার উপর আমল করার ফযীলত অনেক। এ ক্ষেত্রে রসূল এর হাদীস উল্লেখ না করলেই নয়। যেমন: আমর ইবনু আওফ আল-মুযানী থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ বলেন: যে ব্যাক্তি আমার একটি (মৃত) সুন্নাত জীবিত করলো এবং লোকেরা তদনুযায়ী আমাল করলো, সেও আমালকারীদের সমপরিমাণ পুরস্কার পাবে এবং তাতে আমালকারীদের পুরস্কার আদৌ হরাস পাবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যাক্তি বিদ'আতের প্রচলন করলে এবং তদনুযায়ী আমাল করা হলে তার উয়ি আমালকারীদের সমপরিমাণ পাপ বর্তাবে এবং তাতে আমালকারীদের পাপের বোঝা আদৌ হালকা হবে না। ২৭৩
সর্বপরি, এটাই বলা যায় যে, নিজেদের জানের চেয়ে রসূলুল্লাহ এর জান, নিজেদের মতের চেয়ে রসূলুল্লাহ এর মতকে প্রাধান্য দিয়ে যারা আল্লাহর পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন। অতএব রসূলুল্লাহ কে ভালবাসতে হবে সর্বাধিক। তাই আসুন, আমরা বিদ'আতী তথা কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গড়ার প্রচেষ্টায় এসব বিলুপ্ত প্রায় সুন্নতি আমলগুলো জিন্দা করি এবং সওয়াব ও নেকী অর্জন করি।
(সমাপ্ত)
টিকাঃ
২৭৩ তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: তিরমিযী, হা: ২৬৭৭ তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ লিগাইরিহী। উক্ত হাদীসের রাবী যায়দ ইবনুল হুবাব সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি সত্যবাদী কিন্তু হাদীস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, সাওরীর হাদীস বর্ণনায় পরিবর্তন করেছেন। আলী ইবনুল মাদীনী তাকে সিকাহ বললেও আহমাদ বিন সালিহ আল-মিসরী তাকে সত্যবাদী বলেছেন। উক্ত হাদীসটি শাহীদ এর ভিত্তিতে সহীহ。
হুকুমদাতা, বিধানদাতা তথা আল্লাহর বিধান তথা ইসলাম বিধান মানতে হবে এবং এর কোন বিকল্প পথ নেই আর তা না হলে মুসলিম জাতিকে বিদ'আত তথা কুসংস্কার থেকে রক্ষা করা কঠিন। রসূলুল্লাহ বলেছেন: যে ব্যক্তি এখানে কোন বিদ'আত সৃষ্টি করবে তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতাসমূহ এবং লোক সকলের অভিশাপ হবে। বিদ'আতী আমল ও শিরক মুক্ত আমল পরিহার করা এবং মৃত সুন্নাত জীবিত করা। কারন মৃত সুন্নাত জীবিত করার মর্যাদা অনেক বেশি। যখন কোন সূন্নাত বিলুপ্ত হয়ে যায়, তার উপর মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং তার উপর আমল করার ফযীলত অনেক। এ ক্ষেত্রে রসূল এর হাদীস উল্লেখ না করলেই নয়। যেমন: আমর ইবনু আওফ আল-মুযানী থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ বলেন: যে ব্যাক্তি আমার একটি (মৃত) সুন্নাত জীবিত করলো এবং লোকেরা তদনুযায়ী আমাল করলো, সেও আমালকারীদের সমপরিমাণ পুরস্কার পাবে এবং তাতে আমালকারীদের পুরস্কার আদৌ হরাস পাবে না। পক্ষান্তরে কোন ব্যাক্তি বিদ'আতের প্রচলন করলে এবং তদনুযায়ী আমাল করা হলে তার উয়ি আমালকারীদের সমপরিমাণ পাপ বর্তাবে এবং তাতে আমালকারীদের পাপের বোঝা আদৌ হালকা হবে না। ২৭৩
সর্বপরি, এটাই বলা যায় যে, নিজেদের জানের চেয়ে রসূলুল্লাহ এর জান, নিজেদের মতের চেয়ে রসূলুল্লাহ এর মতকে প্রাধান্য দিয়ে যারা আল্লাহর পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন। অতএব রসূলুল্লাহ কে ভালবাসতে হবে সর্বাধিক। তাই আসুন, আমরা বিদ'আতী তথা কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গড়ার প্রচেষ্টায় এসব বিলুপ্ত প্রায় সুন্নতি আমলগুলো জিন্দা করি এবং সওয়াব ও নেকী অর্জন করি।
(সমাপ্ত)
টিকাঃ
২৭৩ তাখরীজ কুতুবুত সিত্তাহ: তিরমিযী, হা: ২৬৭৭ তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ লিগাইরিহী। উক্ত হাদীসের রাবী যায়দ ইবনুল হুবাব সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি সত্যবাদী কিন্তু হাদীস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, সাওরীর হাদীস বর্ণনায় পরিবর্তন করেছেন। আলী ইবনুল মাদীনী তাকে সিকাহ বললেও আহমাদ বিন সালিহ আল-মিসরী তাকে সত্যবাদী বলেছেন। উক্ত হাদীসটি শাহীদ এর ভিত্তিতে সহীহ。