📘 সালফে সালেহীনের দৃষ্টিতে বিদআত > 📄 হজ্জ্বের বিদ‘আতসমূহ

📄 হজ্জ্বের বিদ‘আতসমূহ


হজ্জ্ব সামর্থবান মুসলিমদের জন্য একটি ফরয ইবাদত। এটি ইসলাম ধর্মের পঞ্চম স্তম্ভ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হজ্ব সম্পাদন করা ফরজ বা আবশ্যিক। ২৫৩ আরবী জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ হজ্বের জন্য নির্ধরিত সময়। হজ্জ পালনের জন্য বর্তমান সৌদী আরবের মক্কা নগরী এবং সন্নিহিত মিনা, আরাফাত, মুযদালফা প্রভৃতি স্থানে গমন এবং অবস্থান আবশ্যক। ২৫৪ যিনি হজ্জ সম্পাদনের জন্য গমন করেন তাঁকে বলা হয় হাজী। রসূল বলেছেনঃ
عن عبد الله بنِ عُمَرَ رَضِي اللهُ عَنْهُما قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: بُنِيَ الإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ : شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ الله، وَإِقَامِ الصَّلاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ وَحَجِ بَيْتِ الله الحرام ، رَوَاهُ البُخَارِيُّ ومُسْلِمٌ .
এই হাদীসে ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের আলোচনা করা হয়েছে। ২৫৫

টিকাঃ
২৫৩ Dalia Salah-El-Deen, Significance of Pilgrimage (Hajj)
২৫৪ Atlas of Holy Places, p. 29
২৫৫ সহীহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদীস ১

হজ্জ্ব সামর্থবান মুসলিমদের জন্য একটি ফরয ইবাদত। এটি ইসলাম ধর্মের পঞ্চম স্তম্ভ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হজ্ব সম্পাদন করা ফরজ বা আবশ্যিক। ২৫৩ আরবী জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ হজ্বের জন্য নির্ধরিত সময়। হজ্জ পালনের জন্য বর্তমান সৌদী আরবের মক্কা নগরী এবং সন্নিহিত মিনা, আরাফাত, মুযদালফা প্রভৃতি স্থানে গমন এবং অবস্থান আবশ্যক। ২৫৪ যিনি হজ্জ সম্পাদনের জন্য গমন করেন তাঁকে বলা হয় হাজী। রসূল বলেছেনঃ
عن عبد الله بنِ عُمَرَ رَضِي اللهُ عَنْهُما قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: بُنِيَ الإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ : شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ الله، وَإِقَامِ الصَّلاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ وَحَجِ بَيْتِ الله الحرام ، رَوَاهُ البُخَارِيُّ ومُسْلِمٌ .
এই হাদীসে ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের আলোচনা করা হয়েছে। ২৫৫

টিকাঃ
২৫৩ Dalia Salah-El-Deen, Significance of Pilgrimage (Hajj)
২৫৪ Atlas of Holy Places, p. 29
২৫৫ সহীহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদীস ১

হজ্জ্ব সামর্থবান মুসলিমদের জন্য একটি ফরয ইবাদত। এটি ইসলাম ধর্মের পঞ্চম স্তম্ভ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হজ্ব সম্পাদন করা ফরজ বা আবশ্যিক। ২৫৩ আরবী জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ হজ্বের জন্য নির্ধরিত সময়। হজ্জ পালনের জন্য বর্তমান সৌদী আরবের মক্কা নগরী এবং সন্নিহিত মিনা, আরাফাত, মুযদালফা প্রভৃতি স্থানে গমন এবং অবস্থান আবশ্যক। ২৫৪ যিনি হজ্জ সম্পাদনের জন্য গমন করেন তাঁকে বলা হয় হাজী। রসূল বলেছেনঃ
عن عبد الله بنِ عُمَرَ رَضِي اللهُ عَنْهُما قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: بُنِيَ الإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ : شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ الله، وَإِقَامِ الصَّلاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ وَحَجِ بَيْتِ الله الحرام ، رَوَاهُ البُخَارِيُّ ومُسْلِمٌ .
এই হাদীসে ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের আলোচনা করা হয়েছে। ২৫৫

টিকাঃ
২৫৩ Dalia Salah-El-Deen, Significance of Pilgrimage (Hajj)
২৫৪ Atlas of Holy Places, p. 29
২৫৫ সহীহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদীস ১

📘 সালফে সালেহীনের দৃষ্টিতে বিদআত > 📄 হজ্জ্বের ক্ষেত্রে বিদ‘আতসমূহ উল্লেখ করা হলো

📄 হজ্জ্বের ক্ষেত্রে বিদ‘আতসমূহ উল্লেখ করা হলো


১। ঢাকার হাজী কাম্পে ইহরাম বেঁধে দুই রাকআত সলাত আদায় করে তালবিয়া পাঠ করা
২। কাবা ঘর তাওয়াফ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
৩। হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করে হাতে চুমু খেয়ে আবার হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করা
৪। সাফা মারওয়া সাঈ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
৫। মক্কা থাকাকালীন সময়ে আয়েশা মসজিদে গিয়ে ২ বার উমরা করা
৬। মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার সময় সলাত জমা করে না পড়া
৭। মদিনায় গিয়ে হানাফি মাজহাবে প্রচলিত ৪০ ওয়াক্ত সলাত জামাতে পড়া
৮। সওয়াব লাভের আশায় রিয়াজুল জান্নাতে গিয়ে অধিক সময় ধরে সলাত পড়া
৯। রসুল এর কবরের সামনে গিয়ে বানোয়াট দুয়া পড়া
১০। বাকি কবরস্থানে গিয়ে বানোয়াট দুয়া পাঠ করা
১১। মক্কা ফেরার পথে মসজিদে নববী থেকে ইহরাম বাঁধা
১২। হজ্জ্বের জন্য ইহরাম বেঁধে ফজরের আগে রাতের বেলা মিনাতে যাওয়া
১৩। আরাফাত ময়দানে ফজরের আগে রাতের বেলা পৌছানো
১৪। মিনা ও আরাফাতে সলাত কসর ও জমা করে না পড়া
১৫। মুজদালিফা থেকে পাথর কুড়ান
১৬। কাবা ঘর তাওয়াফ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দু'আ পাঠ করা
১৭। হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করে হাতে চুমু খেয়ে আবার হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করা
১৮। সাফা মারওয়া সাঈ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
১৯। মক্কাতে আসার পর টাক হওয়া
২০। বিদ'আতী পদ্ধতিতে নামাজ আদায় করা। এছাড়াও আরও অসংখ্য বিদ'আত পরিলক্ষিত হয়।
সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনার সারাংশে বলা যায় যে, আরও অসংখ্য বিদ'আত রয়েছে যা উপরে কম বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। মৌলভী নামের আলেম সমাজের নিজস্ব পদ্ধতিতে বানানো এসব দোআ-দরূদ, কেচ্ছা কাহিনী হজ্জ্বকে শুধু নষ্টই করবে না বরং বিদ'আত অনুসরনের জন্য কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
অতএব, হজ্জ্ব করতে যাওয়ার আগে প্রতিটি মুসল্লীর উচিত হবে নাবী করিম এবং তাঁর সাহাবীরা কিভাবে হজ্ব পালন করেছেন তা সঠিক ভাবে একজন হক্বপন্থী আলেম থেকে জেনে নেয়া উচিত। তা না হলে আমাদের সমস্ত আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই বললেই চলে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন, আমীন।

১। ঢাকার হাজী কাম্পে ইহরাম বেঁধে দুই রাকআত সলাত আদায় করে তালবিয়া পাঠ করা
২। কাবা ঘর তাওয়াফ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
৩। হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করে হাতে চুমু খেয়ে আবার হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করা
৪। সাফা মারওয়া সাঈ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
৫। মক্কা থাকাকালীন সময়ে আয়েশা মসজিদে গিয়ে ২ বার উমরা করা
৬। মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার সময় সলাত জমা করে না পড়া
৭। মদিনায় গিয়ে হানাফি মাজহাবে প্রচলিত ৪০ ওয়াক্ত সলাত জামাতে পড়া
৮। সওয়াব লাভের আশায় রিয়াজুল জান্নাতে গিয়ে অধিক সময় ধরে সলাত পড়া
৯। রসুল এর কবরের সামনে গিয়ে বানোয়াট দুয়া পড়া
১০। বাকি কবরস্থানে গিয়ে বানোয়াট দুয়া পাঠ করা
১১। মক্কা ফেরার পথে মসজিদে নববী থেকে ইহরাম বাঁধা
১২। হজ্জ্বের জন্য ইহরাম বেঁধে ফজরের আগে রাতের বেলা মিনাতে যাওয়া
১৩। আরাফাত ময়দানে ফজরের আগে রাতের বেলা পৌছানো
১৪। মিনা ও আরাফাতে সলাত কসর ও জমা করে না পড়া
১৫। মুজদালিফা থেকে পাথর কুড়ান
১৬। কাবা ঘর তাওয়াফ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দু'আ পাঠ করা
১৭। হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করে হাতে চুমু খেয়ে আবার হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করা
১৮। সাফা মারওয়া সাঈ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
১৯। মক্কাতে আসার পর টাক হওয়া
২০। বিদ'আতী পদ্ধতিতে নামাজ আদায় করা। এছাড়াও আরও অসংখ্য বিদ'আত পরিলক্ষিত হয়।
সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনার সারাংশে বলা যায় যে, আরও অসংখ্য বিদ'আত রয়েছে যা উপরে কম বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। মৌলভী নামের আলেম সমাজের নিজস্ব পদ্ধতিতে বানানো এসব দোআ-দরূদ, কেচ্ছা কাহিনী হজ্জ্বকে শুধু নষ্টই করবে না বরং বিদ'আত অনুসরনের জন্য কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
অতএব, হজ্জ্ব করতে যাওয়ার আগে প্রতিটি মুসল্লীর উচিত হবে নাবী করিম এবং তাঁর সাহাবীরা কিভাবে হজ্ব পালন করেছেন তা সঠিক ভাবে একজন হক্বপন্থী আলেম থেকে জেনে নেয়া উচিত। তা না হলে আমাদের সমস্ত আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই বললেই চলে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন, আমীন।

১। ঢাকার হাজী কাম্পে ইহরাম বেঁধে দুই রাকআত সলাত আদায় করে তালবিয়া পাঠ করা
২। কাবা ঘর তাওয়াফ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
৩। হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করে হাতে চুমু খেয়ে আবার হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করা
৪। সাফা মারওয়া সাঈ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
৫। মক্কা থাকাকালীন সময়ে আয়েশা মসজিদে গিয়ে ২ বার উমরা করা
৬। মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার সময় সলাত জমা করে না পড়া
৭। মদিনায় গিয়ে হানাফি মাজহাবে প্রচলিত ৪০ ওয়াক্ত সলাত জামাতে পড়া
৮। সওয়াব লাভের আশায় রিয়াজুল জান্নাতে গিয়ে অধিক সময় ধরে সলাত পড়া
৯। রসুল এর কবরের সামনে গিয়ে বানোয়াট দুয়া পড়া
১০। বাকি কবরস্থানে গিয়ে বানোয়াট দুয়া পাঠ করা
১১। মক্কা ফেরার পথে মসজিদে নববী থেকে ইহরাম বাঁধা
১২। হজ্জ্বের জন্য ইহরাম বেঁধে ফজরের আগে রাতের বেলা মিনাতে যাওয়া
১৩। আরাফাত ময়দানে ফজরের আগে রাতের বেলা পৌছানো
১৪। মিনা ও আরাফাতে সলাত কসর ও জমা করে না পড়া
১৫। মুজদালিফা থেকে পাথর কুড়ান
১৬। কাবা ঘর তাওয়াফ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দু'আ পাঠ করা
১৭। হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করে হাতে চুমু খেয়ে আবার হাযরে আসওয়াদ এর দিকে ইশারা করা
১৮। সাফা মারওয়া সাঈ এর সময় প্রচলিত বিভিন্ন বানোয়াট দুআ পাঠ করা
১৯। মক্কাতে আসার পর টাক হওয়া
২০। বিদ'আতী পদ্ধতিতে নামাজ আদায় করা। এছাড়াও আরও অসংখ্য বিদ'আত পরিলক্ষিত হয়।
সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনার সারাংশে বলা যায় যে, আরও অসংখ্য বিদ'আত রয়েছে যা উপরে কম বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। মৌলভী নামের আলেম সমাজের নিজস্ব পদ্ধতিতে বানানো এসব দোআ-দরূদ, কেচ্ছা কাহিনী হজ্জ্বকে শুধু নষ্টই করবে না বরং বিদ'আত অনুসরনের জন্য কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
অতএব, হজ্জ্ব করতে যাওয়ার আগে প্রতিটি মুসল্লীর উচিত হবে নাবী করিম এবং তাঁর সাহাবীরা কিভাবে হজ্ব পালন করেছেন তা সঠিক ভাবে একজন হক্বপন্থী আলেম থেকে জেনে নেয়া উচিত। তা না হলে আমাদের সমস্ত আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই বললেই চলে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন, আমীন।

📘 সালফে সালেহীনের দৃষ্টিতে বিদআত > 📄 কদমবুসির ক্ষেত্রে বিদ‘আত

📄 কদমবুসির ক্ষেত্রে বিদ‘আত


বস্তুতঃ কুরআন হাদীসে সমাজে প্রচলিত কদমবুসির কোনো উল্লেখ নেই, ইসলামী তাহযীব ও তমদ্দুনের ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই। এর পরিবর্তে কুরআন-হাদীসে সালাম দেয়ার ও মুসাফাহা করার উল্লেখ এবং সুস্পষ্ট নির্দেশ পাওয়া যায়। কুরআন মজীদে সালাম সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ
وَإِذَا حُتِيتُمْ بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوا بِأَحْسَنَ مِنْهَا أَوْ رُدُّوهَا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ حَسِيبًا
তোমাদেরকে যখন কোনো প্রকার সম্ভাষণে সম্ভাষিত করা হবে, তখন তোমরা তার অপেক্ষা উত্তম সম্ভাষণে সম্ভাষিত করো অথবা ততোটুকুই ফিরিয়ে দাও। মনে রেখো, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে নিশ্চিত হিসাব গ্রহণকারী। ২৫৬
এ থেকে সুস্পষ্ট বোঝা গেল, মুসলমানদের পরস্পরের যখন দেখা সাক্ষাত হবে, তখন পরস্পরের সম্ভাষণের আদান প্রদান করবে। এ সম্ভাষণ মৌখিক হতে হবে এবং এ সম্ভাষণের ব্যাপারে পরস্পরে ঐকান্তিক নিষ্ঠা পোষণ করতে হবে এবং কোনোরূপ কৃপণতা পোষণ করা চলবে না। বরং প্রত্যেককে অপরের তুলনায় উত্তম সম্ভাষণ দানে প্রস্তুত থাকতে হবে অকুণ্ঠিতভাবে। আয়াতের শেষ অংশ এ সম্ভাষণের গুরুত্ব এবং তা যথারীতি আদান প্রদানের জন্য সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিচ্ছে। এ আলোচনা থেকে জানা গেল, ইসলামের সুন্নাত হচ্ছে- দু'জন মুসলমান যখন পরস্পর সাক্ষাত করবে তখন সালাম দিবে, মুসাফাহা করবে এবং গলাগলিও করবে-বিশেষ করে বিদেশাগত ব্যক্তির সাথে। এসব কয়টি কথাই সুস্পষ্ট হাদীস থেকে প্রমাণিত। রসূলে করীম তাই করেছেন, সাহাবাদের সমাজে এই ছিল স্থায়ী রীতি, বস্তুত এই হচ্ছে সুন্নাত। কিন্তু এই কদমবুসি এল কোথেকে? কে কদমবুসি করতে বলেছে? কে তা রেওয়াজ করেছে ইসলামী সমাজে? কুরআন নয়, হাদীস নয়, রসূল নয়, রসূলের গড়া সমাজ নয়। অতএব এটি বিদ'আত ও মুশরিকী রীতি হওয়ার কোনোই সন্দেহ নেই।

টিকাঃ
২৫৬ সূরা আন নিসা: ৮৬

বস্তুতঃ কুরআন হাদীসে সমাজে প্রচলিত কদমবুসির কোনো উল্লেখ নেই, ইসলামী তাহযীব ও তমদ্দুনের ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই। এর পরিবর্তে কুরআন-হাদীসে সালাম দেয়ার ও মুসাফাহা করার উল্লেখ এবং সুস্পষ্ট নির্দেশ পাওয়া যায়। কুরআন মজীদে সালাম সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ
وَإِذَا حُتِيتُمْ بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوا بِأَحْسَنَ مِنْهَا أَوْ رُدُّوهَا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ حَسِيبًا
তোমাদেরকে যখন কোনো প্রকার সম্ভাষণে সম্ভাষিত করা হবে, তখন তোমরা তার অপেক্ষা উত্তম সম্ভাষণে সম্ভাষিত করো অথবা ততোটুকুই ফিরিয়ে দাও। মনে রেখো, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে নিশ্চিত হিসাব গ্রহণকারী। ২৫৬
এ থেকে সুস্পষ্ট বোঝা গেল, মুসলমানদের পরস্পরের যখন দেখা সাক্ষাত হবে, তখন পরস্পরের সম্ভাষণের আদান প্রদান করবে। এ সম্ভাষণ মৌখিক হতে হবে এবং এ সম্ভাষণের ব্যাপারে পরস্পরে ঐকান্তিক নিষ্ঠা পোষণ করতে হবে এবং কোনোরূপ কৃপণতা পোষণ করা চলবে না। বরং প্রত্যেককে অপরের তুলনায় উত্তম সম্ভাষণ দানে প্রস্তুত থাকতে হবে অকুণ্ঠিতভাবে। আয়াতের শেষ অংশ এ সম্ভাষণের গুরুত্ব এবং তা যথারীতি আদান প্রদানের জন্য সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিচ্ছে। এ আলোচনা থেকে জানা গেল, ইসলামের সুন্নাত হচ্ছে- দু'জন মুসলমান যখন পরস্পর সাক্ষাত করবে তখন সালাম দিবে, মুসাফাহা করবে এবং গলাগলিও করবে-বিশেষ করে বিদেশাগত ব্যক্তির সাথে। এসব কয়টি কথাই সুস্পষ্ট হাদীস থেকে প্রমাণিত। রসূলে করীম তাই করেছেন, সাহাবাদের সমাজে এই ছিল স্থায়ী রীতি, বস্তুত এই হচ্ছে সুন্নাত। কিন্তু এই কদমবুসি এল কোথেকে? কে কদমবুসি করতে বলেছে? কে তা রেওয়াজ করেছে ইসলামী সমাজে? কুরআন নয়, হাদীস নয়, রসূল নয়, রসূলের গড়া সমাজ নয়। অতএব এটি বিদ'আত ও মুশরিকী রীতি হওয়ার কোনোই সন্দেহ নেই।

টিকাঃ
২৫৬ সূরা আন নিসা: ৮৬

বস্তুতঃ কুরআন হাদীসে সমাজে প্রচলিত কদমবুসির কোনো উল্লেখ নেই, ইসলামী তাহযীব ও তমদ্দুনের ক্ষেত্রে এর কোনো স্থান নেই। এর পরিবর্তে কুরআন-হাদীসে সালাম দেয়ার ও মুসাফাহা করার উল্লেখ এবং সুস্পষ্ট নির্দেশ পাওয়া যায়। কুরআন মজীদে সালাম সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ
وَإِذَا حُتِيتُمْ بِتَحِيَّةٍ فَحَيُّوا بِأَحْسَنَ مِنْهَا أَوْ رُدُّوهَا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ حَسِيبًا
তোমাদেরকে যখন কোনো প্রকার সম্ভাষণে সম্ভাষিত করা হবে, তখন তোমরা তার অপেক্ষা উত্তম সম্ভাষণে সম্ভাষিত করো অথবা ততোটুকুই ফিরিয়ে দাও। মনে রেখো, আল্লাহ সর্ব বিষয়ে নিশ্চিত হিসাব গ্রহণকারী। ২৫৬
এ থেকে সুস্পষ্ট বোঝা গেল, মুসলমানদের পরস্পরের যখন দেখা সাক্ষাত হবে, তখন পরস্পরের সম্ভাষণের আদান প্রদান করবে। এ সম্ভাষণ মৌখিক হতে হবে এবং এ সম্ভাষণের ব্যাপারে পরস্পরে ঐকান্তিক নিষ্ঠা পোষণ করতে হবে এবং কোনোরূপ কৃপণতা পোষণ করা চলবে না। বরং প্রত্যেককে অপরের তুলনায় উত্তম সম্ভাষণ দানে প্রস্তুত থাকতে হবে অকুণ্ঠিতভাবে। আয়াতের শেষ অংশ এ সম্ভাষণের গুরুত্ব এবং তা যথারীতি আদান প্রদানের জন্য সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিচ্ছে। এ আলোচনা থেকে জানা গেল, ইসলামের সুন্নাত হচ্ছে- দু'জন মুসলমান যখন পরস্পর সাক্ষাত করবে তখন সালাম দিবে, মুসাফাহা করবে এবং গলাগলিও করবে-বিশেষ করে বিদেশাগত ব্যক্তির সাথে। এসব কয়টি কথাই সুস্পষ্ট হাদীস থেকে প্রমাণিত। রসূলে করীম তাই করেছেন, সাহাবাদের সমাজে এই ছিল স্থায়ী রীতি, বস্তুত এই হচ্ছে সুন্নাত। কিন্তু এই কদমবুসি এল কোথেকে? কে কদমবুসি করতে বলেছে? কে তা রেওয়াজ করেছে ইসলামী সমাজে? কুরআন নয়, হাদীস নয়, রসূল নয়, রসূলের গড়া সমাজ নয়। অতএব এটি বিদ'আত ও মুশরিকী রীতি হওয়ার কোনোই সন্দেহ নেই।

টিকাঃ
২৫৬ সূরা আন নিসা: ৮৬

📘 সালফে সালেহীনের দৃষ্টিতে বিদআত > 📄 জন্মদিন পালন করা বিদ‘আত

📄 জন্মদিন পালন করা বিদ‘আত


বর্তমানে জন্মদিন পালন বলতে বুঝায় মাসের যে তারিখটিতে কোন ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেছে বছর ঘুরে সে তারিখটি আবার ফিরে আসলে সেটাই তার জন্মের দিন তথা জন্মদিন। বস্তুতঃ জন্মদিন পালন/সেলিব্রেশন সত্যিকথা বলতে মুসলিমদের কালচার নয়। এটি এসেছে অমুসলিমদের কাছ থেকে যা মুসলিমদের উপর গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে। যার জন্য আমরা বুঝে কিংবা না বুঝে এই কালচারের দ্বারা প্রভাবিত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাই বলেন: আল্লাহ তা'আলা বলেন, মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহ তা'আলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা'আলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন। ২৫৭
সুতরাং, বছরের যে দিনটিতে কেউ জন্ম গ্রহণ করেছে, সেই দিনকে তার জন্য বিশেষ কোন দিন মনে করা বা এই উপলক্ষ্যে আনন্দ-ফুর্তি করা অথবা কোন আমল করার বিষয়ে কুরআন-সুন্নায় কোন ভিত্তি পাওয়া যায় না।

টিকাঃ
২৫৭ আল-হাশর: ১৮

বর্তমানে জন্মদিন পালন বলতে বুঝায় মাসের যে তারিখটিতে কোন ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেছে বছর ঘুরে সে তারিখটি আবার ফিরে আসলে সেটাই তার জন্মের দিন তথা জন্মদিন। বস্তুতঃ জন্মদিন পালন/সেলিব্রেশন সত্যিকথা বলতে মুসলিমদের কালচার নয়। এটি এসেছে অমুসলিমদের কাছ থেকে যা মুসলিমদের উপর গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে। যার জন্য আমরা বুঝে কিংবা না বুঝে এই কালচারের দ্বারা প্রভাবিত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাই বলেন: আল্লাহ তা'আলা বলেন, মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহ তা'আলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা'আলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন। ২৫৭
সুতরাং, বছরের যে দিনটিতে কেউ জন্ম গ্রহণ করেছে, সেই দিনকে তার জন্য বিশেষ কোন দিন মনে করা বা এই উপলক্ষ্যে আনন্দ-ফুর্তি করা অথবা কোন আমল করার বিষয়ে কুরআন-সুন্নায় কোন ভিত্তি পাওয়া যায় না।

টিকাঃ
২৫৭ আল-হাশর: ১৮

বর্তমানে জন্মদিন পালন বলতে বুঝায় মাসের যে তারিখটিতে কোন ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করেছে বছর ঘুরে সে তারিখটি আবার ফিরে আসলে সেটাই তার জন্মের দিন তথা জন্মদিন। বস্তুতঃ জন্মদিন পালন/সেলিব্রেশন সত্যিকথা বলতে মুসলিমদের কালচার নয়। এটি এসেছে অমুসলিমদের কাছ থেকে যা মুসলিমদের উপর গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে। যার জন্য আমরা বুঝে কিংবা না বুঝে এই কালচারের দ্বারা প্রভাবিত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাই বলেন: আল্লাহ তা'আলা বলেন, মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহ তা'আলাকে ভয় কর। প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত, আগামী কালের জন্যে সে কি প্রেরণ করে, তা চিন্তা করা। আল্লাহ তা'আলাকে ভয় করতে থাক। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা'আলা সে সম্পর্কে খবর রাখেন। ২৫৭
সুতরাং, বছরের যে দিনটিতে কেউ জন্ম গ্রহণ করেছে, সেই দিনকে তার জন্য বিশেষ কোন দিন মনে করা বা এই উপলক্ষ্যে আনন্দ-ফুর্তি করা অথবা কোন আমল করার বিষয়ে কুরআন-সুন্নায় কোন ভিত্তি পাওয়া যায় না।

টিকাঃ
২৫৭ আল-হাশর: ১৮

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00