📄 সফর মাসের শেষ বুধবার ‘আখেরী চাহার শোম্বা’ পালন করা
সফর মাসের শেষ বুধবারকে ফার্সীতে বলা হয় 'আখেরী চাহার শোম্বা'। নবী (ﷺ) তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে সফর মাসের শেষ বুধবারে অসুস্থতা থেকে সুস্থতা অনুভব করেছিলেন। তাই ঐ দিনকে কেন্দ্র করে তা পালন করা এবং ঐ দিন কলাপাতা কিংবা কাগজে কোন দু'আ লিখে তা ভিজিয়ে ঐ পানি দিয়ে গোসল করা হলে এবং ঐ পানি পান করা হলে সারা বছর রোগমুক্ত থাকা যাবে- এসব আক্বীদা-বিশ্বাস সম্পূর্ণ নব উদ্ভাবিত। রসূলুল্লাহ যেমন ঐ দিনের কোন ফযীলত বর্ণনা করেননি কিংবা ঐ দিনে কাউকে কোন আমল করতে বলেননি, তেমনি কোন সাহাবায়ে কেরামও ঐ দিবস পালন করেছেন কিংবা ঐ দিনকে কেন্দ্র করে কোন আমল করছেন বলে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। সুতরাং ঐ দিনকে কেন্দ্র করে কোন দিবস পালন করা বা কোন ধরনের আমল করা সম্পূর্ণ বিদ'আত।
সফর মাসের শেষ বুধবারকে ফার্সীতে বলা হয় 'আখেরী চাহার শোম্বা'। নবী (ﷺ) তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে সফর মাসের শেষ বুধবারে অসুস্থতা থেকে সুস্থতা অনুভব করেছিলেন। তাই ঐ দিনকে কেন্দ্র করে তা পালন করা এবং ঐ দিন কলাপাতা কিংবা কাগজে কোন দু'আ লিখে তা ভিজিয়ে ঐ পানি দিয়ে গোসল করা হলে এবং ঐ পানি পান করা হলে সারা বছর রোগমুক্ত থাকা যাবে- এসব আক্বীদা-বিশ্বাস সম্পূর্ণ নব উদ্ভাবিত। রসূলুল্লাহ যেমন ঐ দিনের কোন ফযীলত বর্ণনা করেননি কিংবা ঐ দিনে কাউকে কোন আমল করতে বলেননি, তেমনি কোন সাহাবায়ে কেরামও ঐ দিবস পালন করেছেন কিংবা ঐ দিনকে কেন্দ্র করে কোন আমল করছেন বলে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। সুতরাং ঐ দিনকে কেন্দ্র করে কোন দিবস পালন করা বা কোন ধরনের আমল করা সম্পূর্ণ বিদ'আত।
সফর মাসের শেষ বুধবারকে ফার্সীতে বলা হয় 'আখেরী চাহার শোম্বা'। নবী (ﷺ) তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে সফর মাসের শেষ বুধবারে অসুস্থতা থেকে সুস্থতা অনুভব করেছিলেন। তাই ঐ দিনকে কেন্দ্র করে তা পালন করা এবং ঐ দিন কলাপাতা কিংবা কাগজে কোন দু'আ লিখে তা ভিজিয়ে ঐ পানি দিয়ে গোসল করা হলে এবং ঐ পানি পান করা হলে সারা বছর রোগমুক্ত থাকা যাবে- এসব আক্বীদা-বিশ্বাস সম্পূর্ণ নব উদ্ভাবিত। রসূলুল্লাহ যেমন ঐ দিনের কোন ফযীলত বর্ণনা করেননি কিংবা ঐ দিনে কাউকে কোন আমল করতে বলেননি, তেমনি কোন সাহাবায়ে কেরামও ঐ দিবস পালন করেছেন কিংবা ঐ দিনকে কেন্দ্র করে কোন আমল করছেন বলে কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। সুতরাং ঐ দিনকে কেন্দ্র করে কোন দিবস পালন করা বা কোন ধরনের আমল করা সম্পূর্ণ বিদ'আত।
📄 শবে মিরাজ-এর রাত্রি উদযাপন করা
রসূল এর মিরাজে গমণ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা এবং রজব মাসের ২৭ তারিখের রাত্রিতে শবে মিরাজের নামে এ রাত্রি উয্যাপন করা ও এতে বিভিন্ন ইবাদতে লিপ্ত হওয়া বিদ'আত। এমনিভাবে হিজরী নব বর্ষ পালন করা এবং এতে শুভেচ্ছা বিনিময় করার ক্ষেত্রে শরীয়তের কোন দলীল নাই। তাছাড়া রজব মাস তথা শবে মিরাজ কে কেন্দ্র করে এবং ফজীলতপূর্ণ মনে করে এ মাসে বিভিন্ন ইবাদত করা বিদ'আত। এ মাসে ওমরাহ্ পালন করা। এটাকে রজবী ওমরাহ্ বলা হয়ে থাকে, বেশী করে নফল নামায পড়া এবং নফল রোযা রাখা, সবই বিদআতের অন্তর্ভূক্ত। কেননা অন্যান্য মাসের উপর রজব মাসের আলাদা কোন ফজীলত নেই। এ মাসের ওমরাহ্, নামায, রোযা এবং অন্য কোন প্রকার ইবাদতে অন্য মাসের চেয়ে অতিরিক্ত কোন সওয়ার পাওয়া যায় না। ১৮৩
টিকাঃ
১৮৩ ড: শাইখ সালেহ বিন ফাউযান (হাফিযাহুল্লাহ)। অনুবাদকঃ শাইখ আব্দুল্লাহ শাহেদ মাদানী। দাঈ ও শিক্ষক হিসেবে কর্মরত: জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদী আরব।
রসূল এর মিরাজে গমণ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা এবং রজব মাসের ২৭ তারিখের রাত্রিতে শবে মিরাজের নামে এ রাত্রি উয্যাপন করা ও এতে বিভিন্ন ইবাদতে লিপ্ত হওয়া বিদ'আত। এমনিভাবে হিজরী নব বর্ষ পালন করা এবং এতে শুভেচ্ছা বিনিময় করার ক্ষেত্রে শরীয়তের কোন দলীল নাই। তাছাড়া রজব মাস তথা শবে মিরাজ কে কেন্দ্র করে এবং ফজীলতপূর্ণ মনে করে এ মাসে বিভিন্ন ইবাদত করা বিদ'আত। এ মাসে ওমরাহ্ পালন করা। এটাকে রজবী ওমরাহ্ বলা হয়ে থাকে, বেশী করে নফল নামায পড়া এবং নফল রোযা রাখা, সবই বিদআতের অন্তর্ভূক্ত। কেননা অন্যান্য মাসের উপর রজব মাসের আলাদা কোন ফজীলত নেই। এ মাসের ওমরাহ্, নামায, রোযা এবং অন্য কোন প্রকার ইবাদতে অন্য মাসের চেয়ে অতিরিক্ত কোন সওয়ার পাওয়া যায় না। ১৮৩
টিকাঃ
১৮৩ ড: শাইখ সালেহ বিন ফাউযান (হাফিযাহুল্লাহ)। অনুবাদকঃ শাইখ আব্দুল্লাহ শাহেদ মাদানী। দাঈ ও শিক্ষক হিসেবে কর্মরত: জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদী আরব।
রসূল এর মিরাজে গমণ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা এবং রজব মাসের ২৭ তারিখের রাত্রিতে শবে মিরাজের নামে এ রাত্রি উয্যাপন করা ও এতে বিভিন্ন ইবাদতে লিপ্ত হওয়া বিদ'আত। এমনিভাবে হিজরী নব বর্ষ পালন করা এবং এতে শুভেচ্ছা বিনিময় করার ক্ষেত্রে শরীয়তের কোন দলীল নাই। তাছাড়া রজব মাস তথা শবে মিরাজ কে কেন্দ্র করে এবং ফজীলতপূর্ণ মনে করে এ মাসে বিভিন্ন ইবাদত করা বিদ'আত। এ মাসে ওমরাহ্ পালন করা। এটাকে রজবী ওমরাহ্ বলা হয়ে থাকে, বেশী করে নফল নামায পড়া এবং নফল রোযা রাখা, সবই বিদআতের অন্তর্ভূক্ত। কেননা অন্যান্য মাসের উপর রজব মাসের আলাদা কোন ফজীলত নেই। এ মাসের ওমরাহ্, নামায, রোযা এবং অন্য কোন প্রকার ইবাদতে অন্য মাসের চেয়ে অতিরিক্ত কোন সওয়ার পাওয়া যায় না। ১৮৩
টিকাঃ
১৮৩ ড: শাইখ সালেহ বিন ফাউযান (হাফিযাহুল্লাহ)। অনুবাদকঃ শাইখ আব্দুল্লাহ শাহেদ মাদানী। দাঈ ও শিক্ষক হিসেবে কর্মরত: জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদী আরব।
📄 শবে বরাত পালন করা
শবে বরাতের এ আয়োজন শুধুমাত্র বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ অনারব দেশসমূহেই দেখা যায়। প্রিয় পাঠক মন্ডলী! শবে বরাত উপলক্ষে আমাদের দেশের রেডিও, টেলিভিশন, ওয়াজ মাহফিল ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে শবে বরাতের পক্ষে বিশেষ প্রচারণা চালনা হয় এমনকি ঐ দিন সরকারী ছুটি পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা এর পিছনে ব্যয় করা হয়ে থাকে। অথচ এর কোন শরঈ ভিত্তি নেই। মুসলিম জাতির উচিৎ এ বিদ'আত থেকে বিরত থাকা। পরিতাপের বিষয় এই যে, অনেকেই এ বিদ'আতকে বিদ'আতে হাসানাহ বলে থাকে। আসলে বিদ'আতে হাসানাহ বলতে কিছু নেই।
ইসলামের নামে তৈরীকৃত সকল বিদ'আতই মন্দ, হাসানাহ বা ভাল বিদ'আত নামে কোন বিদ'আতের অস্তিত্ব নেই। রসূল তাঁর এক খুতবায় আরও বলেছেনঃ
إِنَّ أَصْدَقَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللهِ وَأَحْسَنَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلالَةٌ وَكُلُّ ضَلالَةٍ فِي النَّارِ. رواه مسلم والنسائي واللفظ للنسائي
"নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদ'আত এবং প্রত্যেক বিদ'আত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম। ১৮৪
অথচ আরব দেশসমূহে এর তৎপরতা নেই বললেই চলে। বিশেষ করে ইসলামের প্রাণ কেন্দ্র সৌদী আরবে শবে বরাত পালনের কোন অস্তিত্বই দেখা যায় না। মক্কা-মদীনার সম্মানিত ইমামগণের কেউ কোন দিন শবে বরাত উদ্যাপন করার প্রতি জনগণকে উৎসাহিত করেন না। কারণ তারা ভাল করেই জানেন যে এটি দ্বীনের কোন অংশ নয় বরং তা একটি নব আবিষ্কৃত বিদ'আত।
টিকাঃ
১৮৪ সহীহ মুসলিম, হাঃ ১৫৩৫, সুনান আন-নাসাঈ, হাঃ ১৫৬০
শবে বরাতের এ আয়োজন শুধুমাত্র বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ অনারব দেশসমূহেই দেখা যায়। প্রিয় পাঠক মন্ডলী! শবে বরাত উপলক্ষে আমাদের দেশের রেডিও, টেলিভিশন, ওয়াজ মাহফিল ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে শবে বরাতের পক্ষে বিশেষ প্রচারণা চালনা হয় এমনকি ঐ দিন সরকারী ছুটি পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা এর পিছনে ব্যয় করা হয়ে থাকে। অথচ এর কোন শরঈ ভিত্তি নেই। মুসলিম জাতির উচিৎ এ বিদ'আত থেকে বিরত থাকা। পরিতাপের বিষয় এই যে, অনেকেই এ বিদ'আতকে বিদ'আতে হাসানাহ বলে থাকে। আসলে বিদ'আতে হাসানাহ বলতে কিছু নেই।
ইসলামের নামে তৈরীকৃত সকল বিদ'আতই মন্দ, হাসানাহ বা ভাল বিদ'আত নামে কোন বিদ'আতের অস্তিত্ব নেই। রসূল তাঁর এক খুতবায় আরও বলেছেনঃ
إِنَّ أَصْدَقَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللهِ وَأَحْسَنَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلالَةٌ وَكُلُّ ضَلالَةٍ فِي النَّارِ. رواه مسلم والنسائي واللفظ للنسائي
"নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদ'আত এবং প্রত্যেক বিদ'আত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম। ১৮৪
অথচ আরব দেশসমূহে এর তৎপরতা নেই বললেই চলে। বিশেষ করে ইসলামের প্রাণ কেন্দ্র সৌদী আরবে শবে বরাত পালনের কোন অস্তিত্বই দেখা যায় না। মক্কা-মদীনার সম্মানিত ইমামগণের কেউ কোন দিন শবে বরাত উদ্যাপন করার প্রতি জনগণকে উৎসাহিত করেন না। কারণ তারা ভাল করেই জানেন যে এটি দ্বীনের কোন অংশ নয় বরং তা একটি নব আবিষ্কৃত বিদ'আত।
টিকাঃ
১৮৪ সহীহ মুসলিম, হাঃ ১৫৩৫, সুনান আন-নাসাঈ, হাঃ ১৫৬০
শবে বরাতের এ আয়োজন শুধুমাত্র বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ অনারব দেশসমূহেই দেখা যায়। প্রিয় পাঠক মন্ডলী! শবে বরাত উপলক্ষে আমাদের দেশের রেডিও, টেলিভিশন, ওয়াজ মাহফিল ও বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে শবে বরাতের পক্ষে বিশেষ প্রচারণা চালনা হয় এমনকি ঐ দিন সরকারী ছুটি পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা এর পিছনে ব্যয় করা হয়ে থাকে। অথচ এর কোন শরঈ ভিত্তি নেই। মুসলিম জাতির উচিৎ এ বিদ'আত থেকে বিরত থাকা। পরিতাপের বিষয় এই যে, অনেকেই এ বিদ'আতকে বিদ'আতে হাসানাহ বলে থাকে। আসলে বিদ'আতে হাসানাহ বলতে কিছু নেই।
ইসলামের নামে তৈরীকৃত সকল বিদ'আতই মন্দ, হাসানাহ বা ভাল বিদ'আত নামে কোন বিদ'আতের অস্তিত্ব নেই। রসূল তাঁর এক খুতবায় আরও বলেছেনঃ
إِنَّ أَصْدَقَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللهِ وَأَحْسَنَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلالَةٌ وَكُلُّ ضَلالَةٍ فِي النَّارِ. رواه مسلم والنسائي واللفظ للنسائي
"নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদ'আত এবং প্রত্যেক বিদ'আত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম। ১৮৪
অথচ আরব দেশসমূহে এর তৎপরতা নেই বললেই চলে। বিশেষ করে ইসলামের প্রাণ কেন্দ্র সৌদী আরবে শবে বরাত পালনের কোন অস্তিত্বই দেখা যায় না। মক্কা-মদীনার সম্মানিত ইমামগণের কেউ কোন দিন শবে বরাত উদ্যাপন করার প্রতি জনগণকে উৎসাহিত করেন না। কারণ তারা ভাল করেই জানেন যে এটি দ্বীনের কোন অংশ নয় বরং তা একটি নব আবিষ্কৃত বিদ'আত।
টিকাঃ
১৮৪ সহীহ মুসলিম, হাঃ ১৫৩৫, সুনান আন-নাসাঈ, হাঃ ১৫৬০
📄 শরীয়তের দৃষ্টিতে ‘ঈদে মীলাদুন্নাবী বা মীলাদ মাহফিল এবং কিয়াম - নব আবিষ্কৃত বিদ‘আত
ঈদে মিলাদুন্নবী কিংবা মিলাদ মাহফিল পালন করা বিদ'আত। তেমনিভাবে জন্মদিন পালন করা, জন্মঅষ্টমী (হিন্দু), বড়দিন (খ্রিস্টান), মিলাদুন্নবী একই কথা একই ও কাজ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা এ প্রসঙ্গে বলছেন- হে মানুষ, তোমরা যারা (আল্লাহর উপর) ঈমান এনেছো, তোমরা যদি অমুসলিমদের অনুসরন করতে শুরু করো তাহলে এরা তোমাদের পূর্ববর্তী (জাহেলিয়াতের) অবস্হা ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। ফলে তোমরা নিদারুন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরবে। ১৮৫
অথচ আমাদের সমাজে বর্তমানে যেসব জঘন্য বিদ'আত অত্যন্ত ব্যাপকভাবে বিদ্যমান তন্মধ্যে অন্যতম হলো- রাবী'উল আওয়াল মাসে রসূলুল্লাহ এর জন্মদিন পালন বা 'ঈদে মীলাদুন্নাবী' উদযাপন। এই মীলাদুন্নাবী অনুষ্ঠান তা যেভাবেই পালন বা উদযাপন করা হোক না কেন কিংবা যে কোন উদ্দেশ্যেই করা হোক না কেন, ইসলামী শারী'য়াতে সর্বাবস্থায় এটি বিদ'আত ও নিষিদ্ধ গর্হিত কাজ। এটি উত্তম যুগের অনেক পরে ইসলামের মধ্যে নব-আবিষ্কৃত একটি কাজ। অথচ আল্লাহ তা'আলা সব অবস্থায় রসূল এর আনুগত্য করার নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতা'আলা বলেছেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلا
"হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর ও রাসূলের আনুগত্য কর আর তোমাদের মধ্যে যারা কর্তৃত্বের অধিকারী তাদের আনুগত্য কর; অতঃপর যদি কোন বিষয়ে তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও; যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখ, এটাই কল্যাণকর এবং শ্রেষ্ঠতর সমাধান। "১৮৬
টিকাঃ
১৮৫ সূরা আল ইমরান: ১৪৯
১৮৬ সূরা নিসা: ৫৯
ঈদে মিলাদুন্নবী কিংবা মিলাদ মাহফিল পালন করা বিদ'আত। তেমনিভাবে জন্মদিন পালন করা, জন্মঅষ্টমী (হিন্দু), বড়দিন (খ্রিস্টান), মিলাদুন্নবী একই কথা একই ও কাজ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা এ প্রসঙ্গে বলছেন- হে মানুষ, তোমরা যারা (আল্লাহর উপর) ঈমান এনেছো, তোমরা যদি অমুসলিমদের অনুসরন করতে শুরু করো তাহলে এরা তোমাদের পূর্ববর্তী (জাহেলিয়াতের) অবস্হা ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। ফলে তোমরা নিদারুন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরবে। ১৮৫
অথচ আমাদের সমাজে বর্তমানে যেসব জঘন্য বিদ'আত অত্যন্ত ব্যাপকভাবে বিদ্যমান তন্মধ্যে অন্যতম হলো- রাবী'উল আওয়াল মাসে রসূলুল্লাহ এর জন্মদিন পালন বা 'ঈদে মীলাদুন্নাবী' উদযাপন। এই মীলাদুন্নাবী অনুষ্ঠান তা যেভাবেই পালন বা উদযাপন করা হোক না কেন কিংবা যে কোন উদ্দেশ্যেই করা হোক না কেন, ইসলামী শারী'য়াতে সর্বাবস্থায় এটি বিদ'আত ও নিষিদ্ধ গর্হিত কাজ। এটি উত্তম যুগের অনেক পরে ইসলামের মধ্যে নব-আবিষ্কৃত একটি কাজ। অথচ আল্লাহ তা'আলা সব অবস্থায় রসূল এর আনুগত্য করার নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতা'আলা বলেছেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلا
"হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর ও রাসূলের আনুগত্য কর আর তোমাদের মধ্যে যারা কর্তৃত্বের অধিকারী তাদের আনুগত্য কর; অতঃপর যদি কোন বিষয়ে তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও; যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখ, এটাই কল্যাণকর এবং শ্রেষ্ঠতর সমাধান। "১৮৬
টিকাঃ
১৮৫ সূরা আল ইমরান: ১৪৯
১৮৬ সূরা নিসা: ৫৯
ঈদে মিলাদুন্নবী কিংবা মিলাদ মাহফিল পালন করা বিদ'আত। তেমনিভাবে জন্মদিন পালন করা, জন্মঅষ্টমী (হিন্দু), বড়দিন (খ্রিস্টান), মিলাদুন্নবী একই কথা একই ও কাজ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা এ প্রসঙ্গে বলছেন- হে মানুষ, তোমরা যারা (আল্লাহর উপর) ঈমান এনেছো, তোমরা যদি অমুসলিমদের অনুসরন করতে শুরু করো তাহলে এরা তোমাদের পূর্ববর্তী (জাহেলিয়াতের) অবস্হা ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। ফলে তোমরা নিদারুন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরবে। ১৮৫
অথচ আমাদের সমাজে বর্তমানে যেসব জঘন্য বিদ'আত অত্যন্ত ব্যাপকভাবে বিদ্যমান তন্মধ্যে অন্যতম হলো- রাবী'উল আওয়াল মাসে রসূলুল্লাহ এর জন্মদিন পালন বা 'ঈদে মীলাদুন্নাবী' উদযাপন। এই মীলাদুন্নাবী অনুষ্ঠান তা যেভাবেই পালন বা উদযাপন করা হোক না কেন কিংবা যে কোন উদ্দেশ্যেই করা হোক না কেন, ইসলামী শারী'য়াতে সর্বাবস্থায় এটি বিদ'আত ও নিষিদ্ধ গর্হিত কাজ। এটি উত্তম যুগের অনেক পরে ইসলামের মধ্যে নব-আবিষ্কৃত একটি কাজ। অথচ আল্লাহ তা'আলা সব অবস্থায় রসূল এর আনুগত্য করার নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতা'আলা বলেছেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ إِنْ كُنْتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ذَلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلا
"হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর ও রাসূলের আনুগত্য কর আর তোমাদের মধ্যে যারা কর্তৃত্বের অধিকারী তাদের আনুগত্য কর; অতঃপর যদি কোন বিষয়ে তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও; যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখ, এটাই কল্যাণকর এবং শ্রেষ্ঠতর সমাধান। "১৮৬
টিকাঃ
১৮৫ সূরা আল ইমরান: ১৪৯
১৮৬ সূরা নিসা: ৫৯