📘 সালফে সালেহীনের দৃষ্টিতে বিদআত > 📄 পরিচিতি- পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ

📄 পরিচিতি- পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ


এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।

📘 সালফে সালেহীনের দৃষ্টিতে বিদআত > 📄 বিদ‘আতের বৈশিষ্ট্য

📄 বিদ‘আতের বৈশিষ্ট্য


বিদ'আতের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ -
১। বিদ'আতকে বিদ'আত হিসেবে চেনার জন্য সুনির্দিষ্ট কোন দলীল পাওয়া যায় না তবে তা নিদ্ধি হওয়ার ব্যাপারে মূলনীতিগত 'আম ও সাধারনণ দলীল পাওয়া যায়।
২। বিদ'আত সবসময়ই শরীয়তের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য ও মাকাসিদ এর বিপরীত ও বিরোধী অবস্থানে থাকে আর এ বিষয়টিই বিদ'আত নিকৃষ্ট ও বাতিল হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমান। এ জন্যই হাদীসে বিদ'আতকে ভ্রষ্টতা বলে অভিহিত করা হয়েছে।
৩। বিদ'আতের সাথে শরীয়তের কোন কোন ইবাদতের কিছু মিল থাকে। উপরোক্ত বৈশিষ্ট্য ও সংজ্ঞাগুলোর আলোকে বিদ'আত সম্পর্কে আরও সুতরাং বলা যায় যে, যে সকল বিশ্বাস ও কাজকে দ্বীনের অংশ মনে করে অথবা সওয়াব হবে ধারণা করে 'আমল করা হয় তা বিদ'আত। হাদীসে এসেছে- আয়িশা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলে কারীম বলেছেনঃ
مَنْ أَحْدَثَ فِي أَمْرِنَا هَذَا مَا لَيْسَ مِنْهُ فَهُوَ رَدٌّ
"আমাদের এ দ্বীনে যে এমন কিছু আবিষ্কার করল যা তার অন্তর্ভুক্ত নয়, তা পরিত্যক্ত।”৬৩
উপরোক্ত হাদীস দ্বারা স্পষ্ট হল যে, নতুন আবিষ্কৃত বিষয়টি যদি ধর্মের অন্তর্ভুক্ত বলে ধরে নেয়া হয় তাহলে তা বিদ'আত ও প্রত্যাখ্যাত। এ হাদীসে "যার প্রতি আমাদের নির্দেশ নেই" বাক্যটি দ্বারা এ কথা বুঝানো হয়েছে যে, বিষয়টি ধর্মীয় হতে হবে। ধর্মীয় বিষয় হিসাবে কোন নতুন 'আমল করলেই বিদ'আত হবে। যেমন-
প্রথমত: দলীলের দিক থেকে এভাবে মিল রয়েছে যে, কোন একটি আম দলীল কিংবা সংশয় অথবা ধারনার ভিত্তিতে বিদ'আতটি প্রচলিত হয় এবং খাস ও দলীলকে পাশ কাটিয়ে এ আম দলীল কিংবা সংশয় অথবা ধারনাটিকে বিদআতের সহীহ ও সঠিক দলীল বলে মনে করা হয়।
দ্বিতীয়ত: শরীয়ত প্রণীত ইবাদতের রূপরেখা ও পদ্ধতির সাথে বিদ'আতের মিল তৈরী করা হয় সংখ্যা, আকার-আকৃতি, সময় বা স্থানের দিক থেকে কিংবা হুকুমের দিক থেকে। এ মিলগুলোর কারণে অনেকে একে বিদ'আত মনে না করে ইবাদত বলে গণ্য করে থাকেন।

টিকাঃ
৬৩ সহীহ বুখারী, হাঃ ২৬৯৭, মুসলিম, হাঃ ১৭১৮, ৪৫৯০, আবু দাউদ, হাঃ ৪৬০৭, ইবনু মাজাহ, হাঃ ১৪, আহমাদ, হাঃ ২৩৯২৯, ২৪৬০৪, ২৪৯৪৪, ২৫৫০২, ২৫৬৫৯, ২৫৭৯৭, হাদীস সম্ভার, হাঃ ১৪৩

📘 সালফে সালেহীনের দৃষ্টিতে বিদআত > 📄 সুন্নাত ও বিদ‘আতের মধ্যে পার্থক্য

📄 সুন্নাত ও বিদ‘আতের মধ্যে পার্থক্য


অন্ধকার না থাকলে যেমন আলোর সন্ধান পাওয়া যায় না। অন্যদিকে চরম ঠান্ডা না থাকলে গরমের তীব্রতা বুঝা যায় না ঠিক তেমনি সুন্নাত না বুঝলে বিদ'আত বুঝা যায় না। মূলতঃ এ কারনেই বলা হয়ে থাকে যে -
تعرف الاشياء بأضدادها
বিদ'আত (السنة) আরবী শব্দ। এর অভিধানিক অর্থঃ
الطريقة محمودة كانت او مذمومة
পন্থা-পদ্ধতি, রীতি, নিয়ম, পথ, স্বভাব ইত্যাদি চাই তা ভাল হোক কিংবা মন্দ হউক তাই বিদ'আত। কুরআন-হাদীসে সুন্নাত (سنة) শব্দটির ব্যবহার: কুরআন এবং হাদীসে এ শব্দটির অধিক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। কুরআন কারীমে সুন্নাত শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে প্রকৃতি, রীতি ও নিয়ম অর্থে। কুরআনে সুন্নাত শব্দটি ১৩ বার ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন: কুরআন মজীদে বলা হয়েছে যে-
اسْتِكْبَارًا فِي الْأَرْضِ وَمَكْرَ السَّيِّئِ وَلَا يَحِيقُ الْمَكْرُ السَّيِّئُ إِلَّا بِأَهْلِهِ ۚ فَهَلْ يَنْظُرُونَ إِلَّا سُنَّتَ الْأَوَّلِينَ فَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّتِ اللَّهِ تَبْدِيلًا ۖ وَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّتِ اللَّهِ تَحْوِيلًا
"যমীনে উদ্ধত আচরণ ও কূটচক্রান্তের কারণে। কিন্তু কূটচক্রান্ত কেবল তার ধারককেই পরিবেষ্টন করবে। তবে কি তারা পূর্ববর্তীদের (উপর আল্লাহর) বিধানের অপেক্ষা করছে? কিন্তু তুমি আল্লাহর বিধানের কখনই কোন পরিবর্তন পাবে না এবং তুমি আল্লাহর বিধানের কখনই কোন ব্যতিক্রমও দেখতে পাবে না।" ৬৪
বস্তুতঃ সুন্নাত শব্দগতভাবে নিয়ম বা পদ্ধতি অর্থে ব্যবহৃত হয়। এর বহুবচন হলো সুনান। সুন্নাত শব্দটি পবিত্র কুরআনে আল্লাহর জন্য যেমন ব্যবহৃত হয়েছে তেমনি পূর্ববর্তী জাতিসমূহের ক্ষেত্রেও এসেছে, যেমনঃ
سُنَّةَ اللَّهِ الَّتِي قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلُ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّةِ اللَّهِ تَبْدِيلًا
আল্লাহর নীতি পূর্ব হতেই এরূপ (যে, সত্য মিথ্যার উপর বিজয়ী হবে) এবং আল্লাহর নীতিতে কোন পরিবর্তন নেই। ৬৫
অন্যত্র বলেছেন:
فَقَدْ مَضَتْ سُنَّتُ الْأَوَّلِينَ
(তাদের জন্যও) পূর্ববর্তীদের পথ (পূর্ববর্তীদের জন্য আল্লাহর অনুসৃত রীতি) নির্ধারিত হয়ে গেছে। ৬৬
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে, রসুল কর্তৃক অনুসৃত মতে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক সকল কর্মনীতিই হলো সুন্নাত। আর এ নীতিতে কোন প্রকার পরিবর্তন পরিবর্ধন ও বিকৃতি সাইনেরই অপর নাম হলো বিদ'আত। এ প্রসঙ্গে আল্লামা শাওকানী বলেন-
وتطلق في الشرع على مقابلة السنة
সুন্নত ও বিদ'আতের পার্থক্যের কিছু উদাহরণঃ যেমন -
এক - পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে আজান - এক্বামত আছে, কিন্তু খুতবা নাই। পক্ষান্তরে জুমআর নামাজে খুতবা আছে।
দুই - ঈদের নামাজ ও জানাযার নামাজে আযান এক্বামত নেই। এখন যদি কেউ নিজের মনগড়া ইচ্ছায় একথা বলে যে, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত এবং ঈদ ও জানাযার সালাত একই তাই এখানে আজান - একামত দিতে হবে এবং জুমআর সালাত ছাড়াও যে সালাতগুলো আছে তাতে খুতবা দিতে হবে, এ ধারণা পোষণকারীর সালাত না হওয়ায় কারণ হলো তার সালাত নবীর দেখানো সুন্নাত তথা ত্বরীকা অনুযায়ী হয় নাই। তাই এটা বিদ'আত হবে।

টিকাঃ
৬৪ সূরা ফাতির: ৪৪
৬৫ সূরা ফাত্হঃ ২৩
৬৬ সূরা আনফালঃ ৩৮

📘 সালফে সালেহীনের দৃষ্টিতে বিদআত > 📄 সুন্নাতের পরিচয়

📄 সুন্নাতের পরিচয়


সুন্নাত শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে, )اَلطَّرِيق( পথ, রাস্তা, নির্দেশনা, নিয়ম ইত্যাদি। সুন্নাহ )السنة( শব্দটি سن - يس থেকে ক্রিয়ামূল। যার অর্থ তরীকা বা পন্থা, পদ্ধতি, রীতিনীতি, হুকুম ইত্যাদি। শরয়ী পারিভাষিক অর্থ উল্লেখ করতে ইবনু মানযুর লিখেনঃ ৬৭
" وإذا أطلقت في الشرع فإنما يراد بها ما أمر به النبي صلى الله عليه وسلم ونهى عنه وندب إليه قولا وفعلا مما لم ينطق به الكتاب العزيز ولهذا يقال في أدلة الشرع الكتاب والسنة أي القرآن والحديث. "
"তবে যখন শরীয়তে সুন্নাত শব্দটি প্রয়োগ করা হয় তখন এর দ্বারা উদ্দেশ্য হয়, নবী যে সব বিষয়ের আদেশ করেছেন, যে সব থেকে নিষেধ করেছেন, কথা ও কর্মের মাধ্যমে যে দিকে আহ্বান করেছেন, যা সম্মানিত কিতাব কুরআনে বলা হয় নি। এ জন্যই বলা হয়, শরীয়তের দলীল কিতাব ও সুন্নাত। অর্থাৎ হাদীস এবং কুরআন।”৬৮
উসূলে ফিকহের কিতাবাদিতে সুন্নাতের সংজ্ঞায় বলা হয়েছেঃ
" السنة في اصطلاح الأصوليين هي ما صدر عن النبي صلى الله عليه وسلم غير القرآن" وهذا يشمل: قوله صلى الله علیه وسلم ، وفعله، وتقريره، وكتابته، وإشارته، وهمه، وتركه " ) معالم اصول الفقة عند اهل السنة والجماعة )
“উসূলীদের পরিভাষায় সুন্নাত হচ্ছে, “কুরআন ছাড়া যা কিছুই নবী থেকে প্রকাশ পেয়েছে” এই সংজ্ঞায় নবী এর কথা, কর্ম, স্বীকৃতি, লিখা, ইঙ্গিত, প্রতিজ্ঞা ও বর্জন সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।”৬৯
আল্লামা শাওকানী (সুন্নাতের সংজ্ঞাটি যেভাবে বর্ণনা করেন: ৭০
" و أما معناها شرعًا: أي: في اصطلاح أهل الشرع فهي : قول النبي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وفعله وتقريره، وتطلق بالمعنى العام على الواجب وغيره في عرف أهل اللغة والحديث، وأما في عرف أهل الفقه فإنما يطلقونها على ما ليس بواجب، وتطلق على ما يقابل البدعة كقولهم : فلان من أهل السنة " . (ارشاد الفحول الى تحقيق الحق من علم الاصول ، الفصل الاول في معنى السنة لغة وشرعاً )
"শরয়ী পরিভাষায় সুন্নাতের অর্থ, অর্থাৎ শরীয়তবিদদের পরিভাষায় সুন্নাত হচ্ছে: নবী এর কথা, কাজ ও সমর্থন। ভাষাবিদ ও হাদীস বিশারদদের নিকট ব্যাপক অর্থে তা ওয়াজিব এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর প্রয়োগ করা হয়। তবে ফিক্বহবিদদের পরিভাষায় তারা ওয়াজিব নয় এমন বিষয়ের উপর সুন্নাতের প্রয়োগ করে থাকেন। এর বিপরীতে বিদ'আত শব্দটি ব্যবহার হয়, যেমন বলা হয়, অমুক আহলুস্-সুন্নাহ।"৭১
উপরের সংজ্ঞা থেকে আমরা বুঝতে পেরেছি যে, ফিক্বহের পরিভাষায় সুন্নাতের একটি অর্থ, ফরয এবং ওয়াজিব ব্যতীত অন্যান্য আমল। তবে সুন্নাতের মৌলিক অর্থ, রসূল এর সার্বিক জীবন আদর্শ। ফরয, ওয়াজিব ও নফল সবকিছুর উপর সুন্নাতের ব্যবহার হাদীসে প্রসিদ্ধ। মোটকথা, রসূল এর জীবন আদর্শই দীন। জীবনাদর্শের বিভিন্ন দিকের গুরুত্বের তারতম্য থেকে বা রসূল এর কথা থেকে ফরয, ওয়াজিব, নফল ইত্যাদি শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে। ইবাদতের মধ্যে সুন্নাতের ব্যতিক্রম মানেই দীনের মধ্যে তাহরিফ বা পরিবর্তন। দীনকে আল্লাহ তা'আলা পরিপূর্ণ করার ঘোষণা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনাদর্শই সর্বোচ্চ আদর্শ বলে ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন। ৭২ তাই কোনো ধরণের কম-বেশি, যোগ-বিয়োগ করার সুযোগ নেই। নবী যখন যে ইবাদত যেভাবে করেছেন তা তখন সেভাবে করতে হবে। এর ব্যতিক্রম করলে তা সুন্নাত বিরোধী বলে অগ্রাহ্য হবে তথা বিদ'আত।
সুতরাং, বলা যায় যে, সুন্নাত হচ্ছে সেই বিশেষ পথ, পন্থা ও পদ্ধতি, যা নবী করীম এর সময় থেকেই দ্বীন ইসলামের ব্যাপারে কোন কাজ করার বা না করার দিক দিয়ে বাস্তবভাবে অনুসরণ করা হয়। এ হিসেবে সুন্নাত হলো সেই মূল আদর্শ, যা আল্লাহ তা'আলা বিশ্ব-মানবের জন্য নাযিল করেছেন এবং যা রসূলুল্লাহ নিজে তাঁর বাস্তব জীবনে অনুসরণ করেছেন। কেননা নবী করীম যা বাস্তবভাবে অনুসরণ করেছেন, তার উৎস হলো ওহী। ওহীর সূত্রে নাযিল হওয়া আদর্শই রসূলুল্লাহ কাজে ও কর্মে অনুসরণ করেছেন। এটাই হচ্ছে সুন্নাত। এ সুন্নাতেরই অপর নাম হচ্ছে ইসলাম। কুরআন মাজীদে এ সুন্নাতকেই সিরাতুল মুস্তাকীম বলে অভিহিত করা হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَأَنَّ هَذَا صِرَاطِي مُسْتَقِيمًا فَاتَّبِعُوهُ وَلَا تَتَّبِعُوا السُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمْ عَنْ سَبِيلِهِ ذَلِكُمْ وَضَاكُمْ بِهِ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ ﴾
এ পথই আমার সরল পথ। সুতরাং তোমরা এরই অনুসরণ করো এবং অন্য কোন পথের অনুসরণ করো না, নতুবা তোমরা তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দেন, যেন তোমরা সাবধান হও।৭৩
এ আয়াত থেকে সিরাতুল মুস্তাকীম বলতে সেই জিনিসকেই বুঝানো হয়েছে, যা বুঝা যায় সুন্নাত শব্দ থেকে। ইমাম শাতেবী (সিরাতুল মুস্তাকীম এর পরিচয় দান প্রসঙ্গে লিখেছেন:
فَالصِّرَاطُ الْمُسْتَقِيمُ هُوَ سَبِيْلُ اللهِ الَّذِي دَعَا إِلَيْهِ وَهُوَ السُّنَّةُ وَالسُّبُلُ هِيَ سُبُلُ أَهْلِ الْاِخْتِلَافِ الْحَائِدِيْنَ عَنِ الصِّرَاطِ الْمُسْتَقِيمِ وَهُمْ أَهْلُ الْبِدَاعِ
অর্থাৎ সিরাতুল মুস্তাকীম হচ্ছে আল্লাহর সেই পথ, যা অনুসরণের জন্য তিনি দাওয়াত দিয়েছেন; এটাই হলো সুন্নাত। আর অন্যান্য পথ বলতে বুঝানো হয়েছে বিরোধ ও বিভেদপন্থীদের পথ, যা মানুষকে সিরাতুল মুস্তাকীম থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। আর তারাই হচ্ছে বিদ'আতপন্থী। ৭৪

টিকাঃ
৬৭ আরবী ভাষার বিশাল শব্দ ভান্ডার সম্বলিত বিখ্যাত অভিধান 'লিসানুল-আরব' এর রচয়িতা আবুল ফযল জামালুদ্দীন ইবনু মানযুর আল-আনসারী, জন্ম: ৬৩০ ওফাত: ৭১১ হিজরী, মোতাবেক: ১২৩২-১৩১১ ঈসায়ী। মূল আফ্রিক্বী বংশীয়, তবে তার জন্ম ও মৃত্যু মিশরে। (আল-আ'লামঃ ৭/১০৮)
৬৮ লিসানুল আরব, প্রাগুক্ত
৬৯ ড. মুহাম্মদ হুসাইন ইবন হাসান, মা'আলিমুল উসূলিল ফিক্বহী 'ইনদা আহলিস্-সুন্নাতি ওয়াল জামা'আহ, দ্বিতীয় আলোচনা, সুন্নাতের সংজ্ঞা, পৃঃ নংঃ ১১৮
৭০ মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ আশ্-শাওকানী। ১১৭৩-১২৫০ হিজরী, ১৭৬০-১৮৩৪ ঈসায়ী। ইয়ামান এর সান'আর ফক্বীহ, মুজতাহিদ। উসুল, হাদীস, ফিক্বহ, তাফসীর সর্ব বিষয়ে তার পান্ডিত্য ও রচনা বিদ্যমান
৭১ আল্লামা শাওকানী, ইরশাদুল ফুহুল ইলা তাহক্বীক্বিল হাক্বি মিন ইলমিল উসুল, প্রথম পরিচ্ছেদ, সুন্নাতের আভিধানিক এবং শরয়ী অর্থ, ১/৯৫
৭২ সূরা আহযাবঃ ২১
৭৩ সূরা আন'আম: ১৫৩
৭৪ আল ই'তিসাম লিইমাম শাতেবী, ১/৫৭

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00