📘 সালাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন > 📄 সুন্নাহ অধ্যয়নে দিক-নির্দেশনা

📄 সুন্নাহ অধ্যয়নে দিক-নির্দেশনা


আধুনিক বিশ্বে যারা এ বিষয়ে অসাধারণ খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন তাদের একজন হলেন শায়েখ কেফায়াতুল্লাহ সানাবেলী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি একজন তরুণ আহলে হাদীস আলেম। বিদআত ও বিদাআতীদের খণ্ডনে তিনি খুবই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। নম্র ভাষা, ক্ষুরধার যুক্তি ও বেশুমার দলীল- দালায়েল দিয়ে গুরু-গম্ভীর তাহকীকী বিষয়কে সহজভাবে তুলে ধরার এক অসাধারণ যোগ্যতা আল্লাহ তাকে দান করেছেন। হাদীস তাহকীকের মত কঠিন বিষয়কে তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করেন। তার বুকে انوار البدر في وضع اليدين علي الصدر এই গ্রন্থটিতে প্রচুর পরিমাণে তাহকীক ও উসূল রয়েছে, যা আলেমদের বিশেষ করে মুহাদ্দিসদের জন্য উপকারী। বাংলায় এর অনুবাদ এই প্রথমবারের মতো হল। আল-হামদুলিল্লাহ।

আধুনিক বিশ্বে যারা এ বিষয়ে অসাধারণ খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন তাদের একজন হলেন শায়েখ কেফায়াতুল্লাহ সানাবেলী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি একজন তরুণ আহলে হাদীস আলেম। বিদআত ও বিদাআতীদের খণ্ডনে তিনি খুবই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। নম্র ভাষা, ক্ষুরধার যুক্তি ও বেশুমার দলীল- দালায়েল দিয়ে গুরু-গম্ভীর তাহকীকী বিষয়কে সহজভাবে তুলে ধরার এক অসাধারণ যোগ্যতা আল্লাহ তাকে দান করেছেন। হাদীস তাহকীকের মত কঠিন বিষয়কে তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করেন। তার বুকে انوار البدر في وضع اليدين علي الصدر এই গ্রন্থটিতে প্রচুর পরিমাণে তাহকীক ও উসূল রয়েছে, যা আলেমদের বিশেষ করে মুহাদ্দিসদের জন্য উপকারী। বাংলায় এর অনুবাদ এই প্রথমবারের মতো হল। আল-হামদুলিল্লাহ।

আধুনিক বিশ্বে যারা এ বিষয়ে অসাধারণ খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন তাদের একজন হলেন শায়েখ কেফায়াতুল্লাহ সানাবেলী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি একজন তরুণ আহলে হাদীস আলেম। বিদআত ও বিদাআতীদের খণ্ডনে তিনি খুবই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। নম্র ভাষা, ক্ষুরধার যুক্তি ও বেশুমার দলীল- দালায়েল দিয়ে গুরু-গম্ভীর তাহকীকী বিষয়কে সহজভাবে তুলে ধরার এক অসাধারণ যোগ্যতা আল্লাহ তাকে দান করেছেন। হাদীস তাহকীকের মত কঠিন বিষয়কে তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করেন। তার বুকে انوار البدر في وضع اليدين علي الصدر এই গ্রন্থটিতে প্রচুর পরিমাণে তাহকীক ও উসূল রয়েছে, যা আলেমদের বিশেষ করে মুহাদ্দিসদের জন্য উপকারী। বাংলায় এর অনুবাদ এই প্রথমবারের মতো হল। আল-হামদুলিল্লাহ।

আধুনিক বিশ্বে যারা এ বিষয়ে অসাধারণ খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন তাদের একজন হলেন শায়েখ কেফায়াতুল্লাহ সানাবেলী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি একজন তরুণ আহলে হাদীস আলেম। বিদআত ও বিদাআতীদের খণ্ডনে তিনি খুবই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। নম্র ভাষা, ক্ষুরধার যুক্তি ও বেশুমার দলীল- দালায়েল দিয়ে গুরু-গম্ভীর তাহকীকী বিষয়কে সহজভাবে তুলে ধরার এক অসাধারণ যোগ্যতা আল্লাহ তাকে দান করেছেন। হাদীস তাহকীকের মত কঠিন বিষয়কে তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করেন। তার বুকে انوار البدر في وضع اليدين علي الصدر এই গ্রন্থটিতে প্রচুর পরিমাণে তাহকীক ও উসূল রয়েছে, যা আলেমদের বিশেষ করে মুহাদ্দিসদের জন্য উপকারী। বাংলায় এর অনুবাদ এই প্রথমবারের মতো হল। আল-হামদুলিল্লাহ।

আধুনিক বিশ্বে যারা এ বিষয়ে অসাধারণ খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন তাদের একজন হলেন শায়েখ কেফায়াতুল্লাহ সানাবেলী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি একজন তরুণ আহলে হাদীস আলেম। বিদআত ও বিদাআতীদের খণ্ডনে তিনি খুবই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। নম্র ভাষা, ক্ষুরধার যুক্তি ও বেশুমার দলীল- দালায়েল দিয়ে গুরু-গম্ভীর তাহকীকী বিষয়কে সহজভাবে তুলে ধরার এক অসাধারণ যোগ্যতা আল্লাহ তাকে দান করেছেন। হাদীস তাহকীকের মত কঠিন বিষয়কে তিনি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করেন। তার বুকে انوار البدر في وضع اليدين علي الصدر এই গ্রন্থটিতে প্রচুর পরিমাণে তাহকীক ও উসূল রয়েছে, যা আলেমদের বিশেষ করে মুহাদ্দিসদের জন্য উপকারী। বাংলায় এর অনুবাদ এই প্রথমবারের মতো হল। আল-হামদুলিল্লাহ।

📘 সালাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন > 📄 পশ্চিমা সমাজের প্রেক্ষাপটে সুন্নাহ

📄 পশ্চিমা সমাজের প্রেক্ষাপটে সুন্নাহ


সলাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন। প্রথম প্রকাশ: অক্টোবর ২০২২। প্রকাশনায়: দারুল কারার পাবলিকেশন্স, ৩৪ নর্থব্রুক হল রোড, মাদরাসা মার্কেট, ২য় তলা, দোকান-৫৯, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০। অনলাইন পরিবেশনা: tawheedpublicationsbd.com I rokomari.com I wafilife.com ikhlasstore.com I alokitoboibitan.com I niyamahshop.com boibazar.com I ruhamashop.com I boighor.com islamicboighor.com I kitabghor.com I Sunnah Bookshop Anaaba Books I Darus Sunnah Shop I Salafi online bookshop. এ গ্রন্থটিতে তাহকীকী আলোচনা দ্বারা প্রমাণ করা হয়েছে যে, বুকে হাত বাঁধাই হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম রাযিআল্লাহু আনহুমদের আমল। নাভীর নিচে হাত বাঁধার কোন গ্রহণযোগ্য হাদীস নেই। সুতরাং এ আমল বর্জনযোগ্য।

সলাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন। প্রথম প্রকাশ: অক্টোবর ২০২২। প্রকাশনায়: দারুল কারার পাবলিকেশন্স, ৩৪ নর্থব্রুক হল রোড, মাদরাসা মার্কেট, ২য় তলা, দোকান-৫৯, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০। অনলাইন পরিবেশনা: tawheedpublicationsbd.com I rokomari.com I wafilife.com ikhlasstore.com I alokitoboibitan.com I niyamahshop.com boibazar.com I ruhamashop.com I boighor.com islamicboighor.com I kitabghor.com I Sunnah Bookshop Anaaba Books I Darus Sunnah Shop I Salafi online bookshop. এ গ্রন্থটিতে তাহকীকী আলোচনা দ্বারা প্রমাণ করা হয়েছে যে, বুকে হাত বাঁধাই হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম রাযিআল্লাহু আনহুমদের আমল। নাভীর নিচে হাত বাঁধার কোন গ্রহণযোগ্য হাদীস নেই। সুতরাং এ আমল বর্জনযোগ্য।

সলাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন। প্রথম প্রকাশ: অক্টোবর ২০২২। প্রকাশনায়: দারুল কারার পাবলিকেশন্স, ৩৪ নর্থব্রুক হল রোড, মাদরাসা মার্কেট, ২য় তলা, দোকান-৫৯, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০। অনলাইন পরিবেশনা: tawheedpublicationsbd.com I rokomari.com I wafilife.com ikhlasstore.com I alokitoboibitan.com I niyamahshop.com boibazar.com I ruhamashop.com I boighor.com islamicboighor.com I kitabghor.com I Sunnah Bookshop Anaaba Books I Darus Sunnah Shop I Salafi online bookshop. এ গ্রন্থটিতে তাহকীকী আলোচনা দ্বারা প্রমাণ করা হয়েছে যে, বুকে হাত বাঁধাই হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম রাযিআল্লাহু আনহুমদের আমল। নাভীর নিচে হাত বাঁধার কোন গ্রহণযোগ্য হাদীস নেই। সুতরাং এ আমল বর্জনযোগ্য।

সলাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন। প্রথম প্রকাশ: অক্টোবর ২০২২। প্রকাশনায়: দারুল কারার পাবলিকেশন্স, ৩৪ নর্থব্রুক হল রোড, মাদরাসা মার্কেট, ২য় তলা, দোকান-৫৯, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০। অনলাইন পরিবেশনা: tawheedpublicationsbd.com I rokomari.com I wafilife.com ikhlasstore.com I alokitoboibitan.com I niyamahshop.com boibazar.com I ruhamashop.com I boighor.com islamicboighor.com I kitabghor.com I Sunnah Bookshop Anaaba Books I Darus Sunnah Shop I Salafi online bookshop. এ গ্রন্থটিতে তাহকীকী আলোচনা দ্বারা প্রমাণ করা হয়েছে যে, বুকে হাত বাঁধাই হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম রাযিআল্লাহু আনহুমদের আমল। নাভীর নিচে হাত বাঁধার কোন গ্রহণযোগ্য হাদীস নেই। সুতরাং এ আমল বর্জনযোগ্য।

সলাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন। প্রথম প্রকাশ: অক্টোবর ২০২২। প্রকাশনায়: দারুল কারার পাবলিকেশন্স, ৩৪ নর্থব্রুক হল রোড, মাদরাসা মার্কেট, ২য় তলা, দোকান-৫৯, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০। অনলাইন পরিবেশনা: tawheedpublicationsbd.com I rokomari.com I wafilife.com ikhlasstore.com I alokitoboibitan.com I niyamahshop.com boibazar.com I ruhamashop.com I boighor.com islamicboighor.com I kitabghor.com I Sunnah Bookshop Anaaba Books I Darus Sunnah Shop I Salafi online bookshop. এ গ্রন্থটিতে তাহকীকী আলোচনা দ্বারা প্রমাণ করা হয়েছে যে, বুকে হাত বাঁধাই হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম রাযিআল্লাহু আনহুমদের আমল। নাভীর নিচে হাত বাঁধার কোন গ্রহণযোগ্য হাদীস নেই। সুতরাং এ আমল বর্জনযোগ্য।

📘 সালাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন > 📄 সুন্নাহ শব্দের প্রকৃত অর্থ

📄 সুন্নাহ শব্দের প্রকৃত অর্থ


এই হাদীসে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা'-এর উপর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যিরা দ্বারা মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত অংশকে বলা হয়। যেমন- হারবী রচিত গরীবুল হাদীস গ্রন্থে আছে ‘কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়’। এছাড়াও অভিধানের গ্রন্থগুলিতেও যিরা-এর এই অর্থটিই লিখিত আছে। যেমন দেখুন লিসানুল আরব, তাজুল আরূস, কিতাবুল আইন, আল-মুজামুল ওয়াসীত, তাহযীবুল লুগাহ, কিতাবুল কুল্লিয়াত ইত্যাদি। দারুল উলূম দেওবন্দের সাবেক আদবের (আরবী সাহিত্য) উস্তাদ মাওলানা ওয়াহীদুয যামান কাসেমী কিরানবী রহিমাহুল্লাহ 'যিরা'-এর এই অর্থ লিখেছেন যে, 'কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত'। অভিধানের উপরোল্লিখিত গ্রন্থগুলি দ্বারা প্রতীয়মান হল যে, কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়। আর বুখারীর উল্লিখিত হাদীসে বাম হাতের 'যিরা' অর্থাৎ কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত পুরো অংশের উপর ডান হাত রাখার হুকুম রয়েছে। এখন যদি এই হাদীসের উপর আমল করতে গিয়ে ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা' (কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত)-এর উপর রাখেন তাহলে উভয় হাত স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বুকের উপর এসে যাবে। বাস্তবে অনুশীলন করে দেখুন।

টিকাঃ
৩. দেখুন: আল্লামা বদীউদ্দীন শাহ রাশিদী রচিত নামায মে খুশূ আওর আজিযী পৃ. ৭-৮।
৪. দেখুন: তার রচিত গ্রন্থ আল-কামূসুল জাদীদ (আরবী-উর্দু) পৃ. ৩০৮, কুতুব খানায়ে হুসাইনিয়াহ দেওবন্দ, ইউপি।

এই হাদীসে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা'-এর উপর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যিরা দ্বারা মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত অংশকে বলা হয়। যেমন- হারবী রচিত গরীবুল হাদীস গ্রন্থে আছে ‘কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়’। এছাড়াও অভিধানের গ্রন্থগুলিতেও যিরা-এর এই অর্থটিই লিখিত আছে। যেমন দেখুন লিসানুল আরব, তাজুল আরূস, কিতাবুল আইন, আল-মুজামুল ওয়াসীত, তাহযীবুল লুগাহ, কিতাবুল কুল্লিয়াত ইত্যাদি। দারুল উলূম দেওবন্দের সাবেক আদবের (আরবী সাহিত্য) উস্তাদ মাওলানা ওয়াহীদুয যামান কাসেমী কিরানবী রহিমাহুল্লাহ 'যিরা'-এর এই অর্থ লিখেছেন যে, 'কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত'। অভিধানের উপরোল্লিখিত গ্রন্থগুলি দ্বারা প্রতীয়মান হল যে, কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়। আর বুখারীর উল্লিখিত হাদীসে বাম হাতের 'যিরা' অর্থাৎ কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত পুরো অংশের উপর ডান হাত রাখার হুকুম রয়েছে। এখন যদি এই হাদীসের উপর আমল করতে গিয়ে ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা' (কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত)-এর উপর রাখেন তাহলে উভয় হাত স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বুকের উপর এসে যাবে। বাস্তবে অনুশীলন করে দেখুন।

টিকাঃ
৩. দেখুন: আল্লামা বদীউদ্দীন শাহ রাশিদী রচিত নামায মে খুশূ আওর আজিযী পৃ. ৭-৮।
৪. দেখুন: তার রচিত গ্রন্থ আল-কামূসুল জাদীদ (আরবী-উর্দু) পৃ. ৩০৮, কুতুব খানায়ে হুসাইনিয়াহ দেওবন্দ, ইউপি।

এই হাদীসে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা'-এর উপর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যিরা দ্বারা মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত অংশকে বলা হয়। যেমন- হারবী রচিত গরীবুল হাদীস গ্রন্থে আছে ‘কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়’। এছাড়াও অভিধানের গ্রন্থগুলিতেও যিরা-এর এই অর্থটিই লিখিত আছে। যেমন দেখুন লিসানুল আরব, তাজুল আরূস, কিতাবুল আইন, আল-মুজামুল ওয়াসীত, তাহযীবুল লুগাহ, কিতাবুল কুল্লিয়াত ইত্যাদি। দারুল উলূম দেওবন্দের সাবেক আদবের (আরবী সাহিত্য) উস্তাদ মাওলানা ওয়াহীদুয যামান কাসেমী কিরানবী রহিমাহুল্লাহ 'যিরা'-এর এই অর্থ লিখেছেন যে, 'কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত'। অভিধানের উপরোল্লিখিত গ্রন্থগুলি দ্বারা প্রতীয়মান হল যে, কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়। আর বুখারীর উল্লিখিত হাদীসে বাম হাতের 'যিরা' অর্থাৎ কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত পুরো অংশের উপর ডান হাত রাখার হুকুম রয়েছে। এখন যদি এই হাদীসের উপর আমল করতে গিয়ে ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা' (কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত)-এর উপর রাখেন তাহলে উভয় হাত স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বুকের উপর এসে যাবে। বাস্তবে অনুশীলন করে দেখুন।

টিকাঃ
৩. দেখুন: আল্লামা বদীউদ্দীন শাহ রাশিদী রচিত নামায মে খুশূ আওর আজিযী পৃ. ৭-৮।
৪. দেখুন: তার রচিত গ্রন্থ আল-কামূসুল জাদীদ (আরবী-উর্দু) পৃ. ৩০৮, কুতুব খানায়ে হুসাইনিয়াহ দেওবন্দ, ইউপি।

এই হাদীসে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা'-এর উপর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যিরা দ্বারা মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত অংশকে বলা হয়। যেমন- হারবী রচিত গরীবুল হাদীস গ্রন্থে আছে ‘কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়’। এছাড়াও অভিধানের গ্রন্থগুলিতেও যিরা-এর এই অর্থটিই লিখিত আছে। যেমন দেখুন লিসানুল আরব, তাজুল আরূস, কিতাবুল আইন, আল-মুজামুল ওয়াসীত, তাহযীবুল লুগাহ, কিতাবুল কুল্লিয়াত ইত্যাদি। দারুল উলূম দেওবন্দের সাবেক আদবের (আরবী সাহিত্য) উস্তাদ মাওলানা ওয়াহীদুয যামান কাসেমী কিরানবী রহিমাহুল্লাহ 'যিরা'-এর এই অর্থ লিখেছেন যে, 'কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত'। অভিধানের উপরোল্লিখিত গ্রন্থগুলি দ্বারা প্রতীয়মান হল যে, কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়। আর বুখারীর উল্লিখিত হাদীসে বাম হাতের 'যিরা' অর্থাৎ কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত পুরো অংশের উপর ডান হাত রাখার হুকুম রয়েছে। এখন যদি এই হাদীসের উপর আমল করতে গিয়ে ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা' (কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত)-এর উপর রাখেন তাহলে উভয় হাত স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বুকের উপর এসে যাবে। বাস্তবে অনুশীলন করে দেখুন।

টিকাঃ
৩. দেখুন: আল্লামা বদীউদ্দীন শাহ রাশিদী রচিত নামায মে খুশূ আওর আজিযী পৃ. ৭-৮।
৪. দেখুন: তার রচিত গ্রন্থ আল-কামূসুল জাদীদ (আরবী-উর্দু) পৃ. ৩০৮, কুতুব খানায়ে হুসাইনিয়াহ দেওবন্দ, ইউপি।

এই হাদীসে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা'-এর উপর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যিরা দ্বারা মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত অংশকে বলা হয়। যেমন- হারবী রচিত গরীবুল হাদীস গ্রন্থে আছে ‘কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়’। এছাড়াও অভিধানের গ্রন্থগুলিতেও যিরা-এর এই অর্থটিই লিখিত আছে। যেমন দেখুন লিসানুল আরব, তাজুল আরূস, কিতাবুল আইন, আল-মুজামুল ওয়াসীত, তাহযীবুল লুগাহ, কিতাবুল কুল্লিয়াত ইত্যাদি। দারুল উলূম দেওবন্দের সাবেক আদবের (আরবী সাহিত্য) উস্তাদ মাওলানা ওয়াহীদুয যামান কাসেমী কিরানবী রহিমাহুল্লাহ 'যিরা'-এর এই অর্থ লিখেছেন যে, 'কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত'। অভিধানের উপরোল্লিখিত গ্রন্থগুলি দ্বারা প্রতীয়মান হল যে, কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুলের শেষ পর্যন্ত অংশকে যিরা বলা হয়। আর বুখারীর উল্লিখিত হাদীসে বাম হাতের 'যিরা' অর্থাৎ কনুই হতে শুরু করে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত পুরো অংশের উপর ডান হাত রাখার হুকুম রয়েছে। এখন যদি এই হাদীসের উপর আমল করতে গিয়ে ডান হাতকে বাম হাতের 'যিরা' (কনুই থেকে মধ্যমা আঙ্গুল পর্যন্ত)-এর উপর রাখেন তাহলে উভয় হাত স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বুকের উপর এসে যাবে। বাস্তবে অনুশীলন করে দেখুন।

টিকাঃ
৩. দেখুন: আল্লামা বদীউদ্দীন শাহ রাশিদী রচিত নামায মে খুশূ আওর আজিযী পৃ. ৭-৮।
৪. দেখুন: তার রচিত গ্রন্থ আল-কামূসুল জাদীদ (আরবী-উর্দু) পৃ. ৩০৮, কুতুব খানায়ে হুসাইনিয়াহ দেওবন্দ, ইউপি।

📘 সালাতে হাত বাঁধার স্থান বিভ্রান্তি নিরসন > 📄 আপনার মিশন

📄 আপনার মিশন


এ গ্রন্থটিতে যা পাবেন তার কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হল :
(১) মুহতারাম লেখক প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে মোট ৬ জন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস পেশ করেছেন। আল-হামদুলিল্লাহ। অতঃপর তিনি ৪ জন সাহাবী থেকে আসার পেশ করেছেন এবং আলী (রাযি.)-এর আমল তুলে ধরেছেন। সবগুলো হাদীসেরই অত্যন্ত দীর্ঘ ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেছেন।
(২) দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে হানাফীদের দলীলসমূহ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন। প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে একজন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস নিয়ে এনেছেন এবং সেটিকে জাল প্রমাণ করেছেন। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে ৪ জন সাহাবী থেকে নাভীর নিচে হাত বাঁধার হাদীস উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলোকে বাতিল প্রমাণ করেছেন।
(৩) তৃতীয় অধ্যায়ে তাবেঈ, ইমাম চতুষ্টয় প্রমূখের মতামত উল্লেখ করেছেন।
(৪) চতুর্থ অধ্যায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দলীলসমূহ উপস্থাপন করেছেন।

এ গ্রন্থটিতে যা পাবেন তার কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হল :
(১) মুহতারাম লেখক প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে মোট ৬ জন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস পেশ করেছেন। আল-হামদুলিল্লাহ। অতঃপর তিনি ৪ জন সাহাবী থেকে আসার পেশ করেছেন এবং আলী (রাযি.)-এর আমল তুলে ধরেছেন। সবগুলো হাদীসেরই অত্যন্ত দীর্ঘ ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেছেন।
(২) দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে হানাফীদের দলীলসমূহ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন। প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে একজন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস নিয়ে এনেছেন এবং সেটিকে জাল প্রমাণ করেছেন। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে ৪ জন সাহাবী থেকে নাভীর নিচে হাত বাঁধার হাদীস উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলোকে বাতিল প্রমাণ করেছেন।
(৩) তৃতীয় অধ্যায়ে তাবেঈ, ইমাম চতুষ্টয় প্রমূখের মতামত উল্লেখ করেছেন।
(৪) চতুর্থ অধ্যায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দলীলসমূহ উপস্থাপন করেছেন।

এ গ্রন্থটিতে যা পাবেন তার কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হল :
(১) মুহতারাম লেখক প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে মোট ৬ জন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস পেশ করেছেন। আল-হামদুলিল্লাহ। অতঃপর তিনি ৪ জন সাহাবী থেকে আসার পেশ করেছেন এবং আলী (রাযি.)-এর আমল তুলে ধরেছেন। সবগুলো হাদীসেরই অত্যন্ত দীর্ঘ ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেছেন।
(২) দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে হানাফীদের দলীলসমূহ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন। প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে একজন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস নিয়ে এনেছেন এবং সেটিকে জাল প্রমাণ করেছেন। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে ৪ জন সাহাবী থেকে নাভীর নিচে হাত বাঁধার হাদীস উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলোকে বাতিল প্রমাণ করেছেন।
(৩) তৃতীয় অধ্যায়ে তাবেঈ, ইমাম চতুষ্টয় প্রমূখের মতামত উল্লেখ করেছেন।
(৪) চতুর্থ অধ্যায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দলীলসমূহ উপস্থাপন করেছেন।

এ গ্রন্থটিতে যা পাবেন তার কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হল :
(১) মুহতারাম লেখক প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে মোট ৬ জন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস পেশ করেছেন। আল-হামদুলিল্লাহ। অতঃপর তিনি ৪ জন সাহাবী থেকে আসার পেশ করেছেন এবং আলী (রাযি.)-এর আমল তুলে ধরেছেন। সবগুলো হাদীসেরই অত্যন্ত দীর্ঘ ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেছেন।
(২) দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে হানাফীদের দলীলসমূহ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন। প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে একজন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস নিয়ে এনেছেন এবং সেটিকে জাল প্রমাণ করেছেন। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে ৪ জন সাহাবী থেকে নাভীর নিচে হাত বাঁধার হাদীস উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলোকে বাতিল প্রমাণ করেছেন।
(৩) তৃতীয় অধ্যায়ে তাবেঈ, ইমাম চতুষ্টয় প্রমূখের মতামত উল্লেখ করেছেন।
(৪) চতুর্থ অধ্যায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দলীলসমূহ উপস্থাপন করেছেন।

এ গ্রন্থটিতে যা পাবেন তার কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হল :
(১) মুহতারাম লেখক প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে মোট ৬ জন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস পেশ করেছেন। আল-হামদুলিল্লাহ। অতঃপর তিনি ৪ জন সাহাবী থেকে আসার পেশ করেছেন এবং আলী (রাযি.)-এর আমল তুলে ধরেছেন। সবগুলো হাদীসেরই অত্যন্ত দীর্ঘ ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেছেন।
(২) দ্বিতীয় অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে হানাফীদের দলীলসমূহ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন। প্রথম অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে একজন সাহাবী থেকে মারফু হাদীস নিয়ে এনেছেন এবং সেটিকে জাল প্রমাণ করেছেন। দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে ৪ জন সাহাবী থেকে নাভীর নিচে হাত বাঁধার হাদীস উল্লেখ করেছেন এবং সেগুলোকে বাতিল প্রমাণ করেছেন।
(৩) তৃতীয় অধ্যায়ে তাবেঈ, ইমাম চতুষ্টয় প্রমূখের মতামত উল্লেখ করেছেন।
(৪) চতুর্থ অধ্যায়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দলীলসমূহ উপস্থাপন করেছেন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00