📄 আল্লাহ তায়ালাকে দৃঢ়ভাবে ধারণের বৈশিষ্ট্য
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তা গ্রহণ করতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দেয়া উপহারকে তথা সুন্নাতকে ছোট-খাটো বলে উপহাস করা এবং তুচ্ছ করা কুফরী। বর্তমানে সলাতের বেশ কিছু মাসলা নিয়ে তিন ধরনের মতবাদধারী গোষ্ঠী দেখা যায়। প্রথম দল বলেন, 'এসব বিতর্কিত বিষয়ে সহীহ হাদীসই একমাত্র সমাধান'। দ্বিতীয় দল বলেন, 'মাযহাবে যা আছে তাই মানতে হবে'। তৃতীয় দল বলেন, 'যার যেটা মন চায় মানুক। এসব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করা ফেতনা'।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে যা কিছু দিয়েছেন তা গ্রহণ করতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দেয়া উপহারকে তথা সুন্নাতকে ছোট-খাটো বলে উপহাস করা এবং তুচ্ছ করা কুফরী। বর্তমানে সলাতের বেশ কিছু মাসলা নিয়ে তিন ধরনের মতবাদধারী গোষ্ঠী দেখা যায়। প্রথম দল বলেন, 'এসব বিতর্কিত বিষয়ে সহীহ হাদীসই একমাত্র সমাধান'। দ্বিতীয় দল বলেন, 'মাযহাবে যা আছে তাই মানতে হবে'। তৃতীয় দল বলেন, 'যার যেটা মন চায় মানুক। এসব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করা ফেতনা'।
📄 আল্লাহ তায়ালার শুকুরগুজার হওয়া
মোট চারটি অধ্যায় সন্নিবেশিত এ গ্রন্থে তিনি তাহকীকী আলোচনা দ্বারা প্রমাণ করেছেন যে, বুকে হাত বাঁধাই হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম রাযিআল্লাহু আনহুমদের আমল। নাভীর নিচে হাত বাঁধার কোন গ্রহণযোগ্য হাদীস নেই। সুতরাং এ আমল বর্জনযোগ্য। আধুনিক বিশ্বে যারা এ বিষয়ে অসাধারণ খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন তাদের একজন হলেন শায়েখ কেফায়াতুল্লাহ সানাবেলী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি একজন তরুণ আহলে হাদীস আলেম। বিদআত ও বিদাআতীদের খণ্ডনে তিনি খুবই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
মোট চারটি অধ্যায় সন্নিবেশিত এ গ্রন্থে তিনি তাহকীকী আলোচনা দ্বারা প্রমাণ করেছেন যে, বুকে হাত বাঁধাই হল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরাম রাযিআল্লাহু আনহুমদের আমল। নাভীর নিচে হাত বাঁধার কোন গ্রহণযোগ্য হাদীস নেই। সুতরাং এ আমল বর্জনযোগ্য। আধুনিক বিশ্বে যারা এ বিষয়ে অসাধারণ খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন তাদের একজন হলেন শায়েখ কেফায়াতুল্লাহ সানাবেলী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি একজন তরুণ আহলে হাদীস আলেম। বিদআত ও বিদাআতীদের খণ্ডনে তিনি খুবই দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
📄 আল্লাহ তায়ালার ইবাদত
নামাযে উভয় হাতকে বুকের উপর রাখা সুন্নাত-এর অনুচ্ছেদ। নতুন বিষয় আবিষ্কার করা নিষেধ মর্মে আলেমগণ যা বলেছেন তার দ্বারা তারা গায়ের মানসূস বিষয়ের ক্ষেত্রে ইজতিহাদ করতে গিয়ে নতুন মতকে প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। কিন্তু বুকের উপর হাত বাঁধা ইজতিহাদী বিষয় নয়। বরং এ সম্পর্কে সরীহ নস বিদ্যমান। যার সম্মুখে ইজতিহাদের কোনই অবকাশ নেই। সুতরাং বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে বলা কোন ফতওয়াবাজী কিংবা ইজতিহাদী বিষয় নয়। বরং সরীহ নসের পরিপূর্ণ আনুগত্য।
নামাযে উভয় হাতকে বুকের উপর রাখা সুন্নাত-এর অনুচ্ছেদ। নতুন বিষয় আবিষ্কার করা নিষেধ মর্মে আলেমগণ যা বলেছেন তার দ্বারা তারা গায়ের মানসূস বিষয়ের ক্ষেত্রে ইজতিহাদ করতে গিয়ে নতুন মতকে প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। কিন্তু বুকের উপর হাত বাঁধা ইজতিহাদী বিষয় নয়। বরং এ সম্পর্কে সরীহ নস বিদ্যমান। যার সম্মুখে ইজতিহাদের কোনই অবকাশ নেই। সুতরাং বুকের উপর হাত বাঁধার পক্ষে বলা কোন ফতওয়াবাজী কিংবা ইজতিহাদী বিষয় নয়। বরং সরীহ নসের পরিপূর্ণ আনুগত্য।
📄 ইবাদতে আন্তরিকতা
নাভীর নিচে হাত বাঁধা নম্রতা ও সম্মানের আলামত। আরয রইল, পুরো দুনিয়াতে কোথাও এই অবস্থানকে সম্মানের আলামত বলা হয় নি। বরং একে বেআদবী মনে করা হয়। এর বিপরীতে বুকে হাত বাঁধাকে অবশ্যই সম্মানের একটি পদ্ধতি গণ্য করা হয়। যেমনটা অভিধানের গ্রন্থে রয়েছে। যেমন আল-মুজামুল ওয়াসীত গ্রন্থে রয়েছে যে, (كفر) لسيده انحنى ووضع يده على صدرে وطأطأ رأسه كالركوع تَعْظِيمًا لَهُ - 'সে তার মনীবকে সম্মান করল। অর্থাৎ তার সম্মানে স্বীয় হাত বুকে রেখে মাথা অবনত করে ঝুঁঁকিয়েছে'।
টিকাঃ
৭৩০. আল-মুজামুল ওয়াসীত ২/৭৯১, ৭৯২।
নাভীর নিচে হাত বাঁধা নম্রতা ও সম্মানের আলামত। আরয রইল, পুরো দুনিয়াতে কোথাও এই অবস্থানকে সম্মানের আলামত বলা হয় নি। বরং একে বেআদবী মনে করা হয়। এর বিপরীতে বুকে হাত বাঁধাকে অবশ্যই সম্মানের একটি পদ্ধতি গণ্য করা হয়। যেমনটা অভিধানের গ্রন্থে রয়েছে। যেমন আল-মুজামুল ওয়াসীত গ্রন্থে রয়েছে যে, (كفر) لسيده انحنى ووضع يده على صدرে وطأطأ رأسه كالركوع تَعْظِيمًا لَهُ - 'সে তার মনীবকে সম্মান করল। অর্থাৎ তার সম্মানে স্বীয় হাত বুকে রেখে মাথা অবনত করে ঝুঁঁকিয়েছে'।
টিকাঃ
৭৩০. আল-মুজামুল ওয়াসীত ২/৭৯১, ৭৯২।